বাংলাদেশ
বৃষ্টি ও উজানের ঢলে পানি বাড়ছে সিলেটের নদ-নদীর
সিলেটে টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নদ-নদীর পানি বেড়েছে। তবে কোনো নদ-নদীর পানি এখনো বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।
এদিকে বৃষ্টি ও ঢল অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে মনে করছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তারা।
সিলেট আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২০ মে) সকাল ৬টা থেকে বুধবার (২১ মে) সকাল ৬টা পর্যন্ত এ অঞ্চলে ১৯৩.৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। আর বুধবার (২১ মে) সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ২৮ মিলিমিটার।
সিলেটের পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে সিলেটের নদ-নদীতে ক্রমাগত পানি বেড়েই চলছে। ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢলই পানি বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ।’
ভারতে বৃষ্টি কমে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে আশা এ কর্মকর্তার। এ ছাড়া, সিলেটে টানা ভারী বর্ষণও পানি বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ বলে জানিয়েছেন তিনি।পাউবোর তথ্যমতে, বুধবার (২১ মে) সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সিলেটের প্রধান দুই নদী সুরমা, কুশিয়ারাসহ অন্যান্য নদ-নদীতে পানি বাড়লেও বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।এদিকে, সিলেটের গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, কানাইঘাট, জৈন্তাপুর উপজেলার নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। বৃদ্ধি পেয়েছে উপজেলার নদ-নদীর পানিও। গোয়াইনঘাট উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র জাফলং জিরো পয়েন্ট এলাকা পানিতে প্লাবিত হয়েছে।
একইভাবে কোম্পানীগঞ্জের পর্যটনকেন্দ্র সাদাপাথরেও পানি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটাই বেড়েছে।
আরও পড়ুন: কবরস্থান থেকে ৫ কঙ্কাল চুরি, এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক
গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী জানান, ‘তার উপজেলার কোনো গ্রাম এখনো প্লাবিত হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘নদ-নদীর পানি বেড়েই চলছে। হাওরেও পানি ঢুকেছে। তাই আগাম বন্যা পরিস্থিতির শঙ্কায় স্থানীয় প্রশাসন সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।’জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পানি বৃদ্ধি পেলেও কোথাও পানিবন্দি অবস্থায় থাকার খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে। পাশাপাশি জনসাধারণকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
সিলেট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ বলেন, ‘সিলেটে এখনো বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। কোনো নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। তবে স্থানীয় প্রশাসন ইউনিয়ন পর্যায়ে পর্যন্ত প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।’
পরিস্থিতির অবনতি হলে স্বেচ্ছাসেবী, সরকারি কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রস্তুত রয়েছেন বলে জানান তিনি।
৩৯৪ দিন আগে
ইসি পুনর্গঠন নিয়ে মন্তব্য করতে নারাজ কমিশনার সানাউল্লাহ
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ‘ইসি পুনর্গঠনের দাবির বিষয়টি রাজনৈতিক হওয়ায় তা নিয়ে কোনো মতামত নেই তাদের।’ তবে নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
এছাড়া জাতীয় ও স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের মধ্যে কোনটি আগে-পরে হবে; তা সরকারের ওপরই নির্ভর করছে বলে জানান এ নির্বাচন কমিশনার।
বুধবার (২১ মে) সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন নেতৃত্বাধীন ইসির পঞ্চম কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন নির্বাচন কমিশনার মো. সানাউল্লাহ। সেখানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে করার বিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির দাবির মধ্যে এমন মন্তব্য এসেছে ইসির পক্ষ থেকে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক হয় নির্বাচন ভবনের সিইসির সভাকক্ষে। চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এ সভায়।
এসময় নির্বাচন ভবনের বাইরে এনসিপির বিক্ষোভ চলছিল। ইসির পদত্যাগের দাবিতে নির্বাচন ভবনের বাইরে এনসিপির দাবি নিয়ে চলমান আন্দোলনের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আমরা কোনো মতামত দিতে চাই না।’
এ বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী জুনের মধ্যে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের কথা রয়েছে। এরইমধ্যে বিএনপি দ্রুত নির্বাচন করার দাবি করে আসছে। আর এনসিপি দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবি করছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে করার দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এ সিকুয়েন্সিং অব ইলেকশন, কোনটা আগে হবে, কোনটা পরে হবে— এটা ইসির হাতে নেই। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সরকারই সিদ্ধান্ত নেবে কোন নির্বাচন আগে হবে, পরে হবে। ইসির দায়িত্ব নির্বাচন অনুষ্ঠান করা।’
আরও পড়ুন: এক দিনের রিমান্ডে সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুস শহীদ
এনসিপির সমাবেশ থেকে ইসির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পদত্যাগের দাবি দাবি জানিয়ে আসছে এনসিপি। তবে ‘কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ে’ মন্তব্য করতে চান না বলে উল্লেখ করেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
‘কমিশন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে ও করে যাবে,’ বলেন তিনি। ঢাকা দক্ষিণের মেয়র হিসেবে ইশরাক হোসেনের পক্ষে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর গেজেট করে ইসি। এরপর আর আপিল না করায় তা নিয়ে সমালোচনাও চলছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, ‘নির্বাচনী সব ধরনের আইনবিধি পযালোচনা করা হয়েছে, তাতে ইসির পক্ষভুক্ত হওয়ার সুযেগ নেই। এছাড়া অতীতেও ইসি এ ধরনের পক্ষভুক্ত হওয়ার নজির নেই।’
৩৯৪ দিন আগে
স্ত্রী-কন্যাসহ সাবেক কৃষিমন্ত্রী রাজ্জাকের ৯ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
স্ত্রী-কন্যাসহ আওয়ামী লীগের সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের নামে থাকা মোট নয়টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছে ঢাকার একটি আদালত। এসব হিসাবে মোট ১ কোটি ৩৯ লাখ ৮ হাজার ৯৬ টাকা রয়েছে।
বুধবার (২১ মে) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন। এদিন দুদকের সহকারী পরিচালক আব্দুল মালেক আদালতে হিসাব অবরোধের আবেদন করেন।
অবরুদ্ধ হওয়া হিসাবে মো. আব্দুর রাজ্জাকের নিজ নামে থাকা চারটি ব্যাংকে হিসাবে, ৪২ লাখ ৫১ হাজার ৫০০ টাকা, তার স্ত্রী শিরিন আকতার বানুর চারটি ব্যাংক হিসাবে ৬৬ লাখ ৫৬ হাজার ৫৯৫ টাকা ও তার মেয়ে ফারজানা আক্তার তন্দ্রার হিসাবে ২৮ লাখ টাকা রয়েছে।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: এক দিনের রিমান্ডে সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুস শহীদ
দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সাবেক মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, টেন্ডার ও মনোনয়ন বাণিজ্য, নিয়োগে দুর্নীতি, সরকারি জমি দখল, এসিআই ও আদম ব্যবসায়ী নূর আলীর মাধ্যমে শত কোটি টাকা বিদেশে পাচার এবং পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে।
এতে আরও বলা হয়, অনুসন্ধানকালে রাজ্জাক ও তার স্ত্রী-মেয়ের নামে অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়। এই সম্পদ হস্তান্তরের চেষ্টা করলে তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং ভবিষ্যতে তা পুনরুদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই তদন্তের স্বার্থে এসব হিসাব অবরুদ্ধ অবরুদ্ধ করা আবশ্যক।
৩৯৪ দিন আগে
চেয়ারম্যানকে অসহযোগিতা করার কর্মসূচি শুরু এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জারিকৃত অধ্যাদেশ নিয়ে সংস্থাটির চেয়ারম্যানকে লাগাতার অসহযোগিতাসহ নতুন কয়েকটি কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ।
বুধবার (২১ মে) এক সংবাদ বিবৃতিতে পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আজ (বুধবার) থেকেই চেয়ারম্যানের সঙ্গে অসহযোগিতা কর্মসূচি শুরু হয়েছে এবং তা চলমান থাকবে।
আরও পড়ুন: দুভাগই থাকবে এনবিআর, দূর হয়েছে ভুল ধারণা: অর্থ উপদেষ্টা
এছাড়া বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার কাছে তাদের দাবিসংবলিত স্মারকলিপি পেশ করা হবে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়।
এ ছাড়াও বৃহস্পতিবার ঢাকা ও ঢাকার বাইরের এনবিআর-সংশ্লিষ্ট সব কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। তবে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রী সেবা এ কর্মসূচির বাইরে থাকবে।
আগামী ২৪ ও ২৫ মে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কাস্টম হাউস ও এলসি স্টেশন ব্যতীত কর, কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের সব কার্যালয়ে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালিত হবে। কাস্টম হাউস ও এলসি স্টেশনেও এ সময়ের মধ্যে কর্মবিরতি চলবে, তবে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রী সেবা এর আওতায় থাকবে না।
পরে ২৬ মে থেকে আন্তর্জাতিক যাত্রী সেবা ব্যতীত কর, কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের সব কার্যালয়ে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালিত হবে।
আরও পড়ুন: অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে এনবিআর কর্মীদের সংগঠনের বৈঠক 'ব্যর্থ'
সংগঠনটি পূর্বঘোষিত তিন দাবির সঙ্গে নতুন একটি দাবি সংযুক্ত করেছে— অবিলম্বে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমানের অপসারণ।
তাদের আগের দাবিগুলো হলো— জারি করা অধ্যাদেশ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে, রাজস্ব সংস্কার বিষয়ক পরামর্শক কমিটির সুপারিশ জনসাধারণের জন্য ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রস্তাবিত খসড়া এবং পরামর্শক কমিটির সুপারিশ আলোচনা-পর্যালোচনাপূর্বক প্রত্যাশী সংস্থাগুলো, ব্যবসায়ী সংগঠন, সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক নেতৃত্বসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মতামত নিয়ে উপযুক্ত ও টেকসই রাজস্ব ব্যবস্থা সংস্কার নিশ্চিত করতে হবে।
৩৯৪ দিন আগে
২৩ দিনের লম্বা ছুটিতে যাচ্ছে জবি
গ্রীষ্মকালীন ও আসন্ন ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে এ বছর টানা ২৩ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)।
মঙ্গলবার (২০ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৫ মে (রবিবার) থেকে ১২ জুন (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ছুটি থাকবে।
এ ছাড়া, ছুটির শুরু ও শেষে শুক্র ও শনিবার থাকায় সবমিলিয়ে ২৩ দিন বন্ধ পাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
আরও পড়ুন: অনশন ভাঙলেন জবির শিক্ষার্থীরা, দাবি পূরণের আশ্বাস
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ৪ জুন (বুধবার) থেকে ১২ জুন (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ইনস্টিটিউট, বিভাগ ও প্রশাসনিক দপ্তর বন্ধ থাকবে।
তবে এ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি পরিষেবার অন্তর্গত বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, টেলিফোন, ইন্টারনেট, নিরাপত্তা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ইত্যাদি চালু থাকবে।
৩৯৪ দিন আগে
ফের পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১১৮তমবারের মতো পিছিয়ে আগামী ৮ জুলাই ধার্য করেছেন আদালত।
বুধবার (২১ মে) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্ধারিত দিন ছিল। তবে তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এদিনও প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি।
এজন্য ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন রেজা নতুন করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৮ জুলাই দিন নির্ধারণ করেন।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদালতের শেরেবাংলা নগর থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার সংশ্লিষ্ট সূত্র।
মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
আরও পড়ুন: সাগর-রুনির হত্যা: তদন্ত শেষ করতে আরও ছয় মাস সময় পেল টাস্কফোর্স
প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। চারদিন পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় তারা।
এরপর হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল মামলাটি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রায় ১২ বছর ধরে তদন্ত চলার পরও র্যাব দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি জানাতে পারেনি।
২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলাম এর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ র্যাবকে তদন্ত থেকে সরিয়ে দেয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেয়। আদালত ছয় মাসের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেওয়ারও নির্দেশ দেয়।
৩৯৪ দিন আগে
টিকটক বানাতে ক্যামেরা ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা, ফটোগ্রাফার খুন
রাজধানীর হাজারীবাগের জাফরাবাদ পুলপাড় ঋষিপাড়া এলাকায় ফটোগ্রাফার নূরুল ইসলামকে হত্যা করে ক্যামেরা ছিনতাইয়ের মামলায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের সবাই ১৮ থেকে ২০ বছর বয়সী তরুণ। টিকটক ভিডিও বানাতেই তারা ক্যামেরা ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ মে) ঢাকা ও ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি ডিএসএলআর ক্যামেরা এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাপাতি, একটি রামদা ও একটি বড় ছোরা উদ্ধার করা হয়। পূর্বপরিকল্পনা অংশ হিসেবেই ওই ফটোগ্রাফারকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হাজারীবাগ থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন— নাঈম আহম্মেদ (২০), শাহীন অকন্দ ওরফে শাহিনুল (২০), শাহীন চৌকিদার (২২), রহিম সরকার (১৯), নয়ন আহম্মেদ (১৯), রিদয় মাদবর (১৮), আব্দুর রাজ্জাক ওরফে রাজা (১৯), আনোয়ার হোসেন (১৯), শহিদুল ইসলাম (২০) ও মোহাম্মদ আরমান (১৮)।
এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নুরুল ইসলাম (২৬) একটি ফেসবুক পেজ পরিচালনা করে বিভিন্ন ইভেন্টে ফটোগ্রাফির কাজ করতেন। গত ১৫ মে একটি অজ্ঞাত মোবাইল নম্বর থেকে তার ফোনে কল আসে। অজ্ঞাত ব্যক্তি একটি বিয়ের ইভেন্টে ছবি তোলার জন্য তাকে বুকিং দিয়ে ৫০০ টাকা বিকাশের মাধ্যমে অগ্রিমও পাঠান। পরের দিন (১৬ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাকে একই নম্বর থেকে ফোন করে তাকে শংকর চৌরাস্তায় অপেক্ষা করার কথা জানানো হয়।
পরে সহযোগী মোহাম্মদ ইমন ও নুরে আলমকে নিয়ে মতিঝিলের এজিবি কলোনির বাসা হতে বের হয়ে সেই অজ্ঞাত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন নুরুল। সন্ধ্যায় এক ব্যক্তি শংকর বাসস্ট্যান্ডে তাদের সঙ্গে দেখা করেন। তারা ওই ব্যক্তির কথামতো একটি অটোরিকশাযোগে জাফরাবাদ পুলপাড় ব্লুমিং চাইল্ড স্কুলের কাছে বিয়ের অনুষ্ঠানের উদ্দেশে রওনা হন। এরপর রাত ৮টার দিকে জাফরাবাদ পুলপাড় ঋষিপাড়া এলাকায় পৌঁছানোমাত্র দুষ্কৃতকারীরা তাদের রিকশার গতিরোধ করে।
ঘটনার আকস্মিকতায় ইমন রিকশা থেকে লাফিয়ে নেমে দৌড়ে পালিয়ে যান। তবে নুরুল ইসলামকে ধরে ফেলেন দুষ্কৃতকারীরা। তারা ধারালো চাপাতি দিয়ে নুরুলের মাথা, ঘাড়, বাহু ও হাতের আঙুলে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে তার কাছে থাকা দুটি ডিএসএলআর ক্যামেরাসহ ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। আহত নুরুলের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে দুষ্কৃতকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নূরুল ইসলামের বড় ভাই ওসমান গনি বাদী হয়ে হাজারীবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
৩৯৪ দিন আগে
ইসি পুনর্গঠন ও স্থানীয় নির্বাচনের দাবিতে এনসিপির বিক্ষোভ
নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবিতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
দলের ঢাকা মহানগর শাখার আয়োজনে বুধবার (২১ মে) দুপুর ১২টায় আগারগাঁও এলাকায় এ কর্মসূচি শুরু হয়। তারা বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশনের বিরুদ্ধে এই কর্মসূচি পালন করে।
বক্তব্যে এনসিপি নেতারা অভিযোগ করেন, এই নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে কোনো সংস্কার কার্যক্রম শুরুর আগেই। ফলে কমিশন তার নিরপেক্ষতা হারিয়েছে বলে তারা মন্তব্য করেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির গুলশান থানা শাখার নেতা নুর ইসলাম জুয়েল বলেন, ‘এই কমিশন ইতোমধ্যে নিরপেক্ষতা হারিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট শাসনামলে প্রণীত একটি আইনের ভিত্তিতে এই কমিশন গঠিত হয়েছে। আমরা এই কমিশন চাই না, এটি রকিব কমিশনের মতো।’
বিএনপিকে ইঙ্গিত করে এনসিপি নেতারা বলেন, জাতীয় নির্বাচনে যাওয়ার আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা যাচাই করা উচিত।
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগের বিষয়ে সরকারি গেজেটের অপেক্ষায় ইসি: সিইসি
এনসিপির শ্রমিক উইংয়ের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক আবু আবদুল্লাহ বলেন, ‘অবৈধ উপায়ে গঠিত এ ইসি মেনে নেব না।’
৩৯৪ দিন আগে
পুঁজিবাজারের প্রথম ঘণ্টায় লেনদেন শুরু উত্থান দিয়ে
সপ্তাহের পঞ্চম কার্যদিবসে (মঙ্গলবার) লেনদেনের প্রথম ঘণ্টায় উত্থানে শুরু হয়েছে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে, বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৫ পয়েন্ট বেড়েছে। শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস বেড়েছে ৪ পয়েন্ট এবং ব্লু-চিপ সূচক ডিএস৩০ বেড়েছে ৯ পয়েন্ট।
ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৭৬টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ারের দাম বেড়েছে ২৩৬টির, কমেছে ৭৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬২টি কোম্পানির শেয়ার দাম।
আরও পড়ুন: পুঁজিবাজারে উত্থানের মুখ দেখলো ঢাকা, পতন চট্টগ্রামে
এই সময়ে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯০ কোটি টাকার বেশি।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সার্বিক সূচক ৮ পয়েন্ট বেড়েছে। লেনদেন হওয়া ৭৫টি কোম্পানির মধ্যে ৩৭টির শেয়ারদর বেড়েছে, ১৯টির কমেছে এবং ১৯টি কোম্পানির শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
সিএসইতে প্রথম ঘণ্টার লেনদেন ২ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।
৩৯৪ দিন আগে
বাংলাদেশে প্রাণিজ আমিষ রপ্তানিতে আলজেরীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি
বাংলাদেশে প্রাণিজ আমিষ রপ্তানির লক্ষ্যে আলজেরিয়াভিত্তিক বালাত ব্রাদার্স স্লটারহাউস কোম্পানি ও বাংলাদেশের আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের মধ্যে একটি রপ্তানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
বুধবার ঢাকায় আলজেরিয়ান দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এ চুক্তির আওতায় প্রতিবছর রপ্তানির পরিমাণ ৩৫ লাখ মার্কিন ডলারে উন্নীত হবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, আলজেরিয়ার বৈদেশিক বাণিজ্য ও রপ্তানি উন্নয়ন মন্ত্রী অধ্যাপক কামাল রেজিগ।
আরও পড়ুন: কালো টাকা সাদা করার সব সুযোগ বাতিলের আহ্বান টিআইবির
চুক্তিতে বালাত গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার লাখদার বালাত ও আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন চৌধুরী স্বাক্ষর করেন।
প্রাথমিকভাবে ১২ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের প্রাণিজ প্রোটিন রপ্তানির জন্য এই চুক্তি করা হয়।
গত তিন বছরে বালাত ব্রাদার্স স্লটারহাউস কোম্পানি বাংলাদেশে মোট ২৫ লাখ মার্কিন ডলারের প্রাণিজ প্রোটিন রপ্তানি করেছে বলে জানায় দূতাবাস।
৩৯৪ দিন আগে