রাজনীতি
সংসদ নেতা হলেন তারেক রহমান, হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীও
বিএনপি সংসদীয় দলের প্রথম বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ত্রয়োদশ সংসদের নেতা নির্বাচিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদীয় দলের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৈঠকের পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘এটি একটি ঐতিহাসিক মূহুর্ত যে দীর্ঘ ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতন-নিপীড়ন, গণতন্ত্রকে ধবংস করে দেওয়া, সংসদকে অকার্য্কর করা এই পর্বের পরে জনগণের অনেক রক্তের বিনিময়ে একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমরা একটি সংসদ পেয়েছি। এই সংসদের মধ্য দিয়ে আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে আমরা আমাদের তরুণ নেতা জনাব তারেক রহমানকে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করেছি। আমরা আশাবাদী তার (তারেক রহমান) নেতৃত্বে দেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে আমাদের প্রথম এই সংসদীয় দলের সভাতে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, বিএনপির সংসদ সদস্য তারা ডিউটি ফ্রি কোনো গাড়ি নেবেন না এবং কোনো প্লটও নেওয়া হবে না সরকারের কাছ থেকে। এই সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি।’
অন্যদিকে, নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া পোস্টে বিএনপি মিডিয়া সেল থেকে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় তারেক রহমানকে সর্বসম্মতি ক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
এর আগে আজ (মঙ্গলবার) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে শপথ গ্রহণ করেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন।
এদিন প্রথমে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিএনপির সংসদ সদস্যরা শপথ নেন। কিছুক্ষণ পর জামায়াতে ইসলামী ও পরবর্তীতে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ অন্য দল, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা শপথ নেন।
শপথ গ্রহণ শেষে শপথপত্রের নির্ধারিত স্থানে নিজ নির্বাচনি এলাকা উল্লেখ করে তারিখসহ স্বাক্ষর করেন সংসদ সদস্যরা।
একই দিন বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন এই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও একই সময়ে শপথ পড়ানো হবে।
সংসদ সচিবালয় ইতোমধ্যে এই আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
নতুন সরকারে শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় নেওয়া হয়েছে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবির ১৫ হাজার সদস্য। স্ট্যান্ডবাই থাকবে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ও কেনাইনের মতো বিশেষায়িত ইউনিট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় হচ্ছে নতুন সরকারের শপথ। আজ এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হচ্ছেন এক হাজারেরও বেশি দেশি-বিদেশি অতিথি।
এদিকে, শপথ আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও লেকরোডে আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। গতকাল সোমবার ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ থেকে যানচলাচলের ডাইভারশন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে।
৭৭ দিন আগে
মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত ৪৫ গাড়ি
শপথ অনুষ্ঠানের আগেই নতুন মন্ত্রিসভার প্রস্তুতি দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে প্রশাসনের ভেতরে। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের জন্য সচিবালয়ে ৪৫টি সরকারি গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চাহিদা অনুযায়ী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পরিবহন পুলের মাধ্যমে গাড়িগুলো প্রস্তুত করা হয়। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে একে একে গাড়িগুলো সচিবালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সচিবালয়ে নতুন ১ নম্বর ভবনের নিচে এবং সামনে গাড়িগুলো রাখা হচ্ছে।
তারা জানিয়েছেন, মোট ৬৮টি গাড়ি রয়েছে, এর মধ্যে ৪৫ টি গাড়ি সচিবালয়ে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। তবে ৪৫টি গাড়িই লাগবে না, এর মধ্যে চার-পাঁচটা বেশি রাখা হয়েছে। কারণ, কোনো গাড়িতে সমস্যা দেখা দিলে যাতে এখানে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
গাড়ির মধ্যে বেশিরভাগই টয়োটা ক্যামরি, কিছু ল্যান্সারও রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গাড়িগুলো সচিবালয় চত্বরে প্রস্তুত থাকছে। নির্দেশনা পেলে একজন লিঁয়াজো কর্মকর্তাসহ ড্রাইভার গাড়ি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রীর বাসায় চলে যাবেন।
৭৭ দিন আগে
শপথ নিলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা
ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি (ইউএনবি)— ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ সোমবার। এদিন সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে তারা শপথ গ্রহণ করেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন।
প্রথমে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিএনপির সংসদ সদস্যরা শপথ নেন। কিছুক্ষণ পর জামায়াতে ইসলামী ও পরবর্তীতে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ অন্য দল, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা শপথ নেন।
এদিন সকাল সাড়ে দশটার কিছু সময় পরে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা।
শপথ গ্রহণ শেষে শপথপত্রের নির্ধারিত স্থানে নিজ নির্বাচনি এলাকা উল্লেখ করে তারিখসহ স্বাক্ষর করেন সংসদ সদস্যরা।
একই দিন বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন এই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও একই সময়ে শপথ পড়ানো হবে।
সংসদ সচিবালয় ইতোমধ্যে এই আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
নতুন সরকারে শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় নেওয়া হয়েছে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবির ১৫ হাজার সদস্য। স্ট্যান্ডবাই থাকবে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ও কেনাইনের মতো বিশেষায়িত ইউনিট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় হচ্ছে নতুন সরকারের শপথ। আজ এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হচ্ছেন এক হাজারেরও বেশি দেশি-বিদেশি অতিথি।
এদিকে, শপথ আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও লেকরোডে আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। গতকাল সোমবার ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ থেকে যানচলাচলের ডাইভারশন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে।
৭৭ দিন আগে
শপথগ্রহণের পর সংসদীয় দলের সভা ডেকেছে বিএনপি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের পর সংসদীয় দলের সভা ডেকেছে নির্বাচনে বিজয়ী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, মঙ্গলবার শপথ অনুষ্ঠান শেষে বেলা সাড়ে ১১টায় সংসদ ভবনে এই সভা হবে।
তিনি জানান, ‘সংসদীয় দলের এই সভায় সংসদ নেতা নির্বাচন হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে আমাদের দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন ইনশাল্লাহ।’
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেবেন। শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। একইদিন সকালে সংসদ ভবনে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। তাদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। অপরদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮ আসন পেয়ে বিরোধী দল হিসেবে সংসদে যাচ্ছে। বাকি আসনগুলোতে জয়লাভ করেছে অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
৭৮ দিন আগে
মাদারীপুরে ১৭ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
মাদারীপুরে তিনটি আসনের ২৫ প্রার্থীর মধ্যে ১৭ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত ষোষণা করেছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর-১ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ২৪ হাজার ২৮৯ জন। ১০২টি কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৭১০টি। এই আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ‘রিকশা’ প্রতীকের প্রার্থী সাইদ উদ্দিন আহমেদ হানজালা ৬৪ হাজার ৯০৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী নাদিয়া চৌধুরী ৬৪ হাজার ৫২৮ ভোট পেয়ে তার নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী হন। স্বতন্ত্র প্রার্থী জামাল কামান ৩৬ হাজার ৫৬৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন। অন্য ৭ প্রার্থী মোট ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশের কম ভোট পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
মাদারীপুর-২ আসনে ভোটার ৪ লাখ ৩৬ হাজার ২৩২ জন। ১৪৫টি কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৯২ হাজার ১৬৪টি। ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির প্রার্থী জাহান্দার আলী ৬১ হাজার ৭৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী মিল্টন বৈদ্য ৪৬ হাজার ৪৭৬ ভোট পান। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আব্দুস সোবহান খান ৩৬ হাজার ১৬৯ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন। ৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয় এ আসনে ।
মাদারীপুর-৩ আসনে ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৮০৬ জন ভোটার। ১৩৪টি কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ১ হাজার ২৩৭টি। ৯৫ হাজার ১৮৮টি ভোট পেয়ে জয়ী হন বিএনপির ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. রফিকুল ইসলাম ৮৪ হাজার ৬৪৬ ভোট পান। এ আসনে অন্য ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
৭৮ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গার দুই আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গার দুই আসনে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দুই প্রার্থী।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, চুয়াডাঙ্গা-১ ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে দলটির প্রার্থীরা মোট বৈধ ভোটের শতকরা সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট পেতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জামানত হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আহম্মদ আলী জানান, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীদের মধ্যে যারা মোট বৈধ ভোটের শতকরা সাড়ে ১২ শতাংশের কম ভোট পান, তাদের জামানত ফেরত দেওয়া হয় না। এ বিধান অনুযায়ী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত ‘হাতপাখা’ প্রতীকের প্রার্থী জহুরুল ইসলাম আজিজী ১০ হাজার ১২২টি ভোট পেয়েছেন। তবে এটি জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সীমা অতিক্রম করতে পারেনি। এ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ১১ হাজার ৪১টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শরীফুজ্জামান শরীফ ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৩টি ভোট।
এদিকে, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনেও ‘হাতপাখা’ প্রতীকের প্রার্থী হাসানুজ্জামান সজীব ৬ হাজার ৩৭৪টি ভোট পেয়ে জামানত রক্ষা করতে পারেননি। এ আসনে ২ লাখ ৮ হাজার ১১টি ভোট পেয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী রুহুল আমিন নির্বাচিত হয়েছেন। ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৭৭টি ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন বিএনপির মাহমুদ হাসান খান বাবু।
এবারের নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গার দুই আসনেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থীদের মধ্যে। নির্বাচনি প্রচারে সক্রিয় উপস্থিতি থাকলেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা ভোটের লড়াইয়ে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারেননি।
তবে দলটির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা দাবি করেছেন, ভোটের পরিবেশ ও বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তারা।
৭৮ দিন আগে
সন্ধ্যায় চরমোনাই পীরের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সোমবার সন্ধ্যায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির, চরমোনাই পীর সৈয়দ রেজাউল করিমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে তার বাসায় যাবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তারেক রহমানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারম্যান আজ সন্ধ্যা ৭টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আমিরের বাসভবনে যাবেন।’
এর আগে, গতকাল (রবিবার) সন্ধ্যায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় গিয়ে তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তারেক রহমান।
এবারের নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৩০০ আসনে ২৫৭ প্রার্থী দিয়েছিল। এর মধ্যে বরিশাল-৫ আসনে বিএনপির মজিবর রহমান সরোয়ার ১ লাখ ৩১ হাজার ৪৩১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি ফয়জুল করীম পান ৯৩ হাজার ৫২৮ ভোট।
বরিশাল-৬ আসনেও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারেননি ফয়জুল করীম। এ আসনের মোট ১১৩টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এবং বরিশাল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হোসেন খান পেয়েছেন ৮১ হাজার ৮৭ ভোট। দ্বিতীয় হয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ মাহমুদুন্নবী। তিনি পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৫৩৩ ভোট। হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি ফয়জুল করীম পেয়েছেন ২৮ হাজার ৮২৩ ভোট, যা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম বলে মনে করছেন ভোটাররা।
৭৮ দিন আগে
বিএনপির মন্ত্রিসভায় থাকার প্রশ্নই আসে না: আসিফ নজরুল
বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় নিজের থাকার প্রশ্নই আসে না বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আসিফ নজরুল আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন।
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রভাবশালী এই উপদেষ্টা বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায়ও জায়গা পেতে যাচ্ছেন বলে গত কয়েক দিন ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছিল।
এ বিষয়ে আজ সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করেন, আপনি পরবর্তী মন্ত্রিসভায় থাকছেন বলে শোনা যাচ্ছে; এ বিষয়ে কী বলবেন? উত্তরে আসিফ নজরুল বলেন, ‘প্রশ্নই আসে না।’
৭৯ দিন আগে
মানিকগঞ্জের ২০ প্রার্থীর মধ্যে ১৩ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ জেলার তিনটি আসনে ২০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৩ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এদের মধ্যে মানিকগঞ্জ-১ আসনে ৪ প্রার্থী, মানিকগঞ্জ-২ আসনে ২ জন প্রার্থী ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনে ৭ জন প্রার্থী জামানত হারান।
ফলাফল ঘোষণার পর বিশ্লেষণে দেখা গেছে, তিন আসনে মোট ২০ জন প্রার্থী লড়াই করলেও তাদের মধ্যে ১৩ জনই ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন।
জামানত বাজেয়াপ্ত প্রার্থীরা হলেন— মানিকগঞ্জ-১ আসনে গণ অধিকার পরিষদ প্রার্থী মোহাম্মদ ইলিয়াছ হুসাইন, জনতার দল প্রার্থী মো. শাহজাহান খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী মো. খোরশেদ আলম, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল আলীম।
মানিকগঞ্জ-২ আসনে জাতীয় পার্টি প্রার্থী এস এম আবদুল মান্নান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী মোহাম্মদ আলী।
মানিকগঞ্জ-৩ আসনে জাতীয় পার্টি প্রার্থী আবুল বাশার বাদশা, জাতীয়পার্টি (জেপি) প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ, বাংলাদেশ জাসদ প্রার্থী শাহজাহান আলী, ইসলামী আন্দোল বাংলাদেশ প্রার্থী সামসুদ্দিন, স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান আতা, রফিকুল ইসলাম খান, মফিজুল ইসলাম খান কামাল।
নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের অন্তত ১২ দশমিক ৫ শতাংশ (আট ভাগের এক ভাগ) ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
তিনটি সংসদীয় আসনে এবার ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থীরা বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ভোটের ব্যবধান ছিল অনেক বেশি।
মানিকগঞ্জ-১ (ঘিওর-দৌলতপুর-শিবালয়) আসনে ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এই আসনে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪৬৩ ভোটের মধ্যে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৭ হাজার ৩০৮ ভোট। বিএনপি প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবির ১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. তোজাম্মেল হক তোজা পান ৭৭ হাজার ৮১৮ ভোট এবং জামায়াতে ইসলামীর আবু বকর সিদ্দিক পান ৭১ হাজার ৩১০ ভোট। বাকি চার প্রার্থী এই লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়ে জামানত হারান।
মানিকগঞ্জ-২ (সিঙ্গাইর-হরিরামপুর ও সদরের একাংশ) আসনে ৪ জন প্রার্থীর মধ্যে ২ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এই আসনে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৭৭৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন বিএনপির প্রার্থী মঈনুল ইসলাম খান। খেলাফত মজলিসের মো. সালাহ উদ্দিন ৮১ হাজার ৫৩১ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হন। তবে জাতীয় পার্টির এস এম আব্দুল মান্নান ও ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আলী প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন।
মানিকগঞ্জ-৩ (সদর-সাটুরিয়া) আসনে ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ সাঈদনূর পান ৬৮ হাজার ২৮২ ভোট। বাকি ৭ জন প্রার্থী যাদের মধ্যে বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীও রয়েছেন, তারা কেউই জামানত রক্ষার মতো ভোট পাননি।
৭৯ দিন আগে
৩২ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি জামায়াত জোটের
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গণনা ও ফল প্রকাশ প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ এনে ৩২টি আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানী আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ডা. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।
বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাসুদ, তাহমিদা আহমদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
হামিদুর রহমান অভিযোগ করেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মতো বিভিন্ন উপাদান সক্রিয় ছিল। যেমন: অবৈধ অস্ত্র, কালো টাকা, হুমকি-ধমকি ও জাল ভোটের মতো ঘটনা ঘটেছে।
তিনি বলেন, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে, আমরা লক্ষ করেছি। কিছু কেন্দ্রে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সিল মারার অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি বারবার কমিশনকে জানানো হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘৩২টি আসন চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব আসনে অল্প ভোটের ব্যবধানে আমরা পরাজিত হয়েছি। আমরা এসব আসনের তালিকা কমিশনে জমা দিয়ে সেখানে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছি।’
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ভোট গণনার সময় অনেক কেন্দ্রে আমাদের প্রার্থীদের এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি গণনাকক্ষে উপস্থিত এজেন্টরা অনিয়মের অভিযোগ তুলতে গেলে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মুখে পড়েছেন।
তিনি বলেন, সুষ্ঠু ভোট গণনার জন্য যে অনুকূল পরিবেশ প্রয়োজন, তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। ফলে গণনা প্রক্রিয়ায় কোনো ভুল হলে তা সরাসরি নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলবে, এটাই স্বাভাবিক। একইসঙ্গে অনেক স্থানে ফলাফল শিটে ঘষামাজা, কাটাকাটি, ওভাররাইটিং এবং আমাদের প্রার্থীর মূল এজেন্টের স্বাক্ষর না থাকার মতো বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নবনির্বাচিত এমপিদের গেজেট প্রকাশ হলেও তাদের জন্য আইনি পথ খোলা রয়েছে। তিনটি আইনি ধাপ রয়েছে—নির্বাচন কমিশন, নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল এবং হাইকোর্ট।
গেজেট প্রকাশের সময় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এ জামায়াত নেতা। তিনি বলেন, ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টায়, অর্থাৎ নির্বাচনের মাত্র এক দিন পরই গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। দূরবর্তী এলাকার প্রার্থীরা অভিযোগ দেওয়ার সুযোগ পাননি। আমরা কমিশনকে অভিযোগগুলো তদন্তের আহ্বান জানিয়েছি। আইনি পথ খোলা থাকলেও আমাদের অধিকার খর্ব করা হয়েছে।
ভোটের হার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ১১ দলীয় জোটের এই নেতা। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন শেষ হয়েছে বিকেল সাড়ে ৪টায়। কিন্তু কিছু কেন্দ্রে ভোট শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই এক ধরনের ভোটের হার দেখা গেছে। আবার ভোট শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই কেন্দ্রগুলোতে অস্বাভাবিক হারে ভোট পড়ার তথ্য দেখা যায়।’
বৈঠক শেষে হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনের পর জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলের নেতা-কর্মীদের বাড়িঘরে হামলা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে। এসব হামলার প্রতিবাদে সোমবার ঢাকার বায়তুল মোকাররম থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করবে ১১ দলীয় জোট।
নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি নোয়াখালীর হাতিয়ার মতো ঘটনার উদাহরণ দেন। ২০১৮ সালের মতো ঘটনা আবারও ঘটছে কি না, সে প্রশ্ন উঠছে। আমার নিজ আসনেই তিনজন নারী আহত হয়েছেন। আমরা ৫৪ জেলার প্রতিবেদন জমা দিয়েছি বলে জানান তিনি।
তিনি জানান, সহিংসতা বন্ধ না হলে জোট রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, পাশাপাশি সংসদে গঠনমূলক বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে।
জোটের নির্বাচিত এমপিরা শপথ নেবেন জানিয়ে আজাদ বলেন, শপথ নেওয়ার বিষয়ে আমরা ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা শপথ নিয়ে সংসদে যাব এবং গঠনমূলক ভূমিকা পালন করব। একইসঙ্গে রাজপথও আমাদের জন্য খোলা থাকবে।
৭৯ দিন আগে