শিশুমৃত্যু
হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় প্রাণহানি ৫, আক্রান্ত ৭৯৬
দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৭৯৬টি শিশু।
শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৫৬টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯২টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬৪৮টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৬৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৭৩৩। এই সময়ে ৬৭২টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৫৭৭টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৮৪ হাজার ৮৯৯, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ২৪৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৬৯ হাজার ৬০৬ রোগী, যাদের মধ্যে ৬৫ হাজার ৮৫২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় প্রাণহানি ৩, আক্রান্ত ১২৪২
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৪২টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৫০টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯২টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬৪২টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১৩২টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১১০। এই সময়ে ১ হাজার ৫৭টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১৪৮টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৮৩ হাজার ১৩৯, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৫৯। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৬৮ হাজার ৫৬ রোগী, যাদের মধ্যে ৬৪ হাজার ২৯৩ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২ দিন আগে
হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় প্রাণহানি ৮, আক্রান্ত ১০৩৯
দেশে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৯টি শিশু।
বূধবার (১০ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৪৭টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯২টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬৩৯টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৯৪টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৪৫। এই সময়ে ৮২৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৫৩টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৮২ হাজার ২৯, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৯২৭। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৬৬ হাজার ৯৯৯ রোগী, যাদের মধ্যে ৬৩ হাজার ১৪৫ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৩ দিন আগে
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় গেছে আরও ৮টি প্রাণ, আক্রান্ত ১১৮৫
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৮৫টি শিশু।
সোমবার (৮ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৩৬টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯২টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬২৮টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৯৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৯২। এই সময়ে ৯৭৪টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১৯৪টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৮০ হাজার ১০৪, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৭৭৯। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৬৫ হাজার ২৩৭ রোগী, যাদের মধ্যে ৬১ হাজার ২৭৮ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৫ দিন আগে
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ জনে।
শনিবার (২৩ মে) সকালে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হওয়া ৪ শিশুর মধ্যে একজনের বাড়ি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে (১০ মাস), একজনের বাড়ি সিলেটের শাহপরাণ এলাকায় (১৫ মাস), একজনের বাড়ি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল (৫ মাস) ও অপরজনের বাড়ি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় (৬ মাস)।
মৃত চার শিশুর মধ্যে দুজন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং দুজন শহিদ শামসুদ্দিন আহমেদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে মোট ২৯৫ রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নতুন করে কোনো রোগী শনাক্ত না হলেও এই সময়ে ৪৩ জন সন্দেহভাজন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১ জানুয়ারি থেকে আজ (শনিবার) পর্যন্ত বিভাগে মোট ১৫৮ জন ল্যাব-নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। বিভাগে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং বাকিরা হামের উপসর্গে।
২১ দিন আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০২১
দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২১টি শিশু।
শনিবার (২৩ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে, ময়মনসিংহ থেকে ২৪ ঘণ্টায় হামজনিত রোগের উপসর্গে ১ হাজার ৩৯ জন শনাক্ত হওয়ার তথ্য জানানো হয়েছিল। ফলে এক দিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগী শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। তবে সন্ধ্যা ৬টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে তথ্যটি সংশোধন করার ফলে এ প্রতিবেদনে তা সমন্বয় করা হলো।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও একটি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪২৬টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮৬টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৫১২টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৪৯টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৭২। এই সময়ে ১ হাজার ৮৭৮টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৬০০টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৬২ হাজার ৫০৭, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৪৯৪। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৪৯ হাজার ৩৮৯ রোগী, যাদের মধ্যে ৪৫ হাজার ১১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২১ দিন আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৬৩১
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৬৩১টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ৩টি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪০৫টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৪৮৮টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ২০৮টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৪২৩। এই সময়ে ১ হাজার ২৭৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ২১৬টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫৯ হাজার ২৭৯, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ২৭৫। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৪৬ হাজার ৪০৭ রোগী, যাদের মধ্যে ৪২ হাজার ৩৩৬ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২৩ দিন আগে
শেবাচিম হাসপাতালে শিশুর মৃত্যু, স্বজন-ইন্টার্ন চিকিৎসকদের তুলকালাম
নবজাতক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের (শেবাচিম) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিহতের স্বজনদের তুলকালাম ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মৃত শিশুটির এক স্বজনসহ দুইজনকে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা মারধর করে আটকে রাখেন। পরে হাসপাতাল পরিচালক, মেডিকেল কলেজ প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ক্ষমা চেয়ে- মুচলেকা দিয়ে রক্ষা পায় আটকে থাকা দুই ব্যক্তি।
মঙ্গলবার (২০ মে) রাত ১১টার দিকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে।
ওয়ার্ড সূত্রে জানা গেছে, বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার চাখারের বাসিন্দা উজ্জল দের ৭ দিনের কন্যা সন্তান অসুস্থ হওয়ায় তাকে শেবাচিম হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে শিশুটির মৃত্যু হয়।
প্রতক্ষদর্শীরা জানান, শিশুটির মৃত্যুর পরপরই স্বজনরা আবেগআপ্লুত হয়ে পড়েন এবং চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ তোলেন, যা নিয়ে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে স্বজনদের বাগবিতণ্ডাও হয়। এর কিছুক্ষণ পরে মেডিকেল কলেজের কিছু শিক্ষার্থী এসে জয়দেব নামে ওই শিশুর এক স্বজনকে মারধর করেন, সেই ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে মামুন নামে আরেক যুবক মারধরের শিকার হন। পরে তাদের হাসপাতালের নিচতলার জরুরি বিভাগের একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়।
যদিও মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন শেবাচিমের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থী শান্তা তালুকদার বলেন, মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের সকালে ও বিকেলে ওয়ার্ড থাকে এবং এর ওপর আইটেম থাকে। আইটেম দিয়ে বের হওয়ার সময় মৃত শিশুর বাবা তার স্বজনদের বলেন আমাদের আটকে রাখতে। তার অভিযোগ, ভুল চিকিৎসার জন্য শিশু সন্তানটি মৃত্যুবরণ করেছে।
তিনি বলেন, মৃতের স্বজনরা আমাদের আটকানোর চেষ্টাকালে মেয়ে শিক্ষার্থীদের অ্যাপ্রোন ও ব্যাগ ধরে টান দেন। সেইসঙ্গে ওয়ার্ডের দায়িত্বরত নার্সদেরও হেনস্থা করেন।
অপর শিক্ষার্থী মুনায়াত মুন বলেন, নবজাতক ওয়ার্ডের পাশে আমাদের একটি শ্রেণিকক্ষ আছে, যেখান থেকে বের হওয়ার সময় হট্টগোলের বিষয়টি শুনতে পাচ্ছিলাম। তবে সেখান থেকে যাওয়ার সময় একটা লোক আমাদের কারও হাত, কারও ওড়না, আবার কারও ব্যাগ ধরে টান দেন এবং অশোভন আচরণ শুরু করেন। এরপর আমরা আত্মরক্ষার্থে সেবিকাদের সহায়তায় একটা কক্ষে আশ্রয় নেই। এরপর আমাদের দুই ছেলে ব্যাচমেট এসে তাকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি তাদের মোবাইল ভাঙচুর করেন। পরে ইউনিফর্ম লুকিয়ে আমরা সেখান থেকে পালিয়ে আসি।
তবে শিশুর বাবা উজ্জল জানান, সন্ধ্যার পরে তার সন্তানের শ্বাসকষ্ট হওয়ায় চিকিৎসকের কাছে যান তারা। ওইসময় রুমে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ছিলেন, তারা এসে শিশুকে মৃত ঘোষণা করলে তার মামা আবেগআপ্লুত হয়ে পড়ে। এ সময় তিনি ইন্টার্ন চিকিৎসকেদর ওয়ার্ড থেকে যেতে নিষেধ করলে তাকে এবং অপর আরেক ব্যক্তিকে মারধর করা হয়।
মৃত শিশুর মা পূজা রানী দাস বলেন, সন্তানের মৃত্যুর পর তার মামা হয়তো মুখে কিছু বলেছে, কিন্তু কারও গায়ে হাত দেননি। তারপরও তাকে শিক্ষার্থীরা মারতে মারতে নিচে নিয়ে গেছে। যদি আমার ভাই কোনো ভুল করে থাকে, তাহলে আমি হাতজোড় করে ক্ষমা চাইছি, আমাদের মাফ করে দেন। রাত ১ টা পর্যন্ত এখানে মৃত সন্তানকে নিয়ে বসে আছি, আমাদের যেতে দিন।
এদিকে, শিক্ষার্থীরা শিশুটির মামাসহ দুজনকে আটকে রাখার খবরে হাসপাতাল পরিচালক ও কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা আটক দুজনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। সেইসঙ্গে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে, সে লক্ষ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের দাবি জানান।
এ বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, বিষয়টি উভয়পক্ষের সঙ্গে বসে সমাধান করা হয়েছে। আমরা চাই এখানে যারা পড়ালেখা করছে, তারা যেন স্বাভাবিকভাবে ইউনিফর্ম পরে ক্যাম্পাসে চলাফেরা করতে পারে, সেইসঙ্গে রোগীদেরও যেন ঠিকভাবে চিকিৎসা হয়। সমস্যা আমাদের অনেক রয়েছে, ধীরে ধীরে সমাধান করতে হবে এবং ধৈর্য্য ধরতে হবে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার অলক কান্তি শর্মা জানিয়েছেন, ছাত্র আর রোগীর স্বজনদের মধ্যে কথা কাটাকাটির সূত্র ধরে অপ্রত্যাশিত একটি ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিয়ে সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ যাদের কাছ থেকে পাব, তার সূত্র ধরেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২৪ দিন আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩৩৭
দেশে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৩৭টি শিশু।
মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ২টি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৩৯৮টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৭৭টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৪৭৫টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৭৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৬৪। এই সময়ে ১ হাজার ১১৫টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১১০টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৬০ হাজার ৫১৫, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৭ হাজার ৯২৯। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৪৩ হাজার ৯৮৩ রোগী, যাদের মধ্যে ৪০ হাজার ৯০ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২৫ দিন আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫১৭
দেশে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৫১৭টি শিশু।
রবিবার (১৭ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও একটি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৩৮৪টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৭৫টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৪৫৯টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ২৪৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৭৪। এই সময়ে ১ হাজার ৬৪টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৯৯টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫৭ হাজার ৮৪৬, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৭ হাজার ৭৬৭। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৪২ হাজার ৯২ রোগী, যাদের মধ্যে ৩৭ হাজার ৭৪৪ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২৭ দিন আগে