বাংলাদেশ
ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর ঢাকায়
তিন দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। এটি তার প্রথম ঢাকা সফর।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) গরের ঢাকায় পৌঁছানোর তথ্য দিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।
এ বিষয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত এবং আমার বন্ধু রাষ্ট্রদূত সার্জিও গরকে বাংলাদেশে স্বাগত জানাতে পেরে আমি আনন্দিত।’
তিনি বলেন, এ সফর বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার করবে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে সার্জিও গর দিল্লিতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। দেশটির দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে ভারত ছাড়াও বাংলাদেশ, নেপালসহ এ অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন তিনি।
৪ দিন আগে
সন্তানকে সম্পত্তি দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের, আইনে সংশোধন আসছে
সন্তানকে সম্পত্তি হস্তান্তরের পরও বাবা-মা যেন জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগদখল করতে পারেন, এমন বিধান যুক্ত করে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে সংশোধন আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সচিবালয়ে আইনগত সহায়তা নিয়ে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক ও ব্লাস্টের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা একটি আইন নিয়ে কাজ করছি। বাংলাদেশে অধিকাংশ দেওয়ানি মামলাই সম্পত্তির বণ্টন ও হিসাব-নিকাশসংক্রান্ত। তাই সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে কিছু পরিবর্তনের পরিকল্পনা করেছি। মুসলিম আইনে হেবা, হিন্দু আইনে উইল এবং মুসলিম আইনে অসিয়তনামার বিধান রয়েছে। কিন্তু বাবা-মা সন্তানদের নামে হেবা করে সম্পত্তি দিয়ে দিলে সঙ্গে সঙ্গে সেই সম্পত্তির মালিকানা তাদের হাত থেকে চলে যায়। তখন তারা সন্তানদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। যদি সন্তানরা তাদের দেখাশোনা না করে, তাহলে বাবা-মা অসহায় হয়ে পড়েন।
তিনি বলেন, এ কারণে আমরা সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের গিফট (উপহার)–সংক্রান্ত ধারাটি আরও কার্যকর করার কথা ভাবছি। ১৯৬৩ সালে পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের ভিত্তিতে এ বিধানটি সম্প্রসারণ করতে চাই। গিফটের ক্ষেত্রে ইউসুফ্রাক্ট রাইট বা জীবনস্বত্ব রাখার সুযোগ যুক্ত করতে চাই।
বিষয়টির ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, ধরুন, আপনি সন্তানদের সম্পত্তি হেবা বা উইল করতে চান না; কিন্তু এমনভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে চান, যাতে জীবদ্দশায় আপনি নিজেই সেটি ভোগদখল করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে গিফটের সঙ্গে জীবনস্বত্ব যুক্ত থাকলে বাবা-মা সম্পত্তি সন্তানকে দিয়ে দিলেও জীবিত থাকা পর্যন্ত নিজেরাই সেটি ভোগদখল করবেন। তবে তারা এককভাবে সম্পত্তি বিক্রি করতে পারবেন না; বিক্রির জন্য সন্তানের সম্মতি লাগবে। একইভাবে সন্তানও বাবা বা বাবা-মায়ের সম্মতি ছাড়া সেই সম্পত্তি বিক্রি করতে পারবে না।
তিনি বলেন, আবার যদি এমন পরিস্থিতি হয় যে বাবার চিকিৎসার জন্য সম্পত্তি বিক্রি করা প্রয়োজন, কিন্তু সন্তান সম্মতি দিচ্ছে না, তাহলে জেলা জজকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হবে। আবেদন করা হলে জেলা জজ বিষয়টি বিবেচনা করতে পারবেন।
এ ধরনের বিধান চালু হলে ভবিষ্যতে সম্পত্তি-সংক্রান্ত অনেক দেওয়ানি মামলা কমে আসবে এবং অনেক সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন আইনমন্ত্রী।
৪ দিন আগে
সব শিশুর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার: ববি হাজ্জাজ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে কোনো শিশু পিছিয়ে থাকবে না এবং সব শিশুর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হবে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকার তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) অডিটোরিয়ামে ইমপ্রেস টেলিফিল্মের পরিবেশনায় দুই হাতহীন অদম্য মেধাবী তরুণী আয়েশাকে নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্য তথ্যচিত্র ‘পায়ের ছাপ’-এর বিশেষ প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আয়শা আক্তার গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বাসিন্দা। হাত না থাকায় পা দিয়ে লিখে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন এই তরুণী। তাকে গাইবান্ধার বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্লাস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আজ সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিজ কার্যালয়ে প্রবেশের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আয়শাসহ তিন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন। হাত না থাকায় আয়শা মুখ দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে নিয়োগপত্র গ্রহণ করেন।
৪ দিন আগে
চিকিৎসকদের মানবিক মানুষে রূপান্তর হওয়ার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন চিকিৎসকদের আরও মানবিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগমুক্ত করা সম্ভব নয়; রোগ নিরাময়ের পাশাপাশি এখন প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর মহাখালীতে জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান (নিপসম)-এ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের রাজস্বখাতে পরিচালিত গবেষণা কার্যক্রমের ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নিপসমের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এম এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল, বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের (বিএমআরসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সায়েবা আক্তার এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।
শুধু ওষুধ দিয়ে জাতিকে রোগ থেকে বাঁচানো সম্ভব নয় উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এখন শুধু রোগ নিরাময় নয়, বরং রোগ প্রতিরোধের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। এর জন্য একদম জিরো (শূন্য) বয়স থেকে উদ্ভাবনী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৪ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১০০৫
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৫টি শিশু।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭৩৯টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৬টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৮৩৫টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১৩৫টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮৭০। এই সময়ে ৮১৬টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৫৫টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২৭ হাজার ৪১০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৫ হাজার ৮৭৪। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ১০ হাজার ১৮২ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৬ হাজার ৫৩ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৪ দিন আগে
প্রতিবন্ধী তিন ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
তিনজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কর্মসংস্থানের মাধ্যমে তাদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলা এবং সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে এ নিয়োগ দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিজ কার্যালয়ে প্রবেশের সময় প্রধানমন্ত্রী তাদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন।
নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন—গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার আয়শা আক্তার, সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার নীলা খাতুন এবং নড়াইল সদর উপজেলার মো. হাসমত আলী।
প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সরাসরি নিয়োগপত্র পেয়ে তিনজনই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তাদের জন্য দিনটি নতুন কর্মজীবনের পাশাপাশি নতুন স্বপ্নেরও সূচনা হয়ে আসে।
আয়শা আক্তার ও নীলা খাতুন দুজনই শারীরিক প্রতিবন্ধী। জন্ম থেকেই দুই হাত না থাকা নীলা খাতুন পা দিয়ে লিখে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। তাকে রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনে শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আয়শা আক্তারও পা দিয়ে লিখে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। হাত না থাকায় তিনি মুখ দিয়ে নিয়োগপত্র গ্রহণ করেন। তাকে গাইবান্ধার বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্লাস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মো. হাসমত আলীকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন ইউনিয়ন সমাজকর্মী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এ সময় সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল, সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তরিকুল আলম এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, প্রতিবন্ধী তিন ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা আবদুস সাত্তার দুলাল। নিয়োগপত্র প্রদান শেষে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
৪ দিন আগে
দেশে ফিরলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সচিবালয়ে আইনগত সহায়তা নিয়ে ব্র্যাক ও ব্লাস্টের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনা আবারও একটি ইন্টারভিউতে আগামী ডিসেম্বরে দেশে আসার কথা জানিয়েছেন। এ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ কী হবে জানতে চাইলে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘প্রথম কথা হলো, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার প্রত্যর্পণের চেষ্টা করছে কি করছে না, সেটা আপনি কীভাবে জানেন? অবশ্যই চেষ্টা করছে, আমি বলছি। দ্বিতীয়ত হলো, একজন ফাঁসির আসামি হলেও তিনি যদি বাংলাদেশের নাগরিক হন, বাংলাদেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে বাংলাদেশে এসে আত্মসমর্পণ করতে চান, সেখানে হয়তো তার আত্মসমর্পণের আগেই গ্রেপ্তার হবেন। কিন্তু তার সেই অধিকার তো আছে ’
তিনি বলেন, আসলে আসবেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। সেখানে তো আমরা আইনের ব্যত্যয় করে আমরা কিছু করব না। আইন যেভাবে আমাদের ক্ষমতা দিয়েছে, আমরা সে ক্ষমতা প্রয়োগ করব।
তার কাছে পাসপোর্ট নেই, তিনি আসলে কীভাবে আসবেন— জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘তিনি কীভাবে আসবেন, এটা তার সমস্যা। এটা আমার সমস্যা না। তিনি যখন আমার চৌহদ্দির মধ্যে ঢুকবেন, তখন আইন আমাকে যেই ক্ষমতা দিয়েছে, আমি আইনের প্রয়োগ করব। বিষয়টি একেবারেই সহজ।’
আপনি বলেছিলেন যে সেপ্টেম্বরে জাতীয় সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে। এখন কি সে পর্যায়ে আছে, নাকি বিশেষ অধিবেশন ডাকতে হবে—এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এটি এখন পর্যন্ত আমাদের কোনো আলোচনায় আসেনি। আমি সাংবিধানিক ব্যাখ্যা দিয়েছি। সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদে আছে, রাষ্ট্রপতি যেদিন পদত্যাগ করবেন, সেদিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
‘প্রশ্ন এসেছিল, আমরা বিশেষ অধিবেশন ডাকব কি না। ৯০ দিন যেহেতু সময় আছে, আর গত অধিবেশন শেষ হওয়ার পর থেকে পরবর্তী অধিবেশন ৬০ দিনের মধ্যে ডাকতে হবে। সুতরাং এই দুই সময়সীমা যেহেতু মিলছে, সে কারণে আমি বলছি বিশেষ অধিবেশন ডাকার আপাতত প্রয়োজনীয়তা দেখছি না। তবে সরকার মনে করলে অবশ্যই ডাকতে পারে।’
৪ দিন আগে
বাংলাদেশে এডিবির নতুন কান্ট্রি ডিরেক্টর চিংফেং ঝাং
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বাংলাদেশে নতুন কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে চিংফেং ঝাংকে নিয়োগ দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তিনি ঢাকায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
এডিবির অন্যতম বৃহৎ দেশভিত্তিক কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেবেন ঝাং। তিনি বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে এডিবির দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করবেন, সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে কৌশলগত নীতিসংলাপে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশের জন্য এডিবির পরবর্তী উন্নয়ন কৌশল প্রণয়নে দিকনির্দেশনা দেবেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর ঝাং বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে এডিবির বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারা আমার জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয়। গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ সফলভাবে বিভিন্ন প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করেছে।’
তিনি বলেন, মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রতিকূলতা মোকাবিলার সক্ষমতা জোরদার, বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও গভীর করার লক্ষ্যে সরকার ও উন্নয়ন অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে এডিবি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আরও উন্নত অর্থায়ন পদ্ধতি, জ্ঞানভিত্তিক সমাধান এবং সফল বিনিয়োগের মাধ্যমে আমরা এ অগ্রযাত্রায় সহায়তা অব্যাহত রাখব।
টেকসই উন্নয়ন খাতে ঝাংয়ের ৩০ বছরেরও বেশি পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে। এর মধ্যে ২০ বছরের বেশি সময় তিনি এডিবিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। কৃষি, খাদ্যব্যবস্থা, পানি সম্পদ, পরিবেশ, প্রাকৃতিক সম্পদ ও গ্রামীণ উন্নয়ন খাতে রূপান্তরমূলক কর্মসূচি ও কৌশলগত উদ্যোগে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি সরকার, উন্নয়ন সংস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তুলেছেন।
বর্তমান দায়িত্বে যোগ দেওয়ার আগে তিনি এডিবির অ্যাগ্রিকালচার, ফুড, নেচার অ্যান্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট সেক্টর অফিসের সিনিয়র ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ওই পদে তিনি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে টেকসই ও স্থিতিস্থাপক উন্নয়ন এগিয়ে নিতে এডিবির কৌশলগত কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন।
গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের নাগরিক ঝাং সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিবেশ প্রকৌশলে ডক্টরেট, সিচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্নাতকোত্তর এবং হাইড্রোলজিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এছাড়া তিনি হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলে বিশেষায়িত পেশাগত শিক্ষা গ্রহণ করেছেন।
বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে এডিবির সদস্য হয়। ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত দেশে এডিবির সরকারি ও বেসরকারি খাতের চলমান অনুদান ও প্রকল্প-অর্থায়নের পরিমাণ প্রায় ১২ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা এডিবির অন্যতম বৃহৎ দেশভিত্তিক কর্মসূচি। বাংলাদেশের উন্নয়নে সহায়তার জন্য সংস্থাটি এ পর্যন্ত প্রায় ৪৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ ও অনুদান অনুমোদন করেছে।
আগামী কয়েক বছরে টেকসই প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা, দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সহায়তার লক্ষ্যে বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার সহায়তা অনুমোদনের পরিকল্পনা রয়েছে এডিবির।
১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এডিবি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রতিকূলতা-সহনশীল উন্নয়ন এগিয়ে নিতে কাজ করছে। বর্তমানে সংস্থাটির সদস্য ৬৯টি দেশ, যার মধ্যে ৫০টি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের।
৫ দিন আগে
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের কিছু অস্বস্তি নিরসন করা খুবই প্রয়োজন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে বিদ্যমান কিছু ‘অস্বস্তি’ দূর করা অত্যন্ত প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের আমন্ত্রণ সরকার বর্তমানে পর্যালোচনা করছে। পর্যালোচনা শেষে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
বুধবার (২৯ জুলাই) ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আমন্ত্রণের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সেটা এখন রিভিউ (পর্যালোচনা) করছি। এ বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেব এবং আপনাদের সেটা তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হবে।
প্রধানমন্ত্রীর সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ নিয়েও পর্যালোচনা চলছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একাধিক দাওয়াত আছে। সে সবগুলো তো অনেক সময় ধরে... উনি যেমন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে যাবেন, সব কিছু আমাদের সামগ্রিকভাবে দেখতে হচ্ছে।
ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. খলিলুর রহমান বলেন, ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনারের সঙ্গে এটি ছিল আমার প্রথম সাক্ষাৎ। এটি একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমার সঙ্গে ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার ত্রিবেদীর আজকে প্রথম সাক্ষাৎ হয়। এটা ছিল সৌজন্য সাক্ষাৎ। আমরা বিস্তারিত কোনো বিষয় নিয়ে আলাপ করিনি। এটাই স্বাভাবিক, কারণ এর জন্য আমাদের সময় পড়ে আছে।’
দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি বলেন, তবে দুই দেশের সম্পর্ক রিসেটের (নতুন করে শুরু) ব্যাপারে—এটা তো আমরা আগেও বলেছি—আমরা দুজনেই ঐকমত্য পোষণ করি। পারস্পরিক স্বার্থ সামনে রেখে এবং আমি বাংলাদেশের স্বার্থের কথা বিবেচনায় নিয়ে আগামীতে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব। এ বিষয়ে আমরা ঐকমত্য পোষণ করেছি।
পুশ-ইনসহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘না, আজকে আমরা কোনো বিশেষ বিষয়ে কথা বলি নাই। কিছু কিছু ইরিটেশন (অস্বস্তি) আছে, উনিও জানেন, আমিও জানি। এগুলো নিরসন করা খুবই প্রয়োজন। সেই প্রয়োজনীয়তা তো সকলেই উপলব্ধি করেন।’
ভারতে অবস্থানরত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আজকে আগেই বলেছি, এটা একটা সৌজন্য সাক্ষাৎ। উনি নিজেকে আমাদের কাছে উপস্থাপন করলেন সরকারিভাবে। এই প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তিনি দেখা করলেন। আপনাদের বললাম একটু আগে যে আমরা বিশেষ কোনো ইস্যু নিয়ে এবার কথা বলিনি। আমাদের মধ্যে যে বিষয়গুলো আছে, আগামী দিনগুলোতে সব নিয়েই আমরা আলোচনা করব।’
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে খলিলুর রহমান বলেন, ‘অজিত দোভাল সাহেবের সঙ্গে আমার ম্যানিলাতে দেখা হয়নি, জয়শঙ্কর সাহেবের সঙ্গে দেখা হয়েছে। এবং সাধারণভাবে উনি জানেন যে মিস্টার ত্রিবেদীর সঙ্গে আমার বৈঠক আছে। আমরা দুজনেই আশা প্রকাশ করেছি যে আগামী দিনগুলোতে আমাদের সম্পর্ক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে উভয় পক্ষই কাজ করবে।’
ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোরের বাংলাদেশ সফরের আগের দিন ভারতীয় হাইকমিশনারের এ সাক্ষাতের কোনো বিশেষ তাৎপর্য আছে কি না জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘না, এটার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। আমি গতকাল ফিরে এসেছি এবং যারা যারা উনার সঙ্গে আমার মিটিংটা হওয়ার প্রয়োজন ছিল, আমি যত দ্রুত সম্ভব সে মিটিংটা করে নিয়েছি।’
মার্কিন প্রেসিডেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূতের আসন্ন সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তার সঙ্গে আমার ইতোমধ্যে ম্যানিলাতে দেখা হয়েছে, কথা হয়েছে, বৈঠক হয়েছে। আমরা দুই দেশের সম্পর্ক পর্যালোচনা করেছি।
‘আপনারা জানেন, আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বহুমুখী। তারাও চাইছেন সম্পর্কটাকে আরও এগিয়ে নিতে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘উনি (সার্জিও গোর) কেবল ভারতে আমেরিকার রাষ্ট্রদূত না, উনি আমেরিকান প্রেসিডেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার বিষয়ভিত্তিক প্রতিনিধি। এটি তার প্রথম সফর। দক্ষিণ এশিয়া যেহেতু তার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে, বাংলাদেশও তার অন্তর্ভুক্ত। প্রথম সফর হিসেবে আমরা ধারণা করছি এটা এক্সপ্লোরেটরি (অনুসন্ধানমূলক) সফর হবে। উনি বাংলাদেশ সম্পর্কে বুঝতে চাইবেন। শুধু আমাদের সঙ্গে না, অন্যান্য অনেক স্টেকহোল্ডারের (অংশীজন) সঙ্গেও কথাবার্তা বলবেন।’
রোহিঙ্গা ইস্যু প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকট সম্পর্কে উনি অবগত আছেন। রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে যে বৈদেশিক সহায়তা আমরা পেয়েছি, তার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার পরিমাণ সর্বাধিক। আমরা সেটা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্বীকার করি। উনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাবেন বলে আমরা আশা করছি।’
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সম্ভাব্য সফর নিয়ে কোনো চাপ রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি সংক্ষেপে বলেন, ‘আমরা কোনো ধরনের চাপ অনুভব করছি না।’
বাংলাদেশের সঙ্গে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটা আমার মনে হওয়ার বিষয় নয়, কূটনীতিতে আমরা আন্দাজে কাজ করি না। আমরা বাস্তবতার ভিত্তিতে কাজ করি।’
ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘কোনো দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অন্য দেশের পরিপ্রেক্ষিতে জিরো-সাম গেম নয়। একজনের সম্পর্ক ক্ষতি করে আরেকজনের সম্পর্ক বৃদ্ধি করছি—আমরা কখনোই সেটা করব না। সব দেশের সঙ্গে আমাদের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে, নিজেদের স্বার্থকে এগিয়ে নিয়ে আমরা সম্পর্ক বৃদ্ধির চেষ্টা করেছি। কারো সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন মানেই এই নয় যে আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হচ্ছে।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘চীনের সঙ্গে আমাদের অত্যন্ত ভালো সফর হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ভারতে আমাদের প্রধানমন্ত্রী যান, আমরা আশা করব সেই সফরটিও অত্যন্ত ভালো হোক। আবার মার্কিন প্রতিনিধির সফরও আমাদের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার অংশ। বাংলাদেশের সঙ্গে তো একটা দেশের না, বহু দেশের সম্পর্ক আছে। এটা তো স্ত্রী এবং সতীনদের মধ্যে মারামারি নয় ভাই! এটা হচ্ছে স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক। যেখানে আমাদের স্বার্থ, আমরা সেখানে যাব।’
৫ দিন আগে
ভূমিকম্প প্রস্তুতিতে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন ও এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সাড়া ও উদ্ধার কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন এবং ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল ৪টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সভায় ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে ঢাকা ও আশপাশের এলাকার জন্য এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত, তাদের প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ সময় জানানো হয়, ইতোমধ্যে ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের ডাটাবেজ প্রস্তুত করা হয়েছে। বাকি ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকও শিগগিরই অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
বৈঠকে ভূমিকম্প মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের বিষয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভূমিকম্প প্রস্তুতি বিষয়ক একটি বিশেষ সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ ছাড়া সম্ভাব্য দুর্যোগের সময় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করার উপায় এবং ঢাকা শহরে হিউম্যানিটারিয়ান স্টেজিং এরিয়া (এইচএসএ) বা মানবিক সহায়তা প্রস্তুতি কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা হয়।
সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. সাইদুর রহমান খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৫ দিন আগে