বাংলাদেশ
সরকারি কর্মচারী অধ্যাদেশ বাতিলের দাবি: বিক্ষোভে উত্তাল সচিবালয়
‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে সচিবালয়ে টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করছেন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
অধ্যাদেশটি প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেন তারা। সোমবার (২৬ মে) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে প্রশাসনের এই প্রাণকেন্দ্র।
এদিন বেলা পৌনে ১১টা দিকে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবীর ও মহাসচিব নিজাম উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়।
পরে বেলা ১১টার দিকে তাদের সঙ্গে নূরুল ইসলাম ও মুজাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিষদের অপর অংশও যুক্ত হয়।
এ সময় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও বিক্ষোভে অংশ নিতে কাজ ফেলে নিচে নেমে এসেছেন। অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।
আরও পড়ুন: দাবিদাওয়া নিয়ে বিভিন্ন সংগঠনের আন্দোলনে প্রশাসনে অচলাবস্থা
এর আগে, রবিবার (২৫ মে) চার ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধের জন্য বিভাগীয় মামলা ছাড়াই শুধু কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে চাকরিচ্যুত করা যাবে— এমন বিধান রেখে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেন রাষ্ট্রপতি।
অধ্যাদেশে শৃঙ্খলা বিঘ্নিত, কর্তব্য সম্পাদনে বাধা, ছুটি ছাড়া কর্মে অনুপস্থিত, কর্তব্য পালন না করার জন্য উসকানির জন্য আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে চাকরিচ্যুতির বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ করা হচ্ছে।
গত ২২ মে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর শনিবার (২৪ মে) থেকে সচিবালয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। রবিবারও সচিবালয়ের প্রধান ফটক আটকে বিক্ষোভ করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সবগুলো সংগঠন।
আরও পড়ুন: অধ্যাদেশ সংশোধনের আশ্বাসে এনবিআর কর্মকর্তাদের আন্দোলন প্রত্যাহার
৩৮৯ দিন আগে
মতিঝিলে বিআরটিসি বাসের ধাক্কায় শিশু শিক্ষার্থীর মৃত্যু
রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় সড়ক পার হওয়ার সময় যাত্রীবাহী বিআরটিসি বাসের ধাক্কায় ৭ বছর বয়সী একটি শিশু শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (২৬ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মতিঝিলের কমলাপুর মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটির নাম রোশনি পাল, সে মতিঝিল সরকারি মডেল স্কুলের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
তাদের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ি উপজেলার পাটগাঁও গ্রামে। রাজধানীর মুগদার মাণ্ডা এলাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকত সে।
আরও পড়ুন: সাতক্ষীরায় বাসের ধাক্কায় ইজিবাইকযাত্রী শিশুর মৃত্যু, আহত ৫
স্বজনরা জানান, দুর্ঘটনার পর রোশনিকে দ্রুতই ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান তার দাদি রেখা বিশ্বাস। তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সে মারা গেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢামেকের পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফারুক। তিনি জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
৩৮৯ দিন আগে
বাড্ডায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে বিএনপি নেতা নিহত
রাজধানীর মধ্য বাড্ডার গুদারাঘাট এলাকায় দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলিতে গুলশান থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল আহসান সাধন নিহত হয়েছেন।
রবিবার (২৫ মে) রাত ১০টার দিকে মধ্য বাড্ডার গুদারাঘাট ৪ নম্বর রোডে এ ঘটনা ঘটেছে। বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রবিবার রাত আনুমানিক ১০টায় গুদারাঘাট ৪ নম্বর রোডে সাবেক কমিশনার কাইয়ুমের কার্যালয়ের বিপরীতে চায়ের দোকানে সামনে কামরুলসহ কয়েকজন চেয়ারে বসে চা খাচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ করে দুজন দুষ্কৃতকারী মুখোশ পরে এসে এলোপাতাড়ি গুলি করে।
আবস্মিক এই হামলায় কামরুলের বুকে-পিঠে চার থেকে পাঁচটি গুলি লাগে এবং তিনি চেয়ার থেকে পড়ে যান। এরপর ফাঁকা গুলি করতে করতে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: মাগুরায় দুপক্ষের সংঘর্ষে যুবদল নেতা নিহত
এ বিষয়ে ওসি মো. সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, যারা গুলি চালিয়েছেন, তাদের শনাক্ত করতে সিসিটিভির ফুটেজ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।
তারা দ্রুতই ধরা পড়বে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এ ছাড়া, ময়নাতদন্তের জন্য কামরুল আহসানের লাশ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানান বাড্ডা থানার ওসি।
৩৮৯ দিন আগে
সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে না পারলে অপরাধবোধ করব: অধ্যাপক ইউনূস
সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে না পারলে অপরাধবোধ করবেন উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জোর দিয়ে বলেছেন, তারা এখন যুদ্ধের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই একসঙ্গে বসে সাহস পেয়েছি। আমরা যদি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে না পারি—তবে আমিও অপরাধবোধ করব।’
রবিবার (২৫ মে) প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কয়েকটি রাজনৈতিক দলের দুটি পৃথক বৈঠকের পর প্রেস সচিব শফিকুল আলম প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য উদ্ধৃত করে এসব কথা বলেন।
রবিবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য সকল প্রচেষ্টা চলছে।
প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর এবং আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এসময় উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের পর, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, প্রধান উপদেষ্টা তাদের বলেছেন, ভারতীয় আধিপত্যের কারণে দেশ এক বিরাট সংকটের মধ্যে রয়েছে।
আরও পড়ুন: প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক, ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের রোডম্যাপ দাবি বিএনপির
মান্না বলেন, ‘এর জন্য প্রধান উপদেষ্টা বিশ্বাস করেন যে, সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
প্রধান উপদেষ্টার উদ্ধৃতি দিয়ে প্রেস সচিব আলম আরও বলেন, অধ্যাপক ইউনূস রাজনৈতিক নেতাদের আশ্বস্ত করেছেন যে, তিনি এই পদে থাকা পর্যন্ত দেশের স্বার্থের ক্ষতি করতে পারে—এমন কিছু হতে দেবেন না।
রাজনৈতিক ঐকমত্যের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তাদের অবশ্যই বিভাজন দূর করতে হবে।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক নেতারা প্রধান উপদেষ্টাকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন এবং তার পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।
নির্বাচনী রোডম্যাপ সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টা পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে তিনি আগামী বছরের ৩০ জুন পার করবেন না। ‘আপনাদের তার উপর আস্থা রাখতে হবে।’ বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি তিনি এক কথার মানুষ।’
এর আগে, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ এবং মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ রাজনৈতিক নেতাদের একটি দল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করেন এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং রাজনৈতিক সংস্কারসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন।
প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে রাজনৈতিক নেতা মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জুসহ অন্যান্যরা এতে যোগ দেন।
শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানসহ তিনজন উপদেষ্টাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
দ্বিতীয় পর্যায়ে, মাওলানা সাদিকুর রহমান, মাওলানা রেজাউল করিম, মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা আহমেদ আব্দুল কাদের, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি, নুরুল হক নূর, মাওলানা মুসা বিন ইজহার এবং মুফতি মাওলানা শাখাওয়াত হোসেন রাজী প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেন।
আরও পড়ুন: রাজনৈতিক উত্তেজনা: ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি প্রতিনিধি দল
এরআগে গতকাল শনিবার, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতারা পৃথকভাবে অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
অধ্যাপক ইউনূস শনিবার পরবর্তী নির্বাচনের বিষয়ে তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে জোর দিয়ে বলেন যে সরকার আগামী বছরের জুনের পরে এগোবে না।
শনিবারের বৈঠকের পর আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘অধ্যাপক ইউনূস তার কথায় অটল। তিনি একটি নির্দিষ্ট সময় দিয়েছিলেন। তিনি এর বাইরে যাবেন না।’ পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে প্রধান উপদেষ্টা পুনর্ব্যক্ত করেছেন বলে জানান তিনি।
আলম আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে তার বাসভবনে দেখা করার সময় একই কথা জানিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা বারবার এই ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত কথা উল্লেখ করেছেন এবং জোর দিয়ে বলেছেন যে, প্রধান উপদেষ্টা তার কথা রাখবেন।
আরও চাপ দেওয়া হলে, আলম বলেন যে ৩০ জুন একটি নির্দিষ্ট তারিখ এবং প্রধান উপদেষ্টা এর বাইরে যাবেন না।
আলম বলেন, রাজনৈতিক নেতারা তার (প্রধান উপদেষ্টার) নেতৃত্বের প্রতি তাদের আস্থা প্রকাশ করেছেন এবং শনিবার তিনটি বৈঠকই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩৯০ দিন আগে
বরগুনায় গুলিবিদ্ধ ডাকাত গণপিটুনিতে নিহত
বরগুনার বামনায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক এক ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়ে ও গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন।
শনিবার (২৪ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বামনা উপজেলা ডৌয়াতলা ইউনিয়নের হোগলপাতি নামক এলাকা থেকে তাকে আটক করে গণপিটুনি দেয় স্থানীয়রা। এসময় কেউ একজন তাকে গুলিও করেন। গুলিটি তার পায়ে বিদ্ধ হয়।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার(২৫ মে) দুপুর ১২টার দিকে মারা যান। ডাকাতের নাম আনোয়ার হোসেন রিপন। তিনি পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার লক্ষনা গ্রামের মতি সরদারের ছেলে। ঘটনাস্থল থেকে তিনটি গুলির খোসা, একটি পাইপগান ও একটি ছুরি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন: বান্দরবানে ডাকাতির ঘটনায় আটক ৮
নিহত আনোয়ার হোসেন রিপনের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১১টি মামলা রয়েছে। মৃতদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের লাশ বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে বামনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সেলিম বলেন, ডৌয়াতলা ইউনিয়নের হোগলপাতি নামক এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আনোয়ারকে দেখে ফেলেন নৈশ্য প্রহরী। নৈশ্য প্রহরী স্থানীয়দের বিষয়টি জানালে স্থানীয়রা জড়ো হন। এসময় ডাকাত আনোয়ার নিজেকে বাঁচাতে তার পাইপগান থেকে সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এর জবাবে স্থানীয় সুমন জমাদ্দার তার বৈধ অস্ত্র দিয়ে আনোয়ারের পায়ে গুলি করেন। পরে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা আনোয়ারকে মারধর করেন।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আনোয়ারকে উদ্ধার করে বামনা হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডাকাত আনোয়ার মারা যায়।
৩৯০ দিন আগে
ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশে ২১ দিন বন্ধ থাকছে শাবিপ্রবি
পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষে ২১ দিন বন্ধ থাকছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)।
রবিবার (২৫ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের সই করা এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৫ মে থেকে ১২ জুন পর্যন্ত শাবিপ্রবির সব ক্লাস বন্ধ থাকবে। তবে ১৩ ও ১৪ জুন শুক্র ও শনিবার হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ছুটি দুই দিন বেড়ে মোট ২১ দিন হবে।
অন্যদিকে ১ জুন থেকে ১২ জুন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অফিস বন্ধ থাকবে। তবে ২৫ থেকে ২৭ মে পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অফিস খোলা থাকবে।
আরও পড়ুন: শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন ও বিভাগে তালা
৩৯০ দিন আগে
সাবেক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীর সপরিবারে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
রবিবার (২৫ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন জ্যেষ্ঠ বিশেষ বিচারক জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
দুদকের উপপরিচালক মো. সাইদুজ্জামান সাবেক এই মন্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।
তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন, স্ত্রী রেহানা চৌধুরী, দুই ছেলে হামদান হোসেন চৌধুরী ও আরাজ আলম চৌধুরী এবং দুই মেয়ে রাইমা চৌধুরী ও আলিশা বাবর চৌধুরী।
আবেদনে বলা হয়েছে, সাবের হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে অর্থনৈতিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থেকে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, সাবের হোসেন চৌধুরী ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে (ঢাকা এলাকা ছাড়াও দেশের অন্যান্য এলাকায়) এবং দেশের বাইরে কানাডা, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ রয়েছে।
অভিযোগে সংশ্লিষ্ট সাবের হোসেন চৌধুরী এবং তার পরিবারের সদস্যরা বিদেশে পালাতে তাদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তর করার চেষ্টা করছেন মর্মে জানা যায়।
তারা বিদেশে পালিয়ে গেলে অনুসন্ধান ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া একান্ত প্রয়োজন।
৩৯০ দিন আগে
অধ্যাদেশ সংশোধনের আশ্বাসে এনবিআর কর্মকর্তাদের আন্দোলন প্রত্যাহার
সরকারের পক্ষ থেকে রাজস্ব নীতি ও প্রশাসন সংস্কার অধ্যাদেশ, ২০২৫-এ প্রয়োজনীয় সংশোধন ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সম্পন্ন করার আশ্বাসে পূর্বঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেছে এনবিআর রিফর্ম ইউনিটি কাউন্সিল।
রবিবার (২৫ মে) রাতে এক বিবৃতিতে এনবিআর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাউন্সিল এ তথ্য জানায়।
এনবিআর রিফর্ম ইউনিটি কাউন্সিলের বিবৃতিতে বলা হয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যায় স্পষ্ট করা হয়– এনবিআর বিলুপ্ত করা হবে না। এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বাধীন ও বিশেষায়িত বিভাগ হিসেবে শক্তিশালী করা হবে। রাজস্ব নীতি প্রণয়নের জন্য একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান গঠিত হবে এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান অধ্যাদেশ কার্যকর করা হবে না।লিখিত বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা সরকারের এই প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানাই, যা এনবিআর, রাজস্ব সংস্কার উপদেষ্টা কমিটি এবং প্রধান অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে টেকসই রাজস্ব সংস্কার নিশ্চিত করবে। আমরা বিশ্বাস করি এটি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, স্বাধীন ও ক্ষমতাসম্পন্ন রাজস্ব সংস্থা প্রতিষ্ঠার যাত্রার সূচনা।
স্বায়ত্তশাসিত ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে উন্নীত হবে এনবিআর: অর্থ মন্ত্রণালয়
তারা আরও উল্লেখ করেন, সরকারের এই ঘোষণা তাদের দীর্ঘদিনের দাবির যৌক্তিকতা প্রমাণ করে। তবে, তাদের দ্বিতীয় দাবি—বর্তমান এনবিআর চেয়ারম্যানকে অবিলম্বে অপসারণ—এখনও পূরণ হয়নি বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা আশা করি সরকার শিগগিরই এই দাবির পক্ষে একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।’
এদিকে, এনবিআর চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবিতে পূর্বঘোষিত অসহযোগ আন্দোলন চলমান থাকবে বলেও জানান তারা। তারা বলেন, সবার সহযোগিতায় আমরা বিশ্বাস করি এই দেশে একটি টেকসই ও জনবান্ধব রাজস্ব ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
কাউন্সিল তাদের পূর্বের প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করে দিয়ে বলেন, ‘আমরা বলেছিলাম, যদি আমাদের দাবিগুলো পূরণ হয়—তাহলে আমরা অতিরিক্ত কাজ করে সকল অসমাপ্ত কাজ শেষ করব।’ সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এখন থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী অফিস সময়ের বাইরে অতিরিক্ত কাজ শুরু করা হবে।
৩৯০ দিন আগে
স্বায়ত্তশাসিত ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে উন্নীত হবে এনবিআর: অর্থ মন্ত্রণালয়
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) স্বায়ত্তশাসিত ও বিশেষায়িত একটি বিভাগে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। রবিবার (২৫ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।
এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দেওয়া সাম্প্রতিক বিবৃতির পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করতেই এই ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘রাজস্ব নীতি ও প্রশাসন সংস্কার অধ্যাদেশ, ২০২৫’ নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি দূর করতে সরকার পুনরায় ব্যাখ্যা দিয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়, রাজস্ব নীতিকে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া থেকে পৃথক করার যে কাঠামো প্রস্তাব করা হয়েছে, সেখানে বিসিএস (কাস্টমস ও এক্সাইজ) ও বিসিএস (ট্যাক্সেশন) ক্যাডারের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকবে।
এ বিষয়ে এনবিআর, রাজস্ব সংস্কার পরামর্শক কমিটি এবং অন্যান্য প্রধান অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ প্রক্রিয়ায় একদিকে যেমন এনবিআরকে আরও শক্তিশালী করা হবে, অন্যদিকে রাজস্ব নীতির জন্য একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানও গড়ে তোলা হবে বলে জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, অধ্যাদেশে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনতে ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশোধন কার্যকর হওয়ার আগ পর্যন্ত অধ্যাদেশটি বলবৎ করা হবে না।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সরকার আশা করে, এই ঘোষণার মাধ্যমে কর, শুল্ক ও মূসক বিভাগে কর্মরত কর্মকর্তাদের সব ধরনের উদ্বেগ দূর হবে এবং সকল রাজস্ব অফিস পূর্ণ নিষ্ঠার সঙ্গে রাজস্ব আহরণ ও সেবা কার্যক্রমে ফিরে যাবে।’
৩৯০ দিন আগে
রাজস্ব সংস্কারে আন্তর্জাতিক মান অনুসরণের দাবি ঐক্য পরিষদের
রাজস্ব প্রশাসনকে আধুনিক করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংস্কারে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সর্বোত্তম পদ্ধতি অনুসরণের দাবি জানিয়েছে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ।
রবিবার (২৫ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা সবসময়ই সংস্কারের পক্ষে ছিলাম এবং এখনও আছি। তবে সেই সংস্কার হতে হবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কার্যকর পদ্ধতির আদলে।’
ডেপুটি কমিশনার আব্দুল কাইউম ও ডেপুটি ট্যাক্স কমিশনার রইসুন নেসা যৌথভাবে বিবৃতিটি পাঠ করেন।
বিবৃতিতে এনবিআরের নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন আলাদা করার সরকারের পরিকল্পনার প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলা হয়, নতুন অধ্যাদেশে প্রস্তাবিত দুটি নতুন বিভাগ গঠনের মডেল জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করবে, না কি রাজস্ব বিষয়ে কারিগরি জ্ঞানের অভাব রয়েছে, এমন একটি গোষ্ঠীকে প্রভাবশালী করে তুলবে—সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক উদাহরণ তুলে ধরে ঐক্য পরিষদ জানায়, উন্নত ও উন্নয়নশীল অনেক দেশেই কানাডার সিআরএ, অস্ট্রেলিয়ার এটিও, জাপানের এনটিএ, দক্ষিণ কোরিয়ার এনটিএস, জার্মানির এফসিটিও, যুক্তরাজ্যের এইচএমআরসি, যুক্তরাষ্ট্রের আইআরএসসহ বিভিন্ন স্বতন্ত্র ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার মাধ্যমে রাজস্ব ব্যবস্থা পরিচালিত হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরাও চাই আমাদের এনবিআর হোক একটি স্বাধীন, স্বায়ত্তশাসিত ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান—যা উন্নয়নশীল ও উন্নত অনেক দেশের মতো কার্যকরভাবে রাজস্ব আহরণে সক্ষম হবে। কারণ রাজস্ব হলো দেশের উন্নয়নের চালিকাশক্তি।’
আরও পড়ুন: দেশজুড়ে এনবিআর কর্মকর্তাদের পূর্ণ কর্মবিরতি
ঐক্য পরিষদ জানতে চেয়েছে, ‘রাজস্ব সংস্কার বা নীতির পৃথকীকরণ প্রসঙ্গে এনবিআর বিলুপ্তির পরামর্শ কি কোনো উন্নয়ন সংস্থা কখনও দিয়েছে? অধ্যাদেশ খসড়া প্রণয়নের সময় কি উন্নয়ন অংশীদারদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে? কোনো ঋণ চুক্তিতে কি এনবিআর বিলুপ্তির শর্ত ছিল?’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যেকোনো নতুন নীতি সংস্থা গঠনের আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত নিতে হবে এবং নেতৃত্বে আনতে হবে রাজস্ব বিষয়ে অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের।
ঐক্য পরিষদ অভিযোগ করে, এনবিআর চেয়ারম্যান সংস্কার খসড়া প্রক্রিয়ায় কখনও সহযোগিতা করেননি বরং কর্মকর্তাদের চাওয়া–পাওয়ার বার্তা সরকারে পৌঁছাতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছেন।
তারা বলেন, ‘আগের মেয়াদে তিনি একাধিক অডিট কার্যক্রম বন্ধ করে দেন, যা কর ফাঁকির বড় চিত্র তুলে ধরতে পারত। সম্প্রতি তিনি একতরফাভাবে ভ্যাট হার বাড়িয়ে অর্থনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছেন।’
বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়, চেয়ারম্যান এখনো সরকার ও ঐক্য পরিষদের মধ্যে গঠনমূলক সংলাপ বাধাগ্রস্ত করছেন।
‘আমরা বুঝতে পারছি না, সরকার আমাদের যৌক্তিক দাবির বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না কেন—আভ্যন্তরীণ প্রতিবন্ধকতা, কারও প্রভাব, না কি অন্য কোনো অজুহাতে?’—বলা হয় বিবৃতিতে।
চার দফা দাবিতে সরকার সাড়া না দেওয়ায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ঐক্য পরিষদ।
ঘোষণা অনুযায়ী, সোমবার (২৬ মে) থেকে কর, কাস্টমস ও ভ্যাট অধিদপ্তরের অধীন সব দপ্তরে পূর্ণ কর্মবিরতি পালিত হবে। তবে আন্তর্জাতিক যাত্রী সেবা ও ওষুধ ও জীবনরক্ষাকারী যন্ত্রপাতি আমদানি এই ধর্মঘটের বাইরে থাকবে।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ঐক্য পরিষদ বলেছে, অর্থবছরের শেষ সময়ে অর্থনীতি ও রাজস্ব আহরণে বিঘ্ন এড়াতে তাদের দাবির বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য দিতে হবে।
সেবা গ্রহণকারীদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ঐক্য পরিষদ বলেছে, ‘এই স্বল্পমেয়াদি ত্যাগ দেশের ও জনগণের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থে। সরকার যদি দাবিগুলো মেনে নেয়, তবে কর্মকর্তারা অতিরিক্ত সময় দিয়ে পেন্ডিং ফাইল নিষ্পত্তি ও সেবা নিশ্চিত করবেন।’
৩৯০ দিন আগে