বাংলাদেশ
দারিদ্র্য দূর করে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করতে চাই: মির্জা ফখরুল
দারিদ্র্য দূর করে দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং তাদের ভাগ্য পরিবর্তনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর মাদানী অ্যাভিনিউয়ের পিপার ট্রি বিডি ইভেন্ট ভেন্যুতে আয়োজিত জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) কার্নিভাল,২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, তরুণদের মধ্যে নেতৃত্বের বিকাশ ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে জেসিআই বাংলাদেশের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। সংগঠনটির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পর গত ৫৬ বছরে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষি খাতে উন্নয়ন এ সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ দিক।
তরুণদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, নতুন স্বপ্ন ও উদ্যম নিয়ে দেশ গঠনে এগিয়ে আসতে হবে। দেশের টেকসই উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে তরুণ সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
উল্লেখ্য, ‘জেসিআই বাংলাদেশ’ তরুণদের একটি অলাভজনক বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম, যা নেতৃত্ব উন্নয়ন, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করে।
১৮ দিন আগে
২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৩ জন হাম আক্রান্ত হয়েই মারা গেছে বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত হাম ও হাম সন্দেহে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৩৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৭৪ জন।
১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ১৯২ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ২১ হাজার ৪৬৭ জন।
এ পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৩ হাজার ৮৯৮ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১১ হাজার ২৪৩ জন।
১৮ দিন আগে
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানের জানাজা সম্পন্ন
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমানের জানাজা আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পরে ইস্কাটনের সচিব নিবাস প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ৬টা ২৫ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
জানাজায় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী নেতারা, সর্বসাধারণ ও পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। জানাজা শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে স্বল্পসময়ের কাজের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘দুই মাসের মতো হলো বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। দাপ্তরিক কাজে তিনি দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তা ছিলেন। তার কাজের মধ্যে আমি নিষ্ঠা ও দেশপ্রেম দেখেছি।’
তিনি আরও বলেন, পৃথিবীতে আমাদের অবস্থান অল্প সময়ের। কে কখন কার জানাজা পড়বে কেউ জানে না। পরকালের জন্য যেন কিছু সঞ্চয় নিয়ে যেতে পারি, আমাদের সে কাজে মনোযোগী হওয়া উচিত।
প্রসঙ্গত, বেশ কয়েকদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতা বোধ করলে গত ১৩ এপ্রিল মাহবুবুর রহমানকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সে সময় তার শরীরে রক্তের প্লাটিলেট আশঙ্কাজনক হারে কমে গিয়েছিল। হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকাকালে পরীক্ষায় তার শরীরে ম্যালেরিয়া শনাক্ত হয়।
তার পারিবার জানায়, গাজীপুর জেলার গাছা এলাকায় তাকে দাফন করা হবে।
১৮ দিন আগে
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিচলিত না হয়ে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিচলিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানে বাহুল্যতা বর্জন এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে অমিতব্যয়িতা পরিহার করার অনুরোধ করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের সব দেশে তেল-ডিজেলের দাম বাড়ানো হলেও আমরা জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে এখন পর্যন্ত এ সিদ্ধান্তটি নিইনি। এ খাতে প্রতিদিন শত শত কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে হলেও সরকার চেষ্টা করছে আন্তরিকভাবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে।
তিনি বলেন, জনগণের সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার সম্ভাব্য সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। কারণ বর্তমান সরকার জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সরকার, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ সরকার।
তিনি আরও বলেন, আমি আশ্বস্ত করতে চাই, জনগণের বিচলিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তবে আমরা যেন সবাই রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানে, এমনকি পারিবারিক পর্যায়ে অমিতব্যায়িতা পরিহার করি, তার জন্য আমি দেশের সব মানুষকে অনুরোধ জানাচ্ছি।
দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে কারেক রহমান বলেন, দুর্নীতি, দুঃশাসনে পর্যুদস্ত একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল শাসনকাঠামো আর অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে নতুন সরকার যাত্রা শুরু করেছে। দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই হচ্ছে আমাদের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।
দেশে বর্তমানে এক বিশাল সংখ্যক কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী রয়েছে। কর্মক্ষম এই জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করাই এই মুহূর্তের বড় চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সরকারপ্রধান বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায়ও বিপর্যয় নেমে আসে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও শিক্ষাব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরেনি দুঃখজনকভাবে। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে দেশে শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক এবং কর্মমুখী করতেই হবে। শিক্ষাব্যবস্থাকে বাস্তবমুখী করার কাজটিও আমরা ইতোমধ্যেই শুরু করে দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, নারীদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে না পারলে আমাদের কোনো উদ্যোগই সহজে সফল হবে না। এভাবে প্রতি খাতকে চিহ্নিত করে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে সরকার।
১৯ দিন আগে
খালেদা জিয়াসহ ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ পদক তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের এই পদক প্রদান করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের হাতে এই পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
এ বছর পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে সাতজনকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এবং পুরস্কারপ্রাপ্তদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরেন।
স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের জন্য প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। খালেদা জিয়ার পক্ষে তার পুরস্কার গ্রহণ করেন নাতনি জাইমা রহমান।
স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত বাকি ১৪ ব্যক্তি হলেন— মুক্তিযুদ্ধে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সাবেক সচিব ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক অধ্যাপক জহুরুল করিম, সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র উপস্থাপক এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত), বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী বশীর আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় দেশের টেবিল টেনিসের কিংবদন্তি জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক, রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষক মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং চ্যানেল আইয়ের পরিচালক আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।
১৯ দিন আগে
মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ অবস্থান: মন্ত্রী
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর ও আপসহীন। রাষ্ট্র ও সমাজের স্থিতিশীলতা রক্ষায় এসব অপরাধের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি মাঠ পর্যায়ে শতভাগ বাস্তবায়ন করা হবে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) বান্দরবান জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলার সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, মাদক, সন্ত্রাস বা চাঁদাবাজিতে অভিযুক্ত ব্যক্তি যেই হোক না কেন, তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধীর কোনো দলীয় পরিচয় বিবেচনা করা হবে না। যদি আমাদের দলের কোনো ব্যক্তিও এসব অপকর্মে লিপ্ত থাকে, তবে তাকেও আইনের আওতায় আসতে হবে। জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কোনো কাজ সরকার মেনে নেবে না।
দীপেন দেওয়ান বলেন, দীর্ঘদিন পর অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি জনপ্রতিনিধিত্বশীল সরকার গঠিত হয়েছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের মূল লক্ষ্যই হলো উন্নয়ন। নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ায় উন্নয়নের নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী ও গতিশীল করা হবে।
মন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তাদের নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের জীবনমান ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন অনেকাংশেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভরশীল। তাই প্রতিটি কর্মীকে আরও দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব হতে হবে।
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বাস্তব পরিস্থিতি ও সমস্যার কথা শোনেন এবং আশ্বস্ত করে বলেন, তাৎক্ষণিক সমাধান সম্ভব না হলে সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে।
মতবিনিময় সভায় বান্দরবান পার্বত্য জেলায় কর্মরত পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে মন্ত্রী বান্দরবান জেলা সদরে রাজার মাঠে মারমা সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব ‘মাহা সাংগ্রাই পোয়ে ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত মৈত্রী পানি বর্ষণ (জলকেলি) অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি পার্বত্য অঞ্চলের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও কৃষ্টি রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
১৯ দিন আগে
ডিজিটাল রূপান্তর ও তথ্যব্যবস্থা শক্তিশালীকরণের আহ্বান জানাল বাংলাদেশ
গবেষণা ও তথ্যব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও সক্ষমতা উন্নয়ন এবং বিশ্বব্যাপী বিদ্যমান ডিজিটাল বিভাজন হ্রাসে সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।
স্থানীয় সময় বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত জনসংখ্যা ও উন্নয়ন কমিশনের ঊনষাটতম অধিবেশনে তিনি এ আহ্বান জানান। উদীয়মান প্রযুক্তির নৈতিক ও দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করতে শক্তিশালী তথ্য-গোপনীয়তা সুরক্ষা কাঠামো গড়ে তোলার ওপরও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ও আন্তর্জাতিক জনসংখ্যা ও উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং গবেষণার অপরিহার্য ভূমিকার বিষয়টি তুলে ধরে সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী উল্লেখ করেন, বিশ্বে এখনও প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জনগোষ্ঠী ইন্টারনেট সুবিধা থেকে বঞ্চিত, যা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও অর্থনৈতিক সুযোগে গভীর বৈষম্য সৃষ্টি করছে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পথে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে কাজ করছে।
রাষ্ট্রদূত আরও জানান, মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস, টিকাদান কর্মসূচির সম্প্রসারণ, কমিউনিটিভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার, নারীর ক্ষমতায়ন এবং গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। পাশাপাশি টেলিমেডিসিন, ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা এবং রিয়েল-টাইম রোগ নজরদারির মতো প্রযুক্তিনির্ভর সেবায় দেশটির সম্প্রসারণের বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।
তরুণ জনগোষ্ঠীতে বিনিয়োগ, দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্ভাবনকে টেকসই উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি নগরায়ণ, জলবায়ু পরিবর্তন ও অসংক্রামক রোগের ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
১৯ দিন আগে
ভূমি অধিগ্রহণে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে সরকার বদ্ধপরিকর : জ্যেষ্ঠ সচিব
ভূমি অধিগ্রহণে স্বচ্চতা নিশ্চিতকরণে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাজধানীর প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ভূমি মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ব ব্যাংকের যৌথ আয়োজনে ‘বাংলাদেশে ভূমিসেবা ও ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন’ বিষয়ক অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা জানান।
সালেহ আহমেদ বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া মানুষের জীবিকা, সম্মান, সামাজিক নিরাপত্তা এবং আবেগের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এ প্রক্রিয়ায় সময়সাপেক্ষতা ও জটিলতা পরিহার করে দক্ষতার পাশাপাশি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মানবিকতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
তিনি বলেন, সরকার এখন এডহক এপ্রোচ থেকে বেরিয়ে এসে একটি নিয়মতান্ত্রিক ডিজিটাল ভূমি অধিগ্রহণ কাঠামো প্রতিষ্ঠার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ভূমি মন্ত্রণালয় স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও ভূমি হুকুম দখল বিধিমালার খসড়া প্রস্তুত সম্পন্ন করেছে। একইসঙ্গে, ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ দ্রুত ও হয়রানিমুক্তভাবে পৌঁছে দিতে একটি ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতি তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে দীর্ঘসূত্রিতা ও হয়রানি হ্রাস পাবে এবং ভূমি অধিগ্রহণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী হবে।
এই মতবিনিময় কর্মশালা থেকে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো একটি অধিকতর দক্ষ, স্বচ্ছ এবং জনবান্ধব ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া গড়ে তুলতে বাস্তবভিত্তিক দিকনির্দেশনা প্রদান করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
কর্মশালায় ভূমি অধিগ্রহণের জন্য একটি প্রমিত পরিচালন পদ্ধতি বা এসওপি উপস্থাপন করা হয়। সকলের মতামতের আলোকে এই এসওপি চূড়ান্ত করা হবে। এর মাধ্যমে ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও জনবান্ধব হবে, যা দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. এমদাদুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি শ্রী কুমার তাদিমাল্লা, ডং কিউ কোয়াক এবং মো. আক্তারুজ্জামান । এতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, সুশীল সমাজ, বেসরকারি সংস্থা এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
২০ দিন আগে
আগামী ২ মাস দেশে জ্বালানি সংকট হবে না: যুগ্ম সচিব
আগামী ২ মাস দেশে কোনো জ্বালানি সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রায় ৫ লাখ লিটার অবৈধভাবে মজুদ করা তেল উদ্ধার করা হয়েছে জানিয়ে মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। আজকের দিনে ডিজেল মজুদ রয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৩৮৫ টন, ফার্নেস অয়েল আছে ৭৭ হাজার ৫৪৬ টন, অকটেন ৩১ হাজার ৮২১ টন, পেট্রোল ১৮ হাজার ২১১ টন এবং জেট ফুয়েল আছে ১৮ হাজার ২২৩ টন।
মজুদের যে পরিসংখ্যান দেওয়া হলো, এটা দিয়ে কতদিন চলবে—এ বিষয়ে মুখপাত্র বলেন, আমি আগেই আপনাদের বলেছি, অকটেন এবং পেট্রোলের যে মজুদ আছে তাতে আমাদের আগামী দুই মাসেও কোনো অসুবিধা হবে না। একই কথা এখনও আপনাদের বলছি যে পর্যাপ্ত মজুদ আছে আমার কাছে; আর ডিজেল আজকের দিনে খুবই পর্যাপ্ত। আমাদের এপ্রিল মাস তো বটেই, ইনশাল্লাহ মে মাসেও কোনো সমস্যা নেই। এটা আগে কিন্তু বলিনি, আগে এপ্রিল মাস পর্যন্তই বলেছি।
তিনি বলেন, আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলছি যে, যুদ্ধ পরিস্থিতির গতিপ্রকৃতি দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে, তো আমরা আমাদের যে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি তাতে আমরা বিভিন্ন উৎস থেকে এটুকু মোটামুটি নিশ্চিত করেছি। আপনাদের মাধ্যমে সর্বস্তরের জনগণকে আশ্বস্ত করছি যে, আমাদের ইনশাল্লাহ আগামী দুই মাসে কোনো জ্বালানি সংকট নেই।
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডে (ইআরএল) অপরিশোধিত তেল সংকটের বিষয়ে যুগ্ম সচিব বলেন, ইস্টার্ন রিফাইনারি আমাদের জ্বালানি তেলের একমাত্র শোধনাগার, যেখানে আমরা বছরে প্রায় ১৫ লাখ টনের মতো তেল পরিশোধন করি। এখন এই ১৫ লাখ টন আসলে আমাদের মোট জ্বালানি তেলের চাহিদার পাঁচ ভাগের এক ভাগের মতো। তো আমি প্রথম দিন থেকে বলছি যে, আমরা পরিশোধিত তেল আমদানি করি। আপনারা জানেন যে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় অপরিশোধিত তেলের যে অংশ হরমুজ দিয়ে আসে, সৌদি আরব এবং আরব আমিরাত থেকে তা ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরে মার্চ মাসে আমাদের যে শিডিউলটা ছিল, সেটা আমরা আনতে পারিনি। আর এপ্রিল মাসেও একই অবস্থা চলছে। কিন্তু আমাদের কাছে মোটামুটি আগের যে মজুদ ছিল, সেটা দিয়ে আমরা ইআরএলকে চালু রেখেছি।
তিনি জানান, ইআরএলের চারটি ইউনিট আছে। ওই চারটি ইউনিটের মধ্যে আপনারা জানবেন যে, একেকটা একেক ধরনের উৎপাদন করে। দুইটি ইউনিট পুরোদমে এখনও চালু আছে। আমরা খুব সীমিত পর্যায়ে হলেও পরবর্তী যে চালানটা পাব, আশা করছি ২০ তারিখ নাগাদ আমাদের অপরিশোধিত তেলের একটা জাহাজ সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে রওনা হয়ে লোহিত সাগর হয়ে ভিন্ন চ্যানেলে এপ্রিলের শেষ দিকে বা মে মাসের এক-দুই তারিখের মধ্যে এসে পৌঁছাবে। তো সে পর্যন্ত আমরা সীমিত পরিসরে আমাদের ইআরএল চালু রাখব।
মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, আপনাদের মাধ্যমে একটু জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, ইআরএলের বিষয়টা আমাদের জ্বালানি তেলের সরবরাহ চ্যানেলে খুব প্রভাব বিস্তার করে না। কারণ আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ পরিশোধিত তেল আমাদের হাতে আছে। ইআরএলের কাজ তো পরিশোধন করা। ফলে পরিশোধিত তেল যখন আমার হাতে আছে, ইআরএলের বিষয়টা আমার সরবরাহ চ্যানেলে কোনো প্রভাব ফেলবে না।
২০ দিন আগে
ইস্টার্ন রিফাইনারি সীমিত সক্ষমতায় চললেও জ্বালানির সংকট হবে না: মন্ত্রণালয়
যুদ্ধজনিত কারণে ক্রুড অয়েল আমদানিতে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় দেশের একমাত্র শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সীমিত সক্ষমতায় (লো-ফিডে) চালু রয়েছে। তবে বিকল্প উৎস থেকে সরকার পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি জোরদার করায় দেশে জ্বালানির কোনো সংকট হবে না বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইআরএল মূলত সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সৌদি আরামকো থেকে অ্যারাবিয়ান লাইট ক্রুড এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের এডিএনওসি থেকে মারবান ক্রুড অয়েল আমদানি করে পরিশোধন করে থাকে। এর মাধ্যমে বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি তেল উৎপাদন হয়, যা দেশের মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ।
জ্বালানি বিভাগের তথ্যমতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট ডিজেলের চাহিদা ছিল ৪৭ লাখ ৪২ হাজার টন, যার মধ্যে ইআরএল থেকে সরবরাহ হয়েছে ৭ লাখ ৩২ হাজার ২৩০ টন, অর্থাৎ প্রায় ১৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ। একই সময়ে পেট্রোলের মোট চাহিদার ১১ দশমিক ৯২ শতাংশ ইআরএল থেকে সরবরাহ করা হয়েছে। ওই অর্থবছরে পেট্রোলের মোট চাহিদা ছিল ৪ লাখ ৮৯ হাজার টন, যার মধ্যে ইআরএল সরবরাহ করেছে ৫৮ হাজার ৩০৯ টন।
এছাড়া ফার্নেস অয়েল, কেরোসিন ও বিটুমিনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশও উপজাত হিসেবে ইআরএল থেকে পাওয়া যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মার্চ ও এপ্রিল মাসে নির্ধারিত মোট ৩ লাখ টন ক্রুড অয়েল আমদানি ব্যাহত হয়েছে। মার্চ মাসে নির্ধারিত ১ লাখ টনের একটি এরাবিয়ান লাইট ক্রুড কার্গো লোড সম্পন্ন হলেও নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করতে পারেনি এবং বর্তমানে রাস্তানুরা বন্দরে অবস্থান করছে। একই মাসে নির্ধারিত মারবান ক্রুডের (১ লাখ টন) দ্বিতীয় চালানের ক্ষেত্রে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘ফোর্স ম্যাজিউর’ ঘোষণা করা হয়েছে।
জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানায়, এপ্রিল মাসের জন্য নির্ধারিত ১ লাখ টন এরাবিয়ান লাইট ক্রুড কার্গো ২০ এপ্রিল লোডিং শেষে বিকল্প রুট ব্যবহার করে আগামী ২ থেকে ৩ মে’র মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর আশা করা হচ্ছে। এছাড়া মে মাসে ১ লাখ টন মারবান ক্রুডের পাশাপাশি অতিরিক্ত ১ লাখ টন এরাবিয়ান লাইট ক্রুড সরবরাহের জন্য সৌদি আরামকোর কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে, যা অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পাশাপাশি জরুরি চাহিদা মেটাতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে আরও ১ লাখ টন ক্রুড অয়েল আমদানির জন্য মন্ত্রিসভার অনুমোদন নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে নির্ধারিত ক্রুড অয়েল সময়মতো না পৌঁছানোয় ইআরএলকে ‘লো-ফিড’ অবস্থায় চালু রাখা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির চারটি ইউনিটের মধ্যে দুটি রক্ষণাবেক্ষণে থাকলেও বাকি দুটি ইউনিট চালু রয়েছে।
তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি জোরদার করেছে। নিয়মিত আমদানির পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকে সরাসরি ক্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে সরবরাহে কোনো ঘাটতি না হয়।
জ্বালানি মন্ত্রণালয় বলছে, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে ক্রুড অয়েল সরবরাহে সাময়িক চাপ তৈরি হলেও দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকবে এবং এ নিয়ে জনমনে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।
২০ দিন আগে