সারাদেশ
কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হাজতির ঢামেকে মৃত্যু
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত মো. আরিয়ান আহমেদ ইমরান (২২) বরগুনার পাথরঘাটা থানার কাঁঠালতলী গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে।
কারারক্ষী মো. আমিনুল ইসলাম জানান, গতকাল (রবিবার) রাত ১১টার দিকে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন আরিয়ান। পরে কারা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়।
রাত ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পর চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরিয়ান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় কারাবন্দি ছিলেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি আরও জানান, আরিয়ানের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্ত করা হবে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
৫ দিন আগে
গুলিস্তানে ফুটপাত থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর গুলিস্তানে ফুটপাত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির (৪০) মরদেহ উদ্ধার করেছে পল্টন থানা পুলিশ।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে গুলিস্তান শহিদ মতিউর পার্কের সামনের ফুটপাত থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পল্টন মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অভি জানান, সকাল সাড়ে ৬টায় দিকে গুলিস্তান শহিদ মতিউর পার্কের সামনের ফুটপাতে অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন ওই ব্যক্তি। পরে সার্জেন্ট আহাদ পুলিশ বক্সের সদস্যরা থানায় খবর দেন। এরপর তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সকাল ৮টা ১০ মিনিটের দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, অসুস্থতাজনিত কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে জানা যাবে বলে জানান এসআই অভি।
এছাড়া সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট মরদেহের আঙ্গুলের ছাপ নিয়েছে এবং প্রযুক্তির সহায়তায় তার পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
৭ দিন আগে
ভাঙ্গা-বরিশাল চার লেন সড়ক তিন মাসের মধ্যে একনেকে অনুমোদন হতে পারে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেছেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে ভাঙ্গা-বরিশাল চার লেন সড়ক একনেকে অনুমোদন হতে পারে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় কুয়াকাটায় অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী পর্যটন কার্নিভাল অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কুয়াকাটাসহ দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। পাশাপাশি বরিশাল-কুয়াকাটা সড়ক চার লেন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার সকল কর্মকাণ্ড নিয়ে মাস্টারপ্ল্যান গ্রহণ করছে। এতে প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতা কমবে।
মতবিনিময় সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি, পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেনসহ বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৭ দিন আগে
সাজেকে গোলাগুলি, ২,৯৩৩ পর্যটককে সরিয়ে নিল নিরাপত্তা বাহিনী
রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেক পর্যটন সড়কে অবরোধ চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে দফায় দফায় গোলাগুলির ঘটনায় আটকে পড়া দুই হাজার ৯৩৩ পর্যটককে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।
সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্যরা পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিয়েছেন।
তিন দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে সকাল ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের এ অবরোধ শুরু করে।
অবরোধকারীরা সড়কের বিভিন্ন স্থানে টায়ারে আগুন জ্বালান। এতে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা থেকে সাজেক ভ্যালির মধ্যে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, আটকে পড়া পর্যটকদের নিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ নিরাপত্তা বহর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সাজেক থেকে বাঘাইহাটের উদ্দেশে রওনা হয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বহরটি সাজেক ইউনিয়নের উজোবাজার এলাকায় পৌঁছালে বিক্ষোভকারীরা পথ আটকে দেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পর্যটকদের যেতে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে কয়েক ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। তবে তারা নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকেন। একপর্যায়ে সেনাসদস্যরা ব্যারিকেড ভেঙে পর্যটকদের নিরাপদে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেন।
এ অভিযানের সময় উজোবাজার এলাকায় অবস্থান নেওয়া সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়। তবে গোলাগুলিতে কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
৯ দিন আগে
রাজধানীতে পাকিস্তানি নাগরিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীতে একটি বাসা থেকে মোহাম্মদ শাহবাজ (২৬) নামের এক পাকিস্তানি নাগরিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে দক্ষিণ বনশ্রীর ওই বাসার একটি ফ্ল্যাট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
মতিঝিল বিভাগের খিলগাঁও জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মহসীন আল মুরাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শাহবাজের বাবার নাম নাজির আহমেদ। তার বাড়ি পাকিস্তানের মুলতান জেলার জালালপুর থানার চাহ গোলাম মোহাম্মদ গ্রামে। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন।
এডিসি মুরাদ বলেন, ওই পাকিস্তানি নাগরিক বাংলাদেশেই বসবাস করতেন। তিনি ঋণগ্রস্ত ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে মনোমালিন্য ছিল। এসব কারণে হতাশা থেকে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শাহবাজকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে বাড়ির দারোয়ান পুলিশকে খবর দেন। এরপর খিলগাঁও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে মৃত ঘোষণা করেন।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১১ দিন আগে
টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ২০ ইউনিট
গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট কাজ করছে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের স্টেশন অফিসার তালহা বিন জসিম জানান, বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১০টা ১৪ মিনিটের দিকে প্রতিষ্ঠানটির ইউনিট-২-এ আগুন লাগে।
এরপর সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ফায়ার সার্ভিস আগুন লাগার খবর পায় এবং আগুন নেভাতে ইউনিট পাঠায়।
টঙ্গী, উত্তরা, গাজীপুর চৌরাস্তা মডার্ন, মিরপুর, কুর্মিটোলা, রাজেন্দ্রপুর ও পূর্বাচল ফায়ার স্টেশন থেকে আসা ২০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
১৭ দিন আগে
যাত্রাবাড়ীতে অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় গ্যারেজ শ্রমিক নিহত
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে অজ্ঞাত দ্রুতগামী গাড়ির ধাক্কায় ফালু মিয়া (৪৬) নামে এক গ্যারেজ শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে কোনাপাড়ায় মোল্লা কলেজের সামনের সড়কে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতের স্বজন রতন জানান, কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথেই দুর্ঘটনার শিকার হন ফালু মিয়া। তিনি বর্তমানে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাজধানীর পূর্ব কদমতলী এলাকায় বসবাস করতেন। নিহতের বাবার নাম আব্দুল মতিন। তিনি পেশায় একজন গ্যারেজ মেকানিক ছিলেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সজিবুর রহমান জানান, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ সংবাদ পেয়ে তারা কোনাপাড়ার মোল্লা কলেজের সামনের সড়কে ওই ব্যক্তিকে গুরুতর আহত অবস্থায় দেখতে পান। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক রাত ১২টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তি কাজ শেষে পায়ে হেঁটে বাসায় ফেরার পথে একটি দ্রুতগামী অজ্ঞাত গাড়ি তাকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। ঘাতক যানবাহনটি শনাক্তে আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এসআই সজিবুর রহমান।
১৮ দিন আগে
আবরার ফাহাদ হত্যার ৭ বছর পরও রায় কার্যকরের অপেক্ষায় পরিবার
বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের সাত বছর পরও তার পরিবার মামলার রায় কার্যকর হওয়ার জন্য অপেক্ষায করছে।
২০২১ সালের ডিসেম্বরে ঢাকার একটি আদালত দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলায় ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও আরও পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। হাইকোর্টও ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ সাজা বহাল রাখেন।
তবে আপিল বিভাগে আসামিদের আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকায় আলোচিত এ হত্যা মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া এখনও চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
আবরারের পরিবারের সদস্যরা বলছেন, আদালতের একের পর এক রায় এলেও তাদের অপেক্ষার শেষ নেই। বিশেষ করে রায় কার্যকরের অগ্রগতি নিয়ে তারা এখন হতাশ।
আবরারের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ বলেন, তার ভাইয়ের হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবারকে নয়, দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতাকেও নাড়া দিয়েছিল। আবরারকে হত্যার পর মানুষের মধ্যে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল, পরবর্তী রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে তার প্রভাব ছিল বলে তিনি মনে করেন।
মুঠোফোনে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদ বিদায়ের সূত্রপাত হয়েছিল আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে। কিন্তু যাদের কারণে আজ পরিবর্তন এসেছে, তাদের হত্যার বিচারই এখনও শেষ হয়নি।
ফাইয়াজ জানান, ২০২৫ সালের মার্চে হাইকোর্ট রায় দেওয়ার পরও তারা রায় কার্যকর হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করলেও তাদের বলা হয়, মামলা সিরিয়াল অনুযায়ী এগোবে।
তার অভিযোগ, সিরিয়াল এগিয়ে আনা যায়। কিন্তু তারা সিরিয়াল এগিয়ে আনতে দ্বিধাবোধ করছেন।
ফাইয়াজ বলেন, ‘আমরা যেখানে যেখানে যোগাযোগ করা দরকার, করেছি। এখন অপেক্ষা ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার নেই। রায় কার্যকর করতে বাধা কোথায়, সেটা আমাদের পরিবারের জানা নেই। এখন মনে হচ্ছে এটা অবহেলা ছাড়া আর কিছুই না।’
২৪ দিন আগে
রাষ্ট্রপতির সই-সিল জাল, মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ গ্রেপ্তার ২
সাভারের আশুলিয়ায় রাষ্ট্রপতির সই ও সিল জাল করার অভিযোগে একটি মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৭ অক্টোবর) আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভোরে আশুলিয়ার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ নিয়ামতুল্লাহ (৫০) ও উপপরিচালক (প্রশাসন) সৈয়দ সানজিদ (৪৫)।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এজাহারভুক্ত পাঁচজনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। অন্য এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন মাদরাসার পরিচালক সৈয়দ আলী রায়হান ওরফে রুন্নান, জামগড়ার বাসিন্দা গাজী লিটন ও বিপ্লব।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আশুলিয়ার শ্রীপুর এলাকায় অবস্থিত তাহফিজুল কুরআনিল কারিম ফাজিল মাদরাসার প্রস্তাবিত এডহক কমিটির একটি তালিকা অনুমোদনের জন্য মাদরাসার নিজস্ব প্যাডে একটি আবেদন তৈরি করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সিল ও রাষ্ট্রপতির সই জাল করে আবেদনটি ঢাকার বছিলায় অবস্থিত ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দেওয়া হয়।
প্রক্রিয়ার একপর্যায়ে বিষয়টি রাষ্ট্রপতির নজরে আসার পর তিনি এ নিয়ে অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সইটি তার নয় এবং এটি জাল। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের পুলিশ লিয়াজোঁ অফিসারের (পিএলও) মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপার (এসপি) ও ডিআইজি কার্যালয়কে বিষয়টি অবহিত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর আশুলিয়া থানার একটি দল অভিযান চালিয়ে দুজনকে হেফাজতে নেয়।
আসামিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে কোনো এক সময়ে মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কার্যালয়ে বসেই আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে রাষ্ট্রপতির সই ও সিল জাল করেন।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ এজাহারভুক্ত দুজনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
২৪ দিন আগে
ভারতের সঙ্গে চুক্তি হলে মোগলহাট স্থলবন্দর চালুর আশা
ভারতের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হলে লালমনিরহাটের মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালু করার আশ্বাস দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এবং নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান।
রবিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে জেলার সদর উপজেলায় মোগলহাট স্থলবন্দর এলাকা পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তারা এ আশ্বাস দেন।
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, মোগলহাট স্থলবন্দর একটি আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর। সে কারণে পাশ্ববর্তী দেশ ভারতের সঙ্গে আমাদের একটা চুক্তি করতে হবে। আর অবকাঠামোগত সংস্কার আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, তা আমরা করতে পারব। ভারতের আগ্রহ থাকলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চুক্তি করতে হবে বলেও জানান তিনি।
স্থলবন্দরটি চালু হলে এলাকায় অর্থনৈতিক কর্মচাঞ্চল্য সৃষ্টি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন আসাদুল হাবিব দুলু। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্য শুরু হলে দুই দেশের অর্থনীতি মজবুত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, সেই প্রত্যাশা নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
অন্যদিকে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের মন্ত্রণালয় চায় এ বন্দরটি পুনরায় চালু হোক। মানুষের দৈনন্দিন চাহিদাগুলো পূরণ হোক। স্থলবন্দরটি পুনরায় চালু করতে যে অবকাঠামো বা জনবল দরকার তা পূরণ করতে আমাদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভারত সরকার না চাইলে তো এককভাবে আমরা চালু করতে পারব না। তাই ভারতের সঙ্গে আগে চুক্তি করা দরকার।
রাজিব আহসান বলেন, অতীতে আমরা ভারতের আগ্রহের কথা শুনেছি। যেহেতু অতীতে এ বন্দরটি চালু ছিল, তাই তারাও বিষয়টি অবগত রয়েছে। খুব অল্প সময়ে চুক্তি করে এ বন্দরটি পুনরায় চালু করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এ সময় বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল হক প্রধান, জেলা পরিষদ প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২৭ দিন আগে