ব্যবসা
পুঁজিবাজারে সরকারের ভূমিকার সমালোচনা, সংস্কারের অঙ্গীকার আমির খসরুর
সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও বিএনপির নেতা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সরকার যদি পুঁজিবাজার থেকে অতিমাত্রায় সরাসরি মূলধন সংগ্রহ থেকে বিরত থাকে, তবেই পুঁজিবাজারে সব অংশীজনের আস্থা ফিরবে।
সোমবার (১৪ জুলাই) রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) মিলনায়তনে ‘পুঁজিবাজার পুনর্গঠন ও বাস্তবতা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আমির খসরু বলেন, পুঁজিবাজারের বিকাশ কেবল কয়েকটি ভালো কোম্পানিকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।
তিনি সতর্ক করে বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর অতিনিয়ন্ত্রণ এবং শক্তিশালী স্বনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকায় বাজারের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির সঠিক বিকাশ নিশ্চিত করতে তিনি অর্থনীতির ‘গণতান্ত্রিকীকরণ’-এর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিএনপি নেতা বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের অগ্রসরমান অর্থনীতিতে বিনিয়োগের সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন।
আরও পড়ুন: সংসদ ছাড়া পিআর ও বড় ধরনের নির্বাচনী সংস্কারের সুযোগ নেই: খসরু
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে মৌলিক পরিবর্তন না এলে কোনো বড় ধরনের সংস্কার সম্ভব নয়।
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বিষয়ে বিএনপির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে আমির খসরু বলেন, “আমরা যদি ক্ষমতায় যাই, আমি আপনাদের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি—অর্থনীতি এবং পুঁজিবাজারকে আরও শক্তিশালী করব।”
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) চেয়ারম্যান একেএম হাবিবুর রহমান প্রমুখ।
২৯৫ দিন আগে
ড্রাইডক দায়িত্ব গ্রহণের পর চট্টগ্রাম বন্দরে দৈনিক কন্টেইনার হ্যান্ডলিং বেড়েছে
চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেডের পরিচালনার প্রথম সাত দিনে (৭ জুলাই থেকে ১৩ জুলাই) কন্টেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেছে।
প্রতিদিন গড়ে ২২৫ টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং বেশি হয়েছে, যা একটি ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে। রবিবার (১৩ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি টার্মিনালটি দীর্ঘদিন সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড কর্তৃক পরিচালিত হয়ে আসছিল। ৬ জুলাই তাদের সঙ্গে বন্দরের চুক্তি মেয়াদ শেষ হয়। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৭ জুলাই থেকে এনসিটি টার্মিনালের দায়িত্ব গ্রহণ করে চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেড।
আরও পড়ুন: ডলারের দাম কমেছে প্রায় ৩ টাকা
৭ জুলাই থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত ৭ দিনে চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেড কর্তৃক ১০টি জাহাজের কন্টেইনার লোডিং-আনলোডিং সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। বর্তমানে এনসিটি’র ৪টি জেটিতে একযোগে ৪টি জাহাজে অপারেশন চলছে।
পূর্ববর্তী ৭ দিনে (১ থেকে ৬ জুলাই), সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড প্রতিদিন গড়ে দুই হাজার ৯৫৬ টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করেছে। এর পরের ৭ দিনে (৭ থেকে ১৩ জুলাই) চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেড কর্তৃক প্রতিদিন গড়ে তিন হাজার ১৮১ টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং সম্পন্ন হয়েছে।
২৯৬ দিন আগে
পুঁজিবাজার: টানা উত্থানে সপ্তাহ শেষ হলো ঢাকা-চট্টগ্রামে
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা-চট্টগ্রামে সূচকের বড় উত্থান হয়েছে, দাম বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির। ঢাকার বাজারে এই সপ্তাহে তিন দিনই লেনদেন হয়েছে ৬০০ কোটি টাকার ওপরে।
সারাদিনের লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৩২ পয়েন্ট।
বাকি দুই সূচক—শরিয়াভিত্তিক ডিএসইএস ৬ এবং বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস৩০ বেড়েছে ১৪ পয়েন্ট করে।
ডিএসইতে বৃহস্পতিবার ৬৭৯ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ৬৯০ কোটি টাকা।
ডিএসইতে সূচক এবং লেনদেনের পাশাপাশি দাম বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের।
লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৪ কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ১৯৬টির, কমেছে ১২৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৭০ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ক্যাটাগরির হিসাবে ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘জেড’—তিন ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানিরই শেয়ারের দাম বেড়েছে। বিশেষ করে লভ্যাংশ দেওয়া ভালো কোম্পানির ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ২১৪ কোম্পানির মধ্যে ১০১টির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দাম কমেছে ৭৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ডিএসই ব্লক মার্কেটে ৩৩ কোম্পানির ১৪ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আলহাজ টেক্সটাইল মিলস সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
৯.৯৯ শতাংশ দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষে আছে রহিম টেক্সটাইল মিলস এবং ৬ শতাংশের ওপরে দর হারিয়ে তলানিতে মিডল্যান্ড ব্যাংক।
চট্টগ্রামেও উত্থান
ঢাকার মতো সূচকের উত্থান হয়েছে চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারেও, সার্বিক সূচক বেড়েছে ১১৮ পয়েন্ট।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বেশিরভাগ কোম্পানির দাম বেড়েছে। লেনদেন হওয়া ২৩০ কোম্পানির মধ্যে ১২৫টির দরবৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ৭৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সারাদিনে সিএসইতে ১৪ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ৪৮ কোটি টাকা।
৯ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষে আছে এপেক্স ফুডস এবং ৯ শতাংশ দাম কমে তলানিতে চার্টার্ড লাইফ ইনস্যুরেন্স।
২৯৯ দিন আগে
ঢাকার পুঁজিবাজারে বছরের সর্বোচ্চ লেনদেন
চলতি বছরের সর্বোচ্চ ৬৯০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে ঢাকার পুঁজিবাজারে। পাশাপাশি বেড়েছে সূচক এবং বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
বুধবার (৯ জুলাই) বছরের তৃতীয়বারের মতো ৬০০ কোটি টাকার লেনদেনের মাইলফলক ছুঁলো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। একই সঙ্গে বেড়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্সের ৫৩ পয়েন্ট।
বাকি দুই সূচক শরিয়াভিত্তিক ডিএসইএস ১০ এবং বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০ বেড়েছে ১৮ পয়েন্ট করে।
ডিএসইতে সূচক এবং লেনদেনের পাশাপাশি দাম বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের। লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৭ কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ২৭৩, কমেছে ৭৮ এবং অপরিবর্তিত আছে ৪৬ কোম্পানির শেয়ারমূল্য।
ক্যাটাগরির হিসাবে এ, বি এবং জেড— এই তিন ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। বিশেষ করে লভ্যাংশ দেওয়া ভালো কোম্পানির এ ক্যাটাগরিতে থাকা ২১৭ কোম্পানির মধ্যে ১৪৭ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দাম কমেছে ৪৪ এবং অপরিবর্তিত আছে ২৬ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ডিএসই ব্লক মার্কেটে ৩২ কোম্পানির ১৫ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে। মিডল্যান্ড ব্যাংক সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
৯.৯৬ শতাংশ দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষে আছে রহিম টেক্সটাইল মিলস এবং ৮ শতাংশের ওপর দর হারিয়ে তলানিতে এসইএমএল লেকচার ইক্যুইটি লিমিটেড।
চট্টগ্রামেও উত্থান
ঢাকার মতো সূচকের উত্থান হয়েছে চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারেও, সার্বিক সূচক বেড়েছে ১২৯ পয়েন্ট।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বেশিরভাগ কোম্পানির দাম বেড়েছে। লেনদেন হওয়া ২৩৩ কোম্পানির মধ্যে ১৫১ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ৪৮ এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৪ কোম্পানির শেয়ারমূল্য।
সারাদিনে সিএসইতে ৪৮ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
১০ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষে আছে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ এবং ৯ শতাংশ দাম কমে তলানিতে নিউ লাইন ক্লোথিং।
৩০০ দিন আগে
স্বর্ণের দামে ৪২ বার পরিবর্তন, ভরিতে কমল ১৫৭৫ টাকা
দেশের বাজারে ভরিতে এক হাজার ৫৭৫ টাকা স্বর্ণের দাম কমিয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৫১ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। চলতি বছর এ নিয়ে ৪২ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বেড়েছে ২৭ বার, আর কমেছে ১৫ বার।
স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোমবার (৭ জুলাই) স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাজুস, যা মঙ্গলবার (৮ জুলাই) থেকে কার্যকর হবে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৫১ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬২ হাজার ৭৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ১৫ হাজার ৩৯২ টাকা।
আরও পড়ুন: জুলাই ২০২৫ থেকে পেনশনার সঞ্চয়পত্রে নতুন মুনাফার হার: বাংলাদেশের জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের পুনঃনির্ধারিত রিটার্ন রেট
স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
সবশেষ, ১ জুলাই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। তখন ভরিতে ১ হাজার ৮৯০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ১২৬ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
৩০২ দিন আগে
জুলাই ২০২৫ থেকে পেনশনার সঞ্চয়পত্রে নতুন মুনাফার হার: বাংলাদেশের জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের পুনঃনির্ধারিত রিটার্ন রেট
দেশের প্রচলিত সঞ্চয়পত্রগুলোতে লক্ষণীয় পরিবর্তন নিয়ে নতুন ভাবে প্রকাশিত হলো জাতীয় সঞ্চয় স্কিম। ২০২৫-এর জুলাই–ডিসেম্বর সময়কালের জন্য জারিকৃত এই নির্দেশনার আওতাভূক্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্কিম পেনশনার সঞ্চয়পত্র। অন্যান্য সঞ্চয় ক্যাটাগরিগুলোর মতো এই সঞ্চয়পত্রেও বার্ষিক মুনাফার হারে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ভিন্ন ভিন্ন বিনিয়োগে মেয়াদের আগে ও পরে নগদীকরণে বার্ষিক হার ভিন্ন ভিন্ন। যার স্পষ্ট রেশ থাকছে গ্রাহকদের নগদায়নকালীন অর্থপ্রাপ্তিতে। চলুন, ৫ বছর মেয়াদী পেনশনার সঞ্চয়পত্রের নতুন নির্ধারিত রিটার্ন রেটের বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক।
জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫ সময়কালের জন্য পেনশনার সঞ্চয়পত্রে নির্ধারিত মুনাফার হার
নতুন রেট অনুযায়ী পূর্ববর্তী ও বর্তমানের সমূদয় বিনিয়োগের রিটার্ন হিসাব হবে। ধার্যকৃত মুনাফা দেওয়া হবে মূলত দুটি বিনিয়োগসীমার বিপরীতে, সেগুলো হলো:
i) ৭ লক্ষ ৫০ হাজার (৭,৫০,০০০) টাকা কিংবা তার কম
ii) ৭ লক্ষ ৫০ হাজার (৭,৫০,০০০) টাকার অধিক
আরো পড়ুন: জুলাই ২০২৫ থেকে ৫ বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার: জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের পুনঃনির্ধারিত রিটার্ন রেট
পেনশনার সঞ্চয় স্কিমে মেয়াদের আগে ও পরে নগদীকরণে নিম্নোক্ত রেট অনুযায়ী প্রদেয় অর্থ নিরূপণ হবে:
টেবিল: ২০২৫ সালের জুলাই-ডিসেম্বর সময়কালের জন্য পেনশনার সঞ্চয়পত্রে দুটি ভিন্ন বিনিয়োগ সীমায় প্রদেয় ভিন্ন বার্ষিক মুনাফা
সময়
বিনিয়োগ
৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত
বিনিয়োগ
৭ লাখ ৫০ হাজার ১ টাকা হতে তদূর্ধ্ব
মুনাফার হার (%)
১ম বছরান্তে
৯.৮৪
৯.৭২
২য় বছরান্তে
১০.৩২
১০.১৯
৩য় বছরান্তে
১০.৮৪
১০.৭০
৪র্থ বছরান্তে
১১.৩৯
১১.২৩
৫ম বছরান্তে / মেয়াদপূর্তিতে
১১.৯৮
১১.৮০
.
সর্বোচ্চ ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা (৭,৫০,০০০ বা তার কম) মূল্যের পেনশনার সঞ্চয়পত্রে মেয়াদপূর্তিতে রয়েছে সর্বাধিক মুনাফাপ্রাপ্তির সুযোগ। আর এর পরিমাণ হলো ১১.৯৮ শতাংশ (১১.৯৮%)। মূল্য ৭ লাখ ৫০ হাজার (৭,৫০,০০১ বা তার বেশি) টাকা ছাড়িয়ে গেলে এই পরিমাণটি হবে ১১.৮০ শতাংশ (১১.৮০%)।
মেয়াদপূর্তির পূর্বেই নগদায়ন করা হলে মুনাফা বন্টন হবে উপরোক্ত টেবিলে উল্লেখিত হারে। এমতাবস্থায় অনুর্ধ্ব সাড়ে ৭ লক্ষ টাকার বিনিয়োগ নগদায়নে প্রথম বছরে মুনাফা দাড়াবে ৯.৮৪ শতাংশ। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বছরে মুনাফা পাওয়া যাবে যথাক্রমে ১০.৩২ শতাংশ, ১০.৮৪ শতাংশ এবং ১১.৩৯ শতাংশ হারে।
অপরদিকে, ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার অধিক বিনিয়োগ নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে মুনাফা মিলবে ৯.৭২ শতাংশ। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বছরে রিটার্ন পাওয়া যাবে যথাক্রমে ১০.১৯ শতাংশ, ১০.৭০ শতাংশ ও ১১.২৩ শতাংশ হারে।
আরো পড়ুন: জুলাই ২০২৫ থেকে ৩-মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার: বাংলাদেশের জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের পুনঃনির্ধারিত রিটার্ন রেট
জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫ সময়কালের জন্য থেকে কার্যকর পেনশনার সঞ্চয়পত্রের নতুন রিটার্ন রেট কারা পাবেন?
মুনাফার এই পুনঃনির্ধারিত হার পেনশনার সঞ্চয়পত্রের সেই সকল গ্রাহকরা পাবেন, যারা স্কিমটি ক্রয় করবেন ১ জুলাই, ২০২৫ তারিখে কিংবা তার পরে। এর আগের যাবতীয় বিনিয়োগসমূহের মুনাফা বন্টন হবে পূর্ববর্তী নীতিমালা অনুসারে।
এই সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের ছয় মাস পর মুনাফার বার্ষিক হার পুনঃনির্ধারণ করা হবে। তবে এই সময়ের মধ্যে যে সঞ্চয়পত্রগুলো ইস্যু করা হবে সেগুলোর স্ব স্ব মেয়াদ ও রিটার্নের হার বহাল থাকবে। সুতরাং বিনিয়োগকারীরা তাদের সঞ্চয়পত্র ইস্যুকালীন ধার্যকৃত হার অনুসারে নির্ধারিত পুরো মেয়াদ জুড়ে মুনাফা পাবেন।
শেষাংশ
বাংলাদেশ জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের পেনশনার সঞ্চয়পত্রে ৭,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে সর্বোচ্চ মুনাফার হার ১১.৯৮ শতাংশ। ৭,৫০,০০০ টাকার অধিক বিনিয়োগকারীরা লাভ পাবেন ১১.৮০ শতাংশ হারে। এই মুনাফা বন্টন নীতি শুধুমাত্র ১ জুলাই, ২০২৫ তারিখে ও তার পরবর্তীতে ইস্যুকৃত পেন শনার সঞ্চয়পত্রের জন্য অনুসরণ করা হবে।
আরো পড়ুন: জুলাই ২০২৫ থেকে পরিবার সঞ্চয়পত্রে নতুন মুনাফার হার: বাংলাদেশের জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের পুনঃনির্ধারিত রিটার্ন রেট
৩০৪ দিন আগে
পুঁজিবাজারে প্রথম ঘণ্টায় সূচকের উত্থান, দাম বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে সূচকের উত্থানে লেনদেন শুরু হয়েছে ঢাকা এবং চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে, দাম বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির।
লেনদেনের প্রথম ঘণ্টায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১০ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরীয়াভিত্তিক ডিএসইএস ১ এবং বাছাইকৃত ব্লুচিপ সূচক ডিএস-৩০ বেড়েছে ৪ পয়েন্ট।
দিনের শুরুতেই দাম বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির। ১৮৮ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১২৫ এবং অপরিবর্তিত আছে ৬৮ কোম্পানির শেয়ারের দাম।আরও পড়ুন: সূচকের উত্থান দিয়ে লেনদেন চলছে পুঁজিবাজারে
প্রথম ঘণ্টায় ঢাকার বাজারে ১৩০ কোটি টাকার ওপরে শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক বেড়েছে ১৩ পয়েন্ট।
প্রথম ঘণ্টায় লেনদেনে অংশ নেয়া ৭৯ কোম্পানির মধ্যে ৪৫ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ২০ এবং অপরিবর্তিত আছে ১৪ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
দিনের শুরুতে চট্টগ্রামে লেনদেন ছাড়িয়েছে ১ কোটি ১৯ লাখ টাকা।
৩০৬ দিন আগে
জুলাই ২০২৫ থেকে ৫ বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার: জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের পুনঃনির্ধারিত রিটার্ন রেট
২০২৫-এর জুলাই-ডিসেম্বর সময়সীমাকে সামনে রেখে জারি হলো জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের নতুন সংস্করণ। এর আওতাভূক্ত অন্যতম একটি স্কিম ৫-বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র। অন্যান্য স্কিমগুলোর পাশাপাশি এই সঞ্চয়পত্রেও প্রধান পরিবর্তন হচ্ছে মুনাফার হার। নির্দিষ্ট বিনিয়োগসীমার অধীনে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ও পরে উভয় ক্ষেত্রে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন বার্ষিক হার। স্বভাবতই, এই রদবদলের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব থাকছে সামগ্রিক অর্থপ্রাপ্তিতে। চলুন, ৫-বছর মেয়াদী সঞ্চয় স্কিমটির পুনঃনির্ধারিত মুনাফার বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক।
জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫ সময়কালের জন্য ৫ বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে রিটার্ন রেট
নতুন রেটে পূর্ববর্তী বিনিয়োগ থেকে শুরু করে বর্তমানের এক বা একাধিক যাবতীয় মুলধন অন্তর্ভূক্ত হচ্ছে। প্রযোজ্য রিটার্নসমূহ নির্ধারিত হবে দুটি বিনিয়োগসীমার উপর ভিত্তি করে, সেগুলো হলো:
i) ৭ লাখ ৫০ হাজার (৭,৫০,০০০) টাকা ও তার কম
ii) ৭ লাখ ৫০ হাজার (৭,৫০,০০০) টাকার বেশি
আরো পড়ুন: জুলাই ২০২৫ থেকে ৩-মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার: বাংলাদেশের জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের পুনঃনির্ধারিত রিটার্ন রেট
৫-বছর মেয়াদী স্কিমের অধীনে মেয়াদান্তে ও মেয়াদের আগে নগদীকরণে ভিন্ন ভিন্ন বার্ষিক রিটার্ন রেটগুলো নিম্নরূপ:
টেবিল: ৫-বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে দুটি বিনিয়োগ সীমায় প্রদেয় বার্ষিক মুনাফা
সময়
বিনিয়োগ
৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত
বিনিয়োগ
৭ লাখ ৫০ হাজার ১ টাকা হতে তদূর্ধ্ব
মুনাফার হার (%)
১ম বছরান্তে
৯.৭৪
৯.৭২
২য় বছরান্তে
১০.২১
১০.১৯
৩য় বছরান্তে
১০.৭২
১০.৭০
৪র্থ বছরান্তে
১১.২৬
১১.২৩
৫ম বছরান্তে / মেয়াদপূর্তিতে
১১.৮৩
১১.৮০
.
৫ বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের সর্বোচ্চ ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা (৭,৫০,০০০ বা তার কম) বিনিয়োগে মেয়াদপূর্তিতে রয়েছে সর্বাধিক মুনাফার সুযোগ। আর তা হলো ১১.৮৩ শতাংশ (১১.৮৩%)। ৭ লক্ষ ৫০ হাজার (৭,৫০,০০১ বা তার বেশি) টাকার বেশি মূল্যে কেনা সঞ্চয়পত্রে এই হারের পরিমাণ ১১.৮০ শতাংশ।
মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নগদায়নে উপরোক্ত টেবিলে উল্লেখিত হার অনুসারে মুনাফা বন্টন করা হবে। এমতাবস্থায় অনুর্ধ্ব ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার মুলধন নগদায়নে প্রথম বছরে মুনাফা পাওয়া যাবে ৯.৭৪ শতাংশ হারে। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বছরের জন্য দেওয়া হবে যথাক্রমে ১০.২১ শতাংশ, ১০.৭২ শতাংশ এবং ১১.২৬ শতাংশ করে।
অপরদিকে, সাড়ে ৭ লক্ষাধিক টাকা বিনিয়োগের অগ্রিম নগদায়ন থেকে প্রথম বছরের লাভ আসবে ৯.৭২ শতাংশ। দ্বিতীয় বছরের ক্ষেত্রে সেই রিটার্ন হয়ে যাবে ১০.১৯ শতাংশ। তৃতীয় ও সর্বশেষ চতুর্থ বছরে নগদায়নে বার্ষিক হার হবে যথাক্রমে ১০.৭০ শতাংশ ও ১১.২৩ শতাংশ।
জুলাই ২০২৫ থেকে কার্যকর ৫ বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের নতুন রিটার্ন রেট কারা পাবেন?মুনাফার এই নতুন হার ৫ বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের সেই সকল গ্রাহকদের জন্য, যারা স্কিমটি কিনবেন ১ জুলাই, ২০২৫ তারিখে অথবা তার পরে। এর আগের বিনিয়োগকারীদের রিটার্ন সমূহ পূর্ববর্তী নীতিমালা অনুসারে বন্টন করা হবে।
এই আদেশ বাস্তবায়নের ছয় মাস পর রিটার্নের হার আবার নতুন করে নির্ধারিত হবে। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে ইস্যু করা সঞ্চয়পত্রগুলোর জন্য তাদের স্ব স্ব মেয়াদ ও মুনাফার হার বিদ্যমান থাকবে। অর্থাৎ বিনিয়োগকারীরা মুনাফা পাবেন তাদের স্কিম ইস্যুকালীন প্রদত্ত বার্ষিক হার অনুসারে এবং নির্ধারিত মেয়াদের পুরোটা জুড়ে।
আরো পড়ুন: জুলাই ২০২৫ থেকে পরিবার সঞ্চয়পত্রে নতুন মুনাফার হার: বাংলাদেশের জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের পুনঃনির্ধারিত রিটার্ন রেট
শেষাংশ
জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের ৫ বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে ৭,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে সর্বোচ্চ মুনাফার হার ১১.৮৩ শতাংশ। ৭,৫০,০০০ টাকার অধিক বিনিয়োগে লাভ আসবে ১১.৮০ শতাংশ হারে। এই মুনাফা মডেল শুধুমাত্র ১ জুলাই, ২০২৫ তারিখে বা তার পরবর্তীতে ক্রয়কৃত ৫ বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের জন্য প্রযোজ্য।
৩০৬ দিন আগে
আদানি পাওয়ারের সব পাওনা মিটিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ
ভারতের আদানি পাওয়ারের সরবরাহকৃত বিদ্যুতের বিপরীতে ৪৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার বকেয়া পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি)। এর মাধ্যমে কোম্পানিটির সব বকেয়া পাওনা মিটিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত যে বকেয়া ছিল, তা ‘সম্পূর্ণভাবে পরিশোধ’ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ইউএনবিকে নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত আদানি পাওয়ারের বকেয়ার সবচেয়ে বড় কিস্তিটি পরিশোধটি করা হয়েছে জুনে। এর আগে সাধারণত প্রতি মাসে কোম্পানিটি বাংলাদেশ থেকে গড়ে ৯ থেকে ১০ কোটি ডলার করে পেত।
একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বকেয়া বিল, সুদের টাকা ও অন্যান্য চার্জ পরিশোধের মাধ্যমে আদানি পাওয়ারের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিটি আর্থিক ও আইনি দিক থেকে এখন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ যে কয়েকটি বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল, তাও মিটে গেছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: আদানির সময়সীমা নিয়ে আমরা খুবই মর্মাহত: প্রেস সচিব
ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে সরবরাহ করছে আদানি পাওয়ার। সূত্র জানিয়েছে, সব পাওনা পরিশোধ হওয়ায় এখন ঢাকা কর্তৃপক্ষ আদানিকে নির্দেশ দিয়েছে, ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিটই (মোট ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট) যেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চাহিদা অনুযায়ী চালু রাখা হয়।
সূত্র আরও জানায়, আদানি ও বাংলাদেশের মধ্যে হওয়া এক সমঝোতা অনুযায়ী, গত অর্থবছরের বকেয়া জুনের মধ্যে পরিশোধ করা হলে বিলম্ব সুদ মওকুফ করার কথা। বাংলাদেশ সে শর্ত পূরণ করেছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে সময়মতো বিল পরিশোধ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ দুই মাসের সমপরিমাণ বিল (প্রায় ১৮ কোটি ডলার) সমমূল্যের একটি এলসি এবং সব বকেয়ার জন্য সার্বভৌম গ্যারান্টিও দিয়েছে।
চলতি বছরের মে মাসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, আদানি পাওয়ারের কাছে বাংলাদেশের বকেয়ার পরিমাণ প্রায় ৯০ কোটি ডলার।
কোম্পানিটির চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার দিলীপ ঝা সে সময় জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের মোট বিল ২০০ কোটি ডলার, যার মধ্যে ২০২৪–২৫ অর্থবছরের শেষ নাগাদ আদায় হয়েছে ১২০ কোটি ডলার। তবে দেরিতে পরিশোধের জন্য আরও ১৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার বিল করা হয়েছে।
৩০৭ দিন আগে
জুলাই ২০২৫ থেকে ৩-মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার: বাংলাদেশের জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের পুনঃনির্ধারিত রিটার্ন রেট
সরকারি প্রজ্ঞাপনে জুলাই ২০২৫ থেকে জারি হলো জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের নতুন সংস্করণ। এখানে প্রচলিত সঞ্চয়পত্রগুলোর পাশাপাশি ৩-মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক সঞ্চয়পত্রেও পরিলক্ষিত হয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিবতর্ন। এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন বিনিয়োগে বন্টনকৃত মুনাফার হার। নতুন এই বার্ষিক হারে বদলে গেছে মেয়াদান্তে বা মেয়াদপূর্তির পূর্ব নগদায়নে গ্রাহকের প্রাপ্য মোট লাভ। চলুন, এই ত্রৈমাসিক সঞ্চয় ব্যবস্থার জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫ সময়কালের জন্য পুনঃনির্ধারিত মুনাফা সম্বন্ধে জেনে নেওয়া যাক।
জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫ সময়কালের জন্য ৩-মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে নির্ধারিত রিটার্ন রেট
পূর্ববর্তী ও বর্তমানের এক বা একাধিক যাবতীয় বিনিয়োগের প্রযোজ্য রিটার্ন নিম্নোক্ত বিনিয়োগসীমার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে:
i) অনুর্ধ্ব ৭ লাখ ৫০ হাজার (৭,৫০,০০০) টাকা
ii) ৭ লাখ ৫০ হাজার (৭,৫০,০০০) টাকার বেশি
নিচের টেবিলে মেয়াদপূর্তির আগে ও পরের নগদীকরণসহ এই তিন বছর মেয়াদী স্কিমের মুনাফা বন্টন কাঠামো উল্লেখ করা হলো:
টেবিল: জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫ সময়কালের জন্য ত্রৈমাসিক মুনাফা-ভিত্তিক স্কিমে ভিন্ন বিনিয়োগ সীমার আঙ্গিকে ধার্যকৃত বার্ষিক মুনাফা
সময়
বিনিয়োগ
৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত
বিনিয়োগ
৭ লাখ ৫০ হাজার ১ টাকা হতে তদূর্ধ্ব
মুনাফার হার (%)
১ম বছরান্তে
১০.৬৫
১০.৬০
২য় বছরান্তে
১১.২২
১১.১৬
৩য় বছরান্তে / মেয়াদপূর্তিতে
১১.৮২
১১.৭৭
.
৩ মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা (৭,৫০,০০০ বা তার কম) বিনিয়োগকারীরা মেয়াদপূর্তিতে সর্বাধিক মুনাফা পাবেন। বছরান্তের হিসাবে ধার্যকৃত এই পরিমাণটি ১১.৮২ শতাংশ (১১.৮২%)। সাড়ে ৭ লক্ষাধিক (৭,৫০,০০১ বা তার বেশি) টাকার বেশি বিনিয়োগের জন্য এই হার সামান্য কমে দাড়াবে ১১.৭৭ শতাংশ।
মেয়াদের আগেই নগদীকরণের ক্ষেত্রে, টেবিলে নির্দেশিত হার অনুসারে মুনাফা হিসাব করা হবে। এক্ষেত্রে অনুর্ধ্ব ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা (৭,৫০,০০০ বা তার কম) বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রথম বছরান্তে বার্ষিক সুদের হার হবে ১০.৬৫ শতাংশ। দ্বিতীয় বছরে এই হার হয়ে যাবে ১১.২২ শতাংশ।
বিনিয়োগ সাড় ৭ লক্ষ (৭,৫০,০০১ বা তার বেশি) টাকার বেশি হলে প্রথম বছরের নগদায়নে মুনাফা মিলবে ১০.৬০ শতাংশ। দ্বিতীয় বছরে রিটার্নের হার বেড়ে হবে ১১.১৬ শতাংশ।
আরো পড়ুন: জুলাই ২০২৫ থেকে পরিবার সঞ্চয়পত্রে নতুন মুনাফার হার: বাংলাদেশের জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের পুনঃনির্ধারিত রিটার্ন রেট
কারা পাবেন জুলাই ২০২৫ থেকে কার্যকর ৩-মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক সঞ্চয়পত্রের নতুন রিটার্ন রেট?
নতুন জারিকৃত এই মুনাফা শুধু তারাই পাবেন, যারা ত্রৈমাসিক মুনাফা-ভিত্তিক সঞ্চয়পত্র কিনবেন ১ জুলাই, ২০২৫ তারিখে বা তার পরে। এর আগের বিনিয়োগগুলোর রিটার্ন সমূহ পূর্বের শর্তাদি অনুসারে হিসাব হবে।
এই নির্দেশিকা বাস্তবায়নের ছয় মাস পর রিটার্ন হার পুনরায় নির্ধারণ করা হবে। তবে এই সময়ের মধ্যে যারা বিনিয়োগ করবেন, তারা তাদের নির্ধারিত পুরো মেয়াদ জুড়ে বিদ্যমান হারে মুনাফা পাবেন। অর্থাৎ সঞ্চয়পত্র ইস্যুকালীন রিটার্নের হার পুরো মেয়াদের জন্য অপরিবর্তিত থাকবে।
শেষাংশ
বাংলাদেশ জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের ৩ মাস অন্তর মুনাফা-ভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে ৭,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে সর্বোচ্চ মুনাফার হার ১১.৮২ শতাংশ। ক্রয়কৃত সঞ্চয়পত্রের মূল্য ৭,৫০,০০০ টাকা ছাড়িয়ে গেলে লাভ পাওয়া যাবে ১১.৭৭ শতাংশ হারে। এই রিটার্ন পদ্ধতি শুধুমাত্র ১ জুলাই, ২০২৫ তারিখে বা তার পর থেকে বিনিয়োগকৃত ত্রৈমাসিক মুনাফা বহনকারী সঞ্চয়পত্রের জন্য প্রযোজ্য।
আরো পড়ুন: বাংলাদেশে গুগল পে-এর যাত্রা শুরু: গুগলের ডিজিটাল পেমেন্ট কেন ও কিভাবে ব্যবহার করবেন
৩০৭ দিন আগে