রাজনীতি
বিএনপিকে পাশ কাটাতেই নির্বাচনে বিলম্ব করছে সরকার, অভিযোগ দুদুর
বিএনপিকে পাশ কাটাতেই সরকার নির্বাচন আয়োজনে বিলম্ব করছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেছেন, ‘বিএনপি যাতে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে, মানুষের সমর্থন আদায়ের মধ্য দিয়ে, ভোটের মধ্য দিয়ে সরকার গঠন করতে না পারে সেজন্য নির্বাচনকে এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে।’
শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক যুব সমাবেশে তিনি এই অভিযোগ করেন। বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলমসহ গুম হওয়া নেতা-কর্মীদের অবিলম্বে সন্ধানের দাবিতে এই যুব সমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পরিষদ।
এ সময় অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে দুদু বলেন, ‘এই সরকারের কাজ-কামে দেশবাসী খুবই উদ্বিগ্ন। তারা (সরকার) কী চায়, সেটাও আমরা বুঝি না।’
নির্বাচন ইস্যুতে সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘কী করবেন, কী করবেন না—এটা বড় কথা না। একটি নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য অনতিবিলম্বে একটা রোড ম্যাপ ঘোষণা করেন। কবে নির্বাচন হবে, কোন মাসে হবে, কোন সালে হবে বলুন। আপনারা একবার ডিসেম্বরে, একবার জুন মাসে—এসব বাদ দেন। এগুলোর জন্য আমরা তৈরি না।’
হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘আপনাকে আগেও বলেছি, হাসিনাকে যখন তাড়াতে পেরেছি, অন্য ফ্যাসিবাদের যদি উদ্ভব ঘটে, তাদের তাড়ানোও বাংলাদেশের মানুষের ওয়ান-টুর ব্যাপার। সেটি মাথায় রেখে কার্যক্রম নেবেন। আপনাকে ফুলের মালা দিয়ে গ্রহণ করেছি, ফুলের মালা দিয়েই বিদায় জানাতে চাই—এটাই বিএনপির স্ট্যান্ড (অবস্থান) এখন পর্যন্ত।’
আরও পড়ুন: সরকার কি কোনো গোপন পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে, প্রশ্ন রিজভীর
গুমের বিচার অবিলম্বে দৃশ্যমান চেয়ে তিনি বলেন, ‘ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলমসহ গুম হওয়া… কত মর্মান্তিক... ওদের রুহের মাগফেরাত কামনা করতে পারছি না, যেহেতু আমরা জানি না ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম মারা গেছেন, না এখনও জীবিত আছেন। তাদের পরিবার আল্লাহর কাছে কী প্রার্থনা করবে, তাদের উত্তরাধিকাররা কী দাবি করবে?’
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘এই অচলাবস্থা যারা সৃষ্টি করেছে, বাংলাদেশের মানুষ জানে, শেখ হাসিনা তাকে (ইলিয়াস আলী) শুধু গুম করে নাই, তাকে অপহরণ করে নাই, তাকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছে। আমি এই সভায় দাবি জানাচ্ছি যে, ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলমসহ হাজার হাজার যেসব জাতীয় নেতা, ছাত্রনেতা, যুবনেতা—যাদের আমরা এখনও সন্ধান পাই নাই, এই অপরাধের জন্য হাসিনার আমি ফাঁসি দাবি করছি। গুম-খুনের বিচারের উদ্যোগ নিন।’
আরও পড়ুন: নিখোঁজের ১৩ বছর পরেও সন্ধান মেলেনি বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর
৫৫৮ দিন আগে
সরকার কি কোনো গোপন পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে, প্রশ্ন রিজভীর
নির্বাচন বাদ দিয়ে সংস্কারকে গুরুত্ব দেওয়ায় মানুষ সরকারের গোপন পরিকল্পনার আশঙ্কা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় নয়াপল্টনে এম ইলিয়াস আলী গুম প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘এই সরকার কী কোনও পূর্বনির্ধারিত নকশা নিয়ে এগোচ্ছে? মানুষের মধ্যে এখন বড় প্রশ্ন সেটাই। এই কারণেই একটি ধোঁয়াশাময় পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে।’
তিনি সরাসরি সতর্ক করে বলেন, ‘জনগণের সঙ্গে প্রতারণার চেষ্টা করলে এর পরিণাম শুভ হবে না!’
রিজভী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘নতুন সরকার গঠনের প্রায় নয় মাস পেরিয়ে গেলেও আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা প্রায় ৬০ লাখ মামলার কোনও নিষ্পত্তি হয়নি।’
‘আমি বলব না সরকার কিছুই করছে না—হয়তো করছে। কিন্তু ভোটাধিকার, যার জন্য আমরা ১৫-১৬ বছর ধরে লড়েছি, তা আজও অধরাই রয়ে গেছে। কেন নির্বাচনের পরিবর্তে সংস্কারকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে,’ প্রশ্ন রাখেন এই বিএনপি নেতা।
রিজভীর মতে, ‘কোনও সংস্কারই গণতন্ত্রের বিকল্প হতে পারে না।’
‘গণতন্ত্র মানেই নির্বাচন, গণতন্ত্র মানেই বিচার ও ভোটাধিকার। কিন্তু আজ যখন আমরা সেই ভোটাধিকারের কথা বলছি, তখন সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বিকল্প প্রস্তাব তুলে ধরা হচ্ছে,’ তিনি বলেন।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘ঐকমত্য কমিশনের উদ্যোগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সংস্কার নিয়ে সংলাপে অংশ নিচ্ছে এবং সেই প্রক্রিয়া এখন শেষের পথে।’
‘তবে প্রশ্ন থেকেই যায়—বাংলাদেশের নির্বাচন এখনও কেন ডিসেম্বর আর জুনের দোলাচলে ঝুলে আছে? এ বিষয়ে সরকারের একটি স্পষ্ট ব্যাখ্যা দরকার,’ রিজভীর দাবি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘পুরনো সরকারের ঘনিষ্ঠ অনেক ব্যক্তি এখনো প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বিপরীতে, বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকেই প্রশাসনের মূলস্রোতে স্থান দেওয়া হচ্ছে না।’
৫৫৯ দিন আগে
নিখোঁজের ১৩ বছর পরেও সন্ধান মেলেনি বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট-২ আসনের সাবেক এমপি এম ইলিয়াস আলীর ‘নিখোঁজ’ হওয়ার ১৩ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল)। তাকে ফিরে পাওয়ার প্রতীক্ষা যেন শেষই হচ্ছে না পরিবারের। এমনকি তিনি জীবিত, না মৃত– সে রহস্যও কাটেনি। তাকে অক্ষতভাবে ফিরে পাওয়ার আশায় এখনও অপেক্ষার প্রহর গুনছে তার পরিবার ও নেতাকর্মীরা।
২০১২ সালের এই দিনে ঢাকার বনানীর বাসায় ফেরার পথে গাড়িচালক আনসার আলীসহ নিখোঁজ হন তিনি। এর পর তাকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে শুরু হয় আন্দোলন। হরতাল, মিছিল-মিটিং চলে বছরের পর বছর। প্রিয় নেতাকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে নিজ এলাকা বিশ্বনাথে গুলিতে প্রাণ দেন তিন নেতাকর্মী।
সরকারের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য নিশ্চিত না করায় এখনও অপেক্ষায় রয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। মাঝেমধ্যে ইলিয়াস আলীর সন্ধান পাওয়া গেছে– এমন খবরে নতুন করে আশায় বুক বাঁধলেও পরক্ষণে তা ম্লান হয়ে যায়।
সর্বশেষ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ইলিয়াস আলীকে ফিরে পাওয়ার দাবি জোরালো হয়ে ওঠে। ‘আয়নাঘরে’ তাকে পাওয়া গেছে— এমন খবরও প্রচার করা হয়।
আরও পড়ুন: গুমে জড়িতদের বিচার অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই হবে: তথ্য উপদেষ্টা
এমনকি গত বছরের ১৯ আগস্ট সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার গহরপুর মাদ্রাসায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে ইলিয়াস আলী বেঁচে আছেন এবং বিদেশের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দাবি করে বক্তব্য দেন বিএনপির এক নেতা।পরে ইলিয়াসের স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা সেটিকে গুজব বলে মন্তব্য করেন।৫ আগস্ট হাসিনা সরকার পতনের পর স্বামীকে ফিরে পেতে গুম কমিশনে আবেদন করেন লুনা। কিন্তু সেই আবেদনেরও কোনো অগ্রগতি নেই দাবি করে হতাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
এদিকে, প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ইলিয়াস আলীকে অক্ষতভাবে ফেরতের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। তার গ্রামের বাড়ি বিশ্বনাথ উপজেলার রামধানায় পারিবারিকভাবে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
জেলা বিএনপি আজ (বুহস্পতিবার) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সিলেট নগরীর কোর্ট পয়েন্টে মানববন্ধন ও দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দেবে।
আরও পড়ুন: গুমের তদন্তকারীদের হত্যার জন্য বোমা পুঁতে রাখা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর
এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী। এ ছাড়া সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে বাদ জোহর হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজার মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন আহ্বায়ক আবদুল আহাদ খান জামাল।
তিনি জানান, ‘১৩ বছর ধরে প্রিয় নেতাকে ফিরে পাওয়ার দাবি করা হচ্ছে। অতীতের ফ্যাসিস্ট সরকার তাঁকে গুম করে রাখে। কিন্তু আজও তার সন্ধান মেলেনি।’
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা এখনও আশা ছাড়িনি। ইলিয়াস আলীর প্রতীক্ষায় আছি। তিনি এমন এক নেতা, যার জন্য প্রাণ দিয়েছেন কর্মীরা।’
৫৫৯ দিন আগে
বিএনপি সংস্কারেরই দল, তবে সবকিছুর মূলে জনগণ: নজরুল ইসলাম খান
বিএনপি সংস্কারের বিপক্ষে নয় বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, ‘বরং বিএনপি সংস্কারেরই দল, তবে সবকিছুর মূলে জনগণ। জনগণের সম্মতিতে যেন সব হয়।’
বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) সকালে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বিএনপির আলোচনার শুরুতে তিনি এসব কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান আরও বলেন, ‘আমরা গতকাল বুধবার প্রধান উপদেষ্টাকে বলেছি, বিএনপি সংস্কারের বিপক্ষে নয়, বিএনপি সংস্কারেরই দল। কিন্তু কেউ কেউ নানান কথা বলেন। তারা যখন সংস্কারের দন্তস্য উচ্চারণ করেননি, তখন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ভিশন ২০৩০ দিয়েছেন।’
সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলো নিয়ে বিএনপির সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জাতীয় সংসদের এলডি হলে শুরু হয়েছে।
গণতন্ত্রের জন্য দীর্ঘ আন্দোলন–সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমাদের সামনে আরেকবার একটা সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, আমরা তা কাজে লাগাতে চাই। আমরা এই কমিশনকে সহযোগিতা করছি, এই সরকারকে সহযোগিতা করছি, সেই প্রত্যাশা নিয়েই।’
আরও পড়ুন: নির্বাচনের রোডম্যাপ নিয়ে সন্তুষ্ট নয় বিএনপি: ফখরুল
যদি ঐকমত্য কমিশনের কোনো সনদ না-ও হয়, বিএনপির জন্য সংস্কারের সনদ রয়েছে বলে জানান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, সবকিছুর মূলে জনগণ এবং জনগণের সম্মতিতে যেন সব হয়। তিনি আরও বলেন, ‘আর জনগণ কার মাধ্যমে সম্মতি জানায়, তা আমরা জানি।’
আলোচনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদ, নজরুল ইসলাম খান, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ,আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল, সাবেক সচিব নিরুজ্জামান খান অংশ নেন।
আজ দিনব্যাপী এই আলোচনা চলতে পারে বলে ঐক্য কমিশন সূত্রে জানা গেছে। আজ আলোচনা শেষ না হলে প্রয়োজনে আগামী সপ্তাহে আবারও বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় বসবে কমিশন।
৫৫৯ দিন আগে
এনসিপি নেতাদের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকের অংশ হিসেবে নাহিদ ইসলামসহ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।
বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতি যুক্তরাজ্যের সমর্থন এবং একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথ নিয়ে তারা আলোচনা করেন। বুধবার (১৬ এপ্রিল) এ তথ্য জানায় হাইকমিশন।
এর আগে, মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) ইউরোপীয় দেশগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এনসিপির নেতারা। সে সময় দলের দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা করেন তারা। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সমর্থনের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।
বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার উপস্থিত ছিলেন।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা বৈঠকে দলটির প্রতিনিধিত্ব করেন।
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং যে প্রেক্ষাপটে এনসিপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সে সম্পর্কে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়া এনসিপির প্রস্তাবিত সংস্কার ও বিচার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারের কথা বৈঠকে তুলে ধরা হয়।
৫৫৯ দিন আগে
নির্বাচন নিয়ে ড. ইউনূসের প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দেখতে চায় জামায়াত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন জামায়াতে ইসলামী দেখতে চায় বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ সফররত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ ও সেন্ট্রাল এশিয়া ব্যুরোর ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি নিকোল এন চুলিক-এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘তাদের সঙ্গে আমাদের খোলামেলা কথা হয়েছে। তারা বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অবস্থা জানতে চেয়েছেন। তারা আগামী নির্বাচন কখন হবে, কীভাবে হবে এটা জানতে চেয়েছেন। তারা আরও জানতে চেয়েছেন সবগুলো দল সংস্কার চাচ্ছে, সেই সংস্কার কেমন হতে পারে এবং আমরা কি চাচ্ছি?’
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন জনগণ মেনে নেবে না: জামায়াত আমীর
তিনি বলেন, ‘আমরা যদি আগামীতে দেশের দায়িত্ব পাই তাহলে আমাদের ইকোনমিক পলিসি এবং ফরেন রিলেশনটা কেমন হবে? তারা আমাদের রিজিওনাল বা আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয়গুলোও জানতে চেয়েছেন। আমরা এ সমস্ত বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছি।’
জামায়াত আমির বলেন, তারা মাইনরিটি ইস্যু (সংখ্যালঘু) নিয়ে কথা বলেছেন, তারা নারী অধিকার ও লেবার রাইটস নিয়েও কথা বলেছেন। আমরা তাদের এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি।
দেশ জটিল পরিস্থিতিতে আছে ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিবাহিত করার সময় আমেরিকার ৩৭ শতাংশ শুল্কারোপ পুনর্বিবেচনা করার জন্য তাদের অনুরোধ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে জানানোর অনুরোধ করেছেন বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের দলের ভেতরে গণতন্ত্র চর্চা করি এবং আমাদের দেশেও গণতন্ত্র চর্চা করতে চাই। এজন্য আমাদের যা করণীয় তা আমরা করব।
ডা. শফিকুর বলেন, জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযম নির্বাচনকে জীবন ফিরিয়ে দিয়েছিলেন কেয়ারটেকার সরকার ফর্মুলা প্রস্তাবনার মাধ্যমে। যেটা পরবর্তীকালে বাংলাদেশের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। কিন্তু দুঃখজনভাবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে দলীয় স্বার্থে এটাকে নির্বাসনে পাঠিয়ে দিয়েছিল। এখন আবার গোটা জাতি এটা চাচ্ছে এবং আমরা আশাকরি এটা আবার সংবিধানে সন্নিবেশিত হবে।
আরও পড়ুন: রাজনীতিবিদদের কাঁদা ছোড়াছুড়ি জনগণ পছন্দ করে না: মিয়া গোলাম পরওয়ার
তিনি বলেন, মার্কিন কর্মকর্তাদের নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় প্রশ্নে আমরা বলেছি, সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, এ বছরের ডিসেম্বর অথবা আগামী বছরের জুনের মধ্যে নির্বাচন দিবেন। আমরা আশা করি ইলেকশনটা এ সময়ের মধ্যেই হবে। তবে আগামী রমযানের আগে হলে ভালো হয়। জুনের দিকে নির্বাচন দিলে তখন বর্ষা, ঝড়-ঝাপটাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসতে পারে। তখন আবার নির্বাচনটা পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেবে। আমরা এজন্য চাচ্ছি, ঐ আশঙ্কার আগেই যাতে নির্বাচনটা হয়ে যায়।
আওয়ামী লীগের বিচার প্রসঙ্গে জামায়াতপ্রধান বলেন, ‘জাতি ট্রমাটাইসড! এখনো হাসপাতালে অনেক আহত-পঙ্গুত্ববরণকারীরা পড়ে আছেন। এখনো শহীদদের মা-সন্তান-স্ত্রীরা কান্না করছেন। এই অবস্থায় আওয়ামী লীগের বিচার অবশ্যই হতে হবে। তবে আমরা সঠিক বিচার ও শাস্তি চাই।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন ও জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মাহমুদুল হাসান।
৫৫৯ দিন আগে
নির্বাচনের রোডম্যাপ নিয়ে সন্তুষ্ট নয় বিএনপি: ফখরুল
আগামী জাতীয় নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা না করায় বিএনপি একেবারেই সন্তুষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টা বৈঠক শেষে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
বৈঠকে বিএনপির সাত সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন মির্জা ফখরুল। পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করে আমাদের উদ্বেগের কারণগুলো তাকে জানিয়েছি। প্রধান যে বিষয়টি ছিল, নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ—যেটা আমরা বেশকিছুকাল থেকেই বলে এসেছি—সে বিষয়ে তার সঙ্গে আমরা কথা বলেছি।’আরও পড়ুন: ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপির প্রতিনিধি দল
‘বর্তমানে যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আছে এবং দেশের যে অবস্থা, তাতে করে আমরা বিশ্বাস করি, এখানে একটি অতি দ্রুত নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সমস্যাগুলোর সমাধান করতে হবে। একইসঙ্গে চলমান যে সংস্কার কমিশনগুলো, সেগুলোতে আমরা সহযোগিতা করছি,’ বলেন তিনি।
‘নির্বাচন নিয়ে আমাদের কোনো সুনির্দিষ্ট ডেডলাইন দেনটি প্রধান উপদেষ্টা। তিনি ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন শেষ করতে চান।’
আপনারা তাতে সন্তুষ্ট কিনা; জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা একেবারেই সন্তুষ্ট নই। আমরা পরিষ্কার করে বলেছি, ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না হলে দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাবে। তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।’
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠক
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠক বলেও জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল।
তিনি বলেন, ‘গত কয়েকদিন আগে সংস্কার নিয়ে আমাদের মতামত দিয়েছি। আগামীকাল এ নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠক আছে। আমরা স্পষ্ট করে বলেছি, যে বিষয়গুলোতে সব দলের ঐকমত্য হবে, সেগুলো নিয়ে আমরা চার্টার করতে রাজি আছে।’
‘তার পরে সেটির ওপর ভিত্তি করে আমরা নির্বাচনের দিকে চলে যেতে পারি। বাকি সংস্কার, যেগুলোতে ঐকমত্য হবে—সেটা অবশ্যই আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যারা নির্বাচনে হয়ে ক্ষমতায় আসবেন—তারা বাস্তবায়ন করার ব্যবস্থা নেবে।’
বৈঠকে বিএনপির প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন, দলটির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য জমিরউদ্দীন সরকার, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সালাহউদ্দিন আহম্মেদ ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
৫৬০ দিন আগে
নববর্ষে জাতির আকাঙ্ক্ষা মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া: রিজভী
আজকের নববর্ষে জাতির আকাঙ্ক্ষা অতিদ্রুত মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
সোমবার(১৪ এপ্রিল) দুপুরে নববর্ষ উপলক্ষে রাজধানীর সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে সতীর্থ স্বজনের উদ্যোগে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন,'যার জন্য আমরা গত ১৫ থেকে ১৬ বছর ধরে লড়াই করছি এখনও সেটি নিশ্চিত হয়নি। সেটি নিশ্চিত করার পথেই আমরা এগুচ্ছি। কিন্তু, এটি নিয়ে টালবাহানা করা চলবে না। চলবে না এই অর্থেই যে, এটার জন্যই তো সংগ্রাম হয়েছে—সেটা হলো গণতন্ত্র। সুতরাং নববর্ষে জাতির আকাঙ্ক্ষা মানুষের ভোটাধিকার ফিরেয়ে দেওয়া। কারণ, শেখ হাসিনা মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছিল।
বিএনপির এই নেতা বলেন, এই ভোটাধিকার কেড়ে নিতে গিয়ে তিনি(হাসিনা) আজীবন ক্ষমতাবিলাসী চেতনা নিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, দেশের ন্যায় বিচার, আদালত, আইন কানুন, গণমাধ্যম সবকিছু ভেঙেচুরে তছনছ করে দিয়ে একটা একদলীয় কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন।
রিজভী বলেন, 'শেখ হাসিনার এই ভয়ংকর থাবার মধ্যেও এদেশের মানুষ তার নিজস্ব চিন্তা তার নিজস্ব সংস্কৃতি তার গৌরবময় অতীত এবং তার আবহমান বাংলার প্রকৃত যে আদর্শ—সেটা বুকে ধারন করেই লড়াই করেছে। আর এই লড়াই করেছে বলেই আমরা আজকে বিজয়ী হয়েছি।
তিনি বলেন, এই বিজয়কে আরও দীর্ঘস্থায়ী করতে হবে। এই বিজয়কে একটি গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে অবশ্যই আমি যে কথাটি বললাম— আজকের নববর্ষের জাতির আকাঙ্খা হচ্ছে অতিদ্রুত ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া।
রিজভী প্রশ্ন রেখে বলেন, 'ভোটাধিকারকে কেন সংস্কারের সঙ্গে এক করে দেওয়া হচ্ছে? পৃথিবীর কোথাও তো এটা দেখা হয়নি। গণতন্ত্র মানেই সংস্কার। গণতন্ত্র মানে একটা নদীর প্রবল স্রোতের মতো একটা পদ্ধতি, একটি ধারাবাহিকতা। যে নদীর পানি যত খরস্রোতা, সেই নদীর পানি তত স্বচ্ছ। কারণ, সেখানে কোনো ধরনের আবদ্ধতা তৈরি হয় না ‘
আরও পড়ুন: প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠক ১৬ এপ্রিল
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব বলেন, 'বিগত ১৫ থেকে ১৬ বছর অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে একটি বিদেশি সংস্কৃতির উপদানগুলো আমাদের উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে কত পরিকল্পিত এবং সূক্ষ্মভাবে তারা যে মঙ্গল শোভাযাত্রার নামে যে সমস্ত মুখোশ ব্যবহার করত, যে প্রতিকৃতিগুলো তারা ব্যবহার করত—সেখানে পরিকল্পিতভাবে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিকৃতভাবে চিহ্নিত করে একে সেটা নিয়ে তারা মঙ্গল শোভাযাত্রা করেছে।
তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশে প্রত্যেকের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত থাকতে হবে। সেখানে পরিকল্পিতভাবে দাড়িওয়ালা, টুপি ওয়ালাদেরকে বিকৃত করা হতো, কেন? সব দাড়িওয়ালা টুপিওয়ালারা তো স্বাধীনতা যুদ্ধে বিরোধিতা করেনি। দেশের প্রত্যেকটি মানুষ একটি পর্যায়ে বুঝতে পেরেছে আমরা একটি পরিকল্পিত আগ্রাসী শক্তির সাংস্কৃতিক আধিপত্যের মধ্যে পড়ে যাচ্ছি।
রিজভী বলেন, '৫ আগস্টের আন্দোলনের যে সফলতা, এই যে দুনিয়া কাঁপানো যে বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শুধু একটি রাজনৈতিক দল বা ফ্যাসিস্টের পতন নয়—এটা ছিল আমাদের পদলিত করে রাখার যে সাংস্কৃতিক অর্থনৈতিক আধিপত্যবাদী চক্রান্ত, সেটার বিরুদ্ধেও কিন্তু এই লড়াইয়ে বিজয়ী হওয়া। শুধু হাসিনার পতন নয়, আমরা সমস্ত দিক থেকে বিজয়ী হয়েছি—এটার মধ্য দিয়ে।
এসময় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য অধ্যাপক নুরুল ইসলাম, কবি রেজাবুদ্দৌলা স্টারলিন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান, যুবদল নেতা মেহবুব মাসুম শান্ত, ছাত্রদল নেতা তৌহিদ আউয়াল, রাজু আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
৫৬২ দিন আগে
সোমবার সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরছেন মির্জা ফখরুল
সিঙ্গাপুরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে সস্ত্রীক দেশে ফিরছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (১১ এপ্রিল) বিকালে ইউএনবিকে ফখরুল বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ আমরা ১৪ এপ্রিল (সোমবার) বিকালে দেশে ফিরব। আমাদের দুইজনেরই সবগুলো রিপোর্ট ভালো। আমার স্ত্রীর অবস্থাও ভালো। উনি সুস্থ ও ভালো আছেন।’
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গত ৬ এপ্রিল সিঙ্গাপুর যান মির্জা ফখরুল ও তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার ফখরুলের নামে একটি ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজ থেকে তার স্ত্রীকে নিয়ে এক পোস্ট আলোচনার জন্ম দেয়।
আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন ফখরুল
৫৬৫ দিন আগে
বাংলাদেশের অর্থনীতিকে মুক্ত অবস্থায় নিয়ে যেতে চাই: আমীর খসরু
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চেয়ারপারসনের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘আমরা বিনিয়োগে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসব। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আমরা একটি মুক্ত অবস্থায় নিয়ে যেতে চাই। বিনিয়োগের মাধ্যমে যে অর্থনীতি এগিয়ে যাবে, সে অর্থনীতি স্থিতিশীল হয়।’
বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল সারিনায় বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২৫-এর অতিথিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। দলের ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ নীতি বাড়াতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিএনপি।
আমীর খসরু বলেন, ‘বিনিয়োগের স্বার্থে সবার মধ্যে ঐক্য থাকা উচিত। আমরা বিশ্বাস করি, বিনিয়োগ ছাড়া দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব না। বিগত সরকারের দুর্নীতির কারণে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধ্বংস হয়েছে।’
আরও পড়ুন: প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠক ১৬ এপ্রিল
তিনি বলেন, ‘বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার নীতিমালা নিয়ে প্রস্তুত বিএনপি। এর মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। এই নীতিতে বিশ্বাস করে বিএনপি। বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা দিতে যা যা করণীয়, আমরা করব।’
বিনিয়োগ-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে বিএনপি সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে বলেও জানান তিনি।
অন্তর্বর্তী সরকারের বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জনস্বার্থে করা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সব বিষয়কে আমরা সমর্থন করি। তবে সম্মেলনে আগত সকল বিনিয়োগকারীরা আগামী নির্বাচনের পর নির্বাচিত সরকারের নীতিমালা সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। আমরা আশা করি, যে নীতিমালা নির্ধারণ করেছি, তা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।’
৫৬৫ দিন আগে