বাংলাদেশ
৩০০ সচিবকে থাইল্যান্ড পাঠানোর খবরটি ‘সত্য নয়’
‘ইংরেজি শিখতে ৩০০ সচিবকে থাইল্যান্ড পাঠাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়’—এ শিরোনামে সম্প্রতি প্রকাশিত সংবাদকে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর দাবি করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিয়াম) ফাউন্ডেশন।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিয়াম ফাউন্ডেশন থেকে পাঠানো এক প্রতিবাদ লিপিতে এ দাবি করা হয়। পরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকেও বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
প্রতিবাদ লিপিতে জানানো হয়, প্রকাশিত সংবাদটিতে তথ্যের ব্যাপক বিভ্রান্তি রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে এটি সচিবদের জন্য কোনো প্রশিক্ষণ নয়, বরং সরকারের মধ্যম পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আন্তর্জাতিক সক্ষমতা ও কূটনৈতিক দক্ষতা বৃদ্ধির একটি নিয়মিত কার্যক্রম।
এতে বলা হয়েছে, ‘Strengthening Institutional Capacity of BIAM for Conducting Core Courses’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় কর্মকর্তাদের জন্য গভর্ন্যান্স, ফিন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট এবং নেগোশিয়েশন স্কিলসহ বিভিন্ন কোর্সের আয়োজন করা হয়। এসব কোর্সের একটি বড় অংশ দেশেই সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া ব্যয় সংকোচনের লক্ষ্যে ইউরোপের পরিবর্তে এশিয়ার দেশগুলোতে প্রশিক্ষণের অবশিষ্টাংশ আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
সংবাদে ‘পাতায়া’কে সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা প্রসঙ্গে প্রতিবাদ লিপিতে জানানো হয়েছে, এটি সঠিক নয়। সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া বা এশিয়ার অন্য কোনো স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় বিবেচনায় রয়েছে। ‘পাতায়া’ উল্লেখ করে প্রশিক্ষণকে পর্যটননির্ভর হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে, যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এছাড়া প্রস্তাবটি এখনও একনেকে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়নি। এটি চূড়ান্ত নয়, বরং প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলেও জানানো হয়।
এ ধরনের অসত্য ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও বিয়ামের মতো প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে এবং একটি ইতিবাচক উদ্যোগকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা দাবি করে প্রতিবাদ লিপিতে এ ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে নিন্দা জানিয়ে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
আদানি পাওয়ারের সঙ্গে চুক্তি সংশোধনের বিবেচনা করা হচ্ছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী
ভারতের আদানি পাওয়ার লিমিটেডের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তিটি বিগত আওয়ামী লীগ সরকার অস্বাভাবিক মূল্যে করেছে, আলোচনাক্রমে এ চুক্তি সংশোধনের বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে তিনি এ কথা জানান।
ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ভারতের আদানি পাওয়ার (ঝাড়খন্ড) লিমিটেডের সঙ্গে ২০১৭ সালে বিদ্যুৎ ক্রয়ের যে চুক্তি হয়েছিল, ওই চুক্তিটি পর্যালোচনার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত একটি জাতীয় কমিটি কর্তৃক পর্যালোচনা করা হয়েছে। কমিটিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ, আইন বিশেষজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ছিলেন এবং কমিটি এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক চুক্তি বিশেষজ্ঞ আইনি প্রতিষ্ঠানের মতামত গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, পর্যালোচনায় আদানি পাওয়ারের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তিটি বিগত আওয়ামী লীগ সরকার দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় অস্বাভাবিক মূল্যে স্বাক্ষর করেছে মর্মে জাতীয় কমিটি তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে।
জাতীয় কমিটিকে উদ্ধৃত করে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, অস্বাভাবিক শর্ত ও উচ্চমূল্যের কারণে এই চুক্তিটি এখন ‘গলার কাঁটা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান সরকার এখন এই সংকট সমাধানে দুটি পথ বিবেচনা করছে। প্রথমত, আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতে চুক্তির বিতর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে দ্বারস্থ হওয়া। দ্বিতীয়ত, আদানি পাওয়ারের সাথে সরাসরি দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির শর্তসমূহ সংশোধন ও বিদ্যুতের দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া। জাতীয় কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে দেশের স্বার্থ রক্ষায় যা যা প্রয়োজন, সরকার সেই কার্যকর পদক্ষেপই গ্রহণ করবে।
একইসঙ্গে বিদ্যুৎ খাতের অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে মোট ১ হাজার ৮৩৪টি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র চালু রয়েছে। ক্রমবর্ধমান চাহিদা মোকাবিলায় ২০৩১ সালের মধ্যে অতিরিক্ত ৬ হাজার ২৫৫ এমভিএ সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সারা দেশে ১৩৯টি নতুন উপকেন্দ্র নির্মাণের কাজ চলছে এবং বহু পুরোনো উপকেন্দ্র আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের আওতায় একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। এ ছাড়া বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ ও নির্ভরযোগ্য করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে দেশে ১৩৬টি বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র রয়েছে, যার মোট উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট। তবে চাহিদা অনুযায়ী দৈনিক গড়ে ১৪ থেকে ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে।
সরকারের এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমবে এবং শিল্প ও আবাসিক খাতে স্থিতিশীল ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
ফুটপাত-রাস্তায় ব্যবসা নয়, বিকল্প ব্যবস্থা করবে ডিএনসিসি
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত রাখতে ভবিষ্যতে ফুটপাতে বা রাস্তায় ব্যবসা করা যাবে না। তবে ক্ষুদ্র ও ভাসমান ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবসার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর মিরপুরের মুকুল ফৌজ মাঠে মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-১ পর্যন্ত সড়কের ফুটপাত দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে ভাসমান ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রশাসক বলেন, আমরা বিকল্প স্থানে ব্যবসার ব্যবস্থা করে দেব। ফুটপাতে বা রাস্তায় আর ব্যবসা করা যাবে না—এটাকে মাথায় রেখে আপনাদের কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, আগে যারা ফুটপাতে ব্যবসা করতে সহযোগিতা করতেন, তারা আর সহযোগিতা করতে পারবেন না। ব্যবসায়ীদের সমস্যা রয়েছে, সেসব সমস্যা কীভাবে সমাধান করা যায়, সে বিষয়ে সিটি করপোরেশন মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করবে।
শফিকুল ইসলাম খান বলেন, মানবিক কারণে আমরা আপনাদের সঙ্গে কথা বলতে এসেছি। চাইলে আমরা ফোর্স দিয়ে উচ্ছেদ করতে পারতাম, কিন্তু তা করিনি। আমরা চাই আমাদের এলাকার মানুষ ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করুক।
সভায় হকার ও ভাসমান ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়। তারা পুনর্বাসনের জন্য নির্দিষ্ট স্থান, পর্যাপ্ত সময় এবং এমন স্থান চেয়েছেন যেখানে ব্যবসা পরিচালনা সম্ভব হবে।
ব্যবসায়ীরা বলেন, বহু বছর ধরে তারা ফুটপাতে ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। হঠাৎ উচ্ছেদ হলে পরিবার-পরিজন নিয়ে সংকটে পড়তে হবে। তারা পুনর্বাসনের আগে নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ এবং পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার দাবি করেন।
প্রশাসক বলেন, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে কার্যকর সমাধান বের করা হবে এবং এ বিষয়ে ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘সিটি করপোরেশন থেকে আমরা ব্যবসায়ীদের একটি টোকেন প্রদান করব, যাতে কেউ চাঁদা দাবি করলে তা দিতে না হয়, এবং আপনারা জানাবেন। আমরা আপনাদের পাশে আছি।
মতবিনিময় সভায় ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রকিবুল হাসান, ডিএমপি মিরপুর জোনের ডিসি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহ
প্রধানমন্ত্রীর যুব কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী পদে নিয়োগ পেয়েছেন মো. সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মো. সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহ গ্রেড-২ পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করবেন। নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, তাকে অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগ করতে হবে।
যোগদানের তারিখ থেকে তার এ নিয়োগ কার্যকর হবে এবং তা প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল বা তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) বহাল থাকবে।
এছাড়া নিয়োগের অন্যান্য শর্তাবলি পৃথক চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলায় এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে সমন জারি
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে জামায়াত নেতা ও সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে দায়ের করা ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলায় সমন জারি করেছেন আদালত।
সিরাজগঞ্জের আমলী আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুমন ভুইয়া বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে, সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় মামলাটি করেন।
বাদী নাজমুল ইসলাম বলেন, কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতের এমপি মুফতি আমির হামজা সিরাজগঞ্জ-২ আসনের বিএনপির এমপি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে প্রকাশ্যে নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষী আখ্যা দিয়ে বক্তব্য দেন। এজন্য তার বিরুদ্ধে উল্লিখিত টাকার মানহানি মামলা করা হয়েছে। বিজ্ঞ বিচারক এ মামলা আদেশের অপেক্ষায় রেখে ছিলেন। আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে এ মামলা শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুমন ভুইয়া এ সমন জারির নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, ২৬ মার্চ জেলা প্রশাসনের আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তাকে আপাদমস্তক ইসলামবিদ্বেষী ও নাস্তিক আখ্যা দেওয়া হয়। এতে আমাদের হুদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু নামাজ আদায় করেন। তিনি হজ পালন করেছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
সপ্তাহে ৩ দিন হোম অফিসের খবর গুজব: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য সরকারি অফিস সপ্তাহে তিন দিন সশরীরে এবং দুই দিন ভার্চুয়ালি পরিচালিত হবে—এমন দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি চিঠিকে ভুয়া বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জানায়, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত বা নির্দেশনা তারা জারি করেনি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়কল্পে সরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন ও সপ্তাহে ৩ দিন অফিস পরিচালনা প্রসঙ্গে গত ১ এপ্রিল একটি স্মারকপত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ ধরনের কোনো পত্র জারি করা হয়নি। এ বিষয়ে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানানো হলো।
৯ ঘণ্টা আগে
এক মাসে অবৈধ মজুদ করা ৩ লাখ ৭২ হাজার লিটার তেল উদ্ধার
অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদের বিরুদ্ধে গত এক মাসে দেশজুড়ে অভিযান চালিয়ে মোট ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৮ লিটার তেল উদ্ধার করেছে সরকার। একই সময়ে পরিচালিত অভিযানে ২ হাজারের বেশি মামলা ও জরিমানার পাশাপাশি কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সচিবালয়ে সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী।
তিনি বলেন, ৩ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৪ হাজার ৮২৪টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে ২ হাজার ৯টি মামলা করা হয়েছে এবং মোট ১ কোটি ১ লাখ ৪৩৫ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এছাড়া ২৪ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
উদ্ধারকৃত জ্বালানির পরিমাণ তুলে ধরে তিনি বলেন, মোট ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৮ লিটার তেলের মধ্যে ডিজেল ২ লাখ ৭১ হাজার ৩৭৪ লিটার, অকটেন ৩০ হাজার ৯৬০ লিটার এবং পেট্রোল ৭০ হাজার ৫৪ লিটার।
১০ ঘণ্টা আগে
ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ৪৪৫ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত
ভূমিকম্পসহ বড় ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় রাজধানীর দুই সিটিতে মোট ৪৪৫টি আশ্রয়স্থল চিহ্নিত করেছে সরকার। একইসঙ্গে প্রায় ১ লাখ ৪৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের একটি খসড়া তালিকাও প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মিলিয়ে ৪৪৫টি আশ্রয়স্থল নির্ধারণ করা হয়েছে।
পাশাপাশি ভূমিকম্প সচেতনতা বাড়াতে শিক্ষা কারিকুলামে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনার বিষয়েও সরকার ভাবছে।
তিনি আরও বলেন, ভূমিকম্প-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সংস্থা থেকে ১ লাখ ৪৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের খসড়া তালিকা তৈরি হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
দুর্গাপূজার ছুটি ৩ দিন করার দাবি
দুর্গাপূজার ছুটি কমপক্ষে তিনদিন করার দাবিসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার ও সুরক্ষায় একাধিক প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা।
হিন্দু সম্প্রদায়ের সমস্যাগুলো নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, উনি (প্রধানমন্ত্রী) আমাদের সকল সমস্যার কথা ধৈর্য সহকারে শুনেছেন এবং পর্যায়ক্রমে সমাধানেরও আশ্বাস দিয়েছেন।
সন্তোষ শর্মা জানান, বৈঠকে হিন্দু সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে— অর্পিত সম্পত্তি আইন কার্যকর বাস্তবায়ন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের পরিবর্তে ফাউন্ডেশন গঠন, দেবোত্তর সম্পত্তি আইন প্রণয়ন, সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, সংখ্যালঘু বিষয়ক পৃথক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা এবং সংখ্যালঘু কমিশন গঠন।
এছাড়া দুর্গাপূজার ছুটি কমপক্ষে তিনদিন করার দাবি জানানো হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সন্তোষ শর্মা বলেন, ৫ আগস্টের পরে আমাদের সম্প্রদায়ের যে সমস্ত লোকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা এবং হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হয়েছে, সেই মামলাগুলো প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছি। আমাদের লোকজনের জাতীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রে আনুপাতিক হারে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা প্রচারণাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতার বিচার দাবি করে তিনি আরও বলেন, ফেসবুকে নানারকম মিথ্যা প্রচারণার অভিযোগে যে সমস্ত হত্যাকাণ্ড, লুটপাট এবং ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে, সেগুলোর বিচার চেয়েছি আমরা। উনিও বলেছেন এগুলোর পর্যায়ক্রমে বিচার করা হবে।
১০ ঘণ্টা আগে
এলপিজির দামে বড় লাফ, ১২ কেজির সিলিন্ডারে বেড়েছে ৩৮৭ টাকা
ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এপ্রিল মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৭২৮ টাকা, যা আগের তুলনায় ৩৮৭ টাকা বেশি।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন এ দর কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
বিইআরসি জানিয়েছে, ভ্যাটসহ ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির খুচরা মূল্য প্রতি কেজি ১৪৪.০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম মার্চের ১ হাজার ৩৪১ টাকা থেকে বেড়ে এপ্রিল মাসে ১ হাজার ৭২৮ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
নতুন নির্ধারিত দরে সাড়ে ৫ কেজি সিলিন্ডার ৭৯২ টাকা, সাড়ে ১২ কেজি ১ হাজার ৮০১ টাকা, ১৫ কেজি ২ হাজার ১৬১ টাকা, ১৬ কেজি ২ হাজার ৩০৫ টাকা, ১৮ কেজি ২ হাজার ৫৯৩ টাকা এবং ২০ কেজি সিলিন্ডার ২ হাজার ৮৮১ টাকায় বিক্রি হবে।
এছাড়া ২২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩ হাজার ১৬৯ টাকা, ২৫ কেজি ৩ হাজার ৬০১ টাকা, ৩০ কেজি ৪ হাজার ৩২১ টাকা, ৩৩ কেজি ৪ হাজার ৭৫৩ টাকা, ৩৫ কেজি ৫ হাজার ৪১ টাকা এবং ৪৫ কেজি সিলিন্ডার ৬ হাজার ৪২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে মার্চ মাসে এলপিজির দাম অপরিবর্তিত ছিল। তবে ২৩ ফেব্রুয়ারি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা করা হয়েছিল, যা সর্বশেষ সমন্বয় পর্যন্ত বহাল ছিল।
এদিকে, এপ্রিল মাসের জন্য অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে। ভোক্তা পর্যায়ে অটোগ্যাসের মূল্য মূসকসহ প্রতি লিটার ৭৯.৭৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের তুলনায় ১৭.৯৪ টাকা বেশি।
এর আগে ২ মার্চ অটোগ্যাসের দাম সর্বশেষ সমন্বয় করা হয়, তখন ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটারে ৩ পয়সা কমিয়ে ৬১.৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
১০ ঘণ্টা আগে