স্বাস্থ্য
তিন থেকে চার বছরের মধ্যে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার
স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী, এবং ২৫ হাজার মিডওয়াইফ (ধাত্রী) নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
রবিবার (২১ জুন) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। পর্তুগালের লিসবনে অনুষ্ঠিত ৩৪তম ইন্টারন্যাশনাল কনফেডারেশন অব মিডওয়াইভস (আইসিএম) ট্রায়েনিয়াল কংগ্রেসে অংশগ্রহণসহ সাম্প্রতিক ইউরোপ সফর নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
বিশেষ সহকারী বলেন, আমি এ মাসের ১২ তারিখ পর্তুগালের লিসবন গিয়েছিলাম। সেখানে ইন্টারন্যাশনাল কনফেডারেশন অফ মিডওয়াইফ-এর ৩৪তম ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস হলো। প্রায় ১২২টা দেশ সেখানে থেকে ৩ হাজারের বেশি মিডওয়াইফ এবং ইউএনএফপিএসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি এবং অনেক দেশের এমপি-মন্ত্রীরাও এসেছিলেন। এটি তিন দিনের একটা কনফারেন্স ছিল, সেখানে বাংলাদেশ থেকে এই কংগ্রেসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসেবে আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
তিনি বলেন, আমরা সেখানে ঘোষণা করেছি যে আমাদের দেশের প্রাথমিক স্বাস্থসেবাকে শক্তিশালী করার জন্য বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জোর দিচ্ছি। আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা যেটা প্রথাগতভাবে ট্রিটমেন্ট সেন্ট্রিক (চিকিৎসা নির্ভর), এটাকে কীভাবে প্রিভেনশন সেন্ট্রিক (রোগ প্রতিরোধ নির্ভর) করা যায়, সেটা নিয়ে আমরা কাজ করছি। এ নিয়ে আমি সেখানে কথা বলেছি।
জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, আমরা বলেছি যে বাংলাদেশ আগামী তিন থেকে চার বছর সময়ের মধ্যে প্রায় ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে, যাতে করে আমরা স্বাস্থ্যসেবাকে প্রত্যেকটা মানুষের, বিশেষ করে প্রিভেন্টিভ স্বাস্থ্যসেবাকে প্রত্যেকটা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারি এবং এছাড়াও এই সময়ে আমরা ২৫ হাজার মিডওয়াইফ পর্যায়ক্রমে নিয়োগ দেব।
১৮ ঘণ্টা আগে
হামের টিকা দেওয়ায় গাফিলতির ঘটনায় তদন্তের দরকার নেই: জিয়াউদ্দিন হায়দার
হামের টিকা দেওয়ায় গাফিলতির ঘটনায় তদন্তের দরকার নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
রবিবার (২১ জুন) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। পর্তুগালের লিসবনে অনুষ্ঠিত ৩৪তম ইন্টারন্যাশনাল কনফেডারেশন অব মিডওয়াইভস (আইসিএম) ট্রায়েনিয়াল কংগ্রেসে অংশগ্রহণসহ সাম্প্রতিক ইউরোপ সফর নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
হামে শিশুমৃত্যু নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে কি না, জানতে চাইলে বিশেষ সহকারী বলেন, এখানে তদন্তের কী আছে? আমরা তো জানি যে অপারেশনাল প্ল্যান (কার্যকর পরিকল্পনা) বাদ দিয়ে এটাকে ডিপিপিতে স্থানান্তর করা হয়েছে। তখন হয়তো ধারণা করা হয়েছিল যে ডিপিপিগুলোকে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে তারা অনুমোদন করতে পারবে এবং টাকা অ্যাভেইলেবল (সহজলভ্য) হবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র হলো, এক বছরেও অনেক ডিপিপি প্রস্তুত সম্ভব হয়নি এবং সেগুলোকে একনেকে অনুমোদন, প্রজেক্ট অফিস তৈরি করা—সেগুলো করতে পারেনি।
তিনি বলেন, যার ফলে স্বাভাবিক যে ফান্ড ফ্লো ওপির মাধ্যমে হচ্ছিল, সেইটা আমি বন্ধ করলাম উইদাউট ওপেনিং আপ নিউ ফান্ড ফ্লো (নতুন তহবিল খোলা ছাড়া)। এই যে ঘাটতি, এই ঘাটতির বোঝা তো আমরা জাতি হিসেবে এখনও বহন করছি।
জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, আমাদের ফ্যামিলি প্ল্যানিংয়ের বিভিন্ন প্রোডাক্ট বিভিন্ন জায়গাতে স্টক আউট, সেগুলো আমরা কীভাবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্রয় করতে পারি, সেগুলো নিয়ে আমাদের মন্ত্রীসহ সবাই কাজ করছে। মন্ত্রী কোপেনহেগেন, ডেনমার্কের ইউনিসেফের যে সাপ্লাই ডিভিশনের হেডকোয়ার্টার যাচ্ছেন তাদের সঙ্গে আলাপ করার জন্য, যাতে করে আমাদের অন্যান্য যে প্রয়োজনীয় উপকরণ, সেগুলোও দ্রুততম সময়ের মধ্যে কেনা যায় এবং ঘাটতি পূরণ করা যায়—এজন্য আমরা দিনরাত পরিশ্রম করছি।
আগের সরকারের কোনো গাফিলতি কি আপনি স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হিসেবে দেখেন না? জবাবে তিনি বলেন, ‘গাফিলতি তো আছেই। আমরা তো এটা বলেই দিয়েছি। তাদের গাফিলতির জন্যই তো ২০২৪-২৫-এর যে টিকার রাউন্ড, সে রাউন্ডটা পুরোপুরি মিস করা হয়েছে। হ্যাঁ, ভ্যাকসিনের কোনো প্রকিউরমেন্ট (চাহিদা নির্ধারণ) হয়নি। পরিবার পরিকল্পনার এই যে গর্ভনিরোধক উপকরণ, এগুলোরও প্রকিউরমেন্ট হয়নি। এখানে গাফিলতি আছে, এটা নিঃসন্দেহে আমরা বলতে পারি। এটার জন্য কোনো তদন্ত করার দরকার নেই।’
২১ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় প্রাণহানি ৩, আক্রান্ত ১০৬৩
দেশে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৬৩টি শিশু।
রবিবার (২১ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৮৭টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬৮০টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৬২টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১। এই সময়ে ৯৫৭টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৭৯টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯২ হাজার ৭৯০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ১১। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৭৬ হাজার ৮৫৯ রোগী, যাদের মধ্যে ৭২ হাজার ৮৪৯ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২২ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় প্রাণহানি ৭, আক্রান্ত ৮৮৭
দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৮৮৭টি শিশু।
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৮৪টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬৭৭টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৮০টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮০৭। এই সময়ে ৭৪৬টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৫৭৪টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯১ হাজার ৭৮৯, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৯৪৯। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৭৫ হাজার ৯০২ রোগী, যাদের মধ্যে ৭১ হাজার ৯৭০ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১ দিন আগে
হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় প্রাণহানি ৪ জনের, আক্রান্ত ১১৭৪
দেশে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৭৪টি শিশু।
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৭৭টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬৭০টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৯৬টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১০৭৮। এই সময়ে ৯৭২টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৯৩টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯০ হাজার ৯৮২, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৮৬৯। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৭৫ হাজার ১৫৬ রোগী, যাদের মধ্যে ৭১ হাজার ৩৯৬ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২ দিন আগে
হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় প্রাণহানি ৫, আক্রান্ত ১১৪৮
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৪৮টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৭৩টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬৬৬টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১৩৯টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৯। এই সময়ে ৯০৭টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮১৫টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৮৯ হাজার ৯০৪, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৭৭৩। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৭৪ হাজার ১৮৪ রোগী, যাদের মধ্যে ৭০ হাজার ৫০৩ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৩ দিন আগে
হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় প্রাণহানি ৪, আক্রান্ত ১০৭৭
দেশে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৭৭টি শিশু।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৬৮টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬৬১টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১১১টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৬৬। এই সময়ে ৮৭২টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯০৬টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৮৮ হাজার ৮৯৫, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৬৩৪। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৭৩ হাজার ২৭৭ রোগী, যাদের মধ্যে ৬৯ হাজার ৬৮৮ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৪ দিন আগে
হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় প্রাণহানি ১, আক্রান্ত ১১৪২
দেশে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৪২টি শিশু।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৬৪টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬৫৭টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১৩৬টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১০০৬। এই সময়ে ৯৩৮টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯০৪টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৮৭ হাজার ৯২৯, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৫২৩। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৭২ হাজার ৪০৫ রোগী, যাদের মধ্যে ৬৮ হাজার ৭৮২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৫ দিন আগে
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও প্রাণহানি ৪, আক্রান্ত ১০৩৬
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও রোগটির উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৬টি শিশু।
সোমবার (১৪ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও একটি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৬৩টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬৫৬টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৬৪টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৭২। এই সময়ে ৮৮৮টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৩৭টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৮৬ হাজার ৯২৩, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৩৮৭। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৭১ হাজার ৪৬৭ রোগী, যাদের মধ্যে ৬৭ হাজার ৮৭৮ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৬ দিন আগে
হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় প্রাণহানি ৪, আক্রান্ত ১১২৭
দেশে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১২৭টি শিশু।
রবিবার (১৪ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৬০টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯২টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬৫২টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৭৫টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১০৫২। এই সময়ে ৯৭৩টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৮৯টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৮৫ হাজার ৯৫১, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৩২৩। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৭০ হাজার ৫৭৯ রোগী, যাদের মধ্যে ৬৬ হাজার ৮৪১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৭ দিন আগে