যুক্তরাষ্ট্র সফর
অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন সেনাপ্রধান
৯ দিনের সরকারি সফরে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
রবিবার (৪ অক্টোবর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গতকাল (শনিবার) তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন।
আইএসপিআর জানিয়েছে, সফরের প্রথম পর্যায়ে সেনাপ্রধান অস্ট্রেলিয়ার পার্থে অনুষ্ঠেয় ‘দ্য চিফ অব আর্মি সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড ল্যান্ড ফোর্সেস ইন্টারন্যাশনাল ডিফেন্স এক্সপোজিশন ২০২৬’-এ অংশগ্রহণ করবেন।
এছাড়া মেলবোর্নে অবস্থিত ডিকিন ইউনিভার্সিটি পরিদর্শন করবেন তিনি।
পরবর্তীতে ‘অ্যাসোসিয়েশন অব দ্য ইউএস আর্মি (এইউএসএ) অ্যানুয়াল মিটিং অ্যান্ড এক্সপোজিশন’-এ যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে যাবেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
সফরকালে সেনাপ্রধান উভয় দেশের প্রতিরক্ষা সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের পাশাপাশি বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা পরিদর্শন করবেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘ সফরে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহ্দী
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র সফরে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন এবং দেশের গণতান্ত্রিক পথযাত্রাকে তুলে ধরেছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনও বক্তব্য দেন।
মাহ্দী আমিন বলেন, দীর্ঘদিন পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি সরকারের প্রধান বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এটি গণতন্ত্রের জন্য একটি শক্তিশালী ও তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি। প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জাতীয় স্বার্থ অটুট রেখেছেন, সর্বোচ্চভাবে তা সুরক্ষা দিয়েছেন এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পথযাত্রাকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র তারেক রহমানের জাতিসংঘ সফরকে ঐতিহাসিক হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, সফরটি ছিল সংক্ষিপ্ত। বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে এক দিন, ফেরার পথে এক দিন এবং যুক্তরাষ্ট্রে চার দিন অবস্থান করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি আরও জানান, চার দিনে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ৩০টি কর্মসূচিতে অংশ নেন। এর বাইরে আরও কিছু অনানুষ্ঠানিক বৈঠক ও কর্মসূচিতেও অংশ নেন তিনি। ১১টি দেশের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন, ছয়টি বক্তব্য দেন এবং একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলের সদস্যরা চার দিনের সফরে প্রায় ৫০টি পৃথক বৈঠকে অংশ নেন।
সার্বিকভাবে সফরকালে বাংলাদেশ ৮০টির বেশি পৃথক দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করেছে বলেও জানান উপদেষ্টা।
সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের জনকল্যাণ ও জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। দেশগুলো হলো পাকিস্তান, ভুটান, মালদ্বীপ, কুয়েত, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, ক্রোয়েশিয়া ও হাইতি। প্রতিটি বৈঠকেই তারেক রহমান সমতা, ন্যায়বিচার ও মর্যাদার ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা করেন বলে জানিয়েছেন মাহ্দী।
প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, প্রতিটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশ অংশীদারত্ব, বিনিয়োগ ও বাণিজ্য চায়, যাতে প্রতিটি নাগরিকের জন্য স্বনির্ভরতা, স্বাবলম্বিতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করা যায়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, সফরটি বৈশ্বিক কূটনীতিতে বাংলাদেশের মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর দৃঢ় প্রত্যয়কে প্রতিফলিত করেছে এবং সমতা ও ন্যায়বিচারের মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি ভিন্ন মাত্রায় পৌঁছেছে।
মাহ্দী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের আত্মমর্যাদা, আত্মবিশ্বাস ও পরিচয় প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং সফরের পুরোটা সময় দেশের স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও স্বনির্ভরতার পথে অগ্রগতির বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান খুঁজতে আয়োজিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেন বলেও জানান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের বিষয়ে তারেক রহমান পাঁচটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরেন, যা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়।
আলোচনায় উঠে আসে, মিয়ানমারে উদ্ভূত এই সমস্যার সমাধান মিয়ানমারেই করা সম্ভব। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দুটি কাজ করতে হবে—রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য চাপ সৃষ্টি ও আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে এবং বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সহায়তায় বাংলাদেশকে আরও বেশি অর্থনৈতিক সহায়তা দিতে হবে।
রোহিঙ্গা সংকট একটি বৈশ্বিক সমস্যা এবং বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি মানবিক সহায়তা দিয়ে আসায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের উদারতার প্রশংসা করেছে বলেও জানান তিনি।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক অংশীজন ও উন্নয়ন অংশীদারদের সহযোগিতা চেয়েছেন। তারা বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বলে উপদেষ্টা জানান।
তারেক রহমানের জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার বাবা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পর পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে বৈশ্বিক এই সংস্থায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র আরও বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি এই সমন্বয়কে অভূতপূর্ব হিসেবে বর্ণনা করেন।
তারেক রহমানের ভাষণ বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন মাহ্দী আমিন।
৪ দিন আগে
সম্পর্ক জোরদার করতে ২ দিনের সফরে মিসরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শনিবার দুই দিনের সফরে মিশর পৌঁছেছেন। মূলত দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে এই সফর করেন মোদি।
চার দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে শনিবার বিকালে নরেন্দ্র মোদির ফ্লাইট কায়রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
যুক্তরাষ্ট্র সফরে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে আলোচনা করেন, দেশটির কংগ্রেসে ভাষণ দেন এবং শীর্ষ আমেরিকান ও ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
১৯৯৭ সালের পর এটাই কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম মিশর সফর।
আরও পড়ুন: ভারতে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলের আইনপ্রণেতাদের বিক্ষোভ মিছিল
এসময় মিশরের প্রধানমন্ত্রী মোস্তফা মাদবৌলি নরেন্দ্র মোদিকে অভ্যর্থনা জানান এবং দুজন অনার গার্ড পরিদর্শন করেন ও জাতীয় সঙ্গীত শোনেন।
বিমানবন্দরে স্বাগত জানানোর বিশেষ উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে মোদি টুইটারে মাদবৌলিকে ধন্যবাদ জানান।
যেখানে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ভারত-মিশর সম্পর্ক বিকশিত হোক এবং আমাদের দেশের জনগণের উপকার হোক।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রবিবার প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে বৈঠক করবেন মোদি। দুই দেশ তাদের সম্পর্ককে দৃঢ় করার লক্ষ্যে এক গুচ্ছ স্মারকলিপিতে সই করবে।
ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে আনুষ্ঠানিক অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার ছয় মাস পর মোদির এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
আরও পড়ুন: জি২০ অর্থমন্ত্রীদের 'সবচেয়ে নাজুক মানুষদের' দিকে মনোনিবেশ করার আহ্বান মোদির
২০২১-২২ সালের ৭ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পদক্ষেপে জানুয়ারিতে আল-সিসি ও মোদি একমত হন।
আল-সিসির সফরকালে দুই দেশ সাইবার নিরাপত্তা, তথ্য প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সম্প্রচারের ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও চুক্তি সই করেছে।
ভারত অশোধিত তেল, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস, লবণ, তুলা, অজৈব রাসায়নিক ও তৈলবীজসহ মিশরীয় পণ্যগুলোর শীর্ষ পাঁচটি আমদানিকারকের মধ্যে একটি।
মিশরে ভারতের প্রধান রপ্তানির মধ্যে রয়েছে- তুলা থেকে তৈরি সুতা, কফি, ভেষজ, তামাক, মসুর ডাল, গাড়ির যন্ত্রাংশ, জাহাজ, নৌকা ও বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে যে ৫০টিরও বেশি ভারতীয় কোম্পানি রাসায়নিক, জ্বালানি, টেক্সটাইল, গার্মেন্টস, কৃষি-ব্যবসা এবং খুচরা পণ্যসহ মিশরীয় অর্থনীতির বিভিন্ন অংশে প্রায় ৩ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে।
আরও পড়ুন: নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে নরেন্দ্র মোদির অভিনন্দন
১১৯৮ দিন আগে
বিএনপি আগামী নির্বাচন বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী
জেতার কোনো সম্ভাবনা না থাকায় বিএনপি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনিবলেন, ‘তারা জানে নির্বাচনে তাদের জেতার কোনো সম্ভবনা নেই। তাই তাদের চেষ্টা হলো এটাকে বিতর্কিত করা। জনগণের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা এবং যে কোনো উপায়ে তাদের (জনগণের) ক্ষতি করা।’
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে সোমবার বিকালে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরের ফলাফল শূন্য: মির্জা ফখরুল
শেখ হাসিনার বিএনপির নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘একজন (খালেদা জিয়া) এতিমের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত এবং আরেকজন (তারেক রহমান) ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলাসহ বিভিন্ন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি।’
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, ‘তারা জানে তারা জিততে পারবে না। একটা দল কীভাবে জিতে? এর নেতৃত্ব কোথায়? একজন এতিমের টাকা আত্মসাত করে সাজাপ্রাপ্ত আসামি এবং আরেকজন ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে পলাতক। তারা এখনও (দলের) নেতৃত্বে। জনগণ কোন ভরসায় তাদের ভোট দেবে।’
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমান নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
পড়ুন: বাংলাদেশ ‘উন্নয়নের বিস্ময়’: বললেন জাতিসংঘের মহাসচিব
জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনের উদ্বোধনী পর্বে প্রধানমন্ত্রী
১৮২৬ দিন আগে