চট্টগ্রাম
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯ মামলা
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) ক্যামেরা স্থাপনের পর থেকে ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯টি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় মোট ১৫ লাখ ৫১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বেলা ১১টায় হাইওয়ে কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মহাসড়কে যানবাহনের গতি, ভুল পথে চলাচল, অবৈধ পার্কিংসহ বিভিন্ন ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা শনাক্ত করতে এআই ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। ক্যামেরায় শনাক্ত হওয়া অপরাধের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা ও জরিমানার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ সুপার শাহিনুর আলম বলেন, ‘মহাসড়কে এআই ক্যামেরার কার্যক্রম আরও বাড়ানো হলে ট্রাফিক আইন ভঙ্গের প্রবণতা কমার পাশাপাশি সড়কে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা আরও জোরদার হবে। ইতোমধ্যে সেটির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।’
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরার যাত্রা শুরু হয়। এ পদক্ষেপের আওতায় মহাসড়কের ২৫০ কিলোমিটারে লাগানো হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
২ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উচ্চস্বরে গান বাজানো নিয়ে পুলিশ ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইন্সে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে গানবাজনাকে কেন্দ্র করে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে জেলা পুলিশের আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে যায়। এ ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. ওবায়দুর রহমানকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। পরে দিবাগত রাত ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত জেলার বড় মাদরাসা হিসেবে পরিচিত জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসায় দুপক্ষের মধ্যে আলোচনার পর পরিস্থিতি শান্ত হয়।
পুলিশ, মাদরাসার শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল (মঙ্গলবার) চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী ও তার স্ত্রী বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) উপদেষ্টা সিদারাতুল মুনতাহার আগমনকে কেন্দ্র করে জেলা পুলিশ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সহযোগিতায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি হচ্ছিল। অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে গানবাজনা হওয়ায় পার্শ্ববর্তী দারুল আরকাম মাদরাসার শিক্ষার্থীরা সেখানে এসে আওয়াজ কমাতে বলেন।
পরে শতাধিক মাদরাসা শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সের ভেতরে প্রবেশ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হামলা করে। সে সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে। মাদরাসার ছাত্ররাও পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে পাল্টা ঢিল ছুড়তে শুরু করে। এতে মাদরাসা শিক্ষার্থী ও পুলিশসহ ৩০ জন আহত হন।
আহতরা হলেন: শেখ সানি (১১), সাখাওয়াত (২০), বিন ইয়ামিন (২০), আব্বাস (১৭), জাকারিয়া (২১), মেরাজ (১৮), আশরাফ (১৮), হাবিবুল্লাহ (১৮), সিয়াম (১৭), ফাইজুর রহমান (২১), আরাফাত (১৮), বাশার (১৯), মাহাদী (২০), তাওহীদ (১৮), হাবিবুল্লাহ (১৮), বাইজিদ (১৭), শেখ সাদী (১৬), ফাহিম (২০), আব্দুর রহিম (২০), মিরাজ (২৭), আশরাফ (১৭), সাদেক (১৯), মনি (২৭), রাফি (১৮), শামিম (১৭), তালহা (১৮), আতাউল্লাহ (১৯), নিয়ামত উল্লাহ (২২), ইমতিয়াজ (১৭), আশরাফ (১৭) ও তানভির (১৭)।
আহতদের মধ্যে ৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
দারুল আরকাম মাদরাসার শিক্ষার্থীদের দাবি, বুধবার তাদের মাদরাসায় পরীক্ষা ছিল। গানবাজনার উচ্চশব্দে তাদের সমস্যা হচ্ছিল। তাই প্রথমে তারা কয়েকজন পুলিশ লাইন্সের ভেতরে গিয়ে শব্দ কমানোর জন্য বলেন। প্রথমে শব্দ কমালেও পরে তারা আবারও তা বাড়িয়ে দেন। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে মাদরাসার ছাত্রদের তর্কাতর্কি হয়। এ সময় পুলিশ লাঠিচার্জ করে মাদরাসা ছাত্রদের আহত করে।
এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন তারা। অন্যথায় তারা কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এদিকে, ওই ঘটনার পর রাতেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী বড় মাদরাসা জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়ায় গভীর রাতে দুপক্ষের বৈঠক হয়।
বৈঠকে অংশ নেওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম জানান, বৈঠকে জেলার পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ ভুল বোঝাবুঝির কারণে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এ সময় হেফাজত ইসলামের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুরসহ জেলার ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সিরাজুল ইসলাম পুলিশের বরাত দিয়ে বলেন, পুলিশ লাইন্সের প্রধান ফটকে দায়িত্ব পালনকারী তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করেছে। এ ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. ওবায়দুর রহমানকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত টিম গঠন করেছে।
২ দিন আগে
কুমিল্লায় ঘরে ঢুকে গৃহকর্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
কুমিল্লার চান্দিনায় ঘরে ঢুকে বীনা রানী রায় (৫৮) নামে এক গৃহকর্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বরকইট ইউনিয়নের বরকইট দক্ষিণপাড়া শীল বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বীনা রানী রায় ওই গ্রামের দিলীপ কুমার রায়ের স্ত্রী।
নিহতের ছেলে তাপস রায় জানান, আমরা সবাই বিভিন্ন জায়গায় চাকরি করি, বাড়িতে মা ও বাবা থাকেন। আমার মা প্রতিদিনের ন্যায় সন্ধ্যায় পূজা-অর্চনা শেষে ঘরে টিভি দেখছিলেন; বাবা দোকানে চা পান করতে গিয়েছিলেন। এমন সময় দুষ্কৃতকারীরা ঘরে ঢুকে আমার মায়ের মাথায় এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকে। এ সময় আমাদের পাশের ঘরের এক জেঠা আমার মায়ের চিৎকার শুনে বাড়ির লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে আসার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আমার মাকে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তবে কী কারণে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন এ বিষয়ে তিনি কিছুই বলতে পারেননি।
এ ব্যাপারে বরকইট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নূরে আলম জানান, স্থানীয়ভাবে যেটুকু জেনেছি, তাতে ধারণা করছি যে পূর্বশত্রুতার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। পার্শ্ববর্তী বাসিন্দাদের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের জমি-সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে।
চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে কী কারণে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হতে পাারিনি। আমাদের একাধিক টিম রহস্য উদঘাটনসহ দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করতে কাজ করছে।
৩ দিন আগে
এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে কুমিল্লার যমজ দুই ভাই, হতে চায় প্রকৌশলী
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৫ পেয়েছে যমজ দুই ভাই জাহিদ হাসান ও কাইফ হোসাইন। উপজেলা সদরের দাউদকান্দি আদর্শ পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তারা এ সাফল্য অর্জন করেছে।
জাহিদ হাসান ও কাইফ হোসাইন মেঘনা উপজেলার লুটেরচর ইউনিয়নের চরকাঠাঁলিয়া গ্রামের ব্যবসায়ী মো. আবুল কালাম ও গৃহিণী নাছরিন আক্তার দম্পতির ছেলে। যমজ দুই ভাইয়ের এমন সাফল্যে পরিবারের সদস্য, স্বজন ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মন আনন্দে ভরে উঠেছে।
তাদের বাবা মো. আবুল কালাম বলেন, আমার দুই ছেলের একসঙ্গে জন্ম, একসঙ্গে বেড়ে ওঠা এবং একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা। দুজনই এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পাওয়ায় পরিবারের সবাই আনন্দিত।
৩ দিন আগে
এক মাসের ব্যবধানে ফের পানিতে ডুবেছে চট্টগ্রামের নিচু এলাকা
চট্টগ্রামে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিতে নগরীর নিচু এলাকাগুলোতে ফের জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুর্ভোগ বেড়েছে নগরবাসীর।
রবিবার (১৬ আগস্ট) রাত থেকে চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। নিচতলার বাসাবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ডুবে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী।
আজ (সোমবার) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরীতে ১০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস। সমুদ্রে লঘুচাপ ও মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত আরও দুই-তিন দিন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
এক মাসেরও কম সময়ের ব্যবধানে নগরীর বিভিন্ন এলাকাতে জলবদ্ধতার কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ ও স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা। কোথাও হাঁটুসমান বা কোথাও কোমরসমান পানিতে তলিয়ে গেছে সড়ক ও অলিগলি।
গতকাল (রবিবার) রাত ১০টার পর থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে আজ সকালে নগরীর চকবাজার, বাকলিয়া, কাতালগঞ্জ, পাঁচলাইশ, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, দক্ষিণ হালিশহর, পাঠানটুলী ও কাপাসগোলাসহ বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। মূল সড়ক থেকে অলিগলি পর্যন্ত পানি উঠে যাওয়ায় অনেক বাসাবাড়ির নিচতলায়ও পানি ঢুকে পড়েছে।
আজ সকালে চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, সড়ক কোমরসমান পানিতে তলিয়ে গেছে। পথচারীদের সেই পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে দেখা যায়। যানবাহন চলাচলও ছিল প্রায় বন্ধ।
আগ্রাবাদের মুহুরিপাড়া এলাকার চিত্রও ছিল একই। সড়কে কোমরসমান পানি জমে থাকায় আবাসিক ভবনের নিচতলায় পানি ঢুকে পড়েছে। যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় নগরীর বাসিন্দাদের পানির মধ্য দিয়েই চলাচল করতে হয়েছে।
জলাবদ্ধতার কারণে সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন সড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। গণপরিবহন ও রিকশা না পেয়ে অনেককে বৃষ্টির মধ্যে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা যায়। কোথাও রিকশা পাওয়া গেলেও যাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে কয়েক গুণ বেশি ভাড়া।
আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকার চাকরিজীবী তৌহিদুল সালাম জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই ওই এলাকার অনেক সড়কে পানি জমে যায়। তবে গতকাল রাত থেকে টানা বৃষ্টিতে এবার পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। সড়কে যানবাহন না থাকায় এবং কিছু রিকশাচালক তিন গুণ পর্যন্ত ভাড়া চাওয়ায় অনেকেই বাধ্য হয়ে পানির ভেতর দিয়ে হেঁটে অফিসে গেছেন।
জলাবদ্ধতার প্রভাব পড়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও। মহানগরের বিভিন্ন স্কুলের সামনে ও আশপাশের সড়কে পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। পরিবহনসংকট ও জলাবদ্ধতার কারণে অনেক শিক্ষার্থী আজ স্কুলে যেতে পারেনি। কোথাও কোথাও শ্রেণি কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল করা হয়েছে।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা ইসমাইল মিয়া জানান, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় সাগরে লঘু চাপের কারণে এ বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চারটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও সামান্য সময়ের ব্যবধানে টানা বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে যাওয়ায় এসব উদ্যোগের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নগরবাসী।
তাদের প্রশ্ন, জলাবদ্ধতা নিরসনে এত বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় এবং একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও কেন বৃষ্টিতে বারবার একই এলাকার সড়ক ও বাসাবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে?
নগরবাসীর দাবি, শুধু প্রকল্প বাস্তবায়ন নয়, পানি নিষ্কাশনের প্রতিবন্ধকতা, খাল-নালা ও ড্রেনের সক্ষমতা এবং রক্ষণাবেক্ষণব্যবস্থার দিকেও নজর দিতে হবে। না হলে বড় প্রকল্পের সুফল সাধারণ মানুষ কতটা পাবে, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাবে।
৪ দিন আগে
চট্টগ্রামে কাভার্ডভ্যানচালক হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী থানা এলাকায় কাভার্ডভ্যানচালক মো. সজিবকে হত্যা ও মরদেহ গুমের মামলায় ৩ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাজউল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন: হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের মো. নুরুল আমিন, কুমিল্লার দেবিদ্বারের মো. শাহজাহান ও ফেনী সদর উপজেলার মো. নুরুল আলম টুটুল।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাউসার সাগর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিদের মধ্যে মো. নুরুল আমিন ও মো. শাহজাহান বর্তমানে পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে, আসামি মো. নুরুল আলম টুটুলকে সাজা পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৭ অক্টোবর পাহাড়তলী থানাধীন টোল রোডের পূর্ব পাশে শিল্প পুলিশের অধিগ্রহণ করা জমির পশ্চিম পাশে সেকান্দরের কৃষিজমি থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আঙুলের ছাপ ও জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে মরদেহটি নোয়াখালীর চাটখিলের বাসিন্দা মো. সজিবের বলে শনাক্ত করা হয়।
পুলিশ জানায়, সজিব পেশায় কাভার্ডভ্যান চালক ছিলেন। তিনি বিভিন্ন জেলায় মালামাল পরিবহনের কাজ করতেন। ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি নিখোঁজ হন। ২৭ অক্টোবর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের মাথার পেছনে থেতলানো আঘাত, বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন ছিল।
পরবর্তীতে এ মামলায় দুই আসামি গ্রেপ্তারের পর তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে সজিবকে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
মামলায় ৩৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। আইন অনুযায়ী আসামিরা আগামী সাত দিনের মধ্যে এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করার সুযোগ পাবেন।
৪ দিন আগে
রাঙামাটিতে পিকআপ উল্টে নিহত ৪
রাঙামাটি সদর উপজেলায় পিকআপ উল্টে ৪ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুইজন।
রবিবার (১৬ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সাপছড়ি ইউনিয়নের মানিকছড়ি আর্মি ক্যাম্পের সামনে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন: মেঘরানী চাকমা (৪৫), শান্তনা চাকমা (৩৮), শোভা চাকমা (৫২) এবং শান্তি রঞ্জন চাকমা (৬৫)।
দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত জ্ঞান বিকাশ চাকমা (৫০) এবং সুমন চাকমা (৪৫)-কে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাঙামাটি শহর থেকে যাত্রী নিয়ে একটি পিকআপ কুতুকছড়ি বাজারের উদ্দেশে যাওয়ার পথে মানিকছড়ি আর্মি ক্যাম্পের সামনে পৌঁছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এতে পিকআপটি সড়ক থেকে ছিটকে পড়ে দুমড়ে মুচড়ে যায়।
ঘটনার পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্রুত উদ্ধার করে আহতদের রাঙামাটি হাসপাতালে পাঠায়। এর মধ্যে চারজনকে রাঙামাটি হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাঙামাটি কোতয়ালী থানার মানিকছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিদর্শক (এসআই) খোকন কান্তি রুদ্র জানান, অনাকাঙ্খিত এই দুর্ঘটনায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আহতদের চিকিৎসায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
৫ দিন আগে
কুমিল্লায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে হামলার চেষ্টা, যুবকের ৭ দিনের কারাদণ্ড
কুমিল্লা নগরীতে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চলাকালে ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলার চেষ্টা এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অপরাধে এক যুবককে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে নগরীর মোগলটুলি ও ইসলামপুর রোড এলাকায় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) ভ্রাম্যমাণ আদালত এই দণ্ডাদেশ দেন। আদালত পরিচালনা করেন কুসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নগরীর অবৈধ দখল উচ্ছেদ, যানজট নিরসন এবং জনসাধারণের চলাচলের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে আজ মোগলটুলি এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছিল। অভিযান চলাকালে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করার একপর্যায়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বাধা সৃষ্টি করেন। সে সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আচমকা কয়েকজন ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র, চাপাতি ও রামদা নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দিকে তেড়ে আসেন এবং হামলার চেষ্টা চালান।
এ ঘটনায় সেখানে চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং ঘটনাস্থল থেকে একজনকে হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হন।
পরবর্তীতে সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও হামলার চেষ্টার প্রাথমিক সত্যতা মেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন অনুযায়ী ওই যুবককে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
দণ্ডিত ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে কুমিল্লা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কুসিক প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা জানান, নগরবাসীর সুবিধার্থে অবৈধ দখল ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কুসিকের এই নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর হামলা বা আইনি কাজে বাধা সৃষ্টির মতো ঘটনা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
৬ দিন আগে
সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙ্গা কারখানায় গ্যাস লিকেজে বিষক্রিয়ায় নিহত বেড়ে ৯
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীর সাগর উপকূলে অবস্থিত একটি জাহাজ ভাঙ্গার কারখানায় গ্যাস লিকেজ থেকে ছড়িয়ে পড়া বিষাক্ত গ্যাসে দুই ভাইসহ নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ জনে। এতে কমপক্ষে আরও ১৪ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বেলা সোয়া ১১টার দিকে ভাটিয়ারী রেলস্টেশনের পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর উপকূলে অবস্থিত ‘ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে’ জাহাজ ভাঙ্গার সময় অসাবধানতাবশত একটি গ্যাসের পাইপলাইন কেটে যায়।
নিহতরা হলেন— সানি জলদাস, পলাশ জলদাস এবং আপন দুই ভাই মনসুর আলী ও নাসির উদ্দিন। তারা সবাই ভাটিয়ারী এলাকার বাসিন্দা।
নিহত বাকিরা হলেন— খোকন, আব্দুল আলিম, রানা, হাবিবুর রহমান এবং মতিউর রহমান।
স্থানীয়রা জানান, মুহূর্তের মধ্যে লিক হওয়া বিষাক্ত গ্যাস পুরো ইয়ার্ডে ছড়িয়ে পড়লে কর্মরত অনেক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিষাক্ত গ্যাসে ঘটনাস্থলেই দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয় এবং অসুস্থ হয়ে পড়েন আরও ২০ জন।
আক্রান্ত শ্রমিকদের উদ্ধার করে প্রথমে ভাটিয়ারী বিএসবিএ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে কয়েকজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়।
ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রাম বিভাগের কর্মকর্তা আল মামুন বলেন, ঘটনার সম্পর্কে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
এর আগে, জিয়া সুবেদার গ্রুপের মালিকানাধীন এই জাহাজভাঙ্গা কারখানায় গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বরও একই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে তেলের ট্যাঙ্কার বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ হয়েছিলেন আটজন শ্রমিক।
এছাড়া, ২০২৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর সীতাকুণ্ডের এসএন করপোরেশন কারখানায় বিস্ফোরণে ১২ শ্রমিক আহত হন, পরে তাদের মধ্যে ৬ জন মারা যান।
৭ দিন আগে
চাঁদপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে হত্যারে দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড, অপরজনের যাবজ্জীবন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে স্বর্ণ ব্যবসায়ী ওমর সরকারকে (৪৫) গলা কেটে হত্যার অপরাধে জয় বিশ্বাস অনিক (২১) নামের এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড এবং অপর আসামি হৃদয় সূত্রধরকে (২১) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের দুজনকেই ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (দ্বিতীয়) মো. কামাল হোসাইন এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জয় বিশ্বাস অনিক মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার বাসিন্দা এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হৃদয় সূত্রধর মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর সারপাড় এলাকার বাসিন্দা।
হত্যার শিকার ব্যবসায়ী ওমর সরকার মতলব দক্ষিণ উপজেলার সারপাড় এলাকার রবি ভক্তের ছেলে ছিলেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০২২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ২টার মধ্যে ওমর সরকার নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান মাধবী শিল্পালয় থেকে বাড়ি ফেরার পথে আসামিরা যোগসাজশে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন।
ওই রাতেই ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য জয় বিশ্বাস অনিক নিজেই ওমর সরকারকে কেউ হত্যা করেছে—এমন সংবাদ তার বাবার কাছে পৌঁছান। পরে রবি ভক্ত ও তার বড় ছেলে জীবন কৃষ্ণ বাড়ির অদূরে (প্রায় ৮০ গজ) দাস বাড়ির উঠানে গিয়ে ওমর সরকারের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনার পরদিন ২২ ফেব্রুয়ারি ওমর সরকারের বাবা রবি ভক্ত মতলব দক্ষিণ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর পুলিশ তদন্ত করে ঘটনায় জড়িত আসামি হৃদয়কে ২৩ ফেব্রুয়ারি ও জয় বিশ্বাসকে ২৪ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার করে চাঁদপুর আদালতে সোপর্দ করে।
মামলাটির তদন্ত করেন তৎকালীন মতলব দক্ষিণ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হাবিবুর রহমান। তিনি তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ১০ মে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।
অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি সালমা বেগম বলেন, মামলাটি চলমান অবস্থায় আদালত ২১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্য গ্রহণ, মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা ও আসামিরা তাদের অপরাধ স্বীকার করায় বিচারক এ রায় দেন।
রায় ঘোষণার সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জয় বিশ্বাস অনিক আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং অপর আসামি হৃদয় সূত্রধর জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছেন।
এ মামলায় আসামিপক্ষে সরকারি কৌঁসুলি ছিলেন অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।
৮ দিন আগে