এনসিপি
সীমান্তহত্যা বন্ধ করতে না পারলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত: নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মূখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেছেন, সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে না পারলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত। দয়িত্ব পালন না করতে পারলে আমাদের দায়িত্ব দিন। আমরা সরকারে এলে ইনশাআল্লাহ সীমান্ত হত্যা চিরতরে বন্ধ করব।
মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী ইউনিয়নের আমঝোল সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত খাদেমুলের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সীমান্ত হত্যা বন্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, সীমান্তে মানুষ মরলেও সরকার নিশ্চুপ থাকছে। সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে না পারলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত। তারা যদি দায়িত্ব পালন করতে না পারেন, তবে আমাদের দায়িত্ব দিক; আমরা সরকারে এলে ইনশাআল্লাহ সীমান্ত হত্যা চিরতরে বন্ধ করব। অস্ত্র না থাকলেও আমরা বাঁশ হাতে নিয়ে রেডি হব সীমান্তে।
তিনি বলেন, বিএসএফ গুলি করে বাংলাদেশি হত্যা করে আর বিজিবি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ভারতীয় বয়ান উল্লেখ করে। আমরা মনে করি, বাংলাদেশের মানুষ চোরাচালান করতে পারে না। বাংলাদেশের সকল মানুষ অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার। আমরা সীমান্তের শহিদদের পাশে থাকব। আমরা যদি সরকার গঠন করতে পারি, এ মানুষগুলোর জন্য ফাউন্ডেশন গঠন করে দেব। সীমান্তে শহিদদের সরকারিভাবে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। মাছ ধরতে যাওয়া বাংলাদেশি খাদেমুলকে বিএসএফ গুলি করে শহিদ করেছে বলে এ সময় উল্লেখ করেন তিনি।
এই রাজনীতিক বলেন, পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম রাজ্যের সীমান্তে অস্থিতিরতা বিরাজ করছে। সে জায়গা থেকে আমরা সরকারকে বলব, রেড এলার্টে যাওয়ার জন্য, সীমান্তবাসীকে বলব সংঘবদ্ধ হওয়ার জন্য।
এনসিপির মূখ্য সমন্বয়ক বলেন, ইতিহাস থেকে চিন্তা করলে দেখা যায়, জিয়াউর রহমান যখন ক্ষমতায় এসেছিলেন, তখন ওই সময় শেখ মুজিবের সঙ্গে ‘গুন্ডা বাহিনী’ ভারতে পলাতক ছিলেন। সেখান থেকে তারা জিয়াউর রহমান সরকারকে বিরক্ত করেছিলেন। একই কায়দায় শেখ হাসিনা ভারতে থেকে বাংলাশেদের মানুষকে বিরক্ত করে যাচ্ছে এবং তারা ওই দেশের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে মিলে সীমান্তে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। সরকারকে বলব, আওয়ামী লীগের সঙ্গে ‘লিয়াজোঁ’ করবেন না। বরং আমরা এসে শেখ হাসিনাকে যদি ফাঁসির দড়িতে ঝুলাইতে পারি, তাহলে সীমান্ত হত্যা বন্ধ হয়ে যাবে এবং সীমান্তের মানুষ নিরাপদ থাকবে।
নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, সরকারকে বলব সকল ধরনের পুশ-ইন বন্ধ করার জন্য। সীমান্তবাসীকে সজাগ থাকার জন্য, রাতে বাঁশ নিয়ে পাহারা দেওয়ার জন্য, যাতে ভারত থেকে তারা কাউকে পুশ-ইন করাতে না পারে। রোহিঙ্গা নিয়ে আমরা ঝামেলায় আছি, নতুন করে ঝামেলা নিতে চাই না।
গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন, আপনারাও ভালো, আমরাও ভালো। আর গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে এ সরকার থাকতে পারবে না। এ সরকার নতুন কিছু সৃষ্টি করতে পারছে না।
সাংবাদিক নিপীড়ন প্রসঙ্গে পাটওয়ারী বলেন, সাংবাদিকদের ওপর এখনও নিপীড়ন চলছে। আগে করত শেখ হাসিনা সরকার, এখন করছে বর্তমান সরকার। সকল সাংবাদিককে মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি দিতে হবে। যারা সত্য সাংবাদিক আমরা তাদের পক্ষে। ভারতে পক্ষের ও মিথ্যা সাংবাদিকদের আমরা ছাড় দিব না।
এ সময় এনসিপির উত্তরাঞ্চলের সমন্বয়ক রাসেল আহমেদসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী প্রথমে সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত খাদেমুলের বাড়িতে যান। তাদের খোঁজখবর নেন। পরে তার কবর জিয়ারত করে হাতীবান্ধা ত্যাগ করেন।
উল্লেখ্য, গত ১৪ মে হাতীবান্ধা উপজেলার আমঝোল সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে খাদেমুল নামে এক স্থানীয় যুবক নিহত হন।
১ দিন আগে
১০০ উপজেলা ও পৌরসভায় এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রথম পর্যায়ে ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভায় প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
রবিবার (১০ মে) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
সারজিস আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লড়তে এনসিপির ব্যানারে অংশ নিতে সারা দেশ থেকে হাজারেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছিল। সেখান থেকে কঠোর যাচাই-বাছাই শেষে প্রথম ধাপে ১০০ জন উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়াটি চলমান থাকবে এবং আগামী ২০ মে দ্বিতীয় ধাপে আরও ১০০ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে। আগামী পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থীর তালিকা জনগণের সামনে তুলে ধরাই এনসিপির লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এনসিপির এই নেতা বলেন, এনসিপি কেবল নিজেদের কর্মীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের পরিশ্রমী ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব, যারা অতীতে মানুষের ওপর জুলুমের সঙ্গে লিপ্ত ছিলেন না এবং যাদের সঙ্গে ফ্যাসিস্ট শক্তির কোনো সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই, তাদের স্বাগত জানানো হচ্ছে। এমনকি অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সৎ ও জনবান্ধব নেতারাও যদি এনসিপির সমর্থন নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তবে তাদের আবেদন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। সার্বিক যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়ায় সামাজিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। শিক্ষার্থী, শ্রমিক, নারী ও হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদেরও এনসিপির ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
১০ দিন আগে
বরিশালে গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে এনসিপিতে অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী
বরিশালে গণঅধিকার পরিষদ ও যুব অধিকার পরিষদের অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন।
শনিবার (২ মে) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগ দেন।
অনুষ্ঠানে নবাগতদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন বরিশাল জেলা এনসিপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ মুসা।
তিনি বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে আগ্রহী নেতা-কর্মীদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এদিন সদস্য ফরম পূরণ করে এনসিপিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
এনসিপিতে যোগ দেওয়া উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন— গণঅধিকার পরিষদ বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মাসুম হাওলাদার, বাবুগঞ্জ উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম রিয়াদ, কেদারপুর ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান খানসহ উজিরপুর, গৌরনদী, মেহেন্দিগঞ্জ ও মুলাদী উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপি বরিশাল জেলার সদস্যসচিব আবু সাঈদ খান ফেরদৌস, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব আবেদ আহমেদ রনি, জাতীয় নারী শক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক নাফিসা মুসতারি, সাংগঠনিক সম্পাদক আসিফ আলী ও ইমরান হোসেন এবং দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হাসানসহ অন্যান্য নেতারা।
১৮ দিন আগে
জাতীয় নারী শক্তির ৫৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তি’র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তিতে ৫৩ সদস্যবিশিষ্ট এই নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশ ও অনুমোদনক্রমে এই আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নবগঠিত এই কমিটিতে মনিরা শারমিনকে আহ্বায়ক এবং মাহমুদা আলম মিতুকে সদস্যসচিব মনোনীত করা হয়েছে।
কমিটির অন্যান্য শীর্ষ পদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সানজিদা বুশরা মিশমা এবং মুখ্য সংগঠক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন নুসরাত তাবাসসুম।
কমিটির অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন, যুগ্ম আহ্বায়ক হাফসা জাহান, নাবিলা তাসনিদ, খন্দকার খালেদা আক্তার, আশরেফা খাতুন এবং মুনা হাফসা।
জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব মঞ্জিলা ঝুমা, যুগ্ম সদস্যসচিব দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি, নাহিদা বুশরা, কাজী আয়েশা আহমেদ, নীলা আফরোজ, মাহমুদা রিমি এবং ইসরাত জাহান বিন্দু।
যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ইশরাত জাহান, উরসী মাহফিলা, সাদিয়া আফরিন, জয়ন্তী বিশ্বাস, সোনিয়া লুবনা, নাফিসা মুশতারী এবং নাদিয়া ইসলাম মিম।
এ ছাড়াও কমিটিতে রেহনুমা রুমা, ফারজানা আক্তার, মনি মুক্তা, সেজুতি আক্তারসহ আরও ৩০ জনকে সংগঠক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
৩২ দিন আগে
আর্থিক অনিয়ম: কুষ্টিয়ায় এনসিপির দুই নেতাকে শোকজ
কুষ্টিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই নেতার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২০ মার্চ) এনসিপির কুষ্টিয়া জেলা শাখার জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সমন্বয়কারী ইবাদত আলী ও কুমারখালী উপজেলার প্রধান সমন্বয়কারী হেলাল উদ্দিনকে এ নোটিশ দেওয়া হয়।
দলটির কুষ্টিয়া জেলার প্রধান সমন্বয়কারী জান্নাতুল ফেরদৌস টনি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নোটিশে দুই নেতার বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দকৃত চালের অর্থ আত্মসাৎ এবং নির্বাচনের সময় দলীয় নীতিমালা লঙ্ঘন করে অন্য রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ করা হয়েছে। তাদের আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে নোটিশের জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জানতে চাইলে কুমারখালী উপজেলার প্রধান সমন্বয়কারী হেলাল উদ্দিন বলেন, শোকজ নোটিশ পেয়েছি। আমি আমার ব্যাখা দিয়ে দেব।
এ বিষেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস টনি বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে আমরা বিষয়গুলো জানতে পেরেছি। দলের স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ওই দুইজনকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগে নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করতে পারলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না। আর যদি প্রমাণ না করতে পারে তাহলে আমরা বিষয়টি কেন্দ্রকে জানাব। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
৬০ দিন আগে
দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে নাহিদের প্রার্থিতা স্থগিত চেয়ে রিট
দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ এনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা স্থগিত চেয়ে রিট করেছেন ঢাকা ১১ আসনের জাতীয় পার্টির (জাপা) সমর্থিত প্রার্থী শামীম আহমেদ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দেশের সর্বোচ্চ আদালতে এ রিট করা হয়। রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), নির্বাচন কমিশন সচিব, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নাহিদ ইসলামকে বিবাদী করা হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়, নাহিদ ইসলাম ২০২৫ সালের ২০ এপ্রিল ক্যারিবিয়ান দ্বীপ রাষ্ট্র ডোমিনিকার নাগরিকত্ব নেন। রিটটি গতকাল (রবিবার) দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শামীম আহমেদের আইনজীবী মোহাম্মদ মজনু মোল্যা।
তিনি বলেন, আগামীকাল (মঙ্গলবার) রিটটি শুনানির জন্য হাইকোর্টে উপস্থাপন করা হবে।
আইনজীবী মজনু মোল্যা অভিযোগ করে বলেন, নাহিদ ইসলাম ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট উপদেষ্টা পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অপব্যবহার করে রাতারাতি কমনওয়েলথ অব ডমিনিকার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। নির্বাচনি হলফনামায় তিনি তা গোপন করেন, যা সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের ২(গ)-এর সরাসরি লঙ্ঘন। সংবিধানের ৬৬(২) (গ) অনুযায়ী তিনি নির্বাচনের অযোগ্য। তাই বিষয়টি নিয়ে আবেদনকারী আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন।
গুলশান এলাকায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২১, ২২, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১ ও ৪২ এবং সবুজবাগ এলাকার ২৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা-১১ আসন। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৮৭৭ জন। নারী ভোটার ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯৮ জন। আর তৃতীয় লিঙ্গের ৩ জন ভোটার রয়েছেন।
প্রার্থী হয়েছেন বিএনপির এম এ কাইয়ুম, এনসিপির মো. নাহিদ ইসলাম, স্বতন্ত্র কোহিনূর আক্তার বীথি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের কাজী মো. শহীদুল্লাহ, গণফোরামের মো. আবদুল কাদের, গণঅধিকার পরিষদের মো. আরিফুর রহমান, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. জাকির হোসেন, ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টির মো. মিজানুর রহমান, জাতীয় পার্টির শামীম আহমেদ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ।
১০০ দিন আগে
এনসিপির আখতার হোসেনকে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি
জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষে ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের প্রার্থী আখতার হোসেনকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রংপুরের পীরগাছা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন আখতার।
জিডিতে আখতার উল্লেখ করেছেন, আমি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০২৬ উপলক্ষ্যে সংসদীয় আসন নম্বর ২২, রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) থেকে ১১ দল সমর্থিত ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী। শনিবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে পীরগাছা থানাধীন ছাওলা ইউনিয়নের কিশামত গ্রামে নির্বাচনি প্রচারণা চালানোর সময় অপরিচিত একটি মোবাইল নম্বর থেকে আমার ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরে ফোন করে প্রাণনাশের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে কল কেটে দেওয়া হয়। এই অবস্থায় ওই অপরিচিত মোবাইল ফোন নম্বরের ব্যক্তির দ্বারা আমার যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বিধায় বিষয়টি ভবিষ্যতের জন্য সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করা প্রয়োজন।
জিডিতে বিষয়টি ভবিষ্যতের জন্য সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করতে পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর আবেদন করা হয়েছে।
আজ (রবিবার) সকালে এক ভিডিওবার্তায় হুমকির বিষয়টি জানিয়েছেন আখতার হোসেন। সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ভয় দেখিয়ে জয়যাত্রা থামিয়ে দেওয়া যাবে না।
পীরগাছা থানার ওসি খন্দকার মহিবুল্লাহ বলেন, হুমকির ঘটনায় আখতারের পক্ষ থেকে একটি জিডি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
১০১ দিন আগে
কেউ ভোট চুরির চেষ্টা করলে পরিণতি হবে ফ্যাসিস্টদের মতো: নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, কেউ ভোট চুরি করার চেষ্টা কিংবা জালিয়াতি করার চেষ্টা করলে তার পরিণতি হবে ফ্যাসিস্টদের মতো। আসন্ন নির্বাচন হবে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের নির্বাচন, সংস্কারের নির্বাচন, ঋন-খেলাপীদের বিরুদ্ধে জনগণের রায়ের নির্বাচন। মা-বোনদের নির্যাতনের বিরুদ্ধে রায়ের নির্বাচন। দেশকে আধিপত্যবাদী ও ফ্যাসীবাদী মুক্ত করার নির্বাচন।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সাভারের শাহীবাগে মাতৃবাগান মসজিদ সংলগ্ন মাঠে ঢাকা-১৯ আসনে ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী দিলশানা পারুলের নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, একটি পক্ষ আমাদের মা-বোনদের ভয় পাচ্ছে। তাই তারা মা-বোনদের প্রচারণায় বাধা দিচ্ছে। তারা ভয় পেয়ে শেরপুরে আমাদের এক ভাইকে হত্যা করেছে। যারা হত্যার মাধ্যমে ক্ষমতায় যেতে চায় তাদের রাজনীতি রুখে দিতে হবে।
সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি বলেন, শহিদ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের এখনও ধরতে পারেনি সরকার। বিচার দাবিতে তার পরিবার যমুনার সামনে অবস্থান করেছে। হত্যাকারীদের ধরতে না পারা অন্তবর্তীকালীন সরকারের অন্যতম ব্যর্থতা। ওসমান হাদির হত্যাকারীদের বিচার দাবীতে এখনও দেশবাসী ও তার পরিবার রাজপথে রয়েছে। হাদির নীতি, আদর্শ ও জুলাই অভ্যুত্থানের আদর্শে নির্বাচনে রায় আসবে।
তিনি বলেন, আমরা আজাদী ও আধিপাত্যবাদ বিষয়ে এক বিন্দুও ছাড় দেব না। আপনারা নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসবেন। আমাদের বিরুদ্ধে ভোট দিলেও আসবেন। ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভোট কেন্দ্রে যাবেন। গোলামির বিরুদ্ধে রায় দিতে ভোট কেন্দ্রে যাবেন।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আপনারা দেশের মানুষ দাবি প্রতিষ্ঠায় জালেমের বিরুদ্ধে রায় দিবেন। বর্তমান সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ সময়। আসন্ন সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে আধিপত্য দূর করতে পারব। দিল্লীর তাবেদারি দূর করতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা কোনো রক্ত চক্ষুকে ভয় পাইনা। একটি দলের নেতা বিদেশ থেকে এসে বলেছেন, আমার একটি প্লান আছে। আমরা সাধুবাদ জানিয়েছিলাম। সম্প্রীতির রাজনীতি করতে চেয়েছিলাম। তাই বলেছিলাম শেয়ার করেন। কিন্তু এখন দেখছি তিনি দেশের কোথায় চিনি কল আছে, কোথায় ইপিজেড আছে, কোথায় সয়াবিন চাষ হয়, কোথায় ভুট্টা চাষ বেশি হয় তা কিছুই তিনি জানেন না। তিনি দেশ ও জনগণ সম্পর্কে জানেন না। তিনি ১৭ বছর দেশে ছিলেন না। এমন কোনো প্লান আমরা কাউকে বাস্তবায়ন করতে দেব না যাতে দেশে আবার ফ্যাসিবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠা পাবে; দুর্নীতির রাজনীতি আবার ফিরে আসবে। দেশ পিছিয়ে যাবে এমন প্লান বাস্তবায়ন হতে দেব না।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আর কোনো দুর্বৃত্ত যেন দেশের রাজনীতিতে ফেরত না আসে। এ দেশের মানুষ আর কোনো বেইমান-প্রতারকের হাতে ক্ষমতা দিতে চায় না। ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে দক্ষ লোকের অভাব হবে না। দেশের ও বিদেশের অভিজ্ঞ লোকদের সংযুক্ত করা হবে।
সাভার উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক জুলকারনাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা-১৯ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এনসিপি নেত্রী দিলশানা পারুল, জায়াতের কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও ঢাকা জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আফজাল হোসেন, জেলা জামায়াতের আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শহীদুল ইসলাম, সাভার জেলা রাজনৈতিক সেক্রেটারী হাসান মাহবুব মাস্টারসহ স্থানীয় নেতারা।
১০৩ দিন আগে
হবিগঞ্জে এনসিপি থেকে ১২ জনের পদত্যাগ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) হবিগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক কমিটির ১২ জন সদস্য পদত্যাগ করেছেন। এদের মধ্যে ২ জন যুগ্ম আহ্বায়ক, ৪ জন যুগ্ম সদস্য সচিব ও ৬ জন সদস্য ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) জেলা আহ্বায়কের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক বরাবর দেওয়া পদত্যাগ পত্রে তারা ব্যক্তিগত অসুবিধার কথা উল্লেখ করেছেন। জেলা আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তফা কামাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পদত্যাগকারীরা হচ্ছেন— যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক টিপু ও আব্দুল পয়াহি মনির, যুগ্ম সদস্য সচিব সিরাজুল হক সজীব, শেখ রুবেল আহমদ, সালমা আহসান ও সঞ্জয় দাশ, সদস্য হারুন মিয়া, কামাল উদ্দিন আহমেদ, জসিম উদ্দিন, শফিউল আলম খান, জাহিদ মিয়া ও সোফায়েল আহমদ।
এ ব্যাপারে যুগ্ম আহ্বায়ক এডভোকেট আব্দুল ওয়াহেদ মনির বলেন, ‘স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যক্রম নিয়ে মতবিরোধের কারণে আমাদের এ দলে থাকা সম্ভব না হওয়ায় আমরা পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
উল্লেখ বিগত ১৯ নভেম্বর ৯১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেয় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটি।
১১১ দিন আগে
আ.লীগ ১৭ বছরে যে নির্যাতন করেছে, ১৭ মাসে আরেকটি দল তা করছে: আসিফ মাহমুদ
এনসিপির নির্বাচনি প্রধান সমন্বয়ক ও সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব বলেছেন, ‘আমরা ১৭ বছর হত্যা, গুম ও জুলুমের নির্যাতন দেখিছি। আমরা চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসের স্বীকার হয়েছি। বর্তমানে গেল ১৭ মাসেও একটি দল ক্ষমতায় না থাকা সত্ত্বেও এসব অভিজ্ঞতা আমাদের দিয়েছে।’
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার দেবিদ্বারে এনসিপির ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণা গাড়িবহর কুমিল্লার দেবিদ্বারে পৌঁছালে সেখানে আয়োজিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমরা ১৭ বছরের নিপীড়ন দেখেছি। বাংলাদেশের মানুষ ১৭ বছরের নিপীড়নের পর গত ১৭ মাসে আবার আরেক ধরণের নিপীড়নের শিকার হয়েছে। ১৭ বছরে আমরা দেখেছি গুম, খুন, নির্যাতন, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দুর্নীতি, যত ধরণের অন্যায়, অনাচার আছে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদের পক্ষ থেকে সেগুলো আমরা পেয়েছি। কিন্তু গত ১৭ মাসে ক্ষমতায় না থাকা স্বত্ত্বেও একটি দল ঠিক একই রকমের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জনগণকে দিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রত্যন্ত অঞ্চলের অলিগলি থেকে উঠে আসা নেতৃত্ব। আমরা মানুষকে ভয় দেখিয়ে নয়, মানুষের দরজায় দরজায় গিয়ে ম্যান্ডেট চাওয়া নেতৃত্ব। আমরা জুলাই অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের অংশগ্রহণে শেখ হাসিনার মতো শক্তিশালী ফ্যাসিবাদকে বিতাড়িত করেছি। আমরা তাদের মতো বিভিন্ন আজগুবি বক্তব্য দিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চাই না। আমরা মাটি থেকে উঠে এসেছি। আমরা জানি মাটি ও মানুষের কী কী সমস্যা আছে এবং তার কী কী বাস্তবসম্মত সমাধান হতে পারে।’
এ সময় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অলিগলি, রাস্তাঘাট একটু হেঁটে দেখুন। বাংলাদেশকে আগে চিনুন, তারপর আমরা ভরসা করতে পারব যে, আপনি আমাদের জন্য কিছু করতে পারবেন কি না।
এনসিপির এই নির্বাচনি সমন্বয়ক বলেন, মুরাদনগর আমার জন্মস্থান। আমি বাংলাদেশের যেখানেই থাকি সব সময় আপনাদের কথা আমার হৃদয়ে থাকে। গত বছর দায়িত্বে ছিলাম, উন্নয়নবঞ্চিত বৈষম্যের স্বীকার মুরাদনগরের জন্য কাজ করে গেছি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমরা দেখলাম, এক দলের জনপ্রতিনিধি ছিল এবং সামনেও হতে চায়, তারা সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নালিশ দিয়েছিল—কেন এত বাজেট দেওয়া হয়। যারা আপনাদের উন্নয়ন চায় না, তাদের কি ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন?
তিনি আরও বলেন, যারা প্রবীণ আছেন আপনারা তো আরও ভালো বলতে পারবেন। মুরাদনগরে একটা বাহিনী ছিল দাদা বাহিনী। বাহিনীর সদস্যদের নাম ছিল টার্মিনাল অমুক, পিস্তল তমুক। মুরাদনগরে আর কোন অমুক তমুকের জায়গা হবে না। আপনাদের শুধু নিশ্চিত করতে হবে মুরাদনগরের জনগণ যেন ভয়ডরহীনভাবে ভোট দিতে পারে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন, কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহীদ, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখ্য সমন্বয়কারী ও যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম, এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব লুৎফর রহমান, যুগ্ম সদস্যসচিব ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেক্রেটারি ইয়াসির আরাফাত প্রমুখ।
১১২ দিন আগে