প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরুর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ডেঙ্গু কিংবা চিকুনগুনিয়ার মতো প্রাণঘাতী রোগ জনগণের প্রাণহানির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আগে থেকেই সকল প্রতিকারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্যে আগামী ১৪ মার্চ থেকে প্রতি সপ্তাহে সারা দেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরুর আহ্বান দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (১১ মার্চ) দেশবাসীর উদ্দেশে এক বিশেষ ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু কিংবা চিকুনগুনিয়ার মতো প্রাণঘাতী রোগ জনগণের প্রাণহানির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ আমরা সবাই সচেতন হলে ডেঙ্গু কিংবা চিকুনগুনিয়া থেকে নিজেদের রক্ষা করা সম্ভব। বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, এডিস মশার কামড় থেকে মানুষ ডেঙ্গু কিংবা চিকনগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়। সুতরাং, ডেঙ্গু থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আগে থেকেই সকল প্রতিকারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, বর্ষা মৌসুম অর্থাৎ জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত এই সময়টিতে সাধারণত ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি থাকলেও জনস্বাস্থ্যবিদরা বলছেন, বর্তমানে ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নির্দিষ্ট কোনো মৌসুমে সীমাবদ্ধ নেই। যেকোনো সময়ই মানুষের ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
ভিডিও বার্তায় তারেক রহমান বলেন, বর্ষাকালে জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে এডিস মশা জন্মায়। তিন দিন পানি জমে থাকলেই সেখানে মশা জন্মাতে পারে। কীটতত্ত্ববিদ এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মশার প্রজনন নিয়ন্ত্রণের জন্য ড্রেন, ডোবা, নর্দমার মতো যেসব জায়গায় পঁচা পানি জমে থাকার সুযোগ রয়েছে, সেগুলো পরিষ্কার করে রাখাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। সুতরাং, ফুলের টব, ড্রাম, বালতি, পরিত্যাক্ত টায়ার, ডোবা, বাড়ি বা বাসার ছাদে পানি জমতে দেবেন না। পানির ট্যাংক ঢেকে রাখা জরুরি। প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে একবার বাড়ি বা বাসার ভেতর-বাহির পরিষ্কার রাখুন।
মন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বর্ষা মৌসুমের আগে থেকেই সরকার আগামী ১৪ মার্চ থেকে প্রতি সপ্তাহে সারা দেশে পরচ্ছিন্নতা অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে। এই অভিযানে স্থানীয় প্রশাসন কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করছে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি এলাকার জাতীয় সংসদ সদস্যসহ সর্বস্তরের জনপ্রতিনিধিদের প্রতি আমার আহ্বান, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতি সপ্তাহের শনিবার আপনারা যার যার এলাকার নিজ নিজ বসতবাড়ি এবং আশপাশের এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করুন। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান চললে, আসন্ন দিনে ডেঙ্গু কিংবা চিকুনগুনিয়ার মতো প্রাণঘাতী জ্বর থেকে জনগণ নিজেদের রক্ষা করতে সম্ভব হবে, ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, সরকারের জাতীয় স্বাস্থ্যনীতির মূলনীতি হচ্ছে—প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর, অর্থাৎ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম। অতএব, কোথাও ময়লা পানি জমে থাকতে দেবেন না। নিজের বাসাবাড়ি এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখুন।
এডিস কিংবা চিকুনগুনিয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করুন; নিজেদের রক্ষা করুন, অপরকেও রক্ষা করুন।
১০ ঘণ্টা আগে
‘চলেন যুদ্ধে যাই’: অফিসে যাওয়ার পথে বললেন প্রধানমন্ত্রী
সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস শুরু করতে আজ রবিবার সকালে বাসভবন থেকে বেরোনোর সময় হাসিমুখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, চলেন যুদ্ধে যাই।
তার এ চমকপ্রদ মন্তব্যটি গুলশানের বাসভবনের বাইরে অপেক্ষমাণ কর্মকর্তাদের অবাক করে দেয়। তবে মুহূর্তের মধ্যেই তারা বুঝতে পারেন যে, দেশ পরিচালনা এবং জাতীয় চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার প্রাত্যহিক সংগ্রামকেই তিনি ‘যুদ্ধ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সকাল ৮টা ৪২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য তার বাসভবন ত্যাগ করেন।
যথারীতি বাসা থেকে বের হওয়ার আগে ব্যক্তিগত কর্মী ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা প্রস্তুত ছিলেন। দরজা খোলার পর প্রধানমন্ত্রী তাদের বলেন, ‘কেমন আছেন আপনারা? চলেন যুদ্ধে যাই।’
রুমন জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী। আজও সারাদিন বেশ কয়েকটি বৈঠক আছে তার। প্রধানমন্ত্রীর আজকের অনুষ্ঠান সূচির মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে।
৩ দিন আগে
পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও সহযোগিতা পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি: প্রধানমন্ত্রী
পারস্পরিক ‘শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও আস্থার’ ভিত্তিতে বাংলাদেশ সকল দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ককে ‘অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়’ বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (৬ মার্চ) শুক্রবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সম্মানে ইফতার অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের এই ইফতার শুধু একটি আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়, এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় নানা জাতি, ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের পারস্পরিক সম্মান, সহমর্মিতা ও ঐক্যের গুরুত্বের কথা। এই মূল্যবোধই একটি শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল সমাজ গঠনের ভিত্তি।’
সরকারের স্বাধীনতা রক্ষা, মানবাধিকার নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুদৃঢ় রাখা, নারীদের আরও বেশি ক্ষমতায়ন ও উৎসাহ প্রদান এবং নতুন উদ্যোক্তাদের সহায়তার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।’
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সহযোগিতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে একসঙ্গে এগিয়ে যাবে।
৫ দিন আগে
দক্ষ জনশক্তি গড়তে ভাষা প্রশিক্ষণকেন্দ্র খোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে দেশজুড়ে ভাষা প্রশিক্ষণকেন্দ্র খোলার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং প্রবাসী কল্যাণে কমিটির এক বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা দেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী বেকার যুবকদের বিদেশের কর্মসংস্থানের জন্য প্রস্তুত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশি-বিদেশি উভয় ধরনের শিক্ষকদের সমন্বয়ে ভাষা প্রশিক্ষণকেন্দ্র খোলার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে বেকার যুবকরা বিভিন্ন ভাষা শিখে বিদেশে চাকরির সুযোগ পায়।
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ দ্রুত সম্প্রসারণের উপায় এবং এ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী নূরুল হক নূর, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, ‘বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে যাতে কাউকে নিজের সহায়-সম্পত্তি বিক্রি করে যেতে না হয়, সেজন্য স্বল্প সুদে ব্যাংকঋণের ব্যবস্থা এবং ঋণ পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।’
তিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াইফাই
রুমন বলেন, উন্নত দেশের বিমানবন্দরের মতো ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সিলেটের এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনালগুলোতে বিনামূল্যে ওয়াইফাই সুবিধা চালুর জন্য প্রধানমন্ত্রী বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন।
ঢাকা-১৭ আসনের মন্দির সংস্কার
সহকারী প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার নির্বাচনি এলাকা ঢাকা-১৭ আসনে প্রচারণার সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে পদক্ষেপ নিয়েছেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনি প্রচারণার সময় তিনি মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতালের কাছে অবস্থিত হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি মন্দির সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন যেন আগামী শনিবার থেকে মন্দিরের সংস্কার কাজ শুরু হয়।
তিনি আরও বলেন, আগামী শনিবার বেলা ১১টায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই প্রশাসক আব্দুস সালাম ও শফিকুল ইসলাম মিল্টন এবং ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের নির্বাচনি সমন্বয়ক অধ্যাপক ফরহাদ হালিম ডোনার উপস্থিতিতে এই কাজ শুরু হবে।
৬ দিন আগে
সবার জন্য ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
জনগণের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে সরকারি বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত ভবনগুলোকে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বা ক্লিনিক হিসেবে গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ই-হেলথ কার্ড চালু করার কাজ শুরু করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে যথাযথ নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকারের নীতি হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয় হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
অব্যবহৃত ভবনে হবে স্বাস্থ্যকেন্দ্র
বৈঠকে সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার অব্যবহৃত ভবনসমূহ চিহ্নিত করে সেগুলোকে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এনে স্বাস্থ্যকেন্দ্র করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, শুধুমাত্র এলজিইডি-র ১৭০টি পরিত্যক্ত ভবন রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকারি ও তার অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার যেসব পরিত্যক্ত ভবন বা বিল্ডিং রয়েছে, সেগুলোকে ক্লিনিক ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন।
এ ছাড়া দুর্গম এলাকায় যেন চিকিৎসকরা উপস্থিত থেকে সেবা দেন, সেজন্য মন্ত্রীকে ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ নিয়ে আলোচনা
দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টিও সভায় গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি বছর দেশে ৩৪ লাখ নবজাতক জন্মগ্রহণ করে। এ বিষয়ে বৈঠকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে উল্লেখ করে আতিকুর রহমান জানান, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে মন্ত্রণালয়কে তৎপর হতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী (যার ৮০ শতাংশ নারী এবং ২০ শতাংশ পুরুষ) নিয়োগ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শূন্য পদে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয় নিয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৭ দিন আগে
ছবিযুক্ত ব্যানার-বিলবোর্ড দ্রুত সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে তার ছবিসহ অভিনন্দন জানিয়ে বিজ্ঞাপন ও ব্যানার দ্রুত সরানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ের পথে আসার সময় হাতিরঝিলের পুলিশ প্লাজার সামনে আসলে তার ছবি-সম্বলিত ব্যানার দেখেন। তিনি তা তৎক্ষণাৎ সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। সঙ্গে সঙ্গে তা সরানো হয়।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, রাজধানীজুড়ে তার ছবিসহ সব ধরনের ব্যানার ও বিলবোর্ড দ্রুত সরাতে।
কয়েক দিন আগে বিজয় সরণি অতিক্রমের সময় প্রধানমন্ত্রী একটি এলইডি স্ক্রিনে প্রদর্শিত অভিনন্দন বার্তা দেখেছিলেন এবং সঙ্গে সঙ্গে তা সরানোর নির্দেশ দেন।
রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী আজ সকাল ৯টা ১০ মিনিটে সচিবালয়ে পৌঁছান। পরে কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হকের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী এলাকায় জলদস্যুতা, চুরি, অবৈধ বাণিজ্য রোধ এবং মৎস্যজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টহল বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
যানবাহনের গতি বৃদ্ধি
অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলায় রাজধানীর সড়কে যান চলাচলের গতি বেড়েছে; প্রধানমন্ত্রীর কাছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেওয়া প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে রাজধানীর যানজট নিরসন এবং সড়কে যানবাহন চলাচলের গতি প্রকৃতি কেমন এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আজকে উপস্থাপন করা হয়েছে। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ভিআইপি প্রটোকল ছাড়া চলাচলের কারণেই যানবাহনের গতি বেড়েছে।’
গতি কতটা বেড়েছে তা তুলে ধরে রুমন বলেন, রাজধানীতে আগে যানবাহনের স্বাভাবিক গতি ছিল ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার, যা কী না পায়ে হাঁটা গতির সমান।
আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জনাব তারেক রহমান দায়িত্বভার গ্রহণের পরে তিনি ভিভিআইপি প্রটোকল কমিয়ে ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলাচল করছেন। প্রতিবেদনে গত ১৪ দিনের একটি পরিসংখ্যান দিয়ে বলা হয়েছে যে, ভিভিআইপি প্রটোকলে যানচলাচল বাধাগ্রস্ত না হওয়ায় যানবাহনের গতি ৫ দশমিক ৩ কিলোমিটারে উন্নীত হয়েছে। কারণ প্রধানমন্ত্রীর পর রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা ট্রাফিক সিগন্যাল অনুসরণ করছেন।’
চালের দাম পর্যবেক্ষণ
চালের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে অবগত হয়ে প্রধানমন্ত্রী সোমবার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী যখন খোঁজখবর নেন, তাৎক্ষণিকভাবে এর ইতিবাচক প্রভাব বাজারে দেখা গেছে।
৮ দিন আগে
জনসেবা, নিরাপত্তা ও দুর্যোগ মোকাবিলা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষের সেবা করা, শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং দুর্যোগের সময় সবসময় মানুষের পাশে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময়ে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হককে এ নির্দেশনা দেন তিনি।
এ সময় তারা পারস্পরিক শুভেচ্ছাবিনিময় করেন এবং দেশের সামুদ্রিক ও উপকূলীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কোস্ট গার্ডের দেশপ্রেম, পেশাদারত্ব ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেন। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চল ও নদীপথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ, জলদস্যুতা দমন এবং দুর্যোগকালীন উদ্ধার তৎপরতায় বাহিনীর অবদানের কথা তুলে ধরেন তিনি।
বৈঠকে মহাপরিচালক কোস্ট গার্ডের চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী এ উন্নয়ন কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন।
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি ধরে রাখার আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী।
৮ দিন আগে
ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থা সংস্কারে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
রাজধানীর দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিরসনে ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (২ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ঢাকার যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে প্রধানমন্ত্রী বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক শাসমুল হকের নেতৃত্বে কয়েকজন বিশেষজ্ঞকে নিয়ে তিনি বৈঠক করেন। বৈঠকে এ ব্যাপারে তাদের মতামত জানতে চান তিনি।
তিনি আরও জানান, শেরে বাংলা নগরে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরের সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ নিয়েও স্থপতিদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
রুমন জানান, প্রস্তাবিত পরিকল্পনাগুলো নিয়ে তাদের মতামত মনোযোগ দিয়ে শোনেন তারেক রহমান। এছাড়া গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমেদ পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
এদিন সকাল ৯টা ১৩ মিনিটে গুলশানের বাসভবন থেকে সচিবালয়ে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
৯ দিন আগে
ছুটির দিনেও অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী, নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের আহ্বান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও অফিস করছেন। এ সময় নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রশাসনে গতি আনার জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী সকাল সোয়া ১০টার দিকে তেজগাঁওয়ের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে পৌঁছান।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী সকালে তার গুলশানের বাসা থেকে বেরিয়ে তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে যান। সেখানে পৌঁছে তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় তারেক রহমান তার নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে কর্মকর্তাদের সহযোগিতা কামনা করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, ইসমাইল জাবিউল্লাহ, হুমায়ূন কবির, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এটিএম শামসুল ইসলাম এবং জাহেদুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী বিকেলে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
উল্লেখ্য, তারেক রহমান গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর থেকে তিনি প্রতি শনিবার সরকারি ছুটির দিনেও অফিসে উপস্থিত হয়ে কাজ করছেন। গত শনিবার প্রথমবারের মতো তিনি তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে কাজ করেন।
১১ দিন আগে
বইমেলাকে ‘অমর একুশে আন্তর্জাতিক বইমেলা’ করার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর
আগামীতে ‘অমর একুশে বইমেলা’কে ‘অমর একুশে আন্তর্জাতিক বইমেলা’ হিসেবে বিবেচনার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার মতে, ‘অমর একুশে আন্তর্জাতিক বইমেলা’ অনুষ্ঠিত হলে বিশ্ব সাহিত্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ হবে। পাশাপাশি বহু ভাষা এবং সংস্কৃতি শেখা-জানা এবং বোঝার দিকে আমাদের নাগরিকদের আগ্রহী করে তুলতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে একুশে বই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধামন্ত্রীর উদ্বোধন ঘোষণার পরপরই সর্বসাধারণের জন্য মেলার দ্বার উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এবারের বইমেলার প্রতিপাদ্য ‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান গ্লোবাল ভিলেজের এই সময়ে মাতৃভাষা ছাড়াও আরও একাধিক ভাষার সঙ্গে পরিচিত হওয়া জরুরি। বর্তমানের প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে সমৃদ্ধি এবং সম্মানের সঙ্গে টিকে থাকতে হলে জ্ঞান এবং মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র এবং সমাজ প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। এ জন্য আমাদের জ্ঞানে-বিজ্ঞানে-প্রযুক্তিতে-মেধায় নিজেদের সমৃদ্ধ হতে হবে। একইসঙ্গে বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশেই বইমেলার আয়োজন করা হয়। তবে আমাদের বইমেলা অন্য দেশের বইমেলার মতো নয়। আমাদের বইমেলা আমাদের মাতৃভাষার ভাষার অধিকার আদায় এবং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার স্মারক হিসেবে চিহ্নিত। তবে প্রতি বছর মেলার আকার আয়তন বাড়লেও সেই হারে গবেষণাধর্মী বই প্রকাশিত হচ্ছে কিনা কিংবা মানুষের বই পড়ার অভ্যাস বাড়ছে কিনা—এই বিষয়গুলো নিয়েও বর্তমানে চিন্তা ভাবনার অবকাশ রয়েছে।
এ সময় তিনি প্রস্তাব দেন, বইমেলা শুধু একটি নির্দিষ্ট মাসে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সীমাবদ্ধ না রেখে সারা বছর দেশের সব বিভাগ, জেলা, উপজেলায়ও আয়োজিত হতে পারে। বই প্রকাশকরাও এ নিয়ে উদ্যোগী ভূমিকা রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।
১৩ দিন আগে