স্বাস্থ্য
হাম উপসর্গে আরও ৭ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১,১৯৪
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৯৪ শিশু।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৯০৯ শিশুর। আর নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০০ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ১ হাজার ৯ শিশু মারা গেছে।
এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ২৯ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৬৫। এ সময়ে ১ হাজার ১১২ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৬৯ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৪৫, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৯৩৩। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫০৫ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৪২ হাজার ৮৮৮ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১ দিন আগে
আত্মহত্যা শূন্যের কোটায় আনতে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে ঢাকার ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডিজএবলড পিপল (এডিপি) ও রোটারি ক্লাব আহসান মঞ্জিল আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নিয়ে আসতে সরকার কাজ করছে। আত্মহত্যা প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আত্মহত্যাকে ‘না’ বলার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যত বড় বিপদই আসুক না কেন, জীবনের প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। জীবনে ব্যর্থতা আসবেই। ব্যর্থতায় হতাশ না হয়ে সাফল্য অর্জনের জন্য বারবার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। নিরন্তর প্রচেষ্টার মধ্য দিয়েই মানুষ উন্নতির শিখরে আরোহণ করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, আত্মহত্যাকে ‘না’ বলতে হবে। একই সঙ্গে মা-বাবা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে। পারস্পরিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে নিজেদের সমস্যা ও অনুভূতিগুলো ভাগাভাগি করে নিতে হবে। যেসব বিষয়ে মা-বাবা বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বলা সম্ভব হয় না, সেসব বিষয় বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করা যেতে পারে। এতে মানসিক চাপ ও হতাশা মোকাবিলায় সহায়তা পাওয়া সম্ভব।
আত্মহত্যা প্রতিরোধে সমাজকে সচেতন করার ওপর জোর দিয়ে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গড্ডলিকা প্রবাহে সমাজকে চলতে দিলে সমাজ খুব বেশি দূর এগোতে পারবে না। তাই প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে ইতিবাচক চিন্তা, পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সচেতনতার মাধ্যমে আত্মহত্যা প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
এডিপির চেয়ারম্যান রওশন আরা জামানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. নাজমুল হোসেন। এছাড়া সেমিনারে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনের অধ্যক্ষ আফরোজা শারমিন।
১ দিন আগে
২৫ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হামের সংক্রমণ মোকাবিলায় আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশে আবারও হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে ঢাকায় ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডিজএবলড পিপল (এডিপি) ও রোটারি ক্লাব আহসান মঞ্জিল আয়োজিত সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে অধিকাংশ টিকা ইউনিসেফের মাধ্যমে দেশে এসে পৌঁছেছে। অবশিষ্ট টিকাও আগামী ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে পৌঁছাবে।
তিনি আরও বলেন, হামের টিকাদান ক্যাম্পেইন শেষ করার পরও সংক্রমণ অব্যাহত থাকার বিষয়টি নজরে আসায় সরকার মপ-আপ কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ কার্যক্রমের আওতায় নতুন করে ১৪ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিগত সরকার দেশে কোনো টিকা রেখে যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে বর্তমান সরকার মাত্র ২১ দিনের মধ্যে ১ কোটি ৮৫ লাখ শিশুর জন্য টিকা সংগ্রহ করে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।
এছাড়া ঢাকার হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর চাপ কমাতে প্রান্তিক পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রতিটি হাসপাতালে আইসোলেশন বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং মোবাইল হাসপাতালের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়েই রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি টারশিয়ারি হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমাতে সোসাইটি অব মেডিসিনের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ের চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় ও প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা আছে। এ জন্য জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
১ দিন আগে
উপজেলা পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা দেবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ‘কমিউনিটি মেন্টাল হেলথ’ নামে বিশেষ প্রকল্পের আওতায় সাধারণ মানুষকে সেবা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আঁচল ফাউন্ডেশন ও হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (এইচআরডিসি) আয়োজিত ‘নীরবতা থেকে পদক্ষেপ: তরুনদের আত্মহত্যা নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের আহ্বান’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
দেশের প্রান্তিক ও উপজেলা পর্যায়ে কোনো মানসিক স্বাস্থ্যসেবা না থাকাকে বড় ধরনের ঘাটতি হিসেবে উল্লেখ করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তৃণমূলের এই সংকট দূর করতে কমিউনিটি মেন্টাল হেলথ নামে একটি বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। এর মাধ্যমে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের সঙ্গে সমন্বিত রেফারেল ব্যবস্থা ও টেলি-কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সেবা দেওয়া হবে।’
আত্মহত্যা রোধে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনগুলোকে শুধু প্রচার কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার আহ্বান জানিয়ে এম এ মুহিত বলেন, ‘এই আন্দোলনকে ইতিবাচকভাবে এগিয়ে নিয়ে জনকল্যাণে কাজে লাগাতে হবে। একই সঙ্গে সমাজের প্রত্যেক নাগরিককে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে হবে, যাতে তারা নিজের পাশাপাশি অন্যের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতেও ভূমিকা রাখতে পারেন।’
এ সময় দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে অক্টোবরের শুরুর দিকে দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণের পিক সময় আসতে পারে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার তিন মাসব্যাপী বিশেষ ডেঙ্গু সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন শুরু করতে যাচ্ছে। এ ক্যাম্পেইনের আওতায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত করে সম্মিলিতভাবে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।’
এইচআরডিসির প্রধান নির্বাহী মাহবুবুল হকের সভাপতিত্বে সেমিনারটিতে আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক সাইফুন নাহার, অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, সাংবাদিক ইকরামুল হক সায়েম, গবেষক গওহার নাঈম ওয়ারাসহ আরও অনেকে।
১ দিন আগে
হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু হাজার ছাড়াল, ২৪ ঘণ্টায় ৩ প্রাণহানি
দেশে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৮৮টি শিশু।
বুধবার (৯সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৯০২ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০০ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ১ হাজার ২টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৬৯টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১১৯। এই সময়ে ১ হাজার ৩৪টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৬৯টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫৮০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৯০৪। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৯৩ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৪১ হাজার ৮১৯ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২ দিন আগে
ডেঙ্গুতে এ বছর এক দিনে সর্বোচ্চ ৯ জনের মৃত্যু
চলতি বছর এক দিনে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে আজ মঙ্গলবার। গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশজুড়ে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩০ জনে।
গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৯ জনের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় তিনজন, ঢাকা ও খুলনা বিভাগে দুজন করে এবং বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে রয়েছে।
একই সময়ে সারাদেশে নতুন করে এক হাজার ৫৭১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যা এ বছর এক দিনে সর্বোচ্চ। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫ হাজার ৪৭৫ জনে।
এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মোট আক্রান্তদের মধ্যে ৪২ হাজার ১২৭ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।
২ দিন আগে
হাম উপসর্গে আরও ২ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১,২৩৬
দেশে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৩৬টি শিশু।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৯৯ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০০ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯৯৯ শিশু মারা গেছে।
এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৭৯টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৫৭। এই সময়ে ১ হাজার ৮৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১৯টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৬১, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৮৩৫। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৫৯ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৫০ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২ দিন আগে
বাঁধনের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইনানুগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা
অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, এ ঘটনা কোনোভাবেই ছেড়ে দেওয়া হবে না।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বাঁধনের ওপর হামলার প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলা হয়েছে। আমরা ভিডিও দেখেছি। যারা হামলা করেছেন, তারাও নিজেরা ভিডিও করে এটা প্রকাশ করেছেন।’
তিনি বলেন, ‘এই ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা ওই দেশে যা যা নেওয়া, এটার প্রসেস (প্রক্রিয়া) শুরু হয়েছে। আমরা অবশ্যই এটা ছেড়ে দেব না। এটা কোনোভাবেই ছেড়ে দেওয়া যাবে না।’
‘আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল নয়, মাফিয়া গ্যাং’
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হামলার প্রসঙ্গ তুলে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কী বস্তু? আওয়ামী লীগ কারা করেন? আওয়ামী লীগ কী? তারা আমাদের সামনে আবার হাজির করছেন।’
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ একটা রাজনৈতিক দল কি না, এই আলাপটা আমরা কেউ কেউ করেছি, খুব করেছি। আমি আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল মনে করি না। ইট ইজ এ্যা মাফিয়া গ্যাং।’
আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচনা করে দেশে তাদের রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া উচিত কি না, বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনা সেই প্রশ্ন আবারও সামনে এনেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনি যদি যা যা ঘটিয়েছেন, এরপর যদি ন্যূনতম আপনার দুঃখবোধ থাকত, আপনার যদি রাজনীতিতে ফিরে আসার উদ্দেশ্য থাকত, এই সহিংসতাগুলো করা হতো না। কোনোভাবেই হতো না।’
‘বাঁধনের ওপর হামলা প্রমাণ করে তিনি সঠিক পথে ছিলেন’
বাঁধনের ওপর হামলাকে তার জন্য এক ধরনের অর্জন ও সম্মান হিসেবে উল্লেখ করেন জাহেদ উর রহমান।
তিনি বলেন, ‘আজমেরী হক বাঁধনের উদ্দেশে বলব, এটা এক ধরনের কী বলব, তার অর্জন, সম্মান প্রাপ্তি যে, আওয়ামী লীগের হেনস্তা হওয়ার শিকার হওয়া, একটা মাফিয়া গ্যাংয়ের শিকার হওয়া প্রমাণ করে আপনি আসলে সঠিক পথে ছিলেন।’
বাঁধন ফেসবুক লাইভে নিজেকে জুলাই যোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করার প্রসঙ্গ তুলে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘ইয়েস, আই অ্যাম।’
তিনি বলেন, ‘একইভাবে আমরা অনেকেই সেরকম আছি, আমরা হামলার শিকার হতে পারি। বাট উই ডোন্ট কেয়ার। একেবারেই না।’
৩ দিন আগে
হাম ও উপসর্গে প্রাণহানি ১,০০০ ছুঁই ছুঁই
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ২১৬টি শিশু।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৯৭ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০০ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯৯৭ শিশু মারা গেছে।
এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৬০ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৫৬। এই সময়ে ১ হাজার ১০২ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৫৯টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬৫ হাজার ৩০৪, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৭৫৬। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৭০ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৩১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৩ দিন আগে
সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের সংখ্যা ৩০,৩১১, প্রয়োজন ৮৮,৯০৯: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী চিকিৎসক ও জনসংখ্যার ন্যূনতম অনুপাত পূরণ করতে দেশে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন হলেও সরকারি হাসপাতালগুলোতে বর্তমানে মাত্র ৩০ হাজার ৩১১ জন চিকিৎসক কর্মরত আছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
সংসদে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) প্রশ্নোত্তর পর্বে বিএনপির সংসদ সদস্য মো. জাহান্দার আলী মিহার (মাদারীপুর-২) লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে বেলা ৩টার দিকে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী এদিন সংসদে জানান, সরকারের অর্থায়নে ২০২৬ সালে পরিচালিত একটি গবেষণা অনুযায়ী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নির্ধারিত প্রতি এক হাজার মানুষের জন্য শূন্য দশমিক ৫০ জন চিকিৎসকের ন্যূনতম মান পূরণ করতে চলতি বছর বাংলাদেশে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের অনুমোদিত মোট পদ রয়েছে ৪১ হাজার ৮০৬টি। এর মধ্যে বর্তমানে ৩০ হাজার ৩১১ জন চিকিৎসক কর্মরত আছেন। ফলে ১১ হাজার ৪৯৫টি পদ শূন্য রয়েছে।
সাখাওয়াত হোসেন জানান, দেশের জনসংখ্যার অনুপাতে কতজন চিকিৎসক প্রয়োজন, তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় স্বাস্থ্যকর্মী-সংক্রান্ত মানদণ্ড বিবেচনায় নেওয়া হয়।
তবে দেশে চিকিৎসকের মোট সংখ্যা ও সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় কর্মরত চিকিৎসকের সংখ্যা এক নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্য পদ পূরণ ও চিকিৎসকের সংখ্যা বাড়াতে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ৪৪তম ও ৪৮তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৪৫তম, ৪৬তম, ৪৭তম ও ৫০তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সহকারী সার্জন নিয়োগের প্রক্রিয়াও চলছে।
সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্য পদগুলো ধীরে ধীরে পূরণ করতে সরবার চলমান নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের জন্য সহজলভ্য, মানসম্মত ও জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন পদ সৃষ্টি করা হবে।
৪ দিন আগে