রাজনীতি
রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সুযোগ পেলে ৩১ দফা বাস্তবায়ন করবে বিএনপি: তারেক
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সুযোগ পেলে ৩১ দফা বাস্তবায়ন করবে বিএনপি। এজন্য যেকোনো মূল্যে ৩১ দফার পক্ষে সমর্থন নেওয়ার জন্য জনগণের কাছে যেতে হবে।
জনগণের সম্পৃক্ততায় স্বৈরাচারী পালিয়েছে, তবে দেশের ভেতরে-বাইরে দেশের বিরুদ্ধে এখনও ষড়যন্ত্র থেমে নেই বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, বর্তমানে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার সংগ্রাম শুরু। সংগ্রাম করেই ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকালে রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নে ও জনসম্পৃক্তি নিশ্চিত করতে নরসিংদীতে বিভাগীয় কর্মশালায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তারেক রহমান।
তিনি বলেন, আমাদের সংগ্রাম ৫ আগস্টের আগে পর্যন্ত। আমাদের সংগ্রাম স্বৈরাচারের পতন, স্বৈরাচারকে সরিয়ে দেওয়া এবং স্বৈরাচারকে ফেলে দেওয়ার। দলমত নির্বিশেষে দেশের সকল মানুষের অংশগ্রহণে দেশের মানুষ সক্ষম হয়েছে স্বৈরাচারকে বিদায় করতে, বাধ্য করেছে পালিয়ে যেতে।
আরও পড়ুন: নির্যাতনের জবাবে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান তারেকের
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, এখন সংগ্রাম দেশের স্বাধীনতা রক্ষার, সার্বভৌমত্ব রক্ষার ও দেশ গড়ার এবং মানুষের রাজনৈতিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার সংগ্রাম।
মানুষের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে মজবুত করার যে সংগ্রাম শুরু হয়েছে, এ সংগ্রামে একমাত্র নেতৃত্ব দিতে পারবে বিএনপি বলে জানান তিনি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, এ দেশে যদি একটি দুর্বল জনমর্থনহীন সরকার ক্ষমতায় আসে, তবে অনেকেই এ দেশ থেকে সবকিছু লুটেপুটে নিয়ে যাবে। এ দেশের অর্থ সম্পদ, প্রাকৃতিক সম্পদের দিকে অনেকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছে। দেশে যদি একটি বিশৃঙ্খলা লাগিয়ে রাখা যায়, তাহলে অনেকের জন্য সুবিধা হবে। এসব থেকে দেশকে রক্ষা করতে এবং দেশের মানুষকে রক্ষা করতে এমন একটি সরকার প্রয়োজন যারা জনগণের কথা বলবে, জনগণ ও দেশের চিন্তা করবে।
এ রকম কেউ যদি দেশ পরিচালনা দায়িত্ব নেয়, তবে দেশের স্বার্থ জনগণের স্বার্থ নিরাপদ থাকবে বলে জানান তারেক রহমান।
নরসিংদী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় তারেক রহমানের উপদেষ্টা ড. মাহাদী আমিন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সহ-ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক হালিমা নেওয়াজ আরলি ও সহ-স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক শাম্মি আক্তার, সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিছুর রহমান তালুকদার খোকন, নরসিংদী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনজুর এলাহীসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।
আরও পড়ুন: বিএনপিতে ষড়যন্ত্রকারীদের এজেন্টদের বিষয়ে তারেকের সতর্কতা
৫০২ দিন আগে
প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচনি বক্তব্য হতাশাজনক: ফখরুল
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূসের বক্তব্যকে 'অস্পষ্ট ও হতাশাজনক' বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ফখরুল বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার দেওয়া বক্তব্যে নির্বাচন সংক্রান্ত বার্তা অস্পষ্ট।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম প্রধান উপদেষ্টা একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নির্বাচনের জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ উপস্থাপন করবেন। ' কিন্তু তিনি তা করেননি। এটা আমাদের জন্য যেমন হতাশাজনক, তেমনি জাতির জন্যও হতাশাজনক।’
ফখরুল বলেন, যেহেতু নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে গঠিত হয়েছে, সেহেতু নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু করতে তাদের কোনো সমস্যা নেই। ‘খুব তাড়াতাড়ি এটা করা সম্ভব।’
আরও পড়ুন: হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন মির্জা ফখরুল
নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ও তার প্রেস সচিব যে 'পরস্পরবিরোধী বক্তব্য' দিয়েছেন তা নির্বাচন সংক্রান্ত সরকারের সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে সোমবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে ২০২৫ সালের শেষে অথবা ২০২৬ সালের শুরুর দিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।
এরপর মঙ্গলবার তার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, আশা করা যায় ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে দেশে আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, 'তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) একটি সময়ের কথা উল্লেখ করেছেন। এর চেয়ে পরিষ্কার রোডম্যাপ আর কী হতে পারে? ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন হওয়ার আশা করা যায়। এটি একটি পরিষ্কার রোডম্যাপ ‘
আরও পড়ুন: অসুস্থ ফখরুল, নেওয়া হয়েছে সাভার সিএমএইচে
৫০২ দিন আগে
অসুস্থ খালেদা জিয়া, মুক্তিযোদ্ধা দলের সমাবেশ স্থগিত
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কারণে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের শনিবারের পূর্বনির্ধারিত সমাবেশ স্থগিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, গত ১৭ ডিসেম্বর রাত থেকে খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় চিকিৎসকদের পরামর্শে অনুষ্ঠান স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
শনিবার (২১ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল।
এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, খালেদা জিয়া তার গুলশানের বাসায় চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
আরও পড়ুন: মোদি বাংলাদেশের স্বাধীনতা-মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করেছেন: রিজভী
তিনি বলেন, অসুস্থতার কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসনকে বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা এখন পিছিয়ে গেছে।
উন্নত চিকিৎসার জন্য চলতি মাসের শেষের দিকে লন্ডন ও পরে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার কথা ছিল খালেদা জিয়ার।
একই সঙ্গে সৌদি আরবে তার পবিত্র ওমরাহ পালনেরও কথা ছিল।
এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর শনিবার (২১ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশের ঘোষণা দেন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি সৈয়দ ইশতিয়াক আজিজ উলফাত।
প্রায় সাত বছরের মধ্যে প্রথম রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে খালেদা জিয়ার সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল।
২০১৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার একটি হোটেলে বিএনপির বর্ধিত সভা করেন খালেদা জিয়া। এটিই ছিল তার শেষ রাজনৈতিক কর্মসূচি, এর ঠিক তিন দিন পর ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা মামলায় তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এর আগে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে কারাবন্দি হওয়ার ৬ বছর পর রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ উপলক্ষে গত ২১ নভেম্বর সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন খালেদা জিয়া।
খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিসের পাশাপাশি তার হার্ট, ফুসফুস, কিডনি এবং চোখের জটিলতাসহ বেশ কয়েকটি গুরুতর স্বাস্থ্যগত সমস্যার সঙ্গে লড়াই করছেন।
আরও পড়ুন: নির্যাতনের জবাবে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান তারেকের
৫০২ দিন আগে
নির্যাতনের জবাবে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান তারেকের
আওয়ামী লীগের শাসনামলে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর ব্যাপক পরিসরে নির্যাতন চালানো হয়েছে জানিয়ে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এসব নির্যাতনের জবাব দিতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির ৩১ দফা কর্মশালায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
তারেক রহমান বলেন, ‘জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে আমাদের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী খুন হয়েছেন। আর কোনো রাজনৈতিক দলের এত মানুষ মারা গেছে কিনা জানি না। গত ১৬ বছরে আমাদের দলের বহু নেতাকর্মীর বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভেঙে দেওয়া হয়েছে।’
‘ব্যক্তিগতভাবে বললে আমার ওপর নির্যাতন হয়েছে। আমার বাবাকে হত্যা করা হয়েছে, মাকে নির্যাতন করা হয়েছে। আমার ভাই তাদের অত্যাচারে মারা গেছে। আমরা এই নির্যাতনের জবাব যদি তাদের মতো দেই, তাহলে তো হবে না। তারা অধম বলে আমরাও অধম হব নাকি? আমরা এর জবাব ৩১ দফা সফল করার মাধ্যমে দেব। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই তাদের জবাব দেওয়া হবে।’
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এখানে যারাই আছেন প্রত্যেকের নামে একটি হলেও গায়েবি মামলা রয়েছে। এত নির্যাতন সহ্য করে জেল খেটেছেন আপনারা, কষ্ট করেছেন। অথচ কিছু লোক তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য আমাদের সব কষ্টে পানি ঢেলে দিচ্ছে। কেন তাদের সেই সুযোগ দেবেন আপনারা?’
‘মানুষ বিএনপির দিকে তাকিয়ে আছে। আপনাদেরও জনগণের দিকে তাকাতে হবে। আপনাদেরও বুঝতে হবে কী করলে জনগণ আপনাকে আরও পছন্দ করবে। আপনার অধীনে অনেক নেতাকর্মী থাকবে। তাদের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। পরিবারের দুষ্টু বাচ্চাদের যেমন টাইট দিয়ে রাখতে হয়, তেমনি দলের ভেতরও দুষ্টুরা আছে, থাকতে পারে। আমাদের এই দুষ্টুদের টাইট দিয়ে রাখতে হবে।’
বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘আগামীর ভোটই শুধু ভোট না। অনেকে বলে, তারেক রহমান শুধু ভোট ভোট করে। আমরা রাজনৈতিক দল, আমরা তো ভোটের কথাই বলব। আগামীর নির্বাচন করেই কী আপনি ক্ষান্ত দিয়ে দেবেন?’
‘মানুষ জানতে চায়, আমরা কী করব? এখন শুধু কথায় চিড়া ভিজবে না। জনগণকে জবাব দিতে হবে। তাদের আস্থা ধরে রাখতে হবে। নির্বাচিত হলে প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘পরবর্তী নির্বাচনের আগে জনগণকে দেখাতে হবে আপনি কী কী করতে পেরেছেন। সবটা হয়তো আমরা পারব না, তবে যতটুকু করব তা জনগণের কাছে তুলে ধরব। তখন জনগণ এর বিচার করবে।’
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে। জনগণের আস্থা ধরে রাখতে হবে। এই আস্থা ধরে রাখার দায়িত্ব আপনার। এটি জনগণের দায়িত্ব নয়। আমরা নিজেদের সংযত রাখব এবং আমাদের সহকর্মীদের সংযত রাখতে চেষ্টা করব। মানুষ চায় না- এমন কাজ কেন আপনি করবেন, যেখানে আপনাদের আস্থার সংকট দেখা দেবে?’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বৈরাচার যখন জনগণকে অধিকারবঞ্চিত করে অস্ত্রের মুখে ক্ষমতা ধরে রেখেছিল, তখন আমি বলেছিলাম টেক ব্যাক বাংলাদেশ। এর অর্থ হলো- জনগণের বাকস্বাধীনতা ও জনগণের অর্থনৈতিক অধিকার জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া। বাংলাদেশে কী হবে, তা বাংলাদেশের মানুষ ঠিক করবে। টেক ব্যাক বাংলাদেশের প্রথম লক্ষ্য দেশের মানুষের সহযোগিতায় দেশের গণতন্ত্রকামী দলগুলো স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে। স্বৈরাচারের মাথা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু গত ১৬ বছর তারা নিজেদের আখের গোছাতে ভীনদেশে তাদের প্রভুকে খুশি করতে দেশের সবকিছু ধ্বংস করে দিয়ে গেছে।’
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য (কেন্দ্রীয় দপ্তরে সংযুক্ত) আবদুস সাত্তার পাটোয়ারীর সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ, আমরা বিএনপি পরিবার-এর কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুম্মান, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু প্রমুখ।
৫০৩ দিন আগে
মোদি বাংলাদেশের স্বাধীনতা-মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করেছেন: রিজভী
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরকে ভারতের ঐতিহাসিক বিজয় বলে দাবি করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করেছেন।
বুধবার শান্তিনগরে ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি বলেন, ‘ভারত নিজেকে প্রভু বলে মনে করে। সেকারণেই দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১৬ ডিসেম্বরকে ভারতের ঐতিহাসিক জয় বলে অভিহিত করেছেন।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, মোদি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সাধীন ভূখণ্ড, মুক্তিযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান ও উপেক্ষা করেছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের বীর সন্তানরা নদী, খাল-বিল, জলাশয় ও জঙ্গল থেকে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।
আরও পড়ুন: নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের উদ্যোম কম: রিজভী
তিনি বলেন, ‘আপনারা (ভারত) বন্ধুর ভূমিকা পালন করেছেন। তাহলে বাংলাদেশের বিজয় দিবসের পরিবর্তে কীভাবে ভারতের বিজয় দিবস হতে পারে? তার মানে তারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে উপেক্ষা করতে চায়।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগকে ভারত অবজ্ঞা করতে চায়।
রিজভী বলেন, আমেরিকা যখন ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছিল, তখন ১৭৭৬ সাল থেকে ১৭৮১ সালে তাদের বিজয় অর্জন পর্যন্ত আমেরিকাকে সাহায্য করেছিল ফ্রান্স। কিন্তু ফ্রান্স কখনোই দাবি করেনি যে এটা তাদের বিজয়। আমেরিকানরা তাদের বিজয় দিবস, তাদের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করে।
এক এক্স বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ বিজয় দিবসে ১৯৭১-এ ভারতের ঐতিহাসিক জয়ে অবদান রাখা সাহসী সেনাদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানাই। তাদের নিঃস্বার্থ নিষ্ঠা এবং অবিচল সংকল্প আমাদের দেশকে সুরক্ষিত করেছে এবং আমাদের গৌরবান্বিত করেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘এই দিনে তাদের অসাধারণ বীরত্ব এবং অটল মানসিকতার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি। তাদের আত্মত্যাগ সব সময় পরবর্তী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এবং আমাদের জাতির ইতিহাসে গভীরভাবে প্রোথিত থাকবে।’
অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকতে শেখ হাসিনার সরকারকে সমর্থন দেওয়ায় ভারতের সমালোচনা করেন রিজভী।
তিনি বলেন, গত ১৬ বছরে দিল্লি ছাড়া বিশ্বের কোনো দেশ শেখ হাসিনাকে সমর্থন দেয়নি।
আরও পড়ুন: সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক দলকে জড়িয়ে উপদেষ্টা রিজওয়ানার বক্তব্য 'ভুল ও বিভ্রান্তিকর': রিজভী
৫০৩ দিন আগে
বিএনপিতে ষড়যন্ত্রকারীদের এজেন্টদের বিষয়ে তারেকের সতর্কতা
বিএনপির প্রতি জনসমর্থন অনেকের হিংসার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মন্তব্য করে সব ষড়যন্ত্র রুখে দিতে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) দিনব্যাপী গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানার টেকনগপাড়ায় সাগর-সৈকত কনভেনশন সেন্টারে ‘রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা ও জনসম্পৃক্তি’ শীর্ষক এক কর্মশালায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
যেকোনো মূল্যে জনসমর্থন ধরে রাখতে নেতাকর্মীদের আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘যে দলের (বিএনপি) নেতাকর্মীরা এত অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করে এই পর্যন্ত এসেছেন, ঐক্যকে ধরে রেখেছেন, জনগণের আস্থাকে ধরে রেখেছেন। কিন্তু আমাদের ভেতরে যদি নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য এই আস্থায় আঘাত করে, জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসকে নষ্ট করে নিজের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য... আমার অনুরোধ থাকবে সহকর্মী হিসেবে আপনাদের প্রত্যেকের কাছে— শক্ত হাতে সেই লোকগুলোকে দমন করতে হবে। শক্ত হাতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য কেউ যেন দলের সুনাম কেউ নষ্ট করতে না পারে, খেয়াল রাখতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা যদি রাষ্ট্র মেরামত করতে চাই, তাহলে অবশ্যই জনগণের সমর্থন নিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় যেতে হবে। সেটা না করতে পারলে আমাদের এতদিনের আন্দোলন ব্যর্থ হয়ে যাবে। আমরা দেশ ও দেশের মানুষকে নিয়ে যে চিন্তা-ভাবনা করছি, যে কর্মসূচিগুলো দিয়েছি ৩১ দফার ভেতরে, এগুলোকে সফল করতে হলে জনগণের সমর্থন আমাদের প্রয়োজন।’
‘আমাদের জনগণের আস্থার ভেতরে থাকতে হবে। যে কারণে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে যে কাজটি সঠিক, সেটি করতে হবে। অনৈতিক, খারাপ কাজ, যার কারণে জনগণ আমাদের ত্যাগ করতে পারে, তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তুলতে হবে এবং শক্ত অবস্থান নিতে হবে।’
আরও পড়ুন: জবাবদিহির সরকার ও কার্যকর সংসদ জনগণের ক্ষমতা রক্ষা করতে পারে: তারেক
বিএনপির শীর্ষ এই নেতা বলেন, ‘প্রতিপক্ষের মিছিল-সমাবেশ ছোট, বিষয়টি আমাদের আনন্দ দিচ্ছে; কিন্তু কোনোভাবেই যেন আমাদেরটা ছোট না হয়। কারণ বিএনপি এই মুহূর্তে দেশের অধিকাংশ মানুষের সমর্থন উপভোগ করছে। এটি অনেকের হিংসার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক রাজনৈতিক দল, অনেকের হিংসার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং অনেক ষড়যন্ত্রও শুরু হয়েছে।’
‘শুরু থেকেই জাতীয়তাবাদী দলের বিরুদ্ধে দেশে এবং দেশের বাইরে ষড়যন্ত্র হয়েছে। কাজেই ষড়যন্ত্র কিন্তু থেমে থাকেনি। এই দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র যখন হবে, ধরে নিতে হবে এই ষড়যন্ত্র শুধু এই দলের বিরুদ্ধে না, সেই ষড়যন্ত্রের মধ্যে আছে আরেকটি ষড়যন্ত্র, যেটি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে, সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে।’
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে। স্বৈরাচারের মাথা পালিয়ে গেছে, কিছু ছোট ছোট মাথাও পালিয়ে গেছে। কিন্তু লেজসহ শরীরের অনেক অংশ অবশিষ্ট রয়ে গেছে। তারা কিন্তু ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে। কাজেই আপনাদের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে আমাদের ভেতরে অনেক এজেন্ট ঢুকিয়ে দিয়েছে। এ বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে, চোখ কান খোলা রাখতে হবে।
নির্বাচনে লড়াইয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আগামীর যে নির্বাচন হবে, আপনাদের আমি শতভাগ গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, কেউ যদি মনে মনে ভেবে থাকেন- এখানে তো প্রধান প্রতিপক্ষ নাই, দুর্বল হয়ে গেছে, নির্বাচন খুব সহজ হবে, নো, নো, নো অ্যান্ড নো।’
‘এই নির্বাচন অতীতের যেকোনো নির্বাচনের চেয়ে অনেক, অনেক, অনেক কঠিন হবে। কাজেই নিজেদের সেভাবেই প্রস্তুত করুন যে, আগামীর কঠিন সেই নির্বাচনে জনগণের সমর্থন নিয়ে সেই পুলসিরাত যেন পার হতে পারি।’
তবে নির্বাচন কঠিন হলেও বিএনপির জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, ‘জনগণকে সঙ্গে নিয়েই আমরা স্বৈরাচারকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছি। একইভাবে জনগণকে সঙ্গে নিয়েই, জনগণের সমর্থন নিয়ে আগামীতে আমরা দেশ পরিচালনার যোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হব- এই আমার দৃঢ় বিশ্বাস।’
আরও পড়ুন: বিএনপির লক্ষ্য গণতান্ত্রিক, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়া: তারেক রহমান
৫০৪ দিন আগে
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন মির্জা ফখরুল
সাভার সেনানিবাসের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) দুই ঘণ্টার বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর গুলশানের বাসায় ফিরেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
দুপুর ২টার দিকে তিনি বাসায় ফেরেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন।
জাহিদ বলেন, ‘তিনি (ফখরুল) সুস্থ আছেন, ভালো আছেন। এখন তিনি বিশ্রামে আছেন।’
আরও পড়ুন: অসুস্থ ফখরুল, নেওয়া হয়েছে সাভার সিএমএইচে
তিনি বলেন, ‘সাভার সিএমএইচে ওনার কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। রিপোর্টগুলোর ফলাফল ভালো। সিএমএইচের চিকিৎসকরা রিপোর্ট পর্যালোচনা করে বিএনপি মহাসচিবকে বাসায় যাওয়ার ছাড়পত্র দেন।’
এদিন সকালে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে সেখানেই বসে পড়েন ফখরুল। একপর্যায়ে মাটিতে শুয়েও পড়েন তিনি। পরে তাকে সিএমএইচে নেওয়া হয়।
৫০৫ দিন আগে
‘নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করতে রাজি আছি, তবে যুগ যুগ ধরে নয়’
জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বক্তব্যকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বলেছেনে, ‘নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করতে রাজি আছি; সংস্কার হবে। তবে যুগ যুগ ধরে অপেক্ষা করতে রাজি নই। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ- এসব কিছুর জন্য রাজনৈতিক সরকার দরকার। নির্বাচনের রোডম্যাপ দরকার।’
বিজয় দিবসে (১৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সোমবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের শেষ থেকে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে দেশে জাতীয় নির্বাচন হতে পারে।
আরও পড়ুন: দুর্নীতি মামলায় মির্জা আব্বাসসহ ৫ জন খালাস
এ বিষয়টি নিয়ে মির্জা আব্বাসের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যটা শুনি নাই, আপনার মুখেই যেটুকু জানলাম। উনি যেটা বলেছেন, যথার্থ বলেছেন। নির্বাচনে যারা পার্টিসিপেট (অংশগ্রহণ) করবে, যারা অংশীজন, তারা যদি চায় তিনি যৌক্তিক সময়ে নির্বাচন দেবেন… সাদুবাদ জানাই। কিন্তু এর বাইরে কোনা কথা কারো নাই।’
‘আর সংস্কার একটা বিষয়। এটা যুগ যুগ ধরে চলবে, এটা নতুন কিছু না। এটা একটা প্যাকেট না যে, একটা প্যাকেটে করে এনে আমি সংস্কার হয়ে গেলাম। এটা সময়ের বিবর্তনে, সময়ের চাহিদায় সংস্কার প্রয়োজন হয়। আমরা আশা করছি, এই সরকার দ্রুততম সময়ে জনগণের ভোটের অধিকার জনগণের হাতে ফেরত দেবে এটাই আমাদের কাম্য।’
তিনি বলেন, বলেন, ‘এ দেশের মানুষ ভোটের অধিকার চায়। আমরা শুনেছি, আমরা দেখেছি, ভোটের কথা বললে, ইলেকশনের কথা বললে অনেকে মুখ বাকা হয়ে যায়। আমরা পরিষ্কার বলতে চাই, আমাদের নেতা তারেক রহমান সাহেব পরিষ্কার বলেছেন- আমাদের কতদিন অপেক্ষা করতে হবে, এটা একটু আমাদের জানিয়ে দিন।’
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শেরে বাংলা নগরে মির্জা আব্বাসের নেতৃত্বে বিএনপির কয়েক হাজার নেতাকর্মী জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।
এ সময় দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মাসুদ আহমেদ তালুকদার, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, কেন্দ্রীয় নেতা ফজলুল হক মিলন, কামরুজ্জামান রতন, নাজিম উদ্দিন আলম, সাইফুল আলম নিরব, আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, মহানগর উত্তর বিএনপির আমিনুল হক, দক্ষিণের তানভীর আহমেদ রবিন, যুব দলের আবদুল মোনায়েম মুন্নাসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীদের কোটা আন্দোলনকে ভিন্ন দিকে ধাবিত করার অপচেষ্টা করছে সরকার: মির্জা আব্বাস
৫০৫ দিন আগে
জবাবদিহির সরকার ও কার্যকর সংসদ জনগণের ক্ষমতা রক্ষা করতে পারে: তারেক
জাতীয় ঐক্য সুসংহত করতে কর্মসংস্থানের ওপর গুরুত্বারোপ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জবাবদিহিমূলক সরকার ও কার্যকর সংসদই জনগণের রাজনৈতিক শক্তি রক্ষা করতে পারে।
সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) ভেরিফায়েদ ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘বৈষম্য ও বিভাজনমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে এই ঐক্যকে কাজে লাগাতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, জনগণের ক্ষমতায়ন ছাড়া জাতীয় ঐক্য শক্তিশালী বা টেকসই হতে পারে না।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি সংসদ জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যা রাষ্ট্র ও সমাজ উভয় ক্ষেত্রেই গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
তিনি বলেন, ‘ জনগণের রাজনৈতিক শক্তি সত্যিকার অর্থে তখনই সুরক্ষিত হয়, যখন জবাবদিহিমূলক সরকার ও কার্যকর সংসদ মিলেমিশে কাজ করে।’
তারেক স্বীকার করেন, রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনতে সংস্কার অনিবার্য। ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাস্তব রোডম্যাপ জানার অধিকার জনগণের রয়েছে- সরকার কী অর্জন করতে চায় এবং প্রয়োজনীয় সময়সীমা কী।’
তিনি বলেন, স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন থেকে রাষ্ট্র ও সরকারকে রক্ষা করতে হলে দৈনন্দিন চর্চায় গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি লালন করা নিয়ম ও বিধান মেনে চলার মতোই গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে উদযাপিত এই বিজয় দিবস নিঃসন্দেহে আরও আনন্দের, গৌরবময় ও তাৎপর্যপূর্ণ। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের প্রতিটি স্বাধীনতা ও বিজয় দিবস জনগণের প্রতি রাষ্ট্র ও সরকারের দায়বদ্ধতার অঙ্গীকারের প্রতীক হয়ে থাকবে।’
আরও পড়ুন: অসুস্থ ফখরুল, নেওয়া হয়েছে সাভার সিএমএইচে
৫০৫ দিন আগে
অসুস্থ ফখরুল, নেওয়া হয়েছে সাভার সিএমএইচে
৫৪তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘সোমবার(১৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি (মির্জা) অসুস্থ হয়ে পড়েন।’
তাকে সাভারের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়েছে।
৫০৫ দিন আগে