বিএনপি
রংপুর বিভাগ থেকে মন্ত্রিপরিষদে চার নেতা
বিএনপি সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিয়েছেন রংপুর বিভাগের ৪ জন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী পরিষদের শপথ অনুষ্ঠানে তারা শপথগ্রহণ করেন।
শপথ অনুষ্ঠানে রংপুর বিভাগ থেকে যারা শপথ নিলেন, তারা হলেন— ঠাকুরগাঁও জেলা থেকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দিনাজপুর জেলা থেকে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, লালমনিরহাট জেলা থেকে লুআসাদুল হাবীব দু এবং পঞ্চগড় জেলা থেকে ফরহাদ হোসেন আজাদ।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী হয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর আগে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। তিনি বিএনপির প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। দিনাজপুর-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।
আসাদুল হাবীব দুলু দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হয়েছেন। তিনি বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি এর আগে ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপির মন্ত্রিসভায় ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।
ফরহাদ হোসেন আজাদ পঞ্চগড়-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি এবারই প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসনের মধ্যে বিএনপি জোট ১৫টি আসনে জয়লাভ করে। অন্যদিকে ১৮টি আসনে জয়লাভ করে ১১ দলীয় জামায়াত জোট।
১ দিন আগে
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেরিয়ে মন্ত্রিসভায় কায়কোবাদ
যাবজ্জীবনের কারাদণ্ড পেরিয়ে মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। তাকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ছয়বারের এই সংসদ সদস্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় তার নির্বাচনি এলাকা কুমিল্লা-৩ আসনসহ (মুরাদনগর) জেলাজুড়ে খুশির আমেজ বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেনেড হামলা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ পান কায়কোবাদ। সাজাভোগ এড়াতে এক যুগেরও বেশি সময় তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় তিনি দেশে ফেরেন। এরপর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৩ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন তিনি।
তার ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, কায়কোবাদ মুরাদনগরে মাটি ও মানুষের নেতা। তিনি মুরাদনগরবাসীর নিকট ‘দাদা ভাই’ হিসেবে পরিচিত। তাকে ধর্মমন্ত্রী করায় উপজেলায় খুশির জোয়ার বইছে। সদর থেকে গ্রাম পর্যন্ত চলছে গণহারে মিষ্টি বিতরণ।
উল্লেখ্য, কায়কোবাদ ৫০ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করেন। তিনি ১ লাখ ৫৯ হাজার ২৫১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
এর আগে ১৯৮৬, ১৯৮৮, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য ছিলেন কায়কোবাদ। ১৯৮৬ সালে সংসদে হুইপের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর ১৯৮৮ সালে তিনি ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এবার পেলেন পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদা।
১ দিন আগে
জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রদ্ধা
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে আবারও স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন তারেক রহমান।
এ সময় তিন বাহিনীর একটি সুশৃঙ্খল চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে; বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর।
পরে প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে সংরক্ষিত দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে একটি পারিজাতের চারাও রোপণ করেন।
১ দিন আগে
সংসদ নেতা হলেন তারেক রহমান, হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীও
বিএনপি সংসদীয় দলের প্রথম বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ত্রয়োদশ সংসদের নেতা নির্বাচিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদীয় দলের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৈঠকের পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘এটি একটি ঐতিহাসিক মূহুর্ত যে দীর্ঘ ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতন-নিপীড়ন, গণতন্ত্রকে ধবংস করে দেওয়া, সংসদকে অকার্য্কর করা এই পর্বের পরে জনগণের অনেক রক্তের বিনিময়ে একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমরা একটি সংসদ পেয়েছি। এই সংসদের মধ্য দিয়ে আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে আমরা আমাদের তরুণ নেতা জনাব তারেক রহমানকে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করেছি। আমরা আশাবাদী তার (তারেক রহমান) নেতৃত্বে দেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে আমাদের প্রথম এই সংসদীয় দলের সভাতে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, বিএনপির সংসদ সদস্য তারা ডিউটি ফ্রি কোনো গাড়ি নেবেন না এবং কোনো প্লটও নেওয়া হবে না সরকারের কাছ থেকে। এই সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি।’
অন্যদিকে, নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া পোস্টে বিএনপি মিডিয়া সেল থেকে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় তারেক রহমানকে সর্বসম্মতি ক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
এর আগে আজ (মঙ্গলবার) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে শপথ গ্রহণ করেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন।
এদিন প্রথমে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিএনপির সংসদ সদস্যরা শপথ নেন। কিছুক্ষণ পর জামায়াতে ইসলামী ও পরবর্তীতে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ অন্য দল, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা শপথ নেন।
শপথ গ্রহণ শেষে শপথপত্রের নির্ধারিত স্থানে নিজ নির্বাচনি এলাকা উল্লেখ করে তারিখসহ স্বাক্ষর করেন সংসদ সদস্যরা।
একই দিন বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন এই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও একই সময়ে শপথ পড়ানো হবে।
সংসদ সচিবালয় ইতোমধ্যে এই আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
নতুন সরকারে শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় নেওয়া হয়েছে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবির ১৫ হাজার সদস্য। স্ট্যান্ডবাই থাকবে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ও কেনাইনের মতো বিশেষায়িত ইউনিট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় হচ্ছে নতুন সরকারের শপথ। আজ এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হচ্ছেন এক হাজারেরও বেশি দেশি-বিদেশি অতিথি।
এদিকে, শপথ আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও লেকরোডে আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। গতকাল সোমবার ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ থেকে যানচলাচলের ডাইভারশন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে।
২ দিন আগে
শপথগ্রহণের পর সংসদীয় দলের সভা ডেকেছে বিএনপি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের পর সংসদীয় দলের সভা ডেকেছে নির্বাচনে বিজয়ী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, মঙ্গলবার শপথ অনুষ্ঠান শেষে বেলা সাড়ে ১১টায় সংসদ ভবনে এই সভা হবে।
তিনি জানান, ‘সংসদীয় দলের এই সভায় সংসদ নেতা নির্বাচন হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে আমাদের দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন ইনশাল্লাহ।’
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেবেন। শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। একইদিন সকালে সংসদ ভবনে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। তাদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। অপরদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮ আসন পেয়ে বিরোধী দল হিসেবে সংসদে যাচ্ছে। বাকি আসনগুলোতে জয়লাভ করেছে অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
৩ দিন আগে
সন্ধ্যায় চরমোনাই পীরের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সোমবার সন্ধ্যায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির, চরমোনাই পীর সৈয়দ রেজাউল করিমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে তার বাসায় যাবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তারেক রহমানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারম্যান আজ সন্ধ্যা ৭টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আমিরের বাসভবনে যাবেন।’
এর আগে, গতকাল (রবিবার) সন্ধ্যায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় গিয়ে তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তারেক রহমান।
এবারের নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৩০০ আসনে ২৫৭ প্রার্থী দিয়েছিল। এর মধ্যে বরিশাল-৫ আসনে বিএনপির মজিবর রহমান সরোয়ার ১ লাখ ৩১ হাজার ৪৩১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি ফয়জুল করীম পান ৯৩ হাজার ৫২৮ ভোট।
বরিশাল-৬ আসনেও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারেননি ফয়জুল করীম। এ আসনের মোট ১১৩টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এবং বরিশাল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হোসেন খান পেয়েছেন ৮১ হাজার ৮৭ ভোট। দ্বিতীয় হয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ মাহমুদুন্নবী। তিনি পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৫৩৩ ভোট। হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি ফয়জুল করীম পেয়েছেন ২৮ হাজার ৮২৩ ভোট, যা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম বলে মনে করছেন ভোটাররা।
৩ দিন আগে
দলে ফিরিয়ে নিন, নাহলে শপথ নেব না: হান্নান
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে ধানের শীষের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর বিজয়ী বিএনপির বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী (চিংড়ী প্রতীক) এম এ হান্নান বলেছেন, ‘আমাকে আমার প্রিয় দল বিএনপিতে ফিরিয়ে নিন, বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করুন। অন্যথায় আমি শপথে অংশ নেব না।’
শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নির্বাচনোত্তর এক সংবাদ সম্মেলনে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে দলের শীর্ষ নেতাদের উদ্দেশে তিনি এই আকুতি জানান।
সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাব সভাপতি মামুনুর রশীদ পাঠান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন প্রেসক্লাব সম্পাদক নুরুল ইসলাম ফরহাদ।
হান্নান বলেন, আমি ছাত্রজীবন সময় থেকে প্রিয় নেতা জিয়াউর রহমান, তার দল, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ও চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শ্রদ্বা করি ও ভালবাসি। আমার প্রাণের দল বিএনপি। আমরণ এ দলে আছি, থাকব। কিন্তু একটি কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্বে ষড়যন্ত্র করে আমাকে মনোনয়নবঞ্চিত করে।
এ ঘটনায় অত্যন্ত দুঃখ পেয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই দুঃখকে বুকে নিয়ে কুচক্রীদের সমুচিত জবাব দিতে আল্লাহর ওপর ভরসা করে আমি এমপি ইলেকশনে নামি ও জয়লাভ করি। কারণ আমার দৃঢ় বিশ্বাস, মহান আল্লাহ ও উপজেলা, পৌরসভা ও ১৬ ইউনিয়নের আপামর জনগণ আমার সঙ্গে আছে।
তিনি আরও বলেন, তাই দলের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ, বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে আমাকে আমার প্রিয় দলে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিরিয়ে নিন। না হয় আমি শপথ অনুষ্ঠানে যাব না। শপথও নেব না।
‘ভোটে কারচুপি করে জয়ী হয়েছেন’—ধানের শীষের পরাজিত প্রার্থী হারুনর রশীদের এমন অভিযোগকে তিনি (হান্নান) ‘ঢাহা মিথ্যা, মনগড়া ও ভিত্তিহীন’ বলে নাকচ করে দেন। তিনি বলেন, রমজানে তিনি উপজেলার সকল ইউনিয়নের ছোটবড়, ময়মুরুব্বি—সবার সঙ্গে দেখা করবেন।
নবনির্বাচিত এ সংসদ সদস্য বলেন, সব ভেদাভেদ ভুলে এখন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে ফরিদগঞ্জের উন্নয়নে কাজ করব।
এ সময় তার সঙ্গে ফরিদগঞ্জের সাবেক মেয়র মঞ্জিল হোসেন ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
৪ দিন আগে
জনগণ বিশ্বাস-ভালোবাসা দেখিয়েছে, এবার প্রতিদানের পালা: তারেক রহমান
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণ বিএনপির প্রতি যে বিশ্বাস ও ভালোবাসা দেখিয়েছে এবার তার প্রতিদান দেওয়ার পালা।
তিনি বলেছেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষকের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) দেশের জনগণ আবারও রাষ্ট্র পরিচালনার ম্যান্ডেট দিয়েছে। জনগণ বিএনপির প্রতি যে বিশ্বাস এবং ভালোবাসা দেখিয়েছে, এবার মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য নিরলস কাজের মাধ্যমে জনগণের এ বিশ্বাস ও ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার পালা। আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে।’
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল–এর গ্র্যান্ড বলরুমে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির বিজয় পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় গণতন্ত্রপ্রিয় জনগণ আবারও বিএনপিকে বিজয়ী করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, এ বিজয় বাংলাদেশের, এ বিজয় গণতন্ত্রের। আজ থেকে আমরা সবাই স্বাধীন। তবে মনে রাখতে হবে, জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি আর বিভাজন আমাদের দুর্বলতা।’
দেশের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘সকল প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে আপনারা দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করেছেন। ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, অকার্যকর করে দেওয়া সাংবিধানিক এবং বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান এবং দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি... এমন একটি পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি।
‘আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর দেশে পুনরায় জনগণের সরাসরি ভোটে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক সংসদ এবং সরকার প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছে। আর কোনো অপশক্তি যাতে দেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে না পারে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে...এ জন্য আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, গণ অধিকার পরিষদসহ ৫১টি রাজনৈতিক দল এই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি রাজনৈতিক দলকেও আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
তারেক রহমান বলেন, ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং রাজনীতিতে রাজনৈতিক দলগুলোই মূলতঃ গণতন্ত্রের বাতিঘর। সরকার এবং বিরোধী দল যে যার অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে অবশ্যই দেশে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহবান জানাই, দেশ গঠনে আপনাদের চিন্তাভাবনাও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
‘আমাদের পথ এবং মত ভিন্ন থাকতে পারে কিন্তু দেশের স্বার্থে আমরা সবাই এক। আমি বিশ্বাস করি, জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা।’
তিনি বলেন, ৭১-এর স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ থেকে ২০২৪ সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ... এই দীর্ঘ সময়ে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, হতাহত হয়েছেন, যাদের রক্ত মাড়িয়ে, কষ্টের সিঁড়ি বেয়ে আজকের এই গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ, সেসব বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। মহান আল্লাহর দরবারে তাদের মাগফিরাত কামনা করছি। যারা মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে প্রাণ দিয়েছেন, হতাহত হয়েছেন, দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আপনাদের ভূমিকাকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ রাখবে।
জনগণের রায় পেলে বিএনপি রাষ্ট্র মেরামতের রূপরেখা উপস্থাপন করেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, অন্যান্য গণতান্ত্রিক দল এবং সারাদেশে জনগণের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে ৩১ দফা প্রণয়ন করেছিল। ৩১ দফার আলোকে ঘোষণা করা হয়েছিল দলীয় ইশতেহার। একই সঙ্গে কয়েকটি বিষয়ে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়ে বিএনপি জুলাই সনদেও স্বাক্ষর করেছিল। আমরা জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, প্রত্যাশিত প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করবো ইনশাআল্লাহ।
সারাদেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী-সমর্থক ছাড়াও দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণের সামনে আজকের এই সময়টি ভীষণ আনন্দের উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এমন এক আনন্দঘন পরিবেশে আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতি আমাদের ভারাক্রান্ত করে। রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার এমন একটি গণতান্ত্রিক সময়ের প্রত্যাশায় তিনি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপোষহীন লড়েছিলেন। স্বৈরাচার কিংবা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে কখনোই আপোষ করেননি। দেশ এবং জনগণের স্বার্থের প্রশ্নে বরাবরই তিনি ছিলেন অটল, অবিচল। আমরা আল্লাহর দরবারে মরহুম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনা করছি।
তিনি সারা দেশে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী-সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, শত নির্যাতন-নিপীড়নের পরও আপনারা রাজপথ ছাড়েননি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অটুট, অনড় ছিলেন। এবার দেশ গড়ার পালা। দেশ পুনর্গঠনের এই যাত্রায় আপনি, আমি—আমাদের প্রত্যেককে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আমরা গণতন্ত্র এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার এই বিজয়কে শান্তভাবে, দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে উদযাপন করেছি। নির্বাচনোত্তর বাংলাদেশে যাতে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, এ জন্য শত উসকানির মুখেও আমি সারাদেশে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের শান্ত এবং সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। কোনো অপশক্তি যাতে পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর সুযোগ নিতে না পারে... এ জন্য নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পর আমি সারাদেশে বিএনপি এবং জোটভুক্ত দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের বিজয় মিছিল বের করতে নিষেধ করেছিলাম। আমরা আল্লাহর দরবারের শুকরিয়া আদায়ের মাধ্যমে বিজয় উৎসব পালন করেছি।
তারেক রহমান বলেন, আমার বক্তব্য স্পষ্ট, যে কোনো মূল্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কোনো রকমের অন্যায় কিংবা বেআইনি কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। দল-মত, ধর্ম, বর্ণ কিংবা ভিন্নমত যাই হোক, কোনো অজুহাতেই দুর্বলের ওপর সবলের আক্রমণ মেনে নেওয়া হবে না। ন্যায়পরায়ণতাই হবে আদর্শ। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা না গেলে আমাদের সকল প্রচেষ্টা বৃথা যেতে বাধ্য। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল, অন্য মত কিংবা ভিন্নমত... প্রতিটি বাংলাদেশি নাগরিকের জন্যই আইন সমান। আইনের প্রয়োগ হবে বিধিবদ্ধ নিয়মে।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, নির্বাচনে একে অপরের বিরুদ্ধে কিংবা এক দল আরেক দলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে নির্বাচনের মাঠে হয়তো কোথাও কোথাও নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে। তবে এ ধরনের বিরোধ যেন প্রতিশোধ-প্রতিহিংসায় রূপ না নেয়, সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাই।
দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আসুন, যেভাবে আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে ভূমিকা রেখেছিলাম, একইভাবে এবার দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের প্রতি জবাবদিহিতার মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ, মানবিক বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য যে যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখি। একটি নিরাপদ, মানবিক, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যাত্রাপথে আমি ভিন্ন দল কিংবা ভিন্নমতের সকলের সহযোগিতা আশা করছি। বিশ্বের সকল গণতান্ত্রিক শক্তি, সকল প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণের প্রতি আবারও বিজয়ের অভিনন্দন এবং ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য শেষ করছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান, মেজর (অব) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ডা. এজেডম জাহিদ হোসেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ড. মওদুদ আহমেদ পাভেল ও চেয়াপারসনের উপদেষ্টা ইসমাঈল জবিউল্লাহর সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত আছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, জয়নুল আবেদিন, শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, আন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দীন আহমেদ অসীম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
৫ দিন আগে
বিকেলে তারেক রহমানের সংবাদ সম্মেলন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর আজ (শনিবার) বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে আসবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে বিকেল ৩টায় সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরাও উপস্থিত থাকবেন বলে জানান বিএনপি মহাসচিব।
যুক্তরাজ্যে দীর্ঘ দেড় দশকের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর সপরিবারে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। দেশে ফিরে রাজনৈতিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গেলেও কোনো সংবাদ সম্মেলন করেননি তিনি।
নির্বাচনে ঘোষিত ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি এককভাবে পেয়েছে ২০৯টি আসন। তারেক রহমান ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে জয়ী হয়েছেন।
৫ দিন আগে
জামায়াত একটি উগ্রবাদী দল: মির্জা ফখরুল
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ‘উগ্রবাদী দল’ আখ্যা দিয়ে তাদের উত্থানের পেছনে আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি গত ১৫ বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে, তার আগেও করেছে। জনগণের কল্যাণের জন্য বিএনপি কাজ করেছে, জনগণের সঙ্গে থেকেছে। বিএনপি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল। আমি আগেও বলেছি, এই নির্বাচনে বিএনপির ভূমিধ্বস বিজয় হবে।
জামায়াত সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ১৫ বছর ফ্যাসিস্ট শাসন ছিল। যখনই গণতন্ত্র চাপা থাকে, তাকে যখন আটকে দেওয়া হয়, তার যখন কণ্ঠ রুদ্ধ করা হয়; তখন অন্য উগ্রবাদী শক্তিগুলো মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে এবং সেটাই এদেশে হয়েছে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে যেটুকু উত্থান হয়েছে জামায়াতের, সেটা আওয়ামী লীগের কারণে। তাদের দমন-পীড়নমূলক যে শাসন, বিরোধী দলকে ফাংশন করতে না দেওয়া, তাদের ইনোসিয়েট করতে না দেওয়া, এর কারণে এমন হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইতোমধ্যে জনগণ তাদের রিজেক্ট (প্রত্যাখ্যান) করেছে। বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি মেজরিটি (সংখ্যাগরিষ্ঠতা) পেয়ে গেছে। জনগণ আবারও সুষ্ঠু, সৎ ও কল্যাণমুখী রাজনীতির মধ্য দিয়ে সব অপপ্রবণতাগুলো রুখে দিতে সক্ষম হবে।’
নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভের জন্য তিনি ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ দলের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
৬ দিন আগে