বাংলাদেশ
হাজারো শহীদের আত্মত্যাগ রাষ্ট্র সংস্কারের সুযোগ এনেছে: প্রধান উপদেষ্টা
জুলাইয়ে শহীদদের ত্যাগ জাতিকে একটি ন্যায় ও সাম্যভিত্তিক, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি বলেন, ‘জুলাই আমাদের নতুন করে আশার আলো- একটি ন্যায় ও সাম্যভিত্তিক, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছে। হাজারো শহীদের আত্মত্যাগ আমাদের রাষ্ট্র সংস্কারের যে সুযোগ এনে দিয়েছে তা যেকোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে।’
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘পতিত স্বৈরাচার ও তার স্বার্থলোভী গোষ্ঠী এখনও দেশকে ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলা করতে হবে। আসুন সবাই মিলে আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে আর কোনো স্বৈরাচারের ঠাঁই হবে না।’
সোমবার (৪ আগস্ট) জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
পড়ুন: ফ্যাসিবাদের মূলোৎপাটন করে জুলাইয়ের চেতনার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে: রাষ্ট্রপতি
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় দিন আজ। এক বছর আগে এই দিনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পূর্ণতা পায়, দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্ত হয় প্রিয় স্বদেশ। বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ, যাদের যূথবদ্ধ আন্দোলনের ফসল আমাদের এই ঐতিহাসিক অর্জন, তাদের সবাইকে আমি এই দিনে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
তিনি বলেন, আজ আমি স্মরণ করছি সেই সব সাহসী তরুণ, শ্রমিক, দিনমজুর ও পেশাজীবীদের, যারা ফ্যাসিবাদী শক্তিকে মোকাবিলা করতে গিয়ে শাহাদত বরণ করেছেন। গণ-অভ্যুত্থানে শাহাদত বরণকারী সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে আহত সকল জুলাই যোদ্ধা, চিরতরে পঙ্গু হওয়া ও দৃষ্টিশক্তি হারানো সকল জুলাই যোদ্ধাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন অধ্যাপক ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, টানা ১৬ বছরের স্বৈরাচারী অপশাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত বিস্ফোরণ ছিল জুলাই গণ-অভ্যুত্থান। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল— একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতি ও স্বৈরাচারমুক্ত নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করে রাষ্ট্রকে জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরে এ সকল লক্ষ্য বাস্তবায়নে রাষ্ট্রযন্ত্রের সকল খাতে ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, জুলাই গণহত্যার বিচারের কার্যক্রম দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। জুলাই শহীদদের স্মৃতি রক্ষা ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ড. ইউনূস বলেন, আমাদের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে রাজনৈতিক ও নির্বাচন ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় সকল সংস্কারে রাজনৈতিক দল ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা চলমান।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, একটি টেকসই রাজনৈতিক সমাধানের পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের কাছে রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে অন্তর্বর্তী সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।
৪৫০ দিন আগে
ফ্যাসিবাদের মূলোৎপাটন করে জুলাইয়ের চেতনার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে: রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, একটি সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ফ্যাসিবাদের মূলোৎপাটন করে জুলাইয়ের চেতনার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল— দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, দুঃশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, গুম, খুন, অপহরণ, ভোটাধিকার হরণসহ সব ধরনের অত্যাচার, নিপীড়নের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্ম ও আপামর জনতার ক্ষোভের বিস্ফোরণ। এই বৈষম্যমূলক ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপ করে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জনগণের ক্ষমতায়ন এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সুনিশ্চিত করাই ছিল জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য।’
সোমবার (৪ আগস্ট) জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘আজ ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস। বৈষম্যমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও ফ্যাসিবাদী অপশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-শ্রমিক-জনতা সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলে ২০২৪ সালের আজকের এই দিনে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
ঐতিহাসিক এই অর্জনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দেশের মুক্তিকামী ছাত্র-জনতাকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তিনি।
তিনি বলেন, আমি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সকল শহীদকে— যারা দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করতে গিয়ে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। আমি তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। এ গণ-অভ্যুত্থানে আহত, পঙ্গুত্ব বরণ করা ও দৃষ্টিশক্তি হারানো সকল বীর জুলাই যোদ্ধার ত্যাগ ও অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন তিনি।
পড়ুন: চট্টগ্রামে গেস্ট হাউসে সাবেক সেনাপ্রধান হারুন অর রশিদের মৃত্যু, লাশ উদ্ধার
রাষ্ট্রপতি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার ও আহতদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের পবিত্র দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্র অঙ্গীকারবদ্ধ।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র একটি ব্যাপক সংস্কার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। এই সংস্কারের মধ্য দিয়ে গণ-অভ্যুত্থানের আশা-আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হবে। প্রকৃত গণতান্ত্রিক উত্তরণের মধ্য দিয়ে একটি ন্যায় ও সাম্যভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে বলেও আশা করেন রাষ্ট্রপতি।
‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে নেওয়া সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন তিনি।
৪৫০ দিন আগে
চট্টগ্রামে গেস্ট হাউসে সাবেক সেনাপ্রধান হারুন অর রশিদের মৃত্যু, লাশ উদ্ধার
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক সেনা প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) এম হারুন অর রশিদের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৪ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রাম ক্লাবের গেস্ট হাউসের একটি রুমের দরজা ভেঙ্গে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে পুলিশ ও সংশ্লিষ্টদের ধারণা হার্ট অ্যাটাক হারুন অর রশিদের মৃত্যু হয়েছে (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)।
সাবেক সেনাপ্রধানের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, একটি মামলা সংক্রান্ত কাজে হারুন-অর-রশিদ রবিবার (২ আগস্ট) চট্টগ্রামে যান। তিনি চট্টগ্রাম ক্লাবের গেস্টহাউজে রাতযাপন করছিলেন। তিনি সকালে রুম থেকে বের না হওয়ায় এবং অনেকক্ষণ সাড়া না পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে সিএমপির কোতোয়ালি থানা পুলিশ দরজা ভেঙ্গে বিছানায় তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
পড়ুন: ৫ আগস্ট নিয়ে সরকার সতর্ক, শঙ্কার কারণ নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
পরে গেস্ট হাউজের কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করেছে।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মোহাম্মদ মাহফুজ জানান, চট্টগ্রাম ক্লাব থেকে ফোন পেয়ে পুলিশ গিয়ে সাবেক সেনাপ্রধান হারুন অর রশিদের লাশ উদ্ধার করে সম্মিলিত সাময়িক হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।
১৯৪৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি জন্ম গ্রহণ করেন হারুন অর রশিদ। তিনি ২০০০ সালের ২৪ ডিসেম্বর থেকে ২০০২ সালের ১৬ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করে। অবসর গ্রহণের পর তিনি রাষ্ট্রদূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭৭ বছর। তার স্ত্রী ও এক ছেলে এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় ও গুনগ্রাহী রয়েছেন।
৪৫০ দিন আগে
২৩ আগস্ট ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী
পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার আগামী ২৩ আগস্ট ঢাকায় আসার কথা রয়েছে। তিনি এ সময় বাংলাদেশের সঙ্গে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
২৪ আগস্ট তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন এবং অন্যান্য কার্যক্রমেও অংশ নেবেন। সোমবার (৪ আগস্ট) এ তথ্য বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা নিজেই নিশ্চিত করেছেন।
তিনি আরও জানান, পরবর্তীতে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
এর আগে, এ বছরের এপ্রিল মাসে পাকিস্তানের এই সফর স্থগিত হয়। পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে প্রাণহানির এক ভয়াবহ ঘটনার পর উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় সফরটি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
সেদিন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, ‘অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির কারণে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ২০২৫ সালের ২৭-২৮ এপ্রিল বাংলাদেশের সফর করতে পারছেন না।’
পরবর্তীতে দুই পক্ষ পরস্পরের পরামর্শে নতুন তারিখ চূড়ান্ত করে।
২০২৫ সালের ১৭ এপ্রিল পাকিস্তানের কাছে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর করা বর্বরতার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা এবং বকেয়া আর্থিক দাবিসহ ঐতিহাসিক অনিষ্পন্ন বিষয়গুলো উত্থাপন করে বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন: মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠকে বসছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সেসময়ের পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের সম্পর্কের দৃঢ় ভিত্তি গড়ার জন্য এসব বিষয় সমাধান হওয়া প্রয়োজন।’
বাংলাদেশ মনে করছে, ওই বিষয়গুলো আলোচনায় থাকার জন্য পাকিস্তান ইচ্ছা প্রকাশ করেছে, যদিও ঢাকা-ইসলামাবাদ মধ্যকার কথাবার্তা ১৫ বছর পর শুরু হয়েছে।
গত জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান ফিলিস্তিনে চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসন ও মানবিক সংকটের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামের প্রতি তাদের অটুট সংহতি পুনর্ব্যক্ত করে।
৪৫০ দিন আগে
সাত কলেজ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়: ৪০ শতাংশ অনলাইনে, ৬০ শতাংশ ক্লাস হবে সশরীরে
ঢাকা মহানগরীর সরকারি সাত কলেজের জন্য প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪০ শতাংশ ক্লাস হবে অনলাইনে, আর বাকি ৬০ শতাংশ ক্লাস সশরীরে অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে ঢাকা মহানগরীর সরকারি ৭ কলেজের জন্য প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন সংক্রান্ত কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের রুটিন দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত সচিব মজিবর রহমান এ তথ্য জানান।
নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশিষ্ট্য ও পরিচালনাপদ্ধতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা হবে ইন্টারডিসিপ্লিনারি ও হাইব্রিড ধরনের, যেখানে ৪০ শতাংশ অনলাইন, ৬০ শতাংশ অফলাইন (সশরীরে) ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। সব ধরনের পরীক্ষা সশরীরে অনুষ্ঠিত হবে।’
তিনি বলেন, ‘ইন্টারডিসিপ্লিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সব শিক্ষার্থী প্রথম চারটি সেমিস্টারে নন-মেজর কোর্স অধ্যয়ন করবে। পরবর্তী চার সেমিস্টারে ডিসিপ্লিন অনুযায়ী মেজর কোর্স অধ্যয়ন করবে। তবে পঞ্চম সেমিস্টারে শর্তপূরণ সাপেক্ষে শিক্ষার্থী ইচ্ছানুযায়ী ডিসিপ্লিন পরিবর্তন করতে পারবে। তবে ক্যাম্পাস পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে না।’
কার্যক্রম হবে চারটি স্কুল ভিত্তিক
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনকার মতো একেকটি কলেজে সব বিষয় পড়াশোনা হবে না। এক বা একাধিক কলেজে স্কুলভিত্তিক ক্লাস হবে। সাতটি কলেজকে চারটি স্কুলে বিভক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এর মধ্যে স্কুল অব সায়েন্সের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ ও বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ ক্যাম্পাস। স্কুল অব আর্টস অ্যান্ড হিউম্যানিটিসের জন্য সরকারি তিতুমীর কলেজ, স্কুল অব বিজনেসের জন্য সরকারি তিতুমীর কলেজ, স্কুল অব ল অ্যান্ড জাস্টিসের জন্য কবি নজরুল সরকারি কলেজ ও সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ক্যাম্পাস নির্ধারণ করা হয়েছে।
সবার জন্য সুবিধাজনক স্থানে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস নির্ধারণ করা হবে বলে জানানো হয়। কলেজগুলোর বিদ্যমান উচ্চমাধ্যমিক অক্ষুণ্ণ থাকবে। শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারাও কলেজগুলোতে থাকবেন। তবে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মে বিশ্ববিদ্যালয় স্তরের জন্য শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।
এ বছরের মধ্যেই নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অধ্যাদেশ জারি হবে। তবে এবারের ভর্তি কার্যক্রম বিদ্যমান নিয়মেই হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
আরও পড়ুন: অন্তর্বর্তী প্রশাসন গঠনের প্রজ্ঞাপন না হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সাত কলেজের
নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও যা থাকবে
একাডেমিক ও প্রশাসনিক কাঠামো সম্পর্কে মজিবর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম পরিচালিত হবে একাডেমিক কাউন্সিল, সিনেট ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে। বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন প্রক্টর থাকবেন। এছাড়া প্রতিটি কলেজে একজন পুরুষ ও একজন নারী ডেপুটি প্রক্টর থাকবেন। অর্থাৎ ৭ কলেজে সর্বমোট ১৪ জন ডেপুটি প্রক্টর থাকবেন।
সাত কলেজের পাঁচটিতে আগের মতো উচ্চমাধ্যমিক পর্যায় চালু থাকবে বলে ভারপ্রাপ্ত সচিব জানান। স্নাতক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীরা টাইম, স্পেস ও রিসোর্স শেয়ারিং পদ্ধতিতে একই ক্যাম্পাস ব্যবহার করবে। কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে। প্রতি ডিসিপ্লিনে যৌক্তিকভাবে ছাত্রসংখ্যা নির্ধারণ করা হবে।
প্রতিটি শিক্ষার্থীকে প্রথম বর্ষেই ল্যাপটপ ও আনুষঙ্গিক সামগ্রী দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট সেবা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সব প্রশাসনিক কার্যক্রম (ভর্তি, রেজিস্ট্রেশন, আবেদন ইত্যাদি) আইটি বেসড/ডিজিটাল সিস্টেমে সম্পাদিত হবে। এছাড়াও শিক্ষার্থীরা যেকোনো ধরণের অনুসন্ধান আইটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে করতে পারবে বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়োগ দেওয়া হবে। কলেজগুলোর প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়োগকর্তাদের বণ্টন করা হবে।
বাজেট গ্রহণ ও ব্যবস্থাপনা হবে কেন্দ্রীয়ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে। প্রতিটি কলেজে আধুনিক মানসম্পন্ন লাইব্রেরি, ক্যাফেটেরিয়া, মেডিকেল সেন্টার ও পরিবহন ব্যবস্থা থাকবে।
বিভিন্ন পর্যায়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা আগের বিদ্যমান একাডেমিক কাঠামো অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম শেষ করবেন। অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সময়মতো পরীক্ষা নেওয়া, রেজাল্ট দ্রুত প্রকাশ করা ও সেশনজট কমাতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা সচিব।
সাত কলেজের বর্তমান শিক্ষকদের কি হবে?
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক তানজীম উদ্দীন খান বলেন, ‘কলেজের যে মৌলিক বৈশিষ্ট্য, সেখানে আমরা কোনো পরিবর্তন আনছি না। কলেজ কলেজের জায়গায়ই থাকবে। কলেজের শিক্ষকরা কলেজেই থাকবেন। বিদ্যমান কাঠামোয় কলেজের শিক্ষকরাই পাঠদান করবেন। যখন বিশ্ববিদ্যালয় পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে, তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামো কলেজের কাঠামোর সঙ্গে একীভূত থাকবে না। তখন নিয়োগ হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের যে যোগ্যতা বলে নিয়োগ দেওয়া হয় সেই অনুযায়ী। কেউ যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতায় আসতে চান, যারা যোগ্য আছেন তারা সাধারণ যে প্রক্রিয়া আছে, সে প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসবেন।’
ঢাকা মহানগরীর ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ এবং সরকারি বাঙলা কলেজ দেশের সব সরকারি ডিগ্রি কলেজের সঙ্গে ১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি পায়।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কলেজগুলোতে একাডেমিক ও প্রশাসনিক নানা জটিল সংকটের সৃষ্টি হলে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বিদ্যমান সংকট নিরসনে ২০১৭ সালে সাতটি কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্তির পর সমস্যা সমাধানের পরিবর্তে সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ায় সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি বাতিল করে একটি নতুন স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে কলেজগুলোকে পরিচালনার দাবি জানায়।
আরও পড়ুন: সাত কলেজ নিয়ে যৌক্তিক সমাধান আসবে: ইউজিসি চেয়ারম্যান
শিক্ষার্থীদের দাবির পরপরই গত বছরের ২৪ অক্টোবর ‘সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবি পর্যালোচনা ও সুপারের সংক্রান্ত কমিটি’ গঠন করা হয়। উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি বাতিল করে সাত কলেজের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সমকক্ষ একটি স্বতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর রূপরেখা প্রস্তাব সম্বলিত প্রতিবেদন প্রণয়ন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠায়।
সংবাদ সম্মেলনে ইউজিসি চেয়ারম্যান এস এম এ ফায়েজ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক তানজীম উদ্দীন খান, সাত কলেজের অন্তর্বর্তী প্রশাসক ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস এবং কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৪৫০ দিন আগে
নির্বাচন পর্যন্ত চলবে বিশেষ অভিযান: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
মব সহিংসতা শূন্যে নামিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে কোনো ছাড়া দেওয়া হবে না।
সোমবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, মব ভায়োলেন্স শূন্যে নামিয়ে আনা হবে। মবের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আর বর্তমান বাহিনী দিয়েই নির্বাচন হবে এবং খুব ভালোভাবে হবে।
বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা সাধারণত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করি এবং এর মধ্যে যেহেতু আইন-শৃঙ্খলা বিষয়টি আছে, যদিও দুইটি ওয়ার্ড, কিন্তু এটি অনেক বড় ব্যাপ্তির। এজন্য এমন কোনো বিষয় নেই যা আলোচনার বাইরে থাকে না। মোটামুটি দেশের সব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো নিয়েও আলোচনা হয়। ভবিষ্যতে কী ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে, সেটাও আলোচনা হয়। আমরা এগুলো নিয়েই আলোচনা করছি।
তিনি বলেন, বিশেষ করে আমরা মাদকের ওপর বেশি জোর দিচ্ছি। যেহেতু মাদক আমাদের দেশে একটা বড় ধরনের সমস্যা। এজন্য আমরা সবসময় বেশি জোর দেই। আপনাদের রিপোর্টও দেখছি। এখন ইয়াবা ধরা পড়ছে অনেক বেশি। ধরা পড়লেও রুই-কাতলা মাছগুলো ধরা পড়ছে না, ওই পুটি আর ট্যাংরা এগুলো ধরা পড়ছে। আমরা চাই রুই-কাতলা মাছগুলো যেন আইনের আওতায় যত দ্রুত আনা যায়।
আরও পড়ুন: ৫ আগস্ট নিয়ে সরকার সতর্ক, শঙ্কার কারণ নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
৫ আগস্ট ঘিরে নিরাপত্তা ঝুঁকি আছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ৫ আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকার চলে যাওয়ার পর, অর্থাৎ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ওই সময় যেভাবে ছিল, আজ ৪ আগস্ট সেটি কি উন্নতি হয়েছে, কি হয়নি—এটা আপনারা আমাদের থেকে ভালো বলতে পারবেন। আমরা যেই সময় দায়িত্ব নেই, সেই সময়ে পুলিশের পরিস্থিতি কেমন ছিল, অন্যান্য বাহিনীর অবস্থা কেমন ছিল এবং দেশের অবস্থা কেমন ছিল, সেগুলো থেকে কি উন্নতি হয়েছে, সেটা আপনারাই জানেন।
তিনি বলেন, এখন আপনারা বলছেন কাঙ্খিত উন্নতি হয়েছে কি হয়নি; সেটা আমরা করতে পারিনি। আর আমি একটা কথা সবসময় বলি, আমাদের দেশ স্বাধীন হয়েছে ৫৪ বছর, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুব ভালো এমন কোনো ধারণা এই ৫৪ বছরে মিডিয়া বা সাধারণ মানুষ কোথাও দেখেনি।
তিনি আরও বলেন, উন্নত দেশের স্ট্যান্ডার্ডে আমরা এখনো যেতে পারিনি। আমরা দোয়া করব, আমরা না পারি, ভবিষ্যতে যারা আসবেন তারা যেন যেতে পারে এবং আমরা স্ট্যান্ডার্ড দিতে পারি। তবে আমাদের লেভেলে থেকেই আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি যতটা সম্ভব উন্নতি করার।
মানুষের মধ্যে একটা আতঙ্ক আছে। সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ৩ আগস্ট সম্পর্কে একটা আতঙ্ক ছিল। ৫ আগস্ট সম্পর্কে কোনো ধরনের আতঙ্কের কোনো কারণ নেই। আল্লাহ দিলে সব কিছু, সব প্রোগ্রাম হবে এবং সব ভালোভাবে সম্পন্ন হবে। এতে আপনাদের সাহায্য ও সহযোগিতা দরকার। আপনারা বিভিন্ন জায়গা কভার করবেন এবং দেখবেন সবকিছু ভালোভাবে হবে।
সতর্কতাও তো আছে, সরকারের পক্ষ থেকে সেই সতর্কতা রয়েছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সরকারের তো সব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হয়। এই সতর্কতার জন্যই আমরা বিভিন্ন মিটিং করি এবং আপনাদেরও বলি যে আপনারাও আমাদের সাহায্য করুন।
এ সময় সাংবাদিকরা জানতে চান ৮ আগস্ট পর্যন্ত একটি বিশেষ অভিযান চলছে কিনা। উত্তরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বিশেষ অভিযান পুরো দেশেই চলছে। এটি নির্বাচনের আগ পর্যন্ত চলতে হবে। যেহেতু অস্বীকার করার উপায় নেই যে আমাদের যে পরিমাণ হাতিয়ারের উৎস চলে গেছে, সব উদ্ধার করতে পারিনি। এগুলো উদ্ধারের জন্য চেষ্টা সবসময় চলছে।
তিনি বলেন, বিভিন্ন অনুষ্ঠান চলার সময় অন্যান্য অপরাধও হয়। যেহেতু বাহিনী সীমিত, একটি কাজে ব্যস্ত থাকলে অন্য জায়গায় যেতে পারে না। বাহিনী একদিকে কনসেন্ট্রেট করলে অন্যদিকে অপরাধ বাড়ে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে, গত শনিবার মোহাম্মদপুরে ছোট ছোট বাচ্চাদের ধরা হয়েছে। তারা আসছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কেন চাপাতি নিয়ে মারতে গিয়েছিল? সে বলল, স্যার, ও যাওয়ার সময় আমাকে পা দিয়ে ল্যাং মারছিল। এখন এই ধরনের ঘটনা আগে ছিল না। একটু ল্যাং মারলে চারজন নিয়ে চাপাতি দিয়ে মারতে যায়। সামনাসামনি পেলে হয়তো কোপ দিতো। এই ধরনের ঘটনায় জনগণের সচেতনতা বাড়াতে হবে। মা-বাবা, আত্মীয়স্বজন ও তাদের বুঝিয়ে বলতে হবে যাতে এসব না হয়।
মব ভায়োলেন্স নিয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, মব ভায়োলেন্স আগের থেকে কমছে। এটি ধীরে ধীরে একেবারে নির্মূল হবে। মবের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, কে অংশ নিবে, কে নিবে না—এটা আমার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশ্ন নয়। আমার লক্ষ্য নির্বাচন সময় দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রাখা। এজন্য আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। এর আগে বলেছি, আমরা ট্রেনিং দিচ্ছি এবং সরকারও ফোর্সের সংখ্যা বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে।
কোন দলকে বেশি পুলিশ সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে, কোন দলকে কম—এমন অভিযোগে তিনি বলেন, আমরা সবাইকে সমান সুরক্ষা দিচ্ছি। যাদের বেশি ঝুঁকিপূর্ণ তারা একটু বেশি সুরক্ষা পায়। যাদের ঝুঁকি কম, তাদের কম সুরক্ষা দেওয়া হয়। যেমন, আপনারা আল্লাহ দিলে কেউ ঝুঁকিপূর্ণ না, তার কোনো সুরক্ষার প্রয়োজন হয় না।
ভ্যালনেবল সিদ্ধান্ত কিভাবে হয়? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এটি বিভিন্ন এজেন্সি নির্ধারণ করে, প্লাস আপনারাও জানান এই এলাকাটি ঝুঁকিপূর্ণ। আপনাদের কাছ থেকেও তথ্য পাওয়া যায়।
৪৫০ দিন আগে
৫ আগস্ট নিয়ে সরকার সতর্ক, শঙ্কার কারণ নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সরকারকে সবসময় সতর্ক থাকতে হয় জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ৫ আগস্ট নিয়ে সরকার সতর্ক অবস্থানে রয়েছে, তবে কোনো ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কা নেই।
রবিবার (৪ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, ‘৫ আগস্ট নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। আল্লাহর রহমতে এবং সকলের সহযোগিতায় সব অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সতর্কতাও নেওয়া হয়েছে। সরকারকে সব সময়ই সতর্ক থাকতে হয়। এজন্য নানা সভা আয়োজন করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা চাওয়া হয়।’
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ অপকর্ম করতে চাইলে ছাড় দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বিশেষ অভিযান বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এই অভিযান দেশব্যাপী চলছে এবং তা নির্বাচনের আগপর্যন্ত চলবে। ইতোমধ্যে অনেক অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। যেগুলো উদ্ধার হয়নি, সেগুলোর ব্যাপারেও সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।’
মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর অপরাধ বেড়ে যাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এক্ষেত্রে পরিবার ও সমাজ— উভয়ের সচেতনতা জরুরি।’ মব সহিংসতা নিয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মব সহিংসতা আগের তুলনায় কমেছে এবং ধীরে ধীরে আরও কমে যাবে। এ ধরনের ঘটনায় কোনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।’
ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৪৫০ দিন আগে
পতনে লেনদেন চলছে ঢাকা-চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে ঢাকা-চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে, দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির।
লেনদেনের প্রথম দুই ঘণ্টায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৭ পয়েন্ট।
বাকি দুই সূচক শরীয়াভিত্তিক ডিএসইএস কমেছে ১ এবং বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লুচিপ সূচক ডিএস-৩০ কমেছে ৪ পয়েন্ট।
১৮৪ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১৪১ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৬৮ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ঢাকার বাজারে ৫৭০ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
আরও পড়ুন: বড় উত্থানে লেনদেন শুরু ঢাকা-চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে
একইভাবে পতন হয়েছে চট্টগ্রামে, সার্বিক সূচক কমেছে ৩০ পয়েন্ট।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেনে অংশ নেয়া ১৭৬ কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ৭৮ কোম্পানির, কমেছে ৮২ এবং অপরিবর্তিত আছে ১৬ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সিএসইতে দিনের প্রথম দুই ঘণ্টায় ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
৪৫০ দিন আগে
যশোরে ইজিবাইক চালক হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
মাগুরার শালিখার হরিশপুর গ্রামের ইজিবাইক চালক আল আমিন হত্যা মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন যশোরের একটি আদালত। একই সঙ্গে অপর এক আসামিকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (৩ আগস্ট) বিকালে যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক জয়ন্তী রাণী দাস এ রায় ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) এসএম আব্দুর রাজ্জাক।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া দুই আসামি হলেন— শালিখা উপজেলার রামপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর খানের ছেলে জুয়েল খান, একই এলাকার সেলিম হোসেনের ছেলে হারুন অর রশিদ এবং যশোর সদর উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের হযরত আলীর ছেলে আলামিন।
দুই বছরের সাজা পাওয়া আসামি রাসেল মোল্যা পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সবুজনগর গ্রামের সুলতান মোল্যার ছেলে। তিনি যশোর শহরের চাঁচড়া রায়পাড়া বিল্লাল মসজিদ এলাকার বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় হারুন অর রশিদ ও রাসেল মোল্যা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, মৃত্যুদণ্ডের সাজা পাওয়া আসামিদের মধ্যে হারুন কারাগারে আটক আছেন। জুয়েল কারাগার থেকে আদালতে হাজিরা দিতে এসে কোর্ট পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে যান। তাছাড়া জামিনে মুক্তি পেয়ে পলাতক রয়েছেন আরেকিআসামি আলামিন। আর দুই বছরের সাজা পাওয়া রাসেল মোল্যাও কারাগারে রয়েছেন।
আরও পড়ুন: নওগাঁয় হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ধর্ষণ মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন
মামলার বিবরণে জানা গেছে, মাগুরার শালিখার হরিশপুর গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে আল আমিন। তিনি ইজিবাইক চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ২০২১ সালের ৯ ডিসেম্বর বিকালে আল আমিন বাড়ি থেকে ইজিবাইক নিয়ে ভাড়ায় চালানের উদ্দ্যেশে বের হন। রাতে বাড়ি না ফেরায় আল আমিনের মোবাইলে কল করা হলে তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
পরদিন দুপুরে এক আত্মীয়ের মাধ্যমে আল আমিনের স্বজনরা জানতে পারেন, তার ইজিবাইক যশোর চাঁচড়া ফাঁড়ি পুলিশ উদ্ধার করেছে। একই সঙ্গে বাঘারপাড়ার বুধোপুর গ্রামের রাস্তার পাশ থেকে আল আমিনের লাশ উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।
এ ঘটনায় ১১ ডিসেম্বর নিহতের পিতা মোস্তাফিজুর রহমান বাঘারপাড়া থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
একই বছরের ২৫ ডিসেম্বর আল আমিনকে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আসামি জুয়েল, হারুন ও আলামিন এবং চোরাই ইজিবাইক ক্রয় করায় রাসেলকে আটক করে র্যাব। পরে ২০২২ সালের ১৫ মে ওই চারজনকে আসামি করে আদালতে আভিযোপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) হরষিত রায়।
সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি জুয়েল, হারুন ও আলামিনের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাদের প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ড ও ৪০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন। এ মামলার অপর আসামি রাসেল মোল্যার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা; অনাদায়ে আরও ৩ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
৪৫০ দিন আগে
ওটিএর প্রতারণার শঙ্কা, গাইডলাইন প্রণয়নে জোর দাবি আটাবের
অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির (ওটিএ) প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং লোভনীয় প্যাকেজ ও অধিক মূল্যছাড়ের ফাঁদে পা না দেওয়ার জন্য ট্রাভেল এজেন্সি ও সাধারণ যাত্রীদের সতর্ক করেছিল অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব)। রবিবার (৩ আগস্ট) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় আটাব।
বিবৃতিতে বলা হয়, ফ্লাইট এক্সপার্ট নামের প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা অংশীদার এবং সিইও সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েম ২ আগস্ট হঠাৎ করে কার্যক্রম বন্ধ করে অফিস তালাবদ্ধ রেখে ও ওয়েবসাইট অকার্যকর করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন বলে জানা গেছে।
২০১৬ সালে ফ্লাইট এক্সপার্ট প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং ২০১৭ সালে অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে। প্রতিষ্ঠানটি সাত-আট বছর ধরে অনলাইনে ট্রাভেল এজেন্সি হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করছিল।
অতিরিক্ত কমিশন ও ছাড়ের অসুস্থ প্রতিযোগিতায় অন্যান্য ওটিএ-র মতো তারাও জড়িয়ে পড়ে। বাজারমূল্যের চেয়ে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা, কখনো এর চেয়েও বেশি ছাড় দিয়ে এয়ার টিকিট বিক্রির মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ ও গেমপ্লে করে আসছিল ওটিএগুলো।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ফ্লাইট এক্সপার্টের ব্যাংক গ্যারান্টির পরিমাণ প্রায় ৫০ কোটি টাকা। এর বাইরেও তারা বড় বড় এজেন্সি থেকে টিকিট কিনে পুনরায় বিক্রি করত, যার আর্থিক পরিমাণ নির্ভুলভাবে জানা যায়নি।
আটাব জানায়, বর্তমান কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর প্রতারণা ও টিকিট সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কাজ করে আসছে এবং সেক্টরে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা আনতে গাইডলাইন প্রণয়নের জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের কাছে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছে।
২০২৩ সালের ২৭ জুলাই এবং ২০২৪ সালের ১০ জুলাই আটাব সচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে, যা ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’ পত্রিকায় ছাপা হয়। সদস্যদের উদ্দেশে সার্কুলারও প্রদান করা হয়। এছাড়া, ১৯ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ওটিএ নিয়ন্ত্রণে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আটাব।
ওটিএ কর্তৃক পোর্টাল আইডি শেয়ার করে অতিরিক্ত ছাড়ে টিকিট বিক্রির ফাঁদে ফেলে বাজার দখল করা হয়। ডিপোজিট ও বিক্রয় বাড়ার পর তারা গ্রাহক ও এজেন্টদের টাকা নিয়ে গা-ঢাকা দেয়।
এর আগেও ‘হালট্রিপ’, ‘২৪টিকিট ডটকম’ এবং ‘লেটস ফ্লাই’ নামের ওটিএগুলো একই কৌশলে অর্থ আত্মসাৎ করে উধাও হয়ে যায়।
আটাব জানায়, পোর্টাল আইডি শেয়ার ও অতিরিক্ত ছাড় বন্ধ না হলে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় দীর্ঘদিন ধরে গাইডলাইন তৈরির কাজ করলেও তা দ্রুত চূড়ান্ত করা জরুরি।
ফ্লাইট এক্সপার্টের প্রতারণার প্রেক্ষাপটে ৩ আগস্ট রোববার বিকাল ৪টায় আটাব প্রধান কার্যালয়ে কার্যনির্বাহী পরিষদের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ফ্লাইট এক্সপার্টকে কারণ দর্শানোর নোটিশ ও সদস্যপদ বাতিলের প্রক্রিয়া গ্রহণ, ইস্যুকৃত টিকিটগুলোর রিফান্ড স্থগিত করতে মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ, ব্যাংকগুলো যেন অতিরিক্ত ছাড়ে টিকিট বিক্রির অফার না দেয় সে বিষয়ে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এছাড়া, ভুক্তভোগী সদস্যদের প্রশাসনিক ও আইনগত সহায়তা দিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আটাব সহযোগিতা করবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন আব্দুস সালাম আরেফ। উপস্থিত ছিলেন আটাব মহাসচিব আফসিয়া জান্নাত সালেহ, অর্থসচিব শফিক উল্লাহ নান্টু, উপমহাসচিব তোহা চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব আতিকুর রহমান, নির্বাহী সদস্য দিদারুল হক, সিনিয়র সদস্য ও সাবেক মহাসচিব জিন্নুর আহমেদ চৌধুরী দীপুসহ অনেকে।
আটাব জানায়, দেশের পর্যটন ও বিমান চলাচল খাতকে রক্ষা করতে এ ধরনের প্রতারণামূলক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত গাইডলাইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি।
৪৫০ দিন আগে