রাজনীতি
বিদেশে আসিফ নজরুলকে অসম্মান দেশের মর্যাদার ওপর আঘাত: তারেক রহমান
বিদেশের মাটিতে আসিফ নজরুলকে অসম্মানসূচক আচরণের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিস্টদের এই ধৃষ্টতামূলক কাজ বাংলাদেশ ও জনগণের মর্যাদার ওপর মারাত্মক আঘাত।
শুক্রবার (৮ নভেম্বর) ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এই নিন্দা জানান।
পোস্টে তিনি লেখেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ফ্র্যান্সে যাওয়ার পথে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা এয়ারপোর্টের সামনে অন্তবর্তিকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের সঙ্গে কতিপয় আওয়ামী দুস্কৃতিকারীর উদ্ধত আচরণ করে। বিদেশের মাটিতে নিজ দেশের সরকারের একজন উপদেষ্টার সঙ্গে এহেন শিষ্টাচার বর্হিভূত আচরণ শুধু অনভিপ্রেতই নয়, বরং দেশ ও জনগণের আত্মমর্যাদার ওপর প্রচণ্ড আঘাত।
আরও পড়ুন: জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করবে এমন সংস্কার চায় বিএনপি: তারেক রহমান
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের হিংস্র রুপের প্রকাশ এখনো দেশে-বিদেশে অনেক স্থানে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। প্রবাসে আওয়ামী নেতাকর্মীরাও শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদের অভয়ক ধারণ করে সুযোগ পেলেই গণতান্ত্রিক শক্তির ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে। আইন উপদেষ্টার সঙ্গে তাদের উশৃঙ্খল আচরণে আবারও প্রমাণিত হলো এরা বিশৃঙ্খলা, হানাহানি, বিভাজন, সংকীর্ণতা, অনৈক্য, রাষ্ট্রীয় অর্থনীতির হরিলুট এবং বিপুল অঙ্কের টাকা পাচারসহ অসৎ অনাচারের মাধ্যমে কর্তৃত্ববাদী শেখ হাসিনার হত্যা ও গুমের রাজনীতির বিশ্বাস থেকে সরে আসেনি।
তারেক আরও বলেন, এরা গণতন্ত্রে স্বীকৃত মানবাধিকার, আইনের শাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও জনগণের নাগরিক স্বাধীনতায় বিশ্বাসী নয়। গণতন্ত্রের সঙ্গে শত্রুতা আওয়ামী লীগের চিরদিনের বৈশিষ্ট্য। রক্তাক্ত পন্থায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে পরাজিত করতে না পেরে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ায় শেখ হাসিনার ক্রোধ যেমন থামছে না, তেমনি দেশে-বিদেশে তার সমর্থকরাও প্রচণ্ড হাতাশা নিয়ে সুযোগ পেলেই গণতন্ত্রকামী মানুষদের হত্যা করছে বা শারিরীকভাবে আঘাতসহ নানাভাবে হয়রানির কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে।
সুইজারল্যান্ড জেনেভা এয়ারপোর্টের সামনে ড. আসিফ নজরুলের সঙ্গে অশোভন আচরণ শেখ হাসিনার তৈরি করা সেই দুঃশাসনেরই অভিব্যক্তি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তারেক বলেন, পতিত শেখ হাসিনা দেশের রাজনীতিকে জটিল করে তুলতে বাইরে থেকে সব ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আওয়ামী লুটপাটের সুবিধাভোগীরা বিদেশে গভীর চক্রান্তে মেতে উঠেছে। গণতন্ত্রের স্বপক্ষের ব্যক্তিবর্গকে হেনস্থা করাসহ বাংলাদেশের ভেতরেও অন্তর্ঘাত সৃষ্টির গভীর চক্রান্তজাল বুনে যাচ্ছে। লুটপাটের স্বর্গরাজ্য পুনরুদ্ধারের জন্য উদগ্রীব ফ্যাসিবাদের দোসররা দেশে-বিদেশে নানা এজেন্ডা নিয়ে কাজ করছে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বরাবরই ক্ষমতার নেশায় আচ্ছন্ন অপরাধপ্রবণ রাজনৈতিক দল। ক্ষমতা হারানোর মনোবেদনায় এরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এরা মত প্রকাশের স্বাধীনতা বিশ্বাস করে না বলেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেছে নেয়।
তারেক বলেন, আত্মপ্রত্যয়হীন, যুক্তিবিমুখ, মানবতাবিরোধী আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সন্ত্রাসী দোসরদের চিহ্নিত করে রাখতে হবে। এদেরকে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। বিদেশে গণতন্ত্রকামী প্রবাসী বাংলাদেশিরা ফ্যাসিবাদী দোসরদের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন ও বিচার বিভাগকে অবহিত করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে আওয়ামী দৈত্যকে জনগণই বোতল বন্দি করেছে। আন্তর্জাতিক পরিসরে এই সমস্ত আওয়ামী কুচক্রীদের বিচারের আওতার মধ্যে আনতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের ওপর ফ্যাসিস্ট দোসরদের অসৌজন্যমূলক আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান বিএনপির এই নেতা।
আরও পড়ুন: তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হাইকোর্টে বাতিল
৫৪৩ দিন আগে
বৈষম্যহীন বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জামায়াত আমিরের
বিগত সাড়ে ১৫ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের জুলুম ও নির্যাতনের সমালোচনা করে দেশে বৈষম্যহীন বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিুর রহমান।
শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সকালে নীলফামারীর বড় মাঠে জেলা জামায়াতের কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সাড়ে ১৫ বছরে মানুষকে শান্তি দেয়নি। দেশবাসীর শান্তি কেড়ে নিয়েছিল। সকল ধরণের, সকল বর্ণের মানুষ তাদের কাছে নির্যাতিত হয়েছিল। সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
জামায়াত আমির বলেন, তারা জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশের কার্যালয়গুলো সীলগালা করে বন্ধ করে দিয়েছিল। ঘরে বসেও জামায়াতের নেতাকর্মীরা শান্তি পায়নি। ঘর থেকে তুলে নিয়ে রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলা দেওয়া হয়েছে। শীর্ষ নেতাদের নামে যুদ্ধাপরাধীর মিথ্যা ও সাজানো মামলা দিয়ে বিচারের নামে খুন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন জামায়াত প্রধান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে ১০ জানুয়ারি ক্ষমতায় বসার পরেই ঝাঁল মিটিয়েছিল আমাদের দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনীর উপর। তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে ৫৭জন চৌকস, সাহসী ও দেশপ্রেমিক সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যা করে। হত্যা করেছিল নির্মমভাবে তাদের পরিবারের সদস্যদের।
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগের প্রণীত ‘কালা কানুন’ দিয়েই তাদের বিচার হোক: জামায়াত আমির
তিনি অভিযোগ করে বলেন, রাতে বাতি নিভিয়ে দিয়ে ঘাতকদের পিলখানা থেকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ সুষ্টি করা হয়েছিল। ঘাতকদের পরিচয় জাতিকে জানতে দেওয়া হয়নি। সেনাবাহিনীর নিজস্ব তদন্ত কমিটির রির্পোট প্রকাশ করতে দেওয়া হয়নি। হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদকারীদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল।
জামায়াত আমির বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পরবর্তী টার্গেট ছিল জামায়াতে ইসলামী। মিথ্যা মামলায় তাদের শীর্ষ ১১ নেতাকে যুদ্ধাপরাধীর অভিযোগে হত্যার অভিযোগ করেন ডা. শফিকুর।
তিনি বলেন, ১৯৭২ সালে শেখ মুজিবের শাসনামলে ১৯৭১ সালে যারা বিভিন্ন অপরাধ করেছিল তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। যুদ্ধপারাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে যে মামলা হয়েছিল, সেখানে একটি মামলাও তাদের বিরুদ্ধে ছিল না। এছাড়া শেখ মুজিব সরকার সে সময় যাচাই-বাচাই করে ১৯৫ জনের যে তালিকা করেছিল,তার মধ্যে বর্তমান বাংলাদেশের সীমানার ভিতরে কোনো নাগরিক ছিল না।
ডা. শফিকুর বলেন, ৫ আগস্ট যখন পরিবর্তন আসল আমরা সঙ্গে সঙ্গে দেশবাসীকে অনুরোধ করেছি ধৈর্য ধরার জন্য। বলেছি কেউ কারো উপর হাত তুলবেন না। ব্যক্তিগত প্রতিশোধ নেবেন না। কিছু করতে হলে আইনের আশ্রয় নেবেন। দেশবাসী আমাদের কথা শুনেছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নির্দয় হতে পারে, খুনি হতে পারে, কিন্তু ১৮ কোটি মানুষ অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও দেশপ্রেমিক।
আরও পড়ুন:জামায়াতের নিবন্ধন নিয়ে আপিল পুনরুজ্জীবিত
জামায়াত আমির বলেন, শেখ হাসিনা বলেছিলেন পালাবো না। তিনি চলে গেলেন তার প্রিয় দেশে। তারা আমাদের প্রতিবেশী। আমরা তাদের সম্মান করি। আমরা আমাদের প্রতিবেশীকে অনুরোধ করব। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ১৫০টিরও অধিক মামলা হয়েছে। আমাদের বিচারালয় যখন তাকে চাইবেন, তখন তাকে আইনশৃংঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিবেন।
তিনি বলেন. সাড়ে ১৫ বছরে তারা গোটা জাতির বিরুদ্ধে জুলুম করেছে। বিচারের নামে তামাশা করেছে। অবিচার করেছে। সেটি যেন শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের কারও ক্ষেত্রে না হয়। আমরা বৈষম্যহীন ন্যায় বিচারের পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাই।
তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে আমরা দুর্নীতি করব না, কাউকে দুর্নীতি করতে দেবো না । আমরা ঘুষ খাবো না, কাউকে খেতেও দেবো না। আমরা এমন একটি সমাজ গড়তে চাই- যে সমাজে লেখাপড়া করার পরে ‘আমরা শিক্ষিত বেকার’এই শব্দটি আমাদের কানে আসবে না।
নারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা এমন একটা বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে সমাজের উন্নয়নে নারীরা অবদান রাখতে পারেন। নারীরা নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ও মর্যাদার সঙ্গে জাতি গঠনে অবদান রাখবেন।
নীলফামারী জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে ও জেলা সেক্রেটারি আন্তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় কর্মী সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও রংপুর- দিনাজপুর অঞ্চলের সহকারী অঞ্চল পরিচালক মাওলানা মমতাজ উদ্দিন এবং কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের টিম সদস্য অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমান বেলাল প্রমুখ।
আরও পড়ুন: তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেছে জামায়াত
৫৪৩ দিন আগে
জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে পদক্ষেপ নিন: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে তারেক
অপশক্তির যেকোনো ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শুক্রবার (৮ নভেম্বর) নয়াপল্টনে এক বিশাল সমাবেশে তারেক রহমান এই আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, 'আমি স্বাধীনতাকামী মানুষকে একটি বিষয়ে সতর্ক করতে চাই, আমি নিজেও সজাগ থাকতে চাই যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রবিরোধী অপশক্তির ষড়যন্ত্র এখনো বন্ধ হয়নি ‘
বিএনপির এই নেতা বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারকে দুর্বল করতে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সহযোগীরা এখনও দেশের প্রশাসনে, বিভিন্ন পদে এবং বিদেশেও সক্রিয় রয়েছেন।
আরও পড়ুন: অতি আত্মবিশ্বাস পরিহার করে বিএনপিকে জনগণের আস্থা অর্জনের আহ্বান তারেকের
তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি তার দলের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, এই প্রশাসনকে কখনও ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না।
তারেক বলেন, ‘তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যদি নিজেদের সতর্ক রাখতে চায়, তাহলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এটা এখন জনগণের দাবি।'
তিনি একটি সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটানোয় দেশের জনগণ ও ছাত্রদের অভিনন্দন জানান।
তারেক রহমান বলেন, '১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের বন্ধু ও শত্রুর মধ্যে পার্থক্য করার দিন, আর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছিল বাংলাদেশের শত্রু চিহ্নিত করার দিন।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি যতদিন ঐক্যবদ্ধ থাকবে ততদিন দেশের স্বাধীনতাকে কেউ খর্ব করতে পারবে না।
বিএনপির এই নেতা বলেন, তাদের এই সমাবেশের লক্ষ্য কারও বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় তোলা নয়, বরং দেশের স্বার্থ রক্ষা, ভোট ও জনগণের অন্যান্য অধিকার রক্ষার মিছিল।
তিনি আরও বলেন, ‘রাজপথে লাখো মানুষের এই মিছিল অগণিত ছাত্র-নাগরিক ও শহীদ এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে আহত মানুষের স্বপ্নের গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যয়ের মিছিল।’
তারেক জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশে যেন আর কখনো ফ্যাসিবাদ ফিরে না আসে তা নিশ্চিত করতে প্রত্যেক নাগরিকের ভোটের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় সরকার পর্যন্ত যারা প্রতিনিধি হতে চায় তারা যতদিন জনগণের ভোটের ওপর নির্ভরশীল থাকবে না, ততদিন জনগণ গণতন্ত্রের সুফল পুরোপুরি ভোগ করতে পারবে না।’
তারেক বলেন, যদি তাদের(জনগণের) সরাসরি ভোটের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচনের অধিকার নিশ্চিত না করা যায়, তাহলে স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশেও নিম্ন আয়ের মানুষকে বাজার সিন্ডিকেটের অভিশাপ থেকে মুক্ত করা সম্ভব হবে না।
তিনি বলেন, 'আসুন আমরা নিশ্চিত করি যে এই বিশাল মিছিল বৃথা যাবে না। এই প্রত্যাশা নিয়েই আমি এই সমাবেশের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি।’
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল আলমগীর বলেন, অভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও তার দোসররা এখনো সর্বত্র লুকিয়ে আছে, নানাভাবে বাংলাদেশের ক্ষতি করতে প্রস্তুত।
তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্য জোরদার করে বাংলাদেশকে ধ্বংস করার ঘৃণ্য অপচেষ্টা প্রতিহত করতে হবে। ‘কোনো স্বৈরশাসককে আর জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে দেওয়া হবে না। আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হই এবং নিশ্চিত করি যে, বাংলাদেশে শুধু গণতন্ত্রই বিরাজ করবে।’
পরে 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' উপলক্ষে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য র্যালি বের করে দলটি।
বিকাল ৩টা ৩২ মিনিটে সমাবেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এর আগে দুপুর থেকেই রঙিন টুপি পরে নয়াপল্টনে জড়ো হওয়া বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী বড় ধরনের শোডাউনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নেন।
দলের শীর্ষ নেতাদের ছবি সম্বলিত ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড নিয়ে তারা নির্বাচন ও তারেক রহমানসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে স্লোগান দেন।
কাকরাইল মসজিদ ও ফকিরাপুল ও আশপাশের এলাকা বিএনপির সমর্থকদের পদচারণায় কানায় কানায় পূর্ণ থাকায় ওই এলাকায় যান চলাচল বিঘ্নিত হয়।
আরও পড়ুন: জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করবে এমন সংস্কার চায় বিএনপি: তারেক রহমান
৫৪৩ দিন আগে
৭ নভেম্বর উপলক্ষে বিএনপির বিশাল র্যালি শুরু
'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' উপলক্ষে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য র্যালি শুরু করেছে বিএনপি।
শুক্রবার (৮ নভেম্বর) দুপুর থেকেই রঙিন টুপি পরে নয়াপল্টনে জড়ো হওয়া বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী বড় ধরনের শোডাউনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নেন।
কাকরাইল মসজিদ ও ফকিরাপুল ও আশপাশের এলাকা বিএনপির সমর্থকদের পদচারণায় কানায় কানায় পূর্ণ থাকায় ওই এলাকায় যান চলাচল বিঘ্নিত হয়।
আরও পড়ুন: অতি আত্মবিশ্বাস পরিহার করে বিএনপিকে জনগণের আস্থা অর্জনের আহ্বান তারেকের
বিকেল ৩টা ৩২ মিনিটে সমাবেশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও এতে বক্তব্য দেন।
এটি কাকরাইল মোড়, কাকরাইল মসজিদ, মৎস্য ভবন, ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, শাহবাগ, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউয়ের দিকে যাবে।
সমাবেশ শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ জ্যেষ্ঠ নেতাদের।
আরও পড়ুন: আধিপত্যবাদী শক্তিকে প্রতিহত ও গণতন্ত্র রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বিএনপির
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভার্চুয়াল ভাষণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, 'এটি হবে একটি বিশাল সমাবেশ, যা ইতিহাস সৃষ্টি করবে। সমাবেশে ৫ আগস্টের শহীদদের স্মরণ করা হবে।’
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের 'সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান' স্মরণে বৃহস্পতিবার 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' পালন করে বিএনপি।
আরও পড়ুন: ঢাকায় বড় শোডাউন করতে প্রস্তুত বিএনপি
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে সৈনিক ও বেসামরিক জনগণ যৌথভাবে তৎকালীন সেনাবাহিনী প্রধান জিয়াউর রহমানকে ঢাকা সেনানিবাসের বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে। এর মাধ্যমে তার ক্ষমতায় আরোহণের পথ প্রশস্ত হয়।
৫৪৩ দিন আগে
ঢাকায় বড় শোডাউন করতে প্রস্তুত বিএনপি
'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' উপলক্ষে শুক্রবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়েছেন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী।
আজ দুপুরের পর থেকেই নয়াপল্টনে জড়ো হয়ে বড় ধরনের শোডাউনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নেন দলটির নেতাকর্মীরা।
দলের শীর্ষ নেতাদের ছবি সম্বলিত ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড নিয়ে তারা নির্বাচন ও তারেক রহমানসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে স্লোগান দেন।
বিজয়নগর থেকে ফকিরাপুল পর্যন্ত রাস্তা-অলিগলি বিএনপি সমর্থকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে যায়।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিকাল ৩টায় এ সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা।
আরও পড়ুন: অতি আত্মবিশ্বাস পরিহার করে বিএনপিকে জনগণের আস্থা অর্জনের আহ্বান তারেকের
এটি কাকরাইল মোড়, কাকরাইল মসজিদ, মৎস্য ভবন, ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, শাহবাগ, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউয়ের দিকে যাবে।
সমাবেশ শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ জ্যেষ্ঠ নেতাদের।
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভার্চুয়াল ভাষণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, 'এটি হবে একটি বিশাল সমাবেশ, যা ইতিহাস সৃষ্টি করবে। সমাবেশে ৫ আগস্টের শহীদদের স্মরণ করা হবে।’
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের 'সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান' স্মরণে বৃহস্পতিবার 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' পালন করে বিএনপি।
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে সৈনিক ও বেসামরিক জনগণ যৌথভাবে তৎকালীন সেনাবাহিনী প্রধান জিয়াউর রহমানকে ঢাকা সেনানিবাসের বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে। এর মাধ্যমে তার ক্ষমতায় আরোহণের পথ প্রশস্ত হয়।
আরও পড়ুন: আধিপত্যবাদী শক্তিকে প্রতিহত ও গণতন্ত্র রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বিএনপির
৫৪৩ দিন আগে
বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে রাজনৈতিক বিভেদকে কবর দিন: জামায়াত আমির
সকল বিভেদের অবসান ঘটিয়ে দেশের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে বড় মগবাজারের আল ফালাহ মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে দলটির ঢাকা মহানগরী উত্তর শাখা।
তিনি বৈষম্যহীন সমাজ ও নতুন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্র সংস্কারে জামায়াতের ৪১ প্রস্তাবনা, বিচার ব্যবস্থা সংস্কার ও ইভিএম বাতিলের আহ্বান
এরপরও যদি আমরা নিজেদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির কথা ভাবলে ষড়যন্ত্র হবে, আরও বড় বিপদ আসবে।
তিনি জামায়াত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস নেই। বাঘের মতো বাঁচতে হবে, বিড়ালের মতো নয়।’
আমির বলেন, স্বচ্ছ রাজনীতির কারণে জামায়াতের ওপর বারবার আঘাত হানা হয়েছে।
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগের প্রণীত ‘কালা কানুন’ দিয়েই তাদের বিচার হোক: জামায়াত আমির
তিনি বলেন, 'আমরা কখনো দুর্নীতি, ধর্ষণ, চাঁদাবাজিসহ অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হই না। কিন্তু আওয়ামী লীগ সব সময় আমাদের টার্গেট করে দুইবার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এর পেছনে একমাত্র কারণ আমাদের স্বচ্ছতা।’
৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর সেনাবাহিনীর দেশপ্রেমিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্নীতির ক্যান্সার সমূলে উৎপাটন করতে হবে। এজন্য রাজনৈতিক দল ও নেতাদের তাদের রাজনৈতিক চরিত্র ঠিক করতে হবে।
তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ‘নেতারা যদি দুর্নীতিগ্রস্ত না হন, তাহলে দেশ দুর্নীতিমুক্ত হবে।’
আরও পড়ুন: তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেছে জামায়াত
৫৪৪ দিন আগে
আধিপত্যবাদী শক্তিকে প্রতিহত ও গণতন্ত্র রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বিএনপির
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতন্ত্র, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আধিপত্যবাদী শক্তিকে প্রতিহত করার জন্য দলের নেতাকর্মীরা নতুন করে শপথ নিয়েছেন।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধির কাছে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ফখরুল এ কথা বলেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সুষ্ঠু ও যৌক্তিক সময়সীমার মধ্যে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে সক্ষম হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ফখরুল বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ৭ নভেম্বর আমরা প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা ফ্যাসিবাদকে প্রতিহত করব। গণতন্ত্র রক্ষা এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজনে আমরা কঠোর আন্দোলন করব।’
আরও পড়ুন: ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকুন: ফখরুল
ছাত্র-নেতৃত্বাধীন বিপ্লবের চেতনাকে সুদৃঢ় করতে বাংলাদেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ হবে বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এর আগে 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' উপলক্ষে হাজার হাজার নেতাকর্মী নিয়ে জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেয়া পাঠ করেন মির্জা ফখরুল। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের 'সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানের' স্মরণে এই দিনটি পালন করা হয়।
১৯৭৫ সালের এই দিনে রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় সৈনিক ও বেসামরিক নাগরিকরা যৌথভাবে তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে ঢাকা সেনানিবাসের ভিতরে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে ক্ষমতা গ্রহণের পথ সুগম করে।
ফখরুল বলেন, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য বারবার ষড়যন্ত্র ও দমন-পীড়ন চালিয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ একদলীয় শাসন ও ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় ৬০ লাখ মানুষকে মিথ্যাভাবে জড়িয়েছে, প্রায় ৭০০ জনকে গুম করেছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।
ফখরুল বলেন, ‘কিন্তু আল্লাহর রহমতে ২০২৪ সালে ছাত্রনেতৃত্বাধীন গণআন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদী শক্তি তৃতীয়বারের মতো পরাজিত হয়েছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, গত তিন মাসে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিঃসন্দেহে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে।
বিএনপি নেতা বলেন, ‘তারা অনেক কিছু করেছে এবং এখনও করছে। আমরা সবাই সহযোগিতা করলে তারা জাতির সামনে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে উপযুক্ত ও যৌক্তিক সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে পারবে।’
আরও পড়ুন: কেউ যেন মাইনাস-২ ফর্মুলার কথা না ভাবে: ফখরুল
৫৪৪ দিন আগে
অতি আত্মবিশ্বাস পরিহার করে বিএনপিকে জনগণের আস্থা অর্জনের আহ্বান তারেকের
জনগণের অপছন্দনীয় কাজ পরিহার করে নির্বাচনে জয়লাভের ব্যাপারে অতি আত্মবিশ্বাসী না হয়ে তাদের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জনে মনোনিবেশ করতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আলোচনা সভায় গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের পক্ষেও কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, 'আমি আমার দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের বলব, আপনারা জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করুন, জনগণের সঙ্গে থাকুন, জনগণকে আপনাদের সঙ্গে রাখুন।’
তারেক বলেন,অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারলে বিএনপি অবশ্যই বিজয়ী হবে।
তিনি বলেন, ‘জয়ের আস্থা থাকা প্রত্যেক নেতাকর্মীর জন্য ভালো। তবে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী না হতে, নিজেকে জনসাধারণ থেকে বিচ্ছিন্ন না করতে বা মানুষ পছন্দ করে না এমন ক্রিয়ায় জড়িত না হওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকুন। কারণ, যেকোনো পরিস্থিতিতে জনগণই আপনার সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু এবং তারাই বিএনপির সকল শক্তির উৎস।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের মাফিয়া সরকারের প্রধান রাষ্ট্রীয় সকল প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর করে এবং দেশকে আমদানি ও বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভরশীল করে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। ‘কিন্তু ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারী সরকারের অধীনে ১৫ বছরের দুঃশাসনের পরিণতি এখনও জনগণ বহন করছে।’
বিএনপি নেতা বলেন,৫ আগস্ট স্বৈরাচারী শাসকের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে আবারও প্রমাণিত হয়েছে যে, দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী শক্তির বৃহত্তর ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।
আরও পড়ুন: জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করবে এমন সংস্কার চায় বিএনপি: তারেক রহমান
তিনি বলেন, অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে দেশবাসী কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করে।
তারেক বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ব্যর্থ সরকারে পরিণত করার অব্যাহত প্রচেষ্টাসহ ক্ষমতাচ্যুত হাসিনার দোসরদের ষড়যন্ত্র থেমে নেই।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকার জন্য বাংলাদেশকে জঙ্গি রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করার অপচেষ্টা চালিয়েছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অভিযোগ করেন, '৫ আগস্টের পরাজিত শক্তি আজ আবারও বাংলাদেশকে বিশ্বদরবারে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।’
পরাজিত শক্তির ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পাশাপাশি দেশপ্রেমিক শক্তিকেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ মাত্র একদিনে শেষ হবে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, একটি সরকারের সফলতা বা ব্যর্থতা মূল্যায়নের জন্য তিন মাস যথেষ্ট নাও হতে পারে।
তবে তিনি উল্লেখ করেন, যারা প্রতিদিন বাজারে যান এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হিমশিম খান, তাদের কাছে তিন মাস তিন বছরের মতো মনে হতে পারে।
বিএনপি নেতা বলেন, ‘তাই কৃষক, দিনমজুর, নিম্ন আয়ের মানুষ ও নিম্ন মধ্যবিত্তের কষ্ট লাঘবে কঠোরভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।’
তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, সরকার যদি দ্রব্যমূল্যকে জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তার সব সংস্কার প্রচেষ্টা জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের 'সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানের’ স্মরণে 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' উপলক্ষে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
১৯৭৫ সালের এই দিনে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে সৈনিক ও বেসামরিক জনগণ যৌথভাবে তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে ঢাকা সেনানিবাসের বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে, যার ফলে তার ক্ষমতায় আসার পথ সুগম হয়।
সরকারের সংস্কার উদ্যোগ সম্পর্কে তারেক রহমান বলেন, তার দল সংস্কার সমর্থন করে কিন্তু তারা বিশ্বাস করে জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে নথিভিত্তিক রাষ্ট্র সংস্কারের চেয়ে রাজনীতি, রাজনৈতিক দল, রাজনৈতিক কর্মীও সমর্থকদের সংস্কার বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ‘কারণ, দিন শেষে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যে থেকে রাজনীতিবিদরাই রাষ্ট্র পরিচালনা করেন।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালতও গত ১৬ বছরে ফ্যাসিবাদকে সহযোগিতা করেছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘যদি আমরা চাই নারাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্যাসিবাদের সমর্থক হয়ে উঠুক। আমাদের উপলব্ধি করতে হবে যে, জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন অপরিহার্য। আর তা না হলে দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, উন্নয়ন বা বিধি-বিধানের সংস্কার টেকসই হবে না।’
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারেক রহমান বলেন, দেশের জনগণের আদালত এবং রাষ্ট্রীয় আদালত বা বিচার বিভাগ যদি শক্তিশালী ও কার্যকর থাকে, তাহলে ফ্যাসিবাদ কখনোই মানুষের স্বাধীনতা ও ভোটের অধিকার কেড়ে নিতে পারবে না।
তিনি বলেন, ‘গণআদালত গণবিচার নয়, এর অর্থ হলো কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতায়িত বা ক্ষমতাহীন করার চূড়ান্ত ক্ষমতা জনগণের হাতে।’
তারেক বলেন, একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি বিশ্বাস করি, বিচার বিভাগ ও জনগণের আদালতকে কার্যকর ও শক্তিশালী করার মাধ্যমেই কেবল রাজনীতি ও রাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য গুণগত সংস্কার নিশ্চিত করা সম্ভব।
তিনি বলেন, ‘জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত হলে রাষ্ট্রকে কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিকে নিষিদ্ধ বা প্রচারের মতো অজনপ্রিয় পদক্ষেপ নিতে হবে না। কারণ জনগণ নিজেরাই খুনি, লুটেরা, অর্থ পাচারকারী, দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিত্ব এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকা মাফিয়াদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে প্রত্যাখ্যান করবে।’
তারেক বলেন, যেকোনো ফৌজদারি অপরাধের বিচার রাষ্ট্রীয় আদালতে বা বিচার বিভাগে হওয়া উচিত। ‘কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, রাজনৈতিক মাঠে বা জনগণের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা দলের রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারণের সংস্কৃতি চালু হলে তা নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কার হিসেবে বিবেচিত হবে।’
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ৫ আগস্ট ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জাতি আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছে। কিন্তু ফ্যাসিবাদী শক্তির চক্রান্ত প্রতিহত করতে আমাদের এখন সতর্কতার সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে।’
তিনি গণতন্ত্র ও জনপ্রতিনিধিদের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা, একটি বিশ্বাসযোগ্য জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য রাষ্ট্রীয় সংস্কার সম্পন্ন করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, সালাহউদ্দিন আহমেদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান, ড. আবদুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।
আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' পালন করবে বিএনপি
ছলচাতুরী বাদ দিয়ে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করুন: সরকারকে বিএনপি
৫৪৫ দিন আগে
৭ নভেম্বর 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' পালন করবে বিএনপি
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের 'সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান' স্মরণে বৃহস্পতিবার 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' পালন করবে বিএনপি।
১৯৭৫ সালের এই দিনে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে সৈনিক ও বেসামরিক জনগণ যৌথভাবে তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে ঢাকা সেনানিবাসের বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে, যার ফলে তার ক্ষমতায় আসার পথ সুগম হয়।
তরুণ প্রজন্মের কাছে এর প্রকৃত ঐতিহাসিক তাৎপর্য ও পটভূমি তুলে ধরার লক্ষ্যে গত ৩১ অক্টোবর দিবসটিকে ব্যাপক গুরুত্ব দিয়ে ১০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি।
আরও পড়ুন: ছলচাতুরী বাদ দিয়ে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করুন: সরকারকে বিএনপি
দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় তুলে ধরতে বিএনপির সব সহযোগী সংগঠনসহ সব সহযোগী সংগঠন আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, রচনা প্রতিযোগিতা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও সংবাদপত্রে ক্রোড়পত্র প্রকাশসহ নানা কর্মসূচি পালন করবে।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- বৃহস্পতিবার দলের সব কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে সকাল ১১টায় নেতাকর্মীরা দলের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন।
দিবসটি উপলক্ষে আজ বুধবার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে দলটি।
৮ নভেম্বর (শুক্রবার) বিকাল ৪টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে ‘নভেম্বর সমাবেশ’ করবে বিএনপি। সমাবেশে দলের ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এরই মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে দলটি।
দেশের প্রতিটি বিভাগেও অনুরূপ সমাবেশ করা হবে।
দলের সাংস্কৃতিক সংগঠন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) ৭ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
আরও পড়ুন: জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করবে এমন সংস্কার চায় বিএনপি: তারেক রহমান
৫৪৫ দিন আগে
ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকুন: ফখরুল
সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশকে আবারও নতুন বিপদে ঠেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে।
তিনি বলেন, ‘আপনাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। বিপদ এখনও কাটেনি। নতুন বিপদ সামনে আসার আশঙ্কা রয়েছে।’
আরও পড়ুন: কেউ যেন মাইনাস-২ ফর্মুলার কথা না ভাবে: ফখরুল
এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, আবারও গণতন্ত্রকে দুর্বল ও ধ্বংস করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
ফখরুল বলেন, শেখ হাসিনা তার ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে মহিলা দলসহ বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর নির্মমভাবে দমন-পীড়ন চালিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘অবৈধভাবে ক্ষমতায় থেকে শেখ হাসিনা ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথা বলতেন। তার কারণে শিক্ষার্থীসহ বহু মানুষ নিহত হয়। কিন্তু সেই ভয়ংকর দানবকে সরিয়ে দিয়ে ৫ আগস্ট আমরা মুক্ত হয়েছি। এটা সত্য যে, শেখ হাসিনা গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন।’
ফখরুল বলেন, স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটলেও জাতি এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। ‘এই চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে আমাদের খুব সাবধানে এগোতে হবে।’
প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়ন করে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব।
তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, জনগণের সমর্থনে জনগণের সেবা করার জন্য একটি নির্বাচিত সরকারই সর্বোত্তম সরকার।’
ফখরুল বলেন, নির্বাচনই হচ্ছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চাবিকাঠি।
তিনি বলেন, বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু কেউ দলকে বিভক্ত করতে পারেনি। ‘বরং বিএনপি আরও শক্তিশালী হয়েছে। দলকে আরও শক্তিশালী করে আমরা এগিয়ে যাব এবং নিঃসন্দেহে নির্বাচনে জিতে দেশ পুনর্গঠনে কাজ করব।’
আরও পড়ুন: যেকোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের বিপক্ষে বিএনপি: ফখরুল
৫৪৬ দিন আগে