রাষ্ট্রপতির-কার্যালয়
রাষ্ট্রপতির উপ-প্রেস সচিব ও সহকারী প্রেস সচিব নিয়োগ
তথ্য ক্যাডারের দুইজন কর্মকর্তাকে রাষ্ট্রপতির উপ-প্রেস সচিব এবং সহকারী প্রেস সচিব পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে তথ্য অধিদপ্তরের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা মোল্লা আহমদ কুতুবুদ-দ্বীনকে প্রেষণে রাষ্ট্রপতির উপ-প্রেস সচিব নিয়োগ দিয়ে তার চাকরি রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে ন্যস্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
একই আদেশে তথ্য অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা এস এম রাহাত হাসনাতকে প্রেষণে রাষ্ট্রপতির সহকারী প্রেস সচিব নিয়োগ দিয়ে তার চাকরিও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
মো. সরওয়ার আলম সচিব পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতির সচিবের দায়িত্বে আছেন। এবার নতুন করে রাষ্ট্রপতির প্রেস উইংয়ে দুইজন কর্মকর্তাকে যুক্ত করল সরকার।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতির প্রেস উইংয়ের সব কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বিএনপি সরকার গঠনের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের আগের প্রেস সচিব সরওয়ার আলমকে একই পদে নিয়োগ দেয়।
১১ দিন আগে
বিডিআর বিদ্রোহে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি
বিডিআর (বর্তমান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) বিদ্রোহে শহিদদের কবরে শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পন করে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।
এ বিষয়ে আজ (সোমবার) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রটোকল উইং থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় সেনা শহিদ দিবস উপলক্ষে সকাল ১০টায় রাষ্ট্রপতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
বিডিআর সদস্যদের আত্মত্যাগের প্রতি রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে শ্রদ্ধা জানাতে এই কর্মসূচি আয়োজন করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
৪০ দিন আগে
বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ করতে জাপানের প্রতি রাষ্টপতির আহ্বান
বাংলাদেশের অবকাঠামো, অটোমোবাইল, আইসিটিসহ উদীয়মান বিভিন্ন খাতে আরও বিনিয়োগ করতে জাপানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
বাংলাদেশে নবনিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি বুধবার (১৫ জানুয়ারি) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।
এদিন বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের পক্ষ থেকে নতুন রাষ্ট্রদূতকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
সাইদা শিনিচিকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, জাপান বাংলাদেশের একক সর্ববৃহৎ দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন অংশীদার। দুদেশের সম্পর্ক স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপে (কৌশলগত অংশীদারত্ব) উন্নীত হয়েছে।
সাক্ষাতকালে বিগ বি ইনিশিয়েটিভের অধীনে বাংলাদেশের উন্নয়নে ঋণ ও অনুদান হিসেবে জাপানের ২৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি সহায়তার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি এ সহযোগিতা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।
দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সন্তোষ প্রকাশ করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, জাপানের ৩৫০টির বেশি কোম্পানি বর্তমানে বাংলাদেশে কাজ করছে। বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি নিতে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে উদ্যোগ গ্রহণ করতে তিনি রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ জানান।
রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদানে জাপানের ভূমিকার প্রশংসা করে রোহিঙ্গারা যাতে নিরাপদে এবং সম্মানজনকভাবে নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে—সে বিষয়ে জাপান আগামীতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি।
এ সময় জাপানের রাজা, রানী ও রাজপরিবারের সদস্যদের বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান তিনি।
বাংলাদেশের বড় বড় অবকাঠামো খাতে জাপানের বিনিয়োগের কথা উল্লেখ করে জাপানের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত বলেন, আগামীতে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে আরও বিনিয়োগ করতে আগ্রহী জাপান। তিনি বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আদিল চৌধুরী, প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এবং পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
৪৪৫ দিন আগে
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
বড়দিন উপলক্ষে বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) বঙ্গভবনে খ্রীস্ট ধর্মাবলম্বী বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ আহ্বান জানান।
বড়দিন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও তার সহধর্মিনী ড. রেবেকা সুলতানা খ্রীস্ট ধর্মাবলম্বীদের সম্মানে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ, ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রদূত কেভিন এস র্যান্ডেল ও রাষ্ট্রপতির সচিবরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বড়দিন উপলক্ষে অতিথিদের সঙ্গে কেক কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি। এরপর খ্রীস্ট ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। বাংলাদেশকে একটি বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করতে হবে।’
পরে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন রাষ্ট্রপতি। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
৪৬৬ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব হিসেবে যোগ দিলেন সারোয়ার আলম
রাষ্ট্রপতির নতুন প্রেস সচিব নিয়োগ পাওয়ার পর এই দায়িত্বে যোগদান করেছেন অবসরপ্রাপ্ত যুগ্মসচিব মো. সরওয়ার আলম। সচিব পদমর্যাদায় তাকে দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনের প্রেস উইংয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর ফলে বিদায়ী প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীনের স্থলাভিষিক্ত হলেন তিনি।
এর আগে গতকাল (সোমবার) মো. সারওয়ার আলমকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
শিক্ষাজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণি পেয়ে স্নাতক ও পরে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন ফেনীর কৃতি সন্তান সরওয়ার আলম।
এরপর ২০০৫ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপ-প্রেস সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সাবেক রাষ্ট্রপতি ড. ইয়াজ উদ্দিন আহমেদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান ফখরুদ্দিন আহমেদেরও উপ-প্রেস সচিব হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়া, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এবং কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের প্রথম সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।
পরবর্তী সময়ে দীর্ঘদিন কর্মবঞ্চিত থাকার পর ২০২২ সালে অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে (এলপিআর) এবং ২০২৩ সালে অবসরে যান এই কর্মকর্তা।
৪৬৭ দিন আগে
উপদেষ্টা হাসান আরিফের মৃত্যুতে সোমবার রাষ্ট্রীয় শোক
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের মৃত্যুতে আগামীকাল সোমবার রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে।
এ বিষয়ে রবিবার (২২ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের মৃত্যুতে সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে।
আরও পড়ুন: হাসান আরিফের মৃত্যুতে উপদেষ্টা পরিষদের শোক
এদিন দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।
এছাড়া মরহুমের রুহের মাগফেরাতের জন্য দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তার আত্মার শান্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।
৪৬৯ দিন আগে
পূর্ব তিমুরে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তি কাজে লাগানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বঙ্গভবনে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠক করেছেন পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস-হোর্তা। এরপর বিকালে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ায় পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্টকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি।
সাক্ষাতকালে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, পূর্ব তিমুরের কোনো প্রেসিডেন্টের এটিই বাংলাদেশে প্রথম সফর। প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস হোর্তার সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও পূর্ব তিমুরের কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি দুদেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতার পর পূর্ব তিমুরকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম সারির দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।
আরও পড়ুন: শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা
এ সময় তিনি দুদেশের মধ্যে খাদ্য নিরাপত্তা, দারিদ্র্য দূরীকরণ, চিকিৎসা, অবকাঠামো ও মানব সম্পদ উন্নয়ন, জ্বালানি ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরিবর্তনশীল বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় মানব সম্পদ উন্নয়নের গুরুত্ব উল্লেখ করে মো. সাহাবুদ্দিন গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও উচ্চশিক্ষার জন্য সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করতে দুদেশের একসঙ্গে কাজ করার ওপর জোর দেন।
বাংলাদেশে পূর্ব তিমুরের কনস্যুলেট চালুর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, এর ফলে দুদেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং বাণিজ্য বিনিয়োগসহ বহুপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।
৪৭৫ দিন আগে
বিজয় দিবসে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন
বাংলাদেশের ৫৪তম বিজয় দিবসে বঙ্গভবনে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও তার স্ত্রী ড. রেবেকা সুলতানা।
অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রাফাত হাসান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারসহ বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস-হোর্তা। বিশিষ্ট অতিথিদের সঙ্গে অনুষ্ঠানের কেক কাটেন তিনি।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধান, জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতারা, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী নেতা ও খ্যাতিমান সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্তদের পরিবারবর্গ এবং ভারতীয় যুদ্ধাহত ব্যক্তিরাও অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পান। অনুষ্ঠানে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় তাদের বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানান রাষ্ট্রপতি।
এ ছাড়াও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, ছাত্র প্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অন্যান্য অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন রাষ্ট্রপতি।
শীর্ষ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা, পত্রিকার সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
এর আগে, সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তিনি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী দেশের বীরদের প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।
৪৭৫ দিন আগে
বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান
বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করতে মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন।
সকালে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহা. শুহাদা ওথমান রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।
এর আগে বঙ্গভবনে পৌঁছলে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি চৌকস দল হাইকমিশনারকে গার্ড অব অনার দেয়।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির কাছে সুপ্রিম কোর্টের বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করলেন প্রধান বিচারপতি
মালয়েশিয়ার নতুন হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য বিনিয়োগসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার।
তিনি বলেন, সম্প্রতি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর দু'দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। রাষ্ট্রপতি আশা করেন, নতুন হাইকমিশনারের দায়িত্ব পালনকালে এ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, মালয়েশিয়া বাংলাদেশের জনশক্তির অন্যতম গন্তব্যস্থল। বাংলাদেশের শ্রমশক্তি উভয় দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তালিকাভুক্ত যে ১৮ হাজার শ্রমিক নির্ধারিত সময়ে মালয়েশিয়ায় যেতে পারেননি, তারা যেন মালয়েশিয়ায় যেতে পারেন সেই লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে রাষ্ট্রপতি মালয়েশিয়ার সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান।
দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি এ সময় ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
আগামী মাসে মালয়েশিয়া আসিয়ানের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করবে উল্লেখ করে আসিয়ানের সেক্টোরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার ক্ষেত্রে মালয়েশিয়া বাংলাদেশকে সহযোগিতা ও সমর্থন দেবে বলে আশা প্রকাশ করেন সাহাবুদ্দিন।
সাক্ষাৎকালে মালয়েশিয়ার নতুন হাইকমিশনার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে সর্বাত্মক প্রয়াস চালানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তিনি দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আদিল চৌধুরী এবং প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
৪৮৬ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির কাছে সুপ্রিম কোর্টের বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করলেন প্রধান বিচারপতি
বিচার বিভাগের অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের কাছে ‘সুপ্রিম কোর্টের বার্ষিক প্রতিবেদন-২০২৩’ পেশ করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) বিকালে বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে এ প্রতিবেদন পেশ করেন প্রধান বিচারপতি।
সাক্ষাৎ শেষে প্রধান বিচারপতি ও রাষ্ট্রপতির মধ্যে আলোচনার বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন।
আরও পড়ুন: সাবেক প্রধান বিচারপতি রুহুল আমিন আর নেই
তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠনসহ প্রতিবেদনের গুরুত্বপূর্ণ দিক সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। সুপ্রিম কোর্টের সামগ্রিক কার্যক্রম সম্পর্কেও রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন তিনি।
সুপ্রিম কোর্টের সার্বিক কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট হলো বিচারপ্রার্থীদের সর্বশেষ ভরসাস্থল। আশা করি, প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে বিচার বিভাগ যৌক্তিক সময়ে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে।
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব নাসিমুল গনি, প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন ও আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণ বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট
৪৯৫ দিন আগে