অর্থনীতি
মিথ্যা প্রতিবেদনের মাধ্যমে দুর্বল কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে: অর্থমন্ত্রী
মিথ্যা প্রতিবেদনের মাধ্যমে দুর্বল কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে, যার ফলে যোগ্য ও মৌলিক কোম্পানিগুলো বাজারে আসার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
দেশে সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে এবং পুঁজিবাজার ও আর্থিক খাতের প্রতি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
বুধবার (২০ মে) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ফাইনান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল কর্তৃক ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) এবং ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএমএবি) যৌথ সহযোগিতায় আয়োজিত এফএআর সামিটে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এবারের সামিটের মূল প্রতিপাদ্য ছিল— ট্রাস্টওয়ার্দি ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং: হোয়াট রিয়েলি ম্যাটার্স।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, গত বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনীতি একটি অস্থির সময় পার করেছে। নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, তদারকি ব্যবস্থা ও পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাসমূহ প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়ায় আর্থিক খাতে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। এছাড়া মিথ্যা প্রতিবেদনের মাধ্যমে দুর্বল কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে, যার ফলে যোগ্য ও মৌলিক কোম্পানিগুলো বাজারে আসার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে।
আর্থিক খাতের বর্তমান সংকট উত্তরণে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন একটি ক্রসরোডে (মোড়ে) দাঁড়িয়ে আছি। বর্তমান সরকার এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যেখানে পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকবে।
তিনি বলেন, এফআরসি, আইসিএবি এবং আইসিএমএবির মতো প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে কাজ করছে, তার ওপরই অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। কোনো নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার পক্ষে প্রতিদিন ভুল বের করা সম্ভব নয়। তাই হিসাববিদদের নিজেদের এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সবার আগে ‘সেলফ-রেগুলেট’ বা স্বপ্রণোদিত নিয়ন্ত্রণের ভূমিকা নিতে হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে নিজের অতীত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বেসরকারি খাতের ওপর বিশ্বাস রেখে অতীতে বিজিএমইএকে যেভাবে ইউডি সার্টিফিকেট প্রদানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং তারা সফল হয়েছিল, ঠিক তেমনি আইসিএবি এবং আইসিএমএবি-কে কেবল বার্ষিক সাধারণ সভা বা ডিনারের আয়োজক হিসেবে সীমাবদ্ধ না থেকে তাদের সদস্যরা কীভাবে কাজ করছে এবং সঠিক অডিট করছে কি না, তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
মন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতি তৈরি হওয়া নতুন সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বলেন, বিশ্বের বড় বড় ফান্ড ম্যানেজার এবং বিনিয়োগকারীরা এখন বাংলাদেশের প্রতি ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছে। জেপি মরগ্যানসহ বিশ্বখ্যাত ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে আসতে চায়। আমরা হংকং ও লন্ডনে বাংলাদেশ ডেডিকেটেড ফান্ড ফ্লোট করার পরিকল্পনা করছি, পাশাপাশি ডোমেস্টিক বন্ড চালু করতে যাচ্ছি।
তিনি বলেন, এই বিশাল বিদেশি বিনিয়োগ বা ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট (এফডিআই) আকর্ষণের প্রথম শর্তই হলো নির্ভরযোগ্য আর্থিক প্রতিবেদন। বিনিয়োগকারীরা যদি অডিট প্রতিবেদনের ওপর আস্থা না পায়, তবে কোনো সংস্কারই কাজে আসবে না।
স্বল্পমেয়াদি সুবিধা নয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে একটি বৈশ্বিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে আর্থিক ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার জন্য পুঁজিবাজার, এনবিআর এবং আর্থিক খাতের চলমান সংস্কার কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম ভাইস প্রেসিডেন্ট বিটিএমএ। অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন এফআরসির চেয়ারম্যান ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া।
১২ ঘণ্টা আগে
রাজনৈতিক হস্তক্ষেপমুক্ত থাকবে আর্থিক খাত: অর্থমন্ত্রী
পুঁজিবাজারসহ দেশের বিনিয়োগ ও আর্থিক খাতকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশের আর্থিক খাত স্বাধীনভাবে পরিচালিত হবে এবং বিনিয়োগ ও ঋণ বরাদ্দে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করা হবে না।
মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ স্টার্ট-আপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানির (বিএসআইসি) উদ্বোধনী ফান্ড ঘোষণা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
দেশের উদ্যোক্তা খাতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে ৩৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংক যৌথভাবে বিএসআইসি চালু করেছে, যা বাংলাদেশের প্রথম প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পরিচালিত ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্ল্যাটফর্ম। প্রাথমিকভাবে ৪২৫ কোটি টাকার তহবিল নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই প্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য স্টার্টআপ খাতের বিদেশি অর্থায়নের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানো।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আর্থিক খাতে সরকার কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না। বিনিয়োগ বরাদ্দের ক্ষেত্রেও রাজনৈতিক প্রভাব থাকবে না—এটি সরকারের স্পষ্ট নীতিগত অবস্থান।
তিনি বলেন, পুঁজিবাজার ও আর্থিক খাতকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে যাতে এটি তার নিজস্ব গতিতে এগিয়ে যেতে পারে। সরকারের লক্ষ্য হলো বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন অর্থনৈতিক রূপান্তরের নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করছে, যেখানে উৎপাদনশীলতা, প্রযুক্তি ও বেসরকারি খাতের উদ্ভাবন হবে প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি।
তিনি আরও বলেন, বিএসআইসি বৈশ্বিক মানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে তরুণ উদ্যোক্তাদের সক্ষমতার প্রতি আমাদের আস্থার প্রতিফলন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশের ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানান, ৩০ জুনের পর বাংলা কিউআর কোড ছাড়া পেমেন্ট করা যাবে না।
গভর্নর আশাপ্রকাশ করে বলেন, নতুন প্রজন্মের অর্থায়নে সফল হবে স্ট্যার্টআপ কোম্পানি। পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে পারে, এমন প্রকল্প বাছাইয়ের আহ্বান জানান তিনি।
ব্যাংকগুলোর প্রাথমিক ৪২৫ কোটি টাকার বিনিয়োগের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক ভেঞ্চার ক্যাপিটালের জন্য পুনঃঅর্থায়ন তহবিল হিসেবে আরও ৫০০ কোটি টাকা দেবে।
গত পাঁচ বছরের নিট মুনাফার ১ শতাংশ অবদান রেখে ব্যাংকগুলো এ তহবিল গঠন করেছে। এটি সিড, লেট সিড ও সিরিজ-এ পর্যায়ের বিনিয়োগের জন্য ধারাবাহিক তহবিলচক্র হিসেবে পরিচালিত হবে।
বিএসআইসির চেয়ারম্যান এবং সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাশরুর আরেফিন বলেন, ২০১০ সাল থেকে ৪৫০টির বেশি চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের স্টার্টআপ খাতে ১০০ কোটির বেশি ডলার বিনিয়োগ এলেও এর ৭ শতাংশেরও কম এসেছে দেশীয় উৎস থেকে।
তিনি জানান, বিএসআইসি শুধু একটি তহবিল নয়; এটি এমন একটি প্রাতিষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম, যা স্থানীয় আস্থার সঙ্গে বৈশ্বিক ভেঞ্চার মানদণ্ডের সংযোগ ঘটাবে। প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতেও এ সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানান তিনি।
বিএসআইসি জানিয়েছে, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ তারা প্রথম তিনটি বিনিয়োগ সম্পন্ন করতে চায়। এ বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের মধ্যে একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল খাতে দেশীয় ব্যাংকগুলোর এই প্রাতিষ্ঠানিক প্রবেশ করপোরেট সুশাসনকে শক্তিশালী করবে এবং স্থানীয় স্টার্টআপগুলোকে বিদেশি অংশীদারদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে।
৮ দিন আগে
বাংলাদেশের সাফল্যের গল্প বিশ্বে তুলে ধরতে অংশগ্রহণমূলক অর্থনীতি প্রয়োজন: অর্থমন্ত্রী
বাংলাদেশের সাফল্যের গল্প বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে দলমত নির্বিশেষে সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্র কেবল রাজনীতিতে থাকলে চলবে না, অর্থনীতিতেও সাধারণ মানুষের সমান অধিকার থাকতে হবে।
বিশ্বব্যাংক ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) যৌথ উদ্যোগে রবিবার (১০ মে) ঢাকায় পিকেএসএফ অডিটরিয়ামে আয়োজিত ‘স্টেপিং ফরোওয়ার্ড: দ্য ইনঅগারেশন অব রেইজ-২’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইকোনমিক ডেমোক্র্যাটাইজেশন বা অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র কেবল রাজনীতিতে থাকলে চলবে না, অর্থনীতিতেও সাধারণ মানুষের সমান অধিকার থাকতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো দেশের প্রত্যেকটি নাগরিককে জাতীয় অর্থনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করার সুযোগ করে দেওয়া এবং উন্নয়নের সুফল সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া।
তিনি বলেন, সরকারি অর্থের জবাবদিহিতা এবং জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে জনকল্যাণমুখী ও কর্মসংস্থানবান্ধব প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগের বিপরীতে সুফল এবং পরিবেশগত সুরক্ষার শর্তগুলো পূরণ করা হবে।
এছাড়া অতীতে অপরিকল্পিতভাবে নেওয়া অলাভজনক প্রকল্প বর্তমানে পর্যালোচনা বা বাতিলের তালিকা করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
পিকেএসএফের কর্মতৎপরতার প্রশংসা করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের অর্থনৈতিক দর্শন এবং পিকেএসএফের কার্যক্রমের মধ্যে মিল রয়েছে। পিকেএসএফের কাজের পরিধি আরও বৈচিত্র্যময় করার আহ্বান জানান তিনি। বিশেষ করে সরকারের নতুন উদ্যোগ, যেমন: ইউনিভার্সাল হেলথ কেয়ার, শিক্ষা এবং সামাজিক সুরক্ষা খাতের প্রসারে পিকেএসএফের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আমির খসরু বলেন, সরকার সরাসরি নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। পরিবারের বাজেট রক্ষক হিসেবে নারীদের সরাসরি অর্থ স্থানান্তর করার মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতে চাহিদা বৃদ্ধি এবং সঞ্চয় প্রবণতা তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কৃষকদের জন্য সরাসরি সেবা এবং স্বাস্থ্য খাতে সহায়তার বিষয়েও সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অর্থমন্ত্রী দেশের কামার-কুমার, তাঁতি এবং ক্ষুদ্র শিল্পীদের কথা তুলে ধরে বলেন, আমরা ‘ওয়ান ভিলেজ ওয়ান প্রোডাক্ট’ (একটি গ্রাম, একটি পণ্য) ধারণাটি বাস্তবায়ন করতে চাই। যেমন: বরিশালের শীতল পাটিকে নকশায় সহায়তা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং অ্যামাজন বা আলিবাবার মতো গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে নেওয়া যায়, তবে তা জিডিপিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। এছাড়া থিয়েটার, খেলাধূলা এবং গানকে শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে জিডিপিতে এগুলোর অবদান বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, অতীতের অর্থনৈতিক বোঝা এবং বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের সাফল্যের গল্প বিশ্বে তুলে ধরতে হলে দলমত নির্বিশেষে সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের (আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ) সচিব নাজমা মোবারেক। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত ডিভিশন ডাইরেক্টর ড. গেইল এইচ মার্টিন, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ, পিকেএসএফের কর্মকর্তা এবং রেইজ প্রকল্পের তৃণমূল পর্যায়ের অংশগ্রহণকারীগণ।
১০ দিন আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হওয়া মানবতাবিরোধী মামলাগুলো যাচাই-বাছাই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর, অর্থাৎ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে হওয়া মানবতাবিরোধী মামলাগুলো যাচাই-বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এজন্য জেলা পর্যায়ে থেকে মামলাগুলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ ও শেষ দিনের তৃতীয় অধিবেশন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের এ কথা জানান। স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এ অধিবেশন হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ৫ আগস্টের পরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু মামলা হয়েছে, যেগুলো গণহত্যার মামলা এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা। জেলা পর্যায়ে কতগুলো মামলা সেরকম দাখিল হয়েছে, আজকে সে ব্যাপারে আমরা তাদের (ডিসি) কাছে তালিকা চেয়েছি। এগুলো প্রত্যন্ত জেলাগুলোতে হয়তো কম, কিন্তু মহানগরগুলোতে সংখ্যাটা একটু বেশি। অনেক মামলার মধ্যে হাজার হাজার মানুষকে আসামি করা হয়েছে, সেগুলো আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখব প্রকৃত অর্থে প্রকৃত আসামি কারা। তদন্ত কর্মকর্তারা এ বিষয়ে তদন্ত করে দেখবেন যাতে স্বল্প সময়ের ভেতরে সেগুলোর নিষ্পত্তি করা যায়।
তিনি বলেন, যাদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তাদের যাতে নিষ্কৃতি দেওয়া হয়, সেই সুপারিশ আমরা করেছি। তবে এটা আইনানুগভাবে, আইনি প্রক্রিয়ায় হবে।
ডিসিদের মামলাগুলো পাঠানোর জন্য কত দিন সময় দেওয়া হয়েছে—জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আমরা বলেছি এটা যথাশীঘ্র সম্ভব পাঠাতে। মৌখিকভাবে বলেছি সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে পাঠাতে। তবে কোনো ক্ষেত্রে কেউ যদি বিলম্ব করে থাকে, আমরা ন্যায়বিচারের স্বার্থে সেটা বিবেচনা করব। আশা করি যারা মামলা প্রত্যাহার চান, তারা বিলম্ব করবেন না।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জেলা পর্যায়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি কমিটি করা হয়েছে। এতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ সুপার, পাবলিক প্রসিকিউটর (সরকারি কৌঁসুলি) এবং আরও একজন প্রতিনিধি আছেন। এই কমিটি প্রজ্ঞাপন জারি করে জানিয়েছে, যদি কারও বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা ভুয়া/মিথ্যা মামলা হয়ে থাকে, তাহলে তিনি নির্দিষ্ট একটি ফরমে আবেদন করতে পারবেন।
তিনি জানান, আবেদনের সঙ্গে এফআইআর, এজাহার বা চার্জশিট (যদি হয়ে থাকে) এবং মামলাটি কোন আদালতে চলছে—এসব তথ্য দিতে হবে। এরপর কমিটি যাচাই-বাছাই করে দেখবে, মামলাটি সত্যিই এ ধরনের কি না। যদি তা প্রমাণিত হয়, তাহলে তারা মামলা প্রত্যাহারের জন্য সুপারিশ করবে।
মন্ত্রী জানান, এই আবেদনগুলো প্রথমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যাবে। সেখানে সঙ্গে সঙ্গে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। পরে সেগুলো আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। আইনমন্ত্রীর সভাপতিত্বে থাকা একটি কমিটি বিষয়গুলো পর্যালোচনা করবে। তারা যদি মনে করে কোনো মামলা প্রত্যাহারের উপযুক্ত, তাহলে তা আবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারার অনুযায়ী মামলাগুলো প্রত্যাহারের ব্যবস্থা নেবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সময়ে রাজনৈতিক বিবেচনায় বা হয়রানিমূলক উদ্দেশ্যে যেসব ভুয়া ও গায়েবি মামলা করা হয়েছিল, সেগুলোর বিষয়ে দায়িত্ব নেওয়ার পর আবারও একটি পত্র দেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় কিছু মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তবে তখন কিছু ধরনের মামলা এর আওতায় আনা হয়নি, যেমন: হত্যা, অস্ত্র, নারী নির্যাতন, মাদক পাচার ও মানব পাচারের মামলা।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা রাজনৈতিক সরকার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর দেখেছি, আমাদের বিরুদ্ধেও অনেক হত্যা ও অস্ত্র মামলা দেওয়া হয়েছিল। এমনকি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধেও অন্তত দুই-তিনটি হত্যা মামলা ছিল—যাত্রাবাড়ী, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে। চৌদ্দগ্রামের মামলাসহ আমার বিরুদ্ধেও একই ধরনের মামলা ছিল; অস্ত্র মামলাও ছিল। আমাদের অনেক নেতার বিরুদ্ধে মাদক ও নারী নির্যাতনের মামলাও দেওয়া হয়েছিল, যাতে যেকোনোভাবে আটক রাখা যায়।
১৪ দিন আগে
সার্কুলার অর্থনীতিতে রূপান্তর শিল্পখাতের ভবিষ্যৎ সক্ষমতা ও টেকসই প্রবৃদ্ধির পূর্বশর্ত: বাণিজ্যমন্ত্রী
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সার্কুলার অর্থনীতিতে (সিই) রূপান্তর এখন আর শুধু পরিবেশগত আলোচনার বিষয় নয়, এটি বাংলাদেশের শিল্পখাতের ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতা-সক্ষমতা, টেকসই প্রবৃদ্ধি এবং বিশ্ববাজারে অবস্থান শক্তিশালী করার অন্যতম প্রধান পূর্বশর্ত।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও তৈরি পোশাক উৎপাদক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন—বিজিএমইএ’র যৌথ আয়োজনে বাংলাদেশে ‘সুইচ টু সিই পাইলট উদ্যোগের মাধ্যমে সার্কুলার অর্থনীতির রূপান্তর ত্বরান্বিতকরণ’ শীর্ষক বিশেষ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বিশ্ববাজার দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। টেকসই উৎপাদন এখন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার অন্যতম নির্ধারক। ক্রেতা, বিনিয়োগকারী ও ভোক্তারা এখন এমন উৎপাদন ব্যবস্থার প্রতি বেশি আগ্রহী যা দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার পরিচয় বহন করে।
তিনি বলেন, ‘সুইচ টু সার্কুলার ইকোনমি’ কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত পাইলট কার্যক্রম ইতোমধ্যেই প্রমাণ করেছে যে সার্কুলার অর্থনীতিতে রূপান্তর কোনো কল্পনাপ্রসূত ধারণা নয়; বরং এটি বাস্তবসম্মত, অর্জনযোগ্য এবং এর বাস্তবায়ন ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, এইচঅ্যান্ডএম গ্রুপ ও বেস্টসেলারের সহযোগিতায় পরিচালিত পাইলট কার্যক্রমগুলো বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতে সার্কুলার অর্থনীতির প্রয়োগে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখিয়েছে।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুর রহিম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত প্রধান মাইকেল মিলার এবং বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।
১৪ দিন আগে
সয়াবিন তেলের দাম লিটারে বাড়ল ৪ টাকা
আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা ও আমদানিকারক-পরিশোধনকারীদের ধারাবাহিক লোকসানের প্রেক্ষাপটে ভোজ্যতেলের দাম সমন্বয় করেছে সরকার। লিটারে ৪ টাকা বাড়িয়ে সয়াবিন তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ঈদুল আজহার আগে বাজার স্থিতিশীল রাখার আশ্বাস দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভোজ্যতেলের বাজারমূল্য নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
নতুন দাম অনুযায়ী, বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, আগে যা ছিল ১৯৫ টাকা। খোলা সয়াবিন তেলের দামও লিটারপ্রতি চার টাকা বাড়িয়ে ১৭৫ টাকা থেকে ১৭৯ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৯৫৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯৭৫ টাকা করা হয়েছে। তবে পাম অয়েলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
দাম বৃদ্ধির যৌক্তিকতা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে সারা বিশ্বেই পণ্যের উৎসে মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা আশা করি আমাদের ভোক্তা বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বিষয়টি দেখবেন। এতে বাজারের সরবরাহ পরিস্থিতিও আগের চেয়ে স্বাভাবিক হবে।
তিনি বলেন, বৈশ্বিক প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে উৎস পর্যায়ে পণ্যের দাম বেড়েছে। যেসব পণ্য আমরা আমদানি করি, সেগুলোর ক্ষেত্রে এই প্রভাব সরাসরি পড়ে। সয়াবিন তেল সম্পূর্ণ আমদানিনির্ভর হওয়ায় এর মূল্যবৃদ্ধির চাপ দেশীয় বাজারেও এসেছে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, রমজান মাস থেকেই আমদানিকারক ও রিফাইনাররা মূল্য সমন্বয়ের অনুরোধ জানিয়ে আসছিলেন। আমরা আন্তর্জাতিক বাজার, আমদানি ব্যয় ও সংশ্লিষ্ট খরচ যাচাই করে দেখেছি, তাদের দাবির যৌক্তিকতা রয়েছে। তবে তাদের প্রস্তাবিত পুরো পরিমাণ বৃদ্ধি না করে আংশিক সমন্বয় করা হয়েছে।
এই মূল্য সমন্বয়ের ফলে একদিকে যেমন রিফাইনারদের লোকসান কমবে, অন্যদিকে বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতিও স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, নতুন নির্ধারিত মূল্য আজ থেকেই কার্যকর হবে এবং এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। একইসঙ্গে বাজারে খুচরা পর্যায়ে মূল্য বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে মনিটরিং জোরদার করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
২১ দিন আগে
একনেকে ১৩ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকার ১৪ প্রকল্প অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দশম এবং বর্তমান সরকারের অধীন দ্বিতীয় সভায় ১৪টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
১৩ হাজার ৪৪৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত এসব প্রকল্পের মধ্যে ৮ হাজার ৮৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা অর্থায়ন করবে সরকার, ঋণের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হবে ৫ হাজার ৩৪০ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে আসবে ১৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বাংলাদেশ সচিবালয় কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত ১৪ প্রকল্পের মধ্যে নতুন প্রকল্প পাঁচটি, সংশোধিত প্রকল্প পাঁচটি এবং মেয়াদ বৃদ্ধি প্রকল্প রয়েছে চারটি।
আজকের সভায় অনুমোদিত ১৪টি প্রকল্প হলো: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের শহরাঞ্চলের জনগোষ্ঠীর জন্য সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ প্রকল্প, অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাস্টমস আধুনিকায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (প্রথম সংশোধন)’ প্রকল্প, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পিপিআর রোগ নির্মূল ও ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ (তৃতীয় সংশোধন) প্রকল্প।
এছাড়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের চারটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সেগুলো হলো: অভিযোজন ও ঝুঁকি হ্রাসের জন্য সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়ন (রিভার) প্রকল্প (প্রথম সংশোধন), চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের আওতাধীন পরিচ্ছন্নকর্মী নিবাস নির্মাণ (প্রথম সংশোধিত), ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন (দ্বিতীয় সংশোধিত), ঢাকা শহরে জরুরি পানি সরবরাহ প্রকল্প।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। সেগুলো হচ্ছে— (১) বাংলাদেশের ময়মনসিংহ বিভাগে পাঁচটি জলবায়ু সহনশীল সেতু নির্মাণ, (২) সীমান্ত সড়ক (রাঙ্গামাটি, খাগড়া ছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) নির্মাণ প্রকল্প-দ্বিতীয় পর্যায়, (৩) বৈরাগীরপুল (বরিশাল)-টুমচর-বাউফল (পটুয়াখালী) জেলা মহাসড়ক (জেড-৮৯১০) যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ (প্রথম সংশোধিত), (৪) ‘বরিশাল-ভোলা-লক্ষ্মীপুর জাতীয় মহাসড়ক (এন-৮০৯) বরিশাল (চর কাউয়া) হতে ভোলা (ইলিশা ফেরিঘাট) হয়ে লক্ষ্মীপুর পর্যন্ত যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ (প্রথম সংশোধিত) এবং (৫) বরিশাল (দিনারেরপুল)-লক্ষ্মী পাশা-দুমকী জেলা মহাসড়কের ১৪তম কিলোমিটারে রাঙ্গামাটি নদীর উপর গোমা সেতু নির্মাণ (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প।
এর মধ্যে (৩), (৪) ও (৫) নম্বর প্রকল্পের মেয়াদ একাধিকবার বৃদ্ধি অনুমোদিত হলেও কেন পাঁচবার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহ্বায়ক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
এ ছাড়াও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প হলো— (১) বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের রেলপথ রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়) এবং (২) মধুখালী হতে কামারখালী হয়ে মাগুরা শহর পর্যন্ত ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণ (প্রথম সংশোধন) প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।
আজকের একনেক সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
২৪ দিন আগে
১৮ লাখ টন ধান ও চাল কিনবে সরকার, মূল্য নির্ধারণ
চলতি বোরো মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে ১৮ লাখ টন ধান ও চাল কিনবে সরকার। এরমধ্যে ১২ লাখ টন সেদ্ধ চাল, ৫ লাখ টন ধান ও এক লাখ টন আতপ চাল কেনা হবে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সচিবালয়ে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। সভা শেষে কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ২০২৫-২৬ মেয়াদে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত প্রকিউরমেন্টের জন্য ধান ও চাল সংগ্রহ এবং গম সংগ্রহের বিষয়ে আমাদের চাহিদার বিপরীতে কী এবং আমাদের লক্ষ্যমাত্রা কী এবং আমরা কী পরিমাণ মজুদ রাখব, কী পরিমাণ নিরাপত্তা মজুদ এবং কী পরিমাণ আমদানি করব—এগুলো এবং তার মূল্য নির্ধারণ, এ সমস্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা আজকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে বোরো ধান ক্রয়ের জন্য আমরা কেজি প্রতি ৩৬ টাকা দাম নির্ধারণ করেছি, যেটা পূর্বের দাম অর্থাৎ আগে যেভাবে সংগ্রহ করা হয়েছিল তেমনই। সেদ্ধ চালের ক্ষেত্রে ৪৯ টাকা কেজি প্রতি নির্ধারণ করা হয়েছে, সেটাও আগের মতো। আতপ চালের ক্ষেত্রেও তাই, ৪৮ টাকা প্রতি কেজি। এছাড়া গমের কেজি প্রতি আমরা ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করেছি ৩৬ টাকা।
বোরো ধান, চাল ও গম কেনার লক্ষ্যমাত্রার বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, চলতি বছরে বোরো সংগ্রহ মৌসুমে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ টন, সেদ্ধ চাল ১২ লাখ টন, আতপ চাল ১ লাখ টন ও গম ৫০ হাজার টন নির্ধারণ করা হয়েছে।
আগামী ৩ মে থেকে ধান ও ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।
গম সংগ্রহের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আসলে গমের ক্ষেত্রে আমরা প্রকিউরমেন্টটা কখনও সফলভাবে এখানে করতে পারি না। কারণ অভ্যন্তরীণভাবে উৎপাদন প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ টনের মতো হলেও কৃষকরা সাধারণত সরকারের কাছে গম বিক্রি করতে আগ্রহী হন না। দেশের মোট গমের চাহিদা প্রায় ৮০ লাখ টন, যার বড় অংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়।
তিনি আরও বলেন, গমের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনটা বাদ দিলে এই প্রায় ৭০-৭২ লাখ টনই আমদানিনির্ভর। এর মধ্যে সরকার ৮ লাখ টনের মতো আমদানি করে, সেটা সরকার থেকে সরকার (জি-টু-জি) এবং কোনো কোনো সময় উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে (ওটিএম) করা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আমাদের ১৭-১৮ লাখ টন চাল মজুদ আছে। এর বাইরেও আমরা এ বছর আরও বেশি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করব বলে আশা করছি। আমাদের লক্ষ্যমাত্রা বোধ হয় ২৪-২৫ লাখ টন। সে হিসেবে আমাদের এখন মজুদ আছে ১৭-১৮ লাখ টন। এখন আমরা ৫ লাখ টন এই বোরো মৌসুমে প্রকিউর করব এবং সেটা চাহিদা অনুসারে, সময় অনুসারে, পরিবেশ-পরিস্থিতি অনুসারে আমরা সেটা বৃদ্ধি করতে পারব। সেই সক্ষমতা আমাদের আছে।
২৮ দিন আগে
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে পারে: ডা. জাহেদ
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের বিষয়টি সামনে আসতে পারে।
বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা ডা. জাহেদ বলেন, জ্বালানি তেলের দাম আসলে বাড়বে কি না, তা নিশ্চিত নয়। আপনারা খেয়াল করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধটা খারাপ দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। আবার আমরা দেখছি, ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন যে, পরিস্থিতি ভালোর দিকেও যেতে পারে। সাম্প্রতিক অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে জাহাজ চলাচলে বাধা বা অবরোধ সৃষ্টি হচ্ছে। এটা যদি কার্যকর হয়, এটা যদি লম্বা সময় ধরে থাকে, তাহলে পরিস্থিতি আসলেই খারাপের দিকে যাবে। তখন খুব লম্বা সময় ভর্তুকি দিয়ে যাওয়া আমাদের জন্য আসলে কঠিন।
তিনি বলেন, আমরা এপ্রিল মাসে দাম বৃদ্ধি করব না। ইতোমধ্যে বলেছি, যদি এটা চলতে থাকে তাহলে দামের কিছু সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে। আমি আবারও বলছি প্রয়োজন হতে পারে মানে এটা হবেই—এরকম কথা না। আমি আশা করি, কোনো ভুল ফটোকার্ড বানাবেন না। আবার ওই যে বলছি যে, ট্রাম্পের বিষয়ে তো আগাম কিছু বলা যায় না। যদি উনাদের মধ্যে একটা আলোচনা হয়ে যায়, যদি একটা চুক্তি মোটামুটি হয়ে যায়, তাহলে সব ঠিকঠাক হয়ে যাবে।
জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে যে ইস্টার্ন রিফাইনারির বন্ধ, তেল নাই; এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের বিষয়ে যদি আমাদের জানাতেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ বলেন, দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারির কার্যক্রমে সাময়িক বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় সরবরাহে কিছুটা চাপ দেখা দিয়েছে। সাধারণত এই রিফাইনারি থেকে দেশের মোট চাহিদার প্রায় ২৫ শতাংশ জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়, বিশেষ করে পেট্রোল ও অকটেন।
তিনি বলেন, সৌদি আরব থেকে এক লাখ টন জ্বালানি তেলের একটি চালান নির্ধারিত সময়ে দেশে পৌঁছাতে না পারায় পরিস্থিতি আরও চাপের মুখে পড়ে। তবে নতুন করে আরেকটি চালান মে মাসের শুরুতে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, এখন প্রশ্ন হচ্ছে সংকট হবে কি না, কারণ আমরা আমাদের পেট্রোল এবং অকটেন প্রধানত পাই আমাদের ইস্টার্ন রিফাইনারি থেকে। রিফাইনারিতে যে সংকট আছে, তা নিয়ে আপনারাই পত্রিকায় সংবাদ করেছেন—আর এতদিনের মতো মজুদ আছে, এতদিন রিফাইনারি চালানো যাবে। সুতরাং সরকার যে কাজটা করেছে, সরকার পেট্রোল পরিশোধন এবং আমদানি যথেষ্টই করেছে। এ কারণে একদম কোনো সমস্যা যে হবে না তা না। সরবরাহ সংকট তো খানিকটা আছে আসলে।
তিনি আরও বলেন, সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবে সরকার ইতোমধ্যে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ও মজুদ বাড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন লক্ষ করা গেছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, একই যানবাহন বারবার তেল সংগ্রহ করছে বা প্রয়োজনের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি তেল কিনছে। এতে স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হচ্ছে।
একটি শীর্ষস্থানীয় দৈনিক পত্রিকার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, এক পেট্রোল পাম্পের বিক্রয়কর্মী বলেন, আগে সারা দিনে যত তেল বিক্রি হতো, এখন তা চার ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, পেট্রোল পাম্পে সরবরাহ কমানো হয়নি, তবুও অতিরিক্ত চাহিদার কারণে দ্রুত মজুদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। শিগগিরই পাম্পভিত্তিক সরবরাহের সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হবে।
৩৫ দিন আগে
সুনীল অর্থনীতির উন্নয়নে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
ব্লু-ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতির টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রতিষ্ঠার বিষয়টি সরকার সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের চতুর্দশ দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সামুদ্রিক সম্পদ, মৎস্য, পর্যটন এবং পরিবেশ রক্ষার মধ্যে সুষম সমন্বয় নিশ্চিত করতে এবং সুনীল অর্থনীতির টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে আমরা ২০২৬-২৭ অর্থবছরে একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছি।
তিনি বলেন, দেশের অপার সম্ভাবনাময় সমুদ্র সম্পদের বিজ্ঞানভিত্তিক টেকসই ব্যবহার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে সুনীল অর্থনীতির বিকাশ এবং জাতীয় সুনীল অর্থনীতি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে রয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, কক্সবাজার এবং চট্টগ্রামসহ বাংলাদেশের একটি বড় অংশের মানুষ উপকূলীয় ও সামুদ্রিক এলাকায় বসবাস করেন। স্বাভাবিকভাবেই, আমরা যদি সুনীল অর্থনীতির বিভিন্ন উপাদানের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা যাচাই করে তা ধীরে ধীরে বিকশিত করতে পারি, তবে অনেক মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, ২০০৫ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকার ‘উপকূলীয় অঞ্চল নীতি ২০০৫’ প্রণয়ন করে, যা উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন ও সুরক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। বর্তমান সরকার সমুদ্র অঞ্চল পরিকল্পনা কার্যক্রম ও এ থেকে দেশের সম্ভাব্য অর্জিতব্য বিষয়াদি বিবেচনার জন্য ইতোমধ্যেই পদক্ষেপ নিয়েছে।
সামুদ্রিক সম্পদ, মৎস্য, পর্যটন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে সমন্বিত ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা এবং সুনীল অর্থনীতির টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজন হলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলার বিষয়টি সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
চলমান সংসদ অধিবেশন বিরতির পর আজ (বুধবার) সকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে পুনরায় শুরু হয়েছে। দিনের কার্যসূচির শুরুতেই ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব। এরপর সংসদ সদস্যরা তাদের নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন।
৩৫ দিন আগে