সর্বজনীন পেনশন
সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রগতি’ স্কিমে এনজিও কর্মীদের অন্তর্ভুক্তির আহ্বান পরিকল্পনা উপদেষ্টার
এনজিও খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের ‘প্রগতি’ স্কিমে তাদের অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নিতে এনজিওগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর আয়োজনে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ২৫০টি এনজিওর প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে সর্বজনীন পেনশন স্কিমবিষয়ক এক আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এনজিওগুলোর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে তাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত যোগ্য কর্মীদের ‘প্রগতি’ স্কিম সম্পর্কে অবহিত করা এবং তাদের এ স্কিমে অন্তর্ভুক্ত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
জুম প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হয়ে তিনি বলেন, দেশের বেসরকারি ও এনজিও খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বজনীন পেনশন স্কিমে তাদের অধিকতর অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য একটি কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে উন্নয়নের সুফল সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে পৌঁছাবে এবং কেউ পিছিয়ে থাকবে না।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার-২০২৬-এর দ্বিতীয় অধ্যায়ের ‘বৈষম্যহীন আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও টেকসই রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা অর্জন’ অংশে বেসরকারি খাতে নিয়োজিত ব্যক্তিদের বার্ধক্যের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘পেনশন ফান্ড গঠন’-এর অঙ্গীকার করা হয়েছে।
এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বেসরকারি ও এনজিও খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওগুলো নিজ নিজ কর্মীদের ‘প্রগতি’ স্কিমের আওতায় আনতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
সভায় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান সর্বজনীন পেনশন স্কিমের কাঠামো, উদ্দেশ্য ও সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরে একটি উপস্থাপনা দেন।
তিনি বলেন, দেশের নাগরিকদের বার্ধক্যকালীন আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টিযুক্ত সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করা হয়েছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বহুজাতিক কোম্পানি এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওসহ বেসরকারি খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য ‘প্রগতি’ স্কিম প্রণয়ন করা হয়েছে।
এ স্কিমের আওতায় নিয়মিত চাঁদা প্রদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শেষে আজীবন মাসিক পেনশন পাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে সভায় জানানো হয়।
সভায় এনজিও প্রতিনিধিরা সর্বজনীন পেনশন স্কিম নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন এবং উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন। জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা দেন।
এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক (সচিব) ড. মোহাম্মদ জকরিয়া সভাপতির বক্তব্যে এনজিও খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর পরিচালক (যুগ্মসচিব) ড. কে. এম. মামুন উজ্জামান স্বাগত বক্তব্য দেন। জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) শেখ কামরুল হাসান শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন।
এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর পরিচালক (যুগ্মসচিব) ব্যারিস্টার মো. খলিলুর রহমান ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
সভায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধিরা সর্বজনীন পেনশন স্কিম সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করেন এবং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের এ স্কিমের আওতায় আনার বিষয়ে ইতিবাচক আগ্রহ প্রকাশ করেন।
৬ দিন আগে
দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মবিরতিতে ববি
সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয় স্কিম’ প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
ববি শিক্ষক সমিতি ও ববি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (২ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে এ কর্মবিরতি শুরু হয়।
আরও পড়ুন: খুলনার তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কর্মবিরতি শুরু
এসময় সুপার গ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি ও শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল চালুর দাবিও জানানো হয়।
শিক্ষকদের কর্মবিরতির কারণে ক্লাস, পরীক্ষা, সভা, সেমিনার ও সিম্পোজিয়াম- সবকিছু বন্ধ রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।
ববি শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মোহাম্মদ আবদুল বাতেন চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব।’
আরও পড়ুন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অংশীদারত্বকে আমরা সম্মান করি: মার্কিন দূতাবাস
৭৭৮ দিন আগে
সব মানুষের কল্যাণে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী: কৃষিমন্ত্রী
সব মানুষের কল্যাণের জন্য সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ।
তিনি বলেন, ‘জনকল্যাণে এটি প্রধানমন্ত্রীর একটি অনন্য উদ্যোগ। কেউ সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় যুক্ত হলে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাকে দুশ্চিন্তায় থাকতে হবে না। এই পেনশন ব্যবস্থা অবসরকালীন সময়ে আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে এবং শেষ বয়সে কারো কাছে হাত পাততে হবে না।’
আরও পড়ুন: টেকসই খাদ্য নিরাপত্তায় গবেষণা জোরদার করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী
সোমবার (২২ এপ্রিল) সকালে মৌলভীবাজার জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন আয়োজিত সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিষয়ক উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও পেনশন মেলায় এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তারা অবসরে গেলে পেনশন পান, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে যারা কর্মরত এবং দেশের অন্যান্য মানুষ পেনশনের সুবিধা পান না। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, পরিবারের সদস্যরা বয়স্কদের ঠিকমতো দেখভাল করেন না, অনেক সময় বৃদ্ধাশ্রমে বয়স্কদের রেখে আসেন। শেষ বয়সে অনেকেই ট্যাবলেট কিনতে পারেন না। এক্ষেত্রে পেনশন স্কিম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি আরও বলেন, ‘পেনশনে যুক্ত হলে শেষ বয়সে টেনশনে থাকতে হবে না। ছেলে ও মেয়ে দেখছে না বলেও অভিযোগ করতে হবে না।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সমৃদ্ধির শিখড়ে উঠেছে। তার নেতৃত্বে ২০৪১ সালের মধ্যেই উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হবে।’
আরও পড়ুন: কৃষক যাতে ন্যায্যমূল্য পান, সেভাবেই ধানের দাম নির্ধারণ করা হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষকের দামে তরমুজ বিক্রি সিন্ডিকেট ভাঙার বড় উদ্যোগ: কৃষিমন্ত্রী
৮৪৯ দিন আগে