আইনশৃঙ্খলা
বিচার প্রক্রিয়ার ভোগান্তি কমাতে ৮ জেলায় ‘ই-বেইলবন্ড’ উদ্বোধন
বিচার প্রক্রিয়ার ভোগান্তি কমাতে প্রচলিত বেইলবন্ড (জামিন নামা) ব্যবস্থার পরিবর্তে ডিজিটাল মাধ্যমে ই-বেইলবন্ড চালু করেছে সরকার। নারায়ণগঞ্জে পরীক্ষামূলকভাবে সফল বাস্তবায়নের পর এবার দেশের আট বিভাগের আট জেলায় একযোগে ই-বেইলবন্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কার্যক্রম শুরু হলো। এতে বেইলবন্ড দাখিল প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ হবে বলে আশা করছে আইন ও বিচার বিভাগ।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে সচিবালয় থেকে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম জুমের মাধ্যমে একযোগে ৮ জেলায় ই-বেইলবন্ড কার্যক্রম উদ্বোধন করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
মানিকগঞ্জ, বান্দরবান, মেহেরপুর, জয়পুরহাট, মৌলভীবাজার, পঞ্চগড়, ঝালকাঠি ও শেরপুর জেলায় এই কার্যক্রম চালু হয়েছে।
আইন উপদেষ্টা বলেন, গত বছরের ১৫ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জে পরীক্ষামূলকভাবে ই-বেইলবন্ড কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। এটি শতভাগ সফলতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে। এই সফলতার ভিত্তিতে আমরা সফটওয়্যারটিকে আরও উন্নত করেছি। আজকে দেশের আটটি জেলায় ই-বেইলবন্ড উদ্বোধন করা হলো।
এই ব্যবস্থার মাধ্যমে বেইলবন্ড দাখিল প্রক্রিয়া হবে সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ। এতে বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী, কারা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবার সময় ও ব্যয় সাশ্রয় হবে বলে আশা করেছে আইন ও বিচার বিভাগের কর্মকর্তারা।
আসিফ নজরুল বলেন, ‘ই-বেইলবন্ড প্রবর্তনের আগে জামিন মঞ্জুরের পর মুক্তি পেতে অনেকগুলো ধাপ অতিক্রম করতে হতো। এতে বিচারপ্রার্থীদের অপ্রয়োজনীয় সময়, অর্থ ও মানসিক যন্ত্রণা পোহাতে হতো। জামিন পাওয়ার পরও কয়েকদিন, এমনকি সপ্তাহকালও জেলে থাকার ঘটনা ঘটত। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির অভাব ছিল। আবার কোথায় দেরি হচ্ছে, তা বোঝারও সুযোগ ছিল না।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের ইচ্ছা আছে ৬৪ জেলায় আমরা ই-বেইলবন্ড ব্যবস্থা চালু করব। আমাদের আর সময় আছে ২০ থেকে ২৫ দিন। আমরা আরও কয়েকটা জেলায় চালুর চেষ্টা করব। আমরা আশা করি, আগামী ছয় মাসের মধ্যে এ ব্যবস্থা সবগুলো জেলায় চালু হয়ে যাবে।’
পরবর্তী সরকার এ উদ্যোগগুলো অব্যাহত রাখবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে আইন উপদেষ্টা বলেন, পরবর্তী সরকার রাজনৈতিকভাবে সমস্যা হয়, এমন জিনিস ছাড়া বাকি সবই রাখার চেষ্টা করবে। এটি তো রাজনৈতিকভাবে সমস্যায় ফেলবে না। পরবর্তী দলগুলো যারা ক্ষমতায় আসবে, আমরা তো শুনি যে উনারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবেন। উনারা সুশাসনের ব্যবস্থা করবেন। এ সমস্ত কাজ যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক, বাধা দেবে বলে আমরা মনে করি না।
২২ ঘণ্টা আগে
মানবতাবিরোধী অপরাধে জয়-পলকের বিচার শুরুর আদেশ
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাযজ্ঞের দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।
ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন— বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এদিন প্রথমে দুই আসামির অব্যাহতি চাওয়া আইনজীবীদের আবেদন খারিজ করে দেন ট্রাইব্যুনাল। পরে তাদের বিরুদ্ধে আনা প্রসিকিউশনের তিনটি অভিযোগ পড়েন বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ। এরপর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। এর মাধ্যমে এ মামলার বিচার শুরুর হলো।
এ মামলায় সূচনা বক্তব্যসহ সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।
মামলাটিতে দুই আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন পলক। তাকে আজ (বুধবার) সকালে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। অপর আসামি জয়ের পক্ষে আইনি লড়াই করছেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলম।
এর আগে, গত ১৫ জানুয়ারি এ মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল। ওইদিন পলকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী লিটন আহমেদ ও জয়ের পক্ষে আইনজীবী মনজুর আলম। শুনানিতে প্রসিকিউশনের আনা তিনটি অভিযোগের বিরোধিতার পাশাপাশি জয়-পলকের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেন তারা। এজন্য এ মামলায় চার্জ গঠন না করাসহ তাদের অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করা হয়। অন্যদিকে, অভিযোগ গঠনের আর্জি জানান প্রসিকিউশন।
গত ১১ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ওইদিন তিনটি চার্জ পড়ে শোনানোর পাশাপাশি দুই আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আবেদন জানান তিনি।
এ মামলায় তিনটি অভিযোগ হলো— জয়ের নির্দেশে ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রাতে ফেসবুকে উসকানি দেন পলক। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায় পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র বাহিনী। এ ছাড়া ইন্টারনেট বন্ধ করে মারণাস্ত্র ব্যবহারে উসকানি ও প্ররোচনা দেন তারা। একইসঙ্গে হত্যায় সহায়তা করেন। ফলে পুলিশ ও দলীয় সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় শহিদ হন রাসেল, মোসলেহ উদ্দিনসহ ২৮ জন। তিন নম্বর অভিযোগটি হলো, উত্তরায় ৩৪ জন হত্যায় সহায়তা করেন তারা।
এসব ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ১০ ডিসেম্বর জয়কে আত্মসমর্পণে দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন আদালত। গ্রেপ্তার থাকায় পলককে একই দিন হাজির করা হয়। ৪ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের জমা দেওয়া ফরমাল চার্জ (আনুষ্ঠানিক অভিযোগ) আমলে নেন আদালত।
২৩ ঘণ্টা আগে
ইভ্যালির রাসেল ও শামীমা ফের গ্রেপ্তার
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামিমা নাসরিনকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মধ্যরাতে রাজধানীর ধানমণ্ডি এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ধানমণ্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ডিবি পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি থানায় অবহিত করেছে।
ডিবি সূত্রে জানা গেছে, গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে ধানমণ্ডি, কাফরুল এবং সাভার থানায় দায়ের করা বিভিন্ন মামলায় এই দম্পতির বিরুদ্ধে ৩৯১টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র ধানমণ্ডি থানাতেই তাদের বিরুদ্ধে শতাধিক পরোয়ানা ঝুলছিল।
এ ছাড়াও সোমবার (১৯ জানুয়ারি) অন্য একটি প্রতারণা মামলায় ঢাকার একটি আদালত তাদের ১৫ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার সময় তারা পলাতক থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন।
এর আগে, ২০২১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুরের বাসভবন থেকে এই দম্পতিকে প্রথমবার গ্রেপ্তার করেছিল র্যাব। দীর্ঘ কারাবাসের পর ২০২২ সালের এপ্রিলে শামীমা নাসরিন এবং ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে মোহাম্মদ রাসেল জামিনে মুক্তি পান।
২ দিন আগে
আজ নয়, চানখারপুলে গণহত্যা মামলার রায় ২৬ জানুয়ারি
চানখারপুলে ৬ জনকে হত্যা মামলার রায় প্রস্তুত না হওয়ায় আজ রায় হচ্ছে না। রায়ের পরবর্তী তারিখ ধার্য করা হয়েছে ২৬ জানুয়ারি।
ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রায়ের পরবর্তী দিন ধার্য করেন।
বেঞ্চের অন্য ২ সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এর আগে, প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলার রায়ের জন্য ২০ জানুয়ারি দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২৪ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ তারিখ ধার্য করেন। ওই দিন আসামি ইমাজ হোসেন ইমনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন আইনজীবী মো. জিয়াউর রশিদ। পরে পলাতক ৪ আসামির হয়ে যুক্তি তুলে ধরেন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী কুতুবউদ্দিন আহমেদ। প্রসিকিউশনের পক্ষে পাল্টা যুক্তি খণ্ডন করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর সহিদুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল নোমানসহ অন্যরা।
ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ মোট ৮ জন এই মামলার আসামি। এর মধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন ৪ জন। এরা হলেন— শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ও মো. নাসিরুল ইসলাম।
পলাতক বাকি ৪ আসামি হলেন— সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম এবং সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চানখারপুল এলাকায় শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশের নির্বিচার গুলিতে শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ জুনায়েদ, মো. ইয়াকুব, মো. রাকিব হাওলাদার, মো. ইসমামুল হক ও মানিক মিয়া শাহরিক নিহত হন। এ ঘটনায় আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত ১৪ জুলাই তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন আদালত।
২ দিন আগে
চানখারপুলে গণহত্যা মামলার রায় আজ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর চানখারপুলে ৬ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণা হবে আজ (মঙ্গলবার) । রায়ের এ কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছেন প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম।
তিনি বলেন, পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দ্বিতীয় রায় ঘোষণা হবে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি)। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ-ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে এ রায় দেবেন ট্রাইব্যুনাল-১। রায়ের পুরো কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বিটিভিতে।
এর আগে, প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের জন্য ২০ জানুয়ারি দিন নির্ধারণ করা হয়। ২৪ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ তারিখ ধার্য করেন। ওই দিন আসামি ইমাজ হোসেন ইমনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন আইনজীবী মো. জিয়াউর রশিদ। পরে পলাতক ৪ আসামির হয়ে যুক্তি তুলে ধরেন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী কুতুবউদ্দিন আহমেদ। প্রসিকিউশনের পক্ষে পাল্টা যুক্তি খণ্ডন করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর সহিদুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল নোমানসহ অন্যরা।
ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ মোট ৮ জন এই মামলার আসামি। এর মধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন ৪ জন। এরা হলেন— শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ও মো. নাসিরুল ইসলাম।
পলাতক বাকি ৪ আসামি হলেন— সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম এবং সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চানখারপুল এলাকায় শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশের নির্বিচার গুলিতে শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ জুনায়েদ, মো. ইয়াকুব, মো. রাকিব হাওলাদার, মো. ইসমামুল হক ও মানিক মিয়া শাহরিক নিহত হন। এ ঘটনায় আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত ১৪ জুলাই তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন আদালত।
২ দিন আগে
নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য মোতায়েন, নজরদারিতে থাকবে ৪১৮ ড্রোন
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে মোট ৮ লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্র ৪২ হাজার ৭৬১টি। এর মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ (বেশি ঝুঁকিপূর্ণ) কেন্দ্র ৮ হাজার ৭৮০টি, গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) কেন্দ্র ১৬ হাজার ৫৪৮টি এবং সাধারণ কেন্দ্র ১৭ হাজার ৪৩৩টি। অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ২৫ হাজার বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপনের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।
ভোটের সময় নজরদারি জোরদারে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোট ৪১৮টি ড্রোন ব্যবহার করবে বলে জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনকেন্দ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশজুড়ে দুই পর্বে বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রথম পর্বে চলমান মোতায়েন অব্যাহত থাকবে। দ্বিতীয় পর্বে ভোটকেন্দ্রভিত্তিক মোতায়েন হবে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সাত দিনের জন্য। পুরো নিরাপত্তাব্যবস্থার সমন্বয় থাকবে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার অধীনে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে পুলিশ, আনসার ও ভিডিপির পাশাপাশি ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও র্যাব মোতায়েন থাকবে। এ ছাড়া পুলিশ, বিজিবি, র্যাব, কোস্টগার্ড ও সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়ে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন করা হবে।
নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ বিশেষ টিম গঠন করে সংশ্লিষ্ট সমন্বয় সেলের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। প্রাপ্ত অভিযোগ তাৎক্ষণিকভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট এলাকার সমন্বয় সেলে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।
প্রথমবারের মতো নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, এ প্রশিক্ষণ ২০ জানুয়ারির মধ্যে শেষ হবে। নজরদারিতে ব্যবহৃত ৪১৮টি ড্রোন সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র্যাব ও আনসার বাহিনী সমন্বিতভাবে পরিচালনা করবে। বিভিন্ন বাহিনীর ডগ স্কোয়াডও নির্বাচনকালে ব্যবহৃত হবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ–২০২৬’। এনটিএমসি প্রস্তুত করা এই অ্যাপের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, দুর্গম ও চরাঞ্চলে ব্যালট ও নির্বাচনি সামগ্রী পরিবহনের জন্য বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে—এমন দুষ্কৃতিকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভোটের আগে চার দিন সারা দেশে নিবিড় টহল চালানো হবে।
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ–২ এর অগ্রগতি সম্পর্কে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত এ অভিযানে ১৯ হাজার ৮৫৪ জন গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময়ে ৩৪৬টি আগ্নেয়াস্ত্র, ২ হাজার ১৯১ রাউন্ড গুলি, ৭২২ রাউন্ড কার্তুজসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। মামলা ও ওয়ারেন্টমূলে মোট গ্রেপ্তার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৩ হাজার ৩৬৭ জনে।
নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করা বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। পাশাপাশি সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
২ দিন আগে
আদালতের নির্দেশে নাসা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের সিদ্ধান্ত
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, আদালতের আদেশ অনুযায়ী নাসা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি করে প্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রমিকদের আইনানুগ বকেয়া বেতন ও সার্ভিস বেনিফিট পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের শিল্পপ্রতিষ্ঠানসমূহের শ্রম ও ব্যবসায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা’ সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির পঞ্চদশ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শ্রম উপদেষ্টা জানান, ইতোমধ্যে আদালত দ্বারা নিয়োগকৃত প্রশাসকের মাধ্যমে নাসা গ্রুপের শেয়ার বিক্রি করে তাদের শ্রমিকদের ৭৬ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এ ছাড়াও নাসা গ্রুমের মাধ্যমে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় ৮ টি ব্যাংকের ডাউন পেমেন্ট সম্পন্ন করা হয়েছে। বাকি ১৫টি ব্যাংকের ডাউন পেমেন্ট এবং শ্রমিকদের অবশিষ্ট বকেয়া আদালতের নির্দেশনার ভিত্তিতে নাসা গ্রুপের কিছু সম্পত্তি উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিক্রি করে পরিশোধ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর, শিল্পাঞ্চল পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নাসা গ্রুপের প্রশাসকসহ প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
২ দিন আগে
টাঙ্গাইলে প্রশিক্ষণ চলাকালে শিক্ষানবিশ পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ
টাঙ্গাইল জেলার মহেড়া পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (পিটিসি) প্রশিক্ষণ চলাকালীন ফায়ারিং বাটে দুর্ঘটনাবশত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন মাসুম (১৯) নামে এক ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি)।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে প্রশিক্ষণ চলাকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান-র্যাবের হেলিকপ্টারে করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘটনার বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (এআইজি) মারুফ আব্দুল্লাহ এবং উপপরিদর্শক (এসআই) তৌফিক।
তারা জানান, মহেড়া পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ফায়ারিং বাটে পরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎ একটি চায়না রাইফেলের গুলি মাসুমের পিঠের বাঁ কাঁধে বিদ্ধ হয়। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরপরই তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য র্যাবের হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন ঢামেকের চিকিৎসকরা।
২ দিন আগে
শাকসু নির্বাচন হাইকোর্টে স্থগিত
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। আগামীকাল ২০ জানুয়ারি শাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
এ বিষয়ে এক রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম, ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ। অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসাইন লিপু। এছাড়া রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।
রায়ের পর ব্যারিস্টার কাজল জানিয়েছেন, হাইকোর্ট রিটের শুনানি শেষে শাকসুর নির্বাচনি কার্যক্রম স্থগিত করেছেন। পাশাপাশি রুল জারি করেছেন।
এর আগে, রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। শাকসু নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মমিনুর রশিদ শুভ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে। রিটে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সব ধরনের নির্বাচন বন্ধ রাখার নির্দেশনা জারি করেছে। এ অবস্থায় শাকসু নির্বাচন হতে দেওয়া আইনসঙ্গত নয়।
২ দিন আগে
শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে গণআন্দোলন চলাকালে নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেয়।
প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ১৯ ও ২১ জুলাই এবং ৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা-সাইনবোর্ড এলাকায় ১০ জনকে হত্যা করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি অভিযোগ আনা হয়। এসব অভিযোগ ট্রাইব্যুনালের সামনে উপস্থাপন করেন তিনি। একইসঙ্গে অভিযোগ আমলে নেওয়ার আবেদন করা হয়। পরে অভিযোগ আমলে নেওয়ার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। সেইসঙ্গে ১২ আসামিকে গ্রেপ্তার করে আগামী ২৬ জানুয়ারি তাদের হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসিকিউশন জানায়, নারায়ণগঞ্জে জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের অন্যতম আসামি শামীম ওসমান ও তার ছেলে অয়ন ওসমান। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আসামিরা সবাই অস্ত্রধারী ছিলেন।
এর আগে, আজ (সোমবার) সকালে ১২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করে প্রসিকিউশন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইবুনালে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
৩ দিন আগে