শিশুমৃত্যু
কুমিল্লায় শিশুর রহস্যজনক মৃত্যুর ১৭ দিন পর দেহ উত্তোলন
কুমিল্লার হোমনায় আয়েশা আক্তার (৬) নামের এক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যুর ১৭ দিন পর আদালতের নির্দেশে কবর থেকে দেহ উত্তোলন করা হয়েছে।
মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার চুনারচর কবরস্থান থেকে মরদেহটি তোলা হয়। পরে তা ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত আয়েশা দক্ষিণ চুনারচর গ্রামের শারীরিক প্রতিবন্ধী মো. জাকির হোসেনের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ আগস্ট দুপুরে গ্রামের একটি দোকানের পেছনের ঝোপ থেকে পোশাকবিহীন অবস্থায় আয়েশার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রথমে পানিতে পড়ে মৃত্যুর কথা বলা হলেও উদ্ধারস্থল, পোশাকহীন অবস্থা ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে স্থানীয়দের মনে সন্দেহ তৈরি হয়। পরবর্তীতে শিশুটির বাবা মো. জাকির হোসেন গত ২৫ আগস্ট হোমনা থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। তার ধারণা, মেয়েকে যৌন নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে আদালতের নির্দেশে মরদেহ তোলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে এটি হত্যা নাকি দুর্ঘটনা, তা স্পষ্ট হবে। অপরাধের প্রমাণ মিললে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
মরদেহ উত্তোলনের সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহাম্মেদ মোফাচ্ছের উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশে শিশু আয়েশার মরদেহটি তোলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাচ্ছে না।
১ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১,০৪৪
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৪টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৮৭টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯৮৬টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৮০টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৬৪। এই সময়ে ৯৭৭টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৮৮টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬১ হাজার ১৪৮, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৫২৭। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৯ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪০৫ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১,০৯৭
দেশে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৯৭টি শিশু।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৮৪টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯৮৩টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৬৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৪। এই সময়ে ৯৫৩টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৫৯টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬০ হাজার ১৮৪, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৪৪৭। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার ৪৭২ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৪১৭ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১,২৩১
দেশে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৩১টি শিশু।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৮০টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯৭৯টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৭২টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৫৯। এই সময়ে ১ হাজার ৭৪টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৫৪টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৯ হাজার ১৫০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৩৮৪। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫১৯ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫৮ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৩ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১,২৫৬
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৫৬টি শিশু।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৭৪টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯৭৩টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৯৪টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৬২। এই সময়ে ১ হাজার ৯০টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১১২টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৭ হাজার ৯৯১, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৩১২। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৪৫ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৪০৪ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৪ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১,৫১৬
দেশে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৫১৬টি শিশু।
রবিবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৬৮টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯৬৭টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৩৬৫টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৫১। এই সময়ে ১ হাজার ৯০টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ২৮টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২৯, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ২১৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৪৭ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৩২ হাজার ২৯২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৫ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ প্রাণহানি, আক্রান্ত ৯৪৩
দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৩টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৯৪৩টি শিশু।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৬৪টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯৬৩টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৫৭টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮৬৪। এই সময়ে ৭৮৪টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮০৭টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬৭৮, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ৮৫৩। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৭ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৬ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১১৭০
দেশে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৭০টি শিশু।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৬১টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯৬০টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৭০টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১০০। এই সময়ে ১ হাজার ৩৬টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৬৮টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭৯২, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ৭৯৬। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৩৫ হাজার ৪৭৩ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৩০ হাজার ৪৫৭ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৭ দিন আগে
সিলেটে হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ১৫১
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে সিলেট বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫১ জনে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
একই সময়ে বিভাগে নতুন করে ছয়জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩১ জনে।
স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাদের একজনের বয়স পাঁচ মাস এবং অপরজনের বয়স ১১ মাস। এছাড়া সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে নয় মাস বয়সী আরও এক শিশু।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ১২৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৫৯ জন, এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬০ জন এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নয়জন ভর্তি হয়েছেন।
বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে সন্দেহজনক হাম আক্রান্ত ৩৫৬ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৪০ জন এবং এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১১০ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন। অন্যরা বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হাম উপসর্গ নিয়ে ১৪১ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫১ জনে।
৭ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১০৩১
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩২টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৫৬টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯৫৬টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৭৫টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৫৬। এই সময়ে ৮৬৪টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৭২৪টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৩ হাজার ৬৯২, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ৭২৬। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪৩৭ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৯ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৮ দিন আগে