প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
শৈশবে সুন্দরবনে বাঘের পায়ের ছাপ দেখার স্মৃতিচারণ প্রধানমন্ত্রীর
শৈশবের স্মৃতি স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মা-বাবা ও ছোট ভাইকে নিয়ে তিন দিনের পারিবারিক সফরে সুন্দরবনে গিয়ে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের পায়ের তাজা ছাপ দেখেছিলেন তিনি, যা এখনও তার মনে পড়ে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে একাডেমিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানের বিশেষ পর্বে শিশুদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
এক শিশু প্রধানমন্ত্রীর শৈশবের প্রিয় স্মৃতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার বাবা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একবার তাকে, তার ছোট ভাই ও তাদের মা বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে সুন্দরবনে গিয়েছিলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘সুন্দরবনে আমরা হিরণ পয়েন্ট নামের একটি জায়গায় নেমেছিলাম, যেটি ছোট একটি দ্বীপের মতো। সেখানে একটি পুকুর ছিল। ওখানকার লোকজন আমাদের বলেছিলেন, আগের রাতে একটি বাঘ পানি খেতে পুকুরে এসেছিল। পুকুরের পাশের কাদায় রয়েল বেঙ্গল টাইগারের একেবারে তাজা পায়ের ছাপ ছিল। সেই স্মৃতি এখনও মনে পড়ে।’
শৈশবে বড় হয়ে কী হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ওই বয়সে তার নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য ছিল না।
তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, তখন আমার আসলে কোনো স্বপ্ন ছিল না। তোমাদের মতো ছোট থাকাকালে শুধু ভাবতাম, বড় হয়ে সব খেলনা কিনে নেব।’
শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি শিশুদের তাদের সক্ষমতা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শিশুদের আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে এবং সঙ্গীত, নৃত্য, আবৃত্তি, কোরআন তিলাওয়াত, খেলাধুলা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে।
তারেক রহমান বলেন, ‘তোমাদের শুধু লেখাপড়া করলেই হবে না। পাশাপাশি তোমাদের মধ্যে থাকা অন্যান্য গুণ ও প্রতিভা বিকাশের এবং সেগুলো চর্চা ও প্রকাশের সুযোগও থাকতে হবে।’
প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার সম্পর্কে তিনি বলেন, শিশুরা শিক্ষা, বিজ্ঞান মেলা, খেলাধুলা ও অন্যান্য উপকারী কাজে প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত সময় কাটানো এড়িয়ে চলা উচিত।
একপর্যায়ে শিশুদের করা প্রশ্নের ধরন দেখে প্রধানমন্ত্রী রসিকতা করে বলেন, কিছু প্রশ্ন হয়তো বড়রা তৈরি করে দিয়েছেন। তিনি শিশুদের মনে আসা যেকোনো প্রশ্ন করতে উৎসাহ দেন।
কোন কোন স্কুলে পড়েছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, তিনি দুটি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন—শাহীন স্কুল ও ল্যাবরেটরি স্কুল।
খেলার মাঠ ও ইনডোর স্টেডিয়াম নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সরকার প্রতিটি ইউনিয়ন বা উপজেলায় শিশুদের খেলাধুলার জন্য খোলা মাঠ তৈরির পরিকল্পনা করছে। তবে সব জায়গায় স্টেডিয়াম নির্মাণ ব্যয়বহুল হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব খোলা জায়গা অভিভাবকরাও হাঁটাচলা ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।
শিশুদের সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক বিনিময়ে অংশগ্রহণ বাড়ানোর আগ্রহের কথাও জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শিল্প প্রতিযোগিতা, কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা এবং ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজনে বাংলাদেশের শিশুরা ভালো করেছে।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন দেশে খেলাধুলা, বিজ্ঞান মেলা, কুইজ প্রতিযোগিতা ও গণিত প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিশুরা যাতে ভালো ফলাফল নিয়ে দেশে ফিরতে পারে, সে জন্য সরকার সব ধরনের সহযোগিতা দিতে চায়।
২১ ঘণ্টা আগে
মজবুত শিশু মানে শক্তিশালী বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
শিশুদের বাড়ির শক্তিশালী খুঁটির সঙ্গে তুলনা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিটি শিশুকে সঠিকভাবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হলে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে দেশের ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজধানীতে একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুরা তাদের পরিবারের খুঁটি। শিশুদের বেড়ে ওঠা ও বিকশিত হওয়ার জন্য সঠিক পরিবেশ ও সুযোগ দেওয়া হলে পরিবার আরও শক্তিশালী হয়।
তিনি আরও বলেন, যদি প্রতিটি শিশুর জন্য পূর্ণ সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা যায়, তাহলে দেশের ভিত্তি অনেক বেশি শক্তিশালী হবে। এর ফলে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী দেশ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
তারেক রহমান বলেন, ‘সরকার শিশুদের এমনভাবে গড়ে তুলতে চায়, যাতে তাদের ভবিষ্যৎ মজবুত হয়, কারণ আজকের শিশুরা মজবুত হওয়া মানে জাতির ভবিষ্যত মজবুত হওয়া। আর জাতির ভবিষ্যত মজবুত হওয়া মানে মজবুত ও শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’
প্রধানমন্ত্রী শিশুদের শুধু পড়াশোনার মাধ্যমে নয়, খেলাধুলা, কোরআন তেলাওয়াত, সঙ্গীত ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও নিজেদের বিকশিত করার আহ্বান জানান।
তিনি শিশুদের ভালো মানুষ হওয়ার এবং নিজেদের মধ্যে থাকা গুণ ও প্রতিভার যথাযথ বিকাশ ঘটানোর আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি সব জীবের প্রতি সদয় এবং প্রকৃতি ও পরিবেশের প্রতি যত্নশীল হওয়ার কথা বলেন।
শিশুদের বাড়ি ও স্কুলের আশপাশের গাছপালার যত্ন নেওয়া এবং পশুপাখিদের প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান জানিয়ে এগুলোকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করেন তারেক রহমান।
অভিভাবকদেরও ছোটবেলা থেকেই শিশুদের মধ্যে প্রকৃতির প্রতি দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করার আহ্বান জানান তিনি।
১ দিন আগে
পেশা হিসেবে মেধাবীদের প্রথম অগ্রাধিকার হোক শিক্ষকতা: প্রধানমন্ত্রী
সমাজে শিক্ষকদের মর্যাদা রাষ্ট্রের মর্যাদা ও ভাবমূর্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সবচেয়ে মেধাবীরা যাতে শিক্ষকতাকে কর্মজীবনের প্রথম অগ্রাধিকার হিসেবে বেছে নেন, সে জন্য শিক্ষকতাকে আকর্ষণীয় ও প্রতিযোগিতামূলক পেশায় পরিণত করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষকতা কখনোই শেষ ভরসার পেশা বা আর দশটি সাধারণ চাকরির মতো হতে পারে না। সমাজে শিক্ষকের মর্যাদা অক্ষুণ্ন থাকলে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বাড়ে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের সুযোগ-সুবিধা, সম্মান ও মর্যাদা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষাব্যবস্থাকে সরকার এমনভাবে ঢেলে সাজাচ্ছে, যাতে সবচেয়ে মেধাবী ব্যক্তিরা শিক্ষকতাকে তাদের পেশাজীবনের প্রথম অগ্রাধিকার হিসেবে বেছে নিতে আগ্রহী হন।
তারেক রহমান জানান, সরকার এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে কোনো শিশু শিক্ষা থেকে বঞ্চিত থাকবে না। কেউ যদি কোনো কারণে শিক্ষাজীবনের যেকোনো পর্যায়ে ঝরে পড়ে, তবুও যেন বেকার না থাকে, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
শিক্ষকদের বেতন বা অবসরকালীন সুবিধা পেতে যেন বারবার সরকারি দপ্তরে যেতে না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতেও তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘বেতন বা অবসরকালীন সুবিধার জন্য একজন শিক্ষককে এক দপ্তর থেকে আরেক দপ্তরে ঘুরে কষ্ট করতে হবে না। নিয়ম অনুযায়ী তাদের প্রাপ্য অর্থ যথাসময়ে ব্যাংকের মাধ্যমে তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।’
শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ আলোচনা অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের মর্যাদা, অধিকার, পেশাগত উন্নয়ন এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এ বছর ‘শিক্ষকদের পাশে থাকা, পেশার সুরক্ষা, মর্যাদা বৃদ্ধি এবং আমাদের ভবিষ্যৎ গড়ার ৬০ বছর’ প্রতিপাদ্যে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যায়ের ১০২ জন বিশিষ্ট শিক্ষকের হাতে ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ তুলে দেন।
রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের আমন্ত্রণ
প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, এ বছর থেকে স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অন্তত একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও একজন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে আমন্ত্রণ জানানো নিশ্চিত করতে হবে।
এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অতিথির তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, কর্মরত কিংবা অবসরপ্রাপ্ত—যে অবস্থাতেই থাকুন না কেন, শিক্ষকতা পেশার মর্যাদার কারণে শিক্ষকদের রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সম্মান জানানো উচিত।
তারেক রহমান জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হিসেবে শিক্ষকদের উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, পরিবারের পর শিক্ষকরাই শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
অনুষ্ঠানে সম্মাননা পাওয়া গুণী শিক্ষকদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষকদের শিক্ষার্থীদের ‘প্রয়োজন ও প্রিয়জন’ হয়ে উঠতে হবে।
১ দিন আগে
বিশ্ব শিক্ষক দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর যোগদান
বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শিক্ষা, সমাজ ও জাতি গঠনে শিক্ষকদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং শিক্ষকতা পেশার মর্যাদা সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে সভাপতিত্ব করছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
এ বছর ‘শিক্ষকদের পাশে থাকা, পেশার সুরক্ষা, মর্যাদা বৃদ্ধি এবং আমাদের ভবিষ্যৎ গড়ার ৬০ বছর’ প্রতিপাদ্যে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যায় পর্যন্ত নির্বাচিত ১০২ জন বিশিষ্ট শিক্ষককে প্রধানমন্ত্রীর দুই লাখ টাকা করে নগদ পুরস্কার, ক্রেস্ট ও স্বীকৃতির সনদ দেওয়ার কথা রয়েছে।
শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা বাড়ানো এবং পেশাগত অবদানের স্বীকৃতি দিতে এ বছর ১০২ জন শিক্ষককে জাতীয় ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ দেওয়া হচ্ছে। আগের বছরগুলোতে এ সংখ্যা ১৪ জন ছিল বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
দেশের বিভিন্ন প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, কৃষি, প্রকৌশল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং অন্যান্য বিশেষায়িত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পুরস্কারের জন্য শিক্ষকদের নির্বাচন করা হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের গঠিত পৃথক সার্চ কমিটির সুপারিশ করা প্যানেলের ভিত্তিতে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করেছে।
শিক্ষকদের সম্মান জানানো এবং শিক্ষা ও সমাজে তাদের অবদান তুলে ধরতে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়।
১৯৯৩ সালে প্যারিসে ইউনেসকোর ২৬তম সাধারণ সম্মেলনে ৫ অক্টোবরকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর ১৯৯৪ সালে প্রথমবার দিবসটি পালিত হয়। তার পর থেকে ইউনেসকোর অনুমোদিত প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিভিন্ন দেশ দিবসটি পালন করে আসছে।
২ দিন আগে
পরিকল্পিত নগরায়ণ ও সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসনের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর
সরকার দেশের সর্বত্র পরিকল্পিত ও বিকেন্দ্রীভূত নগর উন্নয়নের পাশাপাশি সব নাগরিকের জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও টেকসই আবাসন নিশ্চিত করতে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
‘সর্বজনীন আবাসন, টেকসই নগরায়ণ’ প্রতিপাদ্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবার জন্য বাসযোগ্য, সাশ্রয়ী, পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ আবাসন এবং মৌলিক সেবা নিশ্চিত করা বা সর্বজনীন আবাসন নাগরিকদের মৌলিক সাংবিধানিক অধিকার। সরকার এই অধিকার নিশ্চিত ও সুরক্ষিত করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।’
পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করা এবং নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম নির্বাচনি অঙ্গীকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিকল্পিত নগর উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার দেশের সিটি করপোরেশন ও জেলাগুলোর জন্য মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নে পদক্ষেপ নিচ্ছে।
তারেক রহমানের মতে, আবাসনকে শুধু একটি অবকাঠামো হিসেবে দেখলে হবে না; বরং নিরাপদ পানি, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন, গণপরিবহন, উন্নত সড়ক ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের জন্য নিরাপদ পরিবেশসহ একটি সমন্বিত জীবনযাপনের পরিবেশ হিসেবে দেখতে হবে।
তিনি বলেন, ‘নাগরিকদের জন্য শুধু একটি বাসস্থানই নয়, বরং সেটিকে নিরাপদ ও টেকসই করাও এখন সময়ের দাবি।’
২ দিন আগে
ঢাকার যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে অভ্যন্তরীণ বৃত্তাকার সড়ক (ইনার সার্কুলার রিং রোড) প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অভ্যন্তরীণ বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের অগ্রগতি পর্যালোচনায় আয়োজিত এক সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু।
প্রধানমন্ত্রী সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগকে যৌথভাবে বিদ্যমান প্রকল্প পরিকল্পনা পর্যালোচনা করে নির্মাণকাজের গতি বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন।
তিনি প্রকল্প বাস্তবায়নে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করে তা দূর করা, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা এবং কাজ শেষ করার জন্য একটি বাস্তবসম্মত সময়সীমা নির্ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সেই সঙ্গে তারেক রহমান প্রকল্পটির কাজে দ্রুত দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৩ দিন আগে
অভিন্ন সমৃদ্ধির বঙ্গোপসাগর গড়তে আঞ্চলিক সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
বঙ্গোপসাগরকে অভিন্ন সমৃদ্ধির অঞ্চলে পরিণত করার লক্ষ্যে বাণিজ্য, জ্বালানি, প্রযুক্তি, জলবায়ু ও সামুদ্রিক বিষয়ে আরও গভীর আঞ্চলিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬-এর উদ্বোধনকালে তিনি আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলটি এমন একটি এলাকায় পরিণত হোক, যেখানে প্রতিটি রাষ্ট্র একসঙ্গে বিকশিত হবে, পারস্পরিক সমান সুবিধা গ্রহন করবে এবং নাগরিকরা অর্থবহ সহযোগিতার হাতকে প্রসারিত করবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ভৌগোলিক ও কৌশলগত অবস্থানের কারণে আমাদের সমুদ্রবন্দর, নৌপথ ও উপকূলীয় অর্থনীতি পুরো বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। জাহাজ চলাচল, মৎস্যসম্পদ, পর্যটন, জ্বালানি ও আঞ্চলিক সরবরাহ চেইনে অপার সম্ভাবনা রয়েছে।’
গভীর দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পৃক্ততার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘আঞ্চলিকভাবে আমাদের এই অভিন্ন ভৌগোলিক অবস্থানকে অভিন্ন সমৃদ্ধিতে রূপান্তর করতে হবে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা বাণিজ্য, জ্বালানি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, জলবায়ু ও সমুদ্র খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত করতে পারি। আমরা নতুন বাজার উন্মুক্ত করতে পারি এবং আমাদের তরুণদের জন্য আরও সুযোগ সৃষ্টি করতে পারি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সমতা, ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে আমরা আরও শক্তিশালী সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারি। ভৌগোলিক অবস্থান আমাদের একত্রিত করেছে; আর আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জনগণের সাথে জনগণের নিবিড় সম্পর্ক আমাদের আরও বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।’
বাংলাদেশ সংলাপ, অংশীদারত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে বিশ্বাসী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করব। একই সঙ্গে সব আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে ইতিবাচকভাবে কাজ করে যাব। কারণ শান্তি ও সম্প্রীতিই হলো যৌথ সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের মূল ভিত্তি।’
৪ দিন আগে
অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে পুঁজি করে কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতার চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী
কিছু রাজনৈতিক দল অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে পুঁজি করে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি ও মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ফেনীর পরশুরাম উপজেলার মুহুরী সেতুর কাছে খেয়াঘাট এলাকায় এক হাজার ৫৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের (প্রথম পর্যায়) কাজের উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্প্রসারণ ও বন্ধ মিল-কলকারখানা পুনরায় চালুর মতো সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব কাজ বাধাগ্রস্ত হলে এ দেশের মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে। ১৯৭১ সালে এসব রাজনৈতিক দল কী ভূমিকা পালন করেছিল, আমরা তা দেখেছি। তখন তারা কী করেছিল, কীভাবে বিভিন্ন অন্যায় করেছিল এবং কীভাবে নারীদের হয়রানি ও নির্যাতন করেছিল, আমরা তা দেখেছি।’
তারেক রহমান বলেন, গত সংসদ নির্বাচনে জনগণকে বিভ্রান্ত করে এসব রাজনৈতিক শক্তি কয়েকটি আসনে জয় পেয়েছে, কিন্তু এখন তারা সেই অর্জনকে এমনভাবে দেখছে, যেন তারা সবকিছু পেয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখছি, ১৯৭১ সালে তারা যেভাবে মা-বোনদের নির্যাতন করেছিল, আবারও তাদের সেই নারী নির্যাতন শুরু হয়েছে। আমরা দেখছি, তাদের গুপ্তবাহিনীর কিছু সদস্য কীভাবে নারীদের নির্যাতন করছে। আর তারা শুধু নির্যাতন করেই ক্ষান্ত হয়নি। তদন্ত চলছে এবং তদন্তাধীন কোনো বিষয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না। কিন্তু মানুষ বলছে, শুধু নির্যাতন করেই ক্ষান্ত হয়নি, একজন মানুষের জীবন শেষ করে দিয়েছে।’
দেশে ভালো ও মন্দ—দুই ধরনের মানুষই রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কিছু কিছু দুষ্ট মানুষ কিছু কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটাচ্ছে।’
তারেক রহমান বলেন, আজ আমাদের সতর্ক হওয়ার সময় এসেছে—আমরা কীভাবে দেশ পরিচালনা করব। আজ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে, আমরা কাদের কথা বিশ্বাস করব এবং কারদে কথা বিশ্বাস করব না। আজ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে, জনগণ কাদের সমর্থন দেবে এবং কাদের সমর্থন দেবে না।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী যাদের ‘গুপ্তদল’ হিসেবে উল্লেখ করেন, সেই দলের নেতাদের বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেদের দলে সমস্যা থাকার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তারা অন্যদের পরামর্শ দিচ্ছে।
তিনি বলেন, আমি বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেখেছি, সেই গুপ্তদলের নেতারা আমাদের অনেক নসিহত করছেন—কী করব, কী করব না। আজ এখানে হাজার লক্ষ মানুষের সামনে আমি তাদের বলতে চাই, দয়া করে আগে নিজের ঘরের দিকে তাকান। নিজের ঘরের মানুষ কীভাবে নারীদের নির্যাতন ও এসব কাজ করছে, আগে তা সামাল দিন, তারপর অন্যদের কিছু বলতে আসবেন।
যেকোনো মূল্যে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার সময় এসেছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, ‘আজ যেকোনো মূল্যে দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে অব্যাহত রাখার সময় এসেছে। নির্বাচনের সময় আমরা দেখেছি, একটি গুপ্তবাহিনী বিভিন্ন টিকিট বিক্রির কথা বলে দেশের মানুষকে কীভাবে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজ এই বিভ্রান্তকারীদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার সময় এসেছে। দেশের স্বাধীনতার পর থেকে এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় তারা কীভাবে দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল, আমরা তা দেখেছি। ১৯৮৬ সালে তারা কীভাবে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল, আমরা তা দেখেছি। প্রতিটি সময়ে আমরা দেখেছি, এই গুপ্তবাহিনীর লোকজন, এই গুপ্তদল সবসময় দেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে।’
৫ দিন আগে
বন্যা নিয়ন্ত্রণে ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর
ফেনীতে দীর্ঘদিনের বন্যা ও জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে এক হাজার ৫৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ফেনীর পরশুরাম উপজেলার মুহুরী সেতুর কাছে খেয়াঘাট এলাকায় দুপুর ২টা ১৮ মিনিটের দিকে তিনি প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও দুটি বৃক্ষ রোপণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ফেনীতে এটি তার প্রথম সরকারি সফর। দিনব্যাপী সফরে পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিতে তার সরাসরি অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
সফরের শুরুতে পরশুরামে মুহুরী ও কহুয়া নদীকেন্দ্রিক বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচব্যবস্থার আধুনিকায়নের লক্ষ্যে নেওয়া বড় এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে, কৃষি ও সেচসুবিধার উন্নতি হবে এবং নদীতীরবর্তী মানুষের জীবন ও সম্পদ সুরক্ষায় সহায়ক হবে।
৬ দিন আগে
ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো ফেনীতে সফর করছেন তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১টার দিকে তিনি ফেনীতে পৌঁছান। এরপর তিনি পরশুরামের মুহুরী সেতুর কাছে খেয়াঘাট এলাকায় নির্ধারিত প্রথম কর্মসূচিতে যোগ দেবেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু) বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ফেনীর বিভিন্ন এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সফর নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে নিরাপত্তাব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সকাল ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর সড়কপথে ফেনীর উদ্দেশে তার গুলশানের বাসভবন থেকে রওনা হয়। ফেনীতে দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর নানা ইস্কান্দার মজুমদারের বাড়ি ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে। ফেনী-১ আসনটিও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নির্বাচনী এলাকা। ১৯৯১ সাল থেকে তিনি এই আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এ কারণে স্থানীয় মানুষের কাছে আসনটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি
দুপুর প্রথমে পরশুরাম উপজেলার মুহুরী সেতুর কাছে খেয়াঘাট এলাকায় মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়) প্রকল্পের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। এরপর তিনি ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় স্থাপিত ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্বোধনও করবেন তিনি।
এছাড়া ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
এর মাঝে ফুলগাজী ডাকবাংলোয় জোহরের নামাজ আদায় ও মধ্যাহ্নভোজ করবেন তিনি।
এর আগে নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে গত ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় ফেরার পথে তারেক রহমান ফেনী পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে একটি নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেন।
৬ দিন আগে