বাংলাদেশ
মহেশপুর সীমান্তে নারী-শিশুসহ আটক ১৯
ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় নারী ও শিশুসহ ১৯ জনকে আটক করেছে বিজিবি।
সোমবার (৫ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার খোশালপুর ও সামন্তা এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
সোমবার সন্ধ্যায় খালিশপুর ৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে অন্যের পরীক্ষা দিতে গিয়ে আটক ২
বিজিবি জানায়, মহেশপুরের কয়েকটি সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার চেষ্টাকালে খোশালপুর সীমান্তের মাইলবাড়িয়া গ্রাম থেকে নারী ও শিশুসহ ৮ জন, সামন্তা সীমান্তের রুলি গ্রামের মোমিনতলা মোড় এলাকা থেকে ৮ জন ও আনন্দ বাজার গ্রাম থেকে ৩ বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। পরে বিজিবির পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করে আসামিদের মহেশপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বাড়ি রাজবাড়ী, সাতক্ষীরা, নড়াইল, বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন গ্রামে।
৩৬৪ দিন আগে
মেহেরপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ শিক্ষার্থী নিহত
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় মাদরাসা ছাত্র মুনতাছির জামান (১২) ও কলেজ ছাত্র তারিক হোসেন (২৬) নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনা দুটিতে আহত হয়েছেন আরও ২ জন।
মঙ্গলবার (৬ মে) দুপুরের দিকে গাংনী উপজেলার তেরাইল ও কামারখালি নামক স্থানে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মুনতাছির জামান গাংনী উপজেলার সিন্দুরকৌটা গ্রামের ইসমাইল হোসেনে ছেলে ও ছাতিয়ান বাওট হাফিজিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী। এছাড়া নিহত তারিক হোসেন একই উপজেলার কাজিপুর গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে ও কাজিপুর কলেজের শিক্ষার্থী।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি জানান, গাংনী উপজেলার কামারখালি গ্রামের ব্রিজের কাছে ইটবোঝিই লাটাহাম্বার ধাক্কায় নিহত হয়েছেন মাদরাসা ছাত্র মুনতাছির জামান। এ সময় তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান তিনি।
অপরদিকে বেলা আড়াইটার দিকে মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কের গাংনী উপজেলার তেরাইল নামক স্থানে ভয়াবহ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তারিক হোসেন, সোহাগ হোসেন ও আমজাদ হোসেন নামের তিনজন আহত হন।
আরো পড়ুন: লামায় সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুর মৃত্যু
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে ওসি বানী ইসরাইল জানান, তেরাইল ব্রিজের নিকট বিপরীত দিক থেকে আসা দুটি মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে এই তিনজন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন স্থানীয়রা। পরে তাদের মধ্যে তারিক ও সোহাগের অবস্থার অবনতি হওয়ায় কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
৩৬৪ দিন আগে
দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আরও ৬০, মৃত্যু নেই
এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সোমবার (৫ মে) সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। এ সময়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬০ জন।
মঙ্গলবার (৬ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিজ্ঞপ্তি থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ভর্তি হয়েছে ৬০ জন। নতুন আক্রান্তের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৪ জন। আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ৪৬ জন।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৫৩ জন হাসপাতালে
বিজ্ঞপ্তি থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, চলতি বছর আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে ৬০ শতাংশ পুরুষ এবং ৪০ শতাংশ নারী।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৬ মে পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট ২ হাজার ৮১৬ জন। এর মধ্যে ৬০ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৯ দশমিক ১ শতাংশ নারী।
৩৬৪ দিন আগে
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চিন্ময় দাসের জামিন স্থগিত
জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন শুনে মঙ্গলবার(৬ মে) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এই আদেশ দেন।
আদালতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম কে রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ।
এর আগে গত ৩০ এপ্রিল রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে জামিন দেন হাইকোর্ট। পরে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সেদিন সন্ধ্যায় আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত ওই জামিন আদেশ স্থগিত করেন। কিছুক্ষণ পরে ওই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে ফের রবিবার রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ওপর শুনানির জন্য ধার্য করেন। আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এই আদেশ দেন। সে অনুযায়ী আজ রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি হয়।
জানা যায়, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় জামিন চেয়ে চিন্ময় দাসের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট গত ৪ ফেব্রুয়ারি রুল দিয়েছিলেন। আবেদনকারীকে (চিন্ময়) কেন জামিন দেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়।
গত ২৩ এপ্রিল হাইকোর্ট রুল শুনানির জন্য ৩০ এপ্রিল তারিখ নির্ধারণ করেন। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল শুনানি নিয়ে রুল ‘অ্যাবসলিউট’ ঘোষণা করে সিদ্ধান্ত দেন হাইকোর্ট।
আদালতে চিন্ময় দাসের পক্ষে আইনজীবী জেড আই খান পান্না, প্রবীর হালদার ও অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য শুনানিতে ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফরিদ উদ্দিন খান উপস্থিত ছিলেন।
জামিনের পরে আইনজীবী প্রবীর হালদার বলেন, হাইকোর্ট চিন্ময় দাসকে জামিন দিয়েছেন। জামিন হওয়ায় তার মুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই। তবে হাইকোর্টের রায়ের পর পরই রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন জানায়। পরে সন্ধ্যায় চেম্বার বিচারপতির আদালতে শুনানি হয়।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চট্টগ্রামে চিন্ময়ের জামিন আবেদন নামঞ্জুর
এই মামলায় চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ গত ২ জানুয়ারি চিন্ময়ের জামিন আবেদন খারিজ করে আদেশ দিয়েছিলেন। এ নিয়ে হাইকোর্টে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন চেয়ে গত ১২ জানুয়ারি আবেদনটি করেছিলেন চিন্ময় দাস। এ আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ৪ ফেব্রুয়ারি রুল দেন হাইকোর্ট। রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ সিদ্ধান্ত দেন আদালত। মামলায় গ্রেপ্তার চিন্ময় দাসের জামিন নামঞ্জুর হওয়া নিয়ে গত বছরের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে সংঘর্ষ হয়েছিল। এ সময় আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর চিন্ময় দাসকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন জামিন শুনানির দিন ধার্য থাকলেও আইনজীবী হত্যার প্রতিবাদে কর্মবিরতির ডাক দিলে আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকে। পরে আদালত গত ৩ ডিসেম্বর শুনানির দিন রাখেন। সেদিন চিন্ময়ের কোনো আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় আদালত শুনানির জন্য ২ জানুয়ারি পরবর্তী দিন রাখেন। সেদিন তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়।
গত বছরের ৩১ অক্টোবর নগরের চান্দগাঁও মোহরা ওয়ার্ড বিএনপির তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ খান বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে ওই মামলা করেন। পরে ফিরোজ খানকে বিএনপি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এ মামলায় চিন্ময়সহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
৩৬৪ দিন আগে
গণতন্ত্রের প্রশ্নে খালেদা জিয়া কখনও আপস করেননি: কাদের গনি
বেগম খালেদা জিয়া এখন আর কেবল বিএনপির সম্পদ নয়, তিনি এখন সারা বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা ও আবেগের কেন্দ্রবিন্দু বরে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব কাদের গনি চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘দেশের মানুষ খালেদা জিয়ার ওপর আস্থা ও ভরসা রাখেন। শত নির্যাতন সহ্য করেছেন, কিন্তু দেশের জনগণকে ছেড়ে যাননি।’
মঙ্গলবার (৬ মে) পেশাজীবী ব্যানার ও জাতীয় পতাকা হাতে বনানীতে অবস্থান নেন নেতা-কর্মীরা। সেখানে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য এসব বলেন পেশাজীবীদের নেতা কাদের গনি চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি নির্যাতন, নিপীড়নের শিকার হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। গণতন্ত্র, দেশ ও দেশের জনগণের জন্য আপসহীন ভূমিকার কারণে করতে হয়েছে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার। এক ছেলেকে হারিয়েছেন, আরেক ছেলে নির্বাসিত, নিজে করেছেন কারাবরণ। কিন্তু তারপরও মাথা নত করেননি অপশক্তির কাছে।’
‘মানুষের জন্য যিনি এতো অত্যাচার-জুলম সহ্য করেছেন সেই নেত্রীকেও সম্মান জানাতে ভুলেনি দেশের মানুষ। তিন তিনবার নির্বাচিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। জনগন যখনই ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন, তাদের ভরসাস্থল খালেদা জিয়াকে তারা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন।’
পেশাজীবীদের এ নেতা বলেন, ‘এশিয়া মহাদেশের নারীনেত্রীদের মধ্যে গণতন্ত্রের জন্য যে কয়েকজন সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছেন, নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাদের অন্যতম খালেদা জিয়া। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাদের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দীর্ঘ ৯ মাস তিনি দুই শিশুপুত্রসহ পাকিস্তানি সেনানিবাসে বন্দি ছিলেন। এ মহীয়সী নেত্রী দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে কখনও আপস করেননি।’
এই নেতা বলেন, ‘২০০৯ সাল থেকে, যখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার বাংলাদেশকে একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রে পরিণত করে, তখন তিনি গণতন্ত্রের জন্য তার লড়াই নতুন করে শুরু করেছিলেন। সরকার তাকে জোরপূর্বক তার বাড়ি থেকে বের করে দেওয় ও গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন শুরু করায় তাকে দুইবার গৃহবন্দী করা হয়। গণতন্ত্রের প্রতি তার ভূমিকার জন্য, তাকে ২০১১ সালে নিউ জার্সির স্টেট সিনেট ‘গণতন্ত্রের জন্য যোদ্ধা’ উপাধিতে সম্মানিত করে।’
সার্বক্ষণিক অসুস্থ খালেদা জিয়ার পাশে থাকায় সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহবায়ক প্রফেসর ডা: এজেডএম জাহিদ হোসেনের প্রতি পেশাজীবীরা কৃতজ্ঞতা জানান।
এ সময় অন্যদের মধ্য উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নায়ক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জল, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ড্যাব- সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ ও সাবেক মহাসচিব ডা. মো. আব্দুস সালাম, ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ইউট্যাব সভাপতি অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম ও মহাসচিব অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান ও যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ-এ্যাব এর সাবেক মহাসচিব আলমগীর হাছিন আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার আসাদুজ্জামান চুন্নু, ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল আলম, অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এ্যাব সাবেক সভাপতি কৃষিবিদ রাশিদুল হাসান হারুন,জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন সমন্বয়কারী অধ্যাপক ডা. শফিকুল হায়দার পারভেজ, জিয়া পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুস ও মহাসচিব অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের মহাসচিব মো. রফিকুল ইসলাম, এমবিএ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ম্যাব সভাপতি সৈয়দ আলমগীর, ডিপোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিইএব) নেতা মুসলেম উদ্দিন,মোহাম্মদ হানিফ, ইঞ্জিনার্সেস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ন্যাব) সভাপতি জাহানারা বেগম ও সাধারণ সম্পাদক সুজন মিয়া, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এম-ট্যাব) সভাপতি এ কে এম মুসা (লিটন) ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হাফিজুর রহমান, ইউনানী আয়ুর্বেদিক গ্র্যাজুয়েট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আগড্যাব) সভাপতি ডা. মির্জা লুৎফর রহমান লিটন ও মহাসচিব ডা. আমিনুল বারী কানন, ডিপ্লোমা এগ্রিকালচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডি-এ্যাব) সভাপতি মো. জিয়াউল হায়দার পলাশ ও মহাসচিব সৈয়দ জাহিদ হোসেন, ফিজিওথেরাপিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (প্যাব) সভাপতি মো. কামরুজ্জামান কল্লোল ও সাধারণ সম্পাদক মো. তানভীরুল আলম, প্রফেসর ডা. রফিকুল ইসলাম লাবু, প্রফেসর ডা.নজরুল ইসলাম, প্রফেসর ডা. শেখ ফরহাদ প্রমুখ।
৩৬৪ দিন আগে
নরসিংদীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ২
নরসিংদীর রায়পুরায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সাইফুল ইসলাম (১৭) ও রাহাত (২২) নামে ২ জন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৬ মে) সকালে উপজেলার নজরপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম চান্দেরকান্দি ইউনিয়নের নজরপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যাওয়া রাহাত একই এলাকার রবিউল্লাহর ছেলে বলে জানা গেছে।
ঘটনার বিষয়ে রায়পুরা থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নজরপুর গ্রামে আলোচিত ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সুমন হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই রুবেল অনুসারী ও বাছেদ মেম্বরের অনুসারীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এর ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকালে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ককটেল বিস্ফোরণ করে আতঙ্ক তৈরি করে।
এক পর্যায়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এতে ঘটনাস্থলেই রুবেলের পক্ষের সাইফুল ইসলামকে গুলি ও পরবর্তীতে হাত-পায়ের রগ কেটে হত্যা করা হয়। এসময় গুলিবিদ্ধ ও ছুরিকাঘাতে আহত রাহাত (২২) নামে আরেক যুবককে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন চন্দ্র সরকার জানান, পূর্ব বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে ১ জন নিহত হয়েছেন। পরে লোকমুখে জানতে পেরেছি ঢাকা মেডিকেল কলেজে নেওয়ার পর আরেকজনের মৃত্যু হয়। তবে এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি। লাশ ফেরত এলে নিশ্চিত হতে পারব। গুলিবিদ্ধের বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারিনি।
তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের পরে বিস্তারিত বলা যাবে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
৩৬৪ দিন আগে
গাজীপুরে অন্যের পরীক্ষা দিতে গিয়ে আটক ২
গাজীপুরের শ্রীপুরে চলমান এসএসসি পরীক্ষায় অন্যের হয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়ে কেন্দ্রে আটক হয়েছেন দুইজন। মঙ্গলবার (৬ মে) শ্রীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন—শ্রীপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লোহাগাছ গ্রামের শামছুল আলমের ছেলে জুনায়েদ আহাম্মেদ সাগর এবং কেওয়া পূর্বখণ্ড গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে মামুন। তারা শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজার আদর্শ কারিগরি স্কুলের শিক্ষার্থী খায়রুল ইসলাম ও রানা মোল্লার পক্ষে পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন।
তারা পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে প্রত্যেকে অন্যের পরীক্ষা দিতে গিয়েছেন বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার এসএসসি পরীক্ষার অষ্টম দিনে ‘বিল্ডিং মেইনটেন্যান্স’ বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে এসে তারা ধরা পড়েন।
আরও পড়ুন: ডিবির হারুনের ঘনিষ্ঠ জাহাঙ্গীরসহ তিনজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
শ্রীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় পরীক্ষার্থীদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়। পরে আইডি কার্ড যাচাই করে দেখা যায়, তাদের সঙ্গে থাকা ছবির সঙ্গে আসল শিক্ষার্থীদের মিল নেই। জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রক্সি (বদলি) পরীক্ষা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন।
এ বিষয়ে শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন মণ্ডল জানান, আটক দুজনকে থানায় নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
৩৬৪ দিন আগে
ডিবির হারুনের ঘনিষ্ঠ জাহাঙ্গীরসহ তিনজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন অর রশিদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জাহাঙ্গীর আলম ও রাজশাহীর সাবেক দুই উপজেলা চেয়ারম্যানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৬ মে) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত অন্য দুইজন হলেন—রাজশাহীর তানোর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. লুৎফর হায়দার রশিদ ও গোদাগাড়ী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম।
সাবেক ডিবিপ্রধান হারুনের ঘনিষ্ঠ জাহাঙ্গীরের দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞার আবেদনে বলা হয়, হারুন ও তার পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ট ব্যক্তিরা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। অনুসন্ধানকালে জানা যায়, হারুনের ঘনিষ্ঠদের মধ্যে অন্যতম জাহাঙ্গীর স্বপরিবারে দেশত্যাগের চেষ্টা করছেন। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান-বিজ্ঞানী মঞ্জু ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা
রাজশাহী সাবেক দুই উপজেলা চেয়ারম্যানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আবেদনে বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যাবসা, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিসহ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মামলা চলমান রয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, তারা দেশত্যাগের চেষ্টা করছেন। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।
৩৬৪ দিন আগে
ইতালিতে বৈধ অভিবাসন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ চলছে: ড. আসিফ নজরুল
ইতালিসহ ইউরোপীয় দেশগুলোতে বৈধ অভিবাসন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ চলছে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে পর্তুগাল ও অস্ট্রিয়াসহ ইউরোপের ৬টি দেশের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সইসহ যুগান্তকারী বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।’
মঙ্গলবার (৬ মে) ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে উপদেষ্টা বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে মাইগ্রেশন ও মোবিলিটি বিষয়ক সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এবং ইতালির পক্ষে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাত্তেও পিয়ান্তেদোসি সমঝোতা স্মারকে সই করেন। অবৈধ অভিবাসন বন্ধ করা ও বৈধ অভিবাসন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইতালির সঙ্গে প্রথমবারের মতো মাইগ্রেশন অ্যান্ড মবিলিটি বিষয়ক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করল বাংলাদেশ।
অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘বৈধ পথে মাইগ্রেশন বৃদ্ধি করতেই আমাদের এই উদ্যোগ। যারা ইতালি যেতে ইচ্ছুক তারা যেন নিরাপদে যেতে পারেন, ভালো পারিশ্রমিক পান সেটাই লক্ষ্য আমাদের’। তিনি বলেন, ‘ইতালি সিজনাল ও নন সিজনাল দুইভাবে লোক নিবে। আমাদের পরিকল্পনা আমরা জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ করব। তারা বছরে একবার করে মিটিং করবে। আমাদের টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার আছে, যেখানে ইতালি যেন আমাদের কর্মীদের ইতালি ভাষা শিখতে পারে, আমরা এই বিষয়ে কাজ করছি।’
তিনি বলেন, আমাদের এম্বাসির ফাইল গুলো যেন দ্রুত কার্যকর হয়। এছাড়া ইতালিতে যারা বাংলাদেশি ছাত্র আছে, তাদের ভিসা প্রক্রিয়া যেন সহজ হয়। অভিবাসনের দিক দিয়ে আমাদের যেন ইতালির সরকারের ঝুকিপূর্ণ তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়, সেই বিষয়টিও আলোকপাত করা হয়েছে।
ইতালিতে কোন কোন সেক্টরে কি পরিমাণ লোক পাঠানো হবে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘সমঝোতা স্মারকে এত ডিটেইলস থাকে না। বর্তমানে আমাদের যে কোটা আছে, সেটা বাড়ানো হবে। কোটা বৃদ্ধির বিষয়ে ইতালি চিন্তাভাবনা করবে। আমরা আশা করছি, অবৈধ পথে যাওয়া অনেকটা বন্ধ হয়ে যাবে।’
এসময় ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাত্তেও পিয়ান্তেদোসি বলেন, ‘বাংলাদেশ-ইতালি সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। আমরা সবসময় শ্রমিকদের বৈধ পথে আসার জন্য অনুপ্রাণিত করি। ইতালি সরকার দীর্ঘদিন থেকে এটা নিয়ে কাজ করে আসছে। এই সমঝোতা স্মারকের উদ্দেশ্যে দুইটা দেশের বন্ধুত্ব আরও বাড়বে।’
এছাড়াও ড. আসিফ নজরুল সম্প্রতি সৌদি সফরের বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান, সৌদি আরবে অবৈধভাবে বসবাসকারী নারী কর্মীদের বৈধ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। সৌদি আরব বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি সংখ্যক দক্ষ ও অদক্ষ কর্মী প্রেরণের বিষয়েও সৌদি সরকারের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
তিনি জানান, ‘জর্ডানে পুরুষ কর্মী সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়েও জর্ডান সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া জর্ডানে কর্মরত যে সকল নারী কর্মী নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মস্থল পরিবর্তনসহ নানা কারণে অবৈধ হয়েছেন, তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে স্বীকারোক্তির মাধ্যমে বৈধ হতে পারবেন। এর ফলে তারা জরিমানা ছাড়াই বৈধতা পাবেন।’ অন্যথায় তাদের বড় অঙ্কের জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
৩৬৪ দিন আগে
বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধানের জমিসহ ফ্ল্যাট জব্দ, অবরুদ্ধ ব্যাংক হিসাব
বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান শেখ আব্দুল হান্নানের জমিসহ তিনটি ফ্ল্যাট জব্দ ও ছয়টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৬ মে) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
দুদকের পক্ষে উপপরিচালক তানজির হাসিব সরকার জব্দ ও অবরুদ্ধের আবেদন করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম।
জব্দ সম্পদের তালিকায় রয়েছে, খিলক্ষেতে ৬ তলা ভবনের ৬ষ্ঠ তলার ৬৯৯ বর্গফুট ও ৮২৩ বর্গফুটের দুইটি ফ্ল্যাট, মিরপুরের ডিওএইচ এলাকায় ২২৫০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট, মিরপুরের সামরিক অফিসার আবাসিক প্রকল্পের নির্মাণাধীন ৭ তলা ভবন ও নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে থাকা ৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ জমি।
আরও পড়ুন: বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান-বিজ্ঞানী মঞ্জু ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা
দুদকের আবেদনে বলা হয়, বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান ও এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাত করে বিদেশে পাচারসহ নিজ নামে ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগটি অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানকালে দেখা যায়, শেখ আব্দুল হান্নান এসব সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর বা স্থানান্তরের চেষ্টা করছেন। স্থানান্তর হয়ে গেলে পরবর্তীতে সম্পদ পাওয়া দুরূহ হবে। তাই জরুরিভিত্তিতে এসব সম্পদ জব্দ ও অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, গতকাল (৫ মে) পরিবারসহ তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত।
৩৬৪ দিন আগে