শোক
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর শোক
জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, সাবেক মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
রবিবার (১২ জুলাই) পৃথক শোকবার্তায় তারা শোক প্রকাশ করেন।
শোকবার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন দেশের একজন অভিজ্ঞ ও প্রজ্ঞাবান সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট আইনজীবী এবং বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। তিনি আজীবন গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে গেছেন। তার মৃত্যু দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন এবং জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
পৃথক শোকবার্তায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে সংসদীয় গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দেশ ও জনগণের কল্যাণে তার অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তার মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ, প্রজ্ঞাবান ও নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিবিদকে হারাল।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
৮ দিন আগে
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার, ৫২-এর ভাষা আন্দোলনের সৈনিক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং রাজনীতিবিদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে আমি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি। মহান আল্লাহর দরবারে তার মাগফিরাত কামনা করছি। ’
তিনি বলেন, ‘ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক প্রজ্ঞাবান, অভিজ্ঞ, সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব। সুদীর্ঘ বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি সততা, প্রজ্ঞা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি শিক্ষামন্ত্রী, ভূমি প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং গণপূর্ত ও নগর উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে সুসংহত করা, সংসদীয় সংস্কৃতির বিকাশ এবং জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র পরিচালনায় তার অবদান জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তিনি আজীবন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আদর্শে অবিচল ছিলেন। দলের দীর্ঘ সংগ্রাম, প্রতিকূলতা ও দুঃসময়ের কোনো পর্যায়েই কখনো কোনো পরিস্থিতিতেই তিনি আদর্শচ্যুত হননি। রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, নিপীড়ন ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি নিষ্ঠা, প্রজ্ঞা ও দৃঢ়তার সঙ্গে দলীয় জাতীয়তাবাদী আদর্শকে সমুন্নত রেখেছেন।’
তারেক রহমান বলেন, ‘বিশেষ করে বিগত দীর্ঘ ১৭ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সাহসিকতা, প্রজ্ঞা ও দৃঢ় প্রত্যয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং মানুষের মৌলিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তার অবিস্মরণীয় অবদান বিএনপির ইতিহাসে যেমন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, তেমনি দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রারও এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘তার মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ, দক্ষ সংসদীয় ব্যক্তিত্ব, এবং সত্যিকারের দেশপ্রেমিককে হারাল। তার আদর্শ, প্রজ্ঞা, সততা ও কর্মময় জীবন আগামী প্রজন্মের রাজনীতিকদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত ও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
‘আমি মহান আল্লাহ তাআলার কাছে মরহুমের মাগফিরাত কামনা করছি। মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমি একই সঙ্গে মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যবৃন্দ, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং অসংখ্য গুণগ্রাহীর প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।’
৮ দিন আগে
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন
লেখক, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন।
রবিবার (৫ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিয়ে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ সালেকীন) বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, পারিবারিক একটি অনুষ্ঠানে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাকে মিরপুরের ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে নেওয়া হলে দুপুর আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
তিনি বলেন, ‘যতদূর জেনেছি, মিরপুরে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তিনি মারা যান।’
অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক ১৯৪০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মুহাম্মদ আবদুল হাকিম এবং মা জাহানারা খাতুন।
তিনি ময়মনসিংহ জিলা স্কুল, ঢাকা কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে পড়াশোনা করেন। পেশাজীবনের পুরোটা সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে শিক্ষকতা ও গবেষণায় নিয়োজিত ছিলেন। দীর্ঘ চার দশক শিক্ষকতা শেষে ২০১১ সালে অবসর নেন। তিনি বাংলা বিভাগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।
ছাত্রজীবন থেকেই কবিতা, ছোটগল্প ও প্রবন্ধ রচনার মাধ্যমে সাহিত্যচর্চা শুরু করেন। তার লেখায় সৌন্দর্য, প্রেম, প্রকৃতি ও জীবনদর্শনের অনুসন্ধান বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে।
একুশটিরও বেশি গ্রন্থের রচয়িতা অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক নজরুল রচনাবলীর সম্পাদনা পরিষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর অন্তর্বর্তী সরকার তাকে বাংলা একাডেমির সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়।
তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে ‘ইতিহাসের আলোকে বাংলাদেশের সংস্কৃতি’, ‘স্বদেশচিন্তা’-এর মতো একাধিক গ্রন্থ। সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক জীবনের সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার প্রসারে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
১৫ দিন আগে
কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের ৫ প্রবাসী নিহত
কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ৫ জন প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ খবরে নিহতদের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
রবিাবার (২১ জুন) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কাতারের আল শাহানিয়া শহরের সামাল সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত পাঁচ বাংলাদেশির সবাই সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ৭ নম্বর দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের গাছবাড়ি এলাকার বাসিন্দা।
তারা হলেন— আগতালুক গ্রামের জসিম উদ্দিন, আমরপুর গ্রামের জিবাল উদ্দিন, মাঝতালুক গ্রামের মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ এবং কাদের আহমদ।
তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম।
২৯ দিন আগে
লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত দুই প্রবাসীর মরদেহ সাতক্ষীরায় পৌঁছেছে
লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশি প্রবাসী শফিকুল ইসলাম (৪৩) ও নাহিদুল ইসলামের (২২) মরদেহ সাতক্ষীরায় নিজ বাড়িতে পৌঁছেছে।
রবিবার (৭ জুন) সকাল ১০টার দিকে মরদেহগুলো নিজ নিজ গ্রামে পৌঁছানোর পর স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে চারপাশ। শোকের ছায়া নেমে আসে দুই পরিবারসহ পুরো এলাকারা জুড়ে।
নিহত শফিকুল ইসলামের বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর পূর্বপাড়া গ্রামে এবং নাহিদুল ইসলামের বাড়ি আশাশুনি উপজেলার কাঁদাকাঠি গ্রামে।
এর আগে, গত ১১ মে দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ জেলার জিবদিন এলাকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় তারা নিহত হন। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে তাদের মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়।
স্বজনরা জানান, জীবিকার সন্ধানে মাত্র কয়েক মাস আগে লেবাননে পাড়ি জমিয়েছিলেন শফিকুল ও নাহিদ ইসলাম। পরিবারের স্বপ্ন পূরণে নিরলস পরিশ্রম করলেও শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের নির্মমতায় প্রাণ হারাতে হয়েছে তাদের।
এদিকে, দুই প্রবাসীর মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর শেষবারের মতো তাদের একনজর দেখতে ভিড় করেন আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা। স্বজনদের কান্না আর শোকে ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
কফিন দেখেই ডুকরে কেঁদে ওঠেন নিহত শফিকুলের স্ত্রী রুমা খাতুন (৩৭)। পরিবারের একমাত্র ভরসা স্বামীকে হারিয়ে দুই মেয়েকে নিয়ে কীভাবে চলবে সংসার, কেমন করে কাটবে দিন—তা ভেবে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি। বারবার বিলাপ করে বলছেন, ‘স্বামীহারা স্ত্রী যে কতটা অসহায় অভিভাবকহীন, সেটি বোঝানো যাবে না।’
নিহতদের নিজ বাড়িতে স্থানীয়ভাবে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
নিহদের বাড়িতে সমবেদনা জানাতে আসা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের খুলনা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক খালেদুর রহমান জানান, মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে নিহত শফিকুল ইসলাম ও নাহিদ ইসলামের পরিবারের সদস্যদের হাতে তাৎক্ষণিক সহায়তা হিসেবে ৩৫ হাজার টাকা ও ৫০ হাজার টাকার দুটি চেক প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পরবর্তীতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ১০ লাখ টাকা এবং জীবন বীমা করপোরেশনের পক্ষ থেকে ৩ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
৪৩ দিন আগে
চীনের কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে প্রাণহানিতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
চীনের শানঝি প্রদেশে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বার্তায় তিনি বলেন, ‘শানঝি প্রদেশে কয়লা খনি বিস্ফোরণে বিপুল প্রাণহানির ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকাহত।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আমি শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গ এবং চীনের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আহতদের এবং যারা নিখোঁজদের সন্ধানে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন, সেই উদ্ধারকারী দলগুলোর জন্য আমাদের প্রার্থনা রইল।
আহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এই বিপদে চীনের পাশে আছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা, আহতদের সেবা এবং এই ঘটনার তদন্তে আপনাদের চলমান প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানাচ্ছে। এই দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সকলে যেনো ধৈর্য, সাহস ও সান্ত্বনা খুঁজে পায় সেই কামনা করছি।
শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ২৯ মিনিটে চীনের শানঝি প্রদেশের একটি কয়লা খনিতে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণ ঘটে। এতে অন্তত ৯০ জন নিহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের সময় খনির ভেতরে ২৪৭ জন শ্রমিক ছিলেন বলে জানায় চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
৫৭ দিন আগে
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানের জানাজা সম্পন্ন
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমানের জানাজা আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পরে ইস্কাটনের সচিব নিবাস প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ৬টা ২৫ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
জানাজায় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী নেতারা, সর্বসাধারণ ও পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। জানাজা শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে স্বল্পসময়ের কাজের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘দুই মাসের মতো হলো বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। দাপ্তরিক কাজে তিনি দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তা ছিলেন। তার কাজের মধ্যে আমি নিষ্ঠা ও দেশপ্রেম দেখেছি।’
তিনি আরও বলেন, পৃথিবীতে আমাদের অবস্থান অল্প সময়ের। কে কখন কার জানাজা পড়বে কেউ জানে না। পরকালের জন্য যেন কিছু সঞ্চয় নিয়ে যেতে পারি, আমাদের সে কাজে মনোযোগী হওয়া উচিত।
প্রসঙ্গত, বেশ কয়েকদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতা বোধ করলে গত ১৩ এপ্রিল মাহবুবুর রহমানকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সে সময় তার শরীরে রক্তের প্লাটিলেট আশঙ্কাজনক হারে কমে গিয়েছিল। হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকাকালে পরীক্ষায় তার শরীরে ম্যালেরিয়া শনাক্ত হয়।
তার পারিবার জানায়, গাজীপুর জেলার গাছা এলাকায় তাকে দাফন করা হবে।
৯৪ দিন আগে
স্পিকারের স্ত্রী দিলারা হাফিজের জানাজা সম্পন্ন
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের স্ত্রী দিলারা হাফিজের জানাজা সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টায় অনুষ্ঠিত জানাজায় ইমামতি করেন সংসদ সচিবালয়ের পেশ ইমাম মো. আবু রায়হান। এতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রিসভার সদস্য ও সংসদ সদস্যরা।
জানাজার আগে মরহুমার সংক্ষিপ্ত জীবনী তুলে ধরেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম, বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানাজায় উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি তাদের ৫৬ বছরের দাম্পত্য জীবনের স্মৃতি চারণ করে বলেন, দিলারা হাফিজ পেশায় একজন শিক্ষক ছিলেন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তারা উভয়ই সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, রাষ্ট্রপতির পক্ষে জনবিভাগের সচিব, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম ও অন্যান্য হুইপ এবং সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা মরহুমার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় মরহুমার আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
উল্লেখ্য, দ্বিতীয় জানাজা শেষে দিলারা হাফিজকে বনানী সামরিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। জানাজায় মন্ত্রিসভার সদস্যরা, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা, বিরোধীদলীয় নেতারা, সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং ভোলা-৩ নির্বাচনি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
১১২ দিন আগে
দিলারা হাফিজের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শেষ শ্রদ্ধা
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের স্ত্রী অধ্যাপক দিলারা হাফিজের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (৩০ মার্চ) জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় তারা এ শ্রদ্ধা জানান।
আজ (সোমবার) দুপুর ১২টার দিকে মরহুমার কফিন জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে আনা হয় এবং কালো কাপড়ে ঢাকা একটি মঞ্চে রাখা হয়। রাষ্ট্রপতির পক্ষে প্রথমে তার কার্যালয়ের সচিব খান মো. নুরুল আমিন কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মরহুমার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।
পরবর্তীতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এবং চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি পৃথকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়া হুইপ জি কে গউছ, রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আখতারুজ্জামান মিয়া এবং এ বি এম আশরাফ উদ্দিনও শ্রদ্ধা জানান।
ক্ষমতাসীন দল বিএনপির পক্ষ থেকে দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এর আগে, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা ও চিফ হুইপসহ অন্যান্য নেতারা মরহুমার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
১১২ দিন আগে
জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সালিম সামাদের ইন্তেকাল
পুরস্কারপ্রাপ্ত অনুসন্ধানী জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সালিম সামাদ ইন্তেকাল করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন তিনি।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে তিনি মারা যান।
আজ দুপুর আড়াইটায় জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
দুপুর ৩টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিনিটি প্রাঙ্গনে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
সেলিম সামাদ ছিলেন একজন পুরস্কারপ্রাপ্ত অনুসন্ধানী সাংবাদিক, পেশাদার লেখক, গবেষক এবং গণমাধ্যম অধিকাররক্ষা কর্মী।
তিনি ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য নিউজ টাইমস’, ‘বাংলাদেশ অবজারভার’ এবং ‘দ্য এশিয়ান এজ’-এর বিশেষ সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
তার লেখা নিবন্ধসমূহ বিশ্বখ্যাত ‘টাইম’ ম্যাগাজিন, ভারতের ‘ইন্ডিয়া টুডে’ ও ‘আউটলুক’ ম্যাগাজিন এবং পাকিস্তানের ‘সাউথ এশিয়া’ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে।
এ ছাড়াও তিনি ঢাকা ট্রিবিউন, শুদ্ধস্বর, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স রিভিউ, হেলথ অ্যানালিটিক এশিয়া, নিউ ইয়র্ক এডিটোরিয়াল এবং প্রেসেনজা ইন্টারন্যাশনাল প্রেস এজেন্সিতে নিয়মিত কলাম লিখতেন।
তিনি বাংলাদেশের মফস্বল সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক বিষয়ে প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি কাঠমান্ডু (নেপাল), করাচি (পাকিস্তান), ঢাকা (বাংলাদেশ) এবং কলম্বোতে (শ্রীলঙ্কা) দক্ষিণ এশীয় সাংবাদিকদের জন্য পরিবেশ ও উন্নয়ন সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা পরিচালনা করেছেন।
মার্কিন অলাভজনক সংস্থা একাডেমি ফর এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্ট (এইডি), এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও), বাংলাদেশ সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট, জার্নালিজম অ্যান্ড কমিউনিকেশন (বিসিডিজেসি), বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস জার্নালিস্ট ফোরাম (বিএমএসএফ) এবং ফোরাম অব এনভায়রনমেন্টাল জার্নালিস্টস অব বাংলাদেশ (এফইজেবি)-এর গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
১৪৮ দিন আগে