বৈদেশিক-সম্পর্ক
সমস্যার সম্মানজনক সমাধান, সবার সঙ্গে পারস্পরিক লাভজনক সম্পর্ক চায় ঢাকা
নতুন সরকারের প্রতি বিদেশিদের গভীর আস্থা রয়েছে। তারা সকলেই আমাদের সঙ্গে কাজ করতে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
এদিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন এবং বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূতরা।
বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ড. খলিলুর রহমান বলেন, গতকাল থেকে আমাদের দেশের বিদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে আমরা বৈঠক শুরু করেছি। আমরা তাদের কাছে আমাদের সরকারের বৈদেশিক নীতির আউটলাইন তুলে ধরেছি। আমাদের লক্ষ্য হলো, বাংলাদেশ ফার্স্ট; সবার ওপরে থাকবে বাংলাদেশ।
তিনি বলেন, আমরা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করব, পরস্পরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করব না এবং আমাদের নীতিমালা হবে পারস্পরিক স্বার্থ ও জাতীয় মর্যাদার ওপর ভিত্তি করে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রতিটি দেশের সঙ্গে পারস্পরিক লাভজনক সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই। এখন পর্যন্ত সৌদি আরব, চীন, ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। আমি লক্ষ্য করেছি, তারা আমাদের সরকারের প্রতি গভীর আস্থা এবং আমাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রবল ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, আশা করি, আমাদের অঞ্চলের এবং বিশ্বের অন্যান্য বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে আমরা গভীর সম্পর্ক স্থাপন করতে সক্ষম হব।
খলিলুর রহমান বলেন, আমরা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করব, কিন্তু বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখব। আমাদের সব ইস্যু আমরা পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে সম্মানজনকভাবে সমাধান করব। আগামী দিনে আমরা অত্যন্ত গতিশীল বৈদেশিক নীতি পরিচালনা করতে পারব।
তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা সৌজন্যমূলক ও বন্ধুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছি। ভবিষ্যতে আমরা নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আলাপ করব, এজন্য কিছুটা সময় প্রয়োজন।
এ সময় অবিবেচনাপ্রসূত বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে উল্লেখ করে তিনি গুজব এড়িয়ে চলতে এবং বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
১৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
তিনি বলেন, চীনের রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তাকে অভিনন্দন জানান এবং ফুলের তোড়া উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।
পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ‘কৃষক কার্ড’ চালু সংক্রান্ত এক সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী।
১৪ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাতে তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎ শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘আমাদের উভয় দেশকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী এবং সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।’
এ সময় ড. খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রদূত।
এর আগে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বার্তায় বলেন, এই অঞ্চলের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা জোরদার করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নবনির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
পারস্পারিক স্বার্থের ভিত্তিতে একসঙ্গে কাজ করতে চায় ভারত: হাইকমিশনার
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আমরা ইতিবাচক, গঠনমূলক ও দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গিতে সবক্ষেত্রে আমাদের জনকেন্দ্রিক সহযোগিতা জোরদার করতে চাই। তিনি বলেছেন, নিজেদের পারস্পরিক সুবিধা ও স্বার্থের ভিত্তিতে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
হাইকমিশনার বলেন, বৈঠকটি মূলত সৌজন্য সাক্ষাৎ ও প্রাথমিক মতবিনিময় হলেও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, ইতিবাচক ও ভবিষ্যতমুখী দৃষ্টিভঙ্গিতে জনগণকেন্দ্রিক সহযোগিতা জোরদার করতে চায় নয়াদিল্লি।
তিনি বলেন, নির্বাচনের পরপরই ১৩ ফেব্রুয়ারি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন বার্তা পাঠান এবং একই দিনে তাদের মধ্যে টেলিফোনে কথোপকথন হয়।
এছাড়া ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকার শপথ নেওয়ার সময় ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ভারত সরকারের প্রতিনিধিত্ব করে ঢাকা সফর করেন। সফরকালে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রীর একটি চিঠি হস্তান্তর করেন।
প্রণয় ভার্মা বলেন, এসব উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগে বাংলাদেশ-ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভিত্তিতে বহুমাত্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠনে ভারতের সমর্থনের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।
ভিসা জটিলতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে ইতিবাচক, গঠনমূলক ও অগ্রসর চিন্তার ভিত্তিতে সব ক্ষেত্রে জনগণকেন্দ্রিক সহযোগিতা জোরদার করতে ভারত আশাবাদী।
১ দিন আগে
এক বছরে বাংলাদেশিদের ১৪ লাখ ভিসা দিয়েছে সৌদি আরব
বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া জানিয়েছেন, বাংলাদেশিদের জন্য ২০২৫ সালে ৭ লাখ ৫০ হাজার কাজের ভিসাসহ ১৪ লাখ ভিসা ইস্যু করেছে সৌদি সরকার।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা জানান।
এ সময় তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রতি শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন এবং সৌদি আরব-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেন, ২০২৫ সালে সৌদি আরব বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ৭ লাখ ৫০ হাজার কাজের ভিসা এবং সব মিলিয়ে ১৪ লাখ ভিসা জারি করেছে। সৌদি আরবে অনেক উন্নয়ন কাজ চলছে বলে দক্ষ ও আধা-দক্ষকর্মীদের কাজের সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৌদি আরবকে বাংলাদেশের এক বিশ্বস্ত ও দীর্ঘকালীন অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি স্মরণ করেন যে, ১৯৭৬ সালে সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসনামলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক শুরু হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট জিয়া ১৯৭৭ সালে সৌদি আরবে এক ঐতিহাসিক সফরও করেছিলেন। মুসলিম উম্মাহর ঐক্য প্রতিষ্ঠায় তার ঐতিহাসিক অবদানের কথা উভয় পক্ষই কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্বীকার করেন।
ড. খলিলুর রহমান মধ্যপ্রাচ্য এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সৌদি নেতৃত্বের ভূমিকার প্রশংসা করেন। বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মীকে সৌদি আরবে কাজের সুযোগ দেওয়ার জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। দুই দেশের ভূ-কৌশলগত অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানিসহ অন্যান্য অগ্রাধিকার খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
১৯৭৯ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অনুরোধে প্রায় ২ লাখ রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসনে সৌদি আরবের সহযোগিতার কথা স্মরণ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বাংলাদেশে আশ্রিত ১২ লাখ রোহিঙ্গার জন্য সৌদি আরবের নিরবচ্ছিন্ন মানবিক সহায়তার প্রশংসাও করেন তিনি। রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য সৌদি আরবের সমর্থন কামনা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সৌদি রাষ্ট্রদূত বর্তমান সরকারের প্রতি তার সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও ব্যাপক ও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
এর আগে, সৌদি রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গেও তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করে তাকে অভিনন্দন জানান। প্রতিমন্ত্রী সৌদি ‘ভিশন ২০৩০’-এর আওতায় যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সংস্কারমূলক উদ্যোগের প্রশংসা করেন। উভয় পক্ষই পারস্পরিক স্বার্থে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর বিন আবিয়া।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সাক্ষাৎকালে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক নানা ইস্যুতে আলোচনা হয়।
এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, সকালে প্রধানমন্ত্রী ৯টা ৫ মিনিটে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পৌঁছান। সেখানে মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার তাকে অভ্যর্থনা জানান।
১ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত মাইলামের মৃত্যুতে বিএনপি মহাসচিবের শোক
বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক কূটনীতিক উইলিয়াম বি মাইলাম মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সেক্রামান্টো শহরে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। এই কূটনীতিক চলতি বছরের মার্চ মাসেও ঢাকা সফর করেছিলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শোকবার্তায় উইলিয়াম বি মাইলামের মৃত্যুতে গভীর শোক জানান এবং তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
শোকবার্তায় বিএনপি মহাসচিব বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতি ও বাংলাদেশের সমসাময়িক বিষয় নিয়ে মাইলামের ছিল গভীর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা। ১৯৬২ সালে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে যোগ দেওয়া এই পেশাদার কূটনীতিক ১৯৯০ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার নিষ্ঠাবান নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছিল।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার পর হাজারো মানুষের জীবনরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ‘অপারেশন সি অ্যাঞ্জেল’ সংগঠনে উইলিয়াম বি মাইলামের অবদান স্মৃতি হয়ে থাকবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষ হওয়ার পরও তিনি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক শক্তিশালী করতে কাজ করে গেছেন। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ নিয়ে দীর্ঘদিনের এক অভিজ্ঞ ও পরিচিত কূটনীতিকের জীবনাবসান হলো।
উল্লেখ্য, কর্মজীবন শেষে অবসর গ্রহণের পরেও মাইলাম যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মতামতধর্মী ত্রৈমাসিক সাময়িকী সাউথ এশিয়া পার্সপেকটিভসের সম্পাদক ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন ‘রাইট টু ফ্রিডম’–এর প্রেসিডেন্টও ছিলেন তিনি। এছাড়া তিনি ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক চিন্তনপ্রতিষ্ঠান উইলসন সেন্টারের সিনিয়র স্কলার ছিলেন।
৩ দিন আগে
তারেক রহমানকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য ফোন করে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ৩টায় বাংলাদেশ সরকারের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বিকেল ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ফোন করে অভিনন্দন জানান।
এ সময় আনোয়ার ইব্রাহিম বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার বিষয়ে মালয়েশিয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফোন করার জন্য মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য দুই দেশ একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে জয়ী হয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
৩ দিন আগে
তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি
বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ঐতিহাসিক নির্বাচনি বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউস থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, তিনি মার্কিন জনগণের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন এবং তার সফল মেয়াদ কামনা করছেন।
চিঠিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শক্তিশালী ও সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোর সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে দুই দেশের অংশীদারত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষক ও শ্রমিকদের জন্য ইতিবাচক সুফল বয়ে আনা সম্ভব হবে। পাশাপাশি, তিনি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বাংলাদেশকে উন্নতমানের মার্কিন সামরিক সরঞ্জামে প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করতে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।
চিঠির শেষে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রীকে আগামী দিনগুলোর জন্য শুভকামনা জানান।
৪ দিন আগে
রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার ওজিল, সঙ্গে এরদোয়ানপুত্র বিলাল
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ানের পুত্র বিলাল এরদোয়ান, জার্মানির বিশ্বকাপজয়ী সাবেক ফুটবলার মেসুত ওজিল এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা টিকার চেয়ারম্যান আরন আবদুল্লাহসহ ১১ সদস্যের প্রতিনিধিদল কক্সবাজারে পৌঁছেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাংলাদেশ সফরের দ্বিতীয় দিনে বিশেষ বিমানে চড়ে তারা কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছেন। এরপর কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ে কমিশনার মহাম্মদ মিজানুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
পরে সেখানে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত ব্রিফিং করেন বিলাল এরদোয়ান। এ সময় তিনি বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সম্মানজনক এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কথা বলেন।
তিনি বলেন, তুরস্কের সরকার ও জনগণ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশে থাকবে এবং তাদের মানবিক সহায়তা দিয়ে যাবে।
সেখান থেকে তারা সড়কপথে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবির দেখতে যান। এছাড়া ক্যাম্প ৯-এ তুরস্কের ফিল্ড হাসপাতাল, ক্যাম্প ১৬-তে তুরস্কের সহযোগিতা ও সমন্বয় সংস্থার শিক্ষা-সংস্কৃতি কেন্দ্র ঘুরে দেখবেন তারা। রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবির পরিদর্শনকালে তারা একটি সংক্ষিপ্ত প্রীতি ফুটবল ম্যাচের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ করবেন। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সঙ্গে রোজার প্রথম ইফতার করবেন তারা।
৪ দিন আগে