খেলাধুলা
জিরোনাকে হারিয়ে ফের বার্সেলোনাকে ধরল রিয়াল মাদ্রিদ
ফেব্রুয়ারি পড়তেই লা লিগায় যেন জিততে ভুলেই গিয়েছিল অন্যান্য লিগে দারুণ পারফর্ম করে চলা রিয়াল মাদ্রিদ। তবে তিন ম্যাচ পর অবশেষে ব্যর্থতার সেই বৃত্ত ভাঙতে সক্ষম হয়েছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা।
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সান্তিয়াগো বের্নাবেউতে জিরোনাকে ২-০ গোলে হারিয়েছে মাদ্রিদ জায়ান্টরা।
নিষেধাজ্ঞায় পড়া বেলিংহ্যামকে ছাড়াই এদিন খেলতে নামলেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে লিগে ফের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের ৪১তম মিনিটে লুকা মদ্রিচের চমৎকার গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে রিয়ালের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তবে কয়েকবার চেষ্টা করেও এই ম্যাচে জালের দেখা পাননি নতুন বছরে উড়তে থাকা কিলিয়ান এমবাপ্পে।
এর আগে, এ মাসের শুরুতে এস্পানিওলের কাছে ১-০ গোলে হেরে যায় রিয়াল। তারপর আতলেতিকো মাদ্রিদ ও ওসাসুনার সঙ্গে ড্র করে দলটি। তবে লিগে এমন হতাশাজনক ফলের মাঝে অন্যান্য প্রতিযোগিতায় তিনটি ম্যাচ খেলে সবগুলোতেই জেতে তারা। এবার ঘরোয়া লিগেও পেল জয়ের স্বাদ।
২৫ ম্যাচে ১৬ জয় ও ৬ ড্রয়ে ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে ফিরল আনচেলত্তির দল। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট নিয়ে মুখোমুখি লড়াই ও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা। আর ১ পয়েন্ট কম নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে আতলেতিকো মাদ্রিদ।
গতকাল ভালেন্সিয়ার মাঠে ৩-০ গোলের জয় পেয়েছে আতলেতিকো মাদ্রিদ। এছাড়া লাস পালমাসের মাঠে ২-০ গোলে জেতে বার্সেলোনা।
৫২৬ দিন আগে
কোহলির সেঞ্চুরি, পাকিস্তানকে বিপদে ঠেলে সেমির পথে ভারত
ম্যাচের ফল একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল আগেই। শেষ পর্যন্ত বিরাট কোহলি সেঞ্চুরি করতে পারেন কিনা, তা-ই দেখার বাকি ছিল। জয়ের জন্য যখন ২ রান দরকার, শতক হাঁকাতে কোহলির দরকার তখন ৪। তবে চার মেরেই সব হিসাব-নিকাশ মিলিয়ে দিলেন তিনি।
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুবাইয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে শুরুতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ান। এরপর ভারতীয় বোলারদের প্রতাপ সামলে ইনিংসের দুই বল বাকি থাকতেই ২৪১ রান তুলে গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস।
২৪২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৬ উইকেট হাতে রেখে ২৪৪ রান করে জয়োল্লাস করে ভারত। ইনিংসের ৪৫ বল বাকি ছিল তাদের।
ভারতের এই জয়ে মূল কাজটি করেন তাদের বোলাররা। দীর্ঘ সময় উইকেট না পেলেও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে পাকিস্তানের রানের গতি এমনভাবে তারা কমিয়ে দেন যে প্রথম ইনিংসে একেকটি বাউন্ডারি দেখতেই ৪০-৪৫ বলের মতো অপেক্ষা করতে হয়েছে দর্শকদের।
শেষের দিকে রানরেট বাড়াতে গিয়ে একের পর এক উইকেট বিলিয়ে শেষ পর্যন্ত অলআউট হওয়ার লজ্জাও বরণ করতে হয় তাদের।
অপরদিকে, ফিল্ডিং চলাকালে বোলারদের পাশাপাশি ভারতের ফিল্ডারদেরও খানিকটা কৃতিত্ব দিতে হয়। তাদের পরিশ্রমী মানসিকতার কারণেই অনেকগুলো এক পাকিস্তানি ব্যাটাররা দুইয়ে রূপ দিতে পারেননি, অনেকগুলো সম্ভাব্য চার আটকে গেছে তিনে। এরপর রান তাড়ায় নেমে নিজেদের স্বাভাবিক খেলাই উপহার দিয়েছেন ভারতীয় ব্যাটাররা।
অবশ্য শুরুর দিকে (পঞ্চম ওভারের শেষ বলে) রোহিত শর্মাকে ফিরিয়ে দিয়ে লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিলেও সময় যত গড়িয়েছে, জয়ের পাল্লা ততই ভারতের পক্ষে ভারী হয়েছে।
৩১ রানে প্রথম উইকেট পতনের পর পাকিস্তান দ্বিতীয় উইকেটের দেখা পায় ১০০ রানের মাথায়। ৫২ বলে ৪৬ রান করা শুভমান গিল এদিন অল্পের জন্য হাফ সেঞ্চুরি বঞ্চিত হলেও কোহলির সঙ্গে দারুণ একটি জুটি গড়ে জয়ের ভিত গড়ে দিয়ে যান। এরপর শ্রেয়াস আইয়ারের সঙ্গে কোহলির ১১৪ রানের জুটিটি পাকিস্তানকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয়।
৬৭ বলে ৫৬ রান করে শ্রেয়াস ফেরার অল্প সময় পর হার্দিক পান্ডিয়াও আউট হলে ভারতের তখন প্রয়োজন ৬০ বলে মাত্র ১৯ রান। এরপর শেষ মুহূর্তে সেঞ্চুরির মাধ্যমে দলকে জেতানোর পথে অনন্য এক কীর্তি গড়েন কোহলি।
৫২৬ দিন আগে
কষ্টের জয়ে শীর্ষেই রইল বার্সেলোনা
বার্সেলোনার অলিম্পিক স্টেডিয়ামে প্রথম লেগে জমাট রক্ষণের যে কৌশল দিয়ে দলটিকে হারিয়েছিল লাস পালমাস, সেই একই কৌশলে দ্বিতীয় লেগেও তাদের আটকে রাখার চেষ্টা করে দলটি। তবে বার্সার মাঠে পারলেও নিজেদের মাঠে আর কাতালানদের সঙ্গে পেরে উঠল না তারা। ফলে জিততে ঘাম ছুটে গেলেও জয়ের স্বস্তি নিয়েই ঘরে ফিরেছে বার্সেলোনা।
কানারি দ্বীপের গ্রান কানারি স্টেডিয়ামে লা লিগার ২৫তম রাউন্ডের ম্যাচটি ২-০ গোলে জিতেছে হান্সি ফ্লিকের দল।
ম্যাচের ৬২তম মিনিটে বার্সেলোনাকে প্রথম এগিয়ে নেন দানি অলমো। এরপর যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে দ্বিতীয় গোলটি করে লাস পালমাসের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন ফেররান তোরেস। মজার বিষয় হচ্ছে, দুই গোলদাতাই বদলি হিসেবে মাঠ নেমে বাজিমাত করেছেন।
এদিন ম্যাচের প্রথমার্ধে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও স্বাগতিকদের রক্ষণে চিড় ধরাতে ব্যর্থ হন বার্সেলোনার খেলোয়াড়রা। অবশ্য সুযোগ যে একেবারে আসেনি তা নয়, তবে দুটি পরিষ্কার গোলের সুযোগ নষ্ট করে স্কোরবোর্ডে কোনো পরিবর্তন না এনেই বিরতিতে যায় বার্সেলোনা।
প্রথমার্ধে গেম ডেভেলপমেন্টে তেমন গতি ও মাঝমাঠ তেমন ধারালো পারফরম্যান্স করতে না পারায় ফলস নাইন পজিশনে খেলা ফেরমিন লোপেসকে রেখে দানি অলমোকে নামিয়ে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করেন ফ্লিক।
আরও পড়ুন: রেফারিং নিয়ে ফের বিতর্ক, তবে জিতে দুই মাদ্রিদকে টপকে শীর্ষে বার্সেলোনা
খেলা শুরুর পর থেকেই দেখা যায় অলমোর প্রভাব। দুর্দান্ত সব পাস দিয়ে লাস পালমাসের রক্ষণে ভীতি ছড়াতে থাকেন তিনি। ফলে দলটির ডিফেন্ডাররাও কিছুটা মনোযাগ হারায়। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৬২তম মিনিটে লাস পালমাসের ডেডলক ভাঙেন অলেমো নিজেই।
এ সময় লামিন ইয়ামাল ও অলমোর দারুণ যুগলবন্দী দেখে সমর্থকরা, যার পরিণতিতে কাঙ্ক্ষিত গোল পেয়ে যায় সফরকারীরা।
বল ধরে বেশ খানিকটা এগিয়ে গিয়ে বক্সের বেশ বাইরে থাকা অবস্থায় বিপরীত পাশে থাকা লামিনকে পাস দিয়ে বক্সের ভেতরে এগিয়ে যান অলমো। বল পেয়ে প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়কে ড্রিবল করে অলমোর উদ্দেশে বক্সের ভেতর থ্রু বল বাড়ান লামিন। এরপর তা ধরে পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে উড়ন্ত শট নেন অলমো, আর বল ক্রসবারে লেগে গোলের ভেতরে আছড়ে পড়ে।
৫২৭ দিন আগে
রেকর্ডের মালা গেঁথে নতুন ইতিহাস গড়ল অস্ট্রেলিয়া
৩৫১ রান তুলে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে গড়া ২১ বছর আগের রেকর্ড ভেঙেছিল ইংল্যান্ড। তবে সেই রেকর্ড এক দিনও ধরে রাখতে পারল না জশ বাটলার অ্যান্ড কোং। দ্বিতীয় ইনিংসেই তা টপকে একাধিক রেকর্ড গড়ে ম্যাচ জিতে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করল অস্ট্রেলিয়া।
শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে বেন ডাকেটের অনবদ্য ১৬৫ রানের ইনিংসে ভর করে আট উইকেটে ৩৫১ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। ২০০৪ সালের আসরে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের গড়া ৩৪৭ রানের রেকর্ডটি ভেঙে এদিন রেকর্ড বইয়ে নিজেদের নাম তোলে ইংলিশরা।
এছাড়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে এক ইনিংসে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ স্কোর গড়েন বেন ডাকেট। তবে ইংলিশদের এসব রেকর্ড ম্লান করে পাঁচ উইকেটের এক স্মরণীয় জয় তুলে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
৩৫২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ১৫ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় স্টিভেন স্মিথ অ্যান্ড কোং। ৪৭.৩তম বলটিতে ছক্কা হাঁকিয়ে দারুণ নৈপুণ্যে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন অ্যালেক্স ক্যারি।
এর ফলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে যেকোনো ইনিংসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের রেকর্ড (৩৫৬) গড়ল অজিরা। তাছাড়া আইসিসির যেকোনো ওয়ানডে ইভেন্টে এটিই সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড। এর আগে ২০১৭ সালে ওভালে ভারতের বিপক্ষে ৩২১ রান তাড়া করে জয়ই ছিল তাদের সর্বোচ্চ।
আরও আছে; এটি ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ রান তাড়ার জয়।
এছাড়া এ জয়টি অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড। তাদের সর্বোচ্চ রেকর্ডটি ৪৩৪ রানের; ২০০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অবিস্মরণীয় সেই ম্যাচটি খেলে তারা।
আরও পড়ুন: ডাকেটের ব্যক্তিগত কীর্তির দিনে ইংল্যান্ডের রেকর্ড সংগ্রহ
পাকিস্তানের মাটিতে ওয়ানডে ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সফল রান তাড়ার রেকর্ড। এর আগের রেকর্ডটিও এই গাদ্দাফি স্টেডিয়ামেই গড়ে অস্ট্রেলিয়া। ২০২২ সালের ২৯ মার্চ ৬ উইকেটে করা পাকিস্তানের ৩৬৮ রান তারা পেরিয়ে যায় এক ওভার বাকি থাকতেই। ৭ উইকেটে সেদিন ৩৭২ রান করে অস্ট্রেলিয়া। ওই ম্যাচে ১৫৬ রান করে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছিলেন ট্র্যাভিস হেড।
আর টানা দুটি সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড দেখল গাদ্দাফি স্টেডিয়াম। ক্রিকেটের ইতিহাসে এমন রেকর্ড অত্যন্ত বিরল।
আজকের ম্যাচে ৮৬ বলে আটটি চার ও ছয়টি ছক্কায় ১২০ রান করে ম্যাচসেরা হয়েছেন জশ ইংলিস।
মাত্র ৭৭ বলে সেঞ্চুরি করে ব্যক্তিগত রেকর্ডেও নাম উঠিয়েছেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটার। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বিরেন্দর শেবাগের সঙ্গে যৌথভাবে দ্রুততম শতকের মালিক এখন তিনি। এছাড়া ওয়ানডে ক্যারিয়ারের এটি তার প্রথম সেঞ্চুরি এবং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে চতুর্থ সর্বোচ্চ ইনিংস।
এ ছাড়াও আরও রেকর্ড হয়েছে ম্যাচটিতে। এই ম্যাচে দুই দল মিলে মোট ৭০৭ রান সংগ্রহ করেছে, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে যা এক ম্যাচে সর্বোচ্চ মোট রানের রেকর্ড। এর আগে এই রেকর্ড গড়ে ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত ভারত-পাকিস্তান ফাইনাল ম্যাচ। সেই ম্যাচে মোট ৬৫৯ রান সংগ্রহ করে দুই দল। সেদিন ভারতের চার উইকেটে ৩৩৮ রানের সংগ্রহ তাড়া করতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩২১ রান তুলতে সক্ষম হয় পাকিস্তান। ফলে ১৭ রানের হার দেখতে হয় দলটিকে।
ম্যাচটি আজ মোট ২৩টি ছক্কা হাঁকিয়েছে দুদলের ব্যাটাররা (ইংল্যান্ড ৭, অস্ট্রেলিয়া ১৬), যা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির একটি ম্যাচে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড। অস্ট্রেলিয়ার ১৬টি ছক্কা এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে এক ইনিংসে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এই রেকর্ডটি এখনও রয়েছে ভারতের দখলে। ২০১৩ সালের ১১ জুন ওভালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১৮টি ছক্কা হাঁকান ভারতের ব্যাটাররা।
৫২৭ দিন আগে
ডাকেটের ব্যক্তিগত কীর্তির দিনে ইংল্যান্ডের রেকর্ড সংগ্রহ
রিয়ারে প্রথমবার আইসিসি ইভেন্টে খেলতে নেমেছেন ইংলিশ ব্যাটার বেন ডাকেট। নেমেই দিনটিকে শুধু ব্যক্তিগত পর্যায়ে নয়, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসেও স্মরণীয় করে রাখলেন তিনি।
শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩৫১ রানের পুঁজি পেয়েছে ইংল্যান্ড।
এটি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের রেকর্ড। ২০০৪ সালের আসরে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের গড়া ৩৪৭ রানের ইনিংসটিই এতদিন সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ছিল।
এদিন ইংল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক বেন ডাকেট। ১৪৩ বলে ১৭টি চার ও তিনটি ছক্কায় ১৬৫ রান করেন তিনি। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে এক ইনিংসে এটি ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ স্কোর। এই রেকর্ড গড়ার পথে পথে তিনি ২০০৪ সালের ম্যাচেই নিউজিল্যান্ডের ন্যাথান অ্যাস্টলের করা অপরাজিত ১৪৫ রানের স্কোরটি ছাড়িয়ে যান।
আরও পড়ুন: ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে নতুন দলে নাম লেখালেন সাকিব
ডাকেট ছাড়াও এদিন হাসে জো রুটের ব্যাট। শুরুর দিকে দুই উইকেট হারানোর পর ৭৮ বলে ব্যক্তিগত ৬৮ রান করে ডাকেটের সঙ্গে ১৫৮ রানের জুটি গড়েন তিনি।
দলীয় ৪৩ রানে দুই উইকেট হারানো ইংল্যান্ডের পরবর্তী উইকেটটি যখন পড়ে, তখন স্কোরবোর্ডে দেখা যায় তিন উইকেটে ২০১ রান। ৩১তম ওভারের শেষ বলে রুট আউট হলে তাই মনে হচ্ছিল স্কোর আরও বড় হবে। তবে রুটের উইকেটের মধ্য দিয়েই হারানো ছন্দ খুঁজে পায় অস্ট্রেলিয়া। তারপর থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলতে থাকেন দলটির বোলোররা।
ওই দুই ব্যাটার বাদে অধিনায়ক জশ বাটলারের ২৩ ও শেষের দিকে জোফলা আর্চারের ১০ বলে ২১ রানের ক্যামিও ইনিংসটিই কেবল বলার মতো।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৬৬ রানে তিন উইকেট নিয়েছেন বেন ডুয়ারশিস, আর দুটি করে উইকেট গিয়েছে অ্যাডাম জ্যাম্পা ও মার্কাস লাবুশেনের ঝুলিতে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ইংল্যান্ড: ৩৫১/৮ (ডাকেট ১৬৫, রুট ৬৮, বাটলার ২৩; ডুয়ারশিস ৩/৬৬, লাবুশেন ২/৪১, জ্যাম্পা ২/৬৪)।
৫২৭ দিন আগে
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে নতুন দলে নাম লেখালেন সাকিব
দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে দেশে ফিরতে চেয়ে বারবার ব্যর্থ হয়েছেন সাকিব আল হাসান। এ কারণে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মিরপুরে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিতে চেয়েও পারেননি। এসব জটিলতার মাঝেই আসন্ন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে নতুন দলে নাম লিখিয়েছেন তিনি।
লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জে নাম লিখিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক এই অধিনায়ক। অবশ্য দেশে ফিরে ক্লাবটির হয়ে তিনি খেলতে পারবেন কিনা, সে বিষয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
সাকিবকে দলে ভেড়ানোর খবর নিশ্চিত করে রূপগঞ্জের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমে বলেছেন, ‘ক্রিকেটীয় কারণে আমরা সাকিবকে দলে নিয়েছি। সে দেশে আসতে পারলে আমাদের হয়ে খেলবে, না আসতে পারলে সেটা ভিন্ন ব্যাপার।’
গত আসরে শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবের হয়ে খেলেন সাকিব। তবে দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দলটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক সরে যাওয়ায় ক্লাবটির সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রাখাও সম্ভব হয়নি তার। পরে রূপগঞ্জের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: আবারও পরীক্ষায় ফেল, সাকিবের বোলিং নিষেধাজ্ঞা বহালই থাকছে
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ নির্বাচিত হন সাকিব। গত জুলাই মাসে দেশের বাইরে যান তিনি। এরপর আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি হন তিনি।
এরপর দেশের জার্সিতে খেললেও তা ছিল দেশের বাইরে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে (পাকিস্তান ও ভারতে)। পরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট খেলতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে রওনা হলেও দুবাই এসে ফিরে যেতে হয় তাকে।
ওই সময় থেকেই ক্রিকেটে ভালো সময় যাচ্ছে না এক সময়ের বিশ্বেসেরা এই অলরাউন্ডারের। সম্প্রতি তার বোলিং অ্যাকশন অবৈধ বলে গণ্য হয়। এর ফলে খেলার মাঠেও তার কার্যকারিতা কমে যায় অর্ধেক। এ কারণেই কেবল ব্যাটার হিসেবে তাকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে না নেওয়ার কথা জানান নির্বাচকরা।
আরও পড়ুন: সাকিব-লিটনকে ছাড়াই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির বাংলাদেশ দল ঘোষণা
বোলিং অ্যাকশন অবৈধ হলেও বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে বল করতে বাধা নেই সাকিবের। সে কারণেই তাকে দলে নিয়েছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। তবে দেশে ফিরে খেলতে মাঠে নামতে পারবেন কিনা, তা একদমই অনিশ্চিত।
মার্চের প্রথম সপ্তাহে শুরু হতে চলেছে এ বছরের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। তা আগে আগামীকাল (রবিবার) পর্যন্ত চলবে দলবদল। ক্রিকেটারদের অনলাইন ও অফলাইন দুভাবেই নিবন্ধন করানো যাচ্ছে।
৫২৭ দিন আগে
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ নকআউট ড্র: মুখোমুখি দুই মাদ্রিদ, বার্সেলোনার স্বস্তি
প্লে-অফ থেকে ১৬টি দল চূড়ান্ত হওয়ার পর এবার হয়ে গেল চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর ড্র। নতুন নিয়মের এই ড্রয়ে বেশ কয়েকটি বড় দল তুলনামূলক দূর্বল প্রতিপক্ষ পেলেও সেয়ানে সেয়ানে লড়াইও দেখা যাবে কয়েকটি।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টায় সুইজারল্যান্ডের নিয়নে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বের ড্র অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শুধু শেষ ষোলো নয়, ফাইনাল পর্যন্ত যেতে কোন দলের কী সমীকরণ, সে পথও স্পষ্ট করা হয়েছে।
নতুন ফরমেটে অনুষ্ঠিত এবারের টুর্নামেন্টে নতুন নিয়মেই হয়েছে ড্র। এতে দুটি ‘লিগ ক্লাসিক’ লড়াই দেখার সুযোগ মিলবে দর্শকদের। তার মধ্যে একটি হচ্ছে বায়ার্ন মিউনিখ ও বায়ের লেভারেকুজেন। শাবি আলোনসোর হাতের ছোঁয়ায় গত মৌসুম থেকে জ্বলে ওঠা লেভারকুজেনই বর্তমানে বুন্দেসলিগায় বায়ার্ন মিউনিখের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী।
এছাড়া রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে ড্র হয়েছে আতলেতিকো মাদ্রিদের। ফলে লা লিগা, কোপা দেল রের পর এ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও দুই নগর প্রতিদ্বন্দ্বীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যাবে।
তবে বার্সেলোনার সামনে পিএসজির মতো সম্প্রতি ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা দল পড়ার সম্ভাবনা থাকলে এ যাত্রায় সেই বিপদ কেটেছে দলটি। অপর সম্ভাব্য দল বেনফিকাই পড়েছে তাদের সামনে। ফলে ফাইনালের আগে আর বার্সেলোনার সঙ্গে তাদের দেখা হওয়ার সুযোগ নেই।
আর এতে করে চলতি মৌসুমে অপ্রতিরোধ্য লিভারপুলের সঙ্গী হয়েছে লুইস এনরিকের শিষ্যরা। তাই চরম হাইভোল্টেজ এই ম্যাচের দিকে বিশেষ নজর থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের।
এ ছাড়াও অনেক বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোতে জায়গা করে নেওয়া অ্যাস্টন ভিলার প্রতিপক্ষ হিসেবে উঠে এসেছে ক্লাব ব্রুজের নাম। আর আর্সেনাল, ইন্টার মিলান ও ডর্টমুন্ড পেয়েছে তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষ।
এক নজরে শেষ ষোলোর ড্র
• ক্লাব ব্রুজ-অ্যাস্টন ভিলা • লিল-বরুশিয়া ডর্টমুন্ড • রিয়াল মাদ্রিদ-আতলেতিকো মাদ্রিদ • বায়ার্ন মিউনিখ-বায়ের লেভারকুজেন • পিএসভি আইন্ডহোভেন-আর্সেনাল • ফেয়েনুর্ড-ইন্টার মিলান • পিএসজি-লিভারপুল • বেনফিকা-বার্সেলোনা
(পরের দলটি ঘরের মাঠে দ্বিতীয় লেগ খেলার সুবিধা পাবে।)
৫২৮ দিন আগে
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: নকআউটে গেল কারা, কে হচ্ছে কার প্রতিপক্ষ, ড্র কবে
নতুন ফরমেটের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম আট দল নিশ্চিত হয়েছিল আগেই। গত দুদিন প্লে-অফের দ্বিতীয় লেগ শেষে চূড়ান্ত হয়েছে বাকি আট দলও।
দুটি অঘটনের জন্ম দিয়ে শেষ হয়েছে প্লে-অফ পর্ব। ওই দুই ম্যাচে দুই ডাচ ক্লাব ফেয়েনুর্ড ও পিএসভি আইন্ডহোভেনের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে ইতালির দুই ক্লাব এসি মিলান ও ইউভেন্তুস।
এছাড়া, ক্লাব ব্রুজের কাছে হেরে আতালান্তা, বেনফিকার কাছে হেরে মোনাকো, বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের কাছে হেরে স্পোর্তিং এবং রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে ম্যানচেস্টার সিটির মতো বড় বড় ক্লাবগুলোর।
আরও পড়ুন: প্লে-অফে ফের অঘটন, এবার ইউভেন্তুসের বিদায়
যাইহোক, যোগ্যতার লড়াইয়ে নকআউট পর্বের শেষ আট দল চূড়ান্ত হয়েছে। সেগুলো হলো— ফেয়েনুর্ড, ক্লাব ব্রুজ, বায়ার্ন মিউনিখ, বেনফিকা, ডর্টমুন্ড, আইন্ডহোভেন, পিএসজি ও রিয়াল মাদ্রিদ।
আগামীকাল শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের নিয়নে শেষ ষোলোর ড্র অনুষ্ঠিত হবে। সেখানেই জানা যাবে শীর্ষ আট দলের কার প্রতিপক্ষ হচ্ছে কোন দল।
তবে উয়েফার নতুন নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি দলেরই সম্ভাব্য দুই প্রতিপক্ষের নাম আগেই নিশ্চিত হয়েছে। এই দুই দলের ভেতর থেকেই এক দল নির্দিষ্ট দলের বিপক্ষে খেলবে।
শেষ ষোলোতে কে কার প্রতিপক্ষ
লিভারপুল: পিএসজি/বেনফিকা
বার্সেলোনা: বেনফিকা/পিএসজি
আর্সেনাল: পিএসভি/ফেয়েনুর্ড
ইন্টার মিলান: ফেয়েনুর্ড/পিএসভি
আতলেতিকো মাদ্রিদ: বায়ার্ন মিউনিখ/রিয়াল মাদ্রিদ
বায়ের লেভারকুজেন: রিয়াল মাদ্রিদ/বায়ার্ন মিউনিখ
লিল: ক্লাব ব্রুজ/ডর্টমুন্ড
অ্যাস্টন ভিলা: ডর্টমুন্ড/ক্লাব ব্রুজ
রিয়াল মাদ্রিদ: লেভারকুজেন/আতলেতিকো মাদ্রিদ
পিএসজি: বার্সেলোনা/লিভারপুল
বায়ার্ন মিউনিখ: আতলেতিকো মাদ্রিদ/লেভারকুজেন
বরুশিয়া ডর্টমুন্ড: অ্যাস্টন ভিলা/লিল
বেনফিকা: বার্সেলোনা/লিভারপুল
পিএসভি: আর্সেনাল/ইন্টার মিলান
ক্লাব ব্রুজ: লিল/অ্যাস্টন ভিলা
ফেয়েনুর্ড: ইন্টার মিলান/আর্সেনাল
উল্লেখ্য, শেষ ষোলোর প্রথম লেগের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে ৪ ও ৫ মার্চ এবং দ্বিতীয় লেগ অনুষ্ঠিত হবে এক সপ্তাহ পর ১১ ও ১২ মার্চ।
আরও পড়ুন: এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে বিধ্বস্ত সিটি, শেষ ষোলোয় রিয়াল
শীর্ষ আট দল দ্বিতীয় লেগ ঘরের মাঠে খেলার সুবিধা পাবে এবং প্লে-অফ থেকে নকআউট পর্বে ওঠা দলগুলোকে প্রথম লেগই ঘরের মাঠে খেলতে হবে।
এক নজরে শেষ ষোলোর শীর্ষ আট দল
লিভারপুল, বার্সেলোনা, আর্সেনাল, ইন্টার মিলান, আতলেতিকো মাদ্রিদ, বায়ের লেভারকুজেন, লিল ও অ্যাস্টন ভিলা।
প্লে-অফ থেকে আসা বাকি আট দল
ফেয়েনুর্ড, ক্লাব ব্রুজ, বায়ার্ন মিউনিখ, বেনফিকা, ডর্টমুন্ড, আইন্ডহোভেন, পিএসজি ও রিয়াল মাদ্রিদ।
বাদ পড়ল যারা
এসি মিলান, আতালান্তা, সেল্টিক, মোনাকো, স্পোর্তিং, ইউভেন্তুস, ব্রেস্ত ও ম্যানচেস্টার সিটি।
৫৩০ দিন আগে
প্লে-অফে ফের অঘটন, এবার ইউভেন্তুসের বিদায়
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বের প্লে-অফের দ্বিতীয় লেগের খেলায় প্রথম দিন প্রথম ম্যাচেই ঘটে অঘটন; ডাচ ক্লাব ফেয়েনুর্ডের কাছে হেরে প্রথম পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয় ইতালির ক্লাব এসি মিলানের। দ্বিতীয় দিনেও ঘটেছে একই অঘটন, আর তার বলি হয়েছে সেরি-আর আরেক ক্লাব ইউভেন্তুস।
নেদারল্যান্ডসের ফিলিপস স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্লে-অফের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে বুধবার রাতে তুরিনের দলটিকে ৩-১ গোলে হারিয়ে অসাধ্য সাধন করেছে পিএসভি।
তুরিনে প্রথম লেগে ২-১ গোলে এগিয়ে থেকে আইন্ডহোভেনে গেলেও ম্যাচজুড়ে সুবিধা করতে পারেনি থিয়াগো মোত্তার দল। ম্যাচের ৫৩তম মিনিটে নোয়া লাংয়ের অ্যাসিস্টে গোল করে অগ্রগামিতায় ২-২ সমতা টানেন পিএসভি স্ট্রাইকার ইভান পেরিসিচ।
আরও পড়ুন: এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে বিধ্বস্ত সিটি, শেষ ষোলোয় রিয়াল
দশ মিনিট পরই অবশ্য টিমোথি উইয়ার গোলে ফের ইউভেন্তুস এগিয়ে গেলে (অগ্রগামিতায়) ৭৪তম মিনিটে ইসমাইল সাইবারির গোলে আবারও সমতায় ফেরে ডাচরা। এরপর নির্ধারিত সময়ে আর কোনো গোল না হলে ৩-৩ সমতায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানে ৯৮তম মিনিটে রায়ান ফ্লামিঙ্গোর গোলে দুই লেগ মিলিয়ে প্রথমবারের মতো এগিয়ে যায় পিএসভি। এরপর ইউভেন্তুসকে বাকি সময় আটকে রেখে বিরল কীর্তি গড়ে শেষ ষোলো নিশ্চিতের উল্লাসে মাতে পিটার বশের শিষ্যরা।
এর আগে, ওল্ড লেডিদের বিপক্ষে কখনও জয় তো দূরের কথা, ড্রও করতে পারেনি পিএসভি। এবার সেই দলটির বিপক্ষেই ৩-১ গোলের দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়ে তাদের বিদায় করে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ১৯৮৭-৮৮ মৌসুমের ইউরোপিয়ান কাপ জয়ী দলটি।
এর ফলে কাকতালীয়ভাবে এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম পর্বের প্লে-অফের দুটি অঘটনের জন্মই দিল দুই ডাচ ক্লাব ফেয়েনুর্ড ও পিএসভি। আর তারা বিদায় করল দুই ইতালিয়ান জায়ান্টকে (মিলান ও ইউভেন্তুস)।
আরও পড়ুন: বিরল রেকর্ডের রাতে ৭-০ গোলে জিতে নকআউট পর্বে পিএসজি
দিনের প্রথম ম্যাচে স্পোর্তিংয়ের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। তবে প্রথম লেগে স্পোর্তিংয়ের মাঠে ৩-০ গোলে জয় পাওয়ায় সহজেই শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে নিকো কোভাকের দল।
অপর ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটিকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। প্রথম লেগে সিটির মাঠে ৩-২ গোলে জেতায় ৬-৩ গোলের অগ্রগামিতায় নকআউট পর্বে উঠেছে টুর্নামেন্টের ইতিহাসসেরা দলটি।
এছাড়া, লিগ প্রতিদ্বন্দ্বী ব্রেস্তকে তুলোধুনা করে নকআউটে উঠেছে লুইস এনরিকের পিএসজি। দ্বিতীয় লেগে দলটিকে ৭-০ গোলে হারিয়েছেন দেম্বেলে-বারকোলারা। প্রথম লেগে ৩-০ গোলের জয়ের ফলে ১০-০ গোলের অগ্রগামিতায় শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে প্যারিসের ক্লাবটি।
এর মাধ্যমে নতুন ফরমেটের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বের ১৬টি দল চূড়ান্ত হয়েছে।
৫৩০ দিন আগে
বিরল রেকর্ডের রাতে ৭-০ গোলে জিতে নকআউট পর্বে পিএসজি
৩-০ গোলে এগিয়ে থাকায় পিএসজির জন্য শেষ ষোলো একপ্রকার নিশ্চিত হয়েই গিয়েছিল, তবে দ্বিতীয় লেগে ব্রেস্তকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেছে তারা।
প্যারিসের পার্ক দে প্রান্সে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্লে-অফের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে বুধবার রাতে আরেক ফরাসি ক্লাব ব্রেস্তকে ৭-০ গোলে হারিয়েছে প্যারিসের ক্লাবটি। এতে করে দুই লেগ মিলিয়ে ১০-০ গোলের অগ্রগামিতায় নকআউট নিশ্চিত করেছে লুইস এনরিকের দল।
এদিন ম্যাচের ২০তম মিনিটে ফাবিয়ান রুইসের অ্যাসিস্টে পিএসজিকে প্রথম এগিয়ে নেন ব্রাদলে বারকোলা। এরপর ৩৯ মিনিটে পিএসজির জার্সিতে প্রথম গোল করেন খিচা কেভারাত্সখেলিয়া (কেভারা)।
দুই গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করলেও বিরতি থেকে ফিরে ব্রেস্তকে আরও পাঁচটি গোল দেয় পিএসজি। ম্যাচের ৫৯, ৬৪, ৬৯, ৭৬ ও ৮৬তম মিনিটে গোলগুলো করেন যথাক্রমে ভিতিনিয়া, দেজিরে দুয়ে, নুনো মেন্দেস, গন্সালো রামোস ও সেনি মাইয়ুলু।
আরও পড়ুন: এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে বিধ্বস্ত সিটি, শেষ ষোলোয় রিয়াল
অবাক করার মতো ব্যাপার হচ্ছে, নতুন বছর পড়তেই উসমান দেম্বেলে জ্বলে উঠলেও গোল উৎসবের এই ম্যাচে তিনি কোনো গোল করতে পারেননি, এমনকি কোনো অ্যাসিস্টও আসেনি তার পা থেকে।
তবে ৭-০ গোলের এই জয়ের ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বিরল এক রেকর্ড গড়েছে পিএসজি। সাতটি গোলই দলটির পৃথক সাত খেলোয়াড়ের পা থেকে এসেছে। এর আগে ইউরোপিয়ান কাপ ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মিলিয়ে কখনোই কোনো ম্যাচে ৭ জন আলাদা খেলোয়াড় গোল করতে পারেননি।
এর আগে, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের যেকোনো পর্বে এক ম্যাচে সর্বাধিক ৬ খেলোয়াড় গোল করার সবশেষ ঘটনাটি ঘটে ২০২০ সালের ১৪ আগস্ট। ২০১৯-২০ মৌসুমের কোয়ার্টার ফাইনালের সেই ম্যাচে আলিয়ান্স আরেনায় বার্সেলোনাকে ৮-২ গোলে বিধ্বস্ত করে বায়ার্ন। ম্যাচটিতে রবের্ট লেভানডোভস্কি, ইভান পেরিসিচ, সের্গে গেনাব্রি, ইয়োশুয়া কিমিখের একটি করে গোলের পাশাপাশি দুটি করে গোল করেন থমাস মুলার ও বার্সা থেকে সে সময় বায়ার্নে ধারে খেলা ফিলিপে কুতিনিয়ো।
আরও পড়ুন: প্লে-অফে ফের অঘটন, এবার ইউভেন্তুসের বিদায়
দিনের প্রথম ম্যাচে স্পোর্তিংয়ের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। তবে প্রথম লেগে স্পোর্তিংয়ের মাঠে ৩-০ গোলে জয় পাওয়ায় সহজেই শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে নিকো কোভাকের দল।
অপর ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটিকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। প্রথম লেগে সিটির মাঠে ৩-২ গোলে জেতায় ৬-৩ গোলের অগ্রগামিতায় নকআউট পর্বে উঠেছে টুর্নামেন্টের ইতিহাসসেরা দলটি।
এছাড়া প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও ঘটেছে একটি অঘটন। প্রথম লেগে ২-১ গোলে জিতেও পিএসভি আইন্ডহোভেনের কাছে ৩-১ গোলে হেরে প্রথম পর্ব থেকে ছিটকে গেছে ইউভেন্তুস। আর ৪-৩ গোলের অগ্রগামিতায় শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ডাচ ক্লাবটি।
এর মাধ্যমে নতুন ফরমেটের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বের ১৬টি দল চূড়ান্ত হয়েছে।
৫৩০ দিন আগে