ময়মনসিংহ
কৃষক হত্যা মামলায় ৩ ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড
ময়মনসিংহের নান্দাইলে জমি নিয়ে পূর্বশত্রুতার জেরে কৃষককে হত্যার দায়ে তিন ভাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তাদের বাবাসহ আরও ১০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সেই সঙ্গে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে তাদের আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহের প্রথম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সামছুদ্দিন আহাম্মেদ এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন নান্দাইলের চর লক্ষীদিয়া এলাকার আবু বকর সিদ্দিকের ছেলে মোজাম্মেল হক স্বপন মিয়া (৪৬), আপন মিয়া (৪৩) ও রিপন মিয়া (৪১)।
অন্যদিকে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আবু বকর সিদ্দিক (৭১) ও তার আরেক ছেলে কাঞ্চন মিয়া (৩৬), রুবেল (২৯), পারভেজ (৩১), মোফাজ্জল হোসেন (৫৬), কাশিদ (৫৯), আল-আমিন (৩১), সুমন মিয়া (৩৬), নয়ন মিয়া (২৯) ও আসাদুল (২৯)।
আসামিদের মধ্যে রিপন মিয়া ও আসাদুল পলাতক রয়েছেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নান্দাইলের চর ভেলামারীর হযরত আলীর ছেলে কৃষক শফিকুল ইসলাম সবির সঙ্গে আবু বকর সিদ্দিকসহ অন্য আসামিদের জমি নিয়ে পূর্ববিরোধ ছিল।
২০১৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি চর ভেলামারী চৌরাস্তা খেয়াঘাটে একটি কাপড়ের দোকানে বসে ছিলেন শফিকুল। এ সময় আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং তাকে কুপিয়ে হত্যা করেন।
ঘটনার পরদিন নিহতের ভাই রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে নান্দাইল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত শেষে ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ, জেরা ও উভয় পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করে রায় দিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আইনজীবী আনোয়ার আজিজ টুটুল এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ কে এম আমানউল্লাহ বাদল।
১ দিন আগে
ময়মনসিংহে আগুনে পুড়ল ঐতিহাসিক সিনেমা হলসহ প্রায় ২০ দোকান
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পৌর শহরের ঐতিহ্যবাহী ঝলমল সিনেমা হলসহ প্রায় ২০টি দোকান পুড়ে গেছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে সিনেমা হলটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সিনেমা হলের পাশে থাকা এলপিজি সিলিন্ডারের গুদাম থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডে কী পরিমাণ আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে প্রথমে একটি ইউনিট দ্রুত আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়। পরে আরও তিনটি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিনি আরও জানান, আগুনে ঝলমল সিনেমা হল ও সংলগ্ন একটি এলপিজি সিলিন্ডারের গুদাম, ডেকোরেটরের দোকান, পুরাতন কাপড়ের দোকানসহ ১৫ থেকে ২০টি প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গেছে।
উল্লেখ্য, ঝলমল সিনেমা হলটি মূলত গৌরীপুরের একটি জমিদার বাড়ি। শতবর্ষী এই ঐতিহাসিক স্থাপনায় সিনেমা হলটি পরিচালিত হয়ে আসছিল।
২ দিন আগে
ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ জনসহ নিহত ৭
ময়মনসিংহে বাসচাপায় একই পরিবারের ৪ জনসহ সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকসহ ৭ জন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে নগরীর আকুয়া বাইপাস সড়কের গন্দ্রপা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান, নিহতদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, তিনজন নারী ও একজন শিশু রয়েছে। তবে এদের মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে।
পরিচয় শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— জামালপুর সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর গ্রামের রাশিদা বেগম (৭০), তার ছেলে মোফাজ্জল হোসেন (৫০), মেয়ে মর্জিনা আক্তার (২৫), মর্জিনার ছেলে মিনান (৫) এবং জামালপুর সদরের বীরগোবিন্দবাড়ি এলাকার আসর উদ্দিনের ছেলে অটোরিকশাচালক সুজন আলী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুরগামী রাজীব পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে আকুয়া বাইপাস সড়কের গন্দ্রপা এলাকায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি সম্পূর্ণভাবে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই এতে থাকা চালকসহ সাতজন নিহত হন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় বাসটি সরিয়ে অটোরিকশাটি বের করা হয়। পরে অটোরিকশার ভেতর থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ফায়ার সার্ভিসের ময়মনসিংহ স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। অটোরিকশাটি এমনভাবে দুমড়ে-মুচড়ে যায় যে ভেতরে থাকা যাত্রীদের বের করতে উদ্ধারকর্মীদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতির কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে অজ্ঞাত দুইজনের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তাদের সঙ্গে থাকা মুঠোফোনসহ বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।
তিনি আরও বলেন, উদ্ধার করা মরদেহগুলো ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে মরদেহগুলো হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হবে।
ওসি আরও জানান, পুলিশ বাসটি আটক করেছে, তবে চালক ও তার সহকারী পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
৭ দিন আগে
ধানক্ষেতে বিদ্যুতের ছেঁড়া তার, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যু
ময়মনসিংহের ভালুকায় ধানক্ষেতে পড়ে থাকা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ভালুকা ইউনিয়নের খারুয়ালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন খারুয়ালী গ্রামের আব্দুল আজিজ আকন্দের ছেলে সাহাব উদ্দিন আকন্দ (৫৯) ও মজিদ আকন্দের ছেলে ধনু আকন্দ (৬১)।
পুলিশ ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, আজ (বুধবার) সকালে ধনু আকন্দ নিজের ধানক্ষেতে কীটনাশক ছিটাতে যান। এ সময় ধানক্ষেতে একটি বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ে ছিল। কীটনাশক ছিটানোর একপর্যায়ে ওই তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং লুটিয়ে পড়েন। দূর থেকে বিষয়টি দেখতে পেয়ে সাহাব উদ্দিন আকন্দ তাকে উদ্ধারের জন্য এগিয়ে যান। ধনুর কাছে যেতেই তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়।
পরে স্থানীয়রা দুজনকে উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।
ভালুকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, নিহত দুজনের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নিহতদের স্বজনদের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ নেওয়ার জন্য কোনো আবেদন করা হয়নি। আবেদন করা হলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর জেনারেল ম্যানেজার নাসির উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৮ দিন আগে
বাকৃবির গেস্ট হাউস থেকে ইয়াবাসহ আটক ৪
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) গেস্ট হাউস থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী, বহিরাগতসহ চারজনকে ইয়াবাসহ আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম ও কয়েকটি ইয়াবা জব্দ করা হয়।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলিম। এর আগে গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে গেস্ট হাউসের একটি কক্ষে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি ব্যবসা ও বিপণন বিভাগের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী লাবিব হাসান মিঠুন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের সামিউল আলিম, সামিউল ইবনে আশিকুর রহমান ও সয়াদ। তাদের চারজনকেই ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
প্রক্টর আবদুল আলিম জানান, বহিরাগতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গেস্ট হাউসের একটি কক্ষে অবস্থান করছেন—এমন খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল টিম ও পুলিশ মঙ্গলবার রাতে সেখানে যায়। এ সময় সেখানে ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম পাওয়া যায়। পরে সেখান থেকে ইয়াবাও উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, তারা সেখানে যাওয়ার পর আটক ব্যক্তিরা কিছু ইয়াবা টয়লেটে ফ্লাশ করে নষ্ট করার চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ বাথরুমে তল্লাশি চালিয়ে চার থেকে পাঁচটি ইয়াবা ও একটি কিট আলামত হিসেবে জব্দ করে।
গেস্ট হাউসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী অধ্যাপক ড. অনিরুদ্ধ সরকার বলেন, মিঠুনের নামে বুক করা ৬ নম্বর কক্ষে লোকজনের অস্বাভাবিক যাতায়াত এবং তাদের মোটরসাইকেল রাখা ও সন্দেহজনক চলাফেরা লক্ষ্য করে অন্য কর্মীরা তাকে বিষয়টি জানান। পরে তিনি বিষয়টি সহকারী প্রক্টরকে জানান। এরপর প্রক্টরের সঙ্গে পরামর্শ করে সহকারী প্রক্টর প্রক্টরিয়াল ভিজিল্যান্স টিম নিয়ে ওই কক্ষে যান।
এ সময় কক্ষে মিঠুনসহ চারজনকে দেখতে পান তারা। তাদের মধ্যে একজন শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) মেকানিক। বাকি দুজনের পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি।
কক্ষটিতে তীব্র গন্ধ ছিল এবং সেখানে থাকা ব্যক্তিদের আচরণ অস্বাভাবিক মনে হচ্ছিল বলেও জানান তিনি।
কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুব বলেন, আটক চারজনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে তাদের বিরুদ্ধে ঠিক কোন ধারায় মামলা হবে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
৯ দিন আগে
নেত্রকোণায় ফাঁকা গুলির পর তাঁতী দল নেতাকে খুঁজছে পুলিশ
নেত্রকোণার পূর্বধলায় ব্যস্ত বাজারে পিস্তল দিয়ে ফাঁকা গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে জেলা তাঁতী দলের সহ-সম্পাদক ও খলিশাউড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিক ওরফে হাজী সিদ্দিকের বিরুদ্ধে।
ঘটনাস্থল থেকে একটি গুলির খোসা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
ওসি মামুন বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তলের গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গুলির ঘটনায় আবু বকর সিদ্দিকের নাম এসেছে। তার নামে কোনো অস্ত্রের লাইসেন্স নেই। অস্ত্র উদ্ধার ও তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। আশা করছি দ্রুতই তাকে আটক করা সম্ভব হবে।
১৮ দিন আগে
ময়মনসিংহে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে দুবৃর্ত্তদের আগুন
ময়মনসিংহে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সৌখিন পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ১২টা দিকে নগরীর মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ডে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, নগরীর মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় একটি বাসে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিতে দুবৃর্ত্তরা আগুন দিয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্তের পর অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, মাসকান্দা এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিতে কে বা কারা আগুন দিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিকভাবে তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাস্থল থেকে অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে এবং এর পেছনে কারা জড়িত, তা জানতে বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। জব্দ করা আলামত ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হবে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে এবং ঘটনায় কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৯ দিন আগে
ময়মনসিংহে বাসচাপায় নিহত ২, আহত অন্তত ১০
ময়মনসিংহের ত্রিশালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বাসের চাপায় ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার কাজির সিমলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুজন অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ইউনাইটেড পরিবহনের একটি বাস কাজির সিমলা এলাকায় পৌঁছালে প্রথমে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মাহেন্দ্রকে চাপা দেয়। পরে বাসটি একটি যাত্রীবাহী সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে মাহেন্দ্র ও অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। পরে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে উল্টে যায়।
এতে তিনটি পরিবহনের অন্তত ১০ জন আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মধ্যে দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহতদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহমেদ জানান, পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করেছে। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘাতক বাসটি জব্দ করা গেলেও চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
২১ দিন আগে
ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড: তদন্ত কমিটি পুনর্গঠন
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আগের তদন্ত কমিটি বাতিল করে ছয় সদস্যের নতুন কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও কর্তৃপক্ষের কোনো গাফিলতি ছিল কি না তা খতিয়ে দেখে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের দুই দিন পর বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে হাসপাতাল পরিদর্শন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি এম ইকবাল হোসেইন।
হাসপাতালে পৌঁছে তিনি কনফারেন্স রুমে এক বৈঠকে অংশ নেন। পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
এ সময় হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যা নিরসনে পরবর্তী সময়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
পরিদর্শনকালে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সহ-সভাপতি ও ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ, হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মো. জাকিউল ইসলাম, ড্যাবের জেলা সভাপতি ডা. মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দিসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম, বিভিন্ন সমস্যা ও সংকটের বিষয়ে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও সহসভাপতিকে অবহিত করা হয়।
এদিকে হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মো. জাকিউল ইসলাম জানান, ঘটনার দিন রাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। পরে সেটি বাতিল করে বুধবার আগের কমিটির দুই সদস্যকে বাদ দিয়ে নতুন দুই সদস্য যুক্ত করে ছয় সদস্যের কমিটি পুনর্গঠন করা হয়।
নতুন কমিটির প্রধান করা হয়েছে মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. গোলাম রহমান ভূইয়াকে। সহকারী পরিচালক ডা. মাইন উদ্দিন খানকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন: ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, ডেন্টাল সার্জন ডা. খন্দকার মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায় এবং ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দি।
উপপরিচালক জানান, আগের পাঁচ সদস্যের কমিটিতে গণপূর্ত বিভাগের দুজন সদস্য ছিলেন। বিভিন্ন মহল থেকে আপত্তি ওঠায় পুনর্গঠিত কমিটিতে গণপূর্ত বিভাগের কাউকে রাখা হয়নি।
কমিটিকে অগ্নিকাণ্ডের কারণ উদঘাটন, কর্তৃপক্ষের গাফিলতি থাকলে তা চিহ্নিত করে সুপারিশ দেওয়া এবং অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সহসভাপতি ও ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পদদলিত হয়ে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। যারা মারা গেছেন, তাদের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।
২২ দিন আগে
মমেক হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের সময় পদদলিত হয়ে ৬ মৃত্যুর খবর সত্য নয়: বিভাগীয় কমিশনার
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের সময় ‘পদদলিত হয়ে’ ৬ জনের মৃত্যুর যে তথ্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার হয়েছে, তা সত্য নয় বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির সরকার।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতালের নতুন ভবনের লিফট কন্ট্রোল রুমে অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
গতরাতে ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দি বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছিলেন, এ ঘটনায় হাসপাতালে থাকা রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ময়মনসিংহ সদরের ৩টি ইউনিট ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) থেকে একটি ইউনিটসহ মোট ৪টি ইউনিট আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
আগুনে মমেক হাসপাতালের নতুন ভবনের লিফটের কন্ট্রোল রুম থেকে ৮ তলা পর্যন্ত লিফটের সবকিছু পুড়ে যায়।
সরেজমিনে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা যায়, আগুন লাগার খবরে নতুন ভবনে থাকা রোগী ও স্বজনেরা হুড়োহুড়ি করে রাস্তায় নেমে এসেছেন। সে সময় নিরাপত্তাকর্মীরা শিশু ও নারীদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে সহযোগিতা করেন। হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্সসহ অনেক কর্মী ছুটাছুটি করে রাস্তায় নেমে আসেন।
আগুন লাগার খবর পেয়ে হাসপাতাল চত্ত্বরে শত শত উৎসুক জনতা ভীড় জমান এবং ভর্তিকৃত রোগী ও স্বজনদের খোঁজখবর নেন। আতঙ্কে হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে সে সময় অন্তত ১০ জন আহতও হন।
গতকাল রাতে হাসপাতালের উপপরিচালক জাকিউল ইসলাম জানান, আগুনে হাসপাতালের ওয়ার্ডের বা রোগীদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে হাসপাতালের মেঝেতে পানি থাকায় একটু সমস্যা হচ্ছে। সেই পরিস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। রোগীদের আতঙ্কিত না হয়ে নিজ নিজ বেডে চলে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
পরে আতঙ্কে হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে পদদলিত হয়ে ৬ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন তখন বলেন, নিহতদের মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন: নেত্রকোনার পূর্বধলার হাজেরা বেগম (৫০), ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া শাহজাহান (৪০), রমজান (৩৮) ও জাহানারা (৫০) এবং তারাকান্দা উপজেলার কুলসুমা (৩৫)।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় এক শিশুও মারা গেছে। তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
তবে মধ্যরাতের দিকে হাসপাতাল থেকে বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির সরকার সাংবাদিকদের বলেন, হাসপাতালে পদদলিত হয়ে কেউ মারা গেছেন—এমন প্রমাণ তিনি কিংবা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত পাননি। এ ধরনের কোনো প্রমাণ পেলে তিনি সেটা যাচাই করে দেখবেন।
অগ্নিকাণ্ডের বেশ কিছু সময় পর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও টেলিভিশনে ছয়জনের মৃত্যুর তথ্য প্রচার করছে—এ বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কোনো তথ্য নিশ্চিত না হয়ে বলা উচিত নয়। প্রকাশ করলে তাতে বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।’
তিনি দাবি করেন, প্রকাশিত খবরে জাহানারা নামে এক নারী মৃতের তালিকায় আছেন, অথচ তিনি হাসপাতালের ১০ নম্বর সার্জারি ওয়ার্ডে এখনও ভর্তি রয়েছেন।
বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, ‘হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিস, ইমার্জেন্সি, মর্গ ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলেই আমরা নিশ্চিত হয়ছি, ৬ জনের মৃত্যুর খবর সত্য নয়। এতবড় একটি হাসপাতাল, প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে চার হাজার রোগী ভর্তি থাকে। প্রতিদিনই এখানে বেশ কয়েকজনের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়।’
তার বক্তব্য ধরে পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কাছে তার দেওয়া তথ্যের সত্যতা জানতে চাওয়া হয়। জবাবে তিনি ‘গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই ৬ জনের মৃত্যুর খবর দেওয়া হয়েছিল’ বলে জানান।
এ বিষয়ে আজ (মঙ্গলবার) ময়মনসিংহ রেঞ্জের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) জাহিদুল হাসান বলেন, বিষয়টি তদন্তনাধীন আছে। কোনো কোনো গণমাধ্যম মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করলেও এটি নিয়ে প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি।
‘গণমাধ্যমে আসা খবরটি অসত্য’ দাবি করে তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে আমরা কোনো মরদেহ পাইনি। হাসপাতালের ওয়ার্ড, জরুরি বিভাগ ও মর্গে খোঁজ নিচ্ছি এবং স্বজনদের সঙ্গেও কথা বলছি। তবে এখন পর্যন্ত কনক্রিট এভিডেন্স আসেনি।’
এদিকে, এই অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. গোলাম রহমানকে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর সদস্যরা হলেন: হাসপাতালের সহকারী পরিচালক, ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ও গণপূর্ত বিভাগের বিদ্যুৎ বিভাগের প্রকৌশলী।
কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২৪ দিন আগে