রাজনীতি
গণআন্দোলনে অংশ নেওয়া দুস্থ ব্যক্তিদের ঈদ উপহার দিলেন কাইয়ুম
ছাত্র-জনতার জুলাই গণআন্দোলনে অংশ নেওয়া দুস্থ ব্যক্তিদের ঈদ উপহার দিয়েছেন বিএনপির ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক এম এ কাইয়ুম।
শনিবার (২৯ মার্চ) রাজধানীর শাহজাদপুরে ঢাকাস্থ নরসিংদী জাতীয়তাবাদী ফোরামের উদ্যোগে তিন শতাধিক পরিবারে এই উপহার বিতরণ করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর, সদস্য এজিএম শামসুল হক, গুলশান থান বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক দীন ইসলাম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল আলম পলাশ।
আরও উপস্থিত ছিলেন ১৮ ওয়ার্ড সহসভাপতি আলমগীর আলম, ঢাকাস্থ নরসিংদী জাতীয়তাবাদী ফোরামের কর্মকর্তারা ছাড়াও স্থানীয় বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
৫৭৮ দিন আগে
জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি করছে সরকার: রিজভী
ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার মতো পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়ে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ধোঁয়াশা তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, ‘ডিসেম্বর না জুন না মার্চ, একেক সময় এককটা কথা। এটা তো শেখ হাসিনার কিছু কথা-বার্তার সঙ্গে মিল পাওয়া যায়।’
শুক্রবার (২৮ মার্চ) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে রিকশা-ভ্যান ও অটোরিকশাচালকদের মাঝে ঈদ উপহার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানে সবার ত্যাগ শিকার না করলে অন্তর্বর্তী সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হবে।’ জাতীয় নির্বাচন ডিসেম্বর না জুনে—এমন দোদুল্যমান বক্তব্য না দিয়ে স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করে জাতিকে আশ্বস্ত করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘অনেকেই বলেন যে, আন্দোলন কী করা হয়েছে শুধু নির্বাচন করার জন্য? নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি বলেই তো আন্দোলন হয়েছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করেননি শেখ হাসিনা। ক্ষমতা রক্ষার জন্য দেশকে একটি কারবালায় পরিণত করেছিলেন।’
আরও পড়ুন: সৎ ব্যক্তি নেতৃত্বে এলে আ.লীগ কেন রাজনীতি করতে পারবে না, প্রশ্ন রিজভীর
অনেক ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে ব্যাপক আন্দোলনের পর বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত না হলেও জনগণের সমর্থন রয়েছে। সব আন্দোলনকারী দল তাদের সমর্থন দিয়েছে।’
জনগণের আস্থা ধরে রাখতে নির্বাচন ঘিরে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করতে অন্তর্বর্তী সরকারকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
দুঃখ প্রকাশ করে এই বিএনপি নেতা বলেন, ‘এখনো ১২২টি গার্মেন্টেসের শ্রমিকরা কেন বেতন পায় না- এটা একটা বড় প্রশ্ন। প্রায় অর্ধশতাধিক গার্মেন্টস তারা বোনাস পায়নি কেন?’
‘সরকার হচ্ছে মালিক এবং শ্রমিক পক্ষের মধ্যে একটি লিয়াজোঁ অফিসারের ভূমিকা পালন করেন। এই জিনিসগুলোর দায়িত্ব সরকারের ওপর বর্তাবে। একজন শ্রমিক যদি না খেয়ে থাকে, ঈদের আগে সে যদি বেতন না পায় তাহলে শ্রমিকদের পরিবার ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারবে না। এইজনহিতকর পদক্ষেপ সরকারের দিক থেকে হওয়া উচিত। এটা সরকারের দেখা উচিত ছিল।’
আরও পড়ুন: উপদেষ্টারা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছেন: রিজভী
রিজভী উল্লেখ করেন, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে ১৭ জন রিকশাচালক প্রাণ হারিয়েছেন এবং তাদের পরিবার চরম দুর্ভোগ সহ্য করছে।
তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জনগণের রক্তের উপর গঠিত সরকার, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অকাতরে জীবনদানকারী শিশু-কিশোর-তরুণ-নারী-রিকশা-ভ্যান শ্রমিকদের চালকদের রক্তের ওপর গঠিত সরকার।’
৫৭৮ দিন আগে
ইশরাককে ডিএসসিসির মেয়র ঘোষণা
বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ঘোষণা করেছেন ঢাকার একটি আদালত।
প্রায় পাঁচ বছর আগে অনুষ্ঠিত ডিএসসিসি নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) আদালত এই রায় দিয়েছেন। ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল-১৫-এর বিচারক মো. নুরুল ইসলাম এই আদেশ দেন।
ইশরাকের আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ বলেন, ‘অনিয়ম, দুর্নীতি ও অগ্রহণযোগ্যতার অভিযোগে আমরা নির্বাচন বাতিল চেয়ে মামলা করেছিলাম। একই সঙ্গে তাকে মেয়র হিসেবে ঘোষণার আবেদন করি। আদালত আজ আমাদের পক্ষে রায় দিলেন।’
রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। পরে আদালত প্রাঙ্গণে ইশরাকের নেতৃত্বে একটি আনন্দ মিছিল করে বিএনপি নেতা-কর্মীরা।
এ সময় নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ন্যায়বিচার পেয়েছি। তবে শপথ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হবে দলীয়।’
অনিয়ম, দুর্নীতি ও অগ্রহণযোগ্যতার অভিযোগে ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারির ‘কথিত’ নির্বাচন বাতিলে একটি মামলা করেন ইশরাক। ওই নির্বাচনে ডিএসসিসি মেয়র পদে লড়েন তিনি, কিন্তু তখন তাকে পরাজিত ঘোষণা করে আওয়ামী লীগ নেতা শেখ ফজলে নুর তাপসকে মেয়র ঘোষণা করা হয়।
এরপর গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ১৯ আগস্ট ঢাকার দুই সিটি মেয়র ফজলে নূর তাপস ও আতিকুল ইসলামসহ দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের ১২ মেয়রকে বরখাস্ত করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
ইশরাকের করা মামলার বিচার চলাকালে তিনিসহ পাঁচজন সাক্ষ্য দেন। দুপক্ষের যুক্তিতর্ক ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আজ (বৃহস্পতিবার) ইশরাককে বিজয়ী ঘোষণা করে রায় দেন আদালত।
ইশরাক অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার ছেলে। তিনি বিএনপির আন্তর্জাতিক-বিষয়ক কমিটির সদস্য।
৫৮০ দিন আগে
রাজনীতিবিদদের কাঁদা ছোড়াছুড়ি জনগণ পছন্দ করে না: মিয়া গোলাম পরওয়ার
জনগণ রাজনীতিবিদদের কাঁদা ছোড়াছুড়ি পছন্দ করে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, কোনো কোনো দলকে এখন জামায়াতের বিরোধিতা করতে দেখা যায়। জামায়াতের বিরোধীতা করার আগে তাদের জামায়াতের অবদানের কথা স্মরণ করতে হবে।
জামায়াতের সেক্রেটারি বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান কখনো চায়নি পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশ হোক। তিনি দেশপ্রেমে নয়, ক্ষমতার মসনদে বসার লড়াই করেছেন। তিনি পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন বলেও উল্লেখ করেন গোলাম পরওয়ার।
গোলাম পরওয়ার প্রশ্ন রেখে বলেন, ৭ মার্চ যদি শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই থাকেন—তাহলে ৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ শেখ মুজিব পাকিস্তানি শাসকদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন কেন? তিনি বলেন, এ প্রশ্নের জবাব আজও আওয়ামী লীগ জাতির সামনে দিতে পারেনি।
'মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস' উপলক্ষে বুধবার (২৬ মার্চ) ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন দিন: মিয়া গোলাম পরওয়ার
গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী তাদের সঙ্গে থাকলে হয় সঙ্গী আর সঙ্গে না থাকলে হয় জঙ্গি! যারা জামায়াতে ইসলামীকে স্বাধীনতা বিরোধী বলেন, তাদেরকে জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্র পড়ার আহ্বান জানান মিয়া গোলাম পরওয়ার।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, এদেশে আমরা যারা ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করছি, তাদের এদেশ ছেড়ে যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। আমাদের চারদিকে আমাদের আধিপত্যবাদী শক্তি। আরেক পাশে বঙ্গোপসাগর। ফলে আমাদের জীবন ও অস্তিত্বের প্রয়োজনে আমরা এদেশকে ভালোবাসি। আমাদের ঈমান ও ইসলামের স্বার্থে এদেশকে ভালোবাসি। তাই ইসলামই মূলত স্বাধীনতার গ্যারান্টি।
তিনি বলেন, ভারত আমাদের এই দেশকে নিয়ে স্বাধীনতার পর থেকেই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এরই অংশ হিসেবে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার মিশনে নেমেছে ভারত। যার কারণে তারা আমাদের দেশ নিয়ে তাদের মিডিয়াতে নানা রকম গুজব ছড়াচ্ছে এবং প্রচার ও প্রকাশ করছে। বিরোধীতা করার আগে আয়নায় নিজের চেহারা দেখার এবং পূর্বের ইতিহাস জানারও পরামর্শ দেন অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, জামায়াতে ইসলামী কাঁদা ছোড়াছুড়ির রাজনীতি করে না। কোন দলের কোন নেতার পরিবারের কারা কারা স্বাধীনতাবিরোধী ছিল সেটা এদেশের জনগণ জানে। আজকে যারা আওয়ামী ফ্যাসিবাদের ভাষায় কথা বলেন, তারাও কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে স্বাধীনতা বিরোধীদের এমপি ও মন্ত্রী এমনকি রাষ্ট্রপতিও বানিয়েছেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ক্ষমতায় গিয়ে অনেকে জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীদের হত্যা করার পরও জাতীয় স্বার্থে জামায়াত সব কিছু ভুলে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে জোটবদ্ধ আন্দোলন করেছে।
আরও পড়ুন: যেনতেন একটা নির্বাচন দেশের জন্য কল্যাণকর হবে না: ডা. তাহের
মতের দ্বিমত থাকলেও দেশ ও জাতির স্বার্থে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
নির্বাচন প্রসঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান ব্যাখ্যা করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষ করে এবং গণহত্যার বিচার করে অন্তবর্তীকালীন সরকার যখন নির্বাচন দেবে জামায়াতে ইসলামী তখনই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। শুধু নিয়ম রক্ষার একটি নির্বাচন নয়— অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবির কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন জামায়াতের এই নেতা।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের পরিচালনায় বক্তব্য দেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও মাওলানা আব্দুল হালিম। এছাড়াও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মো. দেলাওয়ার হোসেন, মোহাম্মদ কামাল হোসেন ও অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মো. শামছুর রহমান, মহানগরী কর্মপরিষদের সদস্য মাওলানা ফরিদুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট এস এম কামাল উদ্দিন, মাওলানা মোশাররফ হোসেন, কামরুল আহসান হাসান, শাহীন আহমেদ খান, প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সহকারী সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমন প্রমুখ।
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন জনগণ মেনে নেবে না: জামায়াত আমীর
৫৮০ দিন আগে
দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে কিছু নেই: মির্জা আব্বাস
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন স্বাধীন সার্বভৌম বাংলদেশে আজকের এ স্বাধীনতা দিবস পালন প্রমাণ করবে যে, দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে দেশে কিছু নেই। তিনি বলেন, ‘যারা দ্বিতীয় স্বাধীনতার কথা বলেন, তারা স্বাধীনতা দিবসকে খাটো করতে চান, অর্থাৎ একাত্তরের স্বাধীনতায় তাদের ভূমিকা ছিল না।’
মির্জা আব্বাস বলেন, আমি বলব তারা যেন এখানেই নিবৃত্ত থাকেন ও স্বাধীনতা দিবসকে যেন সম্মান জানান ও শ্রদ্ধা করেন।’
বুধবার (২৬ মার্চ) জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।
জাতীয় ঐক্যে নিয়ে তিনি বলেন, ‘অনৈক্য কিছু নাই, একটা স্বার্থের জায়গা আছে। প্রত্যেকটা দলের নিজস্ব আদর্শিক জায়গা আছে, যার যার একটা মতাদর্শ আছে। যার যার মতাদর্শ থেকে কথা বলে। এটা আমি অনৈক্য বলবো না।’
আরও পড়ুন: রাজনৈতিক দলগুলোকে বিভক্ত করার অপচেষ্টা চলছে: মির্জা আব্বাস
তিনি আরও বলেন, ‘এখন দলীয় আদর্শের ওপর আমরা হয়তো ভিন্নভাবে আলাদা আলাদা জায়গা থেকে কথা বলছি। তবে অনৈক্য যদি কেউ বলেন, এমন সময় যদি আসে জাতীয় বৃহত্তর ঐক্যের প্রয়োজন, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যের প্রয়োজন—তখন কিন্তু আমরা সবাই এক হয়ে যাব।’
নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। আমরা সেখানেই বিশ্বাস রাখতে চাই। আমাদের বিশ্বাসের পরিবর্তন করতে চাই না।’
তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন ও দেশে থেকে দেশকে স্বাধীনও করেছেন। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদটা আমরা হারিয়ে ফেলেছিলাম। এখন আবার নতুন করে ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে নতুন আশ্বাস পেয়েছি। দেশবাসী আরও একবার জঞ্জালমুক্ত হয়েছে।’
৫৮১ দিন আগে
নির্বাচনের স্পষ্ট রোডম্যাপ চায় বিএনপি: ফখরুল
জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছে বিএনপি।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বুধবার (২৬ মার্চ) বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে নেতাকর্মীদের নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদেন শেষে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই হতাশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, ‘আমি খুবই হতাশ হয়েছি যে, গতকাল জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে স্পষ্ট কোনো নির্বাচনী রোডম্যাপ উল্লেখ করেননি প্রধান উপদেষ্টা।’
ফখরুল বলেন, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন দেওয়া হবে এটি একটি অস্পষ্ট বক্তব্য। ‘এটি খুবই অস্পষ্ট।’ ডিসেম্বর থেকে জুন -ছয় মাস। তাই এখানে কোনো রোডম্যাপ দেওয়া হয়নি।’
বিএনপি নেতা নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার জন্য দলের আহ্বান পুর্নব্যক্ত করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, অন্যথায় যে সংকট তৈরি হয়েছে, তার সমাধান হবে না।
ফখরুল বলেন, বিএনপি কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নির্বাচনের কথা বলছে না। ‘বিএনপি জাতির স্বার্থে, জাতির নিরাপত্তায়, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং নির্বাচিত সংসদ ও সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচনের কথা বলছে।’
আরও পড়ুন: সংকট উত্তরণে রাষ্ট্র পরিচালনায় অভিজ্ঞ বিএনপিকে দরকার: মুরাদ
বিএনপি মহাসচিব বলেন, তারা আশা করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দ্রুত নির্বাচনের জন্য ন্যূনতম সংস্কার করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে।
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ হাজার হাজার নেতাকর্মী নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ফখরুল।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেন।
এর আগে নেতাকর্মীদের নিয়ে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস সাভারের জাতীয় স্মৃতি সৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
ফখরুল হতাশা প্রকাশ করে বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার ভাষণে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করেননি। ‘কিন্তু এটিই ইতিহাস’।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের বিকৃত করা ইতিহাস চায় না বিএনপি।
বিএনপি নেতা বলেন, দেশে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব জনগণের নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে, তত তাড়াতাড়ি দেশের সমস্যাগুলো সমাধান হবে।
আরও পড়ুন: নতুন কুতুবদের ভাষা-বিবৃতি শুনলে মনে হয়, তারা বিশৃঙ্খলা চাইছে: ফখরুল
৫৮১ দিন আগে
নতুন কুতুবদের ভাষা-বিবৃতি শুনলে মনে হয়, তারা বিশৃঙ্খলা চাইছে: ফখরুল
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন কিছু কুতুবের আবির্ভাব হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আবার ১০০ গাড়ির বহর নিয়ে অনেকে নির্বাচনি প্রচারে যান উল্লেখ করে বাংলাদেশের উন্নতিতে এদের ‘ভূমিকা’ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু কুতুবের আবির্ভাব হয়েছে। তারা যে বাংলাদেশকে কোথায় নিতে চান, আমাদের জানা নেই।’
‘তাদের ভাষা, শব্দ কিংবা বিবৃতি শুনলে মনে হয়, তারা দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাইছে, গণতন্ত্র চাইছে না; তাই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’
গতকাল (সোমবার) শতাধিক গাড়ির বহর নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের নির্বাচনি প্রচারে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে এ সময় তিনি বলেন, ‘যারা ১০০ গাড়ি নিয়ে ইলেকশন ক্যাম্পেইন (নির্বাচনি প্রচার) করতে যায়, তারা আসলে কী করবে—সেটা আমরা ভালো বুঝি।’
আরও পড়ুন: মাগুরার শিশু ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি ফখরুলের
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি জনগণের সঙ্গে অতীতে ছিল, বর্তমানে আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। বিএনপি অবশ্যই জয়যুক্ত হবে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। কারণ, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রে যেতে হবে। গণতন্ত্র ছাড়া জনগণের কল্যাণের আর কোনো পদ্ধতি নেই বলে মনে করেন তিনি।
নির্বাচন পিছিয়ে অন্য কাউকে সহায়তা করতে, দেশে একটা নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে বল মত দেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা।
এ সময় সম্প্রতি সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘দেশে এমন সংকট তৈরি হয়েছে, দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে পর্যন্ত বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে। যারা সংকটে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ায়, আমাদের সুরক্ষা দেয়, তাদের কখনোই আমরা বিতর্কিত হতে দিতে পারি না।’
৫৮২ দিন আগে
সংকট উত্তরণে রাষ্ট্র পরিচালনায় অভিজ্ঞ বিএনপিকে দরকার: মুরাদ
বাংলাদেশ এখন অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় আছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা জেলা যুবদল সভাপতি ইয়াছিন ফেরদৌস মুরাদ।
তিনি বলেন, ‘এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য এমন সরকার দরকার, যাদের বিগত দিনে রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে। সেটি একমাত্র বিএনপিই হতে পারে।’
সোমবার (২৩ মার্চ) ধামরাইয়ের কুল্লা ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।
মুরাদ বলেন, ‘জিয়া পরিবারের হাতে বাংলাদেশ নিরাপদ। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে গিয়ে জিয়াউর রহমান প্রাণ দিয়েছেন, খালেদা জিয়া জেল খেটেছেন। তারেক রহমান নির্যাতিত হয়েছেন। গণতন্ত্রের জন্য তাদের চেয়ে বেশি ত্যাগ কেউ স্বীকার করেনি। চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে আছেন।
তিনি বলেন, দেশের মানুষে তাদের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। তারা কখন দেশে আসবেন, কখন তারেক রহমান দেশের দায়িত্বভার বুঝে নেবেন—সেই কাঙ্ক্ষিত দৃশ্য দেখতে চায় জনগণ।’
আরও পড়ুন: দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হলেও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়নি: মুরাদ
তিনি আরও বলেন, ‘দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। সেনাবাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করানো হচ্ছে। সেনাবাহিনী হচ্ছে জনগেণর শেষ আশ্রয়স্থল, দেশের গর্ব। তাদের সব ধরনের বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে।’
স্থানীয় বিএনপি নেতা ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন লোকমান হোসেন, সোলায়মান হোসেন, খলিলুর রহমান, এবাদুল হক জাহিদ, মিজানুর রহমান জুয়েল, মো. শাহজাহান, মো. সুমন, মো. জামান, ইশতিয়াক আহম্মেদ ফারুক, ফরহাদ হোসেন রিমন ও মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।
৫৮২ দিন আগে
জনগণের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীকে দাঁড় করানোর ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক করলেন তারেক
সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার চেষ্টার মাধ্যমে জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেন তিনি।
সোমবার (২৪ মার্চ) রাজধানীর লেডিস ক্লাবে বিএনপির মিডিয়া সেলের এক ইফতার মাহফিলে তিনি এই অভিযোগ করেন।
বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক এবং অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের সম্মানে বিএনপি মিডিয়া সেল এই ইফতারের আয়োজন করে।
ভার্চুয়ালি ইফতার মাহফিলে দেওয়া বক্তব্যে তারেক বলেন, ‘কোথাও কেউ হয়তো উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করছে। সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার মাধ্যমে জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হচ্ছে.. আমরা বুঝতে পারছি— এর পিছনে একটি ষড়যন্ত্র আছে।’
আরও পড়ুন: ‘পলাতক স্বৈরাচারের’ পুনর্বাসন নিয়ে সরকারকে তারেক রহমানের হুঁশিয়ারি
তিনি বলেন, ‘একটি মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। আমরা দেশের সকল দেশপ্রেমিক নাগরিক একসঙ্গে যদি কাজ করি, অবশ্যই এই ষড়যন্ত্রকে আমরা মোকাবিলা করতে সক্ষম হবো। আমাদের সর্বপ্রথম ও একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিৎ এই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।’
এই সংকট কাটিয়ে উঠতে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান বিএনপির এই নেতা।
তিনি বলেন, ‘আপনারা (সাংবাদিকরা) আপনাদের নিজের অবস্থান থেকে বিভ্রান্তি তৈরির জন্য বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে সঠিক তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরেন তাহলে— আমরা অবশ্যই এই চক্রান্ত নস্যাৎ করতে সক্ষম হবো।’
৫৮২ দিন আগে
ড্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দিয়েছে বিএনপি
দলের চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশিন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দিয়েছে বিএনপি।
সোমবার (২৪ মার্চ) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. আব্দুস সালামের নেতৃত্বাধীন ড্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। আসন্ন ড্যাব কাউন্সিলের জন্য ১২ সদস্যের একটি প্রস্ততি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আহ্বায়ক কমিটির মেয়াদ চলতি বছরের ২৫ মে পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে নবগঠিত প্রস্তুতি কমিটিকে কাউন্সিলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ঈদযাত্রায় ভোগান্তি ছাড়াই ভ্রমণ করছেন যাত্রীরা
১২ সদস্যের প্রস্তুতি কমিটির সদস্যরা হলেন—বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, বিজন কান্তি সরকার, অধ্যাপক মামুন আহমেদ, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য লুৎফর রহমান, বিএনপির শিক্ষা সম্পাদক অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সহকারী দপ্তর সম্পাদক এসএম রফিকুল ইসলাম, পারভেজ রেজা কাকন এবং বিলুপ্ত কমিটির সদস্য শাহ মোহাম্মদ আমান উল্লাহ, এরফান আহমেদ সোহেল এবং মোস্তফা আজিজ সুমন।
উল্লেখ্য, অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ ও ডা. মো. আব্দুস সালামের নেতৃত্বাধীন ড্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটি ২০১৯ সালের ২৬ মে থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছিল।
৫৮৩ দিন আগে