নির্বাচন
আগস্টে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল, অক্টোবরে ইউপি নির্বাচনের পরিকল্পনা: উপদেষ্টা জাহেদ
আগামী আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে অক্টোবরের প্রথমার্ধে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) প্রণয়ন করেছে নির্বাচন কমিশন। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পৃথক রোডম্যাপ করা হয়েছে। চলতি মাসের শেষের দিকে এগুলো চূড়ান্ত করে প্রকাশ করা হতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে তফসিল ঘোষণা করে অক্টোবরের প্রথমার্ধে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।’
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রের বরাত দিয়ে তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সারা দেশকে হাওর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল, পার্বত্য ও উপকূলীয় অঞ্চল, নদীপ্রধান ও চরাঞ্চল এবং সমতল ও শহরাঞ্চল—এই চার ভাগে ভাগ করে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে হাওর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ইউনিয়ন পরিষদের ভোট গ্রহণের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কার্যক্রম শুরু করবে ইসি।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, এটা সবসময় একটা খুবই আলোচিত ইস্যু ছিল আমাদের, সেটা হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আদৌ হবে কিনা। যেহেতু সেখানে অনেক ক্ষেত্রেই প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে, তাই কেউ কেউ এভাবে বলার চেষ্টা করতেন। কিন্তু আমরা বারবার বলেছি, আমাদের মন্ত্রী সবসময় বলেছেন যে, এটা এই বছরের মধ্যেই শুরু হবে।
তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, নির্বাচন হওয়ার জন্য একটা বিশেষ সময় লাগে। আমরা চেষ্টা করি, বেশি সংখ্যক নির্বাচন শুষ্ক মৌসুমে, শীতের মৌসুমে করতে।’
তিনি আরও বলেন, অক্টোবর থেকে নির্বাচন শুরু হবে। আর শুরু হওয়ার পর সব ধাপের নির্বাচন শেষ করতে সাধারণত ১০ থেকে ১২ মাস সময় লাগে। অনেকেই মনে করেন এখন থেকে ১০-১২ মাসের মধ্যে নির্বাচন শেষ হবে। বিষয়টি তা নয়। অক্টোবর থেকে শুরু হলে ২০২৭ সালের অক্টোবর নাগাদ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে পারে।
১২ দিন আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি: মির্জা ফখরুল
পরবর্তী স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, নির্ধারিত সময়ে একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ শেখ মো. রেজাউল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
এনসিপির সংসদ সদস্য আবুল হাসনাতের (হাসনাত আবদুল্লাহ) প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশন প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রথমবারের মতো আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদানের জন্য রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি চালু করে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং সর্বোচ্চসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশিকে এ পদ্ধতির আওতায় আনার জন্য নির্বাচন কমিশন কাজ করে যাচ্ছে।
গাইবান্ধা-২ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল করিমের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই মুহূর্তে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের বেতন বৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা সরকারের কাছে নেই।
তিনি আরও বলেন, জেলা পরিষদ আইন, ২০০০ অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের অধীন নির্বাচিত কোনো জেলার সংসদ সদস্যগণ উক্ত জেলার পরিষদের উপদেষ্টা হবেন এবং তার পরিষদের কার্যাবলি সম্পাদনে পরামর্শ প্রদান করবেন।
১৯ দিন আগে
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতা-কর্মীরা: উপদেষ্টা জাহেদ
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শর্ত মানলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অংশ নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা জানান।
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকার আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেবে কি না জানতে চাইলে—প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘কোনো রকমের সমস্যা নেই। একজন ব্যক্তি যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চান, তিনি যদি আওয়ামী লীগের হয়েও নির্দলীয় থাকেন তাও পারবেন। কারণ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয়, এখানে কেউই দলের কথা বলবেন না।
‘একজন নির্দলীয় ব্যক্তি আসলেন, কিন্তু তিনি যদি তার প্রচারণায় আওয়ামী লীগ বা তাদের দলের যা যা বলার সেগুলো বলেন, সেটা কিন্তু সমস্যা হবে। এর বাইরে নির্দলীয় ব্যক্তি নির্বাচনটা করার জন্য যে ক্রাইটেরিয়া (শর্ত) আছে, সেটা যদি তিনি পূরণ করতে পারেন, তাহলে তিনি নির্বাচন করতে পারেন। নিশ্চয়ই পারেন।’
যদি নির্বাচনে আসা কারও আওয়ামী লীগের দলীয় পদ-পদবি থাকে তাহলে কী হবে— এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সংগঠনের কর্মসূচি যেহেতু নিষিদ্ধ আছে এই পোস্ট পজিশন তিনি তো আসলে ব্যবহার করছেন না, তিনি করতে পারেন না। ব্যক্তি হিসেবে কেউ যদি নির্বাচনের শর্তে যা আছে সেটা পূরণ করতে পারেন, তাহলে তিনি নির্বাচন করতে পারেন। এ ব্যাপারে সরকারের দিক থেকে বাধা দেওয়ার কোনো কারণ নেই।
৪০ দিন আগে
দেশে ভোটার সংখ্যা বেড়েছে ৬ লাখ ২৮ হাজার ৫৭ জন
দেশে বর্তমানে ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জনে, যা গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়ের তুলনায় ৬ লাখ ২৮ হাজার ৫৭ জন বেশি।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চূড়ান্ত হালনাগাদ তথ্য থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন।
এর আগে, ২০২৫ সালের ১৮ নভেম্বর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সর্বশেষ হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল ইসি।
সেই তালিকা অনুযায়ী, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ছিল ৬ কোটি ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ৯০৭ জন, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৭৯ হাজার ৪২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ছিল ১ হাজার ২৩৪ জন।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পুরুষ, নারী ও তৃতীয় লিঙ্গ—সব শ্রেণিতেই ভোটারের সংখ্যা বেড়েছে।
অতীতে প্রতি বছর ২ জানুয়ারি খসড়া ভোটার তালিকা এবং ২ মার্চ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করত ইসি। তবে ২০২৫ সালে ‘ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯’ সংশোধন করে বছরের যেকোনো সময় ভোটার তালিকা প্রকাশের ক্ষমতা দেওয়া হয় নির্বাচন কমিশনকে।
৬৬ দিন আগে
শেরপুর-৩, বগুড়া-৬ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে
শেরপুর-৩ আসনে সাধারণ নির্বাচন এবং বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
এর আগে, অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) সকল প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইসি এই দুটি নির্বাচনি এলাকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছিল। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ২ মার্চ, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের তারিখ ছিল ৫ মার্চ এবং প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ছিল ১৪ মার্চ।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান গত ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে উভয় আসনেই জয় লাভ করেন। পরে তিনি বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ায় এখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর কারণে গত ৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন বাতিল করেছিল।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি শেরপুর-৩ আসন বাদে দেশের ৩০০টি নির্বাচনি এলাকার মধ্যে ২৯৯টিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আদালতের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম-২ এবং ৪ আসনের নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত রেখে ১২ ফেব্রুয়ারি ইসি ২৯৭ জন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ করেছিল।
১০১ দিন আগে
শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন কাল
প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে গত ১২ ফেব্রুয়ারির বাতিল হওয়া শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আগামীকাল (৯ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সফল করতে তৎপর রয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের জন্য ইতোমধ্যে শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় বৃহস্পতিবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
নির্বাচনকে ঘিরে শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর থেকে উপজেলা সদর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রহরায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট পেপার, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালিসহ নির্বাচনি সরঞ্জাম।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শেরপুর-৩ আসনটি শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী—এই দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। এর মধ্যে শ্রীবরদী উপজেলায় ২ লাখ ৫২ হাজার ৬০৪ জন এবং ঝিনাইগাতী উপজেলায় ১ লাখ ৬০ হাজার ৭৭৩ জন ভোটার রয়েছেন।
এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন প্রার্থী। তারা হলেন—বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের মাহমুদুল হক রুবেল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মাসুদুর রহমান এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের কাঁচি প্রতীকের মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ১২৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ২৮টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবং গারো পাহাড়ি এলাকার ৩২টি কেন্দ্রকে দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এ আসনে পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর পাশাপাশি ১৬ প্লাটুন বিজিবি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিটি কেন্দ্রে ৬ জন করে পুলিশ এবং ১৩ জন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া সার্বিক নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকছে ১ হাজার ১৫০ জন পুলিশ, ১৬ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ১৪টি টিমে ১৩৫ জন সদস্য এবং ১ হাজার ৭০৪ জন আনসার সদস্য।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, শেরপুর-৩ আসনটি সীমান্তবর্তী হওয়ায় সেনাবাহিনী আইন অনুযায়ী সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের ভেতরে সরাসরি দায়িত্ব পালন করতে পারে না। এ কারণে এখানে বিজিবির উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবি সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। ভোটের দিন প্রতি ভোটকেন্দ্রে ৬ জন করে পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি কেন্দ্রে ১২ জন করে আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন থাকবে। নির্বাচনি নিরাপত্তা জোরদারে র্যাবের ১০টি টিম মাঠে কাজ করছে এবং আরও ৪টি টিম রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পুলিশের ২৬টি মোবাইল টিম মোতায়েন রয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ১৮ জন পর্যবেক্ষক থাকছেন। পাশাপাশি দুই উপজেলায় ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ইলেকশন ইনকোয়ারি কমিটির ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ দায়িত্ব পালন করছেন। সেনাবাহিনীর কয়েকটি টিমও দায়িত্বে থাকবে।
নির্বাচনি মাঠ ঘুরে সাধারণ ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। দীর্ঘদিন পর আসনটি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছে বিএনপি। অন্যদিকে, এ আসনটি নিজেদের দখলে নিতে চায় জামায়াতে ইসলামী।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগমুহুর্তে গত ৪ ফেব্রুয়ারি শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা যান। পরদিন ওই আসনের নির্বাচন প্রথমে স্থগিত ও পরে বাতিল করা হয়। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশন নতুন করে শেরপুর-৩ আসনের তফসিল ঘোষণা করে। নতুন তফসিল অনুসারে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান মৃত নুরুজ্জামান বাদলের ভাই।
১০২ দিন আগে
সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ১২ মে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ভোটের তফসিল আগামী ৮ এপ্রিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন আর নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।
রবিবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে একাদশ কমিশন সভা শেষে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসিরুদ্দিনের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ইসি সচিব বলেন, ‘৮ এপ্রিল তফসিল ঘোষণা করা হবে। ভোট হবে ১২ মে। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া, বাছাই এবং প্রত্যাহারের শেষ সময় তফসিল ঘোষণার সময় জানিয়ে দেওয়া হবে।’
বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, ভোটে জয়ী দলগুলোর আসন সংখ্যার অনুপাতে সংসদে নারী আসন বণ্টন করা হয়। সংসদের সাধারণ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচনে ভোট দিয়ে থাকেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শেরপুর-৩ আসনে একজন বৈধ প্রার্থী মারা যাওয়া ভোট স্থগিত করা হয়েছিল। এছাড়া বগুড়া-৬ আসন তারেক রহমান ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে উপনির্বাচন হবে। এ ছাড়াও চট্টগ্রাম-২ ও ৪ আসনে আইনি জটিলতায় থাকায় ফল প্রকাশ করেনি নির্বাচন কমিশন। আগামী ৯ এপ্রিল শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি আসন পেয়েছে ২০৯টি। এছাড়া দলটির শরিক গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও গণসংহতি আন্দোলন একটি করে আসন পেয়েছে।
অপরদিকে, ৬৮টি আসনে জয়ী হয়ে জামায়াতে ইসলামী বসেছে বিরোধী দলে। ভোটে তাদের জোটের শরিক এনসিপি ছয়টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি ও খেলাফত মজলিস পেয়েছে একটি আসন।
দুই জোটের বাইরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন পেয়েছে একটি। বাকি ৭ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।
ভোটের পরদিন (১৩ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত মহিলা আসনের ভোটগ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, ভোটে জয়ী দলগুলোর আসন সংখ্যার অনুপাতে সংসদে নারী আসন বণ্টন করা হয়। সংসদের সাধারণ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। সংসদে প্রনিধিত্বকারী দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জোট করার বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। দল ও জোটগতভাবে সংরক্ষিত আসনসংখ্যা চূড়ান্ত করার পর তফসিল হবে।
প্রাথমিক বন্টন অনুযায়ী, বিএনপি জোট ৩৬, জামায়াত জোট ১৩ ও স্বতন্ত্র জোট ১ টি আসনে পেতে পারে।
১০৪ দিন আগে
উপনির্বাচন: ৯ এপ্রিল বগুড়া ও শেরপুরের ২ আসনে সাধারণ ছুটি
বগুড়া ও শেরপুরের দুটি শূন্য আসনে উপনির্বাচন উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট এলাকায় আগামী ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।
বুধবার (১ এপ্রিল) এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অ্যালোকেশন অব বিজনেস অ্যামাং দ্য মিনিস্ট্রিজ অ্যান্ড ডিভিশনস (রুলস অফ বিজনেস ১৯৯৬)-এ দেওয়া ক্ষমতাবলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের চাহিদার ভিত্তিতে এ ছুটি ঘোষণা করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জাতীয় সংসদের ৪১ (বগুড়া-৬) ও ১৪৫ (শেরপুর-৩) শূন্য আসনে ভোটগ্রহণের দিন সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় এ সাধারণ ছুটি কার্যকর থাকবে।
১০৯ দিন আগে
বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে ভোট হতে পারে ৯ এপ্রিল
শেরপুর-৩ আসনে সাধারণ নির্বাচন ও বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন হতে পারে আগামী ৯ এপ্রিল।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের এক জনসংযোগ কর্মকর্তা বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি জানান, বিকেলে দুটি আসনে নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা করবে কমিশন। যাবতীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
শেরপুর-৩ আসনে পুনঃতফসিল এবং বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচনের জন্য নতুন করে তফসিল ঘোষণা করা হবে। এ দুই আসনের প্রবাসী এবং দেশের ভেতরে থাকা সরকারি কর্মকর্তা ও ভোটের দায়িত্বে নিয়োজিতরা পোস্টাল ব্যালটে যেন ভোট দেওয়ার সুযোগ পায় সেটিও বিবেচনা করা হচ্ছে। শেরপুর-৩ আসনে সাধারণ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটও হবে।
এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে শেরপুর-৩ আসনের বৈধ প্রার্থী মারা যাওয়ায় নির্বাচন স্থগিত করে ইসি।
এখন নতুন তফসিলের মাধ্যমে এ আসনে ভোট করতে হবে। অন্যদিকে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান জয়ী হলেও সংসদে একইসঙ্গে একাধিক আসনে সদস্য থাকা যায় না বলে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। শূন্য এ আসনে এখন উপনির্বাচন করবে ইসি।
১৪৫ দিন আগে
মাদারীপুরে ১৭ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
মাদারীপুরে তিনটি আসনের ২৫ প্রার্থীর মধ্যে ১৭ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত ষোষণা করেছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর-১ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ২৪ হাজার ২৮৯ জন। ১০২টি কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৭১০টি। এই আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ‘রিকশা’ প্রতীকের প্রার্থী সাইদ উদ্দিন আহমেদ হানজালা ৬৪ হাজার ৯০৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী নাদিয়া চৌধুরী ৬৪ হাজার ৫২৮ ভোট পেয়ে তার নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী হন। স্বতন্ত্র প্রার্থী জামাল কামান ৩৬ হাজার ৫৬৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন। অন্য ৭ প্রার্থী মোট ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশের কম ভোট পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
মাদারীপুর-২ আসনে ভোটার ৪ লাখ ৩৬ হাজার ২৩২ জন। ১৪৫টি কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৯২ হাজার ১৬৪টি। ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির প্রার্থী জাহান্দার আলী ৬১ হাজার ৭৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী মিল্টন বৈদ্য ৪৬ হাজার ৪৭৬ ভোট পান। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আব্দুস সোবহান খান ৩৬ হাজার ১৬৯ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন। ৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয় এ আসনে ।
মাদারীপুর-৩ আসনে ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৮০৬ জন ভোটার। ১৩৪টি কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ১ হাজার ২৩৭টি। ৯৫ হাজার ১৮৮টি ভোট পেয়ে জয়ী হন বিএনপির ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. রফিকুল ইসলাম ৮৪ হাজার ৬৪৬ ভোট পান। এ আসনে অন্য ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
১৫৩ দিন আগে