খেলাধুলা
দুধ-সেভেন আপ দিয়ে গোসল করে ব্রাজিল থেকে আর্জেন্টিনায় যোগদান
দেশজুড়ে ব্রাজিলের জার্সি পরিহিত অবস্থায় চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের খবর দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে ব্রাজিলের সমর্থন ছেড়ে আর্জেন্টিনার সমর্থক হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বরিশালের এক শিক্ষার্থী।
রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের জিরো পয়েন্ট এলাকায় দুধ ও সেভেন আপ দিয়ে গোসল করে প্রতীকীভাবে ব্রাজিলের সমর্থন ত্যাগ করেন তাওহীদ ইসলাম। পরে উপস্থিত আর্জেন্টিনা সমর্থকরা তাকে নিজেদের সমর্থক হিসেবে বরণ করে নেন।
তাওহীদ ইসলাম বিএম কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।
তিনি বলেন, ‘খেলায় হার-জিত থাকবেই, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু দেশব্যাপী ব্রাজিলের জার্সি পরা চোর ধরা পড়ার ঘটনায় আমি মর্মাহত। শুধু চুরি নয়, ব্রাজিলের সমর্থক পরিচয়ে ইভটিজিংয়ের ঘটনাও ঘটছে। এসব কারণে আমার বান্ধবীরাও আমাকে নানা কথা বলে। তাদের কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে আমি দুধ দিয়ে গোসল করে ব্রাজিলের সমর্থন ত্যাগ করেছি এবং আর্জেন্টিনার সমর্থক হিসেবে যোগ দিয়েছি।’
ঘটনাস্থলে উপস্থিত আকিবুল ইসলাম জানান, দুধ ও সেভেন আপ দিয়ে গোসল করার পাশাপাশি শপথবাক্য পাঠের মাধ্যমে তাওহীদ ইসলাম ব্রাজিলের সমর্থন ছেড়ে আর্জেন্টিনার সমর্থক হিসেবে যোগ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা তাকে আর্জেন্টিনা সমর্থক হিসেবে স্বাগত জানিয়েছি।’
ঘটনাটি ঘিরে এলাকাজুড়ে কৌতূহলের সৃষ্টি হয় এবং উপস্থিত অনেকেই বিষয়টিকে ফুটবল সমর্থকদের মধ্যে মজার এক ব্যতিক্রমী ঘটনা হিসেবে দেখেন।
৫০ দিন আগে
ঋণের টাকায় আর্জেন্টিনার রঙে গ্রাম রাঙালেন ঈশ্বরগঞ্জের ‘সুমন মেসি’
ফুটবলপ্রেমীরা প্রিয় দলকে সমর্থন জানাতে নানাভাবে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তবে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের ভ্যানচালক সুমন গৌড় ওরফে ‘সুমন মেসি’ সেই ভালোবাসাকে নিয়ে গেছেন ভিন্ন মাত্রায়। স্ত্রীর নামে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে তিনি আর্জেন্টিনার পতাকার আদলে রাঙিয়েছেন নিজের গ্রাম, ঘরবাড়ি ও ভ্যানগাড়ি।
ঈশ্বরগঞ্জ পৌর শহরের দত্তপাড়া গ্রামের সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘরে বসবাস করেন সুমন গৌড়। ভ্যান চালিয়ে সংসার চালানো এই আর্জেন্টিনা সমর্থক আসন্ন বিশ্বকাপকে সামনে রেখে সম্প্রতি গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নেন। সেই অর্থে তিনি প্রিয় দল আর্জেন্টিনার প্রচারে নেমেছেন।
নিজের ঘর ও একমাত্র উপার্জনের মাধ্যম ভ্যানগাড়িকে আর্জেন্টিনার পতাকার রঙে সাজানোর পাশাপাশি এলাকায় টানিয়েছেন বড় আকারের ১৬টি আর্জেন্টিনার পতাকা। কিনেছেন আর্জেন্টিনার রঙের জার্সি, এমনকি লুঙ্গিও।
৫১ দিন আগে
বিটিভিতে বিশ্বকাপ সম্প্রচারে ৭২.৭১ কোটি টাকায় মিডিয়া স্বত্ব কিনছে সরকার
বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচারের জন্য বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা ফিফার কাছ থেকে ‘অল মিডিয়া রাইটস’ কিনছে সরকার। এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব অনুমোদনের সুপারিশও করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
রবিবার (৭ জুন) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ২৫তম বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উত্থাপিত এ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শেষে সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) ফিফার কাছ থেকে ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬-এর অল মিডিয়া রাইটস সংগ্রহের জন্য বিটিভির প্রস্তাব অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে। এ জন্য মোট চুক্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৭২ কোটি ৭০ লাখ ৫৭ হাজার ৬৯২ টাকা।
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং টুর্নামেন্টটির বাণিজ্যিক ও সম্প্রচারস্বত্বের মালিক ফিফাকে সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় সরবরাহকারী হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে।
এর আগে, প্রস্তাবটি নিয়ম অনুযায়ী অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির নীতিগত অনুমোদন পেয়েছিল। কমিটির মতে, বিশ্বকাপের সম্প্রচার ও মিডিয়া স্বত্বের একচ্ছত্র মালিক হওয়ায় ফিফার কাছ থেকেই সরাসরি এই স্বত্ব সংগ্রহ করা সম্ভব।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অল মিডিয়া সম্প্রচারস্বত্ব অর্জনের ফলে রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারমাধ্যম বিটিভি তাদের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬-এর ম্যাচ ও সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠান সম্প্রচার করতে পারবে। এর মাধ্যমে দেশের ফুটবলপ্রেমীরা আরও সহজে বিশ্বকাপ উপভোগের সুযোগ পাবেন।
এ বছরের ফিফা বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। এবারই প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল বিশ্বকাপে অংশ নেবে।
৫৭ দিন আগে
মিরপুর টেস্ট: শান্ত-মুমিনুলের ব্যাটে প্রথম দিন বাংলাদেশের
নাজমুল হোসেন শান্তর শৈল্পিক নবম টেস্ট সেঞ্চুরিতে মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনটি নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার দিন শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকদের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৩০১ রান। মূলত শান্তর অনবদ্য শতক আর মুমিনুল হকের লড়াকু ব্যাটিংয়েই পাকিস্তানের বিপক্ষে বড় সংগ্রহের মজবুত ভিত পেয়েছে টাইগাররা।
মিরপুরের গুমোট আবহাওয়ায় টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খেলেও দ্বিতীয় উইকেটে হাল ধরেন শান্ত ও মুমিনুল। এই জুটির ব্যাট থেকে আসে ১৭০ রানের এক বিশাল সংগ্রহ, যা পাকিস্তানের শক্তিশালী পেস আক্রমণকে রীতিমতো দিশেহারা করে দেয়। মোহাম্মদ আব্বাসের একটি হাফ-ভলিকে কভার দিয়ে সীমানা ছাড়া করে ক্যারিয়ারের নবম ও পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেন অধিনায়ক শান্ত।
১৩০ বলের ইনিংসে ১২টি চার ও ২টি দৃষ্টিনন্দন ছক্কায় ১০১ রান করে যখন শান্ত সাজঘরে ফেরেন, চা-বিরতির ঠিক আগের সেই মুহূর্তটি ছিল পাকিস্তানের জন্য একমাত্র স্বস্তির। আম্পায়ারের অন-ফিল্ড সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিউর আবেদন করে শান্তর মূল্যবান উইকেটটি তুলে নেয় সফরকারীরা।
শান্তর বিদায়ের পর অভিজ্ঞ মুমিনুল ইনিংসের হাল ধরে রেখেছিলেন। তবে আক্ষেপ থেকে গেছে তার সেঞ্চুরি না পাওয়ার। ব্যক্তিগত ৯১ রানে স্পিনার নোমান আলির দ্রুতগতির এক ডেলিভারিতে এলবিডব্লিউর শিকার হয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসা ঝকঝকে ইনিংসটি বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহের পথে অনেক দূর এগিয়ে দেয়।
দিনের শেষভাগে দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়লেও অভিজ্ঞতার ঝুলি মেলে ধরেন মুশফিকুর রহিম। বরাবরের মতো ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে ৪৮ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেন তিনি। তার ব্যাটে ভর করেই ৩০০ রানের গণ্ডি অতিক্রম করে স্বাগতিকরা। আগামীকাল শনিবার সকালে ৮ রানে অপরাজিত থাকা লিটন দাসকে সঙ্গী করে দ্বিতীয় দিনের লড়াই শুরু করবেন মুশফিক।
মিরপুরের উইকেটে আজ বোলারদের জন্য তেমন কোনো বাড়তি সুবিধা ছিল না। শাহীন শাহ আফ্রিদি, হাসান আলি ও নোমান আলিরা একটি করে উইকেট পেলেও বাংলাদেশের টপ-অর্ডার ব্যাটারদের দৃঢ়তার সামনে তাদের যথেষ্ট ঘাম ঝরাতে হয়েছে। হাতে এখনও ৬ উইকেট থাকায় এবং থিতু হওয়া মুশফিক ক্রিজে থাকায় দ্বিতীয় দিনে পাকিস্তানকে বড় রানের পাহাড়ে চাপা দেওয়ার স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ।
৮৭ দিন আগে
নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার আমিনুলের
ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তীব্র চাপের মুখে পড়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। বিসিবির সর্বশেষ নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। তবে নির্বাচনে কোনো ধরনের অনিয়মে জড়িত থাকার কথা নাকচ করে দিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল যমুনা টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তার বিরুদ্ধে ওঠা এ অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।
এদিকে, নির্বাচনে অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। রবিবার (৫ এপ্রিল) এ তদন্ত প্রতিবেদন এনএসসিতে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হননি আমিনুল।
এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, সময়ের অভাবে সশরীরে উপস্থিত হতে না পারলেও তিনি লিখিত জবাব পাঠিয়েছেন। কাউন্সিলর মনোনয়নে হস্তক্ষেপের অভিযোগ অস্বীকার করে তার দাবি, নির্বাচনের সঙ্গে তার সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। গঠনতন্ত্র মেনে অ্যাড-হক কমিটির মাধ্যমেই নাম আসার কথা ছিল। নির্দিষ্ট কিছু জেলা ও বিভাগ থেকে পর্যাপ্ত নাম না আসায় পুনরায় চিঠি দেওয়ার প্রক্রিয়াটিতেই কেবল তার সম্পৃক্ততা ছিল।
একের পর এক বোর্ড পরিচালক পদত্যাগ করছেন; উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বর্তমান পর্ষদের সব পরিচালক পদত্যাগ করলে কী করবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে আমিনুল ইসলাম দৃঢ়তার সঙ্গে জানান, তিনি হবেন পদত্যাগকারী শেষ ব্যক্তি।
তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন আমাদের হাতে এসেছে। আমরা এখন আইসিসির সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেব।
এদিকে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেছেন, বর্তমান বোর্ডের কিছু সদস্য ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর প্রলোভনে পড়ে পদত্যাগ করেছেন। তবে মন্ত্রী এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
বোর্ড সভাপতির মতো আসিফ মাহমুদও তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হননি। তিনি অভিযোগ করেছেন, অবৈধভাবে বোর্ড ভাঙার প্রক্রিয়ায় আইসিসি যেন কোনো ব্যবস্থা না নেয় তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একজন স্বনামধন্য ক্রিকেটার লবিংয়ে ব্যস্ত।
আসিফ মাহমুদের এই ইঙ্গিত সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের দিকে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তামিম ইকবাল নির্বাচনের অনিয়ম নিয়ে সোচ্চার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। নির্বাচনের আগে তিনি আমিনুলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার চেষ্টা করলেও শেষ মুহূর্তে নাম প্রত্যাহার করে নেন।
সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ অপসারিত হওয়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ কর্তৃক স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিযুক্ত হয়ে প্রথমবারের মতো বিসিবি সভাপতির দায়িত্ব পান আমিনুল। পরবর্তীতে অন্যান্য পরিচালকদের ভোটে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন।
দায়িত্ব নেওয়ার পর আমিনুল শুরুতে জানিয়েছিলেন তিনি ‘টি-টোয়েন্টি ইনিংস’ খেলতে এসেছেন, যা দিয়ে তিনি স্বল্প মেয়াদে থাকার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের আগে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেন।
১১৯ দিন আগে
চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
সংসদে রবিবার চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই উদ্যোগটি ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচনি ইশতেহারের অংশ। প্রাথমিকভাবে সাতটি খেলাধুলা দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে আরও বিভিন্ন খেলা এতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করতে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চায় সরকার। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের ডিজিটাল ডিভাইসের ওপর নির্ভরশীলতা কমানো এবং মাঠে শারীরিক কর্মকাণ্ডে আরও বেশি সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।’
এই পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী
তিনি আরও জানান, তরুণদের খেলাধুলায় ব্যস্ত রাখার মাধ্যমে একটি মাদকমুক্ত সমাজ গড়া সম্ভব হবে।
পরিকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ৪৯৫টি উপজেলায় খেলার মাঠ উন্নয়ন করবে সরকার। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।
১২৭ দিন আগে
পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে ক্রিকেট দলকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন
পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে ১১ রানের জয়ে ইতিহাস গড়ে সিরিজ নিশ্চিত করায় বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
সোমবার (১৬ মার্চ) তথ্য মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এক অভিনন্দন বার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের ক্রিকেটারদের এই অদম্য স্পৃহা এবং লড়াকু মানসিকতায় আমি অত্যন্ত গর্বিত। পাকিস্তানের বিপক্ষে এই সিরিজ জয় আমাদের ক্রিকেটের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক। মাঠের লড়াইয়ে খেলোয়াড়রা যে ধৈর্য ও সাহসিকতা দেখিয়েছেন, তা পুরো জাতিকে আনন্দিত করেছে। খেলোয়াড়দের পাশাপাশি কোচ ও বোর্ড-সংশ্লিষ্ট সকলকেও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি।
বাংলাদেশ দলের এই জয়ের ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী দল হিসেবে নিজের অবস্থান আরও সুসংহত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
১৪১ দিন আগে
ভারত ম্যাচ বয়কট পাকিস্তানের ‘চিন্তাপ্রসূত’ সিদ্ধান্ত: শাহবাজ শরিফ
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে না নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার ঘটনার প্রতিবাদ হিসেবেই বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তান।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ইসলামাবাদে ফেডারেল মন্ত্রিসভার বৈঠকে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
শাহবাজ শরিফ বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে আমরা খুব স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছি। খেলার মাঠে রাজনীতি হওয়া উচিত নয়, সে কারণেই আমরা ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলব না। এটি আমাদের ভেবেচিন্তে নেওয়া সিদ্ধান্ত। আমি মনে করি, আমাদের বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো উচিত।’
বাংলাদেশের নিরাপত্তাশঙ্কা আমলে না নিয়ে তাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেয় আইসিসি। এরপরই পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দেয়। তবে সিদ্ধান্তটি গত সপ্তাহে ঘোষণা করা হলেও এর কারণ এই প্রথম প্রকাশ করল দেশটির সরকার।
আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে পর্দা উঠছে ২০২৬ আইসিসি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তবে গত রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তান সরকারের এক্স হ্যান্ডেল থেকে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়, ভারত ম্যাচ খেলবে না পাকিস্তান দল।
গত ৩ জানুয়ারি ভারতের উগ্রবাদীদের হুমকির মুখে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর থেকেই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে আসে। মূলত এ কারণেই ভারতে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি। পরদিনই আইসিসিকে অনুরোধ করা হয় ভেন্যু বদল করে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ রাখার জন্য। তবে মোস্তাফিজের ঘটনাকে ‘বিচ্ছিন্ন ও অপ্রাসঙ্গিক’ উল্লেখ করে আইসিসি বাংলাদেশের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, ‘আইসিসি ভারতে বাংলাদেশিদের নিরাপত্তার বিষয়টি আমলে নেয়নি, ভারত সরকারও নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বস্ত করেনি। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ভারতে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্তে অটল থাকার পর আইসিসি বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে নিয়েছে।’
এ ঘটনায় পিসিবি প্রধান মহসিন নাকভি আইসিসির সমালোচনা করে বলেন, বাংলাদেশের প্রতি অন্যায় করা হচ্ছে। এর আগে, আইসিসি বোর্ড সভায় ভেন্যু বদলের ভোটাভুটিতেও বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন নাকভি।
১৭৯ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ বর্জন আন্দোলনে এবার সাবেক ফিফা সভাপতি
গ্রিনল্যান্ড দখলের পায়তারা, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং অভিবাসন নীতির ব্যাপারে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অবস্থানের মতো কিছু কারণে সম্প্রতি সমালোচিত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর ধারাবাহিকতায় দেশটিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ বর্জনে আন্দোলন শুরু হয়েছে। সেই আন্দোলনে এবার যোগ দিয়েছেন সাবেক ফিফা সভাপতি সেপ ব্লাটার।
স্থানীয় সময় সোমবার (২৬ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ ম্যাচ বর্জনের প্রস্তাবে সমর্থন দেন ব্লাটার। ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আচরণের প্রতিবাদেই এই বর্জনের ডাক দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে ব্লাটার যুক্তরাষ্ট্রের স্বাগতিক দেশ হওয়ার উপযুক্ততা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে সুইস পত্রিকা ডেয়ার বুন্ড-এ দেওয়া মার্ক পিয়েথের মন্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত বিশ্বকাপ বর্জনের আহ্বান জানান তিনি।
হোয়াইট-কলার অপরাধ (ক্ষমতাসীনদের পেশাগত অবস্থান ব্যবহার করে করা অপরাধ) বিশেষজ্ঞ ও দুর্নীতিবিরোধী সুইস আইনজীবী মার্ক পিয়েথ এক দশক আগে ফিফা সংস্কারের স্বাধীন গভর্ন্যান্স কমিটির তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন। অন্যদিকে, ১৯৯৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ফিফার সভাপতি ছিলেন ব্লাটার। তবে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্তের মুখে পদত্যাগ করেছিলেন তিনি।
ডেয়ার বুন্ড-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে পিয়েথ বলেন, ‘আমরা যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি, সবকিছু বিবেচনায় নিলে ভক্তদের জন্য একটাই পরামর্শ—যুক্তরাষ্ট্র থেকে দূরে থাকুন! টেলিভিশনে দেখলেই ভালো। আর সেখানে পৌঁছালে ভক্তদের ধরে নিতে হবে, কর্মকর্তাদের মনঃপূত না হলে সরাসরি পরের ফ্লাইটেই দেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে—যদি তারা ভাগ্যবান হন।’
এক্স পোস্টে ব্লাটার পিয়েথের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, ‘এই বিশ্বকাপ নিয়ে প্রশ্ন তোলায় মার্ক পিয়েথ সঠিক বলেই আমি মনে করি।’
আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত কানাডা ও মেক্সিকোর সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করবে যুক্তরাষ্ট্র।
আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে উদ্বেগের কারণ হিসেবে ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড ঘিরে দখরদারি অবস্থান, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং অভিবাসন নীতির প্রয়োগবিরোধী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে আগ্রাসী কৌশলের কথা উল্লেখ করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরেও এসব নিয়ে বিক্ষোভ হচ্ছে।
জার্মান ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতিদ ওকে গ্যোটলিখ শুক্রবার হামবুর্গার মর্গেনপোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, বিশ্বকাপ বর্জনের বিষয়টি এখন গুরুত্বের সঙ্গে ভাবার সময় এসেছে।
সপ্তাহ দুয়েক আগে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৭৫টি দেশের ওপর ভিসা নেওয়ার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে আফ্রিকা মহাদেশের অধিকাংশ দেশের ওপর নেমে আসে এই ‘ভিসা বন্ড’ নীতির খড়গ। এতে করে সেনেগাল ও আইভরি কোস্টের মতো ফুটবল অঙ্গনের প্রভাবশালী দুই দেশের ভক্তদের বিশ্বকাপ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ পরিকল্পনা এলোমেলো হয়ে যায়। ওই দুই দেশের নাগরিকদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। বিশ্বকাপ উপলক্ষে ভ্রমণের বিষয়ে দেশদুটির নাগরিকদের বলা হয়েছে, আগে থেকে ভিসা না থাকলে নতুন করে কেউ ভিসা পাবে না।
বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করলেও একই ধরনের শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে ইরান ও হাইতির নাগরিকদেরও। ট্রাম্প প্রশাসনের ঘোষিত প্রথম দফার ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় এই দুই দেশও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
১৮৮ দিন আগে
শর্তসাপেক্ষে সাকিবের জন্য খুলল জাতীয় দলের দরজা
দেশের ক্রিকেটের টালমাটাল সময়ে চমকপ্রদ সিদ্ধান্তের কথা জানাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবি। একদিকে বাংলাদেশ ভারতে অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে, অন্যদিকে কিছু শর্ত পূরণ করা সাপেক্ষে জাতীয় দলে ফেরার দরজা খুলছে দেশসেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিসিবিতে পরিচালনা পর্ষদের দীর্ঘ সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বিসিবি পরিচালক আমজাদ হোসেন।
আমজাদ হোসেন বলেন, ‘আপনারা সাকিবের ফেরা নিয়ে অনেক প্রশ্ন করেছিলেন। আপনাদের অবগত করতে চাই, আমাদের বোর্ডে এ ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছে।’
বিসিবি পরিচালক অবশ্য সাকিবের ফেরার ক্ষেত্রে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট শর্তের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, সাকিবের শারীরিক ফিটনেস এবং খেলার জন্য তার সহজলভ্যতা (অ্যাভেইলেবিলিটি) থাকতে হবে। অ্যাক্সেসিবিলিটির ওপর ভিত্তিতে যেখানে খেলা হবে, সেই ভেন্যুতে তার উপস্থিত থাকার সক্ষমতা (ক্যাপাসিটি) থাকতে হবে। শর্তগুলো পূরণ হলে নির্বাচক কমিটি যেকোনো সিরিজের জন্য তাকে বিবেচনা করতে পারবে।’
সাকিবকে বোর্ড সবুজ সংকেত দিলেও জাতীয় দলে তার নিয়মিত খেলা নিয়ে সরকার থেকে এখনও চূড়ান্ত কোনও নির্দেশনা আসেনি। সাকিবের বিরুদ্ধে থাকা ব্যক্তিগত ও আইনি সমস্যাগুলো সরকার কীভাবে দেখবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর জানান, সাকিবের খেলার পথে বাধাগুলো নিয়ে সরকারের সঙ্গে কথা বলবেন বিসিবি সভাপতি।
আমজাদ হোসেন জানান, ‘আমাদের সভাপতিকে বলা হয়েছে এই বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ করতে। সাকিবের ব্যক্তিগত সমস্যাগুলো তার নিজস্ব। সেগুলো সরকার কীভাবে ফেস (মোকাবিলা) করবে, তা সরকারের সিদ্ধান্ত। তবে আমরা বোর্ডের পক্ষ থেকে সাকিবকে চেয়েছি—এটাই হলো মূল কথা।’
তবে, দেশের ভেতরে তার প্রত্যাবর্তনের ক্ষেত্রে এখনও বড় বাধা রয়েছে। সাকিব, নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক সংসদ সদস্য ছিলেন। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে মাগুরা–১ আসন থেকে নির্বাচিত হন সাকিব। ওই বছরের জুলাই–আগস্টে ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি আর দেশে ফিরতে পারেননি। ওই বছরের অক্টোবরে দেশের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর কথা ছিল তার। সেই ম্যাচ খেলতে দেশের পথে থাকলেও পরে নিরাপত্তা শঙ্কায় তাকে থমকে যেতে হয় মাঝপথেই।
সাকিবের রাজনৈতিক পরিচয় এবারও বাধা হবে কি না জানতে চাইলে আমজাদ হোসেন বলেন, ‘তার রাজনৈতিক পরিচয় সরকার দেখবে। সরকার যদি চায়, তিনি অপরাধী হন বা তাকে যদি বিচার করতে হয়, সেটা বিসিবির ইস্যু নয়।’
তবে দেশের বাইরের টুর্নামেন্টগুলোতেও সাকিবের খেলার কোনো বাধা থাকবে না বলে জানিয়েছেন এ বোর্ড পরিচালক। তার ভাষ্যে, ‘সাকিব আল হাসান অন্যান্য গ্লোবাল টুর্নামেন্টগুলোতেও অংশ নিতে পারবে, কারণ ওখানে বোর্ড এনওসি (অনাপত্তিপত্র) দেবে প্রয়োজনমতো।’
১৯০ দিন আগে