নির্বাচন
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ, গণনা চলছে
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। উন্মুক্ত ব্যালটে ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন সংসদ সদস্যরা। এরপর ভোট গণনা শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে দুপুর ২টা ১০ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় বিরোধী জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।
এদিন ভোটগ্রহণের শুরুতে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভোট দেন। এর এক মিনিট পর দুপুর ২টা ১১ মিনিটে ভোট দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ভোটগ্রহণ শুরুর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দুই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।
তিনি সংসদ সদস্যদের ভোট দেওয়ার পদ্ধতি এবং ব্যালট পেপার ব্যালট বাক্সে রাখার নিয়ম সম্পর্কে তাদের অবহিত করেন।
সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত কোনো সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নিজ দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো প্রার্থীকে ভোট দিলে তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল হবে।
সর্বশেষ সংসদে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বদরুল হায়দার চৌধুরীকে পরাজিত করে দেশের একাদশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস। সেই নির্বাচনে আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট এবং বদরুল হায়দার চৌধুরী ৯২ ভোট পেয়েছিলেন।
এরপর থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একক প্রার্থী থাকায় ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয়নি। প্রতিবারই একজন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
সংসদে ভোট গণনা শেষে সিইসি নাসির উদ্দিন তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করবেন। তারপর আজই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেট আকারে প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।
এদিকে, নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বঙ্গভবন। শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুন রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।
৮ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে ভোট দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ভোট দেওয়ার সময় ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে অভিনন্দন জানান।
এদিন দুপুর ২টা ১০ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রী তার আসন থেকে উঠে পাশে বসা মির্জা ফখরুলকে সঙ্গে নিয়ে ব্যালট বাক্সের দিকে যান।
দুপুর ২টা ১১ মিনিটে তারেক রহমান ব্যালট পেপার নিয়ে ভোট দেন। এ সময় বিএনপির সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
এরপর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভোট দেন। এ সময়ও ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে তাকে স্বাগত জানান।
৮ দিন আগে
২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে
৩৫ বছর পর আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। জাতীয় সংসদ সদস্যরা উন্মুক্ত ব্যালটে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে ভোট দিচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টা ১০ মিনিটে জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে যা চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। মোট ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য এ নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।
নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থত জোটের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিরোধী দল জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে সংসদে বিএনপি ও তাদের মিত্রদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত কোনো সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নিজ দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো প্রার্থীকে ভোট দিলে তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল হবে।
সর্বশেষ সংসদে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বদরুল হায়দার চৌধুরীকে পরাজিত করে দেশের একাদশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস। সেই নির্বাচনে আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট এবং বদরুল হায়দার চৌধুরী ৯২ ভোট পেয়েছিলেন।
এরপর থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একক প্রার্থী থাকায় ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয়নি। প্রতিবারই একজন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের ৩৫ বছর পর ভোটগ্রহণ হওয়ায় এবারের নির্বাচনকে ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করেন।
নির্বাচন কমিশন সুন্দরভাবে নির্বাচনটি সম্পন্ন করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতিতে কোনো ধরনের ঘাটতি নেই।’
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষেই ভোট গণনা করে তাৎক্ষণিক ফল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন সিইসি। তিনি বলেন, ভোটের পরে আমরা সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে গণনা শুরু করব। গণনার পরে নির্বাচনি কর্তা হিসেবে আমি যে ফল ঘোষণা করব, সেটাই আইন অনুযায়ী চূড়ান্ত।
এ এম এম নাসির উদ্দিন জানান, ভোট গণনা শেষে সেখানেই (সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে) ফল ঘোষণা করা হবে। এরপর নির্বাচন ভবনে ফিরে ওই দিনই গেজেট প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।
এদিকে, নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান শুক্রবার সন্ধ্যায় আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বঙ্গভবন।
ভোটদানের পদ্ধতি সম্পর্কে সিইসি জানিয়েছিলেন, প্রতিটি ব্যালট পেপারের দুটি অংশ থাকবে—কাউন্টারফয়েল ও ব্যালট অংশ। কাউন্টারফয়েলে ক্রমিক নম্বর, সংসদ সদস্যের নাম ও জাতীয় সংসদ সচিবালয় প্রদত্ত বিভক্তি নম্বর (নির্বাচনি এলাকার নম্বর) এবং একটি খালি জায়গা থাকবে।
ব্যালট পেপার নেওয়ার আগে সংসদ সদস্যকে নির্ধারিত স্থানে তার পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করতে হবে।
ব্যালট পেপারের ডান পাশে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম বাংলায় বর্ণানুক্রমে মুদ্রিত থাকবে। প্রতিটি প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে সংসদ সদস্যরা পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করে ভোট দেবেন।
এরপর নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে ব্যালট জমা দেবেন সংসদ সদস্যরা। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ব্যালট গ্রহণ করা হবে। এরপর ভোট গণনা শুরু হবে।
চট্টগ্রাম-৪ আসনটি শূন্য থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার সংসদ সদস্যের সংখ্যা ৩৪৯ জন।
ভোটারদের মধ্যে বিএনপির ২৪৭ জন, জামায়াতের ৭৭ জন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আটজন, স্বতন্ত্র আটজন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তিনজন এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি, গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির একজন করে সংসদ সদস্য রয়েছেন।
বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণঅধিকার পরিষদ ও গণসংহতি আন্দোলন ক্ষমতাসীন বিএনপির জোটসঙ্গী। সরকারদলীয় জোটের মোট ২৫০ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন, তারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষেই ভোট দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে জামায়াত, এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি ১১ দলীয় বিরোধী দলীয় জোটের অংশ। সংসদে বিরোধী দলীয় জোটে ৯০ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন, যারা অলি আহমদের পক্ষে ভোট দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। এরপর জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের কারণে পদটি শূন্য হলে তা পূরণের জন্য ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হয়।
৮ দিন আগে
৩৫ বছর পর আজ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হতে চলেছে আজ বৃহস্পতিবার। উন্মুক্ত ব্যালটে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করবেন সংসদ সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে মোট ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য ভোট দেওয়ার জন্য যোগ্য বরে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থত জোটের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিরোধী দল জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে সংসদে বিএনপি ও তাদের মিত্রদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত কোনো সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নিজ দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো প্রার্থীকে ভোট দিলে তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল হবে।
সর্বশেষ সংসদে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বদরুল হায়দার চৌধুরীকে পরাজিত করে দেশের একাদশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস। সেই নির্বাচনে আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট এবং বদরুল হায়দার চৌধুরী ৯২ ভোট পেয়েছিলেন।
এরপর থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একক প্রার্থী থাকায় ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয়নি। প্রতিবারই একজন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
গতকাল (বুধবার) নির্বাচন ভবনে আয়োজিত প্রাক-নির্বাচনী সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনি কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ১৯৯১ সালের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের ৩৫ বছর পর ভোটগ্রহণ হওয়ায় এবারের নির্বাচনকে ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করেন।
নির্বাচন কমিশন সুন্দরভাবে নির্বাচনটি সম্পন্ন করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতিতে কোনো ধরনের ঘাটতি নেই।’
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষেই ভোট গণনা করে তাৎক্ষণিক ফল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন সিইসি। তিনি বলেন, ভোটের পরে আমরা সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে গণনা শুরু করব। গণনার পরে নির্বাচনি কর্তা হিসেবে আমি যে ফল ঘোষণা করব, সেটাই আইন অনুযায়ী চূড়ান্ত।
এ এম এম নাসির উদ্দিন জানান, ভোট গণনা শেষে সেখানেই (সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে) ফল ঘোষণা করা হবে। এরপর নির্বাচন ভবনে ফিরে ওই দিনই গেজেট প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।
এদিকে, নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান শুক্রবার সন্ধ্যায় আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বঙ্গভবন।
গত ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী, ২০ আগস্ট ভোটগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়।
আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে সংসদে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার আগে সিইসি ভোটার তথা সংসদ সদস্যদের ভোটদানের পদ্ধতি সম্পর্কে ব্রিফ করবেন।
এ বিষয়ে এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, প্রতিটি ব্যালট পেপারের দুটি অংশ থাকবে—কাউন্টারফয়েল ও ব্যালট অংশ। কাউন্টারফয়েলে ক্রমিক নম্বর, সংসদ সদস্যের নাম ও জাতীয় সংসদ সচিবালয় প্রদত্ত বিভক্তি নম্বর (নির্বাচনি এলাকার নম্বর) এবং একটি খালি জায়গা থাকবে।
ব্যালট পেপার নেওয়ার আগে সংসদ সদস্যকে নির্ধারিত স্থানে তার পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করতে হবে।
ব্যালট পেপারের ডান পাশে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম বাংলায় বর্ণানুক্রমে মুদ্রিত থাকবে। প্রতিটি প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে সংসদ সদস্যরা পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করে ভোট দেবেন।
এরপর নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে ব্যালট জমা দেবেন সংসদ সদস্যরা। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ব্যালট গ্রহণ করা হবে। এরপর ভোট গণনা শুরু হবে।
চট্টগ্রাম-৪ আসনটি শূন্য থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার সংসদ সদস্যের সংখ্যা ৩৪৯ জন।
ভোটারদের মধ্যে বিএনপির ২৪৭ জন, জামায়াতের ৭৭ জন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আটজন, স্বতন্ত্র আটজন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তিনজন এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি, গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির একজন করে সংসদ সদস্য রয়েছেন।
বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণঅধিকার পরিষদ ও গণসংহতি আন্দোলন ক্ষমতাসীন বিএনপির জোটসঙ্গী। সরকারদলীয় জোটের মোট ২৫০ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন, তারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষেই ভোট দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে জামায়াত, এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি ১১ দলীয় বিরোধী দলীয় জোটের অংশ। সংসদে বিরোধী দলীয় জোটে ৯০ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন, যারা অলি আহমদের পক্ষে ভোট দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। এরপর জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের কারণে পদটি শূন্য হলে তা পূরণের জন্য ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হয়।
৯ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফল তাৎক্ষণিক ঘোষণা হবে: সিইসি
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষেই ভোট গণনা করে তাৎক্ষণিক ফল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
বুধবার (১৯ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
১৯৯১ সালের পর প্রায় ৩৫ বছরে এবারই প্রথম একাধিক প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার।
এ বিষয়ে সিইসি বলেন, দুপুর ২টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোট হবে। ভোটের পরে আমরা সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে গণনা শুরু করব। গণনার পরে নির্বাচনি কর্তা হিসেবে আমি যে ফল ঘোষণা করব, সেটাই আইন অনুযায়ী চূড়ান্ত।
তার কথায়, ‘ভোটের পরে আমরা ওখানে ইন্সট্যান্টলি (তাৎক্ষণিক) গোনা শুরু করব। গোনার পরে রেজাল্ট যেটা আমি অ্যানাউন্স করব অ্যাজ নির্বাচনি কর্তা, দ্যাট ইজ ফাইনাল অ্যাজ পার ল’।’
তিনি জানান, ভোট গণনা শেষে সেখানেই (সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে) ফল ঘোষণা করা হবে। এরপর নির্বাচন ভবনে ফিরে ওই দিনই গেজেট প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, ১৩ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে তিনটি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে বিএনপির পক্ষ থেকে একটি এবং ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে দুটি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়। বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম।
সিইসি জানান, ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। এ সময় প্রস্তাবক ও সমর্থকদের স্বাক্ষর যাচাইয়ে জাতীয় সংসদ সচিবালয় নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করে।
তিনি বলেন, সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যরা যে রেজিস্টারে স্বাক্ষর করেছিলেন, জাতীয় সংসদ সচিবালয় সেই রেজিস্টার নিয়ে আসে। এর সঙ্গে মিলিয়ে প্রস্তাবক ও সমর্থকদের স্বাক্ষর যাচাই করা হয়।
‘আমরা তিনটা মনোনয়নই বৈধ পেয়েছি। ১১ দলীয় ঐক্যের দুটোই বৈধ এবং সরকারি দল বর্তমান বিএনপির মনোনয়নটাও বৈধ,’ বলেন সিইসি।
তবে একই প্রার্থীর পক্ষে দুটি মনোনয়নপত্র জমা পড়ায় একটি মনোনয়নপত্রকে অপ্রয়োজনীয় হিসেবে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। ফলে নির্বাচনে দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোট হবে।
মনোনয়ন প্রত্যাহারের বিষয়ে সিইসি বলেন, নির্ধারিত সময়ে কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ‘হাই প্রোফাইল’ উল্লেখ করে এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, রাষ্ট্রপতি (ভারপ্রাপ্ত), প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, সব সংসদ সদস্য ও হুইপরা এ নির্বাচনে ভোটার হওয়ায় এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উচ্চপর্যায়ের নির্বাচন।
তিনি আরও জানান, চট্টগ্রাম-৪ আসন শূন্য থাকায় মোট ভোটার সংখ্যা ৩৪৯ জন। স্পিকারের সঙ্গে পরামর্শ করেই ভোটের তারিখ নির্ধারণ ও তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান সিইসি।
৯ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি, ২০ আগস্ট ভোট
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দুই প্রার্থীর কেউই প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় আগামী বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রায় ৩৫ বছর পর এবারই প্রথম একাধিক প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে নির্বাচন ভবনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় বিকেল ৪টার পর সাংবাদিকদের নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।
ইসি সচিব বলেন, বিএনপি ও সমমনাদের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মধ্যে কেউই প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।
তিনি বলেন, আগামী ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আমরা ব্যালট পেপার ছাপিয়ে ওই দিন নিয়ে যাব। ব্যালট পেপার হবে সাদা ওপর কালো প্রিন্ট। ভোটগ্রহণ শেষে তখনই প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।
আখতার আহমেদ বলেন, আপনারা দেখবেন আমরা কত তাড়াতাড়ি ফলাফল প্রকাশ করতে পারি। আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
ভোটগ্রহণের শুরুতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের কর্তা হিসেবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন ভোটদানকারী সংসদ সদস্যদের ভোট দেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করবেন বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, প্রতিটি ব্যালট পেপারের দুটি অংশ থাকবে—কাউন্টারফয়েল ও ব্যালট অংশ। কাউন্টারফয়েলে ক্রমিক নম্বর, সংসদ সদস্যের নাম এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে দেওয়া বিভাগীয় নম্বরসহ তিনটি তথ্য এবং একটি খালি জায়গা থাকবে। ব্যালট পেপার গ্রহণের আগে নির্ধারিত জায়গায় সংসদ সদস্যকে নিজের পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করতে হবে।
তিনি আরও জানান, ব্যালট পেপারের ডান পাশে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম বাংলা বর্ণানুক্রমে মুদ্রিত থাকবে। প্রত্যেক প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত জায়গায় সংসদ সদস্যরা পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করে ভোট দেবেন। এরপর সংসদ সদস্যরা নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপার জমা দেবেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য (আদালতের নির্দেশে নির্বাচিত প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় চট্টগ্রাম-৪ আসন এখনো শূন্য রয়েছে)।
গত ২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতা দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। এরপর ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতির শূন্য পদে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি। একক প্রার্থী না থাকায় ১৯৯১ সালের পর এবার প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
১০ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা
আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠেয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রবিবার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনের কর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।
এদিন প্রথমে কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। এরপর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় সরকারি ও বিরোধী উভয় দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, বৈধ প্রার্থীরা আগামী ১৮ আগস্ট বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারবেন।
একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকলে আগামী ২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ২৪৯ জন সংসদ সদস্য ভোট দেওয়ার জন্য যোগ্য।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট তিনটি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল। এর মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে একটি এবং অলি আহমদের পক্ষে দুটি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।
অলি আহমদের পক্ষে জমা দেওয়া প্রথম মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়ায় দ্বিতীয়টি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।
১২ দিন আগে
এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক, ঋণখেলাপিদের স্থানীয় নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার সুপারিশ ইসির
ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদ নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক এবং ঋণখেলাপিদের অযোগ্য ঘোষণার সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশনের দ্বাদশ সভায় এসব সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়। অন্য চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির জ্যেষ্ঠ সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি পারবেন না, এই বিষয়ে কমিশন মনে করে, না; এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা যেন নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য হন।
তিনি বলেন, ঋণখেলাপির যে বিষয়টি আছে, এখানে দুটি ক্ষেত্র রয়েছে। একটি হচ্ছে বন্ধকদাতা এবং অন্যটি জামিনদার। যিনি ব্যক্তিগতভাবে বন্ধকদাতা, তিনি তো আছেনই; কিন্তু যারা তাদের জামিনদার হয়েছেন, তাদেরও ঋণখেলাপি হিসেবে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য করার একটি প্রস্তাবে আমরা নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছি। পাশাপাশি বিল খেলাপি, যেমন ধরুন আপনার বিদ্যুৎ বিল, ভূমি কর, ওয়াসার বিল; এ ধরনের সেবা প্রদানকারী সংস্থার কোনো বিল খেলাপি থাকলে, সেটা ব্যক্তিগত হতে পারে বা প্রাতিষ্ঠানিক হতে পারে।
উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ধরুন, আমি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার, কিন্তু আমার প্রতিষ্ঠানই বিল খেলাপি করেছে। সেক্ষেত্রে এটি অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। লাভজনক পদে থেকে নির্বাচন করা যাবে না। আবার দ্বৈত নাগরিকত্বধারীদেরও আমরা মনে করি, কমিশন মনে করে, তাদেরও নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। আপনারা জানেন, সংবিধানে এ বিষয়ে একটি সীমাবদ্ধতা দেওয়া আছে।
৩৮ দিন আগে
আগস্টে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল, অক্টোবরে ইউপি নির্বাচনের পরিকল্পনা: উপদেষ্টা জাহেদ
আগামী আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে অক্টোবরের প্রথমার্ধে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) প্রণয়ন করেছে নির্বাচন কমিশন। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পৃথক রোডম্যাপ করা হয়েছে। চলতি মাসের শেষের দিকে এগুলো চূড়ান্ত করে প্রকাশ করা হতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে তফসিল ঘোষণা করে অক্টোবরের প্রথমার্ধে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।’
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রের বরাত দিয়ে তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সারা দেশকে হাওর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল, পার্বত্য ও উপকূলীয় অঞ্চল, নদীপ্রধান ও চরাঞ্চল এবং সমতল ও শহরাঞ্চল—এই চার ভাগে ভাগ করে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে হাওর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ইউনিয়ন পরিষদের ভোট গ্রহণের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কার্যক্রম শুরু করবে ইসি।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, এটা সবসময় একটা খুবই আলোচিত ইস্যু ছিল আমাদের, সেটা হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আদৌ হবে কিনা। যেহেতু সেখানে অনেক ক্ষেত্রেই প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে, তাই কেউ কেউ এভাবে বলার চেষ্টা করতেন। কিন্তু আমরা বারবার বলেছি, আমাদের মন্ত্রী সবসময় বলেছেন যে, এটা এই বছরের মধ্যেই শুরু হবে।
তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, নির্বাচন হওয়ার জন্য একটা বিশেষ সময় লাগে। আমরা চেষ্টা করি, বেশি সংখ্যক নির্বাচন শুষ্ক মৌসুমে, শীতের মৌসুমে করতে।’
তিনি আরও বলেন, অক্টোবর থেকে নির্বাচন শুরু হবে। আর শুরু হওয়ার পর সব ধাপের নির্বাচন শেষ করতে সাধারণত ১০ থেকে ১২ মাস সময় লাগে। অনেকেই মনে করেন এখন থেকে ১০-১২ মাসের মধ্যে নির্বাচন শেষ হবে। বিষয়টি তা নয়। অক্টোবর থেকে শুরু হলে ২০২৭ সালের অক্টোবর নাগাদ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে পারে।
৫২ দিন আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি: মির্জা ফখরুল
পরবর্তী স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, নির্ধারিত সময়ে একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ শেখ মো. রেজাউল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
এনসিপির সংসদ সদস্য আবুল হাসনাতের (হাসনাত আবদুল্লাহ) প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশন প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রথমবারের মতো আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদানের জন্য রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি চালু করে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং সর্বোচ্চসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশিকে এ পদ্ধতির আওতায় আনার জন্য নির্বাচন কমিশন কাজ করে যাচ্ছে।
গাইবান্ধা-২ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল করিমের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই মুহূর্তে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের বেতন বৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা সরকারের কাছে নেই।
তিনি আরও বলেন, জেলা পরিষদ আইন, ২০০০ অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের অধীন নির্বাচিত কোনো জেলার সংসদ সদস্যগণ উক্ত জেলার পরিষদের উপদেষ্টা হবেন এবং তার পরিষদের কার্যাবলি সম্পাদনে পরামর্শ প্রদান করবেন।
৫৯ দিন আগে