রাজনীতি
সংস্কার প্রস্তাবনা জমা দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজের কাছে সংস্কার প্রস্তাব সম্পর্কিত নিজেদের মতামত জমা দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ ভবনে কমিশনের কার্যালয়ে এই প্রস্তাবনা জমা দেন দলটির মহাসচিব প্রিন্সিপাল মাওলানা ইউনুছ আহমেদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
ইসলামী আন্দোলনের প্রতিনিধিদলে ছিলেন দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম ও সহকারী মহাসচিব আহমদ আবদুল কাইয়ুম।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
সংস্কার বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য গঠনের উদ্দেশ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠিত হওয়ার পর গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এই কমিশনের কার্যক্রম শুরু হয়।
আরও পড়ুন: কমিশনে স্বাস্থ্য সংস্কার প্রস্তাব জমা দিয়েছে বিএনপি
প্রথম পর্যায়ে গঠিত সংস্কার কমিশনগুলোর মধ্যে সংবিধান সংস্কার কমিশন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লিখিত গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলোর ওপর রাজনৈতিক দলগুলোর সুনির্দিষ্ট মতামত জানাতে অনুরোধ করে সুপারিশগুলোর স্প্রেডশিট আকারে ৩৯টি রাজনৈতিক দলের কাছে তা পাঠানো হয়। এ পর্যন্ত ৩২টি রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে মতামত পেয়েছে কমিশন।
সংস্কার কমিশনগুলোর করা সুপারিশ চূড়ান্ত করতে গত ২০ মার্চ থেকে আনুষ্ঠানিক সংলাপ শুরু করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। ইতোমধ্যে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি ও নাগরিক ঐক্যের সঙ্গে আলোচনা করেছে কমিশন। আগামী শনিবার বাংলাদেশ জাসদ ও জাকের পার্টির সঙ্গে কমিশনের আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
৫৬৬ দিন আগে
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠক ১৬ এপ্রিল
জাতীয় নির্বাচন ও সংস্কার বিষয়ে আলোচনার জন্য বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল ১৬ এপ্রিল প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে বসবে। বিএনপির অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বুধবার (৯ এপ্রিল) ইউএনবিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি জানান, ‘বৈঠকটি ১৬ এপ্রিল দুপুর ১২টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত হবে।’
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন নিয়ে যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে, সেটি দূর করতে আমরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চেয়েছি। বৈঠকের পর নির্বাচন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য আমরা জানাব।’
আরও পড়ুন: সংস্কার সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে: বিএনপি মহাসচিব
তিনি আরও বলেন, ‘বৈঠকে তারা প্রধান উপদেষ্টার কাছে নির্বাচন সংক্রান্ত একটি স্পষ্ট রোডম্যাপ উপস্থাপনের অনুরোধ করবেন। নির্বাচনের রোডম্যাপ যদি স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করা হয়, তবে বর্তমান যে অনিশ্চয়তা এবং অস্থিরতা তৈরি হয়েছে তা দূর হবে।’
সালাহউদ্দিন বলেন, ‘নির্বাচনের সঠিক রোডম্যাপ কেবল বিভ্রান্তি দূর করতেই নয়, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনতে সহায়ক হবে।’
বিএনপি নেতা জানান, ‘তারা নির্বাচন ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠানের বিষয়ে সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্তি করারও অনুরোধ করবেন।’
‘আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আগেই কথা বলেছি, তারা জানিয়েছেন, জুনের মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা সম্ভব। প্রধান উপদেষ্টা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে, ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও পক্ষ থেকে নানা ধরনের বক্তব্যের কারণে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে প্রধান উপদেষ্টাকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানানো হবে।’
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির অপর স্থায়ী কমিটির বলেন, ‘আমরা সংস্কার প্রক্রিয়া নিয়েও আলোচনা করব, বিশেষত, নির্বাচন কবে হবে – এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে চাই।’
তিনি জানান, ‘সোমবার দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, দ্রুত প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করতে হবে, কারণ নির্বাচন নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার প্রকৃত অবস্থান নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।’
আরও পড়ুন: নির্বাচনের স্পষ্ট রোডম্যাপ চায় বিএনপি: ফখরুল
এদিকে, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বর্তমানে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য গেছেন। তবে, তিনি শিগগিরই দেশে ফিরে আসবেন এবং বৈঠকে অংশ নেবেন বলে আশাপ্রকাশ করেন ওই নেতা।
বিএনপি প্রতিনিধি দল বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টাকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেবে যে, যদি সরকার অযথাই আগামী বছরের জুন পর্যন্ত ক্ষমতার মেয়াদ বাড়ানোর চেষ্টা করে, তবে বিএনপি সেটি কোনোভাবেই মেনে নেবে না।
৫৬৬ দিন আগে
বিএনপি-কর্মীদের ওপর ফুলের টোকা পড়লেও আইনি আশ্রয় চান শামা ওবায়েদ
বিএনপির কোনো কর্মীর ওপর ফুলের টোকা পড়লেও অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইনের আশ্রয়ে আনতে হবে বলে দাবি করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ।
ফরিদপুরের সালথায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ক্ষতিগ্রস্ত বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাড়ি পরিদর্শনকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
আজ (শুক্রবার) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে সংঘর্ষস্থল উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরুটিয়া গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাড়ি পরিদর্শন করেন শামা ওবায়েদ। এ সময় স্থানীয় ও উপজেলা বিএনপির নেতারা তার সঙ্গে ছিলেন।
পরিদর্শনকালে তিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আফছার মাতুব্বরকে ঘটনার জন্য দায়ী করেন এবং তাকে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনকে অনুরোধ জানান।
আরও পড়ুন: সংস্কার সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে: বিএনপি মহাসচিব
তিনি বলেন, ‘যদি আফছার চেয়ারম্যান এই সমাজে সবার সঙ্গে মিলেমিশে থাকতে চায়, তাহলে তাকে দলমত নির্বিশেষে মিলেমিশে চলতে হবে। আর যদি এ ধরনের অন্যায় কাজ করে তাহলে তাকে আইনের আওতায় নেব।’
এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘আমাদের বক্তব্য পরিষ্কার, বিএনপি কারো ওপর নির্যাতন করতে চায় না। কেউ যদি বেগম খালেদা জিয়ার, তারেক রহমানের কিংবা আমার কোনো নেতা-কর্মীর ওপর ফুলের টোকাও দেয়, তাহলে তাকে আইনের আশ্রয় নিতে হবে।’
‘আমরা সালথায় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চাই। সেই শান্তি যদি কেউ বিনষ্ট করে, অশান্তি তৈরি করে, তাদের কাউকে প্রশাসনের ছাড় দেওয়া উচিত নয়।’
স্থানীয় বিএনপি নেতা মিন্টু মিয়াকে নিরাপদ দাবি করে তিনি বলেন, ‘মিন্টুর দোষ ছিলর রোজার মাসে বিএনপির ইফতার পার্টিতে যোগ দেওয়া। এ কারণে নিরাপরাধ লোকের বাড়িতে হামলা হয়েছে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।’
এ সময় তিনি নেতা-কর্মীদের ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানান। এছাড়া এ ঘটনার সঙ্গে দলীয় নেতা-কর্মীরা কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন: জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি করছে সরকার: রিজভী
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে কথা হয় ইউপি চেয়ারম্যান আফছার মাতুব্বরের ছেলে ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল হোসেনের সঙ্গে। তিনি দাবি করেন, ‘আমার বাবা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় ঘরে রয়েছেন। তিনি কেন (হামলার) নেতৃত্ব দিতে যাবে? চাঁদা চাওয়া নিয়ে ঘটনাটি ঘটেছে।’
উল্লেখ্য, গতকাল (বৃহস্পতিবার) সালথা উপজেলায় এক বিএনপি নেতাকে চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয়পক্ষের বাড়িঘর ভাঙচুর ও এক আওয়ামী লীগ সমর্থক কৃষকের ঘরে আগুন দেওয়া হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।
উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরুটিয়া গ্রামে দফায় দফায় এ সংঘর্ষ হয়। এতে একপক্ষের নেতৃত্ব দেন ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি হারুন মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়া এবং অপরপক্ষের নেতৃত্ব দেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আফছার মাতব্বরের অনুসারী আওয়ালী লীগকর্মী বেলায়েত মোল্যা।
৫৭১ দিন আগে
লন্ডনে খালেদা জিয়ার ‘পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা’ শুরু
যুক্তরাজ্যের লন্ডন ক্লিনিকের চিকিৎসকরা খালেদা জিয়ার পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু করেছেন। লন্ডনে অবস্থানরত তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন বুধবার (২ এপ্রিল) গণমাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আজ (বুধবার) থেকে ম্যাডামের পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আগামী চারদিন উনার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা হবে। এ সময় উনার ডাক্তাররা (লন্ডন ক্লিনিকের চিকিৎসকরা) বাসায় উনাকে দেখতে আসবেন।’
তিনি বলেন, ‘কিছু পরীক্ষা করার জন্য হয়তো উনাকে লন্ডনে ক্লিনিকেও নিয়ে যাওয়া হবে। আগামী কয়েকটি দিন বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা আছে, যা চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে করা হচ্ছে।’
কবে দেশে ফিরতে পারেন জানতে চাইলে জাহিদ হোসেন বলেন, ‘যেসব পরীক্ষা করতে বলেছেন, সেগুলোর রিপোর্ট পর্যালোচনা করে এখানকার ডাক্তাররা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন—কত দ্রুত ছুটি দেওয়া যায়।’
আরও পড়ুন: গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য ঐক্যবদ্ধ হোন: খালেদা জিয়া
এখন কেমন আছেন জানতে চাইলে এই চিকিৎসক বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, ম্যাডামের মানসিক ও শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। মানসিকভাবে উনি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ভালো। মাচ বেটার।’
সম্প্রতি লন্ডনের একটি পার্কে খালেদা জিয়ার হুইল চেয়ারে বসা একটি ভিডিও ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) হুইল চেয়ারে করে জাস্ট উনাকে (খালেদা জিয়া) গাড়ি থেকে নামিয়ে ঘোরানো হয়েছিল। শীত কম ছিল, সেজন্য কিছুক্ষণ ঘোরানো হয়েছিল। একুট মন ভালো লাগার জন্য, উনাকে স্থানীয় একটি পার্কে (সাউথ-ওয়েস্ট ইনার লন্ডনে) গাড়ি থেকে নামিয়ে ঘোরানো হয়েছিল এই আর কি। পার্কের নানা রঙের ফুল, বাগান দেখালে ম্যাডামের একটু ভালো লাগবে—এই চিন্তা করে এটা করা হয়েছিল।’
তারেক রহমানের বাসায় থেকে লন্ডন ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক প্যাট্রিক কেনেডি ও অধ্যাপক জেনিফার ক্রসের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
উন্নত চিকিৎসার জন্য চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে লন্ডনে যান তিনি। গত ৮ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি লন্ডনের দ্য ক্লিনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এরপর থেকে তারেক রহমানের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
আরও পড়ুন: লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন খালেদা জিয়া
৭৯ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি, হার্ট, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিসসহ শারীরিক নানা অসুস্থতায় ভুগছেন।
লন্ডনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন বেগম খালেদা জিয়া। ছেলে তারেক রহমানের বাসায় আনন্দঘন পরিবেশে সময় কাটছে তার। ছেলে, পুত্রবধূ ও নাতনিদের সান্নিধ্যে এবার উৎসবের আমেজে ঈদ উদযাপন করেছেন তিনি।
৫৭৩ দিন আগে
টাকা দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসে প্রতিবেদন ছাপিয়েছে আ. লীগের দোসররা: রিজভী
আওয়ামী লীগের দোসররা তাদের অবৈধ টাকা দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসে মিথ্যা প্রতিবেদন প্রকাশ করিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
বুধবার (২ এপ্রিল) নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রপন্থিদের উত্থানের বিষয়ে মার্কিন প্রভাবশালী দৈনিকটিতে প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এসব বলেন তিনি।
রিজভী বলেন,‘পরাজিত শক্তি নিউইয়র্ক টাইমসে মিথ্যা তথ্য দিয়ে রিপোর্ট করিয়েছে। ফ্যাসিবাদের দোসররা হাজার হাজার কোটি অবৈধ টাকার মালিক। তাদের অবৈধ টাকা ব্যবহার করে বাংলাদেশকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করছে।’
বিএনপির সিনিয়র এই নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশে উগ্রবাদের কোনো উত্থান ঘটেনি। বরং বর্তমানে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের কোনো ছোবল নেই, মানুষ নির্বিঘ্নে ধর্মপালন করছেন। কথা বলতে পারছেন। নির্ভয়ে ও স্বস্তিতে ঈদ পালন করেছেন। শেখ হাসিনার আমলে যা সম্ভব ছিল না।’
আরও পড়ুন: সংস্কার সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে: বিএনপি মহাসচিব
আওয়ামী লীগের দোসররা বিশ্বব্যাপী অপতথ্য ছড়াচ্ছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘শেখ হাসিনা জঙ্গি দমনের নামে নাটক করে সেটা বিশ্ববাসীকে দেখিয়েছেন। এটা ক্ষমতায় টিকে থাকতে তার রাজনৈতিক কৌশল ছিল। একজন সাবেক আইজিপির বইয়েও তা উঠে এসেছে।’
তিনি বলেন, ‘কালো টাকা খরচ করে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ। অস্থিরতা তৈরি করতে দেশকে ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে বিদেশে পালিয়ে থাকা আওয়ামী লীগের নেতারা।’
এ সময় অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উপদেষ্টা বিএনপির বিরুদ্ধে বিষোদগার করছেন বলে অভিযোগ করেন বিএনপির এই নেতা। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বিএনপির বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার করা হচ্ছে বলে অভিমত দেন তিনি।
স্থানীয় সময় সোমবার (৩১ মার্চ) নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রবাদীদের উত্থানের শঙ্কা প্রকাশ করে একটি প্রতিবেদন করা হয়। এ প্রতিবেদনটি নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
৫৭৪ দিন আগে
সংস্কার সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে: বিএনপি মহাসচিব
সংস্কার সম্পর্কে বিএনপির বক্তব্যকে একটি মহল ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে প্রচার করছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কারে বিএনপির সমর্থন রয়েছে বলে জানান তিনি।
বুধবার (২ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও জেলা শহরের নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সংস্কার সম্পর্কে আমাদের বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে। কিছু মহল প্রচার করছে, বিএনপি আগে নির্বাচন, পরে সংস্কার চায়। এটি পুরোপুরি মিথ্যা। আমরা বরাবরই সংস্কারের পক্ষে কথা বলেছি।’
‘আমরা বলেছি, একটি সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচনের জন্য মিনিমাম যে সংস্কারগুলো করা দরকার সেগুলো করতে হবে। আমরা কখনোই বলিনি আগে নির্বাচন, পরে সংস্কার। এটা ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে। জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।’
আরও পড়ুন: নির্বাচনের স্পষ্ট রোডম্যাপ চায় বিএনপি: ফখরুল
সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার, আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থার সংস্কার এবং বিচার বিভাগের সংস্কারের ওপর বিএনপির জোর সমর্থন রয়েছে বলে অভিমত দেন দলটির এই মহাসচিব।
সংস্কার সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘তারা জ্ঞানী মানুষ, পণ্ডিত লোক, বিশাল ডিগ্রিধারী। তাদেরকে আমরা শ্রদ্ধা ও সম্মান করি। কিন্তু তারা যদি জনগণের বাইরে গিয়ে কিছু করে আমরা সেটিকে সমর্থন করতে পারব না।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গণতন্ত্রই হচ্ছে রাষ্ট্র পরিচালনার শ্রেষ্ঠ ব্যবস্থা। এখানে কোনো রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসার পরে স্বৈরাচারী হয়ে উঠলে জনগণই তাদের সরিয়ে দেবে। তাদের পরিস্থিতিও আওয়ামী সরকারের মতো হবে।’
তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের নিজস্ব মতামত থাকবে। জনগণ বেছে নেবেন, কোনটি তাদের জন্য উপযোগী। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নিজস্ব নীতিমালা নিয়ে জনগণের কাছে যাবে এবং জনগণ যাদের সমর্থন দেবেন, তারাই সরকার ও পার্লামেন্ট গঠন করবে, এটাই গণতন্ত্র।’
এসময় জেলা বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
৫৭৪ দিন আগে
আগামী নির্বাচন হবে ঐকমত্যের ভিত্তিতে: ফখরুল
সার্বিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে আগামী নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘সংস্কার ও নির্বাচন আলাদা জিনিস। তাই সংস্কার সংস্কারের মতো চলবে আর নির্বাচন হবে নির্বাচনের মতো।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপির পক্ষ থেকে দলীয় মতামত সংস্কার কমিশনকে দিয়েছি। এ বিষয়ে আগামীতে বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোও একসঙ্গে বসবে।’
মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) বিকালে শহরের কালিবাড়ি নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভার আগে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন এমন উপদেষ্টাদের সরিয়ে দিতে পরামর্শ ফখরুলের
চীন সফর অন্তর্বর্তী সরকারের একটি সাফল্য জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে একতরফাভাবে চীনের একটি দলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। তবে সরকারের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে চীন তাদের চিন্তা ভাবনা পরিবর্তন করেছে। চীন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আগামী দিনেও তারা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক খাতে বিনিয়োগ করবে। এটা নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য আশাবাদী।’
ফখরুল জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে সু-সম্পর্ক বজায় আছে। তবে বিএনপির প্রধান কাজ জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করা। এছাড়া নিজ দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গেও সুসম্পর্ক তৈরি করছে বিএনপি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘অন্তবর্তীকালীন সরকার বিএনপির সমর্থন ও ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এসেছে। রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য তারা সংস্কার কমিশন তৈরি করেছেন। সেই সংস্কারের প্রস্তাবগুলো যথাযথভাবে পর্যালোচনা করছি।’
৫৭৫ দিন আগে
সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন এমন উপদেষ্টাদের সরিয়ে দিতে পরামর্শ ফখরুলের
অন্তর্বর্তী সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন এমন উপদেষ্টাদের অপসারণের পরামর্শ দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উচিত সেইসব উপদেষ্টাদের অপসারণ করা, যারা তার সরকারের নিরপেক্ষতা নষ্ট করছেন এবং সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন।’
রবিবার (৩০ মার্চ) বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
ফখরুল বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনের আগে সরকার নিরপেক্ষতা হারালে বিএনপি তা কোনোভাবেই মেনে নেবে না। আমরা সরকারের পূর্ণ নিরপেক্ষতা প্রত্যাশা করি, বিশেষ করে অধ্যাপক ইউনূসের কাছ থেকে। যদি তিনি অনুভব করেন যে তার মন্ত্রিসভার কেউ নিরপেক্ষতা নষ্ট করছেন, তবে তাদের অপসারণ করা উচিত। তাকে (ড. ইউনূস) সম্পূর্ণ স্বচ্ছ থাকতে হবে।’
‘যদি প্রধান উপদেষ্টা এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেন, তাহলে জনগণের মধ্যে এমন ধারণা তৈরি হবে যে, এ সরকার নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।’
আরও পড়ুন: নির্বাচনের স্পষ্ট রোডম্যাপ চায় বিএনপি: ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন আমাদের হতাশ করেছে। কিছু উপদেষ্টার কার্যক্রম দেখে আমরা সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে গভীর সন্দেহ প্রকাশ করছি।’
তার অভিযোগ, ‘সরকারের কিছু উপদেষ্টা একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের স্বার্থে সরকারি সম্পদ অপব্যবহার করছেন, যা নিরপেক্ষতার পরিপন্থি এবং এটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত করছে।’
‘সরকারি সম্পদ রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহৃত হচ্ছে। নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে উন্নয়ন প্রকল্প ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য তহবিল বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, যা স্পষ্টভাবে নিরপেক্ষতার নীতির লঙ্ঘন।’
এই বিএনপি নেতার মতে, এসব কর্মকাণ্ড অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ করছে এবং গণতান্ত্রিক নির্বাচন নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা এখনও একটি সুস্পষ্ট নির্বাচনি রোডম্যাপ দেননি, যা ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে সহায়ক হতে পারত। একটি নির্ভরযোগ্য রোডম্যাপ থাকলে চলমান রাজনৈতিক সংকট প্রশমিত হতো এবং রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনি প্রস্তুতিতে মনোযোগী হতে পারত।’
৫৭৭ দিন আগে
৮ বছর পর পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করবেন খালেদা জিয়া
দীর্ঘ প্রায় আট বছর পর লন্ডনে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। এবারের ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন তার বড় ছেলে তারেক রহমান, পুত্রবধূ জোবাইদা রহমান, তাদের মেয়ে জাইমা রহমান, ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান, তাদের দুই মেয়ে জাফিয়া ও জাহিয়া রহমানের সঙ্গে।
লন্ডন থেকে ইউএনবির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলতে গিয়ে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এজেডএম জাহিদ হোসেন জানান, ‘দীর্ঘদিন পর পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে তিনি মানসিকভাবে বেশ প্রাফুল্ল ও স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘২৫ জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর থেকে খালেদা জিয়া লন্ডনের ক্লিনিকের অধ্যাপক প্যাট্রিক কেনেডি ও অধ্যাপক জেনিফার ক্রসের তত্ত্বাবধানে বাড়িতে চিকিৎসাধীন আছেন। চিকিৎসকদের একটি দল নিয়মিত তার স্বাস্থ্যের খবরাখবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন।’
বাংলাদেশে ফেরার বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. জাহিদ বলেন, ‘ঈদের পর যেকোনো সময় তিনি দেশে ফিরতে পারেন, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত চিকিৎসক দলের অনুমতির ওপর নির্ভর করছে।’
‘তার বর্তমান অবস্থা স্থিতিশীল, তাই আমি আশা করছি, মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি খুব শিগগিরই দেশে ফিরবেন।’
যুক্তরাজ্যে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে রবিবার অথবা সোমবার ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে সেখানে।
২০১৭ সালে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে গিয়ে তিনি তিন মাস অবস্থান করেছিলেন এবং সেসময় ঈদুল আজহা তার পরিবারের সঙ্গে উদযাপন করেন। কিন্তু ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাবন্দি হওয়ার পর থেকে তিনি আর পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পারেননি।
৭৯ বছর বয়সী এই সাবেক প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি ও হৃদযন্ত্রের সমস্যা, ডায়াবেটিস এবং বাতের সমস্যায় ভুগছেন।
৫৭৭ দিন আগে
রাজধানীতে শহীদ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রাজধানীর ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, খিলগাঁও, রামপুরা ও বাড্ডাসহ বেশ কয়েকটি থানা এলাকায় জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদদের পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে।
ফাউন্ডেশনের কুমিল্লা বিভাগীয় কমিটির সদস্য সচিব ডা. মো. মজিবুর রহমান গত দুই দিনে এ বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করেন।
তিনি বলেন, ‘ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পরিবারের একমাত্র উপার্জনাক্ষম সদস্য হারানো নিঃস্ব অনেক পরিবার স্বজন হারানোর পাহাড়সম কষ্টের মাঝেও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের পাঠানো ঈদের উপহার সামগ্রী ও তার সই করা চিঠি পেয়ে আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে ওঠেন। বিএনপির এই শীর্ষস্থানীয় নেতা হাজারো ব্যস্ততার মাঝেও তাদের স্মরণ রাখায় শহীদ পরিবারের স্বজনরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।’
ডা. মজিবুর রহমান বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে যারা জীবন দিয়ে দেশকে দ্বিতীয়বারের মতো স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, এসব শহীদদের পরিবারের হাতে সামান্য ঈদ উপহার পৌঁছে দিতে পেরে আমরা গৌরবান্বিত।’
তিনি রামপুরা ও বনশ্রী এলাকার বেশ কয়েকজন শহীদের শিশু সন্তানের লেখাপড়ার দায়িত্ব গ্রহন ও ও যে কোনো বিপদ-আপদে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
৫৭৮ দিন আগে