জনসভা
এটা শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচন নয়, দেশ পুনর্গঠনের নির্বাচন: তারেক রহমান
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ১২ তারিখে নির্বাচন। এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করার নির্বাচন নয়, এই নির্বাচন হবে দেশকে পুনর্গঠিত করার নির্বাচন। গত এক যুগ ধরে বাংলাদেশের মানুষ তাদের যেমন রাজনৈতিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারে নাই, কথা বলার স্বাধীনতা পায় নাই, একইভাবে তারা অর্থনৈতিকভাবে অনেক পিছিয়ে পড়েছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠে এক বিশাল জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, আজ বহু বছর পর আমি ঠাকুরগাঁওয়ের মাটিতে আসতে পেরেছি। আগে প্রতি বছর শীতের সময় ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় এলাকায় আসতাম, গ্রামে যেতাম। শীতের সময় আসতাম গরম কাপড় ও কম্বল নিয়ে। আজ আপনাদের কাছে এসেছি ভিন্ন এক পরিস্থিতিতে। ১২ তারিখ নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ তাদের যে অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, সেই অধিকার তারা প্রয়োগ করবে।
মঞ্চের পাশে বসা কিছু মানুষের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, এই মানুষগুলোর স্বজনেরা গুম-খুনের শিকার হয়েছেন। গত এক যুগ থেকে তাদের স্বজনেরা অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। নিজেরাও বিভিন্নভাবে অত্যাচারিত, নির্যাতিত হয়েছেন। আজ মানুষের সেই হারিয়ে যাওয়া অধিকার প্রয়োগ করার সময় এসেছে।
যুবক ও তরুণদের উদ্দেশে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, যুবক ও তরুণদের যেভাবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার কথা ছিল, তা হয়নি। দেশের যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ শ্রমিক হিসেবে গড়ে তোলা উচিত ছিল, সেই কাজটিও হয় নাই।
তারেক রহমান আরও বলেন, মা-বোনদের, নারীদের মূল্যায়ন করার জন্য স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার কথা ছিল সেটিও হয় নাই। দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা হচ্ছে নারী। এই নারীদের যদি আমরা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে না পারি, তাহলে কোনোভাবেই দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সেই জন্যই খালেদা জিয়া মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা বিনামূল্যে করে দিয়েছিলেন। আজ দেশের লাখ লাখ নারী শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়েছেন।
কৃষকদের বিষয়ে তিনি বলেন, কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে যে সহযোগিতা করা উচিত ছিল, সেই কাজটিও করে নাই বিগত স্বৈরাচারী সরকার। আজ সময় এসেছে, ১২ তারিখের নির্বাচনে আমরা জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচন করব, একই সঙ্গে আমরা দেশ পুণর্গঠনেও হাত দেব।
এই রাজনীতিক বলেন, দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চাই, দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই। এই কাজ করতে হলে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ দেশের মালিক জনগণ। তাই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ধানের শীষে ভোট চাই।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, চিনিকলসহ এই অঞ্চলের শিল্প কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা হবে। ঠাকুরগাঁও ক্যাডেট কলেজ করার চেষ্টা করবে বিএনপি। এছাড়া হিমাগার তৈরি করা হবে, যেন কৃষক তাদের পণ্য সংরক্ষণ করতে পারেন। পাশাপাশি বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে আইটি সেক্টর হাব তৈরি করা হবে। পাশাপাশি সরকার গঠন করলে যত দ্রুত সম্ভব এই এলাকার বিমানবন্দর চালু করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান।
তিনি আরও বলেন, দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে, প্রতিটি মানুষকে বিচার করা হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে, ধর্মের ভিত্তিতে নয়।
নিরাপদ দেশ গড়ার শপথ নিয়ে তিনি বলেন, সবাই একসঙ্গে দেশকে গড়ে তুলবো। শেষে তিনি এই এলাকার উন্নয়নসহ দেশের উন্নয়নে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।
সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে বাঁচাতে গোটা দেশ তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে। কঠিন সময়ে তিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাকে শতভাগ সমর্থন দিতে হবে।
সমাবেশে ঠাকুরগাঁও-১, ২, ৩, পঞ্চগড়-২ এবং দিনাজপুর- ১ আসনের বিএনপির প্রার্থীরাও বক্তব্য দেন।
৯ দিন আগে
রাজশাহীতে পদ্মা ব্যারেজ পুনরুজ্জীবিত করার আশ্বাস তারেক রহমানের
রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষি বিপ্লবকে টেকসই করতে থমকে যাওয়া পদ্মা ব্যারেজ ও বরেন্দ্র প্রকল্প উন্নয়ন পুনরুজ্জীবিত করার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ জয়যুক্ত হলে এই প্রকল্পের সুফল রাজশাহী থেকে শুরু হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা ময়দানে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উত্তরবঙ্গের কৃষি ও অর্থনীতি নিয়ে এই মেগা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
তারেক রহমান বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে শুরু হওয়া খাল খনন কর্মসূচি এবং পরবর্তীতে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার শাসনামলে গৃহীত বিশাল সেচ প্রকল্পগুলো উত্তরবঙ্গের কৃষিকে সমৃদ্ধ করেছিল।
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, পদ্মা নদীকে কেন্দ্র করে যে বিশাল সেচ প্রকল্পের নিজস্ব বাজেট ছিল প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা, গত ১৬ বছরে সেটি পরিকল্পিতভাবে থামিয়ে রাখা হয়েছে। ফলে আজ সেই প্রকল্প বন্ধপ্রায়। আমরা পদ্মা ব্যারেজের কাজে হাত দিতে চাই। আমাদের লক্ষ্য হলো এই ঐতিহাসিক প্রকল্পটিকে আবার পূর্ণ শক্তিতে সচল করা।
উত্তরবঙ্গের কৃষকদের আশ্বস্ত করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এই সেচব্যবস্থা শুধু রাজশাহীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এই প্রকল্পের সুবিধা রাজশাহী থেকে শুরু করে সেই পঞ্চগড় পর্যন্ত কৃষকরা যেন পায়, সেই ব্যবস্থা আমরা করব।
তিনি বলেন, উৎপাদন বাড়লে কৃষকের আয় বাড়বে, আর কৃষক হাসলে হাসবে বাংলাদেশ। আমরা চাই উত্তরের প্রতিটি প্রান্তরে সেচের পানি পৌঁছে যাক, যাতে আমাদের মায়েরা ও কৃষাণীরা সমৃদ্ধির মুখ দেখতে পান।
তারেক রহমান বলেন, কৃষক ভালো থাকলে দেশের মানুষ ভালো থাকবে। এজন্য আমরা কৃষি কার্ড দেব। আমরা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সূদসহ মওকুফ করব।
রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমচাষিদের দুর্দশার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে আম সংরক্ষণের কোনো আধুনিক ব্যবস্থা নেই। আমরা ক্ষমতায় গেলে আমের জন্য বিশেষায়িত কোল্ড স্টোরেজ বা গুদাম তৈরি করব। এতে চাষিরা মৌসুমে আম পচে যাওয়ার ভয় থেকে মুক্তি পাবেন এবং নায্যমূল্য নিশ্চিত হবে।
সেচ প্রকল্পের পাশাপাশি তারেক রহমান এই অঞ্চলে যাতায়াত ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের জন্য পদ্মা নদীর ওপর নতুন একটি পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি জানান, এটি হবে উত্তরবঙ্গের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। এছাড়া প্রান্তিক নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য প্রতিটি পরিবারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে মা-বোনেরা সরাসরি সরকারি সুবিধা পাবেন, যা দিয়ে তারা স্বাবলম্বী হতে পারবেন।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আজ কারো সমালোচনা করতে চাই না। কিন্তু একটি কথা বলতে চাই, বিএনপির বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে সরকাকে বলবো, আপনারা সঠিক তদন্ত করে বের করুন।
২২ বছর পর রাজশাহীর জনসভায় তারেক রহমানের সশরীরে উপস্থিতি নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। জনসভায় তিনি উপস্থিত দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দেন এই উন্নয়নের বার্তা প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে। তিনি বলেন, ‘ধানের শীষ শুধু একটি প্রতীক নয়, এটি উত্তরবঙ্গের কৃষকের ভাগ্য বদলের চাবিকাঠি।’
সমাবেশে রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলার বিভিন্ন পর্যায় থেকে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটে।
এর আগে, দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিমানে করে ঢাকা থেকে রাজশাহীতে পৌঁছান তারেক রহমান। এরপর নগরীর দরগাপাড়ায় হজরত শাহ মখদুম (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করে রাজশাহীর মাদরাসা মাঠের জনসভায় যোগ দেন।
১৮ দিন আগে
বেকারদের ভাতা দিলে বেকারত্ব বাড়বে, আমরা কর্মসংস্থান করব: ডা. শফিকুর
বেকারদের বেকারভাতা দিলে দেশে বেকারত্ব বেড়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, আমরা নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করে বেকারদের সাবলম্বী করে তুলব।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে যশোরের ঐতিহাসিক ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের আমির এসব কথা বলেন।
জনসভায় শফিকুর রহমান বলেন, ‘একটা দল সরকারে আসার আগে ১০ টাকা কেজি দরে চাল খাওয়ার কথা বলছে। বলছে কৃষক কার্ড দেবে, দেবে বেকারভাতা। ওই সব ধোঁকা আর বাংলাদেশের জনগণ দেখতে চায় না। বেকারদের বেকারভাতা দিলে বেকারত্ব বেড়ে যাবে। আমরা নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করে বেকারদের সাবলম্বী করে তুলব।’
তিনি বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ তাআলা যদি আমাদের দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেন, আমরা এই যশোরকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করব, ৫শ’ বেড হাসপাতাল, ভবদহ সমস্যার সমাধান করা হবে। যশোরবাসীর এসব ন্যায্য অধিকার।’
পরে তিনি যশোরের বিভিন্ন আসনে জামায়াতের সংসদ সদস্য প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের হাতে দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা তুলে দেন।
২০ দিন আগে
নির্বাচনি জনসভা: আগামীকাল কুষ্টিয়ায় যাচ্ছেন জামায়াত আমির
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ উপলক্ষে নির্বাচনি সমাবেশ করতে আগামীকাল (সোমবার) কুষ্টিয়ায় যাচ্ছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে কুষ্টিয়া জেলা জামায়াত এ তথ্য জানায়।
জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির ও কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আব্দুল গফুর জানান, সোমবার (২৬ জানুয়ারি) কুষ্টিয়ার শহিদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে জামায়াতের নির্বাচনি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
সমাবেশটি সকাল ৯টায় শুরু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, জামায়াত আমির হেলিকপ্টারে চড়ে কুষ্টিয়ায় আসবেন। তিনি পুলিশ লাইনসের হেলিকপ্টার প্যাডে অবতরণ করে সেখান থেকে সরাসরি স্টেডিয়ামে যাবেন। এরপর সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে ডা. শফিকুর রহমান সমাবেশের মঞ্চে উপস্থিত হবেন। কর্মসূচি শেষে মেহেরপুরের উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি।
আব্দুল গফুর বলেন, সমাবেশ সফল করতে মাঠে মঞ্চ প্রস্তুত ও নিরাপত্তাসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনার কাজ ইতোমধ্যেই প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। আজকের মধ্যেই বাকি প্রস্তুতিমূলক কাজ শেষ করা হবে। সমাবেশে নারী-পুরুষ মিলিয়ে বিশাল জনসমাগম ঘটবে। সমাবেশটি যেন সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়, সে লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
একই দিনে ডা. শফিকুর রহমান কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ জেলা সফর করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সুজা উদ্দিন জোয়াদ্দর, শহর জামায়াতের আমির এনামুল হকসহ জামায়াতের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
২২ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাবেন তারেক রহমান, গণজোয়ারের প্রস্তুতি জেলা বিএনপির
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২২ জানুয়ারি সিলেট সফর শেষে সড়কপথে ঢাকায় ফেরার পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কুট্টাপাড়ায় আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন। এই জনসভাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়াজুড়ে দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
এ উপলক্ষে শনিবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জেলা বিএনপির উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে জনসভা ঘিরে সার্বিক প্রস্তুতি, সাংগঠনিক কার্যক্রম ও প্রত্যাশিত জনসমাগম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় বিএনপির অর্থনীতিবিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সভাপতি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।
তিনি বলেন, সিলেটে মাজার জিয়ারত শেষে ঢাকায় ফেরার পথে সরাইলে তারেক রহমানের এই জনসভা গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নতুন গতি সঞ্চার করবে। তারেক রহমানকে বরণ করে নিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
খালেদ হোসেন বলেন, জনসভা সফল করতে জেলা বিএনপি সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। মঞ্চ নির্মাণ, আধুনিক শব্দব্যবস্থা স্থাপন, শৃঙ্খলা রক্ষা, স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। সরাইলসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ৪ থেকে ৫ লাখ নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি প্রত্যাশা করছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল হক খোকন, সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, সহ-সভাপতি এ বি এম মমিনুল হক, জেষ্ঠ্য যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলী আজম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাইনুল ইসলাম চপলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।
জেলা বিএনপি নেতারা আশা প্রকাশ করেন, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে অনুষ্ঠিতব্য এই জনসভা গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন প্রত্যাশা সৃষ্টি করবে।
২৮ দিন আগে
ঠাকুরগাঁওয়ে ফখরুলের জনসভা, সাক্ষাৎ করবেন আবু সাঈদের পরিবারের সঙ্গেও
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মঙ্গলবার নিজ শহর ঠাকুরগাঁওয়ে জনসভায় যোগ দেবেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১০টায় গুলশানের বাসা থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের উদ্দেশে রওনা হবেন বিএনপি মহাসচিব।
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিয়েই পরিস্থিতির উন্নতির আশ্বাস পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
বিকাল সাড়ে ৩টায় গোড়েয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে 'ঐক্য ও সম্প্রীতি সমাবেশে' যোগ দেবেন তিনি।
পরে বিকাল ৪টায় রুহিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আরেকটি জনসভায় যোগ দেবেন মির্জা ফখরুল।
পরদিন বুধবার (১৪ আগস্ট) বেলা ১১টায় শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন তিনি। পরে রংপুরের পীরগঞ্জে জনসভায় যোগ দেবেন।
আরও পড়ুন: পুলিশ স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করলে সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফেরত যাবে: সেনাপ্রধান
সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সময় দেওয়া হয়েছে: মির্জা ফখরুল
৫৫৩ দিন আগে
ফরিদপুরে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দেবেন শেখ হাসিনা
আগামীকাল মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) ফরিদপুরে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দেবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
বিকাল ৩টায় ফরিদপুর জেলা শহরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে জনসভাকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠের পূর্ব পাশে একটি অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে।
ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. ইশতিয়াক আরিফ জানান, আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর সফরকে সামনে রেখে নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে শহরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
জেলা শহরে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি জনসভায় আসা পুরুষ ও নারী সমর্থকদের জন্য আলাদা বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এছাড়া রাস্তার পাশে গাছ ও সমাবেশস্থল রঙ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: নির্বাচনী প্রচারে আওয়ামী লীগের টেলিগ্রাম চ্যানেল চালু
প্রায় ১ লাখ লোকের সমাগম হবে বলে আশা করছেন ইশতিয়াক।
এতে সভাপতিত্ব করবেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ফরিদপুর-৩ আসনের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শামীম হক।
এছাড়াও আওয়ামী লীগ সমর্থিত ফরিদপুরের আরও তিনটি আসনের প্রার্থীরা সেখানে উপস্থিত থাকবেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৭ সালের ২৯ মার্চ ফরিদপুর সফর করেন এবং একই স্থানে এক জনসভায় ভাষণ দিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন: নির্বাচনী জোয়ারে বিএনপির নেতা-কর্মী সমর্থকরাও শামিল হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী
৭৭৭ দিন আগে
আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের ভোট দিন: সিলেটে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী
জনগণকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন দলের প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার (২০ ডিসেম্বর) সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।
শেখ হাসিনা সমবেত জনতাকে জিজ্ঞেস করেন, 'আপনারা কি আমাদের প্রার্থীদের (আওয়ামী লীগের) ভোট দেবেন? আপনারা হাত উচু করুন এবং আমাকে ওয়াদা দিন’।
তিনি আবারও বিরোধী দল বিএনপিকে লুটেরা, খুনি, দুর্নীতিবাজ ও এতিমদের টাকা আত্মসাৎকারী আখ্যায়িত করে আক্রমণ করেন।
আরও পড়ুন: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও সুষ্ঠু হবে: সিইসি
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচন বানচাল করার জন্য তারাই মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারছে।
এসময় মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়া অগ্নিসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য সকলের প্রতি আহ্বানও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াত চক্র জনগণের জীবন কেড়ে নিতে চায় এবং জনগণকে ভোট দিতে বাধা দিয়ে নির্বাচন বানচাল করতে চায়।
তিনি বলেন, তারা এত সাহস কোথা থেকে পায়? লন্ডনে একজন অপরাধী বসে হুকুম দেয় এবং কিছু লোক এখানে আগুন জ্বালায়, ...... সেই আগুনেই তাদের হাত পুড়ে যাবে। তিনি স্পষ্টতই যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বসবাসরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কথা বলছিলেন।
আরও পড়ুন: লন্ডন থেকে দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করছে বিএনপি-জামায়াত: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
বিএনপি ও জামায়াতের নিন্দা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারা ভেবেছিল তাদের অগ্নিসন্ত্রাসে সরকার জড়িয়ে পড়বে।’
তিনি বলেন, 'তারা ভেবেছিল কিছু অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সরকারের পতন ঘটবে। ব্যাপারটা খুব একটা সহজ নয়।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার ফলে জনগণ সুফল পাচ্ছে।
তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত সোনার বাংলা গড়ে তোলা এবং সে লক্ষ্যে আমি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
শেখ হাসিনা বলেন, তার হারানোর কিছু নেই, কারণ তিনি বাবা, মা, ভাইসহ সবকিছু হারিয়েছেন।
‘আমার এবং আমার একমাত্র ছোট বোন বেঁচে গিয়েছিলাম। সবকিছু হারিয়ে এবং আমার ছোট সন্তানদের তাদের মাতৃপ্রেম থেকে বঞ্চিত করে আমি ১৯৮১ সালে বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলাম। শুধু আমার বাবার স্বপ্ন পূরণের জন্য। স্বপ্নটি হলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে গড়ে তোলা।’
আরও পড়ুন: সিলেটে শেখ হাসিনার নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতে লাখো মানুষের ঢল
৭৮৯ দিন আগে
খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় যাওয়ার জন্য নতুন ফেরি চালু
আওয়ামী লীগের খুলনা বিভাগীয় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে আজ।
সমাবেশকে ঘিরে খুলনা জুড়ে উৎসবের আমেজ বইছে। মহাসমাবেশের জন্য নৌকার আদলে মঞ্চ তৈরিসহ ওপরে প্রতীকী পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে রূপসা ঘাটে পাঁচটি ফেরি চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: একদিন পর কুড়িগ্রামের চিলমারী নৌবন্দরে ফেরি চলাচল শুরু
শুধু রূপসা ঘাটেই নয়, জেলখানা ঘাটে তিনটি ও নগরঘাটে দুটি ফেরি চলাচল করবে। সবমিলিয়ে খুলনার তিনটি ঘাটে ১০টি ফেরি চলাচল করবে আজ।
খুলনা সড়ক ও জনপদ বিভাগ সওজ (ফেরি বিভাগ)’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আজম শেখ জানান, প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় নির্বিঘ্নে দলীয় নেতা-কর্মী এবং সাধারণ মানুষের আসা-যাওয়ার জন্য আমরা নদীপথে আগের চারটি ফেরির সঙ্গে আরও ছয়টি নতুন ফেরি যুক্ত করেছি।
আরও পড়ুন: চিলমারী-রৌমারী রুটে ফেরি চলাচল শুরু
৮২৬ দিন আগে
৩০ অক্টোবর ঢাকায় জনসভা করবে ১৪ দলীয় জোট: আমু
১৪ দলীয় জোট আগামী ৩০ অক্টোবর ঢাকায় জনসভা করবে বলে জানিয়েছেন জোটের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমু।
মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর ইস্কাটনে আমুর বাসভবনে জোটের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আমু বলেন, ফিলিস্তিনে গণহত্যা চলছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে। আমরা এই গণহত্যার নিন্দা জানাই। আমি অবিলম্বে এই যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা জাতিসংঘের কাছেও এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, 'আমরা লক্ষ্য করছি যে, জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যক্রম আমাদের দেশের জনগণের কাছে কাম্য নয়। আমাদের দেশের একটি পক্ষও তাদের সংবিধান বিরোধী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।
আরও পড়ুন: রাস্তা দখল ও অবরোধের হুমকি দিয়ে বিএনপির ইচ্ছা পূরণ হবে না: কাদের
তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রয়েছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। এজন্য সংবিধান অনুযায়ী আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে আমাদের জোটের সমর্থন রয়েছে। আমরা চাই সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হোক। ১৪ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নেবে।’
জোটের সমন্বয়ক বলেন, ‘১৪ দল যে কোনো জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে চায়। নির্বাচনসহ যা-ই ঘটুক না কেন, তা সংবিধানের মধ্যেই থাকতে হবে।’
আমু বলেন, ‘সংবিধানবিরোধী যেকোনো কর্মকাণ্ড আমরা প্রতিহত করবো।’
বৈঠকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বাশার মাইজভান্ডারী, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফসহ ১৪ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: গণতন্ত্র রক্ষার জন্য নয়, ধ্বংসের জন্য লড়াই করছে বিএনপি: কাদের
৮৪৬ দিন আগে