আজকের খবর - 10-06-2026
২০২৮ সালের মধ্যে সবাইকে ই-হেলথ কার্ডের আওতায় আনা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দেশের সকল নাগরিককে ২০২৮ সালের মধ্যে ই-হেলথ কার্ডের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সারদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি জানান ।
বুধবার (১০ জুন ) জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য নুরুন্নেসা সিদ্দিকার (সংরক্ষিত নারী আসন-৩৭) লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, একটি কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২৮ সালের মধ্যে সব নাগরিককে ই-হেলথ কার্ড দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সে কারণে সরকার ধীরে ধীরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশে উন্নীত করার অঙ্গীকার করেছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হলো নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং দেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া।
ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা সম্প্রসারণে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সরকার ই-হেলথ কার্ড প্রদান করবে। পাশাপাশি, জেলা হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান এবং পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকার স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।
এ ছাড়াও নতুন হাসপাতাল স্থাপন, বিদ্যমান অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, বিনামূল্যে মানসম্মত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্য ও রোগ প্রতিরোধ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মা ও শিশুর জন্য পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, ওষুধ ও টিকার সরবরাহ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, সমন্বিত ও আধুনিক পুষ্টি কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তামাক ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণেও পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার একটি ডিজিটাল হেলথ আইডি চালুর পরিকল্পনা করেছে। এর আওতায় প্রতিটি নাগরিককে ই-হেলথ কার্ড প্রদান করা হবে, যার মাধ্যমে দেশব্যাপী একটি ডিজিটাল স্বাস্থ্য ডেটাবেইস তৈরি করা সম্ভব হবে।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, এই উদ্যোগের ফলে একই ওষুধ বারবার ব্যবহারের প্রবণতা রোধ করা যাবে, চিকিৎসকদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ আরও কার্যকর হবে, অপ্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য ব্যয় কমবে এবং আরও দক্ষ, নিরাপদ ও রোগীবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।
এছাড়া বর্তমান সরকার আরও কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে প্রতিটি জেলায় আধুনিক মাধ্যমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট স্থাপন, জনবল সংকট মোকাবিলায় এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ এবং প্রাণঘাতী রোগের চিকিৎসায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ।
সরকারের অন্যান্য পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, স্যানিটেশন ও পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, নিরাপদ পানীয় জলের সরবরাহ নিশ্চিত করা, জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল ও জরুরি সেবা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক জাতীয় ই-প্রেসক্রিপশন ও প্রেসক্রিপশন অডিট চালু করা, স্বাস্থ্য খাতের জন্য জাতীয় অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল গঠন এবং চিকিৎসা শিক্ষা আরও শক্তিশালী করা।
১ ঘণ্টা আগে
সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালু: প্রধানমন্ত্রী
সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের মধ্যে ৫ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১০ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে পাবনা-৫ আসনের বিএনপির দলীয় সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় জনগণকে ‘ই-হেলথ কার্ড’ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই বিষয়ক একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ১৮০ দিনের মধ্যে ৫টি জেলা যথাক্রমে খুলনা, নোয়াখালী, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও নরসিংদী জেলার জনসাধারণকে ই-হেলথ কার্ড সেবা প্রদান কার্যক্রম শুরু করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই ই-হেলথ কার্ড ইলেক্ট্রনিক রিফারেল সিষ্টেম এবং ইলেক্ট্রনিক পেসেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিষ্টেম এর সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে।’
প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, ১৮০ দিনের কর্মসূচি অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরেন।
কর্মসূচিগুলো হচ্ছে—
নারী প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ডের পাইলটিং পর্যায়ে এ পর্যন্ত ৩৬টি ইউনিটের ৬০ হাজার ৪৪টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়েছে।
কৃষক কার্ড এর প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি কৃষি ব্লকে এ পর্যন্ত ২০ হাজার ৭৪৮ জনকে কৃষক কার্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া, নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার শস্য, ফসল, পশুপালন ও মৎস্য খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে।
৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির, ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহার-প্যাগোডা এবং ৩৯৬টি গির্জায় কর্মরত ব্যক্তিবর্গকে মাসিক সম্মানী ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এ সুবিধা সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ৬৬৬টি খাল খনন, পুনঃখনন কার্যক্রম চলমান। খনন/পুনঃখননকৃত খালের মোট দৈঘ্য ৯৬৫ দশমিক ০৪ কিলোমিটার।
২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বনায়ন সৃজনের অংশ হিসেবে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে প্রায় ৩ কোটি ১৪ লাখ চারা রোপণ করা হবে।
আগামী অর্থবছরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন স্কুলে পর্যায়ক্রমে ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন।
ল্যাংগুয়েজ স্টুডেন্ট ভিসায় বিদ্যমান জামানতবিহীন ঋণ সীমা ৩ লাখ হতে ১০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। জাপানগামী শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা প্রাপ্তির পূর্বেই সার্টিফিকেট অফ ইলিজিবেলিটির ভিত্তিতে এ ঋণ প্রদান সহজীকরণ করা হয়েছে।
২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি ও নেট মিটারিং এর মাধ্যমে মোট ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।
১২-১৪ বছরের শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ‘নতুন কুড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এতে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিকস, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার ও মার্শাল আর্টসহ মোট ৮টি খেলা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ শুরু হবে শীঘ্রই: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করবে সরকার।
বুধবার (১০ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৯ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য আবুল কালামের সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ সংক্রান্ত এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি সংসদকে জানাতে চাই, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে বেশ কিছু শূন্য পদ রয়েছে। সরকারি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে এবং মানুষের কাছে সেবা আরও সহজে ও দক্ষতার সঙ্গে পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করতে এই পদগুলো পূরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি জানান, সরকার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা ও পর্যালোচনা করছে।
তারেক রহমান বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আমরা যত দ্রুত সম্ভব এই শূন্য পদগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করব।’
পাবনা-৫ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের অনুপস্থিতিতে তার তারকা চিহ্নিত অপর এক প্রশ্ন উত্থাপন করেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা হাবিব। জবাব দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার ৫ লাখ সরকারি কর্মচারি নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তারমধ্যে শুধু জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং অধীনস্থ দপ্তর ও সংস্থাসমূহে শূন্য পদের বিপরীতে ২ হাজার ৮৭৯ জন লোক নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল ৩টায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।
অধিবেশনের প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রশ্নোত্তরের জন্য বরাদ্দ ছিল। তার জন্য তালিকাভুক্ত পাঁচটি তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের মধ্যে তারেক রহমান তিনটির উত্তর দেন এবং সংসদ সদস্যদের সম্পূরক প্রশ্নেরও জবাব দেন।
সরকার সম উন্নয়নে বিশ্বাসী
মাদারীপুর-২ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে সরকারপ্রধান বলেন, রাজনৈতিক অধিভুক্তি নির্বিশেষে সারা দেশে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিরোধীদলীয় নেতার উপস্থিতিতে সংসদীয় কার্য উপদেষ্টা কমিটির সাম্প্রতিক একটি বৈঠকের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঈদুল ফিতরের আগে বিতরণ করা সরকারি কিছু সহায়তা বিরোধী দলের কয়েকজন সংসদ সদস্য পাননি বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বৈঠকের পর আমি অবিলম্বে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীকে নির্দেশ দিই যেন কোনো বিরোধী দলীয় এমপি সহায়তা না পেয়ে থাকলে তাদের বিলম্ব না করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।’
এই নির্দেশনার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করতে চান যে, বর্তমান সরকার দেশের সুষম উন্নয়নে বিশ্বাসী।
তিনি বলেন, সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা যেভাবে তাদের নির্বাচনি এলাকার উন্নয়নে কাজ করেন, ঠিক তেমনি বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরাও সরকারের কাছ থেকে পূর্ণ সহযোগিতা পাবেন। আমরা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব যেন তাদের এলাকাতেও সমানভাবে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়।
২ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লায় হাইওয়ে পুলিশের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ১৯
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় হাইওয়ে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা ও পুলিশের টহল গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দুই পুলিশ সদস্য।
বুধবার (১০ জুন) দুপুর সাড়ে ৩টায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান এ তথ্য জানান।
গতকাল (মঙ্গলবার) সকালে কুমিল্লা-ঢাকা মহাসড়কের নিমসার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর জেলা পুলিশের নির্দেশনায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও বুড়িচং থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, মহাসড়কে দায়িত্ব পালনকালে উল্টো পথে চলাচলের দায়ে একটি অটোরিকশা আটক করে হাইওয়ে পুলিশ। এ সময় অটোরিকশাচালক ও স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে পুলিশের তর্কাতর্কি হয়।
তিনি জানান, একপর্যায়ে অটোরিকশা চালকের চিৎকারে ১০০ থেকে ১৫০ জনের একটি দল ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় কনস্টেবল ইউসুফ আলী ও রাব্বি ইসলাম আহত হন। সে সময় পুলিশের একটি টহল গাড়ি ভাঙচুর করে তারা।
তিনি আরও জানান, ঘটনার পরপরই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। পরে ডিবি ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে পরিচালিত অভিযানে ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদেরও শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।
পুলিশ সুপার বলেন, মহাসড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালনরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা কিংবা সরকারি সম্পদের ক্ষতিসাধনের ঘটনায় জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২ ঘণ্টা আগে
আদ্ দ্বীন হাসপাতালের জবাবে সন্তুষ্ট নয় সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আদ্ দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর জবাব অতিরঞ্জিত বলে সন্তুষ্ট নয় সরকার।
বুধবার (১০ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, আদ্ দ্বীন হাসপাতালের লিখিত জবাবে প্রয়োজনীয় তথ্যের বাহিরে অনেক গল্প লিখেছে, যার বেশিরভাগ তথ্য ছিল অপ্রয়োজনীয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পরবর্তী বৈঠক করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। সরকার আদ্ দ্বীন হাসপাতালের বিষয়ে আগের অবস্থানেই আছে বলেও জানান তিনি।
রাজধানীর মগবাজারের আদ্ দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে গত ২৭ মে ভোরে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পর্যবেক্ষণে থাকা ৬ নবজাতকের মৃত্যু হলে তদন্ত কমিটি গঠন করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
পরবর্তীতে, ৬ নবজাতকের মৃত্যুতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ পায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গঠিত তদন্ত কমিটি।
৩ ঘণ্টা আগে
পানি স্বল্পতায় কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩টি ইউনিট বন্ধ
খরার কারণে দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর। ফলে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানি স্বল্পতায় কাপ্তাইয়ে অবস্থিত কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে (কপাবিকে) ৫টি ইউনিটের মধ্যে ৩টি ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। বাকি ২ ইউনিট থেকে বর্তমানে মাত্র ৫৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। অথচ এই কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট থেকে সর্বোচ্চ ২৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।
কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর আরও কমে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিস্থিতি সংকটাপন্ন হয়ে উঠতে পারে। ভারী বৃষ্টিপাত না হলে যেকোনো সময় কেন্দ্রটির অবশিষ্ট ২ ইউনিট থেকেও বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
বুধবার (১০ জুন) কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
স্থানীয়রা জানান, কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর কমে যাওয়ায় শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনই নয়, হ্রদনির্ভর মানুষের দুর্ভোগও বাড়ছে। বিশেষ করে বিলাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি, লংগদু ও বাঘাইছড়ি উপজেলার নৌপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হ্রদের বিভিন্ন স্থানে চর জেগে ওঠায় নৌযান চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং স্থানীয়দের চলাচলে ভোগান্তি বাড়ছে। পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যেও মারাত্মক প্রভাব পড়ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৬৮ এমএসএলকে বিপজ্জনক সীমা হিসেবে ধরা হয়। পানির স্তর ৬৮ এমএসএলে নেমে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। কাপ্তাই হ্রদের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ এমএসএল। এই কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট হতে সর্বোচ্চ ২৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।
কপাবিকের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, শুষ্ক মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর দিন দিন কমছে। চলতি সপ্তাহে মাঝে মাঝে বৃষ্টিপাত হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। যেখানে কাপ্তাই হ্রদের রুল কার্ভ অনুযায়ী, পানির লেভেল ৭৮ দশমিক ৩৪ ফুট মিন সি লেভেল থাকার কথা সেখানে আজ (বুধবার) সকাল ৯টা পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদের পানির লেভেল ছিল ৭৩ দশমিক ৯১ ফুট মিন সি লেভেল। অর্থাৎ এখনও পানির লেভেল ৪ দশমিক ৪৩ ফুট মিন সি লেভেল কম আছে।
কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুমে দায়িত্বরত প্রকৌশলীরা জানান, আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত শুধুমাত্র ২টি ইউনিট হতে ৫৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। তার মধ্যে ২ নম্বর ইউনিট হতে ৩০ মেগাওয়াট এবং ৩ নম্বর ইউনিট হতে ২৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।
দ্রুত মুষলধারে বৃষ্টিপাত না হলে বাকি ইউনিটগুলো চালু করা সম্ভব হবে না বলে জানান বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।
৩ ঘণ্টা আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক-সংক্রান্ত বিরোধে সালিশে সংঘর্ষ, নিহত ১
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলায় সালিশ চলাকালে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।
বুধবার (১০ জুন) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের দুর্লভপুর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, এলাকায় মাদক চোরাকারবারিদের বিজিবির কাছে ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে আজ (বুধবার) দুর্লভপুর এলাকায় সালিশের আয়োজন করা হয়। সালিশ চলাকালে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন চর দুর্লভপুর এলাকার বাসিন্দা শওকত আলীর ছেলে ইব্রাহিম আলী (৩৮)। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। আহতদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ.এন.এম. ওয়াসিম ফিরোজ জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মাদক-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।
নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলা কিউআর চালুর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের দেশব্যাপী প্রচারণা শুরু
আগামী ১ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু হতে যাওয়া ‘বাংলা কিউআর’-এর মাধ্যমে সমন্বিত ডিজিটাল লেনদেন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দেশব্যাপী একটি ব্যাপক প্রচারণামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি)।
বুধবার (১০ জুন) ডিজিটাল ক্যাশ বা নগদহীন লেনদেন প্রসারের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোশতাকুর রহমান কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রাঙ্গণে এই প্রচারণামূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
এই ডিজিটাল পেমেন্ট বা লেনদেন উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো—সমন্বিত ‘বাংলা কিউআর’ নেটওয়ার্কের নিরবচ্ছিন্ন লেনদেনের সুবিধা এবং বহুস্তরের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যগুলো সম্পর্কে গ্রাহক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ডিজিটাল ফাইন্যান্স অংশীজনদের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি জোরালো প্রচার অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই অভিযানের লক্ষ্য হলো—আন্তঃব্যাংক ডিজিটাল লেনদেন অবকাঠামোকে উল্লেখযোগ্যভাবে আরও গ্রাহকবান্ধব, দ্রুতগতির, নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করা।
অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর, বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) এবং পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরদের (পিএসও) শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় প্রাণহানি ৮, আক্রান্ত ১০৩৯
দেশে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৯টি শিশু।
বূধবার (১০ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৪৭টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯২টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬৩৯টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৯৪টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৪৫। এই সময়ে ৮২৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৫৩টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৮২ হাজার ২৯, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৯২৭। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৬৬ হাজার ৯৯৯ রোগী, যাদের মধ্যে ৬৩ হাজার ১৪৫ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইউনিসেফের মাধ্যমে ৪১২.৭১ কোটি টাকার টিকা কিনবে বাংলাদেশ
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য জাতিসংঘ শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) মাধ্যমে ৪১২ কোটি ৭১ লাখ টাকার টিকা ক্রয়ের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
বুধবার (১০ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিজিপি) বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ইউনিসেফের মাধ্যমে সরাসরি এই টিকা কেনার জন্য একটি প্রস্তাব উত্থাপন করে কমিটির অনুমোদন চেয়েছে।
ক্রয় কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এটি অনুমোদনের সুপারিশ করেছে। মূলত টিকা সরবরাহের জন্য ইউনিসেফ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ক্রয় সংস্থা হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, টিকা দিয়ে প্রতিরোধ করা যায়—এমন সব মারাত্মক রোগ থেকে শিশুদের পাশাপাশি অন্যান্য লক্ষ্যভুক্ত জনগোষ্ঠীকে রক্ষা করতে ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় এই ভ্যাকসিনগুলো ব্যবহার করা হবে।
এই ক্রয়ের ফলে পুরো অর্থবছরজুড়ে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির জন্য প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিনের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে