ফুটবল
ওসাসুনায় ড্র, শীর্ষস্থান থেকে তিনে নেমে যাওয়ার শঙ্কায় রিয়াল মাদ্রিদ
নতুন বছরে বার্সেলোনার বিপক্ষে বড় হারে স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপা হাতছাড়া হলেও লা লিগা, কোপা দেল রে ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জানুয়ারি মাসজুড়ে অপরাজিত ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। ওই একটি ছাড়া বাকি সবগুলো ম্যাচ জিতলেও ফেব্রুয়ারি পড়তেই লা লিগায় ভুগছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। এই মাসে আগের দুই ম্যাচের একটিতে হার ও অন্যটি ড্র করার পর আজ তৃতীয় ম্যাচেও পয়েন্ট হারিয়েছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা।
লা লিগার ২৪ রাউন্ডের ম্যাচে শনিবার ওসাসুনার এল সাদার স্টেডিয়ামে দলটির বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে আরও দুই পয়েন্ট হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। এতে করে লিগে সবশেষ তিন ম্যাচ মাত্র দুই পয়েন্ট সংগ্রহ করল দলটি।
এর ফলে শীর্ষস্থান নড়বড়ে হয়ে গেছে লস ব্লাঙ্কোসদের। শুধু তা-ই নয়, এই রাউন্ডে স্ব স্ব ম্যাচে আতলেতিকো মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা জিতলে শীর্ষস্থান থেকে একেবারে তিন নম্বরে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে তাদের।
আরও পড়ুন: আবারও সমতায় শেষ মাদ্রিদ ডার্বি, বার্সেলোনার হাসি
এদিন ফেদেরিকো ভালভের্দের অ্যাসিস্টে ম্যাচের পঞ্চদশ মিনিটেই ঠিকানা খুঁজে নিয়ে রিয়ালকে ভালো শুরু এনে দেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে ৩৯তম মিনিটে বড় ধাক্কা খায় চ্যাম্পিয়নরা, লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় দলটির অতি গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় জুড বেলিংহ্যামকে।
এ সময় রিপ্লেতে কোনো ফাউল করতে দেখা যায়নি তাকে। তবে রেফারির সঙ্গে কিছু একটা বলতে বলতে এগিয়ে আসছিলেন বেলিংহ্যাম। সম্ভবত আপত্তিকর কোনো মন্তব্যের জন্য লাল কার্ড দেখেন এই ইংলিশ অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার।
প্রথমার্ধে ১-০ গোলের লিড ধরে রাখলেও দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ জমে উঠলে ১৩ মিনিটের মাথায় সমতায় ফেরে ওসাসুনা।
এ সময় বক্সের মধ্যে খুব কাছ থেকে জন মনকায়োলার নেওয়া শট কোর্তোয়া ফিরিয়ে দিলে দ্বিতীয় চেষ্টায় আন্তে বুদেমিরের শট পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। শট নেওয়ার পরপরই তাকে ফাউল করে বসেন এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা, আর ভিএআর মনিটরে রিপ্লে দেখে পেনাল্টি দেন রেফারি হোসে মুনুয়েরা মন্তেরো। এরপর সফল স্পট কিকে দলকে সমতায় ফেরান বুদিমির।
আরও পড়ুন: এস্পানিওলে ধরাশায়ী রিয়াল মাদ্রিদ
বাকি সময়ে বেশ কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করে রিয়াল মাদ্রিদ, তবে ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতায় এগিয়ে যাওয়া হয়ে ওঠেনি ভিনি-এমবাপ্পেদের। এরপর যোগ করা সময়ে এগিয়ে যেতে পারত দুই দলই, তবে সেই প্রচেষ্টাগুলোও ব্যর্থ হলে ১-১ সমতায়ই শেষ হয় ম্যাচ।
এই ড্রয়ের ফলে ২৪ ম্যাচে ১৫ জয় ও ৬ ড্রয়ে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।
দিনের অপর ম্যাচে ঘরের মাঠে সেল্তা ভিগোকে আতিথ্য দেবে ৪৯ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে থাকা আতলেতিকো মাদ্রিদ। ম্যাচটি জিতে ২৪ ম্যাচে (১৫ জয় ও ৭ ড্র) ৫২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে ওঠার সুযোগ থাকবে তাদের সামনে।
এছাড়া রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে সোমরবার রাতে ২৪তম রাউন্ডের ম্যাচটি জিতলে রিয়ালের সমান ৫১ পয়েন্ট হবে বার্সেলোনার। তবে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে রিয়ালকে পেছনে ফেলার সুযোগ থাকবে তাদের সামনেও।
৪৮৯ দিন আগে
মেরিনোর জোড়া গোলে ব্যবধান কমাল আর্সেনাল
আক্রমণভাগের বেশিরভাগ খেলোয়াড় চোটে পড়ায় জোড়াতালি দিয়ে দল সাজিয়ে লেস্টারের মাঠে খেলতে নামে আর্সেনাল। আর তার ফায়দা তুলে নিতে দারুণ লড়াইও চালায় রুড ফন নিস্টেলরয়ের শিষ্যরা। তবে শেষের দিকে রক্ষণ এলোমেলো হয়ে গেল তাদের, আর জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ল আর্সেনাল।
কিং পাওয়ার স্টেডিয়ামে মিকেল আর্তেতার দলের কাছে ২-০ গোলে হেরেছে লেস্টার সিটি।
আর্সেনালের পক্ষে দুটি গোলই করেন দলটির স্প্যানিশ মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো।
এদিন ম্যাচের প্রথমার্ধে কয়েকবার চেষ্টা করেও সফল হতে পারেনি দুই দল। প্রত্যেকেই মাত্র একটি করে শট লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। ফলে স্কোরলাইনে কোনো পরিবর্তন না এনেই বিরতিতে যায় দুদল।
আরও পড়ুন: কোপা দেল রে: আরও একটি এল ক্লাসিকো ফাইনালের সম্ভাবনা
বিরতি থেকে ফিরে গোল পাওয়ার চেষ্টা কিছুটা বাড়িয়ে দেয় লেস্টার। এর সঙ্গে আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে আর্সেনালও। এরই ধারাবাহিকতায় ম্যাচের ৭৪তম মিনিটে আর্সেনালের ১৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার ইথান নোয়ানেরির শট পোস্টে লাগে।
তবে এ ঘটনার পর বেশিক্ষণ জাল অক্ষত রাখতে পারেনি লেস্টার।
ম্যাচের ৮১তম মিনিটে লেস্টারের ডি-বক্সের বাইরে পাওয়া ফ্রি কিক থেকে গোলমুখে ক্রস উড়িয়ে দিলে তা ফিরিয়ে দেন দলটির ডিফেন্ডাররা। এরপর ফিরতি বল ধরে ডানপাশে মেরিনোকে পাস দেন নোয়ানেরি। বল ধরে বক্সে ঢোকার মুখেই জায়গা করে নিয়ে দূরের পোস্ট বরাবর বাঁকানো শট নেন এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার, আর গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বল জড়িয়ে যায় জালে।
নির্ধারিত সময়ের তিন মিনিট আগে দ্বিতীয় গোলে আর্সেনালের জয় নিশ্চিত করেন মেরিনো।
নিজেদের বক্সের ভেতর থেকে নিউক্যাসলের আক্রমণ প্রতিহত করার পর বল ধরে দুর্দান্ত এক পাল্টা আক্রমণে ওঠে আর্সেনাল। বল নিয়ে এগিয়ে গিয়ে মাঝমাঠ থেকে এগোতে থাকা লেয়ান্দ্রো ত্রোসাকে পাস বাড়ান রিকার্দো কালাফিওরি। এরপর ত্রোসা বাঁ দিকে মেরিনোর উদ্দেশে বাড়ালে তা ধরে বক্সে ঢুকে কাছের পোস্ট ঘেঁষে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি।
ফলে ড্রয়ের আশাটুকুও শেষ হয়ে যায় লেস্টারের। আর পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্তেতার শিষ্যরা।
এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের চূড়ায় থাকা লিভারপুলের সঙ্গে ব্যবধান কমিয়ে চারে নামিয়েছে আর্সেনাল। ২৫ ম্যাচে ১৫ জয় ও ৮ ড্রয়ে ৫৩ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়েই রয়েছে আর্সেনাল। লিভারপুলের পয়েন্ট ৫৭, অবশ্য এক ম্যাচ কম খেলেছে তারা।
আরও পড়ুন: আবারও সমতায় শেষ মাদ্রিদ ডার্বি, বার্সেলোনার হাসি
অন্যদিকে, চলতি মৌসুমের শুরু থেকেই ভুগতে থাকা লেস্টার এ নিয়ে লিগে ১৬টি হারের স্বাদ পেল। ২৫ ম্যাচে মাত্র চার জয় ও পাঁচ ড্রয়ে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে তারা আছে টেবিলের ১৮ নম্বরে।
৪৮৯ দিন আগে
কোপা দেল রে: আরও একটি এল ক্লাসিকো ফাইনালের সম্ভাবনা
সেমিফাইনালের চার দল নিশ্চিত হওয়ার পর ছিল কে কার প্রতিপক্ষ হচ্ছে—ছিল তার অপেক্ষা। অবেশেষে সেই অপেক্ষারও অবসান হয়েছে। ড্রয়ের মাধ্যমে সেমিফাইনালের প্রত্যেক দলের প্রতিপক্ষ নির্ধারিত হয়েছে।
স্প্যানিশ সময় বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কোপা দেল রের সেমিফাইনালের ড্র অনুষ্ঠিত হয়। এতে আতলেতিকো মাদ্রিদকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে বার্সেলোনা এবং রিয়াল সোসিয়েদাদকে পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।
স্প্যানিশ সুপার কাপের মতো কোপা দেল রেতেও এল ক্লাসিকো ফাইনালের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দুই লেগের সেমিফাইনালে বিপক্ষ দলকে হারিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা যদি ফাইনাল নিশ্চিত করতে পারে, তবেই সেই সম্ভবানা বাস্তবে রূপ নেবে।
টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত সব ম্যাচ নকআউট হলেও সেমিফাইনাল খেলা হবে দুই লেগে। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রথম লেগের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, আর দ্বিতীয় লেগের খেলা হবে এপ্রিলের ২ তারিখে।
এবার প্রথম লেগের ম্যাচটি ঘরের মাঠে খেলবে রিয়াল সোসিয়েদাদ ও বার্সেলোনা এবং দ্বিতীয় লেগ ঘরের মাঠে খেলার সুযোগ পাচ্ছে মাদ্রিদের দুই দল।
আগামী ২৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে চলতি মৌসুমের কোপা দেল রে ফাইনাল।
আরও পড়ুন: বেতিসকেও ৫ গোল দিয়ে কোপা দেল রের কোয়ার্টারে বার্সেলোনা
গত মৌসুমে মায়োর্কাকে হারিয়ে ৪০ বছর পর কোপা দেল রে জেতা আথলেতিক বিলবাও এবার বিদায় নেয় শেষ ষোলো থেকেই। ২৪ বার এই শিরোপা জিতে কোপা দেল রে জয়ের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাস্কে অঞ্চলের এই ক্লাবটি।
তবে ৩১ বার কোপা দেল রে জয় করে তালিকায় সবার উপরে অবস্থান বার্সেলোনার। ২০ বার এই শিরোপা জিতে তৃতীয় স্থানে রিয়াল মাদ্রিদ। এছাড়া ১০ বার কোপা দেল রে জিতে তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে আতলেতিকো মাদ্রিদ। আর তৃতীয় শিরোপা জয়ের অভিযানে এবার সেমিফাইনাল উৎরে যাওয়ার চেষ্টা করবে রিয়াল সোসিয়েদাদ।
৪৯২ দিন আগে
আবারও সমতায় শেষ মাদ্রিদ ডার্বি, বার্সেলোনার হাসি
মাদ্রিদ ডার্বি; জিতলে শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে পয়েন্ট ব্যবধান অনেকটা বাড়িয়ে নেবে রিয়াল মাদ্রিদ, আর তাদের হারিয়ে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা আতলেতিকো মাদ্রিদ ব্যবধান কমিয়ে শিরোপাস্বপ্ন আরও জোরালো করবে। অপরদিকে, এই দুই দল যেন ড্র করে, এই আশায় চাতকপ্রাণ হয়ে ছিল শিরোপার অপর দাবিদার বার্সেলোনা। আশার এই ত্রিকোণ পিরামিড বেয়ে অবশেষে বিজয়ের হাসিটা হেসেছে বার্সেলোনা।
হ্যাঁ, লা লিগায় মৌসুমের প্রথম মাদ্রিদ ডার্বির মতো দ্বিতীয় ডার্বিও শেষ হয়েছে ১-১ সমতায়।
এতে করে এক পয়েন্ট পেয়ে ৫০ পয়েন্টে টেবিলের চূড়ায়ই রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ, আর ৪৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানেই আতলেতিকো। তবে নভেম্বর-ডিসেম্বরে বেশ কয়েক ম্যাচে পয়েন্ট হারিয়ে শিরোপার দৌড়ে যতটা পেছনে পড়ে গিয়েছিল বার্সেলোনা, ২৩তম রাউন্ডে নিজেদের ম্যাচটি জিতে ব্যবধান কমিয়ে রিয়ালের সঙ্গে ২ ও আতলেতিকোর সঙ্গে ১-এ আনার সুযোগ তৈরি হয়েছে তাদের।
এদিন পেনাল্টি থেকে ম্যাচের প্রথমার্ধে আতলেতিকোকে এগিয়ে নেন হুলিয়ান আলভারেস, পরে দ্বিতীয়ার্ধে গোল করে রিয়ালকে সমতায় ফেরান কিলিয়ান এমবাপ্পে।
আরও পড়ুন: বার্সেলোনাকে খুশি করে সমতায় শেষ মাদ্রিদ ডার্বি
ম্যাচের আগে দুদিন আগে ফুটবলকে বিদায় জানানো রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক ব্রাজিলীয় ফুটবলার মার্সেলোকে বিশেষ সম্মাননা জানানো হয়। মাঠে উপস্থিত থেকে বের্নাবেউয়ের সমর্থকদের ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি। এরপর শুরু হয় খেলা।
৪৯৬ দিন আগে
সিটিকে বিধ্বস্ত করে লিভারপুলের ওপর চাপ অব্যাহত রাখল আর্সেনাল
টানা চার মৌসুম চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর পঞ্চম মৌসুমে এসে দুঃস্বপ্নের মধ্যে সময় পার করছে ম্যানচেস্টার সিটি। ইতোমধ্যে শিরোপা-স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে তাদের, শেষ চারে থেকে লিগ শেষ করাই এখন লক্ষ্য। তবে আর্সেনালের সামনে পড়ে পেপ গার্দিওলার দলের জন্য সেই লক্ষ্যও যেন বহুদূর বলে মনে হলো।
এমিরেটস স্টেডিয়ামে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটিকে ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছে আর্সেনাল।
নিজেদের শিরোপা জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখতে জয়ের বিকল্প ছিল না গানারদের সামনে। আর দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে তা-ই করে দেখালেন মিকেল আর্তেতার শিষ্যরা।
এদিন ম্যাচের শুরুতেই সিটিকে চেপে ধরে আর্সেনাল। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুই মিনিটের মধ্যেই এগিয়ে যায় তারা।
তুলনামূলক ধীরগতির ফুটবল খেলা সিটির খেলোয়াড়দের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে আক্রমণে উঠে বক্সের ভেতরে অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডকে পাস দেন কাই হাভার্টস। আর প্রথম ছোঁয়াতেই তা থেকে দলকে এগিয়ে নেন এই নরওয়েজিয়ান। সিটির বিপক্ষে এটিই ওডেগার্ডের প্রথম গোল।
এর চার মিনিট পর আরও এক গোল করেন গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি, তবে অফসাইডে গোলটি কাটা পড়ে। এরপর সমতায় ফিরতে আক্রমণের ধার বাড়ায় সিটি। বেশ কয়েকটি সুযোগও পায় তারা, সুযোগ পায় আর্সেনালও। তবে কেউই আর গোল না পেলে ১-০ গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় আর্সেনাল।
৫০২ দিন আগে
কাঙ্ক্ষিত জয় পেতে ঘাম ছুটল বার্সেলোনার
পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা রিয়াল মাদ্রিদ হারায় ব্যবধান কমাতে নিজেদের ম্যাচটি জেতার প্রত্যাশায় মাঠে নেমেছিল বার্সেলোনা। তবে কাঙ্ক্ষিত সেই জয় পেতে রীতিমতো ঘাম ছুটে গেছে লামিন-রাফিনিয়া-লেভানডোভস্কিদের।
রবিবার কাতালুনিয়ার অলিম্পিক স্টেডিয়ামে দেপোর্তিভো আলাভেসের বিপক্ষে ১-০ গোলে জিতেছে হান্সি ফ্লিকের দল। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন রবের্ট লেভানডোভস্কি।
এদিন মাঠে নেমেই ফুটবলের পাশাপাশি শারীরিক সামর্থ্য দিয়ে বার্সেলোনার খেলোয়াড়দের অস্বস্তিতে রাখে আলাভেসের ফুটবলাররা। পুরোটা সময় সেই চ্যালেঞ্জ ধরে রাখে তারা। ফলে বল পায়ে আসার সঙ্গে সঙ্গেই পাস দেওয়া তো দূরের কথা, পজেশন ধরে রাখাই মুশকিল হয়ে পড়ে কাতালান জায়ান্টদের। সেইসঙ্গে বল কেড়ে নিয়ে বার্সার রক্ষণে ত্রাস ছড়ানো তো ছিলই। ফলে গোলের সুযোগ তৈরি করতে হিমশিম খেতে হয় ফ্লিকের শিষ্যদের।
আলাভেসের চ্যালেঞ্জ সামলে ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই প্রথমবার গোলের সুযোগ তৈরি করে বার্সেলোনা। সতীর্থের কাছ থেকে আসা পাস ধরে ড্রিবলিং করতে করতে এগিয়ে গিয়ে প্রতিপক্ষের ডি-বক্সের সামনে থেকে বাঁ দিকে কিছুটা ফাঁকায় থাকা রাফিনিয়াকে পাস দেন লামিন। বল ধরে বক্সে ঢোকার মুখে জোরালো শটে দূরের পোস্ট দিয়ে লক্ষ্যভেদ করার চেষ্টা করেন রাফিনিয়া, তবে বল সামান্যের জন্য বাইরে দিয়ে চলে যায়।
আরও পড়ুন: এস্পানিওলে ধরাশায়ী রিয়াল মাদ্রিদ
পঞ্চদশ মিনিটে উড়ন্ত পাসে হেড করতে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বার্সা মিডফিল্ডার গাভি ও আলাভেস উইঙ্গার তমাস কোনেচনিকে। এর দুই মিনিট পর কাতালানদের বিপদে ফেলেই দিয়েছিল আলাভেস। তবে শটটি পোস্টের ধারেকাছেও রাখতে পারেনি তারা।
আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ শেষে ৪২তম মিনিটে আরও একবার আশা জাগানিয়া শট নেন পেদ্রি। তবে সেই শট ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন আলাভেস গোলরক্ষক হেসুস ওউয়োনো।
গোলশূন্য প্রথমার্ধ শেষে বিরতির পর কন্ট্রোলিং মিডফিল্ড থেকে মার্ক কাসাদোকে উঠিয়ে অভিজ্ঞ ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং এবং হলুদ কার্ড পাওয়া ডিফেন্ডার রোনালদ আরাউহোকে উঠিয়ে এরিক গার্সিয়াকে নামিয়ে দেন ফ্লিক। ফ্রেঙ্কির দক্ষতা ও সতীর্থদের সঙ্গে অসাধারণ সমন্বয়ে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের ভোল পাল্টে ফেলে বার্সেলোনা।
৫০২ দিন আগে
এস্পানিওলে ধরাশায়ী রিয়াল মাদ্রিদ
রিয়ালকে হারাতে পারবেন তো!—ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকের বিদ্রুপাত্মক প্রশ্নটিতে বিরক্ত হয়েছিলেন এস্পানিওল কোচ মানোলো গন্সালেস, সেইসঙ্গে দিয়েছিলেন যোগ্য জবাব। এবার মাঠের খেলায় বাজিমাৎ করে সমালোচকদের মুখে কুলুপ এঁটে দিলেন তিনি।
শক্তির বিচারে রিয়াল মাদ্রিদের ঠিক বিপরীত দিকের দল হলেও সময়মতো কৌশলে পরিবর্তন, শিষ্যদের হার না মানা মনোভাব আর সমর্থকদের গলা ফাটানো উৎসাহের মিশেলে তারকায় ঠাঁসা বর্তমান লা লিগা চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে দিল গন্সালেসের এস্পানিওল।
লা লিগার ২২তম রাউন্ডের ম্যাচে শনিবার রাতে বার্সেলোনা শহরের আরসিডিই স্টেডিয়ামে রিয়াল মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফুটবল বিশ্বকে চমকে দিয়েছে চলতি মৌসুমে অবনমনের শঙ্কায় থাকা এস্পানিওল।
এর ফলে লা লিগায় ৬ ম্যাচের অপরাজিত যাত্রা থামল দলটির। পাশাপাশি চলতি মৌসুমে লিগে এটি রিয়ালের তৃতীয় হার।
নির্ধারিত সময়ের পাঁচ মিনিট বাকি থাকতে কার্লোস রোমেরোর গোলটিই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিয়েছে। অবশ্য প্রথমার্ধে একটি গোল পেয়েছিল রিয়ালও, তবে ভিএআর রিভিউতে গোলের আগে ফাউলের সিদ্ধান্ত হলে সেটি বাতিল হয়ে যায়।
এদিন ম্যাচের শুরুতে এস্পানিওলের খেলায় রিয়ালকে সমীহ করার কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায়নি। এরপর ১৫ মিনিট যেতে না যেতেই পায়ে অস্বস্তি অনুভব করেন রিয়ালের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার আন্টোনিও রুয়েডিগার। ফলে তাকে উঠিয়ে তরুণ ডিফেন্ডার রাউল আসেন্সিওকে নামান আনচেলত্তি।
এরপর ২২তম মিনিটে বক্সে বল পেয়ে দারুণ নৈপুণ্যে তা জালে পাঠালেও গোল পাননি ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। গোলের আগে বক্সের মধ্যে কিলিয়ান এমবাপ্পে এস্পানিওল মিডফিল্ডার পল লোসানোকে ফেলে দেওয়ায় ফাউল ধরেন রেফারি।
বল দখলে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করলেও লক্ষ্যে প্রথম শট রাখতে ৩৯ মিনিট লেগে যায় রিয়ালের। জুড বেলিংহ্যামের সেই শট অনায়াসে ধরে ফেলেন এস্পানিওল গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়া।
গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর বিরতি থেকে ফিরে আক্রমণের ধার বাড়ায় রিয়াল। এর পরিপ্রেক্ষিতে একের পর এক সুযোগও তৈরি করতে থাকেন ভিনিসিউস-এমবাপ্পে-রদ্রিগো-বেলিংহ্যামরা। তবে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের প্রচেষ্টায় এবং গার্সিয়ার নৈপুণ্যে বারবার হতাশ হতে হচ্ছিল তাদের।
ম্যাচ শেষের ২০ মিনিটে গড়াতেই আরও চাপ বাড়ায় রিয়াল মাদ্রিদ। তবে খেলোয়াড় বদল করে রিয়ালের আক্রমণের হলকা সামলে সুযোগ পেলে পাল্টা আক্রমণে ওঠার মতো সক্ষমতা তৈরি করতে থাকেন গন্সালেস।
তারপরও গোলের খোঁজে রিয়ালের খেলোয়াড়রা যখন প্রায় হন্যে হয়ে আক্রমণের পর আক্রমণ চালানো শুরু করেছে, ঠিক তার মাঝেই ৮৫তম মিনিটে এক পাল্টা আক্রমণ থেকে সফরকারীদের স্তব্ধ করে দেয় স্বাগতিকরা। সতীর্থের ক্রস পেয়ে ছয় গজ বক্সের কোণা থেকে দুর্দান্ত এক ভলিতে ঠিকানা খুঁজে নেন রোমেরো।
এরপর নির্ধারিত সময়ের বাকিটুকুসহ ৭ মিনিটের অতিরিক্ত সময়েও আর সমতায় ফিরতে পারেনি আনচেলত্তির শিষ্যরা। ফলে দারুণ এক জয়ে উল্লাসে মাতে এস্পানিওলের সমর্থকরা। উদযাপন করেন দলটির খেলোয়াড়রাও।
স্মরণীয় এই জয়ে ম্যাচশেষে আনন্দাশ্রু ধরে রাখতে পারেননি মানোলো গন্সালেস। টেলিভিশন ক্যামেরায় ভেজা চোখে শিষ্যদের বুকে টেনে নিতে দেখা যায় এই কোচকে।
এই হারে টেবিলের শীর্ষে থাকলেও পয়েন্ট ব্যবধান কমে গেছে রিয়ালের। ২২ ম্যাচে ১৫ জয় ও ৪ ড্রয়ে ৪৯ পয়েন্ট তাদের। অপরদিকে, একই রাতে মায়োর্কাকে হারিয়ে সমান ম্যাচে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে রিয়ালের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে আতলেতিকো মাদ্রিদ।
আতলেতিকোর ডাগআউটে দিয়েগো সিমিওনের ৫০০তম ম্যাচের রাতটি রাঙিয়েছেন তার শিষ্যরা। সামুয়েল লিনো ও আন্তোয়ান গ্রিজমানের গোলে ম্যাচটি ২-০ গোলে জিতেছে লস রোহিব্লাঙ্কোসরা। একই সঙ্গে চূড়ায় থাকা রিয়ালের সঙ্গে তাদের ব্যবধান কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১ পয়েন্টে। লা লিগায় পরের ম্যাচে মুখোমুখি হবে এই দুই দল।
রিয়ালের এই হারে ব্যবধান কমানোর সুযোগ এসেছে বার্সেলোনার সামনেও। এক ম্যাচ কম খেলা বার্সার পয়েন্ট ৪২। রবিবার সন্ধ্যায় টেবিলের তলানির দিকের দল দেপর্তিভো আলাভেসের বিপক্ষে জিততে পারলে রিয়ালের সঙ্গে ৭ পয়েন্টের ব্যবধান কমে দাঁড়াবে ৪-এ।
অন্যদিকে, দারুণ এই জয়ের ফলে অবনমন অঞ্চল থেকে বেরিয়ে এসেছে এস্পানিওল। ২২ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে ১৭তম স্থানে উঠেছে দলটি।
৫০২ দিন আগে
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ প্লে-অফের ড্র: রিয়ালকেই পেল সিটি
বায়ার্ন মিউনিখ নাকি রিয়াল মাদ্রিদ—চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর প্লে-অফে কে হবে ম্যানচেস্টার সিটির প্রতিপক্ষ, গত দুদিন ধরেই চলছে এই আলোচনা। এবার সেই আলোচনার অবসান ঘটিয়ে লস ব্লাঙ্কোসদের সামনে পড়ল সম্প্রতি ভুগতে থাকা সিটি।
শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্লে-অফ পর্বের ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে রিয়াল মাদ্রিদের প্রতিপক্ষ হিসেবে নির্ধারণ হয়েছে সিটির নাম। এর ফলে শেষ ষোলোর আগেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ যাত্রা থেমে যাবে গত দুই আসরের শিরোপাধারী দুই দলের একটির।
ড্রয়ে বায়ার্ন মিউনিখের প্রতিপক্ষে হিসেবে উঠে এসেছে সেল্টিকের নাম। এছাড়া মুখোমুখি হবে দুই ফরাসি ক্লাব ব্রেস্ত ও পিএসজি। তবে ইতালির দুই দল এসি মিলান ও ইয়ুভেন্তুসের অবশ্য প্লে-অফেই মুখোমুখি হতে হচ্ছে না। তুরিনের বুড়িরা খেলবে পিএসভি আইন্ডহোভেনের বিপক্ষে এবং ফেয়েনুর্ডের মোকাবিলা করবে মিলানের দলটি।
আরও পড়ুন: চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: শেষ ষোলো ও প্লে-অফে উঠল যারা
প্লে-অফের প্রথম লেগ আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি এবং ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি হবে দ্বিতীয় লেগের খেলা। এরপর আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি শেষ ষোলোর ড্র অনুষ্ঠিত হবে।
এক নজরে প্লে-অফ ড্র:
• ক্লাব ব্রুজ-আতালান্তা• স্পোর্তিং লিসবন-বরুশিয়া ডর্টমুন্ড• ম্যানচেস্টার সিটি- রিয়াল মাদ্রিদ• সেল্টিক-বায়ার্ন মিউনিখ• ইয়ুভেন্তুস-পিএসভি আইন্ডহোভেন• ফেয়েনুর্ড-এসি মিলান• ব্রেস্ত-পিএসজি• মোনাকো-বেনফিকা
লক্ষণীয়: পরের দলটি ঘরের মাঠে দ্বিতীয় লেগ খেলার সুবিধা পাবে।
আরও পড়ুন: জেতাও পর্যাপ্ত হলো না রিয়াল মাদ্রিদ ও বায়ার্নের
৫০৪ দিন আগে
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: শেষ ষোলো ও প্লে-অফে উঠল যারা
নতুন ফরমেটের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম পর্বের খেলা শেষ হয়েছে। বুধবার রাতে একযোগে মাঠে নামে ৩৬ দল, যেখানে জিতেছে ১৬টি দল আর বাকি দুই ম্যাচ ড্র হয়েছে।
অষ্টম ও শেষ রাউন্ডের ম্যাচের আগে সরাসরি শেষ ষোলোর টিকিট কাটে কেবল লিভারপুল ও বার্সেলোনা। এছাড়া বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায় ৯ দলের। বাকি ২৫ দলের ভাগ্য ঝুলে ছিল শেষ ম্যাচের ওপর।
বাদ পড়ার শঙ্কায় থাকলেও এদিন দারুণ জয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। তবে সিটির কাছে ৩-১ গোলেও হেরেও ছিটকে যেতে হয়নি ক্লাব ব্রুজকে। আবার শীর্ষ আটে থেকে বার্সেলোনার বিপক্ষে শেষ ম্যাচে মাঠে নেমে ড্র করেও সরাসরি শেষ ষোলোর টিকিট কাটা হয়নি আতালান্তার। একইভাবে টেবিলের নিচে থেকেও সেল্টিককে ৪-২ গোলে উড়িয়ে শীর্ষ আটে জায়গা করে নিয়েছে অ্যাস্টন ভিলা।
এমন বেশ কয়েকটি দারুণ ঘটনা শেষে চূড়ান্ত হয়েছে কারা সরাসরি শেষ ষোলোতে উঠেছে, কাদের প্লে-অফের কঠিন পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে এবং কাদেরই-বা বিদায় নিতে হচ্ছে প্রথম পর্ব থেকেই।
আরও পড়ুন: জেতাও পর্যাপ্ত হলো না রিয়াল মাদ্রিদ ও বায়ার্নের
পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ আট দল সরাসরি শেষ ষোলোর টিকিট কেটেছে। বাকি আটটি স্পটের জন্য দুই লেগের প্লে-অফ খেলবে নবম থেকে ২৪তম স্থানে থাকা ১৬টি দল। বাকি দলগুলো ঘরে ফিরে যাবে।
শীর্ষ আট দল
ক্রমানুসারে: লিভারপুল, বার্সেলোনা, আর্সেনাল, ইন্টার মিলান, আতলেতিকো মাদ্রিদ, বায়ের লেভারকুজেন, লিল ও অ্যাস্টন ভিলা।
প্লে-অফ নিশ্চিত হয়েছে যাদের
ক্রমানুসারে: আতালান্তা, বরুশিয়া ডর্টমুন্ড, রিয়াল মাদ্রিদ, বায়ার্ন মিউনিখ, এসি মিলান, পিএসভি আইন্ডহোভেন, পিএসজি, বেনফিকা, মোনাকো, ব্রেস্ত, ফেইনুর্ড, ইয়ুভেন্তুস, সেল্টিক, ম্যানচেস্টার সিটি, স্পোর্তিং লিসবন ও ক্লাব ব্রুজ।
বাদ পড়ল যারা
ক্রমানুসারে: দিনামো জাগরেব, স্টুটগার্ট, শাখতার দোনেৎস্ক, বোলোনিয়া, রেড স্টার বেলগ্রেড, স্ট্রুম গ্রাৎস, স্পার্তা প্রাহা, লাইপসিগ, জিরোনা, রেড বুল জালৎসবুর্গ, স্লোভান ব্রাতিস্লাভা ও ইয়াং বয়েজ।
আরও পড়ুন: লিভারপুলের ‘প্রথম’ হার কাজে লাগাতে পারল না বার্সেলোনা
৫০৬ দিন আগে
জেতাও পর্যাপ্ত হলো না রিয়াল মাদ্রিদ ও বায়ার্নের
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শীর্ষ আট নিশ্চিত করে সরাসরি শেষ ষোলোর টিকিট পেতে শুধু জিতলেই হতো না প্রতিযোগিতাটির ইতিহাসের সফলতম দুটি দল—রিয়াল মাদ্রিদ ও বায়ার্ন মিউনিখের, সঙ্গে শীর্ষ আটে থাকা দলগুলোর পয়েন্ট খোয়ানোরও দিকেও চেয়ে ছিল তারা। তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষ পেয়ে নিজেদের কাজ সারলেও শেষমেষ ভাগ্য সহায় হয়নি দলদুটির প্রতি। ফলে প্লে-অফের কঠিন পথেই যেতে হচ্ছে তাদের।
বুধবার রাতে লিগ পর্বের অষ্টম ও শেষ রাউন্ডের ম্যাচে ফরাসি ক্লাব ব্রেস্তের বিপক্ষে ৩-০ গোলে জিতেছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। রিয়ালের হয়ে দুই অর্ধে দুটি গোল করেন রদ্রিগো, মাঝে আরেকটি গোল করেন জুড বেলিংহ্যাম। অবশ্য দ্বিতীয়ার্ধে (৫১তম মিনিটে) ব্রেস্তের একটি গোল বাতিল হয়।
এই জয়ে ৫ জয়ে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানের কারণে টেবিলের একাদশ স্থানে ঠাঁই হয়েছে রিয়ালের। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট নিয়ে দ্বাদশ স্থানে বায়ার্ন মিউনিখ, গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে দশম স্থানে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড ও পিছিয়ে থেকে ত্রয়োদশ স্থানে জায়গা করে নিয়েছে এসি মিলান। বার্সেলোনার সঙ্গে ড্র করে ১৫ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে আরও আতালান্তাও, তাদের অবস্থান নবম।
আরও পড়ুন: চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: শেষ ষোলো ও প্লে-অফে উঠল যারা
বায়ার্ন নিজেদের ম্যাচটি জিতেছে ৩-১ গোলে, স্লোভান ব্রাতিস্লাভার বিপক্ষে। ম্যাচের অষ্টম মিনিটে থমাস মুলারের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ৬৩তম মিনিটে হ্যারি কেইন ও ৮৪তম মিনিটে গোল করেন কিংসলি কোমান। এরপর ৯০তম মিনিটে সান্ত্বনাসূচক গোলটি করেন ব্রাতিস্লাভার মার্কো তোলিচ।
এই হারে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোনো পয়েন্ট সংগ্রহ না করেই ঘরে ফিরতে হচ্ছে স্লোভাকিয়ার ক্লাবটিকে। তাদের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এবারের আসরে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে সুইস ক্লাব ইয়াং বয়েজও।
এছাড়া, শাখতার দোনেৎস্ককে ৩-১ গোলে ডর্টমুন্ড হারালেও দিনামো জাগরেবের কাছে ২-১ গোলে হেরে ১৫ পয়েন্টে থিতু হয়েছে এসি মিলান। তবে জিতেও গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় প্লে-অফ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে জাগরেব। প্লে-অফের সর্বশেষ দলের ঠিক পরেই (২৫তম স্থানে) জায়গা পেয়েছে তারা।
আরও পড়ুন: লিভারপুলের ‘প্রথম’ হার কাজে লাগাতে পারল না বার্সেলোনা
৫০৬ দিন আগে