রাষ্ট্রপতির-কার্যালয়
গঠনমূলক সমালোচনা, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি
মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার (৭ অক্টোবর) হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (এইচএসটিইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এনামুল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতন্ত্রের বিকাশকে ব্যাহত করে।’
বৈঠকে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দের বিষয়টিও রাষ্ট্রপতিকে জানান।
শিক্ষক পদে শূন্য পদ পূরণ, ছাত্রীদের আবাসন সংকট নিরসনসহ অন্যান্য বিষয়ে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন উপাচার্য।
এ সময় রাষ্ট্রপতি প্রতিনিধিদলকে এসব সমস্যা সমাধানে তার সহযোগিতার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে দেশের তুলনামূলকভাবে কম উন্নত উত্তরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি শিক্ষার মান বজায় রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানান তিনি।
এছাড়া উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতিকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানালে তিনি তা গ্রহণ করেন।
বৈঠকে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিবের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ ও রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
গণতন্ত্রের জন্য অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন ও বিরোধীদের পরিসর জরুরি: রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে ধাপে ধাপে গণতন্ত্রের সংস্কৃতি গড়ে ওঠে। সেই সঙ্গে তিনি গণতন্ত্রকে কার্যকর করতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন এবং বিরোধী দল ও রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের পর্যাপ্ত পরিসর দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রবিবার (৪ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎ শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে ধাপে ধাপে গণতন্ত্রের সংস্কৃতি গড়ে ওঠে। এ জন্য অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অপরিহার্য।’
গণতন্ত্রকে কার্যকর করতে বিরোধী দল ও রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের পর্যাপ্ত পরিসর দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, ‘এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। গণতন্ত্রকে তার নিজস্ব গতিতে কার্যকরভাবে চলতে দিতে হবে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু দেশের শীর্ষ বিদ্যাপীঠই নয়, বাংলাদেশের রাজনীতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিরও কেন্দ্রবিন্দু।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার মান আরও উন্নত করে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন ৫৪তম সমাবর্তনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান উপাচার্য ওবায়দুল ইসলাম। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন, তিনি সমাবর্তনে উপস্থিত থাকবেন।
সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ উপস্থিত ছিলেন।
৪ দিন আগে
বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীনের সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চীনকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। সাক্ষাৎ শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাংবাদিকদের এ বিষয়ে জানান।
রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় চীনের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সংকট সমাধান ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে চীনের উদ্যোগ অবদান রাখবে।
এছাড়া তিনি তৈরি পোশাক, বৈদ্যুতিক যানবাহন, হালকা প্রকৌশল, উচ্চপ্রযুক্তির ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর, সৌরবিদ্যুৎসহ বিভিন্ন খাতে চীনের সহযোগিতা ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।
কুনমিং-চট্টগ্রাম করিডোর এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোরসহ আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে চীন ও অন্যান্য অংশীদারের সঙ্গে কাজ করতে বাংলাদেশ প্রস্তুত।
সেই সঙ্গে মংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ এবং চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রতিষ্ঠাকে যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়ন, শিল্পায়ন ত্বরান্বিত ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বর্ণনা করেন।
তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখারও আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের অবদানের প্রশংসা করে মির্জা ফখরুল চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও কৌশলগত অংশীদার হিসেবে বর্ণনা করেন।
১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চীন সফর এবং ২০২৬ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ ও তরুণ নেতা এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিজের চীন সফরের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এ ধরনের সফর ও বিনিময় দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও গভীর ও শক্তিশালী করেছে।
আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও সুসংহত হবে বলেও রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন। সেই সঙ্গে এক হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণ ও অর্থায়নের জন্য চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান রাষ্ট্রপতি।
এ সময় তিনি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) জটিল রক্তের ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় চীনের বিশেষজ্ঞ জ্ঞান ও প্রযুক্তিগত সহায়তাও চান। চীনের রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সাফল্য কামনা করেন রাষ্ট্রপতি। বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারে তার অবদান বাংলাদেশ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে বলেও জানান তিনি।
সাক্ষাতের সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি চিফ অব মিশন ড. লি ইউয়িন।
৮ দিন আগে
বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বঙ্গভবনে এটি ছিল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সাক্ষাৎ।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি তাকে স্বাগত জানান। পরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিবসহ কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় বলে বঙ্গভবনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তার যুক্তরাষ্ট্র সফর, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন ও সফরের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন, যার মধ্যে ছিল অধিবেশনের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, জাতিসংঘের মহাসচিব ও শীর্ষ কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিদের সঙ্গে তার বৈঠক।
রাষ্ট্রপতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি ভাষণটিকে ‘দূরদর্শী, দৃঢ়প্রত্যয়ী ও দিকনির্দেশনামূলক’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ভাষণটিতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে এবং গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানও সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুসংহত ও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি জনস্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এছাড়া দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রেও তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখেছে।
এ সময় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
বঙ্গভবনে সাক্ষাৎ করতে আসায় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি।
৯ দিন আগে
এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর পর্যটন খাত গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সমন্বয়ে পর্যটন শিল্পকে প্রযুক্তিনির্ভর করে বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারি-বেসরকারি সব অংশীজনকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে গতকাল (শনিবার) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্বব্যাপী নতুন নতুন উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে পর্যটন খাতও প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশ্বব্যাপী পর্যটনের কাঠামো, ব্যবস্থাপনা ও সেবাদানের ধরন বদলে দিচ্ছে। ভ্রমণ পরিকল্পনা, তথ্যপ্রাপ্তি, যাতায়াত ও আবাসনসহ সর্বত্র এর প্রভাব বিস্তৃত হচ্ছে।
এ প্রেক্ষাপটে এ বছরের বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’-কে সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশে পর্যটন একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় খাত। কক্সবাজারের দীর্ঘ সমুদ্রসৈকত, সুন্দরবনের বৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন, সিলেটের চা-বাগান, সেন্টমার্টিন দ্বীপ, বান্দরবানের সাজেক ভ্যালি, নীলগিরি, নীলাচল, রাঙামাটির কাপ্তাই লেক, জাফলংয়ের পাহাড়ি ঝরনা, বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ, হাওরের বিস্তীর্ণ জলরাশি, সবুজ পাহাড়, বৌদ্ধবিহার, অজস্র নদ-নদী, সবুজ ফসলের মাঠ, ষড়ঋতুর সৌন্দর্য, মানুষের উষ্ণ আতিথেয়তা এবং সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য মিলিয়ে বাংলাদেশ পর্যটকদের জন্য এক অনন্য গন্তব্য।
তিনি আরও বলেন, পর্যটন খাত দেশের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য বিমোচনে শক্তিশালী নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।
রাষ্ট্রপতি জানান, সরকার পর্যটন খাতকে দীর্ঘমেয়াদি, টেকসই ও পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’ প্রণয়নের কাজ চলছে।
প্রত্যেক জেলার পর্যটন উপযোগিতা বিবেচনায় স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিভিত্তিক পর্যটন সুবিধা সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, জাতীয় পর্যটন নীতিমালা হালনাগাদ ও আধুনিক পর্যটন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নির্মাণের পাশাপাশি ইকো ট্যুরিজম ও কমিউনিটি ট্যুরিজমের বিকাশে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে সরকারের চলমান উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে পর্যটনের ডিজিটাল রূপান্তরও ত্বরান্বিত হবে। অনলাইন বুকিং, ডিজিটাল পেমেন্ট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক তথ্যসেবা বাংলাদেশের পর্যটন গন্তব্যগুলোকে আরও সহজলভ্য, নিরাপদ ও আকর্ষণীয় করে তুলবে।
পরিবেশের ভারসাম্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রেখে পর্যটন শিল্পের ডিজিটাল ও টেকসই রূপান্তরকে সম্মিলিত অঙ্গীকার হিসেবে নেওয়ার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
তিনি ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
১২ দিন আগে
অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়কে পেশাদারত্ব ও জবাবদিহিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবিধানের মর্যাদা, আইনের শাসন ও দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সমুন্নত রেখে নিষ্ঠা, পেশাদারত্ব ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান।
এছাড়া তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম এবং রাষ্ট্রের স্বার্থ ও আইনি অধিকার সুরক্ষায় নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও পদক্ষেপ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
এ সময় রাষ্ট্রের আইনি স্বার্থ সুরক্ষা, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, নাগরিকদের অধিকার রক্ষা এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করার বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।
মির্জা ফখরুল দায়িত্ব পালনে অ্যাটর্নি জেনারেলকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম উপস্থিত ছিলেন।
১৫ দিন আগে
কর্মসংস্থান বাড়াতে কর্মমুখী শিক্ষায় জোর রাষ্ট্রপতির
দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও কারিগরি শিক্ষার ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য তার বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, বেকারত্ব তৈরি করে এবং শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের জন্য প্রস্তুত করে না—এমন শিক্ষাব্যবস্থা থেকে আমাদের ধীরে ধীরে সরে আসতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার মান উন্নত করতে হবে, যাতে দেশের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে যেতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আসন্ন সমাবর্তনে যোগ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান উপাচার্য। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ উপস্থিত ছিলেন।
১৬ দিন আগে
কোস্ট গার্ডকে কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপকূলীয় এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি মাদক চোরাচালান ও মানবপাচার রোধে কোস্ট গার্ডকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাংবাদিকদের এ সম্পর্কে জানান।
রাষ্ট্রপতি মৎস্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, পরিবেশ সুরক্ষা এবং পানিদূষণ রোধে কোস্ট গার্ডের কার্যক্রম আরও জোরদারের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, দেশের বিস্তৃত উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রসীমা সুরক্ষায় কোস্ট গার্ডকে আধুনিক ও দক্ষ বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এ লক্ষ্যে বাহিনীটিকে আধুনিকায়ন এবং সদস্যদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলেও জানান মির্জা ফখরুল বলেন।
দেশের সমুদ্রসীমায় অবৈধ মাছ ধরার বিরুদ্ধেও কোস্ট গার্ডকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
বৈঠকে কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক বাহিনীর সার্বিক কার্যক্রম ও অগ্রগতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে নতুন টহল নৌযান ও আধুনিক উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার সংগ্রহ এবং একটি এভিয়েশন উইং প্রতিষ্ঠার অগ্রগতির কথাও জানান তিনি।
দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক। রাষ্ট্রপতি বাহিনীর উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
বৈঠকে রাষ্ট্রপতির সচিব ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১৮ দিন আগে
বাংলাদেশিদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, কর্মী, শিক্ষার্থী ও পর্যটকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতে ভিয়েতনামের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে নিযুক্ত ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত গুয়েন ম্যানহ কুঅং বঙ্গভবনে বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে ভিয়েতনামের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান।
তিনি আরও বলেন, ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা হলে দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বাড়বে এবং ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সহযোগিতা ও অংশীদারত্বের সুযোগ সম্প্রসারিত হবে। এর মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি দুই দেশের উন্নয়নের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।
অন্যদিকে ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত দুই দেশের রাজধানীর মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালু, অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়ন ও উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া ভিয়েতনামের রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ভিয়েতনাম সফরের আমন্ত্রণ জানান তিনি। রাষ্ট্রপতি এ আমন্ত্রণের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান।
মির্জা ফখরুল ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে ভিয়েতনাম সফরের কথা স্মরণ করে সে সময় তার প্রতি প্রদর্শিত উষ্ণ আতিথেয়তার কথা উল্লেখ করেন। দুই দেশের জনগণের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ভবিষ্যতেও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারে ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করে দুই দেশের বাণিজ্যকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বাংলাদেশি ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক, সাইকেল, পাট ও পাটজাত পণ্যসহ অন্যান্য রপ্তানিযোগ্য পণ্য ভিয়েতনামে আরও বেশি আমদানির আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত গুয়েন ম্যানহ কুঅং মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান।
বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সফল কর্মকাল ও বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম সম্পর্ক জোরদারে তার অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, তিনি দেশে ফিরে যাওয়ার পরও দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা বাড়াতে ভূমিকা রাখবেন।
রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রদূতের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করেন এবং ভিয়েতনামের জনগণের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
বৈঠকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ভিয়েতনাম দূতাবাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২১ দিন আগে
রাসায়নিক সার-কীটনাশকের যথেচ্ছ ব্যবহার রোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
কৃষিতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের অতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কৃষকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, অধিকমাত্রায় ও অপ্রয়োজনীয় রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে মাটির স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের দীর্ঘমেয়াদি ভয়াবহ ক্ষতি হচ্ছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।
কৃষকদের এ বিষয়ে সজাগ ও সতর্ক করতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
সাক্ষাৎকালে তিনি টেকসই ও আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে গবেষণালব্ধ প্রযুক্তির মাঠপর্যায়ে কার্যকর প্রয়োগ, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং পরিবেশবান্ধব কৃষিচর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রপতি কৃষি শিক্ষা, গবেষণা ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমের মধ্যে আরও নিবিড় সমন্বয় প্রতিষ্ঠারও আহ্বান জানান।
এ সময় শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।
২৩ দিন আগে