অন্যান্য
বিএসসিপিএলসির আধিপত্যে ইন্টারনেটের দাম না কমার অভিযোগ
দেশে সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট নিশ্চিত করার পথে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসির (বিএসসিপিএলসি) আধিপত্য প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে খাতসংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মহাখালীর রাওয়া কনভেনশন হলে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি) আয়োজিত ‘সবার জন্য সাশ্রয়ী ইন্টারনেট ও টেক জায়ান্টদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ: বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সেমিনার ও কর্মশালায় এ অভিযোগ করা হয়।
টিআরএনবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ অবকাঠামোয় বিএসসিপিএলসির এই আধিপত্যের কারণে বাজারে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হচ্ছে না। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে ব্যান্ডউইথের মূল্য, ইন্টারনেটের গুণগত মান এবং শেষ পর্যন্ত গ্রাহক পর্যায়ের দামের ওপর।
সেমিনার ও কর্মশালায় খাতসংশ্লিষ্টরা এই একচেটিয়া আধিপত্য ভেঙে প্রতিযোগিতা বাড়ানো, বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবলে বিনিয়োগ সহজ করা এবং ল্যান্ডিং স্টেশনে উন্মুক্ত ও বৈষম্যহীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার তাগিদ দেন।
এছাড়া গুগল, মেটা, আকামাই ও ক্লাউডফ্লেয়ারের মতো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ আকর্ষণে স্থিতিশীল নীতিমালা ও উন্নত ডিজিটাল অবকাঠামো নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তারা।
টিআরএনবির সাবেক সভাপতি সমীর কুমার দের সঞ্চালনায় এবং সংগঠনের সভাপতি মাসুদুজ্জামান রবিনের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি মেটাকোর সাবকম লিমিটেডের প্রকল্পপ্রধান মাহমুদ শাহেদ এবং ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবির কোষাধ্যক্ষ মইন উদ্দিন আহমেদ।
পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনায় দেশের আন্তর্জাতিক সংযোগ, সাবমেরিন ক্যাবল খাত ও ইন্টারনেট অবকাঠামোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
উপস্থাপনায় বলা হয়, সি-মি-উই-৪ ও সি-মি-উই-৫—দুটি সাবমেরিন ক্যাবলে বিএসসিপিএলসি মোট ৮১৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছে। ২০০৮ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির রাজস্ব তিন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে এবং এ সময়ে নিট মুনাফা হয়েছে এক হাজার ৩৬২ কোটি টাকার বেশি। তবে একচেটিয়া ব্যবসার সুযোগ থাকায় সাধারণ মানুষ ও ইন্টারনেট গ্রাহকরা এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়।
প্রবন্ধে জানানো হয়, দেশে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথের ব্যবহার বাড়লেও বিএসসিপিএলসির আধিপত্যের কারণে একাধিক সাবমেরিন ক্যাবল ও বিকল্প আন্তর্জাতিক রুটের সুযোগ অত্যন্ত সীমিত।
আরও বলা হয়, ২০০৬ সালে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) এক এমবিপিএস ব্যান্ডউইথ ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি করত। পরে বিএসসিপিএলসি ব্যান্ডউইথ বিক্রি শুরু করে। ব্যান্ডউইথ বিক্রি শুরুর ১০ বছর পর ২০১৬ সালে একই পরিমাণ ব্যান্ডউইথ বিক্রি হয় ৫০০ টাকায়। চলতি বছরে একই পরিমাণ ব্যান্ডউইথের দাম ১২০ টাকা।
বক্তারা যুক্তি দেন, বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবল চালু হলে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার ফলে ২০২৭ সালে একই পরিমাণ ব্যান্ডউইথের দাম ৬০ থেকে ৭০ টাকায় নেমে আসতে পারে। তবে বিএসসিপিএলসির একচেটিয়া আধিপত্য বহাল থাকলে এবং নতুন সাবমেরিন ক্যাবল চালু না হলে এই সাশ্রয়ী মূল্যে ব্যান্ডউইথ বিক্রি করা সম্ভব হবে না বলে তারা মনে করেন।
বক্তারা জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার জিবিপিএস আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করছে। গুগল, মেটা, আকামাই ও ক্লাউডফ্লেয়ারের মতো বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সেবা ও অবকাঠামোর সঙ্গে এই আন্তর্জাতিক সংযোগের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তবে বিএসসিপিএলসির ওপর নির্ভরশীল পরিবেশ, আন্তর্জাতিক সংযোগের সীমাবদ্ধতা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ও অনুকূল নীতিমালার অনুপস্থিতির কারণে বাংলাদেশে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও হাইপারস্কেলাররা বিনিয়োগে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে।
আইএসপিএবির পক্ষ থেকে আধিপত্য ভেঙে বেসরকারি বিনিয়োগ ও উন্মুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা, বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের প্রক্রিয়া সহজ করা এবং ল্যান্ডিং স্টেশনে ক্যারিয়ার-নিরপেক্ষ ও বৈষম্যহীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পাশাপাশি একাধিক সাবমেরিন ক্যাবল ও ল্যান্ডিং স্টেশনের সুযোগ তৈরি, দেশীয় ফাইবার শেয়ারিং, আইএক্সপি ও স্থানীয় পিয়ারিং সম্প্রসারণ এবং ব্রডব্যান্ড অবকাঠামো ও সরঞ্জামের ওপর কর যৌক্তিকীকরণের সুপারিশ করা হয়।
অনুষ্ঠানে মেটাকোর সাবকম লিমিটেডের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল হাকিম বলেন, ‘বিএসসিপিএলসির একচেটিয়া ব্যবস্থা জিইয়ে রেখে দেশে সাশ্রয়ী ও মানসম্মত ইন্টারনেট নিশ্চিত করা অসম্ভব। আন্তর্জাতিক সংযোগ অবকাঠামোয় প্রতিযোগিতা বাড়াতে হবে এবং বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হলে ব্যান্ডউইথের বাজারে এই একচেটিয়া আধিপত্য ভেঙে যাবে, যার সুফল সরাসরি গ্রাহক পর্যায়ে পৌঁছাবে।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিডিনেট কমিউনিকেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মশিউর রহমান এবং বাংলাদেশ এনজিওস নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ এম বজলুর রহমান।
সেমিনারের শেষ পর্যায়ে বলা হয়, বিএসসিপিএলসির একচেটিয়া আধিপত্যের অবসান ঘটিয়ে স্থিতিশীল, পূর্বাভাসযোগ্য ও প্রযুক্তি-নিরপেক্ষ নীতিমালা নিশ্চিত করা গেলেই বাংলাদেশকে সত্যিকারের আঞ্চলিক ডিজিটাল অবকাঠামো হাবে পরিণত করা সম্ভব।
৫ ঘণ্টা আগে
বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে বাড়ল ১৭ পয়সা
সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে বাস ও মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার থেকেই নতুন ভাড়া কার্যকর হবে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বাস ও মিনিবাসের ভাড়া বাড়ানোর এ ঘোষণা দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এর আগে পরিবহন মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।
মন্ত্রী জানান, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে বাস ও মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ৫৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ৭০ পয়সা করা হয়েছে।
অন্যদিকে দূরপাল্লার বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ২৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ৪০ পয়সা করা হয়েছে।
এছাড়া ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) আওতাধীন এলাকায় বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ৪৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ৬০ পয়সা হয়েছে।
শেখ রবিউল আলম আরও জানান, আজই (মঙ্গলবার) নতুন ভাড়া নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি হবে এবং আজ থেকেই তা কার্যকর হবে।
এর আগে গত রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সরকার চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ায়, যা পরদিন সোমবার থেকে কার্যকর হয়। সর্বশেষ এ সমন্বয় অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা ও অকটেনের দাম ১৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
জনস্বার্থে নাফ নদীর সীমান্ত সড়ক-পোল্ডারের কাজ সম্পন্ন হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী
কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীর সীমান্ত সড়ক-পোল্ডারসমূহের পুনর্বাসনের কাজ দেশের স্বার্থ ও জনস্বার্থ বিবেচনায় সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
তিনি বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদী খননসহ জনকল্যাণে কাজ করছে বর্তমান সরকার। কারিগরি সমীক্ষা ও প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে নাফ নদীর পোল্ডারসমূহের পরবর্তী কার্যক্রম নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে নাফ নদী বরাবর পোল্ডারসমূহের পুনর্বাসন প্রকল্প নিয়ে সুবিধাভোগী ও স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, সীমান্ত সড়ক ও পোল্ডার পুনর্বাসন প্রকল্পে ইতোমধ্যে বিপুল অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে বরাদ্দ ও সংশোধনের পরও প্রকল্পটি জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজে আসেনি। একটি প্রকল্প বারবার সংশোধন ও অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়ার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
এ্যানি চৌধুরী বলেন, কৃষি, মানুষের জীবন-জীবিকা, নিরাপত্তা ও পরিবেশ—সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে প্রকল্পটির কাজ করা জরুরি। স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা নিয়ে প্রকল্পটি পুনরায় বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ ও উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. রুহুল আমিন, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় নাফ নদীর সীমান্ত সড়ক-পোল্ডারসমূহের পুনর্বাসন, বেড়িবাঁধের বর্তমান অবস্থা, প্রকল্প বাস্তবায়ন, স্থানীয় জনগণের সমস্যা ও প্রত্যাশাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। সুবিধাভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে তাদের মতামত ও সমস্যার কথা তুলে ধরেন।
পরে মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা শাহপরীরদ্বীপ পশ্চিমপাড়া বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে বেড়িবাঁধের বর্তমান অবস্থা, নদীভাঙন ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে অবহিত হন।
৯ ঘণ্টা আগে
পুলিশের কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোবলের ঘাটতি রয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা
পুলিশের কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোবলের ঘাটতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের কার্যক্রমে কোনো ঢিলেঢালা ভাব রয়েছে বলে তিনি মনে করেন না।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
পুলিশের মধ্যে ঢিলেঢালা ভাব আছে কি না জানতে চাইলে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, পুলিশের কার্যক্রমে ঢিলেঢালা ভাব নেই। অতীতে পুলিশকে যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল, সেটাকে যদি আমরা সঠিক ‘পুলিশিং’ মনে করি, তবে তা ভুল হবে।
তিনি পুলিশের অতীত ভূমিকার সমালোচনা করে আরও বলেন, আমরা অতীতে পুলিশের এক ধরনের ‘মিলিটারাইজেশন’ (সামরিকীকরণ) দেখেছি। পুলিশের হাতে যুদ্ধের অস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছিল। কথায় কথায় গালি দেওয়া, পিটানো কিংবা গুলি করার যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, সেখান থেকে বের হয়ে আসতে হবে। পুলিশিং কখনোই ওরকম হওয়া উচিত নয়।
জনগণের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্কের ব্যাখ্যা দিয়ে উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, পুলিশ সরাসরি দেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাজ করে। একজন নাগরিক অপরাধ করলেও সে এই দেশেরই লোক, কোনো শত্রু রাষ্ট্রের সৈন্য নয়। শত্রু দেশের দিকে বন্দুক তাক করে আর্মি, কিন্তু পুলিশের অস্ত্র ব্যবহৃত হয় নিজ দেশের নাগরিকদের সুরক্ষায়। ফলে আমরা অতীতে পুলিশের যে রূপ দেখেছি, পুলিশ আর কখনোই যেন সেই চেহারায় ফিরে না যায়।
মনোবলের বিষয়ে একমত পোষণ করে জাহেদ উর রহমান বলেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুলিশের মনোবলের অভাব রয়েছে, এটি সত্যি। অতীতের ঘটনাগুলো কাটিয়ে উঠে তাদের স্বাভাবিক ধারায় ফিরে আসতে হবে। দেশের জনগণ যেন পুলিশের পাশে দাঁড়ায়, যাতে তারা দ্রুত স্বরূপে ফিরতে পারে।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সময় তিনি সরকারে না থেকে পূর্বের মতো অ্যাক্টিভিস্ট থাকলে কী ভূমিকা নিতেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি এই সরকারে না থেকে অ্যাক্টিভিস্ট হলে নিশ্চিতভাবেই এর প্রতিবাদ করতাম। তবে বিগত সরকারের আমলে শুধু প্রতিবাদ নয়, পদত্যাগও চাইতাম। বর্তমান সরকারের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য নয়।
তিনি আরও বলেন, বিগত সরকারের সময়ে পেঁয়াজের কেজি ৩০০ টাকা বা অন্য কোনো সংকট তৈরি হলে আমরা পদত্যাগ চাইতাম, কারণ সেই সরকারকে আমরা ‘ওন’ করতাম না—ওটা কোনো বৈধ সরকার ছিল না। তাই তাদের কোনো যুক্তি শুনতে আমরা প্রস্তুত ছিলাম না।
বর্তমান সরকারের বিষয় উপদেষ্টা বলেন, ‘এই সরকার একটা নির্বাচিত সরকার, এই সরকার আমি প্রায় আগেই বলেছি এটা আমাদের সরকার। আমাদের অনেকেই হয়তো এই সরকার, মানে এই মার্কায় ভোট দেই নাই, কিন্তু আমরা এই প্রক্রিয়ায়, ইলেকশনে পার্ট ছিলাম, আমরা পার্টিসিপেট করেছি, পরাজিত হয়েছি। একইভাবে ভবিষ্যতে কোনো নির্বাচনে আমরা পরাজিত যদি হই, সেই সরকারকেও আমরা ওন করব।’
তিনি বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা হতে পারে—দাম আরেকটু কম রাখা যেত কি না বা আরও ভালোভাবে পরিচালনা করা যেত কি না, তবে একে অস্থিতিশীল করা উচিত হবে না।
৯ ঘণ্টা আগে
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে পণ্যের দামে তেমন প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পণ্যের দামে তেমন প্রভাব পড়বে না বলে মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিলেটের লাক্কাতুরা চা বাগান ফ্যাক্টরি মাঠে চা শ্রমিকদের মাঝে রেইনকোট বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পণ্যের দামে তেমন প্রভাব পড়বে না। অসাধু ব্যবসায়ীরা যাতে এই পরিস্থিতির সুযোগ নিতে না পারে, সেজন্য কঠোর মনিটরিং করা হবে বলেও জানান তিনি।
বিরোধী দলের বক্তব্য প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তারা নির্বাচিত বিরোধী দল; তাদের উচিত মুখরোচক কথাবার্তা না বলে, দায়িত্বশীল আচরণ করা।
এর আগে বিভিন্ন চা বাগানের এক হাজার ৯৮০ জন শ্রমিকের মাঝে রেইনকোট বিতরণ করা হয়।
চা শ্রমিকদের উদ্দেশে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, চা বাগানের আয় বাড়াতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘চা বাগানকে লাভজনক করার জন্য কয়েকদিন আগেও আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বৈঠক করেছি।’
মন্ত্রী বলেন, চা গাছের ক্ষতি না করে বাগানে কাঠ ও মসলাজাতীয় গাছসহ অন্য কোনো গাছ লাগানো যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। এছাড়া যেসব বাগানে সম্ভব, সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হবে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো বাগানের আয় বাড়ানো। বাগানের আয় বাড়াতে পারলে শ্রমিকদের মজুরিও ভালোভাবে বাড়াতে পারব।
চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যেসব বাগানে স্কুল নেই, সেখানে স্কুল করা হবে এবং বাগানের রাস্তাঘাট সংস্কার করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে পরিকল্পিতভাবে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছি। এর সুফল আপনারা পাবেন। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, মজুরিসহ সব ক্ষেত্রেই এর সুফল পাওয়া যাবে।’
সিলেট সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠানে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, জেলা প্রশাসক আব্দুলাহ আল মামুন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ রাজনৈতিক ও শ্রমিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
১০ ঘণ্টা আগে
অর্থনৈতিক বাস্তবতা থেকেই জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়েছে: জাহেদ উর রহমান
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম সাময়িকভাবে কিছুটা কমলেও পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনা করেই সরকার জ্বালানির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি বলেন, জ্বালানির দাম বাড়ানোর কারণে মানুষের কষ্ট হচ্ছে এবং হবে। তবে সরকারকে একই সঙ্গে জ্বালানিতে ভর্তুকি, সামাজিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্য করতে হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহেদ উর রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম সাময়িকভাবে কিছুটা কমলেও সামনে আবার দাম বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘দুই-তিন দিনে কিছু টাকা সামান্য দুই-তিন পার্সেন্ট কমেছে। এখনও ১০০ ডলারের বেশি ক্রুড অয়েলের দাম আছে। কিছুটা কমেছে। কিন্তু এটা আসলে সাসটেইন করার সম্ভাবনা নেই।’
আন্তর্জাতিক বাজারের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট, প্রণালি অবরুদ্ধ হওয়ার ঝুঁকি, সৌদি আরবের তেল রপ্তানিতে বাধা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে তেল স্থাপনায় হামলার মতো বিষয়গুলো ভবিষ্যতে জ্বালানি বাজারকে আরও অস্থিতিশীল করতে পারে বলে জানান তিনি।
জনগণের কষ্ট হবে
জ্বালানির দাম বাড়ানোর কারণে জনগণের কষ্টের কথা স্বীকার করে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘জনগণের কষ্ট হচ্ছে, কষ্ট হবে। আমরা আগেও যখন অয়েল নিয়ে কথা বলছি, এটা কোথায় হচ্ছে না?’
তিনি বলেন, সরকারকে একই সঙ্গে জ্বালানিতে ভর্তুকি, সামাজিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে ব্যয় করতে হচ্ছে। সব খাতে একসঙ্গে বিপুল অর্থ ব্যয় করা সম্ভব নয়। এ কারণে সরকারকে বিভিন্ন খাতের মধ্যে ভারসাম্য করতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘একটা সরকারের খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজ সরকার মনে করে ওয়েলফেয়ার (উন্নয়ন) খাতে ব্যয়, সেটা সোশ্যাল সেফটির (সামাজিক নিরাপত্তা) কথা আমরা বললাম। একই সঙ্গে আমরা স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় ব্যয় করতে চাই। তো সব যদি একসঙ্গে করার চেষ্টা করা হয় আসলে কঠিন হয়ে যায়। তো সরকারকে কিছু ব্যালেন্স করতে হয়েছে।’
গ্যাস ও বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, চলতি অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে প্রায় ৪৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকির পরিকল্পনা থাকলেও আড়াই মাসেই এর প্রায় অর্ধেক দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আপনি যদি এই গতিতে ভর্তুকি গ্যাস-বিদ্যুতে দেন, তাহলে বছর শেষে এটা সোয়া ১ লাখ কোটি টাকা থেকে দেড় লাখ কোটি টাকা দাঁড়াবে।’
পরিবহন ভাড়া যৌক্তিকভাবে সমন্বয়ের চেষ্টা
ডিজেলের দাম বাড়ার কারণে পরিবহন খরচ বাড়বে স্বীকার করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, যৌক্তিক পরিমাণে পরিবহন ভাড়া সমন্বয় নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে সরকার।
একই সঙ্গে নিম্নআয়ের ও ঝুঁকিতে থাকা মানুষের জন্য খাদ্য সহায়তা, ওএমএস এবং ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
পেট্রোল ও অকটেনের দাম বাড়ানোর বিষয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, দেশে কনডেনসেট থেকে এসব জ্বালানি উৎপাদন হলেও তা দেশের মোট চাহিদা পূরণ করতে পারে না। ফলে আমদানি করা ক্রুড অয়েল থেকেও পেট্রোল ও অকটেন উৎপাদন করতে হয়।
তিনি বলেন, ‘আমাদের বিরাট একটা অংশ পেট্রোল এবং অকটেন আমদানিকৃত ক্রুডের ওপর ডিপেন্ড (নির্ভর) করে, সুতরাং ওখানে তো দাম বাড়ছেই।’
তার ভাষ্য, পেট্রোল ও অকটেনের ক্ষেত্রে তুলনামূলক বেশি দাম রাখার নীতিগত কারণও রয়েছে। কারণ এসব জ্বালানি তুলনামূলকভাবে সামর্থ্যবান মানুষ বেশি ব্যবহার করেন।
আইএমএফের শর্ত নিয়ে ব্যাখ্যা
জ্বালানির দাম বাড়ানোর সঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কোনো নির্দিষ্ট শর্ত আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, এ ধরনের কোনো শর্ত নেই।
তিনি বলেন, ‘না, এমন কোনো শর্ত আসলে নেই। আইএমএফের বেসিক নিয়ম যেটা আছে, তারা চায় না একটা সরকার খুব বেশি ভর্তুকি দিক।’
তবে জ্বালানি, গ্যাস ও বিদ্যুতে বিপুল ভর্তুকি কমানোর প্রয়োজনীয়তা সরকার অর্থনৈতিক বাস্তবতা থেকেই বিবেচনা করছে বলে জানান তিনি।
সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর ব্যাখ্যা
জ্বালানিতে ভর্তুকির চাপের মধ্যেই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সর্বশেষ ২০১৫ সালে বেতন স্কেল কার্যকর হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ সময় বেতন স্কেল সংশোধন হয়নি।
তিনি বলেন, ‘একটা বেতন স্কেল ২০১৫, আমি যদি ভুল না করি সর্বশেষ হয়েছিল। তারপর ১০-১১ বছর পার হয়ে গেছে এবং আমাদের গ্রসলি প্রায় ১০ শতাংশের মতো করে একটা ইনফ্লেশন হয় কম-বেশি। তাহলে আপনি চিন্তা করুন এটা এর মধ্যে রিভাইসড হয়নি।’
তিনি জানান, বেতন কমিশনের সিদ্ধান্ত একবারে পুরোপুরি কার্যকর না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের বিভিন্ন অগ্রাধিকারের মধ্যে সম্পদের বণ্টন করতে গিয়ে এভাবে ভারসাম্য করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফর সংক্ষিপ্ত করার কারণ
প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান সফর সংক্ষিপ্ত করার কারণ হিসেবে ব্যয় সাশ্রয় ও দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির কথা জানান তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘এত দীর্ঘ সফরের চেয়ে কম সময়ের সফর ব্যয় সাশ্রয়ী। আপনারা খেয়াল করবেন খুব ছোট একটা দল নিয়ে তিনি গেছেন। একই সঙ্গে দেশ একটা নানান রকম ভাবে কিছু সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সুতরাং দেশে থাকা তার জন্য নিশ্চয়ই আরও বেটার প্রাইয়োরিটি এই মুহূর্তে।’
তিনি আরও জানান, সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কোনো কথা তারা এখনও জানেন না।
১১ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী
গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নিতে বিজ্ঞানীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবন ও গবেষণালব্ধ অর্জনের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, বিজ্ঞানীরা তাদের মেধা, শ্রম, সময় ও নিষ্ঠা ব্যয় করে নতুন প্রযুক্তি ও জ্ঞান সৃষ্টি করেন। এসব কাজের স্বীকৃতি না পেলে ভবিষ্যতে গবেষণার প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) পরিচালনা বোর্ডের ৪৯তম সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে সভায় সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
মন্ত্রী বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ, উন্নত জাত উদ্ভাবন, নিরাপদ প্রাণিজ আমিষ উৎপাদন এবং রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। গবেষণা কার্যক্রমকে আরও ফলপ্রসূ ও বাস্তবমুখী করতে হবে, যাতে এর সুফল সরাসরি খামারি ও উদ্যোক্তারা পান।
গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্রুত মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, দেশের প্রাণিসম্পদ খাত আজ যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তার পেছনে গবেষকদের দীর্ঘদিনের নিরলস পরিশ্রম রয়েছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
একই সঙ্গে উদ্ভাবনী গবেষণাকে উৎসাহিত করতে বিজ্ঞানীদের জন্য প্রণোদনা ও স্বীকৃতির সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
সভায় উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) মো. মাহমুদুল হোসাইন খান, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. আবদুছ ছালাম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, বিএলআরআইয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ছাদেক আহমেদ, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ আবদুস সামাদ, বোর্ডের সদস্য ডা. মো. সফিউল আহাদ সরদার এবং বোর্ডের সদস্যসচিব ও বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুকসহ পরিচালনা বোর্ডের সদস্যরা।
সভায় বিএলআরআইয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক, আর্থিক ও গবেষণাসংক্রান্ত বিষয় পর্যালোচনা করা হয়। প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দেওয়া হয়।
১২ ঘণ্টা আগে
দূরপাল্লায় ৮ পয়সা, সিটি সার্ভিসে ১০ পয়সা বাসভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব যাত্রী কল্যাণ সমিতির
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বাসভাড়া পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে পতিত স্বৈরাচারের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বাস ও লঞ্চ মালিকদের একচেটিয়া সুবিধা দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।
সংগঠনটি বলেছে, ভুক্তভোগী বা ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ যাত্রীসাধারণের প্রতিনিধিদের বাদ দিয়ে বাস ও লঞ্চ মালিকদের নিয়ে সরকারি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানগুলো দফায় দফায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছে। জনস্বার্থে ভাড়া পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার পরিবর্তে লুকোচুরি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক জরুরি প্রেসবার্তায় বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এসব অভিযোগ করেন।
প্রেসবার্তায় বলা হয়, জ্বালানির দাম বাড়লে বাস ও লঞ্চের ভাড়া বাড়বে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বিগত স্বৈরাচারের সময় থেকেই সরকারের সংশ্লিষ্টরা জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির একচেটিয়া সুবিধা বাস ও লঞ্চ মালিকদের পকেটে তুলে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
তারা জনস্বার্থে ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাস ও লঞ্চ মালিকদের নিয়ে দফায় দফায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করে। গণমাধ্যমের কাছেও এসব বিষয়ে লুকোচুরি করা হয়। ভাড়া নির্ধারণ কেবল মালিক সমিতি ও সরকার মিলে করলেও গণমাধ্যমে সব অংশীজনের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত হিসেবে তা প্রচার করা হয় বলে অভিযোগ সংগঠনটির।
অথচ দেশের বৃহত্তর অংশীজন যাত্রীসাধারণের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে ভাড়া নির্ধারণের বিষয়ে কোনো মতামত নেওয়া হয় না। পরিবহন পরিচালনায় কত টাকা ব্যয় বাড়ল এবং কত পয়সা ভাড়া বাড়ালে সেই ব্যয় সমন্বয় করা সম্ভব—তার কোনো স্বচ্ছ হিসাবও জাতির সামনে প্রকাশ করা হয় না।
এভাবে বিগত স্বৈরাচারের সময় থেকে সরকার পরিবহন মাফিয়াদের তোষামোদ করে আসছে বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি। এতে দেশের সাধারণ মানুষ বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়।
বিবৃতিতে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি দূরপাল্লার বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৮ পয়সা এবং সিটি সার্ভিসের বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। একই সঙ্গে লঞ্চের ভাড়া প্রতি নটিক্যাল মাইলে ৫ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাবও দিয়েছে সংগঠনটি।
১৩ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার ঢাকার কয়েকটি এলাকায় ৫ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না
জরুরি মেরামত কাজের জন্য মঙ্গলবার ঢাকার কয়েকটি এলাকায় পাঁচ ঘণ্টা সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ঢাকার দক্ষিণ পাইকপাড়া, সোনালী নগর এবং বটতলার পূর্ব ও পশ্চিম অংশসহ আশপাশের এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
মেরামত কাজ চলাকালে আশপাশের এলাকাতে গ্যাসের চাপ কম থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে তিতাস গ্যাস।
সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
১ দিন আগে
বছরজুড়ে বাজার স্থিতিশীল রাখতে নজরদারি জোরদার হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীল রাখতে বাজার নজরদারি আরও জোরদার করার কথা জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি বলেন, শুধু রমজান মাস নয়, সারা বছর নিত্যপণ্যের বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে ব্যবসায়ী সংগঠন, আমদানিকারক, উৎপাদক ও সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও বাড়ানো হবে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং সার্বিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা–সংক্রান্ত সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাজারে কোনো ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে দেওয়া হবে না। কেউ বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বাড়ালে বা অতিরিক্ত মুনাফা করার চেষ্টা করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’
সভায় অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, রমজান মাসে ভোগ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই বাড়ে। তবে সরকারের বাজার ব্যবস্থাপনা শুধু রমজানকেন্দ্রিক নয়। সারা বছরই পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক ও মূল্য সহনীয় রাখাই সরকারের লক্ষ্য।
সাম্প্রতিক বাজার পরিস্থিতির কারণ ব্যাখ্যা করে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, গ্যাস সরবরাহে বিঘ্নের কারণে বিভিন্ন শিল্পের উৎপাদন কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। পণ্য পরিবহনেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। ঝড়-বৃষ্টিসহ প্রতিকূল আবহাওয়ার প্রভাবও কয়েকটি এলাকায় বাজারে পড়েছে। তবে শীতকাল সামনে থাকায় অল্প সময়ের মধ্যেই নতুন সবজি বাজারে আসতে শুরু করবে এবং সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোকে নিয়মিত বাজার পরিস্থিতির খোঁজ রাখার আহ্বান জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পণ্যের দামে দুই-চার টাকার অস্বাভাবিক ওঠানামা সামগ্রিক হিসাবে খুব বড় মনে না হলেও তা সাধারণ মানুষের মধ্যে বাজার নিয়ে আস্থার সংকট সৃষ্টি করতে পারে। তাই বাজারে স্থিতিশীলতার পাশাপাশি মানুষের আস্থা ধরে রাখাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মন্ত্রী জানান, বাজারে মানুষের আস্থা আরও শক্তিশালী করতে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে নজরদারি ও মনিটরিং কার্যক্রম বাড়ানো হবে। আমদানিকারকদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করে পণ্যের মজুত, আমদানি ও সরবরাহ পরিস্থিতিও পর্যালোচনা করা হবে।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়লে দেশকেও এর অর্থনৈতিক চাপ বহন করতে হয়। সরকার ভোক্তাদের ওপর পুরো চাপ একবারে না দিয়ে একটি অংশ বহন করলে শেষ পর্যন্ত তা রাষ্ট্রীয় অর্থব্যবস্থার ওপরই পড়ে। তাই জ্বালানির দক্ষ ও সাশ্রয়ী ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাজার ও ব্যবসা স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় রাখতে বিদ্যমান কর কাঠামোর বিভিন্ন দিকও পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি দেশে উৎপাদিত পণ্য এবং যেসব পণ্যের ঋণপত্র বা এলসি ইতোমধ্যে খোলা হয়েছে কিংবা যেগুলো জাহাজীকরণ পর্যায়ে রয়েছে, সেগুলোর তথ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে।
আমদানি পরিস্থিতি ইতিবাচক
সভায় বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের পক্ষ থেকে নিত্যপণ্যের চাহিদা, আমদানি, সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতির একটি চিত্র উপস্থাপন করা হয়। এতে জানানো হয়, গত বছরের তুলনায় দেশে নিত্যপণ্যের আমদানি ও এলসি খোলার পরিস্থিতি ইতিবাচক।
কমিশনের তথ্যানুযায়ী, দেশে মসুর ডালের বার্ষিক চাহিদা প্রায় সাত লাখ মেট্রিক টন। গত বছরের ১ জুলাই থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪২ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল আমদানি হয়েছিল। চলতি বছরের একই সময়ে তা বেড়ে এক লাখ ছয় হাজার মেট্রিক টনে পৌঁছেছে।
ভোজ্যতেলের কাঁচামাল বা সিড আমদানিতেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে দুই লাখ ৭৩ হাজার মেট্রিক টন সিড আমদানি হয়েছিল। চলতি বছর তা বেড়ে তিন লাখ ৮৬ হাজার মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে।
দেশে চিনির বার্ষিক চাহিদা প্রায় ২০ থেকে ২১ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে শুধু রমজান মাসেই প্রায় তিন লাখ মেট্রিক টন চিনির চাহিদা তৈরি হয়। কমিশন জানিয়েছে, সামগ্রিকভাবে নিত্যপণ্যের আমদানি ও পাইপলাইন পরিস্থিতি ইতিবাচক রয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও জানান, বিভিন্ন পণ্যের সরবরাহব্যবস্থা স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে ট্রেসেবিলিটি কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যায় পর্যন্ত পণ্য সরবরাহের বিভিন্ন ধাপ পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। ডিম ও পোল্ট্রিসহ গুরুত্বপূর্ণ নিত্যপণ্যকে এ কার্যক্রমে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, সরকারের মূল উদ্দেশ্য বাজারে পর্যাপ্ত পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করা, যৌক্তিক মূল্য বজায় রাখা এবং ভোক্তাদের আস্থা শক্তিশালী করা। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার ও বেসরকারি খাতকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। ব্যবসায়ী নেতাদের পরামর্শ বাজার ব্যবস্থাপনা ও নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও জানান তিনি।
সভায় ব্যবসায়ী নেতারা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উৎপাদন, আমদানি, পরিবহন, সরবরাহ ও বাজারমূল্য-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলা, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম এবং ডাল, তেল, খেজুর, ডিম ও চিনি আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে