শোক
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানের জানাজা সম্পন্ন
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমানের জানাজা আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পরে ইস্কাটনের সচিব নিবাস প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ৬টা ২৫ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
জানাজায় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী নেতারা, সর্বসাধারণ ও পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। জানাজা শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে স্বল্পসময়ের কাজের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘দুই মাসের মতো হলো বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। দাপ্তরিক কাজে তিনি দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তা ছিলেন। তার কাজের মধ্যে আমি নিষ্ঠা ও দেশপ্রেম দেখেছি।’
তিনি আরও বলেন, পৃথিবীতে আমাদের অবস্থান অল্প সময়ের। কে কখন কার জানাজা পড়বে কেউ জানে না। পরকালের জন্য যেন কিছু সঞ্চয় নিয়ে যেতে পারি, আমাদের সে কাজে মনোযোগী হওয়া উচিত।
প্রসঙ্গত, বেশ কয়েকদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতা বোধ করলে গত ১৩ এপ্রিল মাহবুবুর রহমানকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সে সময় তার শরীরে রক্তের প্লাটিলেট আশঙ্কাজনক হারে কমে গিয়েছিল। হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকাকালে পরীক্ষায় তার শরীরে ম্যালেরিয়া শনাক্ত হয়।
তার পারিবার জানায়, গাজীপুর জেলার গাছা এলাকায় তাকে দাফন করা হবে।
১৩ দিন আগে
স্পিকারের স্ত্রী দিলারা হাফিজের জানাজা সম্পন্ন
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের স্ত্রী দিলারা হাফিজের জানাজা সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টায় অনুষ্ঠিত জানাজায় ইমামতি করেন সংসদ সচিবালয়ের পেশ ইমাম মো. আবু রায়হান। এতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রিসভার সদস্য ও সংসদ সদস্যরা।
জানাজার আগে মরহুমার সংক্ষিপ্ত জীবনী তুলে ধরেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম, বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানাজায় উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি তাদের ৫৬ বছরের দাম্পত্য জীবনের স্মৃতি চারণ করে বলেন, দিলারা হাফিজ পেশায় একজন শিক্ষক ছিলেন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তারা উভয়ই সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, রাষ্ট্রপতির পক্ষে জনবিভাগের সচিব, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম ও অন্যান্য হুইপ এবং সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা মরহুমার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় মরহুমার আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
উল্লেখ্য, দ্বিতীয় জানাজা শেষে দিলারা হাফিজকে বনানী সামরিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। জানাজায় মন্ত্রিসভার সদস্যরা, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা, বিরোধীদলীয় নেতারা, সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং ভোলা-৩ নির্বাচনি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
৩১ দিন আগে
দিলারা হাফিজের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শেষ শ্রদ্ধা
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের স্ত্রী অধ্যাপক দিলারা হাফিজের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (৩০ মার্চ) জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় তারা এ শ্রদ্ধা জানান।
আজ (সোমবার) দুপুর ১২টার দিকে মরহুমার কফিন জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে আনা হয় এবং কালো কাপড়ে ঢাকা একটি মঞ্চে রাখা হয়। রাষ্ট্রপতির পক্ষে প্রথমে তার কার্যালয়ের সচিব খান মো. নুরুল আমিন কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মরহুমার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।
পরবর্তীতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এবং চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি পৃথকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়া হুইপ জি কে গউছ, রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আখতারুজ্জামান মিয়া এবং এ বি এম আশরাফ উদ্দিনও শ্রদ্ধা জানান।
ক্ষমতাসীন দল বিএনপির পক্ষ থেকে দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এর আগে, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা ও চিফ হুইপসহ অন্যান্য নেতারা মরহুমার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
৩১ দিন আগে
জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সালিম সামাদের ইন্তেকাল
পুরস্কারপ্রাপ্ত অনুসন্ধানী জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সালিম সামাদ ইন্তেকাল করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন তিনি।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে তিনি মারা যান।
আজ দুপুর আড়াইটায় জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
দুপুর ৩টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিনিটি প্রাঙ্গনে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
সেলিম সামাদ ছিলেন একজন পুরস্কারপ্রাপ্ত অনুসন্ধানী সাংবাদিক, পেশাদার লেখক, গবেষক এবং গণমাধ্যম অধিকাররক্ষা কর্মী।
তিনি ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য নিউজ টাইমস’, ‘বাংলাদেশ অবজারভার’ এবং ‘দ্য এশিয়ান এজ’-এর বিশেষ সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
তার লেখা নিবন্ধসমূহ বিশ্বখ্যাত ‘টাইম’ ম্যাগাজিন, ভারতের ‘ইন্ডিয়া টুডে’ ও ‘আউটলুক’ ম্যাগাজিন এবং পাকিস্তানের ‘সাউথ এশিয়া’ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে।
এ ছাড়াও তিনি ঢাকা ট্রিবিউন, শুদ্ধস্বর, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স রিভিউ, হেলথ অ্যানালিটিক এশিয়া, নিউ ইয়র্ক এডিটোরিয়াল এবং প্রেসেনজা ইন্টারন্যাশনাল প্রেস এজেন্সিতে নিয়মিত কলাম লিখতেন।
তিনি বাংলাদেশের মফস্বল সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক বিষয়ে প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি কাঠমান্ডু (নেপাল), করাচি (পাকিস্তান), ঢাকা (বাংলাদেশ) এবং কলম্বোতে (শ্রীলঙ্কা) দক্ষিণ এশীয় সাংবাদিকদের জন্য পরিবেশ ও উন্নয়ন সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা পরিচালনা করেছেন।
মার্কিন অলাভজনক সংস্থা একাডেমি ফর এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্ট (এইডি), এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও), বাংলাদেশ সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট, জার্নালিজম অ্যান্ড কমিউনিকেশন (বিসিডিজেসি), বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস জার্নালিস্ট ফোরাম (বিএমএসএফ) এবং ফোরাম অব এনভায়রনমেন্টাল জার্নালিস্টস অব বাংলাদেশ (এফইজেবি)-এর গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
৬৭ দিন আগে
তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক শুরু, আজ সাধারণ ছুটি
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) থেকে সারা দেশে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন শুরু হয়েছে। আজ থেকে শুরু হওয়া এই শোক চলবে আগামী ২ জানুয়ারি শুক্রবার পর্যন্ত।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের আপসহীন এই নেত্রীর মৃত্যুতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গভীরভাবে শোকাহত। তার মৃত্যুতে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার।
রাষ্ট্রীয় শোকের প্রথম দিনে আজ দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।
এ ছাড়াও তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাতের জন্য আগামী শুক্রবার দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনারও আয়োজন করা হবে।
এর আগে গতকাল জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এই তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও আজ বুধবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেন।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতি এক মহান অভিভাবককে হারিয়েছে। আজ আমাদের পুরো জাতি গভীর শোক ও বেদনায় নিস্তব্ধ।
জানাজাসহ শোক পালনের সকল ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও সহযোগিতা করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
১২০ দিন আগে
খালেদা জিয়া বাংলাদেশের পরিচয়ের সঙ্গে চিরকাল যুক্ত থাকবেন: জাবি উপাচার্য
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে এক শোকবার্তায় উপাচার্য বলেন, তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতি একজন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রনায়ক ও অভিভাবককে হারাল।
কামরুল আহসান বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে আপসহীন নেতৃত্বের জন্য তিনি জনসাধারণের কাছে ‘আপসহীন দেশনেত্রী’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার মৃত্যু ইতিহাসের এক কিংবদন্তির প্রস্থান, যা কোনো দিন পূরণ হওয়ার নয়। বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। একজন সাধারণ গৃহবধূ থেকে সময়ের প্রয়োজনে তিনি কোটি মানুষের নেত্রীতে পরিণত হন। গণতান্ত্রিক চেতনায় বিশ্বাসী এই নেতা দেশ, মাটি ও মানুষের অধিকার আদায়ে ছিলেন অবিচল।
উপাচার্য বলেন, ব্যক্তিগত ও সামাজিক মূল্যবোধে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন অনন্য প্রেরণার উৎস। স্বভাবে ও আচরণে পরিমিত, পরিশীলিত ও সহনশীল এই নেতা স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থরক্ষায় সব সময় সাহসী ও সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছেন। শারীরিকভাবে বিদায় নিলেও বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের পরিচয়ের সঙ্গে চিরকাল যুক্ত থাকবেন এবং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তিনি বারবার প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠবেন।
শোকবার্তায় উপাচার্য ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে জাতির উদ্দেশে দেওয়া বেগম খালেদা জিয়ার এক ভাষণের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, গণতন্ত্রের ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে নির্মাণ করতে হবে এক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। ওই ভাষণের মাধ্যমে তিনি ধ্বংস বা প্রতিশোধ নয়, বরং ভালোবাসা, শান্তি ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের আহ্বান জানিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন উপাচার্য।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
১২১ দিন আগে
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাকৃবি উপাচার্যের শোক
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়-বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ শোক জানানো হয়।
শোকবার্তায় উপাচার্য মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় উপাচার্য বলেন, আজ আমরা একজন সৎ, দৃঢ়চেতা ও দেশের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ আপসহীন নেত্রীকে হারালাম। তিনি দেশের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে গেছেন তা জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
তিনি আরও বলেন, মহান আল্লাহ তাআলা তার অশেষ রহমতে মরহুমার সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দিয়ে তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের অনন্ত শান্তির আশ্রয় দান করুন, আমিন।
১২১ দিন আগে
সাবেক মুখ্যসচিব কামাল সিদ্দিকী মারা গেছেন
সাবেক মুখ্যসচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী মারা গেছেন। সোমবার (৩ নভেম্বর) ভোরে গুলশানে নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে এই কথা জানানো হয়েছে।
সোমবার আসর নামাজের পর গুলশান আজাদ মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।
কামাল সিদ্দিকী ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মুখ্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
১৭৮ দিন আগে
নজরুল ইসলামের পিতার মৃত্যুতে ডিক্যাবের গভীর শোক
ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিক্যাব) সদস্য ও ঢাকা পোস্ট’র কূটনৈতিক প্রতিবেদক নজরুল ইসলামের পিতা মো. নুরুল আমিনের ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর।
বুধবার (২২ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) নিজ জেলা লক্ষ্মীপুরে পারিবারিক কবরস্থানে জানাজা শেষে মরহুমের দাফন সম্পন্ন হয়।
ডিক্যাব সভাপতি একে এম মঈনুদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুজ্জামান মামুন এক যৌথ শোকবার্তায় মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সহমর্মিতা ও সমবেদনা জানান।
তারা বলেন, মরহুম নুরুল আমিন ছিলেন একজন সদালাপী, সৎ, ধর্মপ্রাণ ও সবার প্রিয় মানুষ। তার মৃত্যুতে শুধু পরিবার নয়, বন্ধুমহল ও শুভানুধ্যায়ীরাও হারালেন এক আন্তরিক ব্যক্তিত্ব।
মরহুম নুরুল আমিন স্ত্রী, এক পুত্র, দুই কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
১৮৮ দিন আগে
এবার আরেক অগ্নি যোদ্ধার মৃত্যু
গাজীপুরের টঙ্গীর একটি কেমিক্যাল গোডাউনে বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ ফায়ার ফাইটার নুরুল হুদা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি টঙ্গী ফায়ার স্টেশনে কর্মরত ছিলেন।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি প্রাণ হারান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।
ডা. শাওন জানান, ‘গত সোমবার টঙ্গীর কেমিক্যাল গোডাউনে বিস্ফোরণের ঘটনায় চারজনকে জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছিল। আজ দুপুরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফায়ার ফাইটার নুরুল হুদা মারা যান। তার শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।’
লালমনিরহাটে যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে এলপিজি সিলিন্ডার, বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা
এর আগে মঙ্গলবার একই ঘটনায় আরেক ফায়ার ফাইটার শামীম আহমেদ মারা গেছেন। তার শরীরও ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। বর্তমানে দুইজন আহত ফায়ার ফাইটারের মধ্যে একজনের ৪২ শতাংশ ও অন্যজনের ৫ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া কর্মকর্তা তালহা জসিম জানান, ‘টঙ্গীতে কেমিক্যাল গোডাউনে বিস্ফোরণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুইজন ফায়ার ফাইটার প্রাণ হারিয়েছেন। দুইজন এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।’
নুরুল হুদার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও থানার এলাকায়। তিনি আব্দুল মনসুর ও সিরিনা খাতুন দম্পতির ছেলে।
নুরুল হুদা ২০০৭ সালের মার্চে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে যোগদান করেন।
২১৮ দিন আগে