ডিএনসিসি প্রশাসক
রাতে মিরপুর-১০ এলাকা পরিদর্শনে ডিএনসিসি প্রশাসক
নিজে গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
এ সময় তিনি ওই এলাকার হকার উচ্ছেদ-পরবর্তী পরিস্থিতি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ ব্যবস্থা, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন।
সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে নিজে গাড়ি চালিয়ে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন প্রশাসক।
এ সময় মিরপুর-১০ এলাকা থেকে উচ্ছেদ করা হকারদের অবৈধ বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়ার নির্দেশ দেন প্রশাসক। এছাড়া মিরপুর-১০ এলাকার হকারদের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর সেখানকার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
এ সময় শফিকুল ইসলাম খান বিভিন্ন ওয়ার্ডের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কার, প্রজেক্টর ডাস্টবিন স্থাপন, জনদুর্গভোগ কমানোসহ বিভিন্ন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।
পাশাপাশি তিনি মিরপুর-১০ থেকে শেওড়াপাড়া পর্যন্ত মেট্রো রেলের পিলার ও এর আশপাশে বিভিন্ন দেয়াল থেকে অবৈধ পোস্টার ও লিফলেট অপসারণের পর গ্রাফিতি অঙ্কনের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করেন ও বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।
মিরপুর-১০ এলাকাকে একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
১০ দিন আগে
ফুটপাত দখলমুক্ত করতে আর ছাড় নয়: ডিএনসিসি প্রশাসক
অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ফুটপাতগুলো জনগণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংস ও প্রতিরোধে ডিএনসিসির আয়োজনে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহের উদ্বোধনকালে তিনি এ ঘোষণা দেন।
ডিএনসিসি প্রশাসক অভিযোগ করেন, ব্যবসার উদ্দেশ্যে ফুটপাত দখল করে রাখা ব্যক্তিদের ডিএনসিসির পক্ষ থেকে আগে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তবে তারা এর পরিপ্রেক্ষিতে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেননি।
সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘এখন আর নোটিশ নয়, যেখানেই ফুটপাত দখল করা হবে, সেখানেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলবে এবং ফুটপাত দখলমুক্ত করে জনগণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ফুটপাত পথচারীদের জন্য এবং নিরাপদে তা ব্যবহারের অধিকার জনগণের রয়েছে।
জনগণই সব ক্ষমতার উৎস উল্লেখ করে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ডিএনসিসি সহযোগিতা করবে।
শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা কেউ প্রতিহত করতে চাইলে আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সম্মিলিতভাবে তা মোকাবিলা করব।’
এ সময় ডিএনসিসি প্রশাসক তিন মাসের মধ্যে নগরকে ডেঙ্গুমুক্ত এবং ফুটপাতকে অবৈধ দখলমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণার অনুযায়ী তিন মাসের মধ্যে ঢাকা উত্তরকে ডেঙ্গুমুক্ত করতে আমরা প্রতিদিন পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।’
ডিএনসিসি তিন মাস ধরে ঢাকা উত্তরকে ডেঙ্গুমুক্ত করতে কাজ করছে উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত আবাসিক ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হচ্ছে এবং যেখানে লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে, সেখানেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নগরবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, ডেঙ্গু সম্পর্কে নগরবাসীকে সচেতন করতে স্থানীয় প্রতিনিধি ও আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের মাধ্যমে খোলা চিঠি বিতরণ করা হবে।
বিশেষ পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহের উদ্বোধনের পর দোকানিদের নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলার উৎসাহ দিতে মেট্রোরেলের নিচে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে বিশেষ ময়লার বিন স্থাপন করা হয়।
ডিএনসিসি প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি র্যালিও বের করা হয়। পরে মিরপুর-১০ ফলপট্টি এলাকায় অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। এসব স্থাপনা আবার বসানো হলে পুনরায় উচ্ছেদ করা হবে বলেও জানান প্রশাসক।
এছাড়া মেট্রোরেলের পিলারে বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক গোষ্ঠীর লাগানো পোস্টার ও লিফলেট নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তিনি কর্মকর্তাদের আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মেট্রোরেলের পিলার থেকে সব অবৈধ পোস্টার অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন।
নগরের সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ডিএনসিসি প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে বলেও জানিয়েছেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
২০ দিন আগে
ঢাকার মূলসড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে না: ডিএনসিসি প্রশাসক
ঢাকার মূলসড়কে কোনো ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত ব্যাটারিচালিত রিকশার (ই-রিকশা) স্ট্যান্ডার্ড মডেল ও প্রোটোটাইপ নির্মাণের বিষয়ে হালনাগাদ অগ্রগতি এবং ভবিষ্যত করণীয় নির্ধারণ শীর্ষক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘ঢাকার মূলসড়কে কোনো ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে না। তবে শহরের অভ্যন্তরের সড়কে চলবে স্ট্যান্ডার্ড মডেলের অনুমোদিত ব্যাটারিচালিত রিকশা।’
রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফিরতে ও যানজট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। মোহাম্মদ এজাজ বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশার (ই-রিকশা) স্ট্যান্ডার্ড মডেল ও নীতিমালা প্রস্তুতের জন্য অল্পসময়ের মধ্যে একটি উচ্চ পর্যারের কমিটি গঠন করা হবে।
আরও পড়ুন: অটোরিকশা চলাচল বন্ধে শিগগিরই অভিযান: ডিএনসিসি প্রশাসক
সভায় বুয়েটের বিইপিআরসি ইজিবাইক প্রজেক্ট নতুন স্ট্যান্ডার্ডাইজ মডেলের তিন চাকার স্বল্প গতিতে ই-রিকশার টাইপ-অনুমোদন ও রেজিস্ট্রেশন প্রস্তাব প্রণয়ন করা হয়েছে। এই প্রস্তাব অনুযায়ী প্রোটোটাইপ প্রস্তুত করতে প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সাঈদ কামরুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগে. জেনা. মঈন উদ্দিন, ডিএনসিসির মহাব্যবস্থাপক (পরিবহন) আব্দুল্লাহ আল মাসুদ প্রমুখ।
৫৩৫ দিন আগে
অটোরিকশা চলাচল বন্ধে শিগগিরই অভিযান: ডিএনসিসি প্রশাসক
রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধ করতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যৌথ অভিযান শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।
ঢাকা শহরের ভিতরে অটোরিকশা তৈরির ওয়ার্কশপ ও চার্জিং স্টেশনগুলো বন্ধ করতে শিগগিরই এ অভিযান শুরু করা হবে বলে তথ্য দেন তিনি। শনিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে রাজধানীর মিরপুর পল্লবীতে রাস্তা, ফুটপাত ও নর্দমা নির্মাণ কাজের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মোহাম্মদ এজাজ জানান, ঢাকা শহরের ভিতরে অটোরিকশা তৈরির ওয়ার্কশপ ও চার্জিং স্টেশন বন্ধে শিগগিরই অভিযান শুরু হবে। ডিএমপি ইতোমধ্যে অটোরিকশা তৈরির ওয়ার্কশপ ও চার্জিং স্টেশনের তালিকা করেছে। শিগগিরই রাতে অভিযান করে এগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে।
এলাকায় অবৈধ অটোরিকশা ঢোকার অনুমতি না দিতে বিভিন্ন এলাকার বাড়ির মালিক সমিতিকে অনুরোধ ডিএনসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, আপনাদের আবাসিক এলাকাগুলো যে পরিকল্পনায় তৈরি করা হয়েছে, তার বাইরে অন্যকিছু প্রবেশ করতে দেবেন না। আবাসিক এলাকায় কোনো বাণিজ্যিক কাজ করতে দেবেন না। সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে স্থানীয় কমিউনিটি সোচ্চার হলে অবৈধ অটোরিকশা, অবৈধ হকার বন্ধ করা সহজ হবে।
আরও পড়ুন: ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় না চড়তে ডিএনসিসি প্রশাসকের আহ্বান
এ সময় জলাধার রয়েছে এমন কোনো প্লট হাউজিং কোম্পানিগুলোর থেকে না কেনার জন্য নগরবাসীকে অনুরোধ করেন তিনি। এতে পরবর্তীতে ঝামেলা হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।
এ সময় পল্লবী ইস্টার্ন হাউজিং এলাকার খালগুলো উদ্ধারে ডিএনসিসির উদ্যোগের কথা জানান তিনি। এমনকি খালগুলো রক্ষায় মামলা পর্যন্ত করেছিল তারা। উদ্বোধনী বক্তব্যে পল্লবী এলাকায় পরিকল্পনা করে গাছ লাগানোর জন্যও আহ্বান জানান ডিএনসিসি প্রশাসক।
তিনি বলেন, ‘আমি অনুরোধ করছি ছোট গাছ না লাগিয়ে বড় গাছ লাগাবেন। পরিকল্পনা করে একটা রোডে কৃষ্ণচূড়া লাগান, আরেকটা রোডে সোনালু লাগান। এতে সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হবে।’
৫৩৮ দিন আগে
ডিসেম্বরে রাস্তার কাজ সম্পন্ন হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. মাহমুদুল হাসান বলেছেন, ডিসেম্বরে রাস্তার চলমান কাজগুলো পুরোপুরি সম্পন্ন হবে।
তিনি বলেন, ‘ডিএনসিসিতে নতুনভাবে সংযুক্ত এলাকায় স্থায়ীভাবে টেকসই উন্নয়নের জন্য রাস্তা ও পয়োনিষ্কাশন নালা নির্মাণের কাজ চলমান।’
আরও পড়ুন: ডিএনসিসির সাবেক মেয়র আতিক গ্রেপ্তার
রবিবার (১৯ অক্টোবর) ডিএনসিসির নতুনভাবে সংযুক্ত ১৮টি ওয়ার্ডের অন্তর্গত নতুনবাজার, বেরাইদ, সাতারকুল ও ফকিরখালী এলাকার রাস্তার চলমান কাজ পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন তিনি।
পরিদর্শনকালে ডিএনসিসির প্রশাসক এলাকাবাসীর সঙ্গে মত বিনিময় করেন।
এসময় তিনি এলাকাবাসীর সমস্যার কথা শোনেন এবং সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশ প্রদান করেন।
তিনি আরও বলেন, রাস্তা ও ড্রেনেজের কাজগুলো করতে গিয়ে জনগণের কিছুটা ভোগান্তি হয়েছে। এবছর বর্ষায় সেপ্টেম্বর অক্টোবর মাসেও প্রবল বৃষ্টি হওয়ায় স্বাভাবিক গতিতে কাজ চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তিনি বলেন, এই এলাকার মানুষের ভোগান্তি লাঘবে কাজের গতি বাড়িয়ে দ্রুত সময়ে কাজ শেষ করা হবে। পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে। কয়েকটি রাস্তার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে ঢালাইয়ের কাজ শুরু হবে। ডিসেম্বরে রাস্তার চলমান কাজগুলো পুরোপুরি সম্পন্ন হবে।
এসময় মাহমুদুল হাসান জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘নতুন এলাকায় রাস্তা ও ড্রেনেজ নির্মাণের জন্য আমাদের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ প্রস্তুতি আমাদের আছে। তবে প্রশস্ত রাস্তা নির্মাণের জন্য এলাকাবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন। রাস্তা নির্মাণের জন্য আপনারা সবাই কিছুটা জায়গা ছেড়ে দিলে প্রশস্ত রাস্তা নির্মাণ করা সম্ভব হবে। এর সুফল আপনারাই ভোগ করবেন।’
পরিদর্শনকালে অন্যান্যের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিন, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা নাছিমা খানম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফারুক হাসান মো. আল মাসুদ প্রমুখ।
আরও পড়ুন: ডিএনসিসির আওতাধীন সব ওয়ার্ডে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু
৭২৭ দিন আগে
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চলমান উন্নয়ন সম্পন্ন করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. মাহমুদুল হাসান বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। এসময় তিনি চলমান প্রকল্পের কাজের গুণগত মান নিশ্চিতে প্রকল্প পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে গাবতলী সিটি পল্লিতে ডিএনসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য বহুতল ভবন নির্মাণ প্রকল্প, কল্যাণপুর স্টর্ম ওয়াটার পাম্পিং স্টেশন এবং আমিন বাজার ল্যান্ডফিল সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণ প্রকল্প পরিদর্শন শেষে ডিএনসিসি প্রশাসক এ কথা বলেন।
আরও পড়ুন: এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ডিএনসিসির ৬ ভবন মালিককে ১ লাখ ৬১ হাজার টাকা জরিমানা
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘চলমান কাজগুলো নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগ ও সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। কাজের গতি বাড়াতে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকতে হবে। জলাবদ্ধতা নিরসনে কল্যাণপুর স্টর্ম ওয়াটার পাম্পিং স্টেশন সবসময় সচল রাখতে হবে এবং এটির আধুনিকীকরণ করতে হবে।’
আমিনবাজার ল্যান্ডফিল পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, ‘ডিএনসিসিতে বিপুল পরিমাণ বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনায় আমিন বাজার ল্যান্ডফিল আধুনিকীকরণ করতে হবে। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব, পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়ে তোলা হবে। এতে বায়ুদূষণ রোধ হবে। এছাড়া বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সঠিকভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি ৪২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।’
আরও পড়ুন: ভারী বৃষ্টিপাতে জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিএনসিসির ৫ হাজারের বেশি পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও ১০ কিউআরটি
তাই এই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সব বিভাগ ও সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজের গতি বাড়াতে হবে বলে জানান প্রশাসক।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়রুল আলম, সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ফিদা হাসান, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. শরীফ উদ্দীন, আবুল হাসনাত ও মো. আশরাফুল আলম তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক সার্কেল), মো. ফরহাদ তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (বর্জ্য ব্যবস্থাপনা), মোহাম্মদ আবুল কাশেম তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পুর), মো. রফিকুল ইসলাম তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ)।
আরও পড়ুন: ডিএনসিসির মশা নিধন অভিযান: লার্ভা পাওয়ায় ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা জরিমানা
৭৬২ দিন আগে