স্বাস্থ্য
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১০৬১
দেশে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৬১টি শিশু।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮১৯টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯১৮টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৫৯টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২। এই সময়ে ৯০৩টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৬৭টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭৮০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৯৮৯। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ২৬ হাজার ২৮৯ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ২১ হাজার ৮৮০ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২২ ঘণ্টা আগে
উপজেলাতেই মিলবে চোখের উন্নত চিকিৎসা, আসছে জাতীয় পরিকল্পনা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
দেশের প্রতিটি উপজেলায় নির্মাণাধীন ১৫১ শয্যার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে চোখের চিকিৎসার জন্য আলাদা আউটডোর, ইনডোর ও অপারেশন থিয়েটার সুবিধা চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। একই সঙ্গে সরকার দেশে প্রায় ১০ লাখ চোখের ছানি অপারেশন, কয়েক কোটি চশমা বিতরণ এবং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি চিকিৎসার লক্ষ্য নিয়ে একটি সমন্বিত ‘ন্যাশনাল আই কেয়ার প্ল্যান’ চূড়ান্ত করছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের রূপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘হু স্পেকস ২০৩০ ইনিশিয়েটিভ’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘হু স্পেকস ২০৩০ ইনিশিয়েটিভ’।
আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. মুহিত বলেন, সরকার স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত আধুনিক চক্ষু সেবা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১৫১ শয্যার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে রূপান্তরের কাজ চলছে। প্রায় ৫০০টি উপজেলায় চোখের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হবে, যাতে তৃণমূলের মানুষকে আর চিকিৎসার জন্য জেলা শহর বা রাজধানীতে ছুটতে না হয়।
তৃণমূলের প্রাথমিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিকল্পনা তুলে ধরে স্বাস্থ্য তিনি আরও জানান, সরকারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় থাকা এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মীর প্রশিক্ষণে ‘প্রাইমারি আই কেয়ার’ বা প্রাথমিক চক্ষু সেবা একটি আবশ্যক অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পাশাপাশি জেলা হাসপাতালগুলোর অবকাঠামো সমন্বয় করে খুব দ্রুত অন্তত অর্ধেক জেলায় নিয়মিত ছানি অপারেশন ও রিফ্রাকশন সেবা জোরদার করা হবে।
জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়ানোর কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এনআইওএইচ-এর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে একটি বড় প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যা শিগগিরই বাস্তবায়িত হবে। একই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের এনজিওগুলোর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বৈশ্বিক পর্যায়ে বাংলাদেশের চক্ষু সেবার সাফল্য তুলে ধরার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তিনি জানান, বিগত ছয় মাসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চক্ষু সেবার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় সংস্থাগুলোর সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের তৎপরতায় বাংলাদেশ একটি গ্লোবাল সামিট আয়োজনের বড় প্রতিশ্রুতিও অর্জন করেছে। সরকারের লক্ষ্য আগামী ৩ থেকে ৪ বছরের মধ্যে দেশের চক্ষু চিকিৎসা খাতে একটি যুগান্তকারী ইতিবাচক পরিবর্তন নিশ্চিত করা।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এস এম এম কাদির, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক উপদেষ্টা ডা. তাশি তবগে এবং বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. আহমেদ জামশেদ মোহাম্মদসহ দেশি-বিদেশি প্রতিনিধিরা।
১ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ প্রাণহানি, মৃত্যু বেড়ে ৯১৫
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩১টি শিশু।
সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮১৬টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯১৫টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৫০টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৮১। এই সময়ে ৯২৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৭৪টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭৮, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৯৩০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ২৫ হাজার ৩৮৬ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ২০ হাজার ৯১৩ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ প্রাণহানি, মৃত্যু বেড়ে ৯০৮
দেশে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১০১টি শিশু।
রবিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮০৯টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯০৮টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৮০টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২১। এই সময়ে ৯৬৩টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৫০টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৯৭, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৮৮০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ২৪ হাজার ৪৫৭ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ১৯ হাজার ৯৩৯ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ প্রাণহানি, মৃত্যু বেড়ে ৯০২
দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৭৯৮টি শিশু।
শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮০৩টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯০২টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৭০টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৭২৮। এই সময়ে ৭০০টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৫৪৯টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪১ হাজার ৭৭৬, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৮০০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৪৯৪ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৯ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৪ দিন আগে
হামের উপসর্গে সিলেটে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ১৩৫
সিলেটে হাম পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এ নিয়ে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৫৬ জনে। একই সময়ে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৩৫ জন।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহজনক রোগে মারা যাওয়া দুই শিশুর একজনের বয়স ৫ মাস। সে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। অপর শিশুটির বয়স ১১ মাস। সে সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। প্রতিবেদনে তাদের ঠিকানা হিসেবে যথাক্রমে সিলেটের টুকেরবাজার ও জকিগঞ্জ উপজেলার ওয়াসার এলাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহজনক নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ৬৩ জন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ২৮ জন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৩ জন, রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩ জন, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ৮ জন এবং হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে একজন ভর্তি হয়েছে। এ ছাড়াও, একই সময়ে নতুন করে ১৪ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছেন।
এদিকে, বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহজনক রোগী ভর্তি আছেন ২৮৪ জন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১২০ জন এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯০ জন চিকিৎসাধীন। এছাড়া রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৬ জন, মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে একজন, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ছয়জন এবং বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা হাসপাতালে আরও রোগী ভর্তি রয়েছেন।
জেলা অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সিলেট জেলায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৩০৫ জন। একই সময়ে হবিগঞ্জে ১৪৮, মৌলভীবাজারে ১৪৬ এবং সুনামগঞ্জে ৩৫৭ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জের দুজন রোগী রুবেলায় আক্রান্ত বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মৃত্যুর হিসাবে সিলেট জেলায় এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে ৪৬ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। হবিগঞ্জে সন্দেহজনক হাম রোগে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিশ্চিত হাম রোগে সেখানে কোনো মৃত্যুর তথ্য নেই। মৌলভীবাজারে সন্দেহজনক হাম রোগে ১২ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে একজনের মৃত্যু হয়েছে। সুনামগঞ্জে সন্দেহজনক হাম রোগে ৫৪ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
অর্থাৎ, ১ জানুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ১৩৫ জন। এর মধ্যে ১২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে সন্দেহজনক হাম রোগে এবং ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে নিশ্চিত হাম রোগে।
৪ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১১৫৯
দেশে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৫৯টি শিশু।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭৯৫টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৮৯৪টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮৭টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৭২। এই সময়ে ৮৮৬টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৫০টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৮, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৭৩০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ২২ হাজার ৭৯৪ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৪ দিন আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১০২৫
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৫টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭৯১টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৮৯০টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৭৪টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৫১। এই সময়ে ৮৯৫টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৬৩টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪০ হাজার ৭৬, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৫৪৩। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ২১ হাজার ৯০৮ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ১৭ হাজার ৬৯০ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৫ দিন আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১০২৫
দেশে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৫টি শিশু।
বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেইসঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭৮৬টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৮৮৫টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৮৪টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৪১। এই সময়ে ৮৭৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৪৭টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৩৯ হাজার ১২৫, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৪৬৯। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ২১ হাজার ১৩ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ১৬ হাজার ৮২৭ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৬ দিন আগে
শুধু ওষুধ বা স্যালাইন দিয়ে এসডিজি অর্জন সম্ভব নয়, রোগ প্রতিরোধে জোর দিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, শুধু ওষুধ বা স্যালাইন দিয়ে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) গোল অর্জন সম্ভব নয়, এর জন্য সবার আগে রোগ প্রতিরোধে (প্রিভেনশন) জোর দিতে হবে। এসডিজি অর্জনে শুধুমাত্র স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর না করে পানি, শিক্ষা, সমাজকল্যাণ ও স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা ও যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এসডিজি বাস্তবায়ন ও পর্যালোচনা সম্পর্কিত জাতীয় সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা ও জেন্ডার বৈষম্য কমানোর পাশাপাশি এসডিজি গোল-৩ অর্জনের জন্য স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে পানি, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণের মতো খাতগুলোকে একত্র করতে হবে। শুধু ওষুধ বা স্যালাইন দিয়ে এসডিজি গোল অর্জন সম্ভব নয়; এর মূল ভিত্তি হতে হবে রোগ প্রতিরোধ, যার ওপর প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ জোর দিচ্ছেন।’
গ্রামাঞ্চলের স্যানিটেশন ব্যবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বিশুদ্ধ পানি নিশ্চিত করতে ও রোগ প্রতিরোধে মানুষকে সচেতন করতে হবে। বাজারঘাট বা সব জায়গায় ময়লা হাত দিয়ে ধরার পর সেই হাত ও টাকা দিয়েই আবার লেনদেন করা হচ্ছে—আমাদের এই অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ও জীবনযাত্রা পরিবর্তন করতে হবে।’
উপকূলীয় এলাকার পানির সংকটের কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সুপেয় পানির তীব্র সংকট ও লবণাক্ততার কারণে মানুষ হলুদ পানি পান করতে বাধ্য হচ্ছে। গত মাসে প্যারিস কনফারেন্সে আমি বিষয়টি তুলে ধরেছি যেখানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আশ্বাস মিলেছে। পাশাপাশি, শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ফোন বা স্ক্রিনে আসক্তি ও জাঙ্ক ফুড বা ফাস্টফুডের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচাতে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।’
পরিকল্পনা কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর একা দায়িত্ব চাপালে এসডিজি অর্জন সম্ভব নয়। পানি, স্বরাষ্ট্র, সমাজকল্যাণ ও স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে নিয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। অন্তত প্রতি দুই মাসে একবার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো বৈঠকে বসে যৌথভাবে তা বাস্তবায়ন করলেই কেবল কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।’
সম্মেলনে তিনি বাল্যবিয়ে রোধ, মায়েদের সচেতনতা, বুকের দুধ খাওয়ানোর গুরুত্ব এবং শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে শাকসবজি ও পুষ্টির প্রচলনের ঐতিহাসিক দিকগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘বিচ্ছিন্নভাবে বিচ্ছিন্ন কোনো উদ্যোগ নয়, সব মন্ত্রণালয়ের যৌথ কর্মপদ্ধতি ও বাস্তবায়নের মাধ্যমেই এসডিজি লক্ষ্য অর্জন করতে হবে।’
সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ও অতিথি হিসেবে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য আন্না মিনজ বক্তৃতা করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীমসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
৭ দিন আগে