অন্যান্য
মঙ্গলবারের ঢাকা-দাম্মাম ফ্লাইট স্থগিত করেছে বিমান
নিরাপত্তাজনিত কারণে মঙ্গলবারের ঢাকা-দাম্মাম ফ্লাইট স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।
সোমবার (১২ অক্টোবর) এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থাটি এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা থেকে সৌদি আরবের দাম্মামগামী মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টা ১০ মিনিটের বিজি-৩৪৯ ফ্লাইটটি স্থগিত করা হয়েছে।
ফ্লাইটটির সংশোধিত সময়সূচি বুধবার দুপুরের মধ্যে জানানো হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফ্লাইট স্থগিতের কারণে যাত্রীদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে বিমান। একই সঙ্গে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সহযোগিতা কামনা করেছে সংস্থাটি।
১৫ ঘণ্টা আগে
নভেম্বরে উদ্বোধন হতে পারে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
আগামী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহের দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে উদ্বোধন করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে সময় পাওয়ার পর উদ্বোধনের তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা-সংক্রান্ত সভার শুরুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
বিমানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে চালুর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইতোমধ্যে কথা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহের দিকে উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সময় পাওয়া যাবে। বিমানবন্দরটির প্রধানমন্ত্রী করবেন উদ্বোধন।
উদ্বোধনের তারিখ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাবেন এবং ২৯ অক্টোবর দেশে ফিরবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর সময় পাওয়া গেলে উদ্বোধনের তারিখ ঘোষণা করা হবে।
কক্সবাজার থেকে কোন কোন এয়ারলাইনস আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করবে, তা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, বিমানবন্দরটি থেকে কোন কোন এয়ারলাইনস আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করবে, তা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে বৈঠক হচ্ছে।
রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, শুরুতে কোন কোন দেশে ফ্লাইট চালু করা হবে—তা নিয়েও আলোচনা চলছে। বিভিন্ন দেশের এয়ারলাইনসের কান্ট্রি হেডদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রাথমিকভাবে গন্তব্য দেশগুলো নির্ধারণ করা হবে।
কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে কয়টি ফ্লাইট পরিচালনা করা সম্ভব হবে এবং কোন কোন দেশে ফ্লাইট চালু করা যাবে, সে বিষয়ে এখনই চূড়ান্তভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলোর সঙ্গে আলোচনা শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।
১৬ ঘণ্টা আগে
দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুরান ঢাকায় ক্রেতাদের ভিড়
পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী শাঁখারীবাজার ও তাঁতীবাজারে দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে কেনাকাটা ও উৎসবের প্রস্তুতি বেড়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।
নতুন পোশাক, ঐতিহ্যবাহী শাঁখার বালা, সিঁদুর, পূজার উপকরণ ও ঢাক—উৎসব উদযাপনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে জমজমাট বাজারগুলোতে ভিড় করছেন ক্রেতারা।
১৮ ঘণ্টা আগে
রিয়াদে হামলার পর বিমানের ১০ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ৩,৪৩১ যাত্রী
সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হামলার কারণে বন্ধ থাকায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১০টি ফ্লাইট পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। এতে নির্ধারিত গন্তব্যে যেতে পারেননি তিন হাজার ৪৩১ জন যাত্রী।
যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে সৌদি আরবের দাম্মাম ও মদিনা বিমানবন্দর হয়ে বিকল্প ফ্লাইটে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছে বিমান। আসন খালি থাকা সাপেক্ষে অন্য ফ্লাইটে বিনা খরচে যাত্রীদের সমন্বয় করা হবে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা-সংক্রান্ত সভার শুরুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাইজার সোহেল আহমেদ।
রিয়াদ বিমানবন্দর কবে চালু হবে, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘রিয়াদে শুধু বাংলাদেশ নয়, সব আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যাত্রী ভোগান্তি শুধু আমাদের নয়, সারা বিশ্বে সবার হচ্ছে। রিয়াদ বিমানবন্দরে এখন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধু বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট বন্ধ হয়েছে, তা কিন্তু নয়। যতগুলো এয়ারলাইনস সেখানে নামে বা ট্রানজিট করে, সব বন্ধ করা হয়েছে।’
বিকল্প ব্যবস্থায় যাত্রীদের সৌদি আরবে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে বিমানের এমডি কাইজার সোহেল আহমেদ বলেন, ‘দাম্মাম ও মদিনা, এই দুটি বিমানবন্দরে যেহেতু কার্যক্রম চলছে, আমরা বলেছি বিনা খরচে তাদের (যাত্রী) সমন্বয় করে দেব। তারা যদি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তাহলে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে আমরা ব্যবস্থা করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘সৌদি আরব আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য। সেখানে অনেক বাংলাদেশি বসবাস করেন। তাই আমরা ওইভাবে সমন্বয় করছি।’
বিমানবন্দর বন্ধ থাকার সময়সীমা বারবার বাড়ানো হচ্ছে উল্লেখ করে লাইজার সোহেল বলেন, ‘এভাবে আন্তর্জাতিক গন্তব্যে যাত্রীবাহী পরিবহনের পরিকল্পনা করা যায় না।’
তিনি আরও বলেন, ‘যতটুকু সম্ভব, আমরা অন্যান্য গন্তব্যের মাধ্যমে তাদের সৌদি আরবে (যাত্রীদের) পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করব। অনেকের হয়তো ওয়ার্ক পারমিটের সমস্যা থাকতে পারে, পারিবারিক সমস্যা থাকতে পারে, সেসব বিবেচনায় নিয়ে অন্যান্য গন্তব্যের মাধ্যমে তাদের সহায়তা করার চেষ্টা করব।’
রিয়াদে কত দিন ধরে ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে, জানতে চাইলে বিমানের এমডি বলেন, চার দিন ধরে সেখানে ফ্লাইট পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত। প্রতিদিন ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা ও বন্ধের বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে জানানো হচ্ছে। টেলিভিশনের স্ক্রল, বিমানের ওয়েবসাইট, ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও কল সেন্টারের মাধ্যমে যাত্রীদের তথ্য দেওয়া হচ্ছে।
অন্য গন্তব্যের মাধ্যমে যাত্রীদের পাঠানোর বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ১০টি ফ্লাইট আমরা পাঠাতে পারিনি। আজ রাত ৩টা পর্যন্ত তিন হাজার ৪৩১ জন যাত্রী যেতে পারেননি। তাদের ভোগান্তি কমাতে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছি। যাত্রীদের যাতে আগে জানিয়ে দেওয়া হয় এবং যারা বিমানবন্দরে এসেছেন, তাদের ভোগান্তি যতটুকু সম্ভব কমানো যায়, সে জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
সৌদি আরবের অন্য গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘মদিনা ও দাম্মামে আমাদের যে ফ্লাইটগুলো আছে, সেগুলো পরিচালনা করছি।’
এ সময় বিমানের এমডি জানান, দাম্মাম ও মদিনাগামী ফ্লাইটে যাত্রীদের সমন্বয় করার চেষ্টা চলছে। যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তাদের বিকল্প ফ্লাইটে মদিনা অথবা দাম্মামে পাঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, যাতে তারা সেখান থেকে কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারেন এবং ভিসার মেয়াদ নষ্ট না হয়।
যাত্রীদের সহায়তায় বিমানের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এটি বৈশ্বিক সংকট। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ফ্লাইট বন্ধ করা হয়নি। রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় সেখানে ফ্লাইট পরিচালনা করা যাচ্ছে না।
ফ্লাইট কবে চালু হতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এটা বলা যায় না। যদি ক্রমাগত বোমা হামলা চলতে থাকে এবং রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধ থাকে, যত দিন বন্ধ থাকবে, তত দিন আমরা প্লেন পাঠাতে পারব না।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিরাপত্তার কারণেই এটি বন্ধ রাখা হয়েছে। এটা আমাদের পক্ষ থেকে বন্ধ করা হয়নি। রিয়াদ তথা সৌদি আরবের পক্ষ থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে। তারা বন্ধ করে দিলে আমরা তো ফ্লাইট পাঠাতে পারব না।’
১৯ ঘণ্টা আগে
বিমানবন্দরে যাত্রীর ব্যাগ থেকে ২ কোটি ৭০ লাখ টাকার সোনা-হীরার গয়না জব্দ
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কলকাতা থেকে আসা এক যাত্রীর কাছ থেকে হীরাখচিত সোনা ও প্লাটিনামের গয়না, মূল্যবান পাথরসহ বিভিন্ন সামগ্রী জব্দ করেছেন কাস্টমস কর্মকর্তারা, যার আনুমানিক বাজারমূল্য দুই কোটি ৭০ লাখ টাকা।
রবিবার (১১ অক্টোবর) ঢাকা কাস্টমস হাউসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সোনা চোরাচালানের সম্ভাব্য চেষ্টা সম্পর্কে গোপন তথ্য পেয়ে গতকাল (শনিবার) ঢাকা কাস্টমস হাউসের প্রতিরোধ দল ও বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালনরত কর্মকর্তারা বিভিন্ন স্থানে নজরদারি শুরু করেন।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে মো. জনি রহমান নামের এক যাত্রী কোনো ঘোষণা ছাড়াই ব্যাগেজ নিয়ে গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করছিলেন। এ সময় তার ব্যাগেজ স্ক্যান করে আচারের বয়ামের ভেতরে ধাতব পদার্থ শনাক্ত করেন কর্মকর্তারা।
পরে যাত্রীর ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে গয়না ও অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। এসব সামগ্রী দেশে আনার ক্ষেত্রে ব্যাগেজ ঘোষণা দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন কাস্টমস কর্মকর্তারা।
জব্দ করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ৪৭৮ গ্রাম ওজনের হীরাখচিত ৩৮৯টি সোনার আংটি, ৪৫০ গ্রাম ওজনের ১৫১টি হীরাখচিত প্লাটিনামের আংটি, ৬ গ্রাম ওজনের তিনটি হীরাখচিত সাদা সোনার গয়না, ৮ গ্রাম ওজনের দুটি হীরাখচিত রুপার আংটি, ৪ গ্রাম ওজনের পাঁচটি হীরাখচিত সোনার লকেট ও ৫ গ্রাম ওজনের একটি হীরাখচিত সোনার চেইন।
এছাড়া ১০৩ গ্রাম ওজনের ৪৭২টি হীরাখচিত সোনার নাকফুল, মোট ৪৫ ক্যারেটের খোলা হীরা, পোখরোজ, রুবিসহ বিভিন্ন ধরনের ৭২০টি পাথর ও গয়নার ২৩টি সনদপত্রও জব্দ করা হয়েছে।
জব্দ করা মোট এক হাজার ৫৪ গ্রাম পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে কাস্টমস হাউস।
ঢাকা কাস্টমস হাউসের প্রতিরোধ দল এ ঘটনায় ওই যাত্রীর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় ফৌজদারি মামলা করেছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
১ দিন আগে
দুর্গাপূজায় চলবে তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন, পাঁচ ট্রেনের অফ ডে প্রত্যাহার
দুর্গাপূজা উপলক্ষে তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সেই সঙ্গে পাঁচটি ট্রেনের নির্ধারিত বিরতির দিন (অফ ডে) প্রত্যাহার করা হয়েছে।
রবিবার (১১ অক্টোবর) রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সভাপতিত্বে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে ২০ অক্টোবর চলবে ঢাকা স্পেশাল-৩ ট্রেন। ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা রুটে ২০, ২৩ ও ২৪ অক্টোবর চলবে ট্যুরিস্ট স্পেশাল-১ ও ২। পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ২৪ অক্টোবর চলবে চট্টগ্রাম স্পেশাল-৪ ট্রেন।
একই সঙ্গে যাত্রীদের চাপ সামলাতে কক্সবাজার এক্সপ্রেসের ১৯ ও ২০ অক্টোবরের অফ ডে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে জাহানাবাদ এক্সপ্রেস ও রূপসী বাংলা এক্সপ্রেসের ১৯ অক্টোবর, পদ্মা এক্সপ্রেসের ২০ অক্টোবর এবং মধুমতি এক্সপ্রেসের ২৪ অক্টোবরের অফ ডে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এছাড়া পূজায় অতিরিক্ত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে পূর্বাঞ্চলে ২৩টি মিটারগেজ কোচ ও পশ্চিমাঞ্চলে ছয়টি ব্রডগেজ কোচ যাত্রীবাহী ট্রেনে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ট্রেনের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ইঞ্জিনের সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে বলেও সভায় জানানো হয়েছে।
ট্রেনের সময়সূচি ঠিক রাখা ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশন এবং সিগন্যাল কেবিনে কর্মকর্তা ও পরিদর্শকদের নিবিড় তদারকিতে ট্রেন পরিচালনা করা হবে বলেও জানিয়েছে রেলওয়ে।
রেলপথ ও সেতুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টহলের ব্যবস্থাও থাকবে। পাশাপাশি সিগন্যালিং ব্যবস্থা, কোচ ও ইঞ্জিনের নিবিড় পরিচর্যা করা হবে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত পাঠানোর জন্য সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে রিলিফ ট্রেন।
নিরাপত্তা নিশ্চিতে ঢাকা, ঢাকা বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী, খুলনাসহ প্রধান স্টেশনগুলোতে রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি) ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) সহযোগিতায় পাহারা জোরদার করা হয়েছে।
পাশাপাশি ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন (কমলাপুর) ও বিমানবন্দর রেলস্টেশনে ১৯ ও ২০ অক্টোবর ম্যাজিস্ট্রেটরা দায়িত্ব পালন করবেন। চলন্ত ট্রেন, স্টেশন ও রেললাইনে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আরএনবি, জিআরপি ও রেলওয়ের কর্মচারীদের নজরদারি ও তৎপরতাও বাড়ানো হয়েছে।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সেতু বিভাগ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, সংশ্লিষ্ট সচিব ও দপ্তরপ্রধান, ঢাকা ও গাজীপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার এবং পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে
তানজানিয়ায় আইপিইউ সম্মেলন শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার
তানজানিয়ার আরুশায় অনুষ্ঠিত ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) ১৫৩তম সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
রবিবার (১১ অক্টোবর) দেশে ফেরার পর হশাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংসদযরত সচিবালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা স্পিকারসহ পুরো প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান।
সম্মেলনে আন্তর্জাতিক এই সংসদীয় সংস্থায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা নির্বাচিত হয়েছেন। গত ৫ অক্টোবর আইপিইউর এশিয়া-প্যাসিফিক জিওপলিটিক্যাল গ্রুপের (এপিজি) চেয়ারম্যানের দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন হাফিজ উদ্দিন। তিনি ভুটানের স্পিকার টেম্পা দর্জির স্থলাভিষিক্ত হন।
একই দিনে এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের প্রতিনিধি হিসেবে সংস্থাটির নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী।
সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসব নিয়োগ আন্তর্জাতিক সংসদীয় কূটনীতিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব আরও জোরদার করেছে।
এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপে ৩৭টি সদস্য দেশ রয়েছে। এই গ্রুপের নেতৃত্বে বাংলাদেশের দায়িত্ব পালন আন্তর্জাতিক সংসদীয় কার্যক্রমে দেশটির ভূমিকা ও প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্পিকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সংসদীয় প্রতিনিধিদলে বিএনপির সাতজন ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দুজন সংসদ সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সচিব ছিলেন।
১ দিন আগে
সব উপজেলায় সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চায় সরকার: ড. মঈন
সরকার রাজনৈতিক পরিচয় বা অঞ্চল নির্বিশেষে সব উপজেলার মানুষের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
তিনি বলেন, দেশের ৫০৩টি উপজেলার উন্নয়নে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। কোনো একটি উপজেলার জন্য এমন সুবিধা দেওয়া উচিত হবে না, যা পাশের অন্য উপজেলাগুলোর মানুষ পাবে না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে সব এলাকার মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা সরকারের দায়িত্ব।
শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সমবায় ভবনের মাল্টিপারপাস হলে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ আয়োজিত ‘সমবায় সমিতির মাধ্যমে নগর ও পল্লী অঞ্চলে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে কর্মকৌশল নির্ধারণ’ শীর্ষক এ আলোচনায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমও উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা কেবল চাকরিজীবী নন, তারা দেশের ১৮ কোটি মানুষের সেবায় নিয়োজিত। তাদের কাজের যথাযথ মূল্যায়ন এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতন-ভাতা সমন্বয়ের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করেছে। সীমিত সম্পদের কারণে একবারে সবকিছু বাস্তবায়ন সম্ভব না হলেও আগামী কয়েক বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।
এছাড়া মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিবছর সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন সমন্বয়ের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করেছেন বলেও জানান তিনি।
তৃণমূল পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারি কর্মকর্তাদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ড. মঈন বলেন, সরকারের সব কর্মকাণ্ডের সুফল যেন সাধারণ মানুষ পায়, সেটিই হতে হবে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের প্রধান লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তৃণমূলকেন্দ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নেও তাদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রচলিত জ্বালানির উৎস সীমিত হয়ে আসায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। সৌরশক্তির যথাযথ ব্যবহার দেশের মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখবে, ব্যয় সাশ্রয় করবে এবং জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হবে। এ জন্য সরকারের নির্ধারিত পরিকল্পনা ও লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে, যাতে সৌরবিদ্যুতের সুফল দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়।
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় খাতের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক কাঠামো, কার্যপরিধি ও সুযোগ-সুবিধা আরও কার্যকর করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। পল্লী উন্নয়ন বোর্ডকে অধিদপ্তরে রূপান্তরের প্রস্তাবসহ কর্মকর্তাদের উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।
সমবায় সমিতির কার্যক্রম সম্পর্কে সমবায়মন্ত্রী বলেন, শুধু নিবন্ধিত সমিতির সংখ্যা বাড়ালেই হবে না, সেগুলোকে কার্যকর ও জনকল্যাণমুখী করে গড়ে তুলতে হবে। দেশে বর্তমানে প্রায় আড়াই লাখ নিবন্ধিত সমবায় সমিতি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি এসব সমিতির প্রকৃত কার্যকারিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিজ নিজ এলাকায় সমিতিগুলোর কার্যক্রম যাচাই করে সেগুলোকে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, সমবায় সমিতির নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে, যাতে গ্রামের সাধারণ মানুষ সহজেই সমিতি গঠন করে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন। সমবায়ের মাধ্যমে মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগকে কাজে লাগিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতি ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া সম্ভব বলেও মত দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, অল্প কিছুদিনের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সামাজিক আন্দোলনে রূপ নেবে বলে তিনি আশাবাদী। ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠান ও হাটবাজারের ছাদে সৌরপ্যানেল স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন সমিতিগুলোর মাধ্যমেও সৌরপ্যানেল স্থাপন করা গেলে দেশের সাময়িক বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হবে বলে জানান তিনি।
এ সময় তিনি গ্রামের মানুষকে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে উৎসাহিত করতে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।
সৌরপ্যানেল স্থাপন ও সহায়ক সেবা ক্রয়ের জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুকূলে ইতোমধ্যে ৩৯০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিগত ১৫ বছরে বেতন বৃদ্ধি না হওয়ায় সরকারি কর্মচারীরা আর্থিক ও পারিবারিক জীবনে নানা সংকটের মুখে পড়েছেন। বর্তমান সরকার সেই দায়িত্ব বহন করতে সক্ষম হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। সেই সঙ্গে দলীয় পরিচয় বিবেচনা না করে সবাইকে একসঙ্গে সরকারের কর্মসূচি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি।
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
রমজানে খাদ্য সরবরাহে সংকট হবে না, আশা খাদ্যমন্ত্রীর
দেশে চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত থাকায় আসন্ন রমজানে খাদ্যপণ্যের সরবরাহে সংকট হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম।
শনিবার (১০ অক্টোবর) চট্টগ্রাম জেটি ও সাইলো পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পরে মন্ত্রী দেওয়ানহাট সিএসডির গুদাম পরিদর্শন করেন এবং হালিশহর সিএসডির সম্মেলনকক্ষ উদ্বোধন করেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, রমজানে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, অপচয় রোধ ও সরকারি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। জনগণের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত মজুতের পাশাপাশি সুষ্ঠু সংরক্ষণ, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও সময়মতো সরবরাহ জরুরি।
রমজানে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পর্যাপ্ত মজুত থাকায় সরবরাহে সংকট হবে না বলে তিনি আশাবাদী। তবে বাড়তি চাহিদা, পরিবহন ব্যয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা বিবেচনায় রেখে আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে।
সম্ভাব্য চাহিদা নিরূপণ, আমদানি ও অভ্যন্তরীণ খাদ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং সরবরাহব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করতে কার্যকর পদক্ষেপের ওপর জোর দেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের সংকটসহ বিভিন্ন কারণে মূল্যবৃদ্ধির চাপ তৈরি হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে জনগণের ক্রয়ক্ষমতা ও স্বার্থ বিবেচনায় রেখে বাজারে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার সচেষ্ট রয়েছে।
আমদানি কার্যক্রমের জটিলতা নিরসন এবং নির্ধারিত সময়ে খাদ্য দেশে পৌঁছানো নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে আফরোজা খানম বলেন, এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে খাদ্য বিভাগের জনবল সংকট ও প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা দূর করতে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
চট্টগ্রাম জেটি ও সাইলো পরিদর্শন সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান অবকাঠামোর কার্যকারিতা, প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি ও সংরক্ষণ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা সরেজমিনে পর্যালোচনা করা হয়েছে।
চিহ্নিত সমস্যাগুলো সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
আফরোজা খানম বলেন, গুদামগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, সংরক্ষিত খাদ্যের গুণগত মান পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে হবে।
এ সময় তিনি দীর্ঘদিন অব্যবহৃত স্থাপনাগুলো পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করে তোলার পাশাপাশি গুদামভিত্তিক মজুতের নির্ভুল হিসাব, নিয়মিত পরিদর্শন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে খাদ্য সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানো, অপচয় কমানো ও সরবরাহব্যবস্থার বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা দূর করা সম্ভব হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন খাদ্যমন্ত্রী।
পরিদর্শন ও উদ্বোধনকালে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, খাদ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জে প্রায় ৩ কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয়-চীনা সুতা জব্দ
কর চালানপত্র না থাকায় নারায়ণগঞ্জে চারটি অনিবন্ধিত গুদাম থেকে ৭২ হাজার ৯৪৪ কেজি সুতা জব্দ করেছে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, যার আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে আড়াইহাজার উপজেলার পুরিন্দা বাজারে মোবারক মোল্লার মালিকানাধীন অনিক ট্রেডার্সের চারটি গুদামে অভিযান চালিয়ে সুতাগুলো জব্দ করে কমিশনারেট।
পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কমিশনারেট জানায়, একটি প্রতিরোধ দলের চালানো অভিযানে কর চালানপত্র ছাড়া অবৈথ চীনা ও ভারতীয় ধাতব, পলেস্টার ও নাইলন সুতা পাওয়া গেছে।
জব্দ করা মোট ৭২ হাজার ৯৪৪ কেজি সুতার আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে কমিশনারেট।
প্রযোজ্য রাজস্ব আদায়ের জন্য কমিশনারেট ইতোমধ্যে এ ঘটনায় আইনি কার্যক্রম শুরু করেছে।
২ দিন আগে