ব্যবসা
পুঁজিবাজারে লভ্যাংশ না দেওয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে কমিশন
তালিকাভুক্ত যেসব কোম্পানি পুঁজিবাজারে লভ্যাংশ ঘোষণা করেও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিতরণ করেনি– সেসব কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
বিএসইসি পরিচালক আবুল কালাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যেসব কোম্পানি লভ্যাংশ ঘোষণা দেওয়ার পরেও তা বিতরণ করেনি- এমন ২২ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
আলোচনায় কোম্পানিগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে কেন লভ্যাংশ ঘোষণা দেওয়ার পরেও বিতরণ করা হয়নি তার কারণ জানতে চেয়েছে কমিশন। চলমান যেসব সমস্যার কারণে কোম্পানিগুলো লভ্যাংশ দিতে পারছে না, তা সমাধানের নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি।
বিএসইসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এরমধ্যে যেসব কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ আটকে রেখেছে, তাদের বিরুদ্ধে সিকিউরিটিজ আইনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এদিকে পুঁজিবাজারে টানা পাঁচ দিনের পতনে পর্যদুস্ত বিনিয়োগকারীরা। যেসব বিনিয়োগকারী মার্জিন ঋণ নিয়ে বাজারে বিনিয়োগ করেছেন তাদের অবস্থা সবচেয়ে বেশি খারাপ।
এ নিয়ে মতিঝিলে ব্রোকারেজ হাউজের সামনে বিনিয়োগকারীরা টানা কয়েকদিন মানববন্ধন, আন্দোলন এবং কফিন মিছিল করলেও কোনো সুরাহা হয়নি।বিনিয়োগকারীদের বেশ কয়েকটি সংগঠন থেকে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৯ মে) কমিশন তাদের সঙ্গে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে। আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে পুঁজিবাজার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কমিশন।
৪৩২ দিন আগে
পাঁচদিনের পতনে পর্যুদস্ত পুঁজিবাজার, কমেছে ঢাকা-চট্টগ্রামের সব সূচক
গত কয়দিনের মতো সপ্তাহের পঞ্চম কার্যদিবসেও সূচকের পতন হয়েছে পুঁজিবাজারে; কমেছে ঢাকা-চট্টগ্রামের সব সূচক, বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম নিম্নমুখী রয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৬২ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরীয়া ভিত্তিক ডিএসইএস কমেছে ১৬ এবং বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০ কমেছে ১৫ পয়েন্ট।
লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৯৮ কোম্পানির মধ্যে ৬৩ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ২৯৫ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৪০ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
এ, বি ও জেড- তিন ক্যাটাগরিতেই বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। বিশেষ করে লভ্যাংশ দেয়া ভালো কোম্পানির এ ক্যাটাগরিতে ২১৯ কোম্পানির মধ্যে ২৯ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১৬৮ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ২২ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ডিএসই ব্লক মার্কেটে ২৪ কোম্পানির ৯ কোটি ৮০ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি হয়েছে। ফাইন ফুড সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে। ডিএসইতে সারাদিনে ২৬৪ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ২৭২ কোটি টাকা।
৮.৭৩ শতাংশ দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষে হাইডেলবার্গ মেটারিয়ালস বাংলাদেশ এবং ৯.৮০ শতাংশ দাম কমে তলানিতে এনআরবি ব্যাংক।
চট্টগ্রামেও পতন
ঢাকার মতো পতনের ধারা বজায় আছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই), সার্বিক সূচক কমেছে ১৩৮ পয়েন্ট।
লেনদেন হওয়া ১৯৪ কোম্পানির মধ্যে ৩৮ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১৩৮ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ১৮ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সিএসইতে মোট ১৮ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ১০ কোটি টাকা। ১০ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষ কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং ৯.৮৪ শতাংশের ওপর দর হারিয়ে তলানিতে আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেড।
৪৩২ দিন আগে
টানা চার দিন ঢাকা-চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে পতন
বিগত কয়দিনের মতো সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসেও সূচকের পতন হয়েছে পুঁজিবাজারে; কমেছে ঢাকা-চট্টগ্রামের সবকটি সূচক, বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম এবং লেনদেন।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৪১ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরীয়া ভিত্তিক ডিএসইএস কমেছে ৮ এবং বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লু-চিপ সূচক কমেছে ১৭ পয়েন্ট।
লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৯২ কোম্পানির মধ্যে ৮৩ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ২৩৭ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৭২ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
এ, বি এবং জেড- তিন ক্যাটাগরিতেই বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। বিশেষ করে লভ্যাংশ দেয়া ভালো কোম্পানির এ ক্যাটাগরিতে ২১৩ কোম্পানির মধ্যে ৪৯ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১২৫ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৯ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ডিএসই ব্লক মার্কেটে ৩৩ কোম্পানির ১৭ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি হয়েছে। ফাইন ফুড সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
আরও পড়ুন: পুঁজিবাজার: সপ্তাহজুড়ে চলল সূচক, লেনদেন ও শেয়ারের মূল্যপতন
ডিএসইতে সারাদিনে ২৭২ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ২৮২ কোটি টাকা।
৯.৮৩ শতাংশ দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) এবং ৯.৬৫ শতাংশ দাম কমে তলানিতে এনসিসি ব্যাংক।
চট্টগ্রামেও পতন
ঢাকার মতো পতনের ধারা বজায় আছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই), সার্বিক সূচক কমেছে ৪৯ পয়েন্ট।
লেনদেন হওয়া ২০৭ কোম্পানির মধ্যে ৬১ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১১৫ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৩১ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সিএসইতে মোট ১০ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ১১ কোটি টাকা।
১০ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষ শেয়ার গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং ১৭ শতাংশের ওপর দর হারিয়ে তলানিতে ব্যাংক এশিয়া।
৪৩৩ দিন আগে
ঈদের ১০ দিন ঢাকায় চামড়া প্রবেশ বন্ধ: বাজার নিয়ন্ত্রণে বিশেষ উদ্যোগ
কোরবানির ঈদের সময় চামড়ার বাজারে সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করতে ১০ দিন ঢাকায় চামড়া প্রবেশ বন্ধ রাখা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন। তিনি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে যারা চামড়া সংরক্ষণ করবেন, তাদের সুবিধার্থে সারা দেশে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ বিতরণ করা হবে।
রবিবার (২৫ মে) সচিবালয়ের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বশিরউদ্দিন এ কথা বলেন।
তিনি জানান, ঈদের পর চামড়ার সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। কোরবানির পশুর চলাচলে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হবে এবং চামড়া সংরক্ষণে লবণের ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি আরও জানান, ট্যানারি মালিকদের জন্য ২৫০ কোটি টাকার সরকারি প্রণোদনা ইতোমধ্যে ছাড় করা হয়েছে, যা তাদের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করবে। এছাড়াও, কাঁচা চামড়া রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে—যাতে স্থানীয় বাজারে মূল্য সঠিকভাবে নির্ধারিত হয়।
বশিরউদ্দিন বলেন, ঢাকায় চামড়া প্রবেশ বন্ধের ফলে গ্রামাঞ্চলের চামড়া সংরক্ষণকারীরা লবণের মাধ্যমে সংরক্ষণ করতে পারবে। যারা কোরবানির পশু জবাই করেন তারা চামড়া মাদরাসা বা এতিমখানায় দিয়ে দিতে পারবেন, যা সংরক্ষণ করে পরে বিক্রি করা হবে।
আরও পড়ুন: কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ
শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, আমরা যেহেতু বিনামূল্যে লবণ দিচ্ছি, প্রশিক্ষণ দিয়েছি এবং চামড়ার লবণ লাগাতে যে শ্রম ব্যয় হয়, সেসব কিছু বিবেচনায় নিয়েই এবার চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার যে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে—সেটা যৌক্তিক।
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান জানান, এপ্রিল থেকেই চামড়া বাজার ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। চামড়া বাজারে যথাযথ মূল্য না পেলে বিশেষ করে এতিমখানা ও মাদরাসাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাই সরকার তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে।
৪৩৫ দিন আগে
বড় পতন দিয়ে সপ্তাহ শুরু পুঁজিবাজারে
সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে ঢাকা-চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে সূচকের বড় পতন হয়েছে, কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম। ঢাকার লেনদেন কিছুটা বাড়লেও কমেছে চট্টগ্রামে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৩৮ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরীয়া ভিত্তিক ডিএসইএস ৯ পয়েন্ট এবং বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০ কমেছে ২৩ পয়েন্ট।
লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৯৭ কোম্পানির দাম কমেছে বেশিরভাগের। ৭৪ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ২৭১ এবং অপরিবর্তিত আছে ৫২ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ক্যাটাগরির হিসাবে এ, বি এবং জেড তিন ক্যাটাগরিতেই তালিকাভুক্ত বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। লভ্যাংশ দেয়া ভালো কোম্পানির শেয়ার এ ক্যাটাগরির ২১৮ কোম্পানির মধ্যে ৩৬ কোম্পানির দরবৃদ্ধি হলেও দর কমেছে ১৬০ এবং অপরিবর্তিত আছে ২২ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
দাম কমেছে লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৬ মিউচুয়াল ফান্ডের বেশিরভাগের। মাত্র একটি কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দাম কমেছে ২৯ এবং অপরিবর্তিত আছে ৬ কোম্পানির ইউনিটের দাম।
৩১ কোম্পানির ৩৪ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি হয়েছে ডিএসই ব্লক মার্কেটে। মিডল্যান্ড ব্যাংক সর্বোচ্চ ২০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
আরও পড়ুন: সাপ্তাহিক পুঁজিবাজার: সূচক বাড়লেও লেনদেন তলানিতে
ঢাকার বাজারে সারাদিনে মোট ২৭৮ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে, যা গত কার্যদিবসে ছিল ২৫৩ কোটি টাকা।
৯.৯১ শতাংশ দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষ শেয়ার মিডল্যান্ড ব্যাংক। অন্যদিকে ৭.৩৭ শতাংশের ওপর দর হারিয়ে তলানিতে রিলায়েন্স মিউচুয়াল ফান্ড।
চট্টগ্রামেও পতন
ঢাকায় মতো সূচক কমেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)। সারাদিনের লেনদেনে সিএসইতে সার্বিক সূচক কমেছে ৯১ পয়েন্ট।
লেনদেনে অংশ নেয়া ১৮১ কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ৫৬, কমেছে ৯৫ এবং অপরিবর্তিত আছে ৩০ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সিএসইতে মোট ৪ কোটি ৯৭ লাখ টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গত কার্যদিবসে ছিল ৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।
১০ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতেও শীর্ষ শেয়ার ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং ১৬ শতাংশের ওপর দর হারিয়ে তলানিতে সিটি ব্যাংক।
৪৩৬ দিন আগে
পুঁজিবাজার: লেনদেনের প্রথম ঘণ্টায় ঢাকায় সূচকের উত্থান, চট্টগ্রামে পতন
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে লেনদেনের প্রথম ঘণ্টায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের উত্থান হলেও কমেছে চট্টগ্রামের বাজারে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের শুরুতেই প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১২ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচকের মধ্যে শরীয়াভিত্তিক সূচক ডিএসইএস ৪ এবং বাছাইকৃত শেয়ার ব্লু-চিপের সূচকও বেড়েছে ৪ পয়েন্ট।
এই সময়ের ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৬৫টি কোম্পানির মধ্যে ১৮০টির শেয়ারের দাম বেড়েছে, ৯৫টির কমেছে এবং ৯০টির কোনো পরিবর্তন হয়নি।
আরও পড়ুন: সূচকের উত্থান-পতনের দোলাচলে লেনদেন চলছে পুঁজিবাজারে
প্রথম ঘণ্টায় ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ৭০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।
এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক কমেছে ৯ পয়েন্ট।
অন্যদিকে, সিএসইতে প্রধান সূচক ৯ পয়েন্ট কমে গেছে। সেখানে লেনদেন হওয়া ৬২ কোম্পানির মধ্যে ৩১টির দাম বেড়েছে, ২৪টির কমেছে এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সিএসইতে প্রথম ঘণ্টায় লেনদেন ১ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।
৪৩৮ দিন আগে
ব্যবসায়ীরা ব্যবসা-বিনিয়োগে আস্থা হারিয়ে ফেলেছে- ঢাকা চেম্বার সভাপতি
চাঁদাবাজি, প্রতারণামূলক অনলাইন কার্যক্রমসহ অনিরাপদ পরিবেশের কারণে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা ও বিনিয়োগে আস্থা হারিয়ে ফেলছেন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ।
তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করতে উদ্যোক্তাদের অনিরাপদ পরিবেশ, চাঁদাবাজি, প্রতারণামূলক অনলাইন কার্যক্রম, পণ্য পরিবহন ঝুঁকি, জালিয়াতি প্রভৃতি প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়।’
বুধবার (২১ মে) ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণে উন্নত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার অত্যাবশকীয়তা শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
তাসকীন আহমেদ বলেন, ‘নির্বিঘ্নে, স্বচ্ছভাবে ও নিরাপত্তার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনার একটি সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।’ ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ উন্নয়নে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন আছে উল্লেখ করে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতার লক্ষ্যে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। দাবি আদায় গণতান্ত্রিক কার্যক্রমের অংশ হলেও, অর্থনীতির এ কঠিন সন্ধিক্ষণে ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি জনগনের দৈনন্দিন কার্যক্রম যেন ব্যাহত না হয় সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান ডিসিসিআই সভাপতি।
এছাড়াও রাজধানী ঢাকার উপর চাপ কমাতে প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি, যার মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক অঞ্চলের উন্নয়ন আরও সুসংহত হবে বলে জানান তিনি।
ডিসিসিআই’র সাবেক ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি আলহাজ্ব আব্দুস সালাম বলেছেন, ‘ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা নিয়ে আমরা চিন্তিত। ব্যবসায়ীরা নিয়মিত ভ্যাট-ট্যাক্স দিলেও বর্তমানে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মধ্যদিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করতে হচ্ছে, যা মোটেও কাম্য নয়।’
ডিসিসিআই’র প্রাক্তন সহসভাপতি এম আবু হোরায়রাহ ঢাকা দক্ষিণ এলাকায় পার্কিং সুবিধা বাড়নোর পাশাপাশি দক্ষিণের ট্রাফিক বিভাগের অফিস শান্তিনগর থেকে গুলিস্তানে স্থানান্তরের সুপারিশ করেন। তিনি বৈদ্যুতিক ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলোকে ঢাকা শহরের বাইরে স্থানান্তর করারও সুপারিশ করেন। পাশাপাশি অতিদ্রুত ঢাকা শহরের পরিবহনের কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়নেরও দাবি জানান।
বাংলাদেশ ভোজ্যতেল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মওলা বলেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থতির পট পরিবর্তনের পর আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতির আশানুরূপ উন্নয়ন হয়নি।
তিনি বলেন, ‘স্থলবন্দরের মাধ্যমে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে দালালের মাধ্যমে ট্রাক ভাড়া করতে গিয়ে ব্যবসায় ব্যয় বাড়ছে। মৌলভীবাজার এলাকায় অনিয়ন্ত্রিত ট্রাকস্ট্যান্ড থাকায় বাবুবাজার ব্রিজে প্রচন্ড যানজট হচ্ছে, ফলে ব্যবসায়িক কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে।’এ ছাড়াও, লালবাগ, কোতোয়ালি, চকবাজার এলাকার ব্যবসায়ীদের নগদ টাকা পরিবহনে নিরাপত্তার স্বার্থে এসব এলাকায় সান্ধ্যকালীন পুলিশি টহল বাড়ানো দাবি জানান এ ব্যবসায়ী নেতা।
বাংলাদেশ চিনি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী আবুল হাসেম বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য হলেও চিনির উপর সরকারের অতিরিক্ত ট্যাক্স আরোপের ফলে চিনির মূল্য যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে ব্যবসায়ীদের ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট। এ সময়, সরকারের কাছে ট্যাক্স কমানোর দাবি জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের ১৪টি চিনিকল থাকলেও উৎপাদিত চিনি দিয়ে মোট চাহিদার মাত্র ২ শতাংশ মেটানো যায়। এছাড়া, বেসরকারি খাতে চিনিকল আছে মাত্র ৩টি। এ খাতের পাইলট প্রকল্পের আওতায় সরকারের অন্তত ২টি চিনিকল সারা বছর চালানো উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এছাড়া চিনি আমদানি ও উৎপাদন পর্যায়ে সুষম প্রতিযোগিতার পাশাপাশি সাপ্লাইচেইন বৃদ্ধি করা গেলে চিনির দাম কমবে বলে জানান চিনি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি।
মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী সৈয়দ মোহাম্মদ বশির উদ্দিন বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে পুলিশ বাহিনী এখনও সক্রিয় ভূমিকা রাখছে না। চিনি ও ভোজ্যতেল আমদানি সবার জন্য উন্মুক্ত করলে বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়বে, অবৈধ মজুদদারী বন্ধ হবে ও পণ্যের দাম কমবে।
বাংলাদেশ ডাল ব্যবসায়ী সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি নেসার উদ্দিন খান বলেন, ‘কিশোর গ্যাংয়ের নৈরাজ্যে এখন জনজীবনের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন, যা প্রতিরোধে পুলিশ প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দরকার।
বাংলাদেশ মনিহারী বণিক সমিতির সহসভাপতি হাজী ফয়েজউদ্দিন বলেন, পুরান ঢাকায় প্রবেশপথগুলো বিভিন্ন আন্দোলন কর্মসূচির কারণে বন্ধ থাকায় চকবাজারসহ অন্যান্য জায়গায় পণ্যবাহী ট্রাক যেতে পারছে না। ফলে ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্রস্থল হলেও চকবাজার, মৌলভীবাজার এলাকায় কোন ট্রাফিক পুলিশ না থাকায় প্রতিনিয়ত যানজট অসহনীয় হয়ে পড়ছে, যা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি।
এছাড়া পণ্য আমদানিতে শুল্কের হার বৃদ্ধি, ব্যাংকের ঋণের শর্ত পূরণ করতে না পারায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা ঋণ সুবিধা হতে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে জানান তিনি।
মোহাম্মদপুর টাউনহল কাঁচাবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি লুৎফুর রহমান বাবু বলেন, মোহাম্মদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি হচ্ছে। এক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ নেই।
এছাড়াও মোহাম্মদপুর এলাকায় ফুটপাতে অবৈধ দখল উচ্ছেদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।
ধামরাই ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম জানান, ঢাকা শহরের আশপাশে ৩৭০টি ইটভাটা থাকলেও, সরকার ইট ভাটার লাইসেন্স নবায়নের দীর্ঘসূত্রিতার কারণে এ খাতের উদ্যোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এই বিষয়টির দ্রুত সুরাহার দাবি জানান তিনি।
পুলিশের পক্ষ থেকে মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. মোহাইমেনুল ইসলাম বলেন, ৫ আগস্টের পর বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এটি আরও উন্নতি করতে হবে। তবে এখনও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের জন্য উপযুক্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা যায়নি।’
সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে দাবি তার। এছাড়া, কিশোর ও যুবক গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশ বরাবরের মতো কঠোর এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
মত বিনিময় সভায় ডিসিসিআই’র ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মান ও পরিচালনা পর্ষদের অন্যান্য সদস্যসহ বেসরকারিখাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
৪৩৯ দিন আগে
আবারও পতন ঢাকা-চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে, দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির
দ্বিতীয় দিনের পর তৃতীয় কার্যদিবসেও পতনের মুখে পুঁজিবাজার;সবকটি সূচক কমেছে ঢাকা-চট্টগ্রামের বাজারে, দর হারিয়েছে লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ কোম্পানি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১৪ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরীয়া ভিত্তিক ডিএসইএস কমেছে ৪ পয়েন্ট এবং বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০ কমেছে ৮ পয়েন্ট।
লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৯৭ কোম্পানির মধ্যে বেশিরভাগের দাম ছিল নিম্নমুখী। ১২৫ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ২০২ এবং অপরিবর্তিত আছে ৭০ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ক্যাটাগরির হিসাবে এ, বি এবং জেড- তিন ক্যাটাগরিতেই কমেছে শেয়ারের দাম। লভ্যাংশ দেয়া ভালো শেয়ারের এ ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত ২১৮ কোম্পানির মধ্যে ৫৬ কোম্পানির দরবৃদ্ধি হয়েছে। দর কমেছে ১৩৫ এবং অপরিবর্তিত আছে ২৭ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
দাম কমেছে লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৬ মিউচুয়াল ফান্ডের বেশিরভাগের। ২৪ কোম্পানির দর পতনের বিপরীতে দর বেড়েছে ৫ এবং অপরিবর্তিত আছে ৭ কোম্পানির।
৩৫ কোম্পানির ২৮ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি হয়েছে ডিএসই ব্লক মার্কেটে। এসইএমএল লেকচার ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট ফান্ড সর্বোচ্চ ৬ কোটি ৮০ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
ঢাকার বাজারে সারাদিনে মোট ২৮৮ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে, যা গত কার্যদিবসে ছিল ২৯২ কোটি টাকা।
১০ শতাংশ দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষ শেয়ার কাত্তালি টেক্সটাইল লিমিটেড। অন্যদিকে ১০ শতাংশের ওপর দর হারিয়ে তলানিতে মেঘনা কনডেন্স মিল্ক।
আরও পড়ুন: সূচকের উত্থান-পতনের দোলাচলে লেনদেন চলছে পুঁজিবাজারে
চট্টগ্রামেও পতন
ঢাকার মতো সূচক কমেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)। সারাদিনের লেনদেনে সিএসইতে সার্বিক সূচক কমেছে ২৫ পয়েন্ট।
লেনদেনে অংশ নেয়া ১৮৯ কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ৫৭, কমেছে ১০১ এবং অপরিবর্তিত আছে ৩১ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সিএসইতে মোট ১৬ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গত কার্যদিবসে ছিল ১০ কোটি টাকা।
৯.৯৮ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষ শেয়ার ড্যাফোডিল এবং ৯.৮৯ শতাংশ দর হারিয়ে তলানিতে আইসিবি।
৪৪১ দিন আগে
সূচকের উত্থান-পতনের দোলাচলে লেনদেন চলছে পুঁজিবাজারে
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে উত্থান দিয়ে শুরু হলেও প্রথম ঘণ্টার পর কমতে শুরু করে লেনদেন সূচক। প্রথম ধাক্কায় বেশিরভাগ কোম্পানির দাম বাড়লেও সূচকের অকস্মাৎ পতনে দোলাচলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের পুঁজিবাজার।
লেনদেনের প্রথমার্ধে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক কমেছে ৯ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচকের মধ্যে শরীয়া ভিত্তিক ডিএসইএসও নিম্নমুখী।
বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লুচিপ শেয়ার ডিএস-৩০ কমেছে ৩ পয়েন্ট।
এ ছাড়া, লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৬০ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১৫৭ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৭৮ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
আরও পড়ুন: সাপ্তাহিক পুঁজিবাজার: বেহাল সূচক, ব্যাংক খাতে বিপর্যয়
সব মিলিয়ে প্রথমার্ধে ঢাকার বাজারে লেনদেন ১৬০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।
এদিকে, বড় উত্থান দিয়ে লেনদেন শুরু করলেও দুই ঘণ্টার মধ্যে সূচকে ধস নামে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)। সিএসইতে সার্বিক সূচক কমেছে ৮২ পয়েন্ট।
লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৭৭ কোম্পানির মধ্যে ৭১ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ৭৮ এবং অপরিবর্তিত আছে ২৮ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সিএসইতে প্রথমার্ধে ৪ কোটি টাকার ওপর শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
৪৪২ দিন আগে
উত্থান দিয়ে লেনদেন শুরু, সূচক বাড়লো দুই বাজারে
টানা তিন কার্যদিবসের পতন কাটিয়ে চলতি সপ্তাহে প্রথম দিনের লেনদেনে সূচকের উত্থান হয়েছে ঢাকা এবং চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে, বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ৫ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত টানা দশদিন সরকারি ছুটি থাকবে। দীর্ঘ এ ছুটির সমন্বয়ে ঈদের আগে দুই শনিবার ১৭ মে এবং ২৪ মে শেয়ারবাজারে লেনদেন চালু রাখার ঘোষণা দেয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।
সে হিসাবে চলতি সপ্তাহে শনিবার (১৭ মে) লেনদেন শুরু হয়েছে সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে, যার ধারা বজায় ছিল শেষ অবধি।
সারাদিনের লেনদেনে ডিএসই'র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৩৯ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরীয়া ভিত্তিক ডিএসইএস বেড়েছে ১৩ পয়েন্ট এবং বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০ বেড়েছে ১৮ পয়েন্ট।
লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৯৬ কোম্পানির মধ্যে বেশিরভাগেরই দাম বেড়েছে। ২৭৭ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ৭৯ এবং অপরিবর্তিত আছে ৪০ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ক্যাটাগরির হিসাবে এ, বি এবং জেড- তিন ক্যাটাগরিতেই বেড়েছে শেয়ারের দাম। লভ্যাংশ দেয়া ভালো শেয়ারের এ ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত ২১৬ কোম্পানির মধ্যে ১৪৩ কোম্পানির দরবৃদ্ধি হয়েছে। দর কমেছে ৫৫ এবং অপরিবর্তিত আছে ১৮ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৬ মিউচুয়াল ফান্ডের বেশিরভাগেরই দাম বেড়েছে। ৫ কোম্পানির দর পতনের বিপরীতে দর বেড়েছে ২৩ এবং অপরিবর্তিত আছে ৮ কোম্পানির।
২৬ কোম্পানির ৩৬ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি হয়েছে ডিএসই ব্লক মার্কেটে। এসইএমএল লেকচার ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট ফান্ড সর্বোচ্চ ১৩ কোটি ৭০ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
ঢাকার বাজারে সারাদিনে মোট ২৬২ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে, যা গত কার্যদিবসে ছিল ২৯৬ কোটি টাকা।
৯.৯৪ শতাংশ দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষ শেয়ার শাইনপুকুর সিরামিকস। অন্যদিকে ৫.৩০ শতাংশের ওপর দর হারিয়ে তলানিতে মার্কেন্টাইল ইসলামি ইনস্যুরেন্স।
আরও পড়ুন: সাপ্তাহিক পুঁজিবাজার: বেহাল সূচক, ব্যাংক খাতে বিপর্যয়
উত্থান চট্টগ্রামের বাজারেও
ঢাকার মতো সূচক বেড়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)। সারাদিনের লেনদেনে সিএসইতে সার্বিক সূচক বেড়েছে ৪ পয়েন্ট।
লেনদেনে অংশ নেয়া ১৫৮ কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ৭৪, কমেছে ৫৭ এবং অপরিবর্তিত আছে ২৭ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সিএসইতে মোট ৯ কোটি ১৯ লাখ টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গত কার্যদিবসে ছিল ১০ কোটি ২৯ লাখ টাকা।
৯.৯১ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষ শেয়ার নিটল ইনস্যুরেন্স কোম্পানি এবং ৯.৮৭ শতাংশ দর হারিয়ে তলানিতে প্রগ্রেসিভ লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি।
৪৪৩ দিন আগে