এনসিপি
সীমান্ত হত্যা, পুশইন প্রতিরোধ করতে না পারলে দল থেকে ‘জাতীয়তাবাদী’ শব্দটি কেটে ফেলুন: সরকারকে নাহিদ
সীমান্ত হত্যা ও পুশইন বন্ধে সরকার ব্যর্থ হলে বিএনপির নাম থেকে ‘জাতীয়তাবাদী’ শব্দটি বাদ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে রংপুর বিভাগীয় ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, তারেক রহমানের প্রতি আমাদের আহ্বান, যদি দেশ পরিচালনা সঠিকভাবে করতে হয়, তাহলে আপনাকে অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। অবিলম্বে অর্থনৈতিক সংস্কার করতে হবে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। দেশের তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। সীমান্তে পুশইন ও সীমান্ত হত্যা প্রতিরোধ করতে হবে।
তিনি বলেন, যদি সীমান্ত হত্যা, পুশইন প্রতিরোধ করতে না পারেন, তাহলে নিজেদের দল থেকে ‘জাতীয়তাবাদী’ শব্দটি কেটে ফেলে দেন। জাতীয়তাবাদের নামে ব্যবসা করবেন, নিজেদের দেশপ্রেমিক দেখাবেন, অথচ সীমান্ত হত্যা, পুশইন রোধ করতে পারবেন না, তাহলে দেশের জনগণ আপনাদের ক্ষমতায় থাকার ম্যান্ডেন্ট দেবে না।
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের অর্জন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নাহিদ।
তিনি বলেন, কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন সফরে গিয়েছিলেন। আমরা বিরোধীদলের পক্ষ থেকে সংসদে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। এরপরে হয়তো কিছু বলা উচিত না, কিন্তু বলতে বাধ্য হচ্ছি, চীন সফরের অর্জন কোথায়? চীন সফরের অর্জন হচ্ছে শূন্য। চীন সফরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে আমরা কোনো কমিটমেন্ট (প্রতিশ্রুতি) পাই নাই। রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্সন নিয়ে কোনো কমিটমেন্ট পাই নাই।
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, দেশে যদি জাতীয় ঐক্য না থাকে, তারেক রহমান পৃথিবীর কোনো দেশ থেকে কোনো ধরনের সাহায্য পাবে না। অলরেডি আইএমএফ তাদের (সরকারকে) বলে দিয়েছে যে আর কোনো ঋণ দেবে না। পৃথিবীর কোনো দেশই তাদের সহযোগিতা করবে না। গণঅভ্যুত্থান ও সংস্কারের সঙ্গে প্রতারণা করলে কেউই সহযোগিতা করবে না।
তিনি আরও বলেন, রংপুর থেকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ গণঅভ্যুত্থানের ডাক দিয়েছিল; গণঅভ্যুত্থানের সিপাহ সালার ছিল। কিন্তু আমরা দেখতে পেলাম, নির্বাচনের পরে বিএনপি গণভোটের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পরে সবার দাবি ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার। সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমেই বিএনপি ক্ষমতায় এসেছিল এবং এসেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে অস্বীকার করেছিল। তার ফলাফল কী হয়েছিল? বিএনপিকে এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি তুলে রাজপথে নির্যাতিত হতে হয়েছিল।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, যে গণঅভ্যুত্থান, গণভোট, সংস্কার ও জুলাই সনদের কারণে বিএনপি আজ ক্ষমতায় আসতে পেরেছে, এখন সেই গণভোটের সঙ্গেই তারা প্রতারণা করেছে। বিএনপি ৩১ দফার সঙ্গে প্রতারণা করেছে, জুলাই সনদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, গণতন্ত্রের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।
নাহিদ আরও বলেন, সারা বাংলাদেশে বিদ্যুৎ নেই। বাংলাদেশে গ্রামেগঞ্জে আবার মানুষ হারিকেন জ্বালাতে বাধ্য হয়েছে। এই সরকার বিগত সময়েও হারিকেন দিয়েছে, এবারও বাংলাদেশের মানুষের হাতে হারিকেন ধরিয়ে দিয়েছে। বিদ্যুৎ দিতে পারছে না, কর্মসংস্থান দিতে পারছে না।
জাতীয় বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই বাজেটে কোনো অর্থনৈতিক সংস্কারের রূপরেখা রাখা হয়নি। ব্যাংকগুলো কীভাবে ঠিক হবে, দেশ থেকে পাচার হওয়া টাকা কীভাবে ফেরত আসবে—কোনো ধরনের সুপরিকল্পনা এই সরকারের নেই। ফলে আমরা বলব, আপনি (তারেক রহমান) এভাবে দেশ চালাতে পারবেন না। দেশ চালাতে অলরেডি ব্যর্থ হয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়েছেন। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ব্যর্থ হয়েছেন। সংস্কার দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ডিসেম্বরে কেউ একজন দেশে আসার পরিকল্পনা করছে। আমরা ফাঁসির দঁড়ি রেডি করে অপেক্ষা করছি। আপনি (শেখ হাসিনা) ডিসেম্বরে আসুন আর যখনই আসুন, ফাঁসির দঁড়িতে ঝুলতেই হবে। বাংলাদেশ থেকে যে পালিয়ে যায়, সে আর বাংলাদেশে কখনও ফিরে আসে না। পাকিস্তানিরাও এর থেকে সম্মানজনকভাবে বিদায় নিয়েছিল, ইংরেজরাও এর থেকে সম্মানজনকভাবে বিদায় নিয়েছিল; কিন্তু শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ সরকার এত অসম্মানজনকভাবে, কাপুরুষোচিত ভাবে এই দেশ থেকে পালিয়ে গিয়ে ভারতের কোলে আশ্রয় নিয়েছে যে তিনি আর এই দেশে আসার সৎসাহস কখনও রাখবেন না।
নাহিদ ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা আসবে কি আসবে না, এটা দিল্লির সঙ্গে ঢাকাকে নির্ধারণ করতে হবে। এই সরকার থেকে দিল্লিকে মেসেজ (বার্তা) দিতে হবে। শেখ হাসিনা দিল্লিতে বসে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। ফ্যাসিস্ট মিডিয়ার দোসররা সেইসব তথ্য প্রচার করছে। বাংলাদেশের জনগণ এটা মেনে নেবে না।
এ সময় সংস্কার, গণভোট, জুলাই সনদসহ ১১ দলীয় ঐক্যের দাবি বাস্তবায়নে অচিরেই নতুন করে আন্দোলনের ডাক আসবে বলে জানান তিনি। সেই আন্দোলনে সফল হবার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
এর আগে, বক্তব্যের শুরুতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, রংপুর বিভাগ বাংলাদেশে দীর্ঘ সময় ধরে আঞ্চলিক বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে। আমরা আশা করেছিলাম, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী এবারের নির্বাচনে যে সরকার গঠিত হয়েছে, তাদের প্রথম বাজেটে রংপুর বিভাগের প্রতি সুদৃষ্টি, সুনজর দেওয়া হবে। কিন্তু আমরা দেখলাম, এবারের বাজেটেও রংপুর বিভাগের সঙ্গে বৈষম্য করা হয়েছে। রংপুর বিভাগের বেশিরভাগ আসন বিরোধী দলের হওয়ার কারণে পরিকল্পিতভাবে বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, রংপুরে কোনো বড় উন্নয়ন প্রকল্প রাখা হয়নি। বরাদ্দ সব যাচ্ছে বগুড়ার শিবগঞ্জে। গোপালগঞ্জ প্রতিস্থাপিত হয়েছে বগুড়ার শিবগঞ্জে। কিন্তু যারা প্রকৃত বৈষম্যের শিকার, সেই রংপুরবাসী কোনো বরাদ্দ পাচ্ছে না। সরকারি দলের এমপিরা যে বরাদ্দ পান, বিরোধী দলের এমপিরা সেই বরাদ্দের তিনভাগের একভাগও পাচ্ছেন না।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
রংপুর বিভাগীয় এ সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি কর্নেল (অব.) ড. অলী আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন, নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির আল্লামা আবদুল কাইয়ুম সুবহানী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁনও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।
এ ছাড়াও সমাবেশের শুরুতে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মমতাজ উদ্দিন, রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল, রংপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম রব্বানী, রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী, রংপুর মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির এটিএম আজম খান, সেক্রেটারি কে এম আনোয়ারুল হক কাজল, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) রংপুর জেলা আহ্বায়ক আল মামুন, মহানগরের সদস্য সচিব আব্দুল মালেকসহ ১১ দলীয় ঐক্যের স্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।
৯ দিন আগে
জুলাইয়ের আগেও ভোট চুরি ছিল, জুলাইয়ের পরেও ভোট চুরি হয়েছে: হাসনাত
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো ২০২৪ সালেও ভোট চুরি হয়েছে। তবে এবার ভোটের ফল প্রকাশের পর তা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে নোয়াখালীর মাইজদীতে এনসিপির 'জুলাই পদযাত্রা' কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গণভোট বাস্তবায়ন, বিদ্যুৎ সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কর্মস্থান বৃদ্ধি ও সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে নোয়াখালী জেলা এনসিপি এ কমূসূচির আয়োজন করে।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ২০১৪-১৮ সালের নির্বাচন ছিল মিডনাইট ইলেকশন। তখন ভোটের ফল প্রকাশের আগেই ভোট চুরি করা হয়েছিল। কিন্তু এবার আমরা নতুন ধরনের মেকানিজম দেখলাম। এবারও ভোট চুরি হয়েছে, তবে ফল প্রকাশের পরে। দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে 'হ্যাঁ এর পক্ষে ছিল, কিন্তু বিএনপি সেই ভোট চুরি করে ফেলেছে।
তিনি বলেন, জুলাইয়ের আগেও ভোট চুরি ছিল, সেটা ভোটের ফল প্রকাশের আগে। জুলাইয়ের পরেও ভোট চুরি থেকে গেছে, সেটা দিনের আলোতে ফল প্রকাশের পরে হয়েছে।
বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের বিপক্ষে গিয়ে দেশ পরিচালনা বা সংস্কার করা সম্ভব নয়। আপনারা সংস্কার করতে পারবেন, জনগণের বিপক্ষে গিয়ে তাহলে আপনারা ভুল ভাবছেন। এক কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও একটি নতুন কর্মসংস্থানও নিশ্চিত করা যায়নি। নতুন কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিও দেখা যাচ্ছে না।
লোডশেডিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগে বিদ্যুৎ মানুষের বাড়িতে মাঝে মাঝে যেত, এখন বিদ্যুৎ মাঝে মাঝে আসে। বিএনপি সরকার মানুষের হাতে বিদ্যুতের বদলে হারিকেন ও মোমবাতি তুলে দিয়েছে। বিদ্যুৎমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন দেশে কোনো লোডশেডিং নেই। কিন্তু জনগণের মধ্যে গেলে তিনি বুঝতে পারবেন, অনেক এলাকায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৬ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ থাকে না।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ, কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা।
১০ দিন আগে
সাভারে এনসিপির দুই শতাধিক নেতা-কর্মীর বিএনপিতে যোগদান
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুবশক্তির ঢাকা জেলা উত্তরের আহ্বায়ক সেজুতি হোসাইনসহ দুই শতাধিক নেতা-কর্মী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।
শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুর হাতে ফুল দিয়ে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগ দেন।
সাভারের ব্যাংক কলোনি এলাকায় ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুর বাসভবনে এ উপলক্ষে এক সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় ডা. সালাউদ্দিন বাবু বিএনপিতে যোগ দেওয়া সেজুতি হোসাইন ও এনসিপির নেতাকর্মীদের স্বাগত জানান। তিনি বলেন, বিএনপি একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল। জুলাই যোদ্ধারা এ দলে যোগ দিতে চাইলে তাদের স্বাগত জানানো হবে।
বিএনপিতে যোগদান শেষে সেজুতি হোসাইন বলেন, দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দলের হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি সমাজ উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।
সংবর্ধনা সভায় এনসিপি থেকে যোগদান করা নেত্রী হেলেন জাহান রিফা ও সুজন আহমেদ বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সাভার উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা দেওয়ান মইন উদ্দিন বিপ্লব, সাভার পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান বদীর, পৌর বিএনপির সহসভাপতি ফেরদৌস আহমেদ প্রদীপ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুর রহমানসহ অন্যান্য নেতারা।
২৪ দিন আগে
মঙ্গলবার সারা দেশে এনসিপির বিক্ষোভ সমাবেশ
আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের সংঘটিত সকল গুম, খুন ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে আগামীকাল মঙ্গলবার (২৩ জুন) সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
সোমবার (২২ জুন) দুপুরে এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার কর্তৃক সংঘটিত সকল গুম, খুন ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে এনসিপি ঘোষিত কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে দলটির সকল জেলা ও মহানগর শাখাকে আগামীকাল মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় নিজ নিজ জেলা শহর ও মহানগর এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজনের জন্য জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় রাজধানীর বিজয়নগরে বিক্ষোভ সমাবেশ ডেকেছে ১১ দলীয় জোট।
এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আজাদ। সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর আমিরসহ জোটের দলগুলোর শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন বলে জানান তিনি।
২৮ দিন আগে
বড় বাজেটে বড় দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হয়েছে: নাহিদ ইসলাম
বড় বাজেটে বড় দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর যে অর্থনৈতিক সংস্কারের কথা বলা হচ্ছিল, প্রস্তাবিত বাজেটে তার কোনো প্রতিফলন নেই।
শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, বাজেটে রাজস্ব আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, তা বাস্তবতাবিবর্জিত। তাই এ বাজেট বাস্তবায়নও সম্ভব নয়।
বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী লুটেরাদের বিচার এবং বিদেশে পাচার করা টাকা ফেরত আনার বিষয়ে কোনো দিকনির্দেশনা দেননি বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
এ সময় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ভারত সীমান্তে পুশইন করে দক্ষিণ এশিয়াকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা করছে। একইসঙ্গে ভারত দেশে আওয়ামী লীগকে মাঠে নামাতে চাচ্ছে। এ ব্যাপারে সরকার এখনও নমনীয়।
এর আগে, দুই নেতা চট্টগ্রামে এসে নগরীর ষোলশহর জামিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসায় জুমার নামাজ আদায় করেন। পরে তারা মাদ্রাসার মাঠে ছাত্র-জনতার উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন।
৩৮ দিন আগে
বাংলাদেশের মানুষ কোনোভাবেই পুশইন মেনে নেবে না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ কোনোভাবেই পুশইন মেনে নেবে না।
বুধবার (৩ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বেনাপোলের সাদিপুরে ভারত থেকে পুশইনের প্রতিবাদে সীমান্ত পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী—বিএসএফ রাতের আঁধারে চুপিসারে কাঁটাতারের বেড়া খুলে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা শুনতে পারছি সীমান্তের ওপারে অনেক মানুষকে তারা সমবেত করেছে। আমরা সরকারের উদ্দেশে বলতে চাই, বাংলাদেশের মানুষ কোনোভাবেই পুশইন মেনে নেবে না এবং পুশইন বন্ধে সরকারকে জরুরি উদ্যোগ নিতে হবে।
এ সময় সরকারের কাছে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, তারা এখানে তাদের প্রবেশ করালো কীভাবে? যেখানে সরকার পতাকা বৈঠক করেছে, সেখানে কোনো সমাধান আসেনি। সরকারের যে পররাষ্ট্রনীতি এবং স্বরাষ্ট্রনীতি আছে, সেটা আজ বাংলাদেশের মানুষের কাছে স্পষ্ট হয়েছে; তা ভঙ্গুর নীতি, এটি বাংলাদেশের নাগরিকদের নিরাপদ করতে পারছে না।
তিনি স্থানীয় জনগণের উদ্দেশে আরও বলেন, যেখানেই সীমান্ত হত্যা হবে, ইনশাআল্লাহ আমরা আছি। আপনারা বিজিবির সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকবেন। দলমত নির্বিশেষে আপনারা পুশইনের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ুন। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, সীমান্তে নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখে যেকোনো সীমান্ত-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
এ সময় তার সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক মিয়াজ মেহরাব তালুকদার, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব ফরিদুল হক এবং চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির আহ্বায়ক শোয়েব মিয়া।
৪৭ দিন আগে
সীমান্তহত্যা বন্ধ করতে না পারলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত: নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মূখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেছেন, সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে না পারলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত। দয়িত্ব পালন না করতে পারলে আমাদের দায়িত্ব দিন। আমরা সরকারে এলে ইনশাআল্লাহ সীমান্ত হত্যা চিরতরে বন্ধ করব।
মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী ইউনিয়নের আমঝোল সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত খাদেমুলের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সীমান্ত হত্যা বন্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, সীমান্তে মানুষ মরলেও সরকার নিশ্চুপ থাকছে। সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে না পারলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত। তারা যদি দায়িত্ব পালন করতে না পারেন, তবে আমাদের দায়িত্ব দিক; আমরা সরকারে এলে ইনশাআল্লাহ সীমান্ত হত্যা চিরতরে বন্ধ করব। অস্ত্র না থাকলেও আমরা বাঁশ হাতে নিয়ে রেডি হব সীমান্তে।
তিনি বলেন, বিএসএফ গুলি করে বাংলাদেশি হত্যা করে আর বিজিবি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ভারতীয় বয়ান উল্লেখ করে। আমরা মনে করি, বাংলাদেশের মানুষ চোরাচালান করতে পারে না। বাংলাদেশের সকল মানুষ অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার। আমরা সীমান্তের শহিদদের পাশে থাকব। আমরা যদি সরকার গঠন করতে পারি, এ মানুষগুলোর জন্য ফাউন্ডেশন গঠন করে দেব। সীমান্তে শহিদদের সরকারিভাবে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। মাছ ধরতে যাওয়া বাংলাদেশি খাদেমুলকে বিএসএফ গুলি করে শহিদ করেছে বলে এ সময় উল্লেখ করেন তিনি।
এই রাজনীতিক বলেন, পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম রাজ্যের সীমান্তে অস্থিতিরতা বিরাজ করছে। সে জায়গা থেকে আমরা সরকারকে বলব, রেড এলার্টে যাওয়ার জন্য, সীমান্তবাসীকে বলব সংঘবদ্ধ হওয়ার জন্য।
এনসিপির মূখ্য সমন্বয়ক বলেন, ইতিহাস থেকে চিন্তা করলে দেখা যায়, জিয়াউর রহমান যখন ক্ষমতায় এসেছিলেন, তখন ওই সময় শেখ মুজিবের সঙ্গে ‘গুন্ডা বাহিনী’ ভারতে পলাতক ছিলেন। সেখান থেকে তারা জিয়াউর রহমান সরকারকে বিরক্ত করেছিলেন। একই কায়দায় শেখ হাসিনা ভারতে থেকে বাংলাশেদের মানুষকে বিরক্ত করে যাচ্ছে এবং তারা ওই দেশের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে মিলে সীমান্তে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। সরকারকে বলব, আওয়ামী লীগের সঙ্গে ‘লিয়াজোঁ’ করবেন না। বরং আমরা এসে শেখ হাসিনাকে যদি ফাঁসির দড়িতে ঝুলাইতে পারি, তাহলে সীমান্ত হত্যা বন্ধ হয়ে যাবে এবং সীমান্তের মানুষ নিরাপদ থাকবে।
নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, সরকারকে বলব সকল ধরনের পুশ-ইন বন্ধ করার জন্য। সীমান্তবাসীকে সজাগ থাকার জন্য, রাতে বাঁশ নিয়ে পাহারা দেওয়ার জন্য, যাতে ভারত থেকে তারা কাউকে পুশ-ইন করাতে না পারে। রোহিঙ্গা নিয়ে আমরা ঝামেলায় আছি, নতুন করে ঝামেলা নিতে চাই না।
গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন, আপনারাও ভালো, আমরাও ভালো। আর গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে এ সরকার থাকতে পারবে না। এ সরকার নতুন কিছু সৃষ্টি করতে পারছে না।
সাংবাদিক নিপীড়ন প্রসঙ্গে পাটওয়ারী বলেন, সাংবাদিকদের ওপর এখনও নিপীড়ন চলছে। আগে করত শেখ হাসিনা সরকার, এখন করছে বর্তমান সরকার। সকল সাংবাদিককে মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি দিতে হবে। যারা সত্য সাংবাদিক আমরা তাদের পক্ষে। ভারতে পক্ষের ও মিথ্যা সাংবাদিকদের আমরা ছাড় দিব না।
এ সময় এনসিপির উত্তরাঞ্চলের সমন্বয়ক রাসেল আহমেদসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী প্রথমে সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত খাদেমুলের বাড়িতে যান। তাদের খোঁজখবর নেন। পরে তার কবর জিয়ারত করে হাতীবান্ধা ত্যাগ করেন।
উল্লেখ্য, গত ১৪ মে হাতীবান্ধা উপজেলার আমঝোল সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে খাদেমুল নামে এক স্থানীয় যুবক নিহত হন।
৬২ দিন আগে
১০০ উপজেলা ও পৌরসভায় এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রথম পর্যায়ে ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভায় প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
রবিবার (১০ মে) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
সারজিস আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লড়তে এনসিপির ব্যানারে অংশ নিতে সারা দেশ থেকে হাজারেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছিল। সেখান থেকে কঠোর যাচাই-বাছাই শেষে প্রথম ধাপে ১০০ জন উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়াটি চলমান থাকবে এবং আগামী ২০ মে দ্বিতীয় ধাপে আরও ১০০ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে। আগামী পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থীর তালিকা জনগণের সামনে তুলে ধরাই এনসিপির লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এনসিপির এই নেতা বলেন, এনসিপি কেবল নিজেদের কর্মীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের পরিশ্রমী ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব, যারা অতীতে মানুষের ওপর জুলুমের সঙ্গে লিপ্ত ছিলেন না এবং যাদের সঙ্গে ফ্যাসিস্ট শক্তির কোনো সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই, তাদের স্বাগত জানানো হচ্ছে। এমনকি অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সৎ ও জনবান্ধব নেতারাও যদি এনসিপির সমর্থন নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তবে তাদের আবেদন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। সার্বিক যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়ায় সামাজিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। শিক্ষার্থী, শ্রমিক, নারী ও হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদেরও এনসিপির ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
৭১ দিন আগে
বরিশালে গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে এনসিপিতে অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী
বরিশালে গণঅধিকার পরিষদ ও যুব অধিকার পরিষদের অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন।
শনিবার (২ মে) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগ দেন।
অনুষ্ঠানে নবাগতদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন বরিশাল জেলা এনসিপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ মুসা।
তিনি বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে আগ্রহী নেতা-কর্মীদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এদিন সদস্য ফরম পূরণ করে এনসিপিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
এনসিপিতে যোগ দেওয়া উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন— গণঅধিকার পরিষদ বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মাসুম হাওলাদার, বাবুগঞ্জ উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম রিয়াদ, কেদারপুর ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান খানসহ উজিরপুর, গৌরনদী, মেহেন্দিগঞ্জ ও মুলাদী উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপি বরিশাল জেলার সদস্যসচিব আবু সাঈদ খান ফেরদৌস, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব আবেদ আহমেদ রনি, জাতীয় নারী শক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক নাফিসা মুসতারি, সাংগঠনিক সম্পাদক আসিফ আলী ও ইমরান হোসেন এবং দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হাসানসহ অন্যান্য নেতারা।
৭৯ দিন আগে
জাতীয় নারী শক্তির ৫৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তি’র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তিতে ৫৩ সদস্যবিশিষ্ট এই নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশ ও অনুমোদনক্রমে এই আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নবগঠিত এই কমিটিতে মনিরা শারমিনকে আহ্বায়ক এবং মাহমুদা আলম মিতুকে সদস্যসচিব মনোনীত করা হয়েছে।
কমিটির অন্যান্য শীর্ষ পদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সানজিদা বুশরা মিশমা এবং মুখ্য সংগঠক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন নুসরাত তাবাসসুম।
কমিটির অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন, যুগ্ম আহ্বায়ক হাফসা জাহান, নাবিলা তাসনিদ, খন্দকার খালেদা আক্তার, আশরেফা খাতুন এবং মুনা হাফসা।
জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব মঞ্জিলা ঝুমা, যুগ্ম সদস্যসচিব দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি, নাহিদা বুশরা, কাজী আয়েশা আহমেদ, নীলা আফরোজ, মাহমুদা রিমি এবং ইসরাত জাহান বিন্দু।
যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ইশরাত জাহান, উরসী মাহফিলা, সাদিয়া আফরিন, জয়ন্তী বিশ্বাস, সোনিয়া লুবনা, নাফিসা মুশতারী এবং নাদিয়া ইসলাম মিম।
এ ছাড়াও কমিটিতে রেহনুমা রুমা, ফারজানা আক্তার, মনি মুক্তা, সেজুতি আক্তারসহ আরও ৩০ জনকে সংগঠক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
৯৩ দিন আগে