শিশুমৃত্যু
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ জনে।
শনিবার (২৩ মে) সকালে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হওয়া ৪ শিশুর মধ্যে একজনের বাড়ি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে (১০ মাস), একজনের বাড়ি সিলেটের শাহপরাণ এলাকায় (১৫ মাস), একজনের বাড়ি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল (৫ মাস) ও অপরজনের বাড়ি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় (৬ মাস)।
মৃত চার শিশুর মধ্যে দুজন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং দুজন শহিদ শামসুদ্দিন আহমেদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে মোট ২৯৫ রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নতুন করে কোনো রোগী শনাক্ত না হলেও এই সময়ে ৪৩ জন সন্দেহভাজন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১ জানুয়ারি থেকে আজ (শনিবার) পর্যন্ত বিভাগে মোট ১৫৮ জন ল্যাব-নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। বিভাগে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং বাকিরা হামের উপসর্গে।
২১ ঘণ্টা আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০২১
দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২১টি শিশু।
শনিবার (২৩ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে, ময়মনসিংহ থেকে ২৪ ঘণ্টায় হামজনিত রোগের উপসর্গে ১ হাজার ৩৯ জন শনাক্ত হওয়ার তথ্য জানানো হয়েছিল। ফলে এক দিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগী শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। তবে সন্ধ্যা ৬টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে তথ্যটি সংশোধন করার ফলে এ প্রতিবেদনে তা সমন্বয় করা হলো।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও একটি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪২৬টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮৬টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৫১২টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৪৯টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৭২। এই সময়ে ১ হাজার ৮৭৮টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৬০০টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৬২ হাজার ৫০৭, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৪৯৪। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৪৯ হাজার ৩৮৯ রোগী, যাদের মধ্যে ৪৫ হাজার ১১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২২ ঘণ্টা আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৬৩১
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৬৩১টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ৩টি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪০৫টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৪৮৮টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ২০৮টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৪২৩। এই সময়ে ১ হাজার ২৭৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ২১৬টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫৯ হাজার ২৭৯, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ২৭৫। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৪৬ হাজার ৪০৭ রোগী, যাদের মধ্যে ৪২ হাজার ৩৩৬ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২ দিন আগে
শেবাচিম হাসপাতালে শিশুর মৃত্যু, স্বজন-ইন্টার্ন চিকিৎসকদের তুলকালাম
নবজাতক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের (শেবাচিম) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিহতের স্বজনদের তুলকালাম ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মৃত শিশুটির এক স্বজনসহ দুইজনকে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা মারধর করে আটকে রাখেন। পরে হাসপাতাল পরিচালক, মেডিকেল কলেজ প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ক্ষমা চেয়ে- মুচলেকা দিয়ে রক্ষা পায় আটকে থাকা দুই ব্যক্তি।
মঙ্গলবার (২০ মে) রাত ১১টার দিকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে।
ওয়ার্ড সূত্রে জানা গেছে, বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার চাখারের বাসিন্দা উজ্জল দের ৭ দিনের কন্যা সন্তান অসুস্থ হওয়ায় তাকে শেবাচিম হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে শিশুটির মৃত্যু হয়।
প্রতক্ষদর্শীরা জানান, শিশুটির মৃত্যুর পরপরই স্বজনরা আবেগআপ্লুত হয়ে পড়েন এবং চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ তোলেন, যা নিয়ে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে স্বজনদের বাগবিতণ্ডাও হয়। এর কিছুক্ষণ পরে মেডিকেল কলেজের কিছু শিক্ষার্থী এসে জয়দেব নামে ওই শিশুর এক স্বজনকে মারধর করেন, সেই ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে মামুন নামে আরেক যুবক মারধরের শিকার হন। পরে তাদের হাসপাতালের নিচতলার জরুরি বিভাগের একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়।
যদিও মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন শেবাচিমের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থী শান্তা তালুকদার বলেন, মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের সকালে ও বিকেলে ওয়ার্ড থাকে এবং এর ওপর আইটেম থাকে। আইটেম দিয়ে বের হওয়ার সময় মৃত শিশুর বাবা তার স্বজনদের বলেন আমাদের আটকে রাখতে। তার অভিযোগ, ভুল চিকিৎসার জন্য শিশু সন্তানটি মৃত্যুবরণ করেছে।
তিনি বলেন, মৃতের স্বজনরা আমাদের আটকানোর চেষ্টাকালে মেয়ে শিক্ষার্থীদের অ্যাপ্রোন ও ব্যাগ ধরে টান দেন। সেইসঙ্গে ওয়ার্ডের দায়িত্বরত নার্সদেরও হেনস্থা করেন।
অপর শিক্ষার্থী মুনায়াত মুন বলেন, নবজাতক ওয়ার্ডের পাশে আমাদের একটি শ্রেণিকক্ষ আছে, যেখান থেকে বের হওয়ার সময় হট্টগোলের বিষয়টি শুনতে পাচ্ছিলাম। তবে সেখান থেকে যাওয়ার সময় একটা লোক আমাদের কারও হাত, কারও ওড়না, আবার কারও ব্যাগ ধরে টান দেন এবং অশোভন আচরণ শুরু করেন। এরপর আমরা আত্মরক্ষার্থে সেবিকাদের সহায়তায় একটা কক্ষে আশ্রয় নেই। এরপর আমাদের দুই ছেলে ব্যাচমেট এসে তাকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি তাদের মোবাইল ভাঙচুর করেন। পরে ইউনিফর্ম লুকিয়ে আমরা সেখান থেকে পালিয়ে আসি।
তবে শিশুর বাবা উজ্জল জানান, সন্ধ্যার পরে তার সন্তানের শ্বাসকষ্ট হওয়ায় চিকিৎসকের কাছে যান তারা। ওইসময় রুমে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ছিলেন, তারা এসে শিশুকে মৃত ঘোষণা করলে তার মামা আবেগআপ্লুত হয়ে পড়ে। এ সময় তিনি ইন্টার্ন চিকিৎসকেদর ওয়ার্ড থেকে যেতে নিষেধ করলে তাকে এবং অপর আরেক ব্যক্তিকে মারধর করা হয়।
মৃত শিশুর মা পূজা রানী দাস বলেন, সন্তানের মৃত্যুর পর তার মামা হয়তো মুখে কিছু বলেছে, কিন্তু কারও গায়ে হাত দেননি। তারপরও তাকে শিক্ষার্থীরা মারতে মারতে নিচে নিয়ে গেছে। যদি আমার ভাই কোনো ভুল করে থাকে, তাহলে আমি হাতজোড় করে ক্ষমা চাইছি, আমাদের মাফ করে দেন। রাত ১ টা পর্যন্ত এখানে মৃত সন্তানকে নিয়ে বসে আছি, আমাদের যেতে দিন।
এদিকে, শিক্ষার্থীরা শিশুটির মামাসহ দুজনকে আটকে রাখার খবরে হাসপাতাল পরিচালক ও কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা আটক দুজনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। সেইসঙ্গে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে, সে লক্ষ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের দাবি জানান।
এ বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, বিষয়টি উভয়পক্ষের সঙ্গে বসে সমাধান করা হয়েছে। আমরা চাই এখানে যারা পড়ালেখা করছে, তারা যেন স্বাভাবিকভাবে ইউনিফর্ম পরে ক্যাম্পাসে চলাফেরা করতে পারে, সেইসঙ্গে রোগীদেরও যেন ঠিকভাবে চিকিৎসা হয়। সমস্যা আমাদের অনেক রয়েছে, ধীরে ধীরে সমাধান করতে হবে এবং ধৈর্য্য ধরতে হবে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার অলক কান্তি শর্মা জানিয়েছেন, ছাত্র আর রোগীর স্বজনদের মধ্যে কথা কাটাকাটির সূত্র ধরে অপ্রত্যাশিত একটি ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিয়ে সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ যাদের কাছ থেকে পাব, তার সূত্র ধরেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৩ দিন আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩৩৭
দেশে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৩৭টি শিশু।
মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ২টি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৩৯৮টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৭৭টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৪৭৫টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৭৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৬৪। এই সময়ে ১ হাজার ১১৫টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১১০টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৬০ হাজার ৫১৫, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৭ হাজার ৯২৯। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৪৩ হাজার ৯৮৩ রোগী, যাদের মধ্যে ৪০ হাজার ৯০ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৪ দিন আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫১৭
দেশে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৫১৭টি শিশু।
রবিবার (১৭ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও একটি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৩৮৪টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৭৫টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৪৫৯টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ২৪৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৭৪। এই সময়ে ১ হাজার ৬৪টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৯৯টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫৭ হাজার ৮৪৬, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৭ হাজার ৭৬৭। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৪২ হাজার ৯২ রোগী, যাদের মধ্যে ৩৭ হাজার ৭৪৪ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৬ দিন আগে
সিলেটে হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম রোগের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাদের একজনের বয়স ৫ মাস ও আরেকজনের ৮ মাস।
শুক্রবার (১৫ মে) সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তারা মৃত্যুবরণ করেছে। এ নিয়ে সিলেটে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে।
শনিবার (১৬ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আজ (শনিবার) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে ৫৪ রোগী। বর্তমানে সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৩৬ জন রোগী ভর্তি রয়েছে। তবে এই সময়ে নমুনা পরীক্ষায় সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়নি।
এদিকে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ৩০ শিশুর।
৭ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৫৯টি শিশু।
সোমবার (১১ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৩৫০টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬৫টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৪১৫টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১১৮টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৪১। এই সময়ে ১ হাজার ৭১টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১৩০টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ৫০০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ৯৩৭। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৩৫ হাজার ৯৮০ রোগী, যাদের মধ্যে ৩১ হাজার ৯৯২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১২ দিন আগে
হামে শিশুমৃত্যু: প্রত্যেক পরিবারকে ২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট
হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ৩৫২ শিশুর প্রত্যেক পরিবারকে ২ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। একইসঙ্গে দেশের প্রত্যেক জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইসিইউ, পিআইসিইউ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষাসুবিধাসহ হামের চিকিৎসায় বিশেষায়িত ইউনিট স্থাপনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
এ ছাড়াও রিটে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ এবং আইইডিসিআর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ১০ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সারা দেশে হাম ছাড়াও জলাতঙ্ক টিকার মজুত, সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ৭ দিনের মধ্যে আদালতে হলফনামা আকারে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।
রবিবার (১০ মে) সরকারের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং আইইডিসিআরের পরিচালককে বিবাদী করে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে জনস্বার্থে রিট পিটিশনটি দায়ের করেছেন মানবাধিকার সংগঠন ল’ অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের পক্ষে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব, ব্যারিস্টার মোহামমদ কাউছার, মো. মাকসুদুর রহমান।
বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং দেবাশীষ রায় চৌধুরীর দ্বৈত বেঞ্চের অনুমতি নিয়ে রিটটি দাখিল করা হয়েছে।
রিটে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে শুরু হওয়া ভয়াবহ হামের প্রাদুর্ভাবে এ পর্যন্ত ৩৫২টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সারা দেশে হাজার হাজার শিশু আক্রান্ত হচ্ছে এবং পরিস্থিতি ইতোমধ্যে দেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুতর জনস্বাস্থ্য সংকটে রূপ নিয়েছে। এই মৃত্যুগুলো আকস্মিক বা অনিবার্য ছিল না, বরং টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ ব্যবস্থায় নীতিগত পরিবর্তন, দীর্ঘদিনের কার্যকর ব্যবস্থার ব্যত্যয়, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সতর্কবার্তা উপেক্ষা এবং পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য অবকাঠামোর অভাবের ফলেই এই বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে।
রিট পিটিশনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ইউনিসেফের মাধ্যমে পরিচালিত টিকা সংগ্রহ ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি প্রবর্তনের সিদ্ধান্তের পর দেশে হামের টিকার সরবরাহ ও টিকাদান কার্যক্রমে গুরুতর বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। ইউনিসেফ একাধিকবার সম্ভাব্য টিকা সংকট, রোগের প্রাদুর্ভাব এবং শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি সম্পর্কে তৎকালীন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমকে সতর্ক করলেও তাতে কর্ণপাত করা হয়নি।
রিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পর্যাপ্ত আইসিইউ, পিআইসিইউ ও বিশেষায়িত চিকিৎসা সুবিধার অভাবে বহু শিশু সময়মতো চিকিৎসা পায়নি। অনেক পরিবার এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে ঘুরেও শিশুদের জন্য আইসিইউ বা পিআইসিইউ বেড সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়েছে, যার ফলে একাধিক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।
রিটে বলা হয়েছে, সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮ অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে যথাযথ প্রতিরোধমূলক ও চিকিৎসামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ হয়েছে। ফলে তদন্তে যাদের দায় প্রমাণিত হবে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।
এসব বিষয়ে গত ৫ মে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট একটি আইনি নোটিশ পাঠিয়ে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছিল। কিন্তু নোটিশের মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ার পরও কোনো কার্যকর প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এবং প্রতিদিন হাম পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় জনস্বার্থে এই রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে রিট আবেদনকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব বলেন, রাষ্ট্র তার নাগরিকদের, বিশেষত শিশুদের জীবন, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা রক্ষার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে। এই রিটের উদ্দেশ্য কেবল ক্ষতিপূরণ প্রার্থনা নয়; বরং জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থায় জবাবদিহি নিশ্চিত করা, দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা এবং ভবিষ্যতে যেন আর কোনো নাগরিককে এ ধরনের প্রতিরোধযোগ্য রোগে মৃত্যুর শিকার হতে না হয় তা নিশ্চিত করা।
দেশের সর্বোচ্চ আদালত সংবিধান এবং জনস্বার্থের অভিভাবক হিসেবে দেশের সকল শিশু এবং সংশ্লিষ্ট পরিবারের মৌলিক অধিকার রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
১৩ দিন আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪৩৫
দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৩৫টি শিশু।
শনিবার (৯ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ৩টি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ২৯১টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬১টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৩৫২টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৯টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৪৬। এই সময়ে ৭৬৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৫৯৪টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৪৭ হাজার ৬৫৬, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ৯৭৯। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৩৩ হাজার ৬৩১ রোগী, যাদের মধ্যে ২৯ হাজার ৭৪৬ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১৪ দিন আগে