স্বাস্থ্য
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ প্রাণহানি, আক্রান্ত ৯৬৯
দেশে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৯৬৯টি শিশু।
রবিবার (১২ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেইসঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৬৪টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৪টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৫৮টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৯০টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮৭৯। এই সময়ে ৮৪৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৪৩টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১১ হাজার ৪৮০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৫০০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৯৪ হাজার ৩৪০ রোগী, যাদের মধ্যে ৯০ হাজার ৬০৫ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১১ ঘণ্টা আগে
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭ দফা নির্দেশনা
দেশের বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং দুর্গত এলাকার মানুষের জরুরি স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে একটি ভার্চুয়াল সভা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সভায় বন্যাকবলিত এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসা সেবা বজায় রাখতে প্রয়োজনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিলসহ ৭ দফা বিশেষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে ওই জরুরি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। আজ শনিবার অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন), অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন), পরিচালক (প্রশাসন), বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) এবং দেশের সব সিভিল সার্জন উপস্থিত ছিলেন।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বন্যাকবলিত সব উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ফোকাল পারসন নিয়োগ দিতে হবে। তারা কন্ট্রোল রুম ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় করবেন এবং তাদের মোবাইল নম্বর সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও ব্যক্তিদের কাছে সরবরাহ করতে হবে।
বন্যাদুর্গত মানুষের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আক্রান্ত সব উপজেলা ও জেলায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক মেডিকেল টিম গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে বন্যা মোকাবিলায় গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে গণমাধ্যমকে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং বা প্রেস নোটের মাধ্যমে অবহিত করতে বলা হয়েছে। এ লক্ষ্যে আগামী ১২ জুলাই বন্যাদুর্গতদের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম তুলে ধরে জরুরি প্রেস ব্রিফিং আয়োজনেরও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভার সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, বন্যাকবলিত সব উপজেলায় জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ওষুধ, ওআরএস, স্যালাইন এবং পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেটের পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।
এছাড়া সাপের কামড়ে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য আক্রান্ত সব উপজেলায় পর্যাপ্ত অ্যান্টি-স্নেক ভেনম সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে পার্শ্ববর্তী স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান থেকে সমন্বয়ের মাধ্যমে এ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
গর্ভবতী নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রসূতিদের হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করার কথাও বলা হয়েছে।
বন্যাকবলিত উপজেলা ও জেলায় নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক, নার্স, মিডওয়াইফ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে ছুটি বাতিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, সিভিল সার্জন এবং বিভাগীয় পরিচালককে (স্বাস্থ্য) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
১ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ প্রাণহানি, আক্রান্ত ৭৮৪
দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৭৮৪টি শিশু।
শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৬০টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৫৩টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৮৪টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৭০২। এই সময়ে ৬৬০টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৫২৮টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১০ হাজার ৬০১, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৪১০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৯৩ হাজার ৪৯১ রোগী, যাদের মধ্যে ৮৯ হাজার ৭৬২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১০২৯
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১০২৯টি শিশু।
শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৫৭টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৫০টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১২৮টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯০১। এই সময়ে ৮০০টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮১৫টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৯ হাজার ৮৯৯, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৩২৬। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৯২ হাজার ৮৩১ রোগী, যাদের মধ্যে ৮৯ হাজার ২৩৪ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ প্রাণহানি, আক্রান্ত ৯৪৬
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৯৪৬টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৫৪টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৪৭টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১২৮টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮১৮। এই সময়ে ৭৬১টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৭৯১টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ১৯৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৯২ হাজার ৩১ রোগী, যাদের মধ্যে ৮৮ হাজার ৪১৯ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৩ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ প্রাণহানি, আক্রান্ত ৯০২
দেশে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৯০২টি শিশু।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৫২টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৪৫টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১০৬টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৭৯৬। এই সময়ে ৭৪৮টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৭৮৪টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮ হাজার ১৮০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৭০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৯১ হাজার ২৭০ রোগী, যাদের মধ্যে ৮৭ হাজার ৬২৮ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৪ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১০৩২
দেশে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩২টি শিশু।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৪৯টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৪২টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ২১৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮১৯। এই সময়ে ৭৮৮টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৭৮২টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৭ হাজার ৩৮৪, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৪। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৯০ হাজার ৫২২ রোগী, যাদের মধ্যে ৮৬ হাজার ৮৪৪ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৫ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১১০৬
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১০৬টি শিশু।
সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৪৮টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৪১টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১৫৯টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৪৭। এই সময়ে ৮৯০টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৪০টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬ হাজার ৫৬৫, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার ৭৯১। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৮৯ হাজার ৭৩৪ রোগী, যাদের মধ্যে ৮৬ হাজার ৬২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৬ দিন আগে
হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১০৩১
দেশে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩১টি শিশু।
রবিবার (৫ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৪৫টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৩৮টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১০৬টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯২৫। এই সময়ে ৮৭৮টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯০৪টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫ হাজার ৬১৮, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার ৬৩২। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৮৮ হাজার ৮৪৪ রোগী, যাদের মধ্যে ৮৫ হাজার ১২২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৭ দিন আগে
হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ প্রাণহানি, আক্রান্ত ৮৩৩
দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৮৩৩টি শিশু।
শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৩৮টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৩১টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১০১টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৭৩২। এই সময়ে ৭০৪টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৬৭৫টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪ হাজার ৬৯৩, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার ৫২৬। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৮৭ হাজার ৯৬৬ রোগী, যাদের মধ্যে ৮৪ হাজার ২১৮ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৮ দিন আগে