নির্বাচন পর্যবেক্ষক
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসছেন ওআইসিসহ ছয় সংস্থার আরও ৬৩ জন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে অনুষ্ঠিতব্য গণভোট পর্যবেক্ষণে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা-ওআইসিসহ ছয়টি আন্তর্জাতিক সংস্থা অন্তত ৬৩ জন পর্যবেক্ষক পাঠাতে সম্মত হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ১৬টি দেশ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৩২ জন ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষকের সঙ্গে যোগ হচ্ছেন তারা।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টোর দপ্তর থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর বলছে, আসন্ন নির্বাচনের জন্য নিশ্চিত হওয়া আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা গত ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বিতর্কিত সাধারণ নির্বাচনের দ্বিগুণেরও বেশি।
এর আগে দ্বাদশ, একাদশ ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১৫৮, ১২৫ ও ৪।
দুই সদস্যের ওআইসির পর্যবেক্ষক মিশনের নেতৃত্ব দেবেন ওআইসির নির্বাচন পর্যবেক্ষক ইউনিটের প্রধান শাকির মাহমুদ বন্দর। এছাড়াও এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (এএনএফআরইএল) থেকে ২৮ জন পর্যবেক্ষক, কমনওয়েলথ সচিবালয় থেকে ২৫ জন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) থেকে সাত জন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) থেকে একজন পর্যবেক্ষক আসবেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভয়েস ফর জাস্টিস, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল, এসএনএএস আফ্রিকা, সার্ক হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন এবং পোলিশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের মতো সংস্থার প্রতিনিধিত্বকারী ৩২ জন পর্যবেক্ষক তাদের ব্যক্তিগত ক্ষমতায় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা জ্যেষ্ঠ সচিব ও এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ বলেন, ‘আমরা আশা করছি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা আরও বাড়বে, কারণ পর্যবেক্ষক পাঠানোর জন্য আমন্ত্রিত বেশ কয়েকটি দেশ এখনো তাদের প্রতিনিধিদের নাম নিশ্চিত করেনি।’
আমন্ত্রিত যেসব দেশ এখনো তাদের প্রতিনিধিদের নাম নিশ্চিত করেনি, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ভারত, নেপাল, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, মিসর, ফ্রান্স, কুয়েত, মরক্কো, নাইজেরিয়া ও রোমানিয়া।
দক্ষিণ এশিয়ার নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলোর ফোরাম (ফেম্বোসা) শিগগিরই তাদের পর্যবেক্ষক প্রতিনিধিদের তালিকা ঘোষণা করতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
এবারের নির্বাচনে দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনের জন্য ৫০টিরও বেশি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে প্রায় ২ হাজার প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট এক দিনে একইসঙ্গে হবে।
নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণে ৮১টি দেশি নিবন্ধিত সংস্থার ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন পর্যবেক্ষক নিয়োজিত থাকবেন বলেছে নির্বাচন কমিশন।
গেল ২৬ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখার সহকারী পরিচালক মো আশাদুল হক জানান, দেশি পর্যবেক্ষকদের মধ্যে সাত হাজার ৯৯৭ জন কেন্দ্রীয়ভাবে এবং ৪৭ হাজার ৪৫৭ জন স্থানীয়ভাবে ভোট পর্যবেক্ষণ করবেন।
২০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ইইউ’র
আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশে নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।
এ উপলক্ষে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভার্স ইজাবসকে প্রধান পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) প্রকাশিত ইইউ’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালে এটি হবে বিশ্বের যেকোনো স্থানের মধ্যে সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক অনুশীলন।
বিজ্ঞপ্তিতে ইইউ জানিয়েছে, ইউরোপীয় কমিশনের উচ্চ প্রতিনিধি ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজা কালাস বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ইভার্স ইজাবস বলেন, বাংলাদেশে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের নেতৃত্ব পেয়ে সম্মানিত বোধ করছি। এই মিশন নির্বাচনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ মূল্যায়ন তুলে ধরবে।
তিনি আরও বলেন, এই মিশন বাংলাদেশের জনগণ এবং তাদের শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, আইনের শাসন ও মানবাধিকার সুরক্ষার আকাঙ্ক্ষার প্রতি ইইউর সমর্থনের বাস্তব উদাহরণ।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মানদণ্ড অনুযায়ী পুরো নির্বাচনি প্রক্রিয়া মূল্যায়ন করবে। একই সঙ্গে প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ ও মতবিনিময় করবে।
৪৬ দিন আগে
বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠায়নি কানাডা সরকার: হাইকমিশন
বাংলাদেশে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কানাডা সরকার কোনো নির্বাচণ পর্যবেক্ষক পাঠায়নি। পর্যবেক্ষক হিসেবে চিহ্নিত কানাডিয়ান দুই নাগরিক স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছেন।
সোমবার (৮ জানুয়ারি) সামাজিক মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটারে) এই তথ্য জানিয়েছে ঢাকার কানাডিয়ান হাইকমিশন।
এতে বলা হয়, নির্বাচন বিষয়ে তাদের(দুই পর্যবেক্ষকের) প্রদত্ত মতামতের সঙ্গে কানাডা সরকারের সংশ্লিষ্টতা নেই।আরও পড়ুন: জাতীয় নির্বাচন 'অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ' হয়েছে: সফররত বিদেশি পর্যবেক্ষকরা
নির্বাচনকে 'অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সফল' বললেন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও রাশিয়ার পর্যবেক্ষকরা
৭৫৪ দিন আগে
সুনির্দিষ্ট ম্যান্ডেট ছাড়া জাতিসংঘ নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠায় না: মুখপাত্র
জাতিসংঘ বলেছে, তারা বাংলাদেশের মতো নির্বাচনে পর্যবেক্ষক মোতায়েন করে না এবং সুনির্দিষ্ট ম্যান্ডেট ছাড়া তারা খুব কমই তা করে।
জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফান দুজারিক ২৯ নভেম্বর নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘জাতিসংঘ এসব নির্বাচনে পর্যবেক্ষক মোতায়েন করছে না। আমরা করি না... আমরা খুব কমই, খুব কমই একটি নির্দিষ্ট ম্যান্ডেট ছাড়া তা করি।’
তিনি বলেন, তারা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও অন্যান্য সংস্থার প্রতিবেদন দেখেছেন।
মুখপাত্র বলেন, ‘জনগণ যাতে অবাধে, স্বাধীনভাবে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারে এবং কোনো ধরনের হয়রানি মুক্ত হতে পারে তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট সকল দলের প্রতি আবারও আহ্বান জানাচ্ছি।’
উল্লেখ্য, ৭ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে ৪৪টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৩০টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: জাতিসংঘে বাংলাদেশের ‘প্রাকৃতিক তন্তু’ সম্পর্কিত রেজুলেশন সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত
ইন্দোনেশিয়ার মতো দুর্দশাগ্রস্ত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তা করুন: জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ
৭৯৩ দিন আগে