গঙ্গা চুক্তি
গঙ্গা চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে বাংলাদেশের ন্যায্য দাবির ভিত্তিতে: শামা
ভারতের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ ও আলোচনার গুরুত্ব তুলে ধরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের ন্যায্য অধিকার সুরক্ষায় গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নের বিষয়ে আলোচনার জন্য সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশের ন্যায্য দাবি ও অধিকার আদায়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে। দেশের প্রাপ্য ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে হলে ধারাবাহিকভাবে যোগাযোগ বজায় রাখা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ন্যায্য অধিকার আদায় করতে হলে এর জন্য লড়তে হবে। আর লড়তে হলে তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। বিষয়টি পরিষ্কার। আশা করি, ভারত সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ন্যায্য দাবির ভিত্তিতেই আলোচনা হবে, যা দেশ ও জনগণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে ভালো ফল অর্জনের চেষ্টা করা হবে। পানি-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশের সিদ্ধান্তও সেই ভিত্তিতে নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের অনেক বিষয় রয়েছে, যেগুলো সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা প্রয়োজন।
সম্প্রতি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, গঙ্গা চুক্তি ও অভিন্ন নদী-সংক্রান্ত অন্য বিষয়গুলো যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে আলোচনা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, গঙ্গা পানি চুক্তি এবং বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন অন্যান্য নদীর বিষয়ে যৌথ নদী কমিশন রয়েছে। নদী ও নদীসংশ্লিষ্ট সব বিষয়ে এই কমিশনের আওতায় আলোচনা করা হবে।
গঙ্গা চুক্তি নিয়ে কারিগরি পর্যায়ের বৈঠক অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান মুখপাত্র।
এদিকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, আন্তঃসীমান্ত নদীগুলো থেকে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে। ফলে কার্যকর পানিকূটনীতি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও ভারতের সঙ্গে গঠনমূলক যোগাযোগের গুরুত্ব আরও বাড়ছে।
১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ১২ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা। বিষয়টির গুরুত্ব এই সময়সীমার কারণে আরও বেড়েছে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সরকার এ বিষয়ে আরও সরব হয়েছে। বাংলাদেশের স্বার্থ, বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির হিস্যা সুরক্ষায় নিশ্চয়তার ধারা যুক্ত করে নতুন বা সংশোধিত চুক্তির জন্য বাংলাদেশ আলোচনা করবে—এমন ইঙ্গিতও দিয়েছে সরকার।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। তবে একমাত্র গঙ্গা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি রয়েছে।
সম্প্রতি পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, বিদ্যমান চুক্তি শুধু নবায়নের পরিবর্তে বাংলাদেশ নতুন বা সংশোধিত গঙ্গা চুক্তি চায়। এতে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় পানির হিস্যা নিশ্চিত করার বিধান থাকতে হবে।
তিনি গত বৃহস্পতিবার জানান, ১৯৭৭ সালের চুক্তিতে থাকা নিশ্চয়তার ধারাটি ফিরিয়ে আনাই বাংলাদেশের প্রধান অগ্রাধিকার।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শাসনামলে আলোচিত ১৯৭৭ সালের চুক্তিতে একটি সুরক্ষামূলক বিধান ছিল। এতে বলা হয়েছিল, গঙ্গার পানি যদি ফারাক্কা পয়েন্টে ৮০ শতাংশের নিচে নেমে যায়, তাও বাংলাদেশ তার শেয়ারের ৮০ শতাংশ পাবে।
শামা ওবায়েদ আশা প্রকাশ করেন, এমনভাবে চুক্তিটি নবায়ন বা সম্পাদিত হবে, যেন বাংলাদেশ ও জনগণের ন্যায্য অধিকার সুরক্ষিত হয়।
এছাড়া ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য বাণিজ্য ঘাটতির বিষয়ে তিনি বলেন, এই ঘাটতি কমানো সরকারের অগ্রাধিকারগুলোর একটি। তবে দ্বিপক্ষীয় সমস্যার সমাধানে আলোচনার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন তিনি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। এই ঘাটতি কমানো আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। তবে যেকোনো সমস্যা সমাধানের জন্য আমাদের আলোচনার টেবিলে বসতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধ থাকলেও যোগাযোগ বজায় রাখতে অন্তত ন্যূনতম পর্যায়ের সম্পর্ক ধরে রাখা প্রয়োজন।
২ দিন আগে
গঙ্গা চুক্তির আলোচনায় পশ্চিমবঙ্গের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বিস্তারিত জানাল ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
২০২৬ সালের পরে গঙ্গা পানিচুক্তি নবায়ন সম্পর্কে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, গত ৫ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গ থেকে একটি যোগাযোগ পাওয়া গেছে। এতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের পরে চুক্তিতে তাদের খাবার পানি এবং শিল্পের পানির প্রয়োজনীয়তার কথা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
চলতি বছরের ৩১ মে অনুষ্ঠিত কমিটির শেষ বৈঠকে যোগ এই প্রয়োজনীয়তার পুনরাবৃত্তি করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধি।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে চুক্তি নবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক কাজ পরিচালনা করে ভারতের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
পরের ধাপে গঙ্গার পানি চুক্তি নবায়ন নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনা শুরু করতে মন্ত্রণালয় একটি যৌথ কারিগরি কমিটি গঠন করে।
শুষ্ক মৌসুমে ফারাক্কা বাঁধে গঙ্গা/গঙ্গার পানি বণ্টনের জন্য ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়েছিল।
আরও পড়ুন: প্রমোদতরি ‘এম ভি গঙ্গা বিলাস’: ষাট গম্বুজ মসজিদ পরিদর্শনে ২৫ বিদেশি পর্যটক
এই চুক্তিটি ত্রিশ বছরের জন্য বৈধ এবং তাই ২০২৬ সালে নবায়ণ করার বিষয়টি রয়েছে।
চুক্তির অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনার জন্য দেশটির পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ২০২৩ সালের ২৪ জুলাই একটি অভ্যন্তরীণ কমিটি গঠন করে। সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে বিহার সরকারের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ সরকারও রয়েছে। যাদের প্রতিনিধিদের এই কমিটিতে সদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২০২৩ সালের ২৫ আগস্ট কমিটিতে তাদের প্রতিনিধি মনোনীত করে।
অভ্যন্তরীণ কমিটি এ পর্যন্ত চারটি সভা করেছে। ২০২৩ সালের ২২ আগস্ট প্রথমটি, দ্বিতীয়টি ২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর, তৃতীয়টি ২০২৪ সালের১৫ মার্চ এবং ২০২৪ সালের ৩১ মে শেষ বৈঠকটি করে কমিটি। এটি কমিটি ২০২৪ সালের ১৪ জুন তার চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। যেটি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে পরীক্ষাধীন।
এ পর্যন্ত চারটি বৈঠকের মধ্যে তিনটিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন যুগ্ম সচিব, সেচ ও নৌপথ বিভাগ অথবা প্রধান প্রকৌশলী (নকশা ও গবেষণা), সেচ ও নৌপথ বিভাগ। অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রতিনিধি মনোনয়ন পাওয়ার পরে অনুষ্ঠিত তিনটি সভায় অংশ নিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন: গঙ্গা চুক্তি নবায়ন ও তিস্তা চুক্তি সই করতে আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটির আহ্বান
৮৫৯ দিন আগে
গঙ্গা চুক্তি নবায়ন ও তিস্তা চুক্তি সই করতে আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটির আহ্বান
গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়ন এবং তিস্তা চুক্তি সই করার জন্য ঢাকা ও দিল্লির প্রতি গ্যারান্টি ও সালিশি ধারাসহ একটি চুক্তি করার আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটি।
শনিবার(৯ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক যৌথ বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক জসিম উদ্দিন আহমেদ এই আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, দেশগুলোর মধ্যে অভিন্ন ৫৪টি নদীর পানি কেবল অববাহিকাভিত্তিক চুক্তির ভিত্তিতেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।
আরও পড়ুন: ফারাক্কার গেট খুলে দেয়ায় নাটোরে পানি ক্রমশ বাড়ছে
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন আইএফসির আহ্বায়ক মোস্তফা কামাল মজুমদার, লেখক ও গবেষক সিরাজুদ্দীন সাথী, তমিজউদ্দীন আহমদ, আইএফসি বাংলাদেশের সহসভাপতি ড. নাজমা আহমদ এবং সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম আজাদ।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, উপমহাদেশের অন্যান্য দেশ নেপাল ও পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সই করা পানি চুক্তিতে নিশ্চয়তা ও আরবিট্রেশন ক্লজ রয়েছে।
ফলে সিন্ধু ও মহাকালী পানিচুক্তি পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের সঙ্গে সই করা গঙ্গার পানি চুক্তিতে শর্ত পূরণ করা হয়নি।
এই ত্রুটির কারণে বন্ধুপ্রতিম দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আশানুরূপ গড়ে ওঠেনি।আরও পড়ুন: বিহারে বন্যা সামাল দিতে ফারাক্কার সব গেট খুলে দিয়েছে ভারত
১৯৭৫ সালের ২১ এপ্রিল থেকে ৩১ মে পর্যন্ত মোট ৪১ দিন পরীক্ষামূলকভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে পরামর্শ করে গঙ্গার ওপর ফারাক্কা বাঁধ চালু করা হয়। কিন্তু এরপর থেকে বাংলাদেশে একতরফা পানি প্রত্যাহার অব্যাহত থাকে এবং পরিবেশগত বিপর্যয় দেখা দেয়।
পরে ১৯৭৭ সালে ৮০ শতাংশ পানির প্রাপ্যতার গ্যারান্টি ক্লজ দিয়ে পাঁচ বছর মেয়াদি পানি চুক্তি সই হয়। কিন্তু এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তা নবায়নের পরিবর্তে ১৯৮২ সালে গ্যারান্টি ক্লজ বাদ দিয়ে ৫ বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারক সই হয়।
এরপর ১৯৯৬ সালে গঙ্গার পানি বণ্টনের জন্য আবারও ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তি সই হয়। ২০২৬ সালে এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। তাই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ তার সাম্প্রতিক দিল্লি সফরে এসে এই চুক্তি নবায়ন এবং তিস্তার পানি চুক্তি সইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন।
এই গঙ্গা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ পানি পায়নি। চুক্তিতে গ্যারান্টি ও আরবিট্রেশন ক্লজ না থাকায় এটি কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি। চুক্তির এই দুর্বলতা নবায়নের সময় দূর করতে হবে।
আরও পড়ুন: ফারাক্কার প্রভাবে ভাঙছে নবগঙ্গা-মধুমতি
২০১১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরের সময় তিস্তা নিয়ে চুক্তি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতার কারণে তা আজও করা হয়নি।
শুষ্ক মৌসুমে তিস্তা নদীর কোনো পানি বাংলাদেশে ছাড়া হয় না। পশ্চিমবঙ্গের গজলডোবা ব্যারেজ থেকে সামান্য পরিমাণ পানি বাংলাদেশে আসে।
অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে বন্যার পানি পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়ার ফলে প্রতি বছর বাংলাদেশের তিস্তা অববাহিকায় হাজার হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তীব্র বন্যা ও তীর ভাঙনের কারণে ব্যাপক ফসল নষ্ট হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের কাছে এই নদীর উৎপত্তিস্থল। তাই নদীর প্রবাহের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের মানুষের জীবন-মরণের প্রশ্ন। এ পর্যন্ত তিস্তাসহ অন্যান্য অভিন্ন নদীতে বাঁধ নির্মাণ করে একতরফা পানি প্রত্যাহার বেড়েছে।
এতে বলা হয়, স্বল্পমেয়াদি সুবিধার জন্য অদূরদর্শী বাঁধ দিয়ে তাদের গতিপথ পরিবর্তন করে এই প্রাকৃতিক পানির উৎসগুলোকে ধ্বংস করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: অভিন্ন নদীর পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করুন, দুর্যোগ এড়ান: ফারাক্কা কমিটি
৯৭০ দিন আগে