বাংলাদেশ
ববিতে ভিসি অপসারণের আন্দোলনে শিক্ষকদের একাত্মতা প্রকাশ
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য (ভিসি) ড. শুচিতা শরমিনের অপসারণের দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষকরা।
বৃহস্পতিবার (৮ মে) দুপুর ১২টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে সেখানে গিয়ে একাত্মতা প্রকাশের ঘোষণা দেন শিক্ষকরা।
এসময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করার পাশাপাশি বক্তব্যও রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মুহসিনউদ্দিন, ড. হাফিজ আশরাফুল হক ও উন্মেষ রায়।
তারা অভিযোগ করেন, ভিসির কারণে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এখন ধ্বংসের মুখে। মাসের ২৮ দিনই তিনি ক্যাম্পাসে থাকেন না। কোনো উন্নয়ন কর্মকাণ্ডও হয়নি তার সময়ে। বিনা চিকিৎসায় মারা যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর করা সহায়তার আবেদনটি তিনি খুলেও দেখেননি। এমনকি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করার মতো ঘৃণ্য কাজ পর্যন্ত করেছেন তিনি।
আরও পড়ুন: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে প্রশাসনিক ভবনে তালা
এই উপাচার্য থাকলে বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস হয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন একাত্মতা প্রকাশ করা ওই শিক্ষকরা।
অবস্থান কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সুজয় শুভ, ভূমিকাসহ অন্যরা। অবস্থান কর্মসূচি শেষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে একটি বিক্ষোভ মিছিল ক্যাম্পাস ও সংলগ্ন সড়ক ঘুরে আসে। মিছিলে ভিসির অপসারণ দাবি করে নানা শ্লোগান দেওয়া হয়।
এ নিয়ে টানা চতুর্র্থ দিনের মতো ভিসি শুচিতা শরমিনের অপসারণের দাবিতে আন্দোলন করছে ববির শিক্ষার্থীরা।
এর আগে, সোমবার (৫ মে) তার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আন্দোলনে নামেন ববির শিক্ষার্থীরা।
সে সময় তারা জানান, আগে ২২ দফা দাবিতে আন্দোলন করলেও উপাচার্য তা মানেননি। বরং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধেই মামলা দিয়ে দমন-পীড়নের চেষ্টা করেছেন। এ কারণে বর্তমানে ভিসির অপসারণই তাদের একমাত্র দাবি।
৩৬২ দিন আগে
ভবিষ্যতে অধিকার আদায়ে তরুণদের যেন আর প্রাণ দিতে না হয়: আলী রিয়াজ
এদেশের জনগণকে বা তরুণ প্রজন্মকে যেন অধিকার আদায়ে আর কখনো প্রাণ দিতে না হয়, সে কারণে কাঠামোগত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে একটি আদর্শ জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
বৃহস্পতিবার (৮ মে) জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে ভাসানী অনুসারী পরিষদের আলোচনার শুরুতে অধ্যাপক আলী রীয়াজ এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘এমন একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ সবার চাওয়া— যেখানে নাগরিক অধিকার সুরক্ষার জন্য একটি স্বাধীন বিচার বিভাগ থাকবে, একটি জবাদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা থাকবে। একজন ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী হন বা যা-ই হন না কেন তিনি যেন ক্ষমতার উর্ধ্বে বা ক্ষমতার কেন্দ্রীভূত হয়ে না যান।’
আলী রিয়াজ বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যেভাবে ঐক্যবদ্ধ ছিলাম সেভাবেই পরিবর্তনের ধারা সূচনা করতে হবে। কাঠামোগত পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে এমন একটি রাষ্ট্র ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে, যেখানে ভবিষ্যত প্রজন্ম বাংলাদেশকে একটি আদর্শ জায়গা বলে বিবেচনা করতে পারে। এদেশের জনগণকে বা তরুণ প্রজন্মকে যেন আর কখনো তার অধিকার আদায়ের জন্য প্রাণ দিতে না হয়।’
এ সময় সবার ঐকমত্যে ভবিষ্যত বাংলাদেশের একটি পথরেখা তৈরির আশাবাদ ব্যক্ত করেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
আরও পড়ুন: গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কাঠামো গঠনের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা অর্জনের চেষ্টা করছি: আলী রীয়াজ
তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই একমত হয়ে একটি জাতীয় সনদ তৈরির চেষ্টা করছি, যেটি ভবিষ্যত বাংলাদেশের পথরেখা নির্দেশ করবে।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে ঐকমত্যে পৌঁছাতে কমিশন অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে। এছাড়া লক্ষ্য অর্জন করতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোকে ও জনগণকে ঐক্যের জায়গায় পৌঁছাতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আলোচনায় ভাসানী অনুসারী পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু'র নেতৃত্বে দলটির মহাসচিব ড. আবু ইউসুফ সেলিম এবং প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. আব্দুল কাদের, পারভীন নাসের খান ভাসানী এবং আমিনুল ইসলাম সেলিমসহ ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেন।
এ সময় কমিশনের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি এমদাদুল হক, ড. বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন, ড. ইফতেখারুজ্জামান, এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।
প্রথম পর্যায়ে গঠিত সংস্কার কমিশনগুলোর মধ্যে সংবিধান সংস্কার কমিশন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন এবং দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলোর ওপর রাজনৈতিক দলের সুনির্দিষ্ট মতামত জানাতে অনুরোধ করে সুপারিশগুলোর স্প্রেডশিট আকারে ৩৯টি রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন: দলগুলোর সাথে ১৫ মের মধ্যে প্রথম পর্যায়ের আলোচনা শেষ করব: আলী রীয়াজ
ইতোমধ্যে সংস্কার বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ৩৫টি দলের কাছ থেকে মতামত পেয়েছে। ভাসানী অনুসারী পরিষদসহ এ পর্যন্ত ২৭ টি রাজনৈতিক দল কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিয়েছে।
৩৬২ দিন আগে
রমনা বটমূলে বোমা হামলা: ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর রায় ঘোষণা শুরু
প্রায় দুই যুগ আগে রাজধানীর রমনা বটমূলে পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানে বোমা হামলার ঘটনায় হত্যা মামলায় আসামিদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আপিলের ওপর রায় ঘোষণা শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এ রায় ঘোষণা করা হবে।
এর আগে, গত ৩০ এপ্রিল এ মামলায় আসামিদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আপিলের ওপর রায়ের জন্য আজকের দিন ঠিক করেন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট একই বেঞ্চ।
২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল রমনা বটমূলে পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানে বোমা হামলা হয়। এতে ঘটনাস্থলে ৯ জন নিহত হন
পরে হাসপাতালে মারা যান আরও একজন। এ ঘটনায় করা মামলা ‘রমনায় বোমা হামলা মামলা’ হিসেবে পরিচিতি পায়।
মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের পর ২০১৪ সালে আসামিদের ডেথ রেফারেন্স অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে আসে। অন্যদিকে কারাগারে থাকা দণ্ডিত আসামিরা জেল আপিল ও নিয়মিত আপিল করেন। ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য গত বছরের ৮ ডিসেম্বর হাইকোর্টের ওই বেঞ্চের কার্যতালিকায় ওঠে। পেপারবুক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে শুনানি শুরু হয়।
আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও সরওয়ার আহমেদ। দুই আসামির পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির শুনানি করেন, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী যায়েদ বিন আমজাদ।
রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আক্তার ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসিফ ইমরান।
রাজধানীর রমনা বটমূলে বোমা হামলার ঘটনায় করা হত্যা মামলায় ২০১৪ সালের ২৩ জুন ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ রুহুল আমিন রায় দেন। রায়ে মুফতি হান্নানসহ আটজনের মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মুফতি হান্নান ছাড়া মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিরা হলেন— আকবর হোসেন, আরিফ হাসান, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুর ভাই মো. তাজউদ্দিন, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, আবদুল হাই ও শফিকুর রহমান। তবে সিলেটে গ্রেনেড হামলার মামলায় মুফতি হান্নানের মৃত্যুদণ্ড ইতিমধ্যে কার্যকর হয়েছে।
বিচারিক আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন দণ্ডিত ব্যক্তিরা হলেন শাহাদাতউল্লাহ জুয়েল, সাব্বির, শেখ ফরিদ, আবদুর রউফ, ইয়াহিয়া ও আবু তাহের।
প্রসঙ্গত, কোনো ফৌজদারি মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকরে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে। এটি ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে পরিচিত। পাশাপাশি দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের জেল আপিল, নিয়মিত আপিল ও বিবিধ আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। ডেথ রেফারেন্স এবং এসব আপিল ও আবেদনের ওপর সাধারণত একসঙ্গে শুনানি হয়ে থাকে।
আরও পড়ুন: রমনা বটমূলে হামলা: ডেথ রেফারেন্সের শুনানি কার্যতালিকা থেকে বাদ
মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের পর আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) জন্য রায়সহ নথিপত্র হাইকোর্টে আসে, যা ২০১৪ সালে ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়। এরপর শুনানির পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্ত) তৈরি করা হয়। অন্যদিকে, কারাগারে থাকা আসামিরা পৃথক আপিল ও জেল আপিল করেন।
হত্যা মামলায় পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্ত) প্রস্তুতসহ আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়ার পর ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল ২০১৬ সালে হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে প্রথম শুনানির জন্য ওঠে। শুনানিও শুরু হয়। পরে কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।
এ নিয়ে আলোচিত এই মামলায় আট আসামির ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আপিল হাইকোর্টের তিনটি বেঞ্চের কার্যতালিকায় উঠলেও শুনানি শেষে মামলাটি নিষ্পত্তি হয়নি। এরপর আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল হাইকোর্টের ওই দ্বৈত বেঞ্চে শুনানির জন্য গত বছরের ৮ ডিসেম্বর কার্যতালিকায় ওঠে। এর ধারাবাহিকতায় শুনানি শেষে এ মামলায় আজ রায় হতে যাচ্ছে।
৩৬২ দিন আগে
বড় পতনের পর উত্থান দিয়ে শুরু শেষ কার্যদিবসের লেনদেন
গত দিনের দেড়শ পয়েন্ট সূচকের পতনের পর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা এবং চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হয়েছে উত্থান দিয়ে, বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
লেনদেনের প্রথম দুই ঘণ্টায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৮৯ পয়েন্ট।
বাকি দুই সূচকের মধ্যে শরীয়াভিত্তিক ডিএসইএস ২৫ এবং বাছাইকৃত ব্লু-চিপ শেয়ারের সূচক ডিএস-৩০ বেড়েছে ২২ পয়েন্ট।
লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। ৩৬৮ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ৯ কোম্পানির এবং দাম অপরিবর্তিত আছে ১২ কোম্পানির শেয়ারের।
আরও পড়ুন: পুঁজিবাজারে সূচক কমলো দেড়শ' পয়েন্ট, দায়ী পাক-ভারত উত্তেজনা নাকি অন্যকিছু?
দিনের প্রথম দুই ঘণ্টায় ঢাকার বাজারে ১৫০ কোটি টাকার ওপরে শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
ঢাকার মতো লেনদেনের ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় আছে চট্টগ্রামের বাজারেও। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক বেড়েছে ৬৬ পয়েন্ট।
লেনদেন হওয়া ১২৭ কোম্পানির মধ্যে ৮০ কোম্পানির দাম বেড়েছে, কমেছে ৩১ এবং অপরিবর্তিত আছে ১৬ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সিএসইতে প্রথমার্ধে ১২ কোটি ৯০ লাখ টাকার ওপরে শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
৩৬২ দিন আগে
ভারত-পাকিস্তান হামলা: পরিস্থিতির অবনতি চায় না বাংলাদেশ
ভারত-পাকিস্তানের চলমান পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে, এমন যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়া থেকে বিরত থাকতে দিল্লি-ইসলামাবাদকে আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা।
বুধবার (৭ মে) বিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে দেওয়া এক বিবৃতি পাঠ করেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান।। বিবৃতি অনুসারে নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, ‘ভারত ও পাকিস্তানে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার।’
এ সময়ে উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার ও সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে খলিলুর রহমান বলেন, ‘আঞ্চলিক শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে চলমান উত্তেজনা প্রশমিত হবে বলে বাংলাদেশ আশাবাদী।’ পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়ায় মঙ্গলবার (৬ মে) দিবাগত রাতে পাকিস্তানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ভারত।
আরও পড়ুন: ভারতকে হামলার জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার পাকিস্তানের, বেড়েছে যুদ্ধের শঙ্কা
এ ঘটনাকে ‘যুদ্ধের শামিল’ ও ‘আগ্রাসন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে পাকিস্তান। দেশটির সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ বলেন, ‘পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর ও পাঞ্জাব প্রদেশের পূর্বাঞ্চলে আঘাত হেনেছে ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র।’
তবে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, ‘ভারতের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা হচ্ছে, এমন অন্তত ৯টি স্থানে আঘাত হানা হয়েছে।’
আহমেদ শরিফ বলেন, ‘ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলায় পাকিস্তানে অন্তত ৩১ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে ২৬ জন ক্ষেপণাস্ত্রে, আর পাঁচজন গোলার আঘাতে নিহত হন।’
এবার এ হামলার জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে পাকিস্তান। এতে প্রতিবেশি দেশদুটির মধ্যে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের আশঙ্কা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
আরও পড়ুন: ভারত-পাকিস্তান হামলা: ‘দায়িত্বপূর্ণ সমাধান’ খুঁজতে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান
টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ বলেছেন, ‘আমার প্রিয় পাকিস্তানি জনগণ, আমাদের সেনাবাহিনী ও জনগণ সবসময় আপনাদের নিরাপত্তার জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকবে। আমরা অবশ্যই ভারতের বিরুদ্ধে দাঁড়াব এবং বিজয়ী হব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সত্যের পক্ষে লড়ছি, তাই আশা করি আল্লাহ সবসময় আমাদের সঙ্গে থাকবেন।’
ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার চলমান উত্তেজনায় আন্তর্জাতিক উদ্বেগও ক্রমেই বাড়ছে।
৩৬২ দিন আগে
ঢামেকের অভিযানে অবৈধ ২১ হুইলচেয়ার জব্দ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল থেকে অবৈধ ২১টি হুইলচেয়ার জব্দ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (৭ মে) বিকালে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালকের নির্দেশনায় উপ-পরিচালকের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আশরাফুল আলম।
তিনি ইউএনবিকে বলেন, ‘আমরা বিকালের দিকে হাসপাতালে জরুরি বিভাগের সামনে থেকে অবৈধ ২১টি হুইলচেয়ার জব্দ করেছি। এই অভিযান আমাদের নিয়মিত। তবে আজকে চোখের সামনে এতগুলো হুইল চেয়ার পেলাম। যেগুলো বহিরাগতরা এনেছে। আমরা জব্দ করার আগেই তারা পালিয়ে যান।'
আরও পড়ুন: দোহারে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে জখম, ঢামেকে ভর্তি
ডা. আশরাফুল আরও বলেন 'পুলিশের কাজটা আমরা করেছি। পরিচালকের নির্দেশনায় আমরা নিয়মিত এ অভিযান পরিচালনা করে থাকি।'
ঢামেকের এই উপ-পরিচালক আরও জানান, মেডিকেল রিপ্রেজেনটেটিভদেরও হাসপাতালে প্রবেশ সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।
রাতারাতি এই অনিয়মগুলো প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলে চেষ্টা অব্যাহত রাখার কথা জানান ডা. আশরাফুল।
৩৬২ দিন আগে
সভ্যতা বিনির্মাণে প্রতিনিয়ত অবদান রাখছেন প্রকৌশলীরা: কাদের গনি
বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, বিশ্বায়নের এই যুগে প্রযুক্তি ও প্রকৌশল জ্ঞানের বিকাশ ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। আমরা টেকসই ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনের যে চিন্তা করছি, সেখানে প্রকৌশলীদেরই মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে।
বুধবার (৭ মে) রাতে চট্টগ্রাম আইইবি মিলনায়তনে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি), চট্টগ্রাম কেন্দ্রের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
কাদের গনি চৌধুরী বলেন, আধুনিক সভ্যতা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর। সমাজের এমন কোনো ক্ষেত্র পাওয়া যাবে না, যেখানে প্রযুক্তির ছোঁয়া নেই। প্রতিনিয়ত প্রযুক্তির নতুন নতুন ধারা যুক্ত হচ্ছে। এগুলোর আসল উদ্দেশ্য সমস্যার সমাধান করা।
আরও পড়ুন: গণতন্ত্রের প্রশ্নে খালেদা জিয়া কখনও আপস করেননি: কাদের গনি
প্রকৌশলীদের ঐতিহ্য ও মর্যাদার কথা তুলে ধরে পেশাজীবীদের এ নেতা বলেন, নাথান ডব্লিউ ডগহারথি প্রকৌশলবিদ্যার সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছিলেন, এটি বিজ্ঞান না, অঙ্ক না, সমাজবিজ্ঞান বা অন্য কোনো বইও না। কিন্তু প্রকৌশলীরা যেকোনো সমস্যা তাদের সব জ্ঞান এক করেই করেন।
প্রকৌশলী মানজেরি খুরশেদ আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অংশ নেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার নুরুল করিম, প্রফেসর মোজাম্মেল হক, ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার সাখাওয়াত হোসেন,ইঞ্জিনিয়ার জানে আলম সেলিম সাংবাদিক শাহ নওয়াজ প্রমুখ বক্তব্য দেন।
৩৬৩ দিন আগে
শব্দদূষণ রোধে জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই: ডিএনসিসি প্রশাসক
শব্দদূষণ রোধে জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। তিনি বলেন, জনগণের সচেনতাই পারে ঢাকা শহরকে শব্দদূষণের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে।
বুধবার (৭ মে) রাজধানীর গুলশান ২ নম্বর সিগন্যালে শব্দদূষণ রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বাজাতে নিরুৎসাহিতকরণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে ডিএনসিসি প্রশাসক এসব কথা বলেন।
তিনি এসময় আরও বলেন, জনসচেতনতার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলার সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে শহরের শব্দদূষণ প্রতিরোধে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
আরও পড়ুন: শব্দদূষণ রোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা
ঢাকা উত্তরের গুরুত্বপূর্ণ করিডোরের সিগন্যালগুলোতে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সহায়তা অযথা হর্ন বাজানো গাড়ির চালককে শনাক্ত করা হবে এবং প্রচলিত আইন অনুসারে শাস্তির আওতায় আনা হবে বলেও জানিয়েছেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
তিনি বলেন, বিভিন্ন সামাজিক ও সাস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মাইক ব্যবহারে সৃষ্ট শব্দদূষণ কমানোর জন্য সময়সীমা ও নির্দিষ্ট পরিধির সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। বৃদ্ধ, অসুস্থ সর্বোপরি সকল মানুষের জন্য শব্দ দূষণ অত্যন্ত ক্ষতিকর। শব্দ দূষণ কমানোর জন্য যত্রতত্র অপ্রয়োজনীয় মাইক ব্যবহার বন্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য ডিএনসিসির আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোকে নির্দশনা দেওয়া হয়েছে।
এ সময়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সেন্টার অফ এটমোস্ফেরিক পলুশন স্ট্যাডি’র চেয়ারম্যান ড. আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার এবং গ্রিন ভয়েসের শতাধিক সেচ্ছাসেবক।
৩৬৩ দিন আগে
সংকট মেটাতে শিল্পে বাড়তি ২৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সিদ্ধান্ত: উপদেষ্টা
সংকট মেটাতে শিল্পে বাড়তি ২৫ কোটি ঘনফুট (২৫০ মিলিয়ন ঘন ফুট-এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
তিনি বলেন, ‘পত্র-পত্রিকায় লেখা হয়েছে গ্যাস সরবরাহের অপ্রতুলতার কারণে শিল্পে উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটছে। এই পরিস্থিতিটা সম্পর্কে আমরা জানি।’
তিনি বলেন, ‘বড় বড় শিল্প উদ্যোক্তা যারা রয়েছেন, আজকে তারা এখানে ছিলেন। আমরা সবাই মিলে এটা নিয়ে আলাপ করেছি। নতুন নতুন শিল্প হয়ে গেছে। আমরা কিন্তু গ্যাসের সরবরাহ কমাইনি। এখন যে ওনাদের (ব্যবসায়ী) আমেরিকার রিসিপ্রোক্যাল ট্যারিফের কারণে সমস্যা হচ্ছে, এজন্য আমরা এটা সম্পর্কে খুব সংবেদনশীল। এজন্য আমরা কতগুলো সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
বুধবার (৭ মে) সচিবালয়ে শিল্পে গ্যাস সংকট নিয়ে শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, ‘রমজান উপলক্ষে যে গ্যাস দেওয়া হত, সেখান থেকে আমরা ১৫ কোটি ঘনফুট (১৫০ এমএমসিএফডি) গ্যাস আমরা বিদ্যুতের পরিবর্তে শিল্পে দেব। এটা হচ্ছে আমাদের প্রথম সিদ্ধান্ত। দ্বিতীয় সিদ্ধান্ত হচ্ছে, মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত অতিরিক্ত চারটি এলএনজি কার্গো আনব।’
‘এতে আরও ১০ কোটি ঘনফুট (১০০ এমএমসিএফডি) গ্যাস। সুতরাং সর্বমোট শিল্পে গ্যাসের বরাদ্দ ২৫০ কোটি ঘনফুট বাড়বে। বরাদ্দের ক্ষেত্রে আমরা শিল্প এলাকায় দেব। আমরা একমত হয়েছি যে, কাজগুলো আমরা একসঙ্গে করব। শিল্প এলাকাগুলো ওনারা (ব্যবসায়ী) চিহ্নিত করে দেবেন। সেইগুলোতে আমরা সরবরাহ বাড়াব ও এগুলো ক্রমাগত তদারকি করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিল্পদ্যোক্তারা আমাদেরকে আর একটা কথা জানিয়েছেন যে, অবৈধ সংযোগের কারণে ওনারা অনেক ক্ষেত্রে গ্যাস পান না। এ বিষয়ে একটা জয়েন্ট টাস্কফোর্স হবে। সেই টাস্কফোর্সের সঙ্গে কাজ করে খুব দ্রুত এই অবৈধ সংযোগগুলো বিছিন্ন করব। আমরা আরেকটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বিশেষ করে তিতাস গ্যাস একটা অনলাইন সেটআপ করবে। শিল্প কারখানায় ফিল্ড ভিজিটের মাধ্যমে আমরা যে বাড়তি গ্যাস দিলাম, এর ফলে যে তাদের পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এটি নিশ্চিত করব। এছাড়া আগামী বছর ১০০টি কূপ খনন করা হবে।’
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘ভোলাসহ বিভিন্ন এলাকায় নতুন কুপের অনুসন্ধান করব। আমরা ইতোমধ্যে ওনাদেরকে (ব্যবসায়ী) জানিয়েছি তিনটি গ্যাসক্ষেত্রে কাজ করে আমরা ২৭ এমএমসিএফডি নতুন গ্যাস পেয়েছি। এগুলো কিন্তু পাইপলাইনে এসে গেছে। আমরা গ্যাস অনুসন্ধানে নজর দিচ্ছি। আমরা ৫০টা যে কূপ খনন করছি, এটা যদি সফল হয় তবে সেখান থেকে আরও ৫০০ এমএমসিএফডি গ্যাস আমরা আনতে পারব।
আরও পড়ুন: ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা, সংযমের আহ্বান তারেক রহমানের
তিনি বলেন, ভোলাতে নতুন করে সিসমিক সার্ভে ও ড্রিলিং করা হচ্ছে। আমরা রিগ (গ্যাস অনুসন্ধান যন্ত্র) কিনতেছি। এখন যে রিগগুলো আছে সেগুলো গভীরে যায় না। এজন্য আমরা একটি ডিপ রিগ কিনতেছি। আমরা বিবিয়ানার পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন।
তিনি আরও বলেন, ‘বাপেক্স ছাড়াও আমরা উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে এই খননের কাজ করব। ইতোমধ্যে ভোলায় পাঁচটি কূপের টেন্ডার দিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধানের দরপত্র আহ্বানের উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘সাতজন ভিড়ার দরপত্র কিনেছিলেন। আমরা তাদের বলেছি, দরপত্র তো কিনলেন, কিন্তু জমা কেন দিলেন না। তাদের ফিডব্যাক আমরা পেয়েছি। একটি কমিটি সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। ডকুমেন্টটা মোডিফিকেশন করা হচ্ছে, টেন্ডারটা আবার আহ্বান করা হবে।’
'আমরা যে নতুন মূল্যে গ্যাস আনি সেই তুলনায় গ্যাসের দাম অনেক কম। তবুও আমরা আপাতত গ্যাসের দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছি না। বিদ্যুতের কোনো মূল্য বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছি না।’
বিদ্যুৎ থেকে গ্যাস নিয়ে শিল্পে দিলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়ে লোডশেডিং বাড়বে কিনা- জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘বিদ্যুৎ থেকে গ্যাস কাট করলে সেই ঘাটতিটা পূরণে তখন আমরা তরল জ্বালানি নির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালাব। এখন আমরা সেগুলো চালাচ্ছি, তবে সেই পরিমাণে চালাচ্ছি না। তখন হয়তো আমরা একটু বেশি পরিমাণে চালাব। আমরা রমজানের সময় বিদ্যুৎকে অগ্রাধিকার দিয়েছি। সেচকে অগ্রাধিকার দিয়েছি। এখন যে বাম্পার ফলনের কথা বলছেন নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এর অন্যতম কারণ। এখন আমরা সেই অগ্রাধিকারটা শিল্পকে দেব।’
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বিভিন্ন শিল্প গ্রুপের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৩৬৩ দিন আগে
ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে এসপিদের সতর্ক থাকার নির্দেশ আইজিপির
ভারত-পাকিস্তান সংঘাতকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের নিরাপত্তা যেন বিঘ্নিত না হয়, সেজন্য সীমান্তবর্তী জেলার পুলিশ সুপারদেরকে (এসপি) সতর্কবার্তা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
বুধবার (৭ মে) বিকালে রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ শ্যুটিং স্পোর্টস ফেডারেশনে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
আইজিপি বলেন, ‘ভারতের সাথে আমাদের সীমান্তবর্তী জেলা ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি। ভারত-পাকিস্তান সংঘাতকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের নিরাপত্তা যেন বিঘ্নিত না হয় সেজন্য সীমান্তবর্তী জেলার পুলিশ সুপারদেরকে আগেই সতর্কবার্তা দেয়া হয়েছে। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করবো যেন এর পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়।’
আরও পড়ুন: আইনশৃঙ্খলার অবনতির জন্য একটি স্বার্থান্বেষী মহল জড়িত: আইজিপি
বাংলাদেশ পুলিশ বার্ষিক শ্যুটিং প্রতিযোগিতা এবং আইজিপি কাপ-২০২৪ প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পুলিশপ্রধান। এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) আর রানার্স আপ হয়েছে স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি)।
বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা ৫-৭ মে পর্যন্ত এ প্রতিযোগিতায় ছয়টি ইভেন্টে অংশ নেয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত আইজিপি ও বাংলাদেশ পুলিশ শুটিং ক্লাবের সভাপতি মোস্তফা কামাল।
৩৬৩ দিন আগে