ব্যবসা
বাজেট উত্থাপনের দিনে উত্থান দেখল ঢাকা, পতন চট্টগ্রামে
বাজেট উত্থাপনের দিনে সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসের লেনদেনে ঢাকার সূচকের উত্থান হলেও কমেছে চট্টগ্রামে। তবে দাম বেড়েছে ঢাকা-চট্টগ্রামের বেশিরভাগ কোম্পানির।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২১ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরীয়া ভিত্তিক ডিএসইএস বেড়েছে ৫ এবং বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০ বেড়েছে ৮ পয়েন্ট।
লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৯৬ কোম্পানির মধ্যে ২০৯ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১০১ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৮৬ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
‘এ’, ‘বি’ এবং ‘জেড’- তিন ক্যাটাগরিতেই বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। বিশেষ করে লভ্যাংশ দেয়া ভালো কোম্পানির এ ক্যাটাগরিতে ২১৬ কোম্পানির মধ্যে ১২৭ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ৪৯ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৪০ কোম্পানির শেয়ারের দাম।আরও পড়ুন: দুই শেয়ারবাজারেই দরপতন, ডিএসইর সূচকে কমেছে ৩৫ পয়েন্ট
ডিএসই ব্লক মার্কেটে ৩১কোম্পানির ২৫ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি হয়েছে। ফাইন ফুডস সর্বোচ্চ ১২ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
ডিএসইতে সারাদিনে ২৭৫ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ২৩৫ কোটি টাকা।
৭.৪৪ শতাংশ দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষে দেশ ফার্মা এইডস এবং ৮.৫৭ শতাংশ দাম কমে তলানিতে ফার্স্ট ফাইন্যান্স।
চট্টগ্রামেও উত্থান
এদিকে সূচক কমেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই), সার্বিক সূচকের পতন হয়েছে ২৮ পয়েন্ট।
লেনদেন হওয়া ১৬৮ কোম্পানির মধ্যে ৭৮ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ৬৩ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ২৭ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সিএসইতে মোট ১০ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
৯.৬৯ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষে আফতাব অটো এবং ১০ শতাংশের ওপর দর হারিয়ে তলানিতে দেশ জেনারেল ইনস্যুরেন্স।
৩৩৭ দিন আগে
পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানি এলে নতুন বাজেটে বিশেষ করহার
দেশের পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত হতে উৎসাহিত করতে বিশেষ করহারের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে।
সোমবার (২ জুন) বাজেট বক্তব্যে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, দেশি-বিদেশি লাভজনক ও নামি-দামি কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে উৎসাহিত করতে লিস্টেড ও ননলিস্টেড কোম্পানির করহারের ব্যবধান বাড়ানো হবে।
এতদিন এ ব্যবধান ৫ শতাংশ থাকলেও নতুন বাজেটে তা বাড়িয়ে সাত দশমিক শতাংশ করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: করমুক্ত আয়সীমা বাড়বে, নতুন অর্থবছরে থাকছে সাড়ে ৩ লাখই
এছাড়া পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ ও লেনদেন বৃদ্ধিতে উৎসাহ দিতে সিকিউরিটিজ লেনদেনের মোট মূল্যের ওপর ব্রোকারেজ হাউসের কাছ থেকে নেওয়া উৎসে কর সংগ্রহের হার দশকি শূন্য ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে দশমিক শূন্য তিন শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
তবে এসব সুবিধার বাইরে নতুন বাজেটে সিকিউরিটিজের সুদ থেকে উৎসে কর কর্তনের হার বাড়ানো হয়েছে। এতদিন এ করহার ৫ শতাংশ থাকলেও নতুন অর্থবছরে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
৩৩৭ দিন আগে
ন্যাশনাল ব্যাংক একীভূত হওয়ার সংবাদ সঠিক নয়: কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ইসলামী ধারার ব্যাংকের সঙ্গে ন্যাশনাল ব্যাংক একীভূত হওয়ার যে খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে তা সঠিক নয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, এই ধারার ব্যাংকের সঙ্গে ন্যাশনাল ব্যাংকের একীভূত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান শুক্রবার (৩০ মে) দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি কয়েকটি পত্রিকায় গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে ৬টি দুর্বল ব্যাংক একীভূত হয়ে সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসছে। ৬টি ব্যাংকের মধ্যে ৫টি ইসলামী ধারার ব্যাংকের সঙ্গে ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’
তিনি জানান, ‘এনবিএল প্রচলিত ধারার ব্যাংক। ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলো সংস্কারের সঙ্গে এনবিএল সম্পৃক্ত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
এর আগে, একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আহসান এইচ মনসুর জানান, নানা অনিয়ম ও ঋণ জালিয়াতির কারণে দুর্বল হওয়ায় ছয়টি ব্যাংককে আগামী জুলাইয়ের মধ্যে একীভূত করতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকগুলো একীভূত করে সাময়িক সময়ের জন্য সরকারি মালিকানায় নেওয়া হবে।
পরবর্তীতে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক একীভূত হবে এই মর্মে নানা সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে- যা সঠিক নয় বলে জানায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
আরও পড়ুন: নতুন নোটের ছবি প্রকাশ, আসল-নকল চেনার উপায় কী?
এ ছাড়া, একীভূত হওয়ার পর সাময়িক সরকারি মালিকানার সিদ্ধান্ত থেকেও সরে এসেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সবশেষ ২৮ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে বিএফআইইউর ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে গভর্নর জানান, ‘একীভূতকরণের আগেই সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর ওপর সরকার মালিকানা প্রতিষ্ঠা করবে। এতে আমানতকারীদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। কারণ তারা একটি অধিকতর শক্তিশালী ব্যাংকের অংশ হয়ে যাবেন। তবে মোট কতটি ব্যাংক একীভূত হবে এ ব্যাপারে এখনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।’
গভর্নর জানান, সব দুর্বল ব্যাংক একবারে একীভূত হবে না। প্রথম দফায় কয়েকটি ব্যাংক একীভূত হবে। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় বাকি দুর্বল ব্যাংক নিয়ে সিদ্ধান্ত নিবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
৩৪০ দিন আগে
নতুন নোটের ছবি প্রকাশ, আসল-নকল চেনার উপায় কী?
দুদিন পর ১ জুন থেকে বাজারে আসবে ১০০০, ৫০ এবং ২০ টাকা মূল্যমানের নতুন ডিজাইন এবং সিরিজের নোট। ইতোমধ্যে নতুন নোটের ছবি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, দিয়েছে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য নিয়ে সম্যক ধারণা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর স্বাক্ষরিত ১০০০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোটটির আকার হবে ১৬০ মিমি x ৭০ মিমি। নোটটি ১০০ শতাংশ কটন কাগজে মুদ্রিত এবং জলছাপ হিসাবে আছে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, ইংরেজিতে ‘1000’ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম। নোটটিতে বেগুনি রঙের আধিক্য রয়েছে।
এছাড়া ১০০০ টাকা নোটের সম্মুখভাগের বামপাশে জাতীয় স্মৃতিসৌধ এবং মাঝে প্রতিশ্রুত বাক্য ও মূল্যমান (এক হাজার টাকা) মুদ্রিত রয়েছে। নোটের মাঝখানে ব্যাকগ্রাউন্ডে পাতা ও কলিসহ প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলা’র ছবি মুদ্রিত রয়েছে। এছাড়া, নোটের ওপরে বাঁদিকে নোটের মূল্যমান ‘১০০০’, ডানকোণে ‘1000’ ও নিচে ডানকোণে ‘৳১০০০’ মুদ্রিত রয়েছে।
নোটের পেছনভাগের ডিজাইন হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবনের ছবি, উপরে বামকোণে মূল্যমান ‘১০০০’, ডানকোণে বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম এবং নিচে ডানকোণ এবং বামকোণে মূল্যমান ‘1000’ মুদ্রিত রয়েছে। এছাড়া, নোটের ডানপাশে উলম্বভাবে ‘1000’ মুদ্রিত রয়েছে।
১০০০ টাকার নোটটিতে মোট ১৩ ধরনের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সংযোজন করা হয়েছে। নোটটির সম্মুখভাগে বামপাশে ৫ মিমি চওড়া নিরাপত্তা সুতায় যাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম এবং ‘১০০০ টাকা’ খচিত আছে। নোটটি নাড়াচাড়া করলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম অংশের নিরাপত্তা সুতার রং লাল হতে সবুজ রঙে পরিবর্তিত হয় এবং ‘১০০০ টাকা’ অংশে একটি উজ্জ্বল রংধনু বার উপর থেকে নিচে উঠানামা করে।
আরও পড়ুন: জুয়েলারি দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বদলালো বাজুস
এছাড়া, নোটের ডানদিকে কোণায় মুদ্রিত মূল্যমান ‘1000’ রং পরিবর্তনশীল উন্নতমানের নিরাপত্তা কালি দ্বারা মুদ্রিত; যাতে নোটটি নাড়াচাড়া করলে এর রং ম্যাজেন্টা থেকে সবুজ রংয়ে পরিবর্তিত হয়এবং মূল্যমানের ভেতরে কোনাকুনিভাবে মুদ্রিত ‘১০০০’ লেখাটি দৃশ্যমান হয়।
পাশাপাশি, নোটের সম্মুখভাগের পাতা ও কলিসহ প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলা ইউভি ফ্লুরুসিন ম্যাজেন্টা কালি দ্বারা মুদ্রিত যা ইউভি ডিটেক্টর মেশিনে দেখা যায়।
নোটটিতে গভর্নর স্বাক্ষরের ডানপাশে স্বচ্ছ ছবি হিসেবে একটি প্যাটার্ন মুদ্রিত রয়েছে; যা আলোর বিপরীতে ধরলে ‘১০০০' লেখা দৃশ্যমান হবে। এছাড়া, নোটের সম্মুখভাগের বাঁদিকে ‘BANGLADESH BANK' লেখার নিচে মাইক্রোপ্রিন্ট হিসেবে উলম্বভাবে ‘BANGLADESH BANK' মুদ্রিত রয়েছে। পাশাপাশি নোটের পেছনভাগে বামদিকের উপরে ‘১০০০' এবং নিচে ‘1000' লেখার ব্যাকগ্রাউন্ডে 'BANGLADESH BANK এবং এর নিচে 'ONE THOUSAND TAKA' পুনঃপুন মুদ্রিত রয়েছে; যা শুধু Magnifying Glass দ্বারা দেখা যাবে।
ব্যাংক নোটটিতে অন্যান্য নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য হিসেবে অসমতল ছাপা (সম্মুখভাগে জাতীয় স্মৃতিসৌধের ছবি, 'বাংলাদেশ ব্যাংক' লেখা, গ্যারান্টি ক্লজ, বাংলা ও ইংরেজি মূল্যমান, আড়াআড়িভাবে ৬টি সমান্তরাল লাইন, পেছনভাগে জাতীয় সংসদ ভবন এর ছবি, “BANGLADESH BANK', 'ONE THOUSAND TAKA' লেখা ইত্যাদি ইন্টাগ্লিও কালিতে মুদ্রিত), লুকানো ছাপা (সম্মুখভাগের নিচে মূল্যমান 1000), Iridescent Stripe (পেছনভাগে উলম্বভাবে হালকা সোনালী রংয়ে ‘BANGLADESH BANK' লেখা) দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের সুবিধার্থে ৬টি বৃত্ত রয়েছে।
৫০ টাকার নোটের ডিজাইন ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর স্বাক্ষরিত ৫০ টাকা মূল্যমান ব্যাংক নোটটির আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩০ মিমি x ৬০ মিমি। নোটটি ১০০ শতাংশ কটন কাগজে মুদ্রিত এবং নোটে জলছাপ হিসেবে ‘রয়েল বেঙ্গল টাইগার এর মুখ, ‘50' এবং ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম রয়েছে। নোটটিতে গাঢ় বাদামী রঙের আধিক্য রয়েছে। ব্যাংক নোটটির সম্মুখভাগের বামপাশে আহসান মঞ্জিল, ঢাকা এর ছবি এবং মাঝখানে 'প্রতিশ্রুত বাক্য' (Guarantee clause) ও মূল্যমান (পঞ্চাশ টাকা) মুদ্রিত রয়েছে। নোটের মাঝখানে ব্যাকগ্রাউন্ডে পাতা ও কলিসহ প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলা'র ছবি মুদ্রিত রয়েছে। এছাড়া, নোটের উপরে বামদিকে মূল্যমান ‘৫০’, ডানকোণে ‘50’ও নিচে ডানকোণে ‘৳৫০' মুদ্রিত রয়েছে। নোটের পেছনভাগে জলছাপ এলাকার ডানপাশে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন এর বিখ্যাত চিত্রকর্ম 'সংগ্রাম' মুদ্রিত রয়েছে। নোটের উপরে বামকোণে মূল্যমান ‘৫০’ ও ডানকোণে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম এবং নিচে ডানকোণ এবং বামকোণে মূল্যমান ‘50' মুদ্রিত রয়েছে। এছাড়া, নোটের ডানপাশে উলম্বভাবে ‘50' মুদ্রিত রয়েছে। নোটটিতে মোট ৮ ধরনের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সংযোজন করা হয়েছে। নোটটির সম্মুখভাগে বামপাশে ২ মিমি চওড়া নিরাপত্তা সুতা সংযোজন করা হয়েছে যাতে ‘৫০ পঞ্চাশ টাকা' খচিত রয়েছে। নোটটি নাড়াচাড়া (Tilt) করলে নিরাপত্তা সুতার রং লাল হতে সবুজ রংয়ে পরিবর্তিত হয়। নোটটিতে গভর্নর স্বাক্ষরের ডানপাশে See Through image হিসেবে একটি প্যাটার্ন মুদ্রিত রয়েছে; যা আলোর বিপরীতে ধরলে ‘৫০’ লেখা দৃশ্যমান হবে। এছাড়া নোটের সম্মুখভাগে আহসান মঞ্জিল, ঢাকা-লেখাটির উভয়পাশে Microprint হিসেবে ‘BANGLADESH BANK এবং পেছনভাগের বামদিকের উপরে ‘৫০' ও নিচে ‘50' লেখার ব্যাকগ্রাউন্ডে Microprint হিসেবে যথাক্রমে ‘50 TAKA' এবং 'BANGLADESH BANK' মুদ্রিত রয়েছে। ব্যাংক নোটটিতে অন্যান্য নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য হিসেবে অসমতল ছাপা (সম্মুখভাগের আহসান মঞ্জিল এর ছবি, 'বাংলাদেশ ব্যাংক, গ্যারান্টি ক্লজ, বাংলা ও ইংরেজিতে মূল্যমান, আড়াআড়িভাবে ৬টি সমান্তরাল লাইন ইত্যাদি ইন্টাগ্লিও কালিতে মুদ্রিত), লুকানো ছাপা (সম্মুখভাগের নিচে মূল্যমান 50), দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের সুবিধার্থে ২টি বৃত্ত রয়েছে।
২০ টাকার নোটের ডিজাইন ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর স্বাক্ষরিত ২০ টাকা মূল্যমান ব্যাংক নোটটির আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ১২৭ মিমি x ৬০ মিমি। নোটটি ১০০ শতাংশ কটন কাগজে মুদ্রিত এবং নোটে জলছাপ হিসেবে 'রয়েল বেঙ্গল টাইগার এর মুখ', '20' এবং ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম' রয়েছে। নোটটিতে সবুজ রঙের আধিক্য রয়েছে। ব্যাংক নোটটির সম্মুখভাগের বামপাশে ঐতিহাসিক স্থাপনা কান্তজিউ মন্দির, দিনাজপুর এর ছবি এবং নোটের মাঝখানে ‘প্রতিশ্রুত বাক্য (Guarantee clause) ও মূল্যমান (বিশ টাকা) মুদ্রিত রয়েছে। নোটের মাঝখানে ব্যাকগ্রাউন্ডে পাতা ও কলিসহ প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলা'র ছবি মুদ্রিত রয়েছে। এছাড়া, নোটের উপরে বামদিকে মূল্যমান ‘২০’,ডানকোণে ‘20’ ও নিচে ডানকোণে ‘৳২০' মুদ্রিত রয়েছে। নোটের পেছন ভাগে জলছাপ এলাকার ডানপাশে পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার, নওগাঁ এর ছবি মুদ্রিত রয়েছে। নোটের উপরে বামকোণে মূল্যমান ‘২০’ ও ডানকোণে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম' এবং নিচে ডানকোণে মূল্যমান '20' মুদ্রিত রয়েছে। এছাড়া, নোটের ডানপাশে উলম্বভাবে ‘20' মুদ্রিত রয়েছে। নোটটিতে মোট ৫ ধরনের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সংযোজন করা হয়েছে। নোটটির সম্মুখভাগে বামপাশে ২ মিমি চওড়া নিরাপত্তা সুতা সংযোজন করা হয়েছে যাতে ‘৳২০ বিশ টাকা' খচিত রয়েছে। নোটটি নাড়াচাড়া (Tilt) করলে নিরাপত্তা সুতার রং লাল হতে সবুজ রংয়ে পরিবর্তিত হয়। নোটটিতে গভর্নর স্বাক্ষরের ডানপাশে See Through image হিসেবে একটি প্যাটার্ন মুদ্রিত রয়েছে; যা আলোর বিপরীতে ধরলে ‘২০’ লেখা দৃশ্যমান হবে। এছাড়া, নোটের সম্মুখভাগের ডানদিকে এবং পেছন ভাগের বামদিকের গ্লিউইশ প্যাটার্নের ভিতরের অংশে Microprint হিসেবে উলম্বভাবে ‘BANGLADESH BANK' মুদ্রিত রয়েছে।
৩৪১ দিন আগে
জুয়েলারি দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বদলালো বাজুস
স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সহ-সভাপতি রিপনুল হাসানকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য জুয়েলারি দোকান বন্ধের ঘোষণা দিলেও একদিনের মাথায় সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, মো. রিপনুল হাসানকে ভুয়া ও বানোয়াট রাজনৈতিক পদ দেখিয়ে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলায় ২৮ মে রাজধানীর তাঁতীবাজারে নিজ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে ডিবি পুলিশের সদস্যরা গ্রেফতার করেন।
পুলিশ ওই মামলায় যে রাজনৈতিক পরিচয় উল্লেখ করেছেন, রিপনুল হাসান কখনোই সেই পদে ছিলেন না। এমনকি কোন রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সে জড়িত নয় এবং কোন রাজনৈতিক দলের সদস্যপদ কোনদিনও রিপনুল হাসান গ্রহণ করেন নি বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
বাজুস জানিয়েছে, রিপনকে গ্রেফতারের কারণে সারা দেশের জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের মালিকরা ক্ষুদ্ধ ও মর্মাহত। তার ন্যায়বিচার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আজ সারাদেশের সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে দিনভর সমাবেশ, মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছে তারা।
ন্যায় বিচারের প্রত্যাশায় প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা, অর্থ উপদেষ্টা, বাণিজ্য উপদেষ্টা, শিল্প উপদেষ্টা, আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষন করেছে বাজুস।
পাশাপাশি আসন্ন ঈদুল আজহা ও সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায় বিচার পাওয়ার প্রত্যাশায় অনির্দিষ্টকালের জন্য জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধের কর্মসূচি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানায় বাজুস।
শুক্রবার (৩০ মে) থেকে সকল জুয়েলারী প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার অনুরোধ জানিয়েছে বাজুস। তবে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা থেকে রিপনের নাম প্রত্যাহার ও ন্যায়বিচার না পেলে পরবর্তীতে কর্মসূচী ঘোষণা করতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।
৩৪১ দিন আগে
আইসিএক্স বাদ দিলে সরকারকে ৩০০ কোটি টাকা হারাতে হবে
দেশীয় স্বার্থ বাদ দিয়ে নতুন টেলকো টপোলজি রাজস্ব আয়ে ধস নামাবে বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্কস বাংলাদেশের (টিআরএনবি) আয়োজিত খসড়া টেলিযোগাযোগ সংস্কার নীতিমালা-২০২৫: ইন্টারকানেক্সন এক্সচেঞ্জ (আইসিএক্স) এর প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আয়োজিত কর্মশালায় এ দাবি জানানো হয়।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, বিদেশিদের হাতে এই খাত গেলে দেশে বেকারত্ব সৃষ্টি হবে ও জাতীয় নিরাপত্তা সঙ্কট তৈরি হবে। এই খাত থেকে আইসিএক্স বাতিল হলে সরকার বছরে এক ধাক্কায় ৩০০ কোটি টাকা ও ৭০০ প্রকৌশলী কর্মসংস্থান হারাবে। বিপরীতে আয় হবে ১৬ কোটি টাকা।
টিআরএনবি সভাপতি সমীর কুমার দে এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন।
টিআইওবি সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান (অব) বলেন, আইসিএক্স- টেলিকম খাতের তৃতীয় চোখ ও ওয়াচ ডগ। আমাদের বিশ্বমানের প্রকৌশলী আছে। এরাই টেলিকম থাতের উন্নয়ন করেছে। অথচ আজ এই খাত বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে।
আইওবি কোষাধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খুরশীদ আলম (অব) জানান, স্থানীয় ব্যবাসা ও উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দেয়া, মানিলন্ডারিং বন্ধ এবং জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় টবডিএম নীতিমালা করা হয়েছিলো।
তিনি বলেন, চার মাস আগে টিডএম থেকে আইপিতে যেতে সরকারি নির্দশনায় ১৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে আমরা সর্বশেষ টেলিকম প্রযুক্তি স্থাপন করেছি। কিন্তু এখন নতুন টপোলজি পুরো খাতকে হুমকির মুখে ফেলেছে। সরকার লেয়ার কমানোর কথা বলে মোবাইল অপারেটরদের লাইসেন্স ছাড়াই গেটওয়ে লেবেলে সবক্ষেত্রেই সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।
অগ্নি সিস্টেমসের হেড অব অপারেশন আহমেদুর রহমান রুমেল জানান, জুলাইয়ের পর প্রতিদিন দেশে শত কোটি এসএমএস আটইসিএক্স এর মাধ্যমে বিনিময় হচ্ছে। এতে ১ কোটি ১৫ লাখ টাকার আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা। কেনো টাকাই পাচ্ছে না সরকার। আইসিএক্স এর মাধ্যমে এসএমএস বিনিময় হলে সরকারের আয় হবে ৭৪ কোটি টাকা।
বক্তারা জানান, দেশে ৫০টিরও বেশি ভয়েস সেবাদাতা অ্যাকসেস নেটওয়ার্ক সার্ভিস (মোবাইল, পিএসপিএন ও আইপিটিএসপি) অপারেটর কাজ করছে। এগুলো পৃথকভাবে দ্বিপক্ষীয় সংযোগ স্থাপন করতে গেলে আইসিএক্স ব্যবস্থার চেয়ে খরচ বেশি হবে। এছাড়া, আইসিএক্স বাতিলে অবৈধ ভিওআইপি ও রাজস্ব ফাঁকির পরিমাণ বেড়ে যাবে।
কর্মশালায় আইসিএক্স এর কার্যক্রম তুলে ধরে জানানো হয়, আইসিএক্সের মূল কাজ হলো ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়েগুলোর (আইজিডব্লিউ) মাধ্যমে বিদেশ থেকে যেসব কল আসে, তা মোবাইল ও অন্যান্য টেলিফোন (এএনএস বা অ্যাকসেস নেটওয়ার্ক সার্ভিস) অপারেটরের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আইসিএক্সের মাধ্যমে কল সরকারের নজরদারিতে থাকে।
এর ফলে গ্রে ট্রাফিক বা অবৈধ কলের মাধ্যমে কর ফাঁকি রোধ সম্ভব হয়। তারচেয়েও বড় বিষয় হলো—আইসিএক্সের ডিজিটাল নজরদারির মাধ্যমে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা হয়।
কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সম্প্রতি ‘টেলিকম খাতে নেটওয়ার্ক ও ব্যবসা পরিচালনার লাইসেন্স পুনর্বিন্যাসের’ জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন সংশোধনের যে খসড়া তৈরি করা হয়েছে, তাতে আইসিএক্স বাদ দেওয়ার প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এর ফলে বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে। ভয়েসটেল চিফ অপারেটিং অফিসার মুস্তাফা মাহমুদ হোসেন, বাংলা আইসিএক্স পবিচালক হাসিবুর রহমান, বাংলাটেলিকম সিইও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আব্দুল হান্না (অব), ইমাম নেটওয়ার্ক লিমিটেড সিইও এম নুরুল আলম প্রমুখ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।
৩৪১ দিন আগে
অবশেষে উত্থানের মুখ দেখলেও লেনদেন কমেছে পুঁজিবাজারে
টানা পাঁচ দিন পতনের পর সপ্তাহের শেষ দিনে এসে সূচকের উত্থান হয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে, দাম বেড়েছে ঢাকার বেশিরভাগ কোম্পানির, তবে লেনদেন কমেছে দুই বাজারেই।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সকালে পতন দিয়ে লেনদেন শুরু হলেও দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২২ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরীয়া ভিত্তিক ডিএসইএস বেড়েছে ৩ এবং বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস৩০ বেড়েছে ২১ পয়েন্ট।
এ সময় লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৮ কোম্পানির মধ্যে ২২২টি কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ৯৯ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৭৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
‘এ’, ‘বি’ ও ‘জেড’— তিন ক্যাটাগরিতেই বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। বিশেষত লভ্যাংশ দেওয়া ভালো কোম্পানির এ ক্যাটাগরিতে ২১৮টি কোম্পানির মধ্যে ১৩০টি কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ৫৩টি কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৩৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ডিএসই ব্লক মার্কেটে ২২টি কোম্পানির ১৮ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি হয়েছে। ইস্টার্ন ব্যাংক সর্বোচ্চ ৬ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে।
ডিএসইতে আজ (বুহস্পতিবার) সারাদিনে ২৪৭ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ২৬৪ কোটি টাকা।
তাছাড়া, ৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষে দেশ গার্মেন্টস এবং ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ দাম কমে তলানিতে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক।
চট্টগ্রামেও উত্থান
ঢাকার মতো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচকের উত্থান হয়েছে। সার্বিক সূচক বেড়েছে ২৬ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া ১৮০টি কোম্পানির মধ্যে ৭৬টি কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ৭৭টি কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ২৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সিএসইতে মোট ৮ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ১৮ কোটি টাকা। ১০ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষে অবস্থান করছে ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স। একই সঙ্গে ১০ শতাংশের ওপর দর হারিয়ে তলানিতে প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস।
৩৪১ দিন আগে
সূচকের পতনে শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শুরু
সূচকের পতন দিয়ে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের দুই শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয়েছে। প্রথম ঘণ্টায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সবকটি সূচকই কমেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) প্রথম ঘণ্টায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৯ পয়েন্ট কমে গেছে। পাশাপাশি শরিয়াভিত্তিক সূচক ডিএসইএস কমেছে ৮ পয়েন্ট এবং ব্লু-চিপ কোম্পানির সূচক ডিএস৩০ কমেছে ১ পয়েন্ট।
আরও পড়ুন: পুঁজিবাজারে লভ্যাংশ না দেওয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে কমিশন
সূচক কমলেও বেশিরভাগ শেয়ারের দাম কিছুটা উর্ধ্বমুখী। লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে ১৫৬টির শেয়ারের দাম বেড়েছে, ১০০টির কমেছে এবং ৮৯টি অপরিবর্তিত রয়েছে। ডিএসইতে প্রথম ঘণ্টার লেনদেন ছাড়িয়েছে ৫০ কোটি টাকা।
এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক কমেছে ৩৫ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া ৬৫ কোম্পানির মধ্যে ২২টির দাম বেড়েছে, ৩১টির কমেছে এবং ১২টি অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রথম ঘণ্টায় সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪০ লাখ টাকার বেশি।
৩৪১ দিন আগে
পুঁজিবাজারে লভ্যাংশ না দেওয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে কমিশন
তালিকাভুক্ত যেসব কোম্পানি পুঁজিবাজারে লভ্যাংশ ঘোষণা করেও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিতরণ করেনি– সেসব কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
বিএসইসি পরিচালক আবুল কালাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যেসব কোম্পানি লভ্যাংশ ঘোষণা দেওয়ার পরেও তা বিতরণ করেনি- এমন ২২ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
আলোচনায় কোম্পানিগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে কেন লভ্যাংশ ঘোষণা দেওয়ার পরেও বিতরণ করা হয়নি তার কারণ জানতে চেয়েছে কমিশন। চলমান যেসব সমস্যার কারণে কোম্পানিগুলো লভ্যাংশ দিতে পারছে না, তা সমাধানের নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি।
বিএসইসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এরমধ্যে যেসব কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ আটকে রেখেছে, তাদের বিরুদ্ধে সিকিউরিটিজ আইনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এদিকে পুঁজিবাজারে টানা পাঁচ দিনের পতনে পর্যদুস্ত বিনিয়োগকারীরা। যেসব বিনিয়োগকারী মার্জিন ঋণ নিয়ে বাজারে বিনিয়োগ করেছেন তাদের অবস্থা সবচেয়ে বেশি খারাপ।
এ নিয়ে মতিঝিলে ব্রোকারেজ হাউজের সামনে বিনিয়োগকারীরা টানা কয়েকদিন মানববন্ধন, আন্দোলন এবং কফিন মিছিল করলেও কোনো সুরাহা হয়নি।বিনিয়োগকারীদের বেশ কয়েকটি সংগঠন থেকে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৯ মে) কমিশন তাদের সঙ্গে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে। আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে পুঁজিবাজার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কমিশন।
৩৪২ দিন আগে
পাঁচদিনের পতনে পর্যুদস্ত পুঁজিবাজার, কমেছে ঢাকা-চট্টগ্রামের সব সূচক
গত কয়দিনের মতো সপ্তাহের পঞ্চম কার্যদিবসেও সূচকের পতন হয়েছে পুঁজিবাজারে; কমেছে ঢাকা-চট্টগ্রামের সব সূচক, বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম নিম্নমুখী রয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৬২ পয়েন্ট। বাকি দুই সূচক শরীয়া ভিত্তিক ডিএসইএস কমেছে ১৬ এবং বাছাইকৃত কোম্পানির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০ কমেছে ১৫ পয়েন্ট।
লেনদেনে অংশ নেয়া ৩৯৮ কোম্পানির মধ্যে ৬৩ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ২৯৫ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ৪০ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
এ, বি ও জেড- তিন ক্যাটাগরিতেই বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। বিশেষ করে লভ্যাংশ দেয়া ভালো কোম্পানির এ ক্যাটাগরিতে ২১৯ কোম্পানির মধ্যে ২৯ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১৬৮ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ২২ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
ডিএসই ব্লক মার্কেটে ২৪ কোম্পানির ৯ কোটি ৮০ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি হয়েছে। ফাইন ফুড সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে। ডিএসইতে সারাদিনে ২৬৪ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ২৭২ কোটি টাকা।
৮.৭৩ শতাংশ দাম বেড়ে ডিএসইতে শীর্ষে হাইডেলবার্গ মেটারিয়ালস বাংলাদেশ এবং ৯.৮০ শতাংশ দাম কমে তলানিতে এনআরবি ব্যাংক।
চট্টগ্রামেও পতন
ঢাকার মতো পতনের ধারা বজায় আছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই), সার্বিক সূচক কমেছে ১৩৮ পয়েন্ট।
লেনদেন হওয়া ১৯৪ কোম্পানির মধ্যে ৩৮ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১৩৮ কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত আছে ১৮ কোম্পানির শেয়ারের দাম।
সিএসইতে মোট ১৮ কোটি টাকার শেয়ার এবং ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা গতদিন ছিল ১০ কোটি টাকা। ১০ শতাংশ দাম বেড়ে সিএসইতে শীর্ষ কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং ৯.৮৪ শতাংশের ওপর দর হারিয়ে তলানিতে আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেড।
৩৪২ দিন আগে