বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গরের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে আরও বেশি মার্কিন বিনিয়োগ এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
শনিবার (১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাত শাধিন।
বৈঠকে সার্জিও গর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরে আসছে।
এর প্রমাণ হিসেবে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ সম্পর্কে তাদের ভ্রমণ সতর্কতা ইতিবাচকভাবে সংশোধন করেছে। এর ফলে মার্কিন বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত—এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা যাবে।
আগামী মাসে বাংলাদেশ সফরে আসতে যাওয়া ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের একটি প্রতিনিধিদলের সফর নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। এ ছাড়াও বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)-এর মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়।
সার্জিও গর প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন, বাংলাদেশে এফডিএর পরিদর্শন কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে তিনি সহযোগিতা করবেন।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স করপোরেশন (ডিএফসি)-এর মাধ্যমে বিনিয়োগের সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রকে বিশেষ করে গুদামজাতকরণ, সয়াবিন, তুলা, গমসহ কৃষিখাতে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এ ধরনের বিনিয়োগ আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
জবাবে সার্জিও গর বলেন, বাংলাদেশে ডিএফসির বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণে ওয়াশিংটন ইতিবাচকভাবে কাজ করবে।
তিনি প্রধানমন্ত্রীকে আরও জানান, ঢাকায় অবস্থানরত মার্কিন বিনিয়োগকারীরা অদূর ভবিষ্যতে একটি ‘ইউএস ইনভেস্টর সামিট’ আয়োজন করতে আগ্রহী।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে তিনি ব্যক্তিগতভাবেও কাজ করছেন বলে জানান মার্কিন বিশেষ দূত।
২ দিন আগে
রাজধানীতে সাড়ে ৬ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ১৩৮৪ জনের
২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত গত সাড়ে ছয় বছরে রাজধানীতে ১ হাজার ৮৪৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৩৮৪ জন নিহত এবং ২ হাজার ৪৮৮ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে প্রায় ৪৩ শতাংশই ছিল পথচারী।
নিহতদের মধ্যে ১ হাজার ৩৪ জন, অর্থাৎ ৭৪ দশমিক ৭১ শতাংশ, ২১৯ জন বা ১৫ দশমিক ৮২ শতাংশ নারী এবং ১৩১ জন শিশু (৯.৪৬ শতাংশ)।
শনিবার (১ আগস্ট) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ৫৯২ জন (৪২.৭৭ শতাংশ) পথচারী, ৫৩৬ জন (৩৮.৭২ শতাংশ) মোটরসাইকেল আরোহী এবং ২৫৬ জন (১৮.৪৯ শতাংশ) বাস, রিকশা, সিএনজি ও অন্যান্য যানবাহনের চালক-যাত্রী।
দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, রাতে সবচেয়ে বেশি ৫১৯ জন (৩৭.৫ শতাংশ) নিহত হয়েছেন। এছাড়া সকালে ২৫৮ জন (১৮.৬৪ শতাংশ), দুপুরে ১৯৫ জন (১৪.০৮ শতাংশ), বিকালে ১৭৪ জন (১২.৫৭ শতাংশ), ভোরে ১৪২ জন (১০.২৬ শতাংশ) এবং সন্ধ্যায় ৯৬ জন (৬.৯৩ শতাংশ) নিহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ, ট্যাংকার ও ময়লাবাহী ট্রাকের অংশ ৩৩ দশমিক ২৫ শতাংশ, মোটরসাইকেল ২৬ শতাংশ, বাস ২১ দশমিক ৭৫ শতাংশ, অটোরিকশা, সিএনজি ও লেগুনা ১২ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও জিপ ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলেছে, রাজধানীতে রাতে এবং সকালে দুর্ঘটনা বেশি ঘটছে। বাইপাস সড়ক না থাকায় রাত ১০টা থেকে ভোর পর্যন্ত রাজধানীতে মালবাহী ভারী যানবাহন বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। ফলে রাস্তা পারাপারের সময় পথচারীর মৃত্যুর হার বেড়েছে। এছাড়া দীর্ঘস্থায়ী যানজটের কারণে চালকদের মধ্যে অসহিষ্ণুতা ও ধৈর্যহীনতা তৈরি হচ্ছে, যা দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।
সংগঠনটির মতে, যানবাহনের তুলনায় অপ্রতুল সড়ক, একই সড়কে যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক এবং ধীর ও দ্রুতগতির যানবাহনের একসঙ্গে চলাচল, ফুটপাত হকারদের দখলে থাকা, প্রয়োজনীয় স্থানে ফুটওভার ব্রিজ না থাকা বা ব্যবহার অনুপযোগী থাকা এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের অসচেতনতার কারণে রাজধানীতে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বাড়ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, কুড়িল বিশ্বরোড এবং বিমানবন্দর সড়ক বর্তমানে রাজধানীর দুর্ঘটনাপ্রবণ 'হটস্পট' হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া বছরভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে রাজধানীতে ১২৪টি দুর্ঘটনায় ১২৬ জন নিহত ও ২৩৩ জন আহত হন। ২০২১ সালে ১৩৭টি দুর্ঘটনায় নিহত হন ১৪১ জন, আহত ২৪৭ জন। ২০২২ সালে ২৬৮টি দুর্ঘটনায় ২৫৬ জন নিহত ও ৩২৪ জন আহত হন। ২০২৩ সালে ২৯৬টি দুর্ঘটনায় নিহত হন ২৪৯ জন এবং আহত হন ৩৩৫ জন। ২০২৪ সালে ৩৯৪টি দুর্ঘটনায় ২৪৬ জন নিহত ও ৪৮২ জন আহত হন। ২০২৫ সালে ৪০৭টি দুর্ঘটনায় ২২৯ জন নিহত ও ৫১১ জন আহত হন। আর ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত ২২৩টি দুর্ঘটনায় ১৩৭ জন নিহত এবং ৩৫৬ জন আহত হয়েছেন।
পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় রুট রেশনালাইজেশনের মাধ্যমে কোম্পানিভিত্তিক বাসসেবা চালু, পাশাপাশি বিআরটিএ, বিআরটিসি, ডিটিসিএ, সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের মধ্যে সমন্বিত কার্যক্রম জোরদারের সুপারিশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
৩ দিন আগে
ডিএনসিসির নাগরিক সেবা পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, তাৎক্ষণিক সংশোধনমূলক ব্যবস্থার নির্দেশ
রাজধানীর উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, সবুজায়নসহ অন্যান্য নাগরিক সেবা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি বিভিন্ন ত্রুটি-বিচ্যুতি চিহ্নিত করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে তা সংশোধনের নির্দেশ দেন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরিদর্শনকালে তিনি সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, বৃক্ষরোপণ, সবুজায়ন উদ্যোগ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং সার্বিক নগর ব্যবস্থাপনা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।
তারেক রহমান বিভিন্ন স্থানে বেশ কিছু সমস্যা চিহ্নিত করেন, কয়েকটি বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। এছাড়া নাগরিক সেবা ব্যবস্থার উন্নতির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।
পরিদর্শনের আগে দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে আসেন। পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি শহরের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে বের হন।
প্রধানমন্ত্রী নিজের গাড়ি নিজে চালিয়েই ইসিবি চত্বর, মিরপুর ডিওএইচএস, দিয়াবাড়ি, উত্তরা সেক্টর ৩, ৪, ৫ ও ৬, বিমানবন্দর সড়ক, কাকলী, মহাখালী, ফার্মগেট, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, আসাদ গেট, মোহাম্মদপুর, সলিমুল্লাহ রোড, ইকবাল রোড, তাজমহল রোড, জাপান গার্ডেন সিটি, শ্যামলী, গণভবন ক্রসিং, জিয়া উদ্যান, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, মিরপুর-১০, কচুক্ষেত, ক্যান্টনমেন্ট, সৈনিক ক্লাব ও বনানী এলাকা ঘুরে আবার গুলশানের বাসভবনে ফিরে আসেন।
সরকারের নাগরিক সেবা বৃদ্ধি এবং ঢাকাকে আরও পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়কের পরিচ্ছন্নতা, বৃক্ষরোপণ, সবুজায়ন, ড্রেনেজসহ নগর ব্যবস্থাপনার নানা দিক খতিয়ে দেখতে এই পরিদর্শনে যান তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, বিকেল ৪টা ০৫ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রী তার গুলশানের বাসভবন থেকে বের হন এবং পুরো সময় নিজে গাড়ি চালিয়ে এলাকাগুলো পরিদর্শন করেন।
তিনি আরও জানান, তারেক রহমান আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সড়কগুলো ঘুরে দেখেন এবং মাগরিবের নামাজের সময় গুলশানের বাসভবনে ফেরেন।
রনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বারবার বলেছেন যে তিনি ঢাকাকে একটি পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে দেখতে চান। সেই উদ্দেশ্যেই তিনি নিজে সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন।
পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মীর শাহে আলম, মো. শফিকুল ইসলাম, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব মেহেদুল ইসলাম এবং সহকারী একান্ত সচিব আবদুর রহমান সানী।
৩ দিন আগে
বাংলাদেশে ধর্মের নামে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশে ধর্মের নামে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই। এ দেশ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও মর্যাদার দেশ।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সম্মিলিত সনাতন পরিষদের আয়োজনে ‘সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা ও প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ধর্মকে কেন্দ্র করে বিভেদ সৃষ্টি করে কেউ যেন সমাজে অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হাজার বছর ধরে এ ভূখণ্ডে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে আসছে। তাই ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে বিভক্ত করার কোনো সুযোগ নেই। তিনি বলেন, আমি কখনোই আপনাদের সংখ্যালঘু মনে করি না। আপনারা এ দেশের সন্তান, এ দেশের নাগরিক।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল সব মানুষের স্বাধীনতা, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রাম। সেই চেতনা ধারণ করেই একটি গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। ধর্মীয় পরিচয় নয়, নাগরিক পরিচয়ই হবে রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি।
মন্ত্রী বলেন, একটি মহল ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টি করে দেশের সম্প্রীতি নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ ধরনের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে উগ্রবাদ ও মৌলবাদের কোনো স্থান নেই। আমরা একটি উদার, গণতান্ত্রিক ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।
সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সব ধর্মাবলম্বীর জানমাল ও উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্গাপূজা, রথযাত্রাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে, যাতে কোনো দুর্বৃত্ত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে না পারে।
সনাতন সম্প্রদায়ের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, নিজেদের সমস্যা ও দাবি সংগঠিতভাবে সরকারের কাছে তুলে ধরতে হবে। সরকার আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে যৌক্তিক দাবিগুলোর ইতিবাচক সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করতে হবে। একইসঙ্গে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আত্মত্যাগের ইতিহাসও স্মরণ রাখতে হবে। ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন নয়, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও সমঅধিকারের ভিত্তিতেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতারা।
৩ দিন আগে
শাহজালাল বিমানবন্দরে অভিযানে সিগারেট, স্বর্ণালংকার, বিদেশি মদসহ ২ কোটি টাকার পণ্য আটক
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই কোটি টাকার বেশি দামের বিদেশি সিগারেট, স্বর্ণালংকার, নিষিদ্ধ গৌরি ক্রিম এবং বিদেশি মদ আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমানবন্দরে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এয়ারপোর্টে শিফটের কর্মকর্তারা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। আজ (শুক্রবার) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুবাই থেকে আগত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট নম্বর বিজে-১৪৮-এর যাত্রীদের ব্যাগেজ গ্রহণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণকালে ১ নম্বর ব্যাগেজ বেল্টে যাত্রীবিহীন অবস্থায় তিনটি সন্দেহজনক ব্যাগেজ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে ব্যাগেজগুলো তল্লাশি করে মন্ড ব্র্যান্ডের ৩৭০ কার্টন বিদেশি সিগারেট উদ্ধার করা হয়।
একই সময়ে অন্যান্য ফ্লাইটে আগত বিভিন্ন যাত্রীর কাছ থেকে আরও ১১১ কার্টন বিদেশি সিগারেট আটক করা হয়। এ নিয়ে অভিযানে মোট ৪৮১ কার্টন সিগারেট আটক করা হয়েছে।
আটক সিগারেটের আনুমানিক মূল্য ২১ লাখ ৬৪ হাজার ৫০০ টাকা। প্রযোজ্য শুল্ক-কর এবং ৬২১ শতাংশ টোটাল ট্যাক্স ইনসিডেন্স—টিটিআই বিবেচনায় সিগারেটগুলোর মোট মূল্য প্রায় ১ কোটি ৫৬ লাখ ৫ হাজার টাকা।
একই ফ্লাইটে আগত যাত্রী মো. তাজুল ইসলামের হ্যান্ডব্যাগ তল্লাশি করে কৌশলে লুকানো ৯৯ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
৩ দিন আগে
ধর্ম, বর্ণ বিবেচনায় কোনো চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না: তথ্যমন্ত্রী
বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ বিবেচনায় কোনো চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন এমপি।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বরিশাল পূজা উদযাপন পরিষদ বরিশাল জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ধর্ম বিশ্বাস, ধর্ম চর্চাকে পূঁজি করে কোনো মহল কাউকে পকেটে নেওয়ার চেষ্টা করলে সাধারণ মানুষ তাদের চিহ্নিত করবে। বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ বিবেচনায় কোনো চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন— ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। অতএব কোনো ধর্মাবলম্বীকে যদি কেউ ব্যবহার করতে চায়, রাষ্ট্রকে কোনো ধর্মের মাধ্যমে গ্রাস করবে, এ ধরনের সাম্প্রদায়িকতা ধর্ম বিরোধী।
তিনি আরও বলেন, যখনই ধর্ম বিশ্বাসকে, চর্চাকে কোনো মহল একটি সাম্প্রদায়িক পকেটে পরিণত করার চেষ্টা করবে, সঙ্গে সঙ্গে ধর্মপ্রাণ মানুষ ওই ধর্ম ব্যবসায়ীকে চিহ্নিত করবেন।
স্বপন বলেন, রাজনৈতিক নেতাদের সমস্ত বক্তব্য জনগণের কল্যাণের জন্য। যতক্ষণ পর্যন্ত জনগণ তা কল্যাণকর মনে করবে ততক্ষণ পর্যন্ত সেই দল, সেই মার্কা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য থাকবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, বরিশাল জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল আলম ফরিদ, জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাবেক সভাপতি রাখাল চন্দ্র দে, সাদা মনের মানুষখ্যাত বিজয় কৃষ্ণ দেসহ পূজা উদযাপন কমিটির স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি মানিক লাল মূখার্জী।
৩ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১০৮৫
দেশে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৮৫টি শিশু।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭৪১টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৬টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৮৩৭টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১৮৫টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯০০। এই সময়ে ৮০৫টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮০৬টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২৮ হাজার ৩১০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৫৯। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ১০ হাজার ৯৮৭ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৬ হাজার ৮৫৯ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৩ দিন আগে
দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা সদর দপ্তরের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার
ময়মনসিংহের নবগঠিত দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার গেজেটভুক্ত সদর দপ্তরের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেছেন ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির। এ সময় তিনি জনগণের মতামতের ভিত্তিতে দ্রুত উপজেলা স্থাপনের প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে উপজেলার প্রাণকেন্দ্র কান্দিপাড়া-সংলগ্ন জে এল-১৪৩ নম্বর নয়াবাড়ি মৌজা পরিদর্শন শেষে তিনি এ আশ্বাস দেন।
পরিদর্শনকালে বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে ছিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, গফরগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইউসুফ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমির সালমান রনিসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এ সময় দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার অন্তর্ভুক্ত আটটি ইউনিয়নের হাজারো মানুষ সেখানে উপস্থিত হয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। স্থানীয়রা গেজেটভুক্ত সদর দপ্তর হিসেবে নয়াবাড়ি মৌজাতেই দ্রুত উপজেলা কমপ্লেক্স নির্মাণ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করার দাবি জানান।
পরিদর্শন শেষে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সরকারের গেজেট, স্থানীয় বাস্তবতা এবং জনগণের প্রত্যাশার আলোকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে। তিনি দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়ে উপস্থিত জনসাধারণকে আশ্বস্ত করেন।
এ সময় গফরগাঁও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. ইসহাক, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম আনছারউদ্দিন, সাবেক উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শাহ আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিএনপি নেতা আব্দুস ছালাম বেপারীসহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়দের মতে, গেজেটভুক্ত সদর দপ্তর হিসেবে নয়াবাড়ি মৌজায় উপজেলা কার্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের আটটি ইউনিয়নের কয়েক লাখ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে এবং সরকারি সেবা আরও সহজে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে।
৪ দিন আগে
২০২৬ সালের মধ্যে বন্ধ কারখানা চালু ও বেসরকারিকরণ সম্পন্নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা পুনরায় চালু, বেসরকারিকরণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং এসব কারখানা চালু করতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি শিল্পকারখানাগুলো দ্রুত চালুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে কার্যক্রমে গতি আনা এবং এসব শিল্পকারখানায় বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে দ্রুত উৎপাদন কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত হয়। প্রধানমন্ত্রী ২০২৬ সালের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
৪ দিন আগে
রক্তমাখা পতাকা হাতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন আজিজুর
মাথায় গুলির ক্ষত; শরীরের বিভিন্ন স্থানে ৩৬টি বুলেটের স্প্লিন্টারের চিহ্ন। জুলাই আন্দোলনের মাঠে গুরুতর আহত অবস্থায় মাথার রক্ত বন্ধ করতে যে জাতীয় পতাকা বেঁধেছিলেন, সেই পতাকা রক্তে ভিজে গিয়েছিল। সেই রক্তমাখা পতাকা হাতে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন শেখ আজিজুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এই সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে আজিজুরের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পুরণ হলো। আজিজুরের ইচ্ছা ছিল ওই পতাকাটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে তুলে দেওয়ার। আজ তিনি রক্তক্ষরণ ঠেকাতে মাথায় বাঁধা সেই পতাকা প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।
সম্প্রতি আজিজুরকে নিয়ে গণমাধ্যমে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ‘গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরও শুধু ছাত্রদল করার কারণে মেলেনি জুলাই যোদ্ধার স্বীকৃতি’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আসলে তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে বিষয়টি খোঁজখবর নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর স্বাক্ষাতের জন্য তাকে নিয়ে আসা হয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে আজিজুরের দুঃখ-কষ্টের কথা শোনেন। তার আহত হওয়ার ঘটনা, লেখাপড়া, বর্তমান জীবনযাপন এবং সিএনজি চালিয়ে শিক্ষাজীবনের খরচ চালানোর বিষয়সহ তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। তার জীবন সংগ্রামের কথাগুলো দারুণভাবে ব্যথিত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন শেখ আজিজুর রহমান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে পেরে আমি আনন্দিত ও আবেগাপ্লুত। আমার কষ্টের কথাগুলো প্রধানমন্ত্রী শুনেছেন এবং খোঁজখবর নিয়েছেন। এটিকে জীবনের স্মরণীয় একটি মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন তিনি।
৪ দিন আগে