খুলনা
কুষ্টিয়ায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ৪ দিন পর তরুণীর মৃত্যু, সাবেক স্বামী আটক
কুষ্টিয়ায় ভেড়ামারায় অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তমা খাতুন (২০) নামের এক তরুণী চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের সাবেক স্বামী আবু বক্করকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ওই তরুণীর মৃত্যু হয়।
তমা খাতুন ভেড়ামারার ফকিরাবাদ বখশিপাড়া এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে গোলাপনগর এলাকা থেকে ফকিরাবাদ বখশিপাড়ায় বাড়িতে ফিরছিলেন তমা। এ সময় রাস্তায় একটি মোটরসাইকেলের আরোহী তার গতিরোধ করে তাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায়।
স্থানীয়দের ধারণা, কোনো অজ্ঞাত স্থানে তাকে নিয়ে গিয়ে অন্তত ৪-৫ জনের সংঘবদ্ধ একটি দল উপর্যুপরি ধর্ষণ করে পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে। এরপর সেদিন দিবাগত রাত ১২টার দিকে বখশিপাড়ার নির্জন মোড়ে তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।
পরে রাত সাড়ে ১২টার পর পরিবারের সদস্যরা ওই তরুণীকে উদ্ধার করে রাত একটার দিকে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন। কিন্তু সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে রাতেই তাকে রামেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে ৪ দিন চিকিৎসা শেষে গতকাল (শুক্রবার) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় অপহরণের পরদিন নিহতের মা কাজলী খাতুন বাদী হয়ে ভেড়ামারা থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহত তমার দেড় বছর আগে বিয়ে হয় গোলাপনগর এলাকার আবু বক্করের সঙ্গে। তবে গত দেড় মাস আগে তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়।
তাদের ধারণা, তমাকে অপহরণ করে পাশবিক নির্যাতনের ঘটনায় সাবেক স্বামী বক্করের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
ভেড়ামারা থানা পুলিশ ইতোমধ্যে তার স্বামীকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।
নিহত তমার মামাতো ভাই হাবিবুর রহমান হাবিব জানিয়েছেন, তমা অত্যন্ত ভালো একটা মেয়ে। ১৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর গোলাপনগর বাজার থেকে তাকে অপহরণ করা হয়। ৪ জনের সংঘবদ্ধ একটি দল উপর্যুপরি ধর্ষণ শেষে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে ফেলে দেয় বাড়ির পাশের একটি নির্জন মোড়ে। এর চার দিন পর রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে ভেড়ামারা থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান হাবিব।
ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে নিহত তমার সাবেক স্বামী আবু বক্করকে আটক করা হয়েছে। থানায় তাকে জিজ্ঞেসাবাদ চলছে।
২৬ মিনিট আগে
খুলনায় ডেঙ্গু ও হামে মৃত্যু বেড়ে ৭৭, আক্রান্ত ২১,৭৬১
খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু ও হামের প্রকোপ বেড়েই চলেছে। চলতি বছরের শুরু থেকে গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু ও হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ২১ হাজার ৭৬১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ের মধ্যে বিভাগে ডেঙ্গু ও হামে মোট ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তরের পরিচালক ডা. শেখ মো. মোশাররফ হোসেন স্বাক্ষরিত সর্বশেষ আলাদা দুটি প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে নতুন করে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে এ সময়ে ডেঙ্গুতে নতুন করে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। চলতি বছরে হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে এ পর্যন্ত ৮ হাজার ৭১৫ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। আর উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৪৫ জনকে অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে।
জেলা-ভিত্তিক হিসাবে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন খুলনায়। জেলায় এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৮৩১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ পর্যন্ত ২ হাজার ১৫১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন, যার মধ্যে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
অন্যদিকে, বাগেরহাটে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৫৭৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। যশোরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন ৯৬২ জন (মৃত্যু ২ জন), চুয়াডাঙ্গায় ৬২ জন (মৃত্যু ১ জন), নড়াইলে ৩৫৭ জন, ঝিনাইদহে ২০২ জন, মাগুরায় ২০১ জন, কুষ্টিয়ায় ২০৮ জন এবং মেহেরপুরে ১৫৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। সাতক্ষীরা জেলায় ২২০ জন এবং সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৯৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুর নতুন রোগী ভর্তির হিসাবেও খুলনা এগিয়ে রয়েছে। এ সময়ে খুলনা জেলায় ৩৯ জন, বাগেরহাটে ১৩ জন, মেহেরপুরে ৭ জন, সাতক্ষীরা জেলায় ৬ জন, যশোরে ৬ জন, নড়াইলে ৬ জন এবং সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।
অপরদিকে, খুলনা বিভাগে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৬৪২ জনে। এর মধ্যে ৩৭৩ জন নিশ্চিত হামে আক্রান্ত। এ সময়ে হামের উপসর্গে মারা গেছে ৪২টি শিশু।
জেলা-ভিত্তিক তথ্যে জানা যায়, খুলনা জেলায় সন্দেহজনক হাম রোগী ২ হাজার ৪৩ জন (নিশ্চিত ৪৭ জন, মৃত্যু ২২টি শিশু), কুষ্টিয়ায় ২ হাজার ৭৯১ জন (নিশ্চিত ২৩ জন, মৃত্যু ১৩ জন), ঝিনাইদহে ৯৭৯ জন (নিশ্চিত ১৭ জন, মৃত্যু ৫ জন), চুয়াডাঙ্গায় ৫৭৭ জন (মৃত্যু ১ জন) এবং মেহেরপুরে ৬৭৫ জন (নিশ্চিত ১০ জন, মৃত্যু ১ জন)।
এছাড়া যশোরে ৮৭৪, নড়াইলে ৮৪০, বাগেরহাটে ৭৮১ এবং সাতক্ষীরায় ৩৪৫ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি আক্রান্ত ও সন্দেহজনক রোগীদের চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
১ ঘণ্টা আগে
খুলনায় চুরির অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
খুলনায় চুরির অপবাদে আজমল নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দেওয়া কয়েকজন ব্যক্তি তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে চিকিৎসা শুরুর অল্প সময়ের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়।
হাসপাতালে ভর্তির সময় তার পরিচয় হিসেবে নাম আজমল, বাবার নাম কুতুব এবং ঠিকানা গল্লামারি, হরিণটানা, খুলনা উল্লেখ করা হয়েছে।
হাসপাতালের কর্তব্যরত ওয়ার্ডবয়ের তথ্য অনুযায়ী, আজমলকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা জানান, চুরির অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছিল। তাদের ভাষ্য ছিল, চুরি করতে গিয়ে খুলনার একটি ভবনের চারতলা থেকে আটকের ভয়ে লাফ দিয়ে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি।
হাসপাতালে নেওয়ার পর আজমলকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া শুরু করা হয়। তবে ১০ মিনিটের মধ্যেই কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। তার মৃত্যুর কথা জানার পর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিরা সেখান থেকে পালিয়ে যান।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আজমলের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। বিশেষ করে হাত ও পায়ে বিভিন্ন দাগ ছিল। এছাড়া তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়েছিল। এসব আলামতকে ঘিরে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
খুলনার হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন জানান, এ ঘটনার তদন্ত চলছে। তবে এখনও এ বিষয়ে কোনো মামলা হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়ায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল ভাঙচুর, দুই চিকিৎসক আহত
কুষ্টিয়ার মিরপুরে পানিতে ডুবে তিন বছরের এক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দুই চিকিৎসক আহত হয়েছেন। এতে হাসপাতালের জরুরি চিকিৎসাসেবায় সাময়িক অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের নওদাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুর নাম রাফি (৩)। সে ওই গ্রামের সাব্বির হোসেনের ছেলে।
পুলিশ, পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ (শুক্রবার) সকালে বাড়ির পাশে পুকুরের পানিতে পড়ে যায় রাফি। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত মিরপুর ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত স্বজন ও স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি চিকিৎসকের কক্ষে ঢুকে তাদের অবহেলায় রকির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে অসদাচরণ করেন। পরে ১১ নম্বর মেডিকেল অফিসারের কক্ষসহ হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর চালানো হয়।
এ ঘটনায় ডা. আব্দুস সামাদ ও ডা. জান্নাতুল রিয়া নামে দুই চিকিৎসক আহত হয়েছেন।
ঘটনার খবর পেয়ে মিরপুর থানা পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহতের পরিবারের দাবি, চিকিৎসকের অবহেলার কারণে রকির মৃত্যু হয়েছে। তবে চিকিৎসকের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও ভাঙচুরের ঘটনা অস্বীকার করেছেন তারা।
হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. জান্নাতুল রিয়া বলেন, স্বজনদের প্রিয়জন হারানোর বেদনা আমরা সহানুভূতির সঙ্গে দেখি। তবে হাসপাতালে জরুরি সেবাকেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা চিকিৎসাসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।
এদিকে, ভাঙচুরের পর হাসপাতাল পরিদর্শন করেন মিরপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার টিপু সুলতান ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম আলী।
মিরপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা (এসআই) আব্দুল আজিজ বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তসহ গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
প্রায় ৪ বছর পর গড়াই নদীর বুকে ফিরল ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ, উৎসবে মাতল কুষ্টিয়া
প্রায় চার বছর পর কুষ্টিয়ার গড়াই নদীর বুকে আবারও ফিরেছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ। সারি-সারি নৌকা, মাঝিদের ছন্দময় বৈঠার টান আর তীরে লাখো দর্শকের উচ্ছ্বাসে উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে নদীর দুই পাড়।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকেই তিন দিনব্যাপী নৌকাবাইচকে ঘিরে কুষ্টিয়ার ঘোড়াই ঘাট থেকে হরিপুর ব্রিজ এলাকা পর্যন্ত সৃষ্টি হয় উৎসবের আমেজ।
দুপুর থেকেই বিভিন্ন বয়সী মানুষ নৌকাবাইচ দেখতে নদীর তীরে জড়ো হতে থাকেন। কেউ পরিবার নিয়ে, কেউবা বন্ধুদের সঙ্গে ছুটে আসেন এ আয়োজন উপভোগ করতে।
বিকেল ৪টার সময় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিযোগিতা শুরু হয়। নৌকা নদীর বুকে ছুটে চলার সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের মধ্যেও দেখা যায় ব্যাপক উচ্ছ্বাস। প্রিয় দলের নৌকা এগিয়ে গেলে তীর থেকে করতালি ও স্লোগানে মাঝিদের উৎসাহ দেন দর্শকরা। মাঝিদের বৈঠার ছন্দ, নৌকার গতির সঙ্গে দর্শকদের উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে গড়াই নদীর পাড়।
নৌকাবাইচকে কেন্দ্র করে নদীর তীরে বসেছে গ্রামীণ মেলাও। মেলায় দেশীয় খাবার, খেলনা ও বিভিন্ন ধরনের সামগ্রীর পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। শিশু-কিশোরদের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মেলায় ঘুরতে দেখা যায় অনেককে।
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নবাসীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ও কয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইমরান হোসেন ইউনুসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সোহবার উদ্দিন।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা। প্রধান বক্তা ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম বিপ্লব, কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোজাক্কির রহমান রাব্বি, কুষ্টিয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক মুক্তমঞ্চ পত্রিকার সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শরিফ প্রমুখ।
এছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
মৃত্যুর ১৭ দিন পর দেশে ফিরল যশোরের প্রবাসী যুবকের মরদেহ
মালয়েশিয়া প্রবাসী উজ্জ্বল হোসেন নামের যশোরের শার্শা উপজেলার এক যুবকের মরদেহ মৃত্যুর ১৭ দিন পর দেশে ফিরেছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে মালয়েশিয়া থেকে একটি ফ্লাইটে তার কফিনবন্দি মরদেহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছালে পরিবারের সদস্যরা তা গ্রহণ করেন।
আজ (শুক্রবার) সকাল ৮টার দিকে কফিনে করে তার মরদেহ উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে পৌঁছায়।
উজ্জ্বল হোসেন ওই গ্রামের লিয়াকত আলীর ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পরিবারের অভাব-অনটন দূর করতে এবং একটু সুখের আশায় ২০১৫ সালে জীবিকার সন্ধানে মালয়েশিয়া পাড়ি জমান উজ্জ্বল। কিন্তু সেই স্বপ্নের পথ শেষ হলো নিথর দেহে কফিনবন্দি হয়ে দেশে ফিরে।
এর আগে, দীর্ঘ আট বছর প্রবাসজীবন কাটিয়ে ২০২৩ সালে দেশে আসেন তিনি। এরপর বিয়ে করেন। নতুন সংসারের স্বপ্নে তখন রঙিন হয়ে ওঠে জীবন। কিন্তু সেই সুখ বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। বিয়ের মাত্র তিন মাস পরই স্ত্রীকে রেখে আবারও মালয়েশিয়ায় ফিরে যেতে হয় উজ্জ্বলকে।
মালয়েশিয়ায় যাওয়ার প্রায় তিন বছর পর গত ১৫ দিন আগে হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হন উজ্জ্বল। সহকর্মীরা তাকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মালয়েশিয়ার সুলতানা আমিনা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১ সেপ্টেম্বর মারা যান তিনি। তার মৃত্যুর পর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় লাগে।
স্বজনেরা বলেন, দূতাবাসের সহায়তায় আমরা তার মরদেহ দেশে আনতে পেরেছি। আজ সকাল ১১টায় স্থানীয় ঈদগাহ মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বজন, প্রতিবেশীসহ স্থানীয় লোকজন অংশ নেন। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়।
নিহতের স্বজন আরিফুল ইসলাম জানান, তার মৃত্যুতে পরিবার অনেকটা ভেঙে পড়েছে। এই শোক কীভাবে কাটাব তা বুঝতে পারছি না।
বেনাপোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, উজ্জ্বলের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে আসার খবর পেয়ে আমরা সেখানে পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছি। তার মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়ায় বজ্রাঘাতে নিহত ২, হাসপাতালে আরও ২
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর ও সদর উপজেলায় বজ্রাঘাতে দুজন নিহত ও দুজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামে বাড়ির পাশে বিলের ধারে বসে থাকা অবস্থায় বজ্রাঘাতে আরোজ আলী (৩০) নামের একজন মারা যান। তিনি ওই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, দুপুর ১২টার পর থেকে দৌলতপুরের আকাশে কালো মেঘ জমতে শুরু করে। একপর্যায়ে মুষলধারে বৃষ্টির সঙ্গে মেঘের প্রচণ্ড গর্জন শুরু হয়। ওই সময় আরোজ আলী বাড়ির পাশে বিলের ধারে বসে ছিলেন। আকস্মিক বজ্রাঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন।
বজ্রপাতের শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল হাসান তুহিন জানান, এদিন দুপুর ২টার দিকে আরোজ আলী নামের ওই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে উল্লেখ করে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তিনি বজ্রাঘাতেই মারা গেছেন।
অন্যদিকে বেলা আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের দহকোলা মাঠে কাজ করার সময় আকস্মিক বজ্রাঘাতে একজন নিহত ও দুজন গুরুতর আহত হন।
তাদের দ্রুত উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসাধীন মো. রওশন আলী নুশু (৪৫) মারা যান।
নিহত রওশন দহকোলা কারিগরপাড়ার মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে।
আহত কারিগরপাড়ার মৃত হারেজ আলীর ছেলে সমেজ আলী ও জোতপাড়ার মৃত ছলিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুল জলিল বর্তমানে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাকির হোসেন বজ্রাঘাতে হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১ দিন আগে
ভারতে যাওয়ার চেষ্টাকালে মেহেরপুর জেলা আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার
মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টাকালে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা জয়নগর চেকপোস্টে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ইমিগ্রেশন পুলিশের সন্দেহ হলে তার ভিসা ও পাসপোর্ট নম্বর যাচাই-বাছাইয়ের সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এম এ খালেক মেহেরপুরের গাংনী বাজারের থানা রোড এলাকার বাসিন্দা। তার পাসপোর্ট নম্বর এ০০৭৮৭৭৬৫ এবং ভিসা নম্বর ভিএন৩৫৯২৪০৬। ভিসাটি ‘মেডিকেল ভিসা’ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।
দর্শনা ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এম এ খালেকের বিরুদ্ধে গাংনী থানায় মামলা রয়েছে। মামলাটি বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ১৫(৩)/২৫ডি ধারায় করা হয়েছে।
এর আগে, ২০২৫ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগে করা একটি মামলায় এম এ খালেককে প্রধান আসামি করা হয়। ওই মামলায় গত ২৪ অক্টোবর মেহেরপুর গাংনী উপজেলা শহরের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছিল র্যাব। পরে উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। আজ হঠাৎ করে মেডিকেল ভিসা নিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় গ্রেপ্তার করা হয় তাকে।
দর্শনা ইমিগ্রেশন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) তুহিন মিয়া গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তাকে মেহেরপুরের গাংনী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
১ দিন আগে
ঝিনাইদহে বন্দুকসহ ‘সন্ত্রাসী’ আবু সাইদ গ্রেপ্তার
ঝিনাইদহে হরিণাকুণ্ডু এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত আবু সাইদকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এ সময় তার হেফাজত থেকে একটি ওয়ান শুটার গান জব্দ করা হয়।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঝিনাইদহ সদর থানায় আবু সাইদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে একটি নতুন মামলা হয়েছে।
এর আগে গতকাল (মঙ্গলবার) রাত ১২টার দিকে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মহিষকুণ্ডু মাঠপাড়ার একটি ভাড়া বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আবু সাইদ হরিণাকুণ্ডু উপজেলার পারদখলপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মহিষকুণ্ডু মাঠপাড়ায় বাসা ভাড়া নিয়ে আত্মগোপনে বসবাস করছিলেন।
ঝিনাইদহ গোয়েন্দা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহিষকুণ্ডু এলাকায় এক চিহ্নিত সন্ত্রাসী অবৈধ অস্ত্রসহ অবস্থান করছে, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার গভীর রাতে ডিবি পুলিশের একটি দল ওই ভাড়া বাড়িতে অভিযান চালায়। স্থানটি ঘেরাও করে তল্লাশি চালানোর একপর্যায়ে আবু সাইদের কাছ থেকে একটি অবৈধ ওয়ান শুটার গান উদ্ধার করা হয়। পরে সেটি আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঝিনাইদহ জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম জানান, ‘গ্রেপ্তার আবু সাইদ এলাকার একজন দুর্ধর্ষ ও পরিচিত সন্ত্রাসী। তিনি হরিণাকুণ্ডু অঞ্চলে নিজস্ব বাহিনী গড়ে তুলে বিভিন্ন অপরাধ চেইন নিয়ন্ত্রণ করতেন। পুলিশের রেকর্ডে তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি ও একাধিক অস্ত্র মামলাসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধের তথ্য রয়েছে। তার হেফাজত থেকে ১টি ওয়ান শুটার গান উদ্ধার করা হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার আবু সাইদের বিরুদ্ধে আজ (বুধবার) ঝিনাইদহ সদর থানায় অস্ত্র আইনে একটি নতুন মামলা করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে বুধবার বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
২ দিন আগে
সাতক্ষীরায় নকল কীটনাশক কারখানায় র্যাবের অভিযান, ডিলারের কারাদণ্ড-জরিমানা
সাতক্ষীরার তালায় অনুমোদনহীনভাবে নকল কীটনাশক ও কৃষিপণ্য তৈরির একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ লিটার কীটনাশক তৈরির তরল ও ৮৭০ কেজি নকল কৃষিপণ্য তৈরির উপকরণ উদ্ধার করেছে র্যাব। এ ঘটনায় বিসিআইসির খুচরা সার ডিলার মশিয়ার রহমানকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার লাউতাড়া গ্রামে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মশিয়ার রহমানকে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মশিয়ার রহমানের কারা ও অর্থদণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা র্যাব জানায়, মশিয়ার রহমান দীর্ঘদিন ধরে ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে অনুমোদনহীনভাবে কীটনাশক তৈরি করে বিভিন্ন লেবেলে বাজারজাত করে আসছিলেন। অভিযানে কীটনাশক তৈরির ৯০০ লিটার তরল ছাড়াও ৮৭০ কেজি নকল কৃষিপণ্য তৈরির উপকরণ, বোতল ও লেবেল উদ্ধার করা হয়।
২ দিন আগে