স্বাস্থ্য
ডেঙ্গু মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার সব রকমের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এরই অংশ হিসেবে দেশের উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে ডেঙ্গু কর্নার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১ জুন) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রস্তুতি বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, যেহেতু দুয়েকজন করে ডেঙ্গুর রোগী পাওয়া যাচ্ছে এবং এই সময়ে ডেঙ্গু হয়, সেজন্য আমরা কালক্ষেপণ করতে চাই না। আমরা ডেঙ্গু মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছি। উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে ডেঙ্গু কর্নার করা হচ্ছে। আক্রান্তদের চিকিৎসা দিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল ক্যাম্পাসে ফিল্ড হাসপাতাল প্রস্তুত আছে। প্রয়োজনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় আরও ফিল্ড হাসপাতাল করা হবে।
তিনি বলেন, ডেঙ্গুর চিকিৎসা পরিকল্পনাসহ বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দিবে সোসাইটি অব মেডিসিন। এতে ইউনিসেফসহ বিভিন্ন সংস্থাও সহায়তা করছে। কাল থেকেই প্রশিক্ষণের কাজ শুরু হচ্ছে। সারা দেশে ঢাকার বাইরে ৭টি বিভাগে এবং জেলাগুলোতে চিকিৎসক ও নার্সদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। রিএজেন্ট, টেস্টিং কীটস এবং ফ্লুইড স্যালাইনসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় উপকরণ কিছু সংগ্রহে আছে। চাহিদা অনুযায়ী আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে এসব উপকরণ সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
ডেঙ্গুর মূল উৎপত্তি নিয়ে পদক্ষেপ জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা এ নিয়ে সিটি করপোরেশনের সঙ্গে দুমাস আগে থেকেই কাজ শুরু করেছি। আগামীকাল আবার সিটি করপোরেশন ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বসব।
আজকের সভায় ডেঙ্গুবিষয়ক একটি অ্যাপ চালু করার ব্যাপারে আলোচনা করা হয় এবং ডেঙ্গুবিষয়ক গবেষণা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
এ সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, অতিরিক্ত সচিব এটিএম সাইফুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান, পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. হালিমুর রশীদ, পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. এএইচএম মইনুল আহসান ও সোসাইটি অব মেডিসিনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
৬ নবজাতকের মৃত্যু: আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার
রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে প্রসব-পরবর্তী ওয়ার্ডের ছয় নবজাতকের মৃত্যুর পর হাসপাতালটির বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির পাশাপাশি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকেও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এসব কমিটির প্রতিবেদনের আলোকে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি জানিয়েছেন, ঘটনাটিকে ঘিরে মন্ত্রণালয় কী ধরনের কার্যক্রম গ্রহণ করছে এবং কীভাবে কাজ এগোচ্ছে, তা অ্যাটর্নি জেনারেলকে অবহিত করা হয়েছে। তার দেওয়া আইনগত পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সোমবার (১ জুন) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রতিবেদনটি আরও গতিশীল হওয়ার জন্য, আরও প্র্যাকটিক্যাল হওয়ার জন্য ওই বাচ্চাদের মায়েদের সঙ্গে কথা বলা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আইনগতভাবে একটি তদন্ত কমিটি হওয়া বাঞ্ছনীয়। ঈদের ছুটির কারণে এই তদন্ত কমিটি করা যায়নি। আজকেই তদন্ত কমিটি করা হবে, তিন দিনের মধ্যে তারা প্রতিবেদন দেবেন। এক্ষেত্রে আইনত বিষয়গুলো জানার জন্য বা কীভাবে বিষয়টিকে আইনানুগভাবে করা যায় সেটির বিষয়ে জানতে আমরা অ্যাটর্নি জেনারেলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। একজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে সঙ্গে নিয়ে তিনি এখানে উপস্থিত ছিলেন।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমরা কী কী কার্যক্রম করছি, কীভাবে করছি, তা অ্যাটর্নি জেনারেলকে জানিয়েছি। তিনি আমাদের আইনানুগ উপদেশ দিয়েছেন, উনার পরামর্শ অনুযায়ী আমরা বাকি কাজগুলো করে যাব। তিন দিনের মধ্যে আমরা প্রতিবেদন পাব, তারপর আপনাদের বিস্তারিত জানাব।’
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, প্রকৃতপক্ষে কারও দায় থাকলে দায় নিরূপণ করা এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া, সেগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করা নিয়ে সভায় কথা হয়েছে।
তিনি বলেন, তদন্ত কমিটির প্রধান জানিয়েছেন যে ৩ জুনের মধ্যেই প্রতিবেদন দেওয়া হবে। কমিটিতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আল ফয়সাল সিদ্দিকী অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দোষী চিহ্নিত হলে সে যেন আইনি ফাঁকফোকরের মধ্য দিয়ে পার না পায়, সেজন্য আইনগত পরামর্শ দিতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজ করবেন।
তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী আইনগত সহযোগিতা চেয়েছিলেন। আইনগত দিকগুলো মন্ত্রী ও কমিটির সামনে উল্লেখ করেছি। বিশ্বাস করি, প্রকৃতপক্ষে দায়ী-দোষী ব্যক্তি বিচারের মুখোমুখি হবেন। এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে যেন আর না ঘটে সেটিই প্রত্যাশা। প্রকৃত অপরাধীরা যেন পার না পায়, সে কারণেই আজ মন্ত্রণালয়ে আসা।
আদ-দ্বীন হাসপাতালে বেকারির বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আদ-দ্বীন হাসপাতালে বেকারি করতে পরিবেশ (অধিদপ্তর) থেকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে বলে তারা স্বীকার করেছেন। কীভাবে লাইসেন্স দিয়েছেন, কেন দিয়েছেন তা আমরা খতিয়ে দেখছি।
১৭ ঘণ্টা আগে
হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৫৮৮, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ প্রাণহানি
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৭৯টি শিশু।
সোমবার (১ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৯৮টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯০টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৫৮৮টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৪৫টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৩৪। এই সময়ে ১ হাজার ১৬টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৮১টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭২ হাজার ৭০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯হাজার ৯৪। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫৭ হাজার ৯০২ রোগী, যাদের মধ্যে ৫৩ হাজার ৭২২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
হামের লক্ষণ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ প্রাণহানি, হাসপাতালে ১৩৭৭
দেশে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৭৭টি শিশু।
রবিবার (৩১ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে অবশ্য কারও মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৯৫টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯০টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৫৮৫টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৫৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩২৪। এই সময়ে ১ হাজার ১৮১টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৭৯১টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭০ হাজার ৯৩৬, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৪৯। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫৬ হাজার ৮৮৬ রোগী, যাদের মধ্যে ৫২ হাজার ৮৪১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১ দিন আগে
হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৫৮৩, আজও ৮ প্রাণহানি
দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৮৬টি শিশু।
শনিবার (৩০ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে অবশ্য কারও মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৯৩টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯০টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৫৮৩টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৫৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৩। এই সময়ে ৯০৭টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৫৩৯টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৬৯ হাজার ৬১২, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৯৯৬। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫৫ হাজার ৭০৫ রোগী, যাদের মধ্যে ৫২ হাজার ৫০ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২ দিন আগে
হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৫৭৫, আজও ১০ প্রাণহানি
দেশে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৭৩২টি শিশু।
শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৮৫টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯০টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৫৭৫টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৫৮টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৬৭৪। এই সময়ে ৬১৬টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৫৮৫টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৬৮ হাজার ৫৭৯, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৯৪৩। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫৪ হাজার ৭৯৮ রোগী, যাদের মধ্যে ৫১ হাজার ৫১১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৩ দিন আগে
হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৮৭৭টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৭৭টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮৮টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৫৬৫টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৫১টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮২৬। এই সময়ে ৭২৫টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ২৩টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৬৭ হাজার ৯০৫, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৮৮৫। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫৪ হাজার ১৮৮ রোগী, যাদের মধ্যে ৫০ হাজার ৯২৬ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৪ দিন আগে
কর্তৃপক্ষের অবহেলায় ৬ নবজাতকের মৃত্যু, দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বুধবার (২৭ মে) দুপুরে কিশোরগঞ্জ শহিদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকায় যে ঘটনাটি ঘটেছে, সেটা একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে। তাদের অবহেলার কারণে ছয়টি প্রাণ ঝরে গেছে। এসির সঙ্গে অক্সিজেন সাপোর্টের একটি সংযোগ ছিল। সেখানে তারা এসি বন্ধ করে দেয়। বিকেল ৪টা পর্যন্ত সেটি চালু করা হয়নি। এদিকে অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি হওয়ায় ছয়টি শিশু মারা গেছে।’
তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) সেখানে গেছেন। ইতোমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
‘যতটুকু শাস্তির প্রয়োজন, আমরা তা নিশ্চিত করবো। পাশাপাশি এ ঘটনার মাধ্যমে অন্যদের জন্যও একটি বার্তা দেওয়া হবে,’ বলেন মন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিভিন্ন জেলায় জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যেসব ক্লিনিকের লাইসেন্স নেই, সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যেখানে চিকিৎসক ছাড়া নার্স দিয়ে সিজারিয়ান অপারেশন করানো হয়, সেসব প্রতিষ্ঠানও বন্ধ করা হয়েছে।’
এ সময় হাম সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য বিগত সরকারকে দায়ী করেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছর ফ্যাসিবাদ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দের অর্থ লুটপাট করা হয়েছে। ইউনিসেফ, গ্যাভি ও এডিবির পক্ষ থেকে পাঁচবার অনুরোধ করার পরও তারা বেসরকারি উৎস থেকে হাম ও অন্যান্য টিকা কিনেছে।’
মন্ত্রী দাবি করেন, ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক উৎস থেকে টিকা সংগ্রহ করা হয়নি।
হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিভিন্ন রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে খোঁজ নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেলসহ স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী।
এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী পাকুন্দিয়া ও হোসেনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন।
৫ দিন আগে
৬ নবজাতকের মৃত্যুতে যা জানাল আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ
রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর দুঃখ ও শোক প্রকাশ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (২৭ মে) এক বিবৃতিতে আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘটনার কারণ উদঘাটনে প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ তদন্তও চলমান রয়েছে। একইসঙ্গে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
বিবৃতিতে কর্তৃপক্ষ বলেছে, মঙ্গলবার (২৬ মে) দিবাগত রাত ২টার দিকে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ড–২-এ শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এসি) চালু ছিল। তবে একাধিক নবজাতকের মা এসি বন্ধ করার অনুরোধ জানান। একপর্যায়ে দায়িত্বরত নার্সরা এসি বন্ধ করে দেন।
পরে রাত ৩টার দিকে আবারও এসি চালু করা হয়। এর কিছুক্ষণ পর, রাত ৪টার দিকে একটি নবজাতক অস্বাভাবিকভাবে কান্না করতে শুরু করলে তাকে দ্রুত নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (এনআইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। পর্যায়ক্রমে আরও পাঁচ নবজাতককেও এনআইসিইউতে নেওয়া হয়।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, আজ (বুধবার) সকাল ৬টার দিকে প্রথম নবজাতকের মৃত্যু হয়। এরপর সকাল ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে আরও পাঁচ নবজাতকের মৃত্যু ঘটে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ওই ওয়ার্ডে সদ্য প্রসূতি মায়েরা নবজাতকদের সঙ্গে অবস্থান করছিলেন এবং রাতে তিনজন নার্স দায়িত্বে ছিলেন।
ঘটনার পরপরই হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
কর্তৃপক্ষ জানায়, কী কারণে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখতে সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও অভ্যন্তরীণভাবে পৃথক তদন্ত পরিচালনা করছে।
তদন্তে কারও গাফিলতি বা ত্রুটি পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সব মহলের সহযোগিতা কামনা করেছে আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
৫ দিন আগে
হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১১৮
দেশে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১১৮টি শিশু।
বুধবার (২৭ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৭২টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮৮টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৫৬০টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৬২টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৫৬। এই সময়ে ৯৩৩টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১০৩টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৬৭ হাজার ৭৯, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৮৩৪। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫৩ হাজার ৪৬৩ রোগী, যাদের মধ্যে ৪৯ হাজার ৯০৩ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৫ দিন আগে