রাজনীতি
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতা-কর্মীরা: উপদেষ্টা জাহেদ
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শর্ত মানলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অংশ নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা জানান।
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকার আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেবে কি না জানতে চাইলে—প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘কোনো রকমের সমস্যা নেই। একজন ব্যক্তি যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চান, তিনি যদি আওয়ামী লীগের হয়েও নির্দলীয় থাকেন তাও পারবেন। কারণ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয়, এখানে কেউই দলের কথা বলবেন না।
‘একজন নির্দলীয় ব্যক্তি আসলেন, কিন্তু তিনি যদি তার প্রচারণায় আওয়ামী লীগ বা তাদের দলের যা যা বলার সেগুলো বলেন, সেটা কিন্তু সমস্যা হবে। এর বাইরে নির্দলীয় ব্যক্তি নির্বাচনটা করার জন্য যে ক্রাইটেরিয়া (শর্ত) আছে, সেটা যদি তিনি পূরণ করতে পারেন, তাহলে তিনি নির্বাচন করতে পারেন। নিশ্চয়ই পারেন।’
যদি নির্বাচনে আসা কারও আওয়ামী লীগের দলীয় পদ-পদবি থাকে তাহলে কী হবে— এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সংগঠনের কর্মসূচি যেহেতু নিষিদ্ধ আছে এই পোস্ট পজিশন তিনি তো আসলে ব্যবহার করছেন না, তিনি করতে পারেন না। ব্যক্তি হিসেবে কেউ যদি নির্বাচনের শর্তে যা আছে সেটা পূরণ করতে পারেন, তাহলে তিনি নির্বাচন করতে পারেন। এ ব্যাপারে সরকারের দিক থেকে বাধা দেওয়ার কোনো কারণ নেই।
১০ দিন আগে
বজ্রপাতে প্রাণহানি কমাতে আধুনিক প্রযুক্তির দিকে যাচ্ছে সরকার: সংসদে ত্রাণমন্ত্রী
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিদ্যমান জাতীয় নীতিমালা আধুনিকায়ন এবং বজ্রপাতে প্রাণহানি কমাতে সরকার মাঠপর্যায়ে নানা প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
সোমবার (৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
বজ্রপাতে প্রাণহানি প্রসঙ্গে সংরক্ষিত নারী আসন-২-এর সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানার প্রশ্নের জবাবে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, দেশের বজ্রপাতপ্রবণ এলাকাগুলোতে প্রাণহানি কমাতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বজ্রপাতের ঝুঁকি হ্রাস ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
তিনি জানান, আধুনিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে বজ্রপাতের পূর্বাভাস তৈরি করে তা গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাশাপাশি ‘ইন্টিগ্রেটেড ভয়েস রেসপন্স (আইভিআর)’ প্রযুক্তির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া মাঠপর্যায়ে লিফলেট বিতরণ, পোস্টার প্রচার এবং বিশেষ মহড়ার মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বজ্রপাতপ্রবণ এলাকায় কৃষক ছাউনি-কাম-বজ্রনিরোধক দণ্ড স্থাপন এবং ব্যাপক হারে তালগাছ রোপণের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, সংরক্ষিত নারী আসন-১০-এর সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ঘূর্ণিঝড়, কালবৈশাখী, টর্নেডো, বন্যা, খরা ও নদীভাঙনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সরকার ইতোমধ্যে ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২’, ‘জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০১৫’, ‘জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (২০২১-২০২৫)’ এবং ‘স্ট্যান্ডিং অর্ডারস অন ডিজাস্টার (এসওডি)’ প্রণয়ন করেছে।
তিনি বলেন, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বিদ্যমান পরিকল্পনাগুলোকে আরও সময়োপযোগী ও হালনাগাদ করতে কাজ করছে সরকার। এর অংশ হিসেবে এসওডি সংশোধন এবং ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের নতুন জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, একই সঙ্গে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষিত জনবল গঠন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও গবেষণা কার্যক্রম গতিশীল করতে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন করেছেন। এর ফলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
১১ দিন আগে
মাত্র সাড়ে তিন বছরে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে নতুন রূপ দিয়েছিলেন: মঈন খান
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, মাত্র সাড়ে তিন বছরের রাষ্ট্র পরিচালনায় শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে নতুন রূপ দিয়েছিলেন, যা পরবর্তী ৪৫ বছরেও অর্জন করা সম্ভব হয়নি।
রবিবার (৭ জুন) রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারসে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম আয়োজিত ‘রাষ্ট্র বিনির্মাণে মুক্তিযোদ্ধাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানটি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজন করা হয়।
ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ১৯৭১ সালে জিয়াউর রহমান যে স্বাধীনতার ঘোষণাটি দিয়েছিলেন এটি কি তাৎক্ষণিক ছিল? নাকি এই চিন্তাধারা যার মনে অনেক আগে থেকেই ছিল?
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার ঘোষণার বিষয়ে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ও চিন্তাধারা নিয়ে ইতিহাসভিত্তিক গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে এখনো কোনো পূর্ণাঙ্গ গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি, যা দীর্ঘদিনের একটি ঘাটতি। এ বিষয়ে সরকার শিগগিরই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
মঈন খান বলেন, জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্র পরিচালনার সময়কাল ছিল স্বল্প, তবে ওই সময়েই তিনি দেশের প্রশাসন ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনেন। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, পরবর্তী ৪৫ বছরে কেন সেই অর্জন পুনরাবৃত্তি করা সম্ভব হয়নি?
তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার ঘোষণা এবং মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ইতিহাসের অংশ। করাচিতে অবস্থানকালেও তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও জনগণের বঞ্চনা নিয়ে আলোচনা করতেন।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ১৯৭৫ সালের পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে জিয়াউর রহমান পুনরায় রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পান এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রশাসনিক দক্ষতা ও অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণের মাধ্যমে দেশকে অগ্রগতির পথে নিতে ভূমিকা রাখেন।
তিনি উল্লেখ করেন, সে সময় খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও প্রশাসনিক সমন্বয়ের মাধ্যমে সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছিল।
মঈন খান বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় শৃঙ্খলা, সততা ও দেশপ্রেম, এই তিনটি বিষয়কে জিয়াউর রহমানের মূল আদর্শ হিসেবে দেখা হয় এবং এগুলোর বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন অনুষ্ঠান উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত।
১২ দিন আগে
রামিসা হত্যা মামলায় দ্রুত বিচার হওয়ায় আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুত শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার জন্য আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (৭ জুন) দুপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরুর আগে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কার্য উপদেষ্টা কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্তকরণ, গ্রেপ্তার এবং তদন্ত কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
সভায় প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, একটি নৃশংস ও হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত পরিচালনা, অপরাধীদের শনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটেছে।
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে এবং দোষী ব্যক্তিরা প্রচলিত আইন অনুযায়ী উপযুক্ত শাস্তি পাবে। তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে একই ধরনের পেশাদারত্ব ও নিষ্ঠা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
বৈঠকে উপস্থিত কার্য উপদেষ্টা কমিটির অন্য সদস্যরাও ঘটনাটির পর সরকারের দ্রুত পদক্ষেপের প্রশংসা করেন এবং অপরাধের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
এর আগে, আজ দুপুরে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সোহেল রানাকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মাত্র ১৭ দিনের বিচারিক কার্যক্রম শেষে মামলাটির রায় ঘোষণা করা হয়। এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হয়েছে।
বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এত কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।
অবশ্য এর আগে তিন কার্যদিবসে মাদক মামলা নিষ্পত্তির নজির রয়েছে। আর গত বছর মাগুরায় আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার কাজ সম্পন্ন হয় ১৪ কার্যদিবসে। ওই মামলায়ও আসামির সর্বোচ্চ সাজার রায় আসে।
১২ দিন আগে
সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন (২০২৬ সালের বাজেট অধিবেশন) শুরু হয়েছে।
রবিবার (৭ জুন) বিকাল ৩টার দিকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রথম বাজেট অধিবেশনের কার্যক্রম শুরু হয়।
অধিবেশনের প্রথম দিনে সংসদে একটি শোকপ্রস্তাব গৃহীত হয়। এতে তোফায়েল আহমেদসহ ১৬ জন সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক দিলারা হাফিজ (স্পিকারের স্ত্রী), পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যাকাণ্ডের শিকার আট বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তার এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়।
আগামী ১১ জুন (বৃহস্পতিবার) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট পেশ করবেন।
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার গঠন করার পর এটিই হবে প্রথম বাজেট।
এর আগে, গত ৭ মে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন সংসদ অধিবেশন আহ্বান করেন। ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শেষ হয় গত ৩০ এপ্রিল। ওই অধিবেশনে ২৫ কার্যদিবসে মোট ৯৪টি বিল পাস হয়।
১২ দিন আগে
সরকারদলীয় এমপিদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের সংসদীয় সভা শুরু হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে এ সভা শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ কথা জানান।
সংসদীয় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয়ে আলোচনার কথা রয়েছে।
১৩ দিন আগে
যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা
আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হলেও আজ বৃহস্পতিবার পূর্ণাঙ্গ ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়।
ঘোষিত কমিটিতে রেজাউল কবীর পলকে জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি এবং বিল্লাল হোসেন তারেককে এক নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
এছাড়া মো. কামরুজ্জামান জুয়েলকে সাংগঠনিক সম্পাদক এবং আল মেহেদী তালুকদারকে প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ২৯ জন সহ-সভাপতি, ২৮ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ২৩ জন সহ-সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন।
কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দায়িত্বে সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়াকে মনোনীত করা হয়েছে।
কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে রোকনুজ্জামান রোকনকে কোষাধ্যক্ষ, আশরাফ জালাল খান মননকে সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক, আমিনুর রহমান আমিনকে তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং খায়রুজ্জামান লিঙ্কনকে সহ-সভাপতির মর্যাদায় আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক করা হয়েছে।
এছাড়া এ আর মামুন খান ও মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের মর্যাদায় আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পাঁচজন আইনবিষয়ক সম্পাদক এবং দুজন স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদকও রয়েছেন।
এক নজরে যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি
১. সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না
২. জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি রেজাউল কবীর পল
৩. সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া
৪. সহ-সভাপতি কামাল আনোয়ার আহাম্মদ
৫. সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান মাহফুজ
৬. সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম দুলাল
৭. সহ-সভাপতি শাহ আলম চৌধুরী
৮. সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান
৯. সহ-সভাপতি সাব্বির আহমেদ দিপু
১০. সহ-সভাপতি আবদুল জব্বার খান
১১. সহ-সভাপতি খন্দকার এনামুল হক এনাম
১২. সহ-সভাপতি শরীফ উদ্দীন জুয়েল
১৩. সহ-সভাপতি ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ
১৪. সহ-সভাপতি রফিক আহমেদ ডলার
১৫. সহ-সভাপতি সাইদ ইকবাল মাহমুদ টিটু
১৬. সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ফিরোজ আবদুল্লাহ
১৭. সহ-সভাপতি মাহমুদুস সালেহীন
১৮. সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক
১৯. সহ-সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জল
২০. সহ-সভাপতি এইচ এম তসলিম উদ্দিন
২১. সহ-সভাপতি নাজমুল আলম নাজু
২২. সহ-সভাপতি মো. আনোয়ারুল হক
২৩. সহ-সভাপতি আবু সাঈদ আহমেদ (যুক্তরাষ্ট্র)
২৪. সহ-সভাপতি রহিম উদ্দিন (যুক্তরাজ্য)
২৫. সহ-সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ মুন্না
২৬. সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম টিটু
২৭. সহ-সভাপতি ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
২৮. সহ-সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমন
২৯. সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান আকন্দ
৩০. সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল (দপ্তরের দায়িত্বে)
৩১. সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন
৩২. ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক
৩৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
৩৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম সোহাগ
৩৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু আতিক আল হাসান মিন্টু
৩৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নাসির উদ্দিন রুমন
৩৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দিন ভূইয়া
৩৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈনুদ্দীন রুবেল
৩৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম মিলন
৪০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এজমল হোসেন পাইলট
৪১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইখতিয়ার রহমান কবির
৪২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়ন
৪৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল মিরাজ
৪৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিঞা মোহাম্মদ রাসেল
৪৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল করিম সরকার
৪৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক
৪৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা
৪৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল মনসুর খান দীপক
৪৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আল আশরাফ মামুন
৫০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান
৫১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জোহা সুমন
৫২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক উজ জামান তারেক
৫৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শোয়াইব খন্দকার
৫৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুর রহমান বাবু
৫৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ
৫৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল ওয়াহাব
৫৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ হিরো (সৌদি আরব)
৫৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম তমাল আহমেদ
৫৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম
৬০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া (দপ্তরের দায়িত্বে)
৬১. সহ-সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন লিমন
৬২. সহ-সাধারণ সম্পাদক মাসুদ খান পারভেজ
৬৩. সহ-সাধারণ সম্পাদক এন এম আব্দুল্লাহ উজ্জল
৬৪. সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ
৬৫. সহ-সাধারণ সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন মামুন
৬৬. সহ-সাধারণ সম্পাদক মামুন হোসেন ভূইয়া
৬৭. সহ-সাধারণ সম্পাদক রাহাদুল আলম খান
৬৮. সহ-সাধারণ সম্পাদক রুহুল ইসলাম মনি
৬৯. সহ-সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান
৭০. সহ-সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক পাভেল
৭১. সহ-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মাইনউদ্দিন খোকন
৭২. সহ-সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন চয়ন
৭৩. সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান পলাশ
৭৪. সহ-সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক আরিফ
৭৫. সহ-সাধারণ সম্পাদক প্রকৌ: কামরুল হাসান খান সাইফুল
৭৬. সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান
৭৭. সহ-সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির সেলিম
৭৮. সহ-সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান ভূইয়া সবুজ
৭৯. সহ-সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মেহেদী হাসান জুয়েল
৮০. সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদুল হক
৮১. সহ-সাধারণ সম্পাদক সাহাবুদ্দিন মুন্না
৮২. সহ-সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম রানা
৮৩. সহ-সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী
৮৪. সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান জুয়েল
৮৫. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ গাফফার
৮৬. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ ফারুকী হীরা
৮৭. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান সুমন
৮৮. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব
৮৯. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আলম
৯০. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন সরকার শাওন
৯১. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান শামীম
৯২. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি
৯৩. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান সোহেল
৯৪. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল ইসলাম
৯৫. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার রিয়াজ
৯৬. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাশেদুল ইসলাম রিপন
৯৭. প্রচার সম্পাদক আল মেহেদী তালুকদার
৯৮. সহ-প্রচার সম্পাদক তারেকুর রহমান
৯৯. সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক আশরাফ জালাল খান মনন
১০০. সহ-সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক সাইদুর রহমান সোহেল
১০১. তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিন
১০২. কোষাধ্যক্ষ রোকনুজ্জামান রোকন
১০৩. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মুর্তজা কামাল মোস্তাক
১০৪. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. ইউনুস আলী রবি
১০৫. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ
১০৬. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. তানভীর হাসান সোহেল
১০৭. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. গাজী মো. মাসকুরুল আলম সৌরভ
১০৮. কৃষি বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ সানোয়ার আলম
১০৯. সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল আলম ফকির লিঙ্কন
১১০. শ্রম বিষয়ক সম্পাদক পার্থ দেব মন্ডল
১১১. শিল্প বিষয়ক সম্পাদক কারীমুল হাই নাঈম
১১২. যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক সাজিদ হাসান বাবু
১১৩. ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জনি
১১৪. সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো. মেজবাহউদ্দিন মেজু
১১৫. পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম রুমন
১১৬. গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মহিন উদ্দিন রাজু
১১৭. সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সাইদুর রহমান রয়েল
১১৮. বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাপ্পী
১১৯. সহ-বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম
১২০. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান
১২১. ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান নান্নু
১২২. ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ
১২৩. সহ-ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মজুমদার
১২৪. সহ-গ্রামসরকার বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার মাহবুবুর রহমান মাহী
১২৫. সহ-জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক মো. বেলাল হোসেন
১২৬. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কে এস এম মুসাব্বির শাফী
১২৭. তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইমরান আহমেদ প্রিন্স
১২৮. মৎস্য ও পশুপালন বিষয়ক সম্পাদক শাহজাহান রনি
১২৯. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. গালিব হাসান
১৩০. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম
১৩১. সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন
১৩২. সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল
১৩৩. সহ-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মো. জাহিদ হাসান
১৩৪. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক খায়রুজ্জামান লিঙ্কন (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা)
১৩৫. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এ আর মামুন খান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)
১৩৬. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদ (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)
১৩৭. মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মাহবুবুল আলম আকতার
১৩৮. প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত বিল্লাহ খান
১৩৯. পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক হেদায়েত হোসেন ভূইয়া
১৪০. সহ-পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক রাশেদ আল আমিন শুভ
১৪১. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) আমিনুল ইসলাম খান
১৪২. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মাহবুব শিকদার
১৪৩. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মহসীন বিশ্বাস
১৪৪. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) জহিরুল ইসলাম বিপ্লব
১৪৫. সদস্য (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) রাজিব আহসান চৌধুরী পাপ্পু
১৪৬. সদস্য আব্দুল্লাহ আল কাফি শাহেদ
১৪৭. সদস্য নাজিম উদ্দিন মিঠু
১৪৮. সদস্য মাহমুদুল করিম সজল
১৪৯. সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ শাহীন
১৫০. সদস্য মো. এমরান হোসেন শাহীন
১৫১. সদস্য ফখরুল বিন খালেক
১৫ দিন আগে
বাংলাদেশের মানুষ কোনোভাবেই পুশইন মেনে নেবে না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ কোনোভাবেই পুশইন মেনে নেবে না।
বুধবার (৩ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বেনাপোলের সাদিপুরে ভারত থেকে পুশইনের প্রতিবাদে সীমান্ত পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী—বিএসএফ রাতের আঁধারে চুপিসারে কাঁটাতারের বেড়া খুলে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা শুনতে পারছি সীমান্তের ওপারে অনেক মানুষকে তারা সমবেত করেছে। আমরা সরকারের উদ্দেশে বলতে চাই, বাংলাদেশের মানুষ কোনোভাবেই পুশইন মেনে নেবে না এবং পুশইন বন্ধে সরকারকে জরুরি উদ্যোগ নিতে হবে।
এ সময় সরকারের কাছে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, তারা এখানে তাদের প্রবেশ করালো কীভাবে? যেখানে সরকার পতাকা বৈঠক করেছে, সেখানে কোনো সমাধান আসেনি। সরকারের যে পররাষ্ট্রনীতি এবং স্বরাষ্ট্রনীতি আছে, সেটা আজ বাংলাদেশের মানুষের কাছে স্পষ্ট হয়েছে; তা ভঙ্গুর নীতি, এটি বাংলাদেশের নাগরিকদের নিরাপদ করতে পারছে না।
তিনি স্থানীয় জনগণের উদ্দেশে আরও বলেন, যেখানেই সীমান্ত হত্যা হবে, ইনশাআল্লাহ আমরা আছি। আপনারা বিজিবির সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকবেন। দলমত নির্বিশেষে আপনারা পুশইনের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ুন। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, সীমান্তে নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখে যেকোনো সীমান্ত-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
এ সময় তার সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক মিয়াজ মেহরাব তালুকদার, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব ফরিদুল হক এবং চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির আহ্বায়ক শোয়েব মিয়া।
১৬ দিন আগে
হাজারো মানুষের শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় তোফায়েল আহমেদকে শেষ বিদায়
কিংবদন্তি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী এবং নয়বারের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদকে দলমত নির্বিশেষে হাজারো মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শেষ বিদায় জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার প্রতি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরে তার জাতীয় পতাকায় মোড়ানো মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
তারা জানাজার নামাজে ইমামতি করেন ভোলা খলিফাপট্টি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা জমির উদ্দিন।
জানাজায় ভোলা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর, সদস্য সচিব রাইসুল আলমসহ বিএনপি, বিজেপি, কমিউনিস্ট পার্টি এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সর্বস্তরের হাজারো মানুষ অংশ নেন। তীব্র গরম ও রোদ উপেক্ষা করে তারা প্রিয় নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।
১৭ দিন আগে
বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
বর্ষীয়ান এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন প্যারালাইসিসসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তিনি।
তার পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আজ (সোমবার) মাগরিবের নামাজের পর ধানমণ্ডির তাকওয়া মসজিদে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। তারপরে স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘরে মরদেহ রাখা হবে। এরপর আগামীকাল হেলিকপ্টার বা মরদেহবাহী ফ্রিজিং ভ্যানে তার মরদেহ ভোলায় নেওয়া হবে। মঙ্গলবার জোহরের নামাজের পরে ভোলা জিলা স্কুল মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা তোফায়েল আহমেদ দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময় সক্রিয় ছিলেন দেশের রাজনীতিতে।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মৌলভী আজহার আলী ও মা ফাতেমা বেগম। দাম্পত্য জীবনে স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও একমাত্র সন্তান ডা. তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নীকে রেখে গেছেন।
শিক্ষাজীবনে ১৯৬০ সালে ভোলা সরকারি হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও ১৯৬২ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৬৪ সালে বিএসসি পাস করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকাবিজ্ঞানে এমএসসি সম্পন্ন করেন।
ছাত্রলীগের মাধ্যমে তোফায়েল আহমেদের রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন ১৯৬৬-৬৭ মেয়াদে ইকবাল হলের (বর্তমানে শহিদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) নির্বাচিত সহ-সভাপতি (ভিপি) ছিলেন তিনি। ১৯৬৮-৬৯ সালের গণজাগরণ ও ছাত্র আন্দোলনে তিনি ডাকসুর ভিপি হিসেবে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন।
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ মুজিবুর রহমানসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সব আসামিকে মুক্তি দেয় তৎকালীন পাকিস্তান সরকার। কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ সেই বছরেরই ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবের সম্মানে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) এক সভার আয়োজন করে। লাখো জনতার অংশগ্রহণে আয়োজিত এই সম্মেলনে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি ঘোষণা দেন তোফায়েল আহমেদ।
প্রথমবারের মতো ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়লাভ করেন তিনি। এরপর ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি মুজিব বাহিনীর অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার প্রধানের একজন ছিলেন।
দেশ স্বাধীনের পরের বছর ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিবের দায়িত্ব লাভ করেন।
পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নিজের জেলা ভোলা থেকে ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করেন।
১৯৯৬ সালের ২৩ জুন তিনি শেখ হাসিনা সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে ২০১৩-১৮ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন।
রাজনৈতিক কারণে ১৯৭৫ সাল থেকে টানা ৩৩ মাসসহ অসংখ্যবার কারাভোগ করেন এই নেতা।
১৮ দিন আগে