বাংলাদেশ
চট্টগ্রামে জুলাই হত্যাকাণ্ড: ২৩১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল
জুলাই বিপ্লবের এক বছরের মাথায় চট্টগ্রামে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় নিহত একটি হত্যা মামলায় ২৩১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ পত্র জমা দিয়েছে পুলিশ।
গত বছর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দুই দিন আগে গুলিবর্ষণে এক দোকান কর্মচারী নিহত হয়। চট্টগ্রামে জুলাই অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের প্রথম কোনো মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দিল পুলিশ।
অভিযোগপত্রে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় হত্যার অভিযোগে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলসহ ২৩১ জনকে আসামি করা হয়েছে। সাক্ষী করা হয়েছে ১২৮ জনকে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নগরীর চান্দগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুল হক বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) আদালতের প্রসিকিশন শাখায় অভিযোগপত্র জমা দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্রসিকিউশন শাখা থেকে অভিযোগপত্রটি চট্টগ্রামের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে দাখিল করা হয়। আদালত আগামী ২৫ আগস্ট বাদীর উপস্থিতিতে অভিযোগপত্রের ওপর শুনানির সময় নির্ধারণ করেছেন।
পড়ুন: চট্টগ্রাম আদালতের ১,৯১১ মামলার নথি গায়েব
সিএমপির চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব আহমেদ জানান, তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি আইনের ৩০২ ধারায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিচারের আবেদন করা হয়েছে। পরবর্তী ব্যবস্থা আদালত গ্রহণ করবেন।
আসামিদের মধ্যে আরও আছেন- চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী ও আ জ ম নাছির উদ্দীন, সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, এম এ লতিফ, আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দীন নদভী, মহিউদ্দিন বাচ্চু, আবদুচ ছালাম, দিদারুল আলম দিদার, এস এম আল মামুন ও নোমান আল মাহমুদ, চসিকের সাবেক কাউন্সিলর জহরলাল হাজারী, এসরারুল হক, নুর মোস্তফা টিনু, পুলক খাস্তগীর, সলিমুল্লাহ বাচ্চু, জিয়াউল হক সুমন এবং নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীসহ যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের ২৩১ নেতা কর্মি রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত বছরের ৩ আগস্ট সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরের বহদ্দারহাট এলাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন শহিদুল ইসলাম শহিদ। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর ওই বছরের ১৫ আগস্ট ভুক্তভোগীর ভাই শফিকুল ইসলাম চান্দগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে এক বছরের মাথায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হলো আদালতে।
৪৫১ দিন আগে
রংপুরে ‘জুলাইয়ের মায়েরা’ শীর্ষক অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত
রংপুরে জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানমালা উদযাপন উপলক্ষে ‘জুলাইয়ের মায়েরা’ শীর্ষক অভিভাবক সমাবেশ ও মাদারস অব জুলাই চলচ্চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল।
জেলা প্রশাসক বলেন, শহীদ জননীদের মহান আত্মত্যাগ আমাদের প্রেরণার উৎস। তাদের প্রিয় সন্তানেরা দেশের কল্যাণে জীবন উৎসর্গের মাধ্যমে নতুন ইতিহাস রচনা করেছেন। আমরা অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং অভিভাবকদের প্রতি কৃতজ্ঞচিত্তে বলতে চাই, এই শোককে শক্তিতে পরিণত করতে হবে।
তিনি বলেন, যেসব মায়েরা জুলাই যোদ্ধাদের সাহস যোগিয়েছেন তারাও একজন সাহসী মা।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন, রংপুর মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক সেলোয়ারা বেগম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) রমিজ আলম, জুলাই যোদ্ধা ইমরান আহমেদ, নাহিদ হাসান খন্দকার, হানিফ খান সজিব, আয়ন আহসান, জামিলসহ জুলাই শহীদের মা শিলা, কানিজ ফাতেমা, জাহানারা বেগম, নাসিমা বেগম, হাবিবা সুলতানা ও আঙ্গুরা বেগম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশের আগে রংপুর জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে মাদারস অব জুলাই বিষয়ক তথ্যচ্চিত্র উপস্থাপন করা হয়।
রংপুর জেলা প্রশাসন ও জেলা মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর আয়োজিত সমাবেশে অংশ নেন জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা।
পড়ুন: ইসলামাবাদে ‘জুলাই বিয়ন্ড বর্ডার’ শীর্ষক আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন
৪৫১ দিন আগে
ইসলামাবাদে ‘জুলাই বিয়ন্ড বর্ডার’ শীর্ষক আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন
পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে ‘জুলাই বিয়ন্ড বর্ডার’ শীর্ষক আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে।
শনিবার (২ আগস্ট) জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণে আয়োজিত ১ থেকে ৫ আগস্ট ২০২৫ পাঁচ দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।
এ উপলক্ষে দূতাবাস প্রাঙ্গণ ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে সুসজ্জিত করা হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ এবং ঢাকার মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানকে উপজীব্য করে নির্মিত পোস্টার ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
এর পর মিশনের কর্মকর্তারা জুলাই-আগস্ট পুনর্জাগরণে ছাত্র-জনতার ভূমিকার স্মৃতিচারণ করে আলোচনা করেন। বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।
২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী গণঅভ্যুথান বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করার এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন হাইকমিশনার। বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত, সুখী, সমৃদ্ধিশালী বাংলাদেশ গঠনে সকলকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার অনুরোধ করেন তিনি।
আলোচনা শেষে ২৪ এর জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ছাত্র-জনতার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এবং দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাইকমিশনের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
৪৫২ দিন আগে
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: ফরিদপুরের রাইসা মনির সমাধিতে বিমান বাহিনীর শ্রদ্ধা
ঢাকার উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তে নিহত তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইসা মনির (৯) সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্যরা। এসময় নিহত রাইসার শোকাহত পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন তারা।
শনিবার (২ আগস্ট) দুপুর সোয়া ২টার দিকে জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বাজড়া দক্ষিনপাড়া শামসুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানা গোরস্থানে রাইসা মনির সমাধিতে বিমান বাহিনীর প্রধানের প্রতিনিধি হিসেবে স্কোয়াড্রন লিডার জিহাদুল ইসলাম ও ফ্লাইং অফিসার রুদাবা কামালের নেতৃত্বে ২০ সদস্যের একটি দল ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে রাইসার কবর জিয়ারত করেন তারা।
এ সময় বিমান বাহিনীর সদস্যরা ছাড়াও আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল ইকবাল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ কে এম রায়হানুর রহমান ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজালাল আলম উপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন: মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন শিক্ষিকা ফারজানা এছাড়া বাজড়া শামসুল উলুম মাদরাসা মসজিদে বাদ জোহর দোয়ার আয়োজন করা হয়। পরে এতিমখানার শিশুদের মাঝে তবারক বিতরণ করেন বিমান বাহিনীর সদস্যরা। এর আগে নিহত রাইসার বাড়িতে উপস্থিত হয়ে পরিবারটিকে সমবেদনা জানান বিমান বাহিনীর সদস্যরা।
জানা যায়, গত ২১ জুলাই মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের পর থেকে নিখোঁজ ছিল তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী রাইসা মনি (৯)। দুর্ঘটনার পর থেকে রাইসাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) শিশুটির মুখমণ্ডলের অংশবিশেষ দেখে রাইসা হিসেবে দাবি করেন বাবা শাহাবুল শেখ (৪৪)। বাবার দাবির প্রেক্ষিতে সিএমএইচ থেকে ২২ জুলাই বিকালে লাশের ডিএনএ সংগ্রহ করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ডিএনএ রিপোর্টে রাইসার লাশ শনাক্ত হলে গত ২৪ জুলাই দিবাগত রাতে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। পরেরদিন শুক্রবার (২৫ জুলাই) ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বাজড়া দক্ষিণপাড়া শামসুল উলুম মাদরাসা ও এতিমখানা গোরস্থানে রাইসার লাশ দাফন করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রাইসা মনি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বাজড়া গ্রামের শাহাবুল শেখ ও মীম আক্তারের মেয়ে। তার বড় মেয়ে সিনথিয়াও (১৪) একই স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। ভাই রাফসান (৪) সবার ছোট। আর রাইসা ছিল সন্তানদের মধ্যে দ্বিতীয়। পরিবার পরিজন নিয়ে রাইসার বাবা শাহাবুল শেখ ঢাকার উত্তরা নয়ানগরে ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। শাহাবুল একটি গার্মেন্টস এক্সেসরিস প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী।
রাইসার বাবা শাহাবুল শেখ বলেন, আমার সোনা মনির জন্য আপনারা শুধু দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন আমার সন্তান রাইসা মনিকে জান্নাতবাসী করেন। আমার আর কি বলার আছে।
তিনি বলেন, ইচ্ছা ছিল মেয়েকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করার, তা আর হলো না।
বিমান বাহিনীর শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় উপস্থিত আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল ইকবাল বলেন, বিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষার্থী রাইসা মনির সমাধিতে বিমান বাহিনীর প্রধানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে বিমান বাহিনীর কর্মকর্তরা নিহতের বাড়িতে আসেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারটির সঙ্গে ছিলাম। রাইসার পরিবারের পাশে সব সময় থাকবে উপজেলা প্রশাসন।
৪৫২ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতি সাপেক্ষে চুক্তির তথ্য প্রকাশ করা হবে: বাণিজ্য উপদেষ্টা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার পর দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সইয়ের পর সম্মতি সাপেক্ষে এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন।
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের তথ্য অধিকার (তথ্য অধিকার আইন-আরটিআই) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতির ভিত্তিতে আমরা অবশ্যই চুক্তিটি প্রকাশ করব।’ চুক্তি সই হওয়ার পরে একটি যৌথ বিবৃতি দেওয়া হবে, বলেন তিনি।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, চুক্তির বিষয়টি ফাঁস হওয়া কিছুটা দুর্ভাগ্যজনক। ‘আপনিও দেখেছেন। আসলে দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কিছুই নেই।’
শনিবার (২ আগস্ট) ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে মন্ত্রী (প্রেস) গোলাম মোর্তোজার সঙ্গে কথোপকথনের সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। গোলাম মোর্তোজা নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজ গণমাধ্যমের জন্য এমন তথ্য প্রকাশ করেছেন।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, তারা স্পষ্টতই সেই বিষয়গুলো থেকে বেরিয়ে এসেছেন, যা পরোক্ষভাবে দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে যেতে পারে এবং মূলত তারা বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করে।
তিনি বলেন, যদি তারা বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়ন করতে চায়—তাহলে বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। ‘একই সঙ্গে, এ বিষয়ে আত্মতুষ্টিরও কোনো সুযোগ নেই,’ বলেন উপদেষ্টা।
পড়ুন: শুল্ক নিয়ে আলোচনায় সোমবার যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা
তিনি আরও বলেন, ‘এর সাফল্য বা ব্যর্থতা আমাদের সক্ষমতা এবং প্রতিযোগিতার উপর নির্ভর করবে। এর সুফল পেতে হলে আমাদের সক্ষমতা এবং প্রতিযোগিতা বাড়াতে হবে। আমি শুনেছি, আত্মতুষ্টির কোনো সুযোগ নেই। আমি এতে শতভাগ একমত। কোনো অবস্থাতেই আমাদের আত্মতুষ্টির কোনো সুযোগ নেই।’
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৫টি বোয়িং বিমান কেনার বিষয়ে জানতে চাইলে বশির বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য আলোচনায় বিষয়টি মোটেও উত্থাপন করেনি। ‘এই বিষয়টি একতরফা। বোয়িং গত বছর ১২টি বিমান তৈরি করেছিল। তাই এই চুক্তি অনুসারে, তারা ২০৩৭ সালে প্রথম বিমান সরবরাহ করতে সক্ষম হতে পারে।’
কৃষি পণ্যের প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী ছিল। বাংলাদেশ দেড় থেকে দুই হাজার কোটি ডলার মূল্যের খাদ্যপণ্য আমদানি করে এবং যুক্তরাষ্ট্রও কৃষিপণ্যের একটি বৃহৎ উৎপাদক।
বাংলাদেশ মূলত জ্বালানি ও কৃষিপণ্যের ভিত্তিতে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর কথা বলেছে। যে পণ্যগুলো বাংলাদেশকে ইতোমধ্যেই আমদানি করতে হচ্ছে।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ৬০০ কোটি ডলার। তুলা, সয়াবিন, ভুট্টা এবং গমজাত পণ্য আমদানি বাড়িয়ে বাংলাদেশ ২০০ কোটি ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর চেষ্টা করতে পারে।
তিনি বলেন, এই পদ্ধতি বাংলাদেশকে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে উল্লেখযোগ্যভাবে সাহায্য করবে। ‘বোয়িং বিমান খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়,’ উল্লেখ করে বশির বলেন, ‘আপনি প্রতিদিন এটি(বোয়িং) কিনবেন না, তবে আপনাকে প্রতিদিন সয়াবিন কিনতে হবে।’
উপদেষ্টা জোর দিয়ে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার বিমানের পরিচালনা ক্ষমতা বৃদ্ধির চেষ্টা করছে।
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অতিরিক্ত ১ কোটি যাত্রী পরিবহনের সম্ভাবনা রয়েছে। ২৫টি বিমান খুব বেশি নয়, বলেন তিনি।
পড়ুন: দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির বিষয়টি সম্পূর্ণ অবান্তর: বাণিজ্য উপদেষ্টা
বাণিজ্য উপদেষ্টা বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যের উপর ৩৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে পারস্পরিক শুল্ক কমানোর বিনিময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো গোপন চুক্তির জল্পনা-কল্পনা উড়িয়ে দেন। বলেন, পুরো আলোচনায় জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের নিজের দেশের স্বার্থকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই। আমরা যা কিছু করেছি, আমরা আমাদের দেশকে অগ্রাধিকার দিয়ে করেছি—যেমন আমেরিকা তার জাতীয় নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেয়।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধিদল বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে। ‘তারা এমন কিছু করবে না—যা তাদের নিজেদের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়।’
৪৫২ দিন আগে
কক্সবাজারে ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজি চালকসহ নিহত ৪
কক্সবাজারে ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজি ড্রাইভারসহ ৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা ট্রেন আটকে দেওয়ায় ৩ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
শনিবার (২ আগষ্ট) বেলা পৌনে ২টার দিকে রামুর রশিদনগর রেলক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৈয়বুর রহমান। তিনি বলেন, ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি ছিটকে যায়। এতে চালক শাহাব উদ্দিন, যাত্রী মর্জিনা ও তার শিশুসন্তানসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও এক যাত্রী মারা গেছেন। তবে একজনের পরিচয় শনাক্ত করার সম্ভব হয়নি।
ওসি তৈয়বুর রহমান আরও জানান, কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ে যাত্রী কক্সবাজার শহরে যাচ্ছিলেন। পথে রামুর রশিদনগর রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এর আগেও ওই ক্রসিংয়ে একাধিকবার দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি জানান।
পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু, রেললাইন অবরোধ
এদিকে এই ঘটনার পর পর স্থানীয় উত্তেজিত জনতা রেল লাইনের উপর অবস্থান নিলে দীর্ঘ ৩ ঘণ্টা রেল চলাচল বন্ধ ছিল এবং আটকে রাখা হয় দুর্ঘটনা কবলিত ট্রেনটি।
পুলিশ সুপার সাইফুদ্দিন শাহীন জানান, বিক্ষুব্ধ জনতা ট্রেন আটকে দেওয়ার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও র্যাবের সহযোগিতায় বিকাল ৫টার দিকে বিক্ষুব্ধ জনতাদের রেল পথ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
৪৫২ দিন আগে
গর্ভবতী স্ত্রীর চিকিৎসা খরচ যোগাতে বন্ধুকে হত্যা, আটক ২
গর্ভবতী স্ত্রীর চিকিৎসা খরচ মেটানোর জন্যই ভ্যানচালক জিহাদকে হত্যা করে ভ্যান লুটে নিয়ে যায় ২ বন্ধু। র্যাব অভিযান চালিয়ে জড়িতদের আটক করে। পরে জিজ্ঞাসাদে এমন তথ্য জানায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত সাগর প্রামানিক (১৮) ও সুলতান প্রামানিক(১৯)।
শনিবার (২ আগস্ট) এক ব্রিফিংয়ে র্যাব-৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ পারভেজ এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, অভিযুক্ত সাগরের গর্ভবতী স্ত্রীর চিকিৎসা করনোর মতো কোনো টাকা তার কাছে ছিল না। এজন্য তার বন্ধু অপর অভিযুক্ত সুলতানের সঙ্গে পরামর্শ করে তাদের অল্প দিনের বন্ধু ভ্যানচালক জিহাদকে হত্যা করে তার ভ্যান বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করে। সে অনুযায়ী বুধবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় জিহাদকে কোমল পানীয়র সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে সিংড়া উপজেলার পাজাগারড়ি এলাকার নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে জিহাদ ঘুমে অচেতন হয়ে পড়লে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ বিলের পানিতে ফেলে দিয়ে ভ্যান নিয়ে চলে যায়।
পড়ুন: মাগুরায় কলা ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যা, একজন আটক
পরদিন জিহাদের লাশ উদ্ধারের পর অভিযানে নামে র্যাব। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে সিংড়া উপজেলার বড়িয়া এলাকার নিজ নিজ বাড়ি থেকে ওই দুই হত্যাকারীকে আটক করে র্যাব। পরে একই উপজোলার ইটালি গ্রামের হাসান মেকারের গ্যারেজ থেকে ভ্যানটি উদ্ধার করে র্যাব।
শনিবার দুপুরে আটক দুজনকে সিংড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
৪৫২ দিন আগে
মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়ায় চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে নারীর মৃত্যু
ঢাকা-সিলেট রেলওয়ে সেকশনের মৌলভীবাজারের কমগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান এলাকার ভেতরে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্তঃনগর কালনী এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে পড়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২ আগস্ট) সকাল ৮টায় কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান এলাকার বনের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।নিহত নারীর নাম— হাওয়া বেগম (৪০)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হাওয়া বেগমের একটি হাত নেই। ট্রেনের ভেতরে ভিক্ষা করেই জীবন চালান। সকালে কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনটি লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান এলাকায় পৌঁছালে ভিক্ষারত হাওয়া বেগম চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে যান এবং ট্রেনের চাকায় তার দুটি পা কেটে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, মারা যাওয়া নারীর বাড়ি ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায়। আমরা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছি।
৪৫২ দিন আগে
সিলেটে শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
সিলেট নগরীতে শারীরিক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২ আগস্ট) সকালে নিজ বাসা থেকে ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ধারণা করা হচ্ছে, বাবার সঙ্গে অভিমান করে আত্মহত্যা করেছে ওই কিশোরী।
নিহত কিশোরীর নাম রেশমা বেগম (১৪)। সে নগরীর কানিশাইল এলাকার প্রত্যাশা-৬৬, আলিম মিয়ার কলোনির বাসিন্দা ওয়াছির মিয়ার মেয়ে।
পুলিশ জানায়, পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাবার সঙ্গে অভিমান করে সে আত্মঘাতী হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক জানান, মেয়েটি শারীরিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছিল। ৩য় শ্রেণীতে পড়তো। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বাবার সাথে অভিমান করে সে আত্মহত্যা করেছে। তবে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
৪৫২ দিন আগে
দেশের প্রথম পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তাবিষয়ক গবেষণা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সুরক্ষার যাত্রায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করল বাংলাদেশ। শনিবার (২ আগস্ট) রাজশাহীতে অবস্থিত ন্যাশনাল অক্যুপেশনাল সেইফটি অ্যান্ড হেলথ ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (নস্ট্রি) সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হলো দেশের প্রথম পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা (ওএসএইচ) বিষয়ক গবেষণা সম্মেলন।
সম্মেলনের আয়োজন করে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর (ডাইফ), কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন (আইএলও)।
‘সেইফ ওয়ার্ক, সাস্টেইনেবল ফিউচার: ব্রিজিং রিসার্চ অ্যান্ড প্র্যাকটিস’— এই প্রতিপাদ্যে আয়োজিত সম্মেলনটি দেশের সকল শ্রমখাত জুড়ে নিরাপদ ও টেকসই কর্মপরিবেশ গঠনের পথে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ‘ শ্রমখাতের উন্নয়নে আমাদেরকে সব স্টেকহোল্ডারদের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করতে হবে।
প্রত্যেক শ্রমিকের অধিকার রয়েছে শোভন কর্মপরিবেশে কাজ করার এবং দিনশেষে নিরাপদে ও সুস্থভাবে ঘরে ফেরার। আমাদেরকে তা নিশ্চিত করতে হবে। আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের শ্রমখাতের উন্নয়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং গবেষণাভিত্তিক নীতিনির্ধারণে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এইচ এম শফিকুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে বিশ্বের সেরা ১০টি গ্রিন ফ্যাক্টরির মধ্যে ৮টিই বাংলাদেশে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের বিরাট অর্জন। শ্রমখাতের নানা সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে নস্ট্রি গবেষণা করবে এবং এই গবেষণা তথ্য থেকে শ্রম খাতের কল্যাণে নীতি ও কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হবে। এই প্রতিষ্ঠান কেবল বাংলাদেশের শ্রমখাতেই অবদান রাখবে তা নয়, বরং এশিয়ায় শ্রমবিষয় তথ্য ও গবেষণার একটি কেন্দ্র হবে এই প্রতিষ্ঠান।’
সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত সচিব) জনাব ওমর মোঃ ইমরুল মহসিন।
আইএলও'র টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট (লেবার ইন্সপেকশন অ্যান্ড ওএসএইচ) রন জনসন বলেন, ‘বাংলাদেশের শিল্পখাতে দ্রুত প্রবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে ওএসএইচ ব্যবস্থার উন্নয়ন অপরিহার্য। কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা প্রতিরোধভিত্তিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার মাধ্যমে শ্রমিকদের সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আইএলও বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
সম্মেলনে গবেষক, শিক্ষাবিদ, শ্রমিক নেতা, শিল্প প্রতিষ্ঠান মালিক, সরকারি কর্মকর্তা ও উন্নয়ন সহযোগীসহ ২০০ জনেরও বেশি অংশগ্রহণকারী ছিলেন। এতে ১১টি রিভিউকৃত গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপিত হয় এবং ওএসএইচ খাতের মূল চ্যালেঞ্জসমূহ ও উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী প্যানেল আলোচনা হয়।
কনফারেন্সে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রধান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ, সমন্বয় ও সংস্কার বিভাগের সচিব জাহেদা পারভিন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) অধ্যাপক ড. রেহানা খানমসহ শ্রমখাত সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা।
৪৫২ দিন আগে