আজকের খবর - 10-08-2026
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। এ সময় তারা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
সোমবার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি।
তিনি বলেন, ‘এটি ছিল সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।’
গত জুনে বাংলাদেশে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন দীনেশ ত্রিবেদী।
সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
১১ মিনিট আগে
চলতি অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে ৮৬,৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ৮২ হাজার ৬৫৬টি মসজিদ, ৩ হাজার মন্দির, ৭৫২টি বৌদ্ধ বিহার ও ৩০১টি গির্জা রয়েছে। এ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ধর্মীয় নেতা রাষ্ট্রীয় এ সুবিধার আওতায় আসবেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি মাসেই এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন।
সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য মাসিক সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালু করার লক্ষ্যে গঠিত সেলের সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে এ সম্মানী ভাতার জন্য প্রতিটি ইউনিয়ন হতে ১৫টি মসজিদ নির্বাচন করা হবে। পৌরসভাসমূহের মধ্য হতে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড হতে চারটি, ‘খ’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড হতে তিনটি এবং ‘গ’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড হতে দুইটি মসজিদ নির্বাচন করা হবে।
এছাড়া, সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ড হতে ছয়টি করে মসজিদ নির্বাচন করা হবে।
চলতি অর্থবছরে দেশের প্রতিটি উপজেলা হতে পাঁচটি মন্দির নির্বাচন করা হবে যার মধ্যে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি হতে দুইটি এবং অন্যান্য শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি হতে একটি মন্দির নির্বাচন করা হবে। অবশিষ্ট মন্দির ইউনিয়ন পর্যায় থেকে নির্বাচন করা হবে।
তবে, বৌদ্ধবিহার ও গির্জার সংখ্যা জেলাভিত্তিক ২৫ শতাংশ হারে নির্ধারণ করা হবে।
এ কার্যক্রমের অধীনে নির্বাচিত মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও গির্জার যাজক প্রত্যেকে পাঁচ হাজার টাকা করে মাসিক সম্মানী পেয়ে থাকেন। অন্যদিকে, মসজিদের মুয়াজ্জিন, মন্দিরের সেবাইত, বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ ও গির্জার সহকারী যাজক তিন হাজার টাকা এবং মসজিদের খাদেম মাসিক দুই হাজার টাকা সম্মানী পান। সম্মানীর এই অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের ব্যাংক হিসাবে ইএফটির মাধ্যমে পাঠানো হয়।
মসজিদ ও অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানী প্রদানের জন্য চলতি অর্থবছরে বাজেটে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ অর্থবছের প্রায় এক-চতুর্থাংশ ধর্মীয় উপাসনালয় রাষ্ট্রীয় এ সুবিধার আওতায় আসছে। পরবর্তী তিন অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে দেশের শতভাগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রীয় এ সুবিধার আওতায় আসবে।
উল্লেখ্য, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬ হাজার ১৭টি নির্বাচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইতসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত মোট ১৩ হাজার ৯৪৯ জনকে প্রথমবারের মতো সম্মানী দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠনের একমাস না পেরোতেই চলতি বছরের ১৪ মার্চ ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) ও সেলের সভাপতি মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, গাইবান্দা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার, ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফসহ সেলের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
১৬ মিনিট আগে
নড়াইলে মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলা, এসআই আহত
নড়াইলের লোহাগড়ায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মো. খোকন হাওলাদার নামে পুলিশের এক উপপরিদর্শক (এসআই) আহত হয়েছেন। এ সময় ইয়াবাসহ এক ব্যক্তিকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যার পর উপজেলার লাহুড়িয়া ইউনিয়নের কচুবাড়িয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত এসআই খোকন হাওলাদার লোহাগড়া থানার লাহুড়িয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত।
পুলিশ জানিয়েছে, গতকাল (রবিবার) সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লাহুড়িয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মো. খোকন হাওলাদারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল লাহুড়িয়া বাজারের শ্যামলের চায়ের দোকানে অভিযান চালায়।
এ সময় কচুবাড়িয়া গ্রামের নবির হোসেনের ছেলে হারুনের দেহ তল্লাশি করতে গেলে ওই দোকানে উপস্থিত কামাল, শ্যামল, আকিদুলসহ কয়েকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে এসআই খোকন হাওলাদারের ওপর হামলা করে। হামলার একপর্যায়ে আরও ১০ থেকে ১৫ জন সেখানে এসে হামলাকারীদের সঙ্গে যোগ দেয়। পরে তারা ইয়াবাসহ হারুনকে সেখান থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা আহত এসআই খোকন হাওলাদারকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
১৯ মিনিট আগে
এসএসসি পরীক্ষা: বিদেশে পাসের হার ৮৮.০৬ শতাংশ
২০২৬ সালে সারা দেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের ক্ষেত্রে গত বছরের তুলনায় হতাশাজনক চিত্র দেখা গেলেও দেশের বাইরে থেকে পরীক্ষা দেওয়া শিক্ষার্থীরা অনেক ভালো করেছে।
দেশে সব মিলিয়ে এবার ঢাকা বোর্ডের পাশের হার সবচেয়ে বেশি ৭১.৬৩ শতাংশ। সেই তুলনায় বিদেশের কেন্দ্রগুলোতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের পাসের হার ৮৮ দশমিক ০৬ শতাংশ।
সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
এ বছর বিদেশকেন্দ্রে মোট ৪০২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে ৩৫৪ জন পাস করেছেন। তবে ৪৮ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি।
এ বছর বিদেশে মোট ৯টি কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে দুটি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। অন্যদিকে একটি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি।
১ ঘণ্টা আগে
এসএসসি পরীক্ষা: ৩১২ প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি
এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে অকৃতকার্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে আশঙ্কাহনক তথ্য উঠে এসেছে। গত বছরের তুলনায় এবার ৩০৩টি প্রতিষ্ঠান বাড়লেও ৩১২টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী এবার পাস করতে পারেনি।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় মোট ৩০ হাজার ৪০২টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। তবে ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৩১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী এবার পাস করতে পারেনি।
এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ৫৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবার শতভাগ অকৃতকার্য হয়েছে। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৪৮টি, অর্থাৎ এবার শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯টি।
এই তালিকায় সবচেয়ে আশঙ্কাজনক দশা মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের; এই বোর্ডের ২২৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করতে পারেনি। অথচ গত বছরও এই সংখ্যা ছিল মাত্র ৮৬। অর্থাৎ গতবারের তুলনায় এবার শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ১৪০টি।
এমনকি, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে গত বছর এই সংখ্যা ছিল শূন্য, আর এবার ২৯টি প্রতিষ্ঠান শতভাগ অকৃতকার্য হয়েছে। এছাড়া বিদেশি কেন্দ্রের মধ্যে একটিতে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পূর্ণ সিলেবাস ও পূর্ণ নম্বরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ২০ মে পর্যন্ত চলে পরীক্ষা। সারা দেশে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্র এবং ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
১ ঘণ্টা আগে
এসএসসি পরীক্ষা: ফেলের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৯০ হাজার
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী। আর ফেল করেছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৯০ হাজার বেশি।
ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থী কমেছে ৭৪ হাজার ৬০১ জন। বিপরীতে ফেল করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ৮৯ হাজার ৯২৮ জন।
সোমবার (১০ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ ফল ঘোষণা করেন।
গত বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেন মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন এবং উত্তীর্ণ হতে পারেনি ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ শিক্ষার্থী। অর্থাৎ মোট পরীক্ষার্থীর ৩৭ দশমিক ৭৫ শতাংশই অকৃতকার্য হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৯ লাখ ৪ হাজার ৮৬ জন। সে বছর উত্তীর্ণ হয়েছিল ১৩ লাখ ৩ হাজার ৪২৬ জন। অর্থাৎ অনুত্তীর্ণ হয়েছিল প্রায় ৬ লাখ ৬৬০ জন। সেই হিসেবে, এক বছরে পরীক্ষার্থী কমেছে ৭৪ হাজার ৬০১ জন। কিন্তু অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্টো বেড়েছে ৮৯ হাজার ৯৪৮ জন।
এবারের পরীক্ষায় মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের অকৃতকার্যের হার আশঙ্কাজনকভাবে বেশি লক্ষ করা গেছে।
৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মোট ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ জন ছাত্র। তাদের মধ্যে ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৭৫৬ জনই অকৃতকার্য হয়েছে, যার শতকরা হার ৪২ দশমিক ১৪ শতাংশ। বিপরীতে ৯ লাখ ১১ হাজার ৭৯১ জন ছাত্রী পরীক্ষা দিয়ে অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৩ লাখ ৩ হাজার ৮৫২ জন, যার হার ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। ফলে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় সমান হলেও মেয়েদের তুলনায় ৮২ হাজার ৯০৪ জন বেশি ছাত্র অকৃতকার্য হয়েছে।
বোর্ডভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের তুলনায় মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর হার শতকার হিসেবে অনেক বেশি। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৪ লাখ ৪ হাজার ৫৩৯ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫ লাখ ৫ হাজার ৩২৯ জন শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি, যা মোট শিক্ষার্থীর ৩৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ। অন্যদিকে, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে দাখিল পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণের হার সবচেয়ে বেশি; এখানে ২ লাখ ৯৬ হাজার ৯৮২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ লাখ ৩২ হাজার ১৮৫ জনই অকৃতকার্য হয়েছে। এই বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৫১ শতাংশ পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ২৭ হাজার ৯৬৪ জন ভোকেশনাল পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৫৩,০৯৫ জন শিক্ষার্থী, যা মোট পরীক্ষার্থীর ৪১ দশমিক ৫০ শতাংশ।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পূর্ণ সিলেবাস ও পূর্ণ নম্বরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ২০ মে পর্যন্ত চলে পরীক্ষা। সারা দেশে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্র এবং ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
১ ঘণ্টা আগে
এসএসসি পরীক্ষা: পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে মেয়েরা এগিয়ে
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবারও পাসের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ। আর ছাত্রদের পাসের পার ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতেও এগিয়ে ছাত্রীরা। এ বছর মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। তাদের মধ্যে ছাত্রী ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন এবং ছাত্র ৫২ হাজার ৭৮০ জন।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ ফল ঘোষণা করেন।
এবার পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ১১ হাজার ৭৯১ জন। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ছাত্রের সংখ্যা ছাত্রীদের চেয়ে ৫ হাজার ৯০৩ জন বেশি।
তবে উত্তীর্ণের সংখ্যায় মেয়েরা অনেক এগিয়ে। এবার ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ জন ছাত্র এবং ৬ লাখ ৭ হাজার ৯৩৯ জন ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছে। অর্থাৎ ছেলেদের চেয়ে ৭৭ হাজার ১ জন বেশি মেয়ে পাস করেছে।
জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। এবার ৫২ হাজার ৭৮০ জন ছাত্র এবং ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে। অর্থাৎ জিপিএ-৫ পাওয়া ছাত্রীর সংখ্যা ছাত্রদের চেয়ে ১১ হাজার ১১৬ জন বেশি।
৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বিভাগভিত্তিক ফলাফলেও মেয়েদের এগিয়ে থাকার চিত্র দেখা গেছে। বিজ্ঞান বিভাগে ছাত্রদের পাসের হার ৭৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ, আর ছাত্রীদের ৮৩ দশমিক ৭০ শতাংশ। মানবিক বিভাগে ছাত্রদের পাসের হার ৪১ দশমিক ১৪ শতাংশ, ছাত্রীদের ৫৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ছাত্রদের পাসের হার ৫৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ, আর ছাত্রীদের ৬৯ দশমিক ৯২ শতাংশ।
অর্থাৎ তিনটি বিভাগেই মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে বেশি হারে উত্তীর্ণ হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ব্যবধান মানবিক বিভাগে—এখানে ছাত্রীদের পাসের হার ছাত্রদের চেয়ে ১৩ দশমিক ২৪ শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি।
সামগ্রিকভাবে এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ফলে এক বছরের ব্যবধানে সামগ্রিক পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশীয় পয়েন্ট।
এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। অর্থাৎ এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।
২ ঘণ্টা আগে
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের চেয়ে এবার পাসের হার কমেছে।
গত বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১ বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সেই হিসেবে এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ ফল ঘোষণা করেন।
এ সময় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করেন।
ঘোষিত ফল অনুযায়ী, এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী, যা গত বছরের তুলনায় ২২ হাজার ৩৫৬ কম।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ, এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৬ হাজার ৯ জন।
এবার সর্বোচ্চ পাসের হার ঢাকা বোর্ডে ৭১.৬৩ শতাংশ। এরপর রয়েছে যশোর বোর্ডে ৬৬.২৭ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫৯.৪৮শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৫৮.৩৩ শতাংশ, রাজশাহী বোর্ডে ৬৩.৬৭ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৫৮.০৫ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৬৫.৪২ শতাংশ, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫৭.৩৯ শতাংশ এবং সবচেয়ে কম পাসের হার বরিশাল বোর্ডে ৬০.৩৫ শতাংশ।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭১৬ জন।
আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৯৫১ পরীক্ষার্থী।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ জন ছাত্র পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ জন। ছাত্রদের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
অন্যদিকে, ৯ লাখ ১১ হাজার ৭৯১ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬ লাখ ৭ হাজার ৯৩৯ জন। ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ।
অর্থাৎ ছাত্রদের তুলনায় ৭৭ হাজার ১ জন বেশি ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হারেও ছাত্রদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে।
এছাড়া, নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষায় মোট ১৪ লাখ ৪ হাজার ৫৩৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৬২ হাজার ৬৬৩ জন এবং ছাত্রী ৭ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৬ জন।
ছাত্রদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৮১৪ জন এবং ছাত্রীদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ লাখ ৩ হাজার ৭৯৬ জন। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ।
ছাত্রদের পাসের হার ৫৯ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৬৭ দশমিক ৯১ শতাংশ।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের গ্রুপভিত্তিক ফলে বিজ্ঞান বিভাগে ছাত্রদের পাসের হার ৭৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৮৩ দশমিক ৭০ শতাংশ।
মানবিক বিভাগে ছাত্রদের পাসের হার ৪১ দশমিক ১৪ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৫৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ।
ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ছাত্রদের পাসের হার ৫৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৬৯ দশমিক ৯২ শতাংশ।
বিদেশের নয়টি কেন্দ্রে মোট ৪০২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩৫৪ জন এবং অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৪৮ জন। পাসের হার ৮৮ দশমিক ০৬ শতাংশ।
প্রকাশিত ফলাফলের তথ্যমতে, বিদেশের দুটি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। একটি প্রতিষ্ঠানে কোনো পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়নি। এসব কেন্দ্রে কোনো পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জুলাই মাসে দেশব্যাপী প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার কারণে কিছু বোর্ডের পরীক্ষকদের উত্তরপত্র মূল্যায়নে বিলম্ব হয়। এ কারণে এবার ফল প্রকাশে কিছুটা দেরি হয়েছে।
এবারই প্রথম পরীক্ষার্থীরা অনলাইনের পাশাপাশি শিক্ষা বোর্ডগুলোর নিজস্ব শর্ট কোড ১৬১৪০-এর মাধ্যমে এসএমএসে ফল জানতে পারবে।
এর আগে, গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হলেও প্রকাশ-সংক্রান্ত প্রস্তুতি সময়মতো শেষ না হওয়ায় তা পিছিয়ে দেওয়া হয়।
চলতি বছরের এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।
নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিল ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পরিচালনার জন্য সারা দেশে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্র এবং ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্ধারণ করা হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে