বিএনপি
ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্য সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে: রিজভী
ক্রসফায়ার ফিরিয়ে আনার বিষয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) দেওয়া বক্তব্য সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, ‘আমাদের অত্যন্ত দুঃখ লাগে, পুলিশ বাহিনীর প্রধান সরকারের একটা অংশ, তিনি ক্রসফায়ারের কথা বলেন। মুখ ফসকে বেরিয়ে গেলে ভিন্ন ব্যাপার। কিন্তু এটা তো সরকারকে বিব্রত করার মতো অবস্থা।’
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিনা মূল্যের মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।
রিজভী বলেন, সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে দেশে পর্যাপ্ত আইন রয়েছে। এসব আইন প্রয়োগের দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর।
১৭ বছর দেশকে ক্রসফায়ারে হত্যা, গুম, গুপ্তহত্যা ও রক্তপাতের মতো অমানবিক দুঃশাসন সহ্য করতে হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ।
তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও ৫ আগস্ট এসেছে। এরপর অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে।
রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে ওঠার প্রত্যাশা করছেন দেশের মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানের এ ধরনের বক্তব্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।
প্রধানমন্ত্রীর মানবিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারের প্রতিফলন হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও খাল খনন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন রিজভী।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে আরও বসবাসযোগ্য করে তোলার লক্ষ্যেই এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা তারেক রহমানের স্বপ্ন ও উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ঢাকার কয়েকটি এলাকায় কিশোর অপরাধ ও অপরাধপ্রবণতা বৃদ্ধি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন রিজভী।
তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীতে অনেক সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তা রয়েছেন। তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিলে তারা কার্যকরভাবে অপরাধ দমন করতে পারবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
কোনো ধরনের প্রভাব ছাড়া আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হলে সমাজ থেকে অপরাধ দূর করা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রিজভী বলেন, গুম কিংবা ক্রসফায়ার—কোনো ধরনের বিচারবহির্ভূত পদ্ধতিই অপরাধ নিয়ন্ত্রণের কার্যকর উপায় হতে পারে না।
এর আগে সোমবার আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির বলেছিলেন, সরকার অনুমতি দিলে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে প্রয়োজন হলে পুলিশ ক্রসফায়ারে যেতে দ্বিধা করবে না।
২২ ঘণ্টা আগে
বিএনপি গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যা সমর্থন করবে না: ডা. জাহেদ
বিএনপি গত ১৭ বছর গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে এবং সরকার গঠনের পরও সেই অবস্থান থেকে সরে আসবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. জাহেদ বলেন, কোনো রাষ্ট্র বা সরকার যদি কাউকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করে, তাহলে সেটি আর রাষ্ট্রের ভূমিকা পালন করে না। এটি খুন, যা যেকোনো মানুষই করতে পারে। একটি রাষ্ট্র প্রকৃত অর্থে রাষ্ট্র হয়ে ওঠে তখনই, যখন সে বিচার করার ক্ষমতা প্রয়োগ করে।
কোনো গণতান্ত্রিক সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সমর্থন করতে পারে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। কিন্তু কাউকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা রাষ্ট্রের কাজ হতে পারে না। রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করে অপরাধীকে গ্রেপ্তার করে বিচারব্যবস্থার হাতে তুলে দেওয়া যায়। প্রয়োজনে আইন পরিবর্তন করা যেতে পারে, কিন্তু বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সুযোগ নেই।
বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করে উপদেষ্টা বলেন, পাঁচ বছর পর রাতের ভোট বা ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখার কোনো উদ্দেশ্য এই সরকারের নেই। তাই সরকার এমন কোনো কাজ করবে না, যাতে তার ক্ষতি হয়। বিচারবহির্ভূত হত্যার মতো ঘটনায় মানুষের কাছে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সরকারের অনুমতি পেলে ক্রসফায়ার করা হবে বলে পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আইজিপি তার পরবর্তী বক্তব্যে আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন বলে মনে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আইজিপি তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং আগের অবস্থানে অনড় থাকেননি। এছাড়া সাংবাদিকদের বিষয়ে তার বক্তব্যে যে সাধারণীকরণ ও গুরুতর অভিযোগ ছিল, সেখান থেকেও তিনি সরে এসেছেন। তাই তার মতে এটা নিয়ে আর কথা বলা উচিত হবে না।
আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেওয়ার কারণে তাকে পদে থাকার সুযোগ দেওয়া যায় কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ বলেন, বিষয়টি সাংবাদিকদের বিবেচনার। তবে তার মতে, আইজিপি আগের বক্তব্যে অনড় থাকলে সমস্যা হতো।
তিনি আরও বলেন, কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে বেআইনি কাজের নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি তা করতে বাধ্য নন। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের আইন মেনেই দায়িত্ব পালন করতে হবে।
আইজিপির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী বিবেচনা করবেন বলেও জানান জাহেদ উর রহমান। তিনি দেশের বাইরে থাকায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরে আসতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ময়মনসিংহের ভালুকায় বিএনপিকে ভোট দিয়ে ভুক্তভোগী হওয়ার কথা জানিয়ে ফেসবুক লাইভ করায় এক নারী উদ্যোক্তাকে ১৫১ ধারায় আদালতে পাঠানোর বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ওই নারী উদ্যোক্তার বক্তব্যের কারণে যারা প্রতিবাদ করেছেন, তাদের অবস্থান সঠিক বলে তিনি মনে করেন না।
তবে মানুষের এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার অধিকার রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে আরও অনেক ব্যক্তি, এমনকি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়েও আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এই ধরনের বক্তব্য আসলে দেওয়া যেতেই পারে।
আদালতে পাঠানোর পরের বিষয়গুলো বিচার বিভাগের এখতিয়ার উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, আদালত সরকার নয়। আদালত যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তার জবাবদিহি সরকার করবে না। তবে সরকারের দায়িত্ব হলো, পুলিশের তদন্ত যেন নিরপেক্ষ ও প্রকৃত তথ্যের ভিত্তিতে হয়, তা নিশ্চিত করা।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, তদন্তে ওই নারীর বক্তব্যকে অপরাধ হিসেবে দেখা হবে না। কারণ ওই বক্তব্যে অপরাধের উপাদান পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য থেকে তিনি ইঙ্গিত পেয়েছেন।
রংপুরের পীরগঞ্জে তিনটি হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জাহেদ উর রহমান জানান, ঘটনাটি তার নজরে আসেনি। তবে সেখানে পুলিশ মোতায়েন ও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা তিনি শুনেছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে উগ্রপন্থি কিছু মানুষের আস্ফালনের প্রবণতা রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এ প্রবণতা বেড়েছিল এবং অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে বর্তমান সরকার এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘এই সরকারের অধীনে থেকে বিচারের বাইরে থাকবেন, এটা হতে পারে না। আমি আপনাকে এটা নিশ্চিত করছি।’
তিনি আরও বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষও একটি উদার গণতান্ত্রিক দেশে নিরাপদে বসবাস করতে চান। রাজনৈতিক দলের হাতে দেশের দায়িত্ব থাকলে তাদের কাছেও মানুষের প্রত্যাশা থাকে। বিএনপিকে সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে।
২৩ ঘণ্টা আগে
মঈন খানকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন মির্জা আব্বাস
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস শনিবার ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানকে দেখতে যান।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, মির্জা আব্বাস অসুস্থ মন্ত্রীর সঙ্গে কিছু সময় কাটান এবং তার শারীরিক অবস্থার সার্বিক খোঁজ নেন।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি ও জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান আফরোজা আব্বাস।
তারা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈনের স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন এবং তার চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত হন।
ড. মঈনের দ্রুত আরোগ্য ও সম্পূর্ণ সুস্থতাও কামনা করেন তারা।
৩ দিন আগে
লংমার্চ বাদ দিয়ে সংসদে এসে আলোচনা করুন, বিরোধীদের উদ্দেশে শাহে আলম
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বিরোধী দলের উদ্দেশে বলেছেন, লং মার্চ বা আন্দোলন কর্মসূচি বাদ দিয়ে সংসদে আসুন। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দলের জন্য পাঁচটি সদস্য পদ শূন্য রাখা হয়েছে, যেকোনো মুহূর্তে আপনারা পাঁচজন প্রতিনিধির নাম দিন এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদে ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
জুলাই-আগস্টের শহিদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হলেও তারা উপস্থিত না হয়ে খোড়া যুক্তি দাঁড় করিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
তিনি বলেন, যারা জুলাই-আগস্ট নিয়ে সারাদিন রাজনীতি করতে চান, তারা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থেকে ধোঁকাবাজির পরিচয় দিয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৯ অক্টোবর ওসমানী উদ্যানে সরকারের পক্ষ থেকে নির্মিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ওই অনুষ্ঠানে সকল সমমনা, সহযোগী ও জোটের রাজনৈতিক দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শহিদ মীর মুগ্ধ, আবু সাঈদ ও আনাসের বাবা এবং এক শহিদের মাসহ চার শহিদ পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে স্মৃতিস্তম্ভ ও দীর্ঘ ১০ বছর পর ওসমানী উদ্যানটি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। অথচ জুলাই নিয়ে যারা সারাদিন কথা বলেন, সেই সমস্ত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্তরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি। বাংলাদেশের এই একমাত্র শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে গ্যাজেটভুক্ত ৮৩৪ জন শহিদের নাম লেখা রয়েছে।
মীর শাহে আলম বলেন, দাওয়াত কার্ডে বিরোধী দলীয় নেতার নাম না থাকায় তারা যাননি বলে যে যুক্তি দেওয়া হয়েছে, তা সঠিক নয়। বিরোধী দল উপস্থিত হলে প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রতিনিধিকেও মঞ্চে ডেকে নিতেন।
প্রতিমন্ত্রী এরপর শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে প্রতিভাবান শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।
৪ দিন আগে
পদত্যাগের ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন ইশরাক হোসেন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন ঢাকা-৬ আসনের বিএনপির এই সংসদ সদস্য।
মাদকবিরোধী অভিযানে তাকে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে দেখা যাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার দুই দিন পর তিনি এ সিদ্ধান্ত জানালেন।
ইশরাক হোসেনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শনিবার বিকেলে অভিযানটির একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়, যা দেশজুড়ে বিতর্কের জন্ম দেয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, রাজধানীর গেন্ডারিয়া এলাকায় রেললাইনের পাশে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে হাতে মাইক ও পিস্তল নিয়ে গাড়ি থেকে নামছেন ইশরাক। এরপর একদল লোককে ধাওয়া করেন তিনি। একপর্যায়ে কয়েকজনের দিকে অস্ত্র তাক করে তাকে ‘এই ধর ধর ধর...’ বলে চিৎকার করতে দেখা যায়।
পরদিন দেওয়া এক বিবৃতিতে ইশরাক বলেন, রাজধানীর গেন্ডারিয়া এলাকায় শনিবার মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে সম্ভাব্য নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয়ে সতর্কবার্তা পাওয়ার পর আত্মরক্ষার্থে তিনি অল্প সময়ের জন্য নিজের বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রটি উঁচু করেছিলেন।
ইশরাকের ভাষ্য, তাদের গাড়িবহর সন্দেহভাজন একটি মাদক বিক্রির আস্তানার কাছে পৌঁছালে ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি দল আক্রমণাত্মকভাবে এগিয়ে আসে। এ সময় তিনি ও তার নিরাপত্তাকর্মীরা গাড়ি থেকে নেমে অল্প সময়ের জন্য অস্ত্র উঁচু করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, হামলার আশঙ্কায় আত্মরক্ষার জন্য খুব অল্প সময়ের জন্য অস্ত্রটি উঁচু করা হয়েছিল। সম্ভাব্য হুমকি কেটে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অস্ত্রটি সরিয়ে রাখা হয় বলেও জানান তিনি।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম রবিবার জানান, ভাইরাল ভিডিওটি পর্যালোচনা করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ৭৮ হাজার ৮৫০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন ইশরাক। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
৯ দিন আগে
ভারত থেকে দেশ অস্থিতিশীলের চেষ্টা করছে ফ্যাসিবাদীর দোসররা: রিজভী
সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে ভারতে অবস্থানরত ফ্যাসিবাদী শক্তির দোসররা দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার গাজিরটেক এলাকায় লকাই বিশ্বাসের জন্য নবনির্মিত বাড়ির চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রিজভী এ অভিযোগ করেন।
‘আমরা বিএনপি পরিবারে’র উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে লকাই বিশ্বাসকে চিকিৎসা সহায়তা, নারীদের কর্মসংস্থানের জন্য সেলাই মেশিন বিতরণ ও অসহায়দের নগদ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে রিজভী বলেন, বিশ্ববাজারে যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে বাধ্য হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে একটি মহল দেশজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ভারতে অবস্থানরত ফ্যাসিবাদী শক্তির দোসররা দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে।
এ সময় দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান বিএনপি নেতা।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের নেতাকর্মীরা ব্যাংক লুটের অর্থ বিদেশে নিয়ে বিলাসী জীবনযাপন করছেন। আর সেখানে বসেই দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন তারা।
নিউইয়র্কে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অসম্মান করার ঘটনায় দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মোদাররেছ আলী ইছা, সদস্য সচিব এ কে কিবরিয়া স্বপন, ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক খন্দকার সেলিম, কৃষকদল নেতা খন্দকার নাসিরুল ইসলাম, যুবদল নেতা রাজিব হোসেন, বেনজীর আহমেদ তাবরিজসহ ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
১৪ দিন আগে
বিএনপি সরকার দেশ পুনর্গঠনে কাজ করছে: রিজভী
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের অব্যবস্থাপনা, লুটপাট ও বিশৃঙ্খলায় বিপর্যস্ত দেশ পুনর্গঠনে বিএনপি সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জনঅধিকার পার্টি আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অব্যবস্থাপনা, লুটপাট ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির কারণে দেশ যে ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে পড়েছে, সেখান থেকে দেশকে বের করে পুনর্গঠনে কাজ করছে বিএনপি সরকার।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং আগের সরকারের রেখে যাওয়া সমস্যাগুলো সমাধানের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠনে সরকার কাজ করছে বলেও জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।
তিনি বলেন, অতীতের নানা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে বিএনপি সরকার। আগের সরকারের কাছ থেকে ব্যাংক লুটপাট, অর্থপাচার এবং আর্থিক খাতে চরম অব্যবস্থাপনা ও বিশৃঙ্খলা উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে বর্তমান সরকার।
বিএনপি নেতা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকার ব্যাংক, বিমাসহ বিভিন্ন খাতে বিশৃঙ্খলা রেখে গেছে।
এছাড়া আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠরা ঋণের নামে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের পরিবারের সদস্যরা বিদেশে বিলাসী জীবনযাপন করছেন।
রিজভীর অভিযোগ, ক্ষমতাচ্যুত সরকারের সমর্থকরা অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ ব্যবহার করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানো ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।
তিনি বলেন, তাদের অবৈধ টাকা আছে বলেই তারা বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করছে এবং আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাইছে। তারা বিদেশে বিপুল অর্থ পাচার করেছে, আর কিছু অর্থ দেশের ভেতরেও লুকিয়ে রেখেছে। এসব অর্থ ব্যবহার করে তারা নৈরাজ্য সৃষ্টি, বোমা হামলা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। সরকারকে ব্যর্থ করে দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করাই তাদের লক্ষ্য।
আসন্ন দুর্গাপূজাকে ঘিরে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের আশঙ্কার কথাও বলেন রিজভী।
শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদযাপন নিশ্চিত করতে সবাইকে সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকার এবং পূজামণ্ডপগুলোতে নজরদারি রাখার আহ্বান জানান তিনি।
১৪ দিন আগে
সন্ধ্যায় বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আজ (রবিবার) সন্ধ্যায় ক্ষমতাসীন বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
জাতীয় সংসদ ভবনে সন্ধ্যা ৬টা থেকে এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং গতকাল (শনিবার) রাতে এ তথ্য জানায়।
এদিকে সংসদের পরবর্তী অধিবেশনের তারিখ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। এর মধ্যেই সংসদ নেতা তারেক রহমান সংসদীয় দলের বৈঠক ডাকলেন।
সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে দলের মধ্যে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সংবিধান সংশোধন ও আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
সাধারণত সংসদ অধিবেশন শুরুর এক বা দুই দিন আগে কিংবা অধিবেশন চলাকালে সংসদীয় দলের বৈঠক হয়। তবে এবার সংসদের পরবর্তী অধিবেশনের তারিখ নির্ধারণের আগেই বৈঠক ডাকা হয়েছে।
সংসদের পরবর্তী অধিবেশন নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে শুরু হতে পারে।
১৭ দিন আগে
দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিএনপির ১২ সদস্যের পর্যবেক্ষণ কমিটি
হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১২ সদস্যের পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনকে। দলের আরেক যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সকে করা হয়েছে সদস্য সচিব।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয়।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, প্রান্তিক জনশক্তি উন্নয়নবিষয়ক সহ-সম্পাদক অপর্ণা রায় দাস, ধর্মবিষয়ক সহ-সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু ও জন গোমেজ এবং জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী ও রমেশ দত্ত।
এছাড়া কমিটিতে রয়েছেন যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রমবিষয়ক সম্পাদক পার্থ দে মন্ডল, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি জয়দেব রায়, সাবেক ছাত্রনেতা মিল্টন বৈদ্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস।
১৮ দিন আগে
সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ‘মাফিয়াতন্ত্র’ বন্ধের আহ্বান রিজভীর
সড়ক পরিবহন খাতে ‘মাফিয়াতন্ত্রের’ অবসানের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের চাঁদাবাজি, সিন্ডিকেট ও অনিয়ম দূর করে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে এবং সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সমাধিতে জাতীয় সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের নবগঠিত কমিটির শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সড়কে দীর্ঘদিনের নৈরাজ্য ও অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধে নতুন ফেডারেশন সক্রিয় ও সোচ্চার থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন রিজভী।
তিনি বলেন, নতুন ফেডারেশনের নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিরা ছাত্ররাজনীতিতে তাদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নতুন চিন্তা ও পদ্ধতির মাধ্যমে সড়ক পরিবহন খাতের দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা দূর করে আইনসঙ্গত করবেন এবং যাত্রীসেবায় দৃষ্টান্তমূলক অবদান রাখবেন বলে তিনি আশাবাদী।
খাতটির উন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নিয়েছে বলেও জানান তিনি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, একটি খাতে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করলে অন্য খাতগুলোতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং সুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সেগুলোও উন্নত হতে উৎসাহ পেতে পারে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন ফেডারেশনের নেতৃত্ব ‘ফ্যাসিবাদী শাসনামলে’ তৈরি হওয়া সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার অবনতিশীল পরিস্থিতির পরিবর্তে এমন একটি নতুন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা করবে, যা জনগণের আস্থা বাড়াবে এবং যাতায়াতের সময় মানুষকে আরও নিরাপদ ও স্বস্তিবোধ করাবে।
২০ দিন আগে