আইনশৃঙ্খলা
খুলনায় দুই ট্রাকে সিগারেট তৈরির মেশিন-উপকরণসহ ১,২৭৫ কেজি তামাক জব্দ
খুলনায় দুটি ট্রাক থেকে সিগারেট তৈরির মেশিন, বিভিন্ন সরঞ্জাম ও ১ হাজার ২৭৫ কেজি কাটিং তামাকসহ বিপুল পরিমাণ সিগারেট উৎপাদনের উপকরণ জব্দ করেছে ভ্যাট বিভাগ, বাগেরহাট।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, খুলনার অধিক্ষেত্রাধীন ভ্যাট বিভাগ, বাগেরহাট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে ট্রাক দুটি আটক করে।
আটক ট্রাক দুটি হলো—বগুড়া-ট-১১-০৭১৪ ও ঢাকা মেট্রো-ট-১৬-২৬৪০।
ট্রাক দুটিতে তল্লাশি চালিয়ে সিগারেট তৈরির মেশিন, বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জাম, কাটিং তামাক, সিগারেট ফিল্টার, ফয়েল পেপার, জেনারেটর, গাম, স্কচটেপ ও সিগারেট পেপারসহ উৎপাদনে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ পাওয়া যায়।
জব্দ করা মালামালের মধ্যে রয়েছে একটি মেকিং মেশিন সেট (দুই পার্ট), একটি প্যাকিং মেশিন সেট (দুই পার্ট), ৫০টি প্লাস্টিক ক্যারেট, একটি জেনারেটর, ৫১ বস্তা কাটিং তামাক (প্রতি বস্তায় ২৫ কেজি), ৭৬ রোল সিগারেট পেপার, পাঁচ কার্টন ফিল্টার পেপার, তিন ড্রাম গাম/আটা, ৫৪ রোল ফয়েল পেপার, ছয় বক্স প্যাকেট তৈরির কাগজ, একটি হাওয়ার ট্যাংক এবং ১০০ পিস স্কচটেপ।
এনবিআর জানায়, প্রাথমিকভাবে জব্দ মালামালের নমুনা দেখে প্রতীয়মান হয়েছে, সিগারেট উৎপাদনের জন্য এগুলো মোটামুটি একটি পূর্ণাঙ্গ কারখানার সেটআপ।
আটক ট্রাক ও জব্দ মালামালের বিষয়ে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই এবং আইনগত কার্যক্রম গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। একইসঙ্গে বিধি অনুযায়ী জব্দ মালামাল সদর দপ্তরের কাস্টমস গুদামে জমা দেওয়ার কার্যক্রমও চলছে।
৪৯ দিন আগে
জামিনে মুক্ত বিদিশা সিদ্দিক
প্রতারণার মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড পাওয়া সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রাক্তন স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তিনি কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান বলে জানিয়েছেন কারগারটির সিনিয়র জেল সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. নজরুল ইসলাম।
তিনি আরও জানান, এদিন সকালে বিদিশার জামিনের কাগজপত্র কারাগারে এসে পৌঁছালে যাচাই-বাছাই শেষে তাকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরে বিকেলে তিনি জামিনে মুক্তি পেয়ে কারাগার থেকে বেরিয়ে যান।
প্রতারণার এক মামলায় গত ২৫ আগস্ট রাতে রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্তোরাঁ থেকে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত বিদিশাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন বিদিশাকে আদালতে হাজির করা হলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর গত ৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে জামিন পান তিনি।
এর আগে গত ২০ মে ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে একটি মামলায় বিদিশাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত। রায়ের দিন আদালতে অনুপস্থিত থাকায় বিদিশার বিরুদ্ধে সাজার পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
ঢাকার পল্লবী এলাকার ব্যবসায়ী এ কে এম মোশাররফ হোসেন সিকদার ২০০৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি গুলশান থানায় মামলাটি করেন। মামলার এজাহার অনুযায়ী, মোশাররফ ২০০১ সালের ১০ জুলাই বারিধারায় একটি ফ্ল্যাটের জন্য বিদিশাকে ৭৫ লাখ টাকা দেন। ফ্ল্যাটটি ২০০২ সালের ১০ জুলাইয়ের মধ্যে হস্তান্তরের কথা ছিল। তবে কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও ফ্ল্যাটটি হস্তান্তর করা হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
পরে ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বিদিশা ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দিলেও পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেকটি প্রত্যাখ্যাত (ডিসঅনার) হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
এছাড়া অভিযোগকারী জানান, টাকা ফেরত দেওয়া বা ফ্ল্যাট হস্তান্তর—কোনোটিই না করে বিদিশা বিভিন্ন অজুহাতে বিষয়টি বিলম্বিত করেন। পরে তিনি তাকে হত্যার হুমকিও দেন।
৫০ দিন আগে
এসআই আলতাফ পিটিয়ে হত্যা মামলার আরও ৮ আসামি গ্রেপ্তার
ঢাকার সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশী এলাকায় পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) উপপরিদর্শক (এসআই) আলতাফ হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আরও আট আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
তাদের মধ্যে র্যাব-১০ মুন্সীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা থেকে চারজনকে এবং র্যাব-৪ সাভারের আমিনবাজার এলাকা থেকে আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন: আলাউদ্দিন, আপন, জিহাদ, ইমরান, নূর মোহাম্মদ রুদ্র, রাকিব মিয়া, সাব্বির আহমেদ ও মো. ওয়াসিম।
এর আগে এ মামলার প্রধান আসামি জহিরুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। র্যাব জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাব-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আসাদুজ্জামান।
গত ৫ আগস্ট আমিনবাজারের বড়দেশী এলাকায় ৫৮ বছর বয়সী এসআই আলতাফ হোসেনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। সেদিন রাত সাড়ে ৮টা থেকে রাত ১১টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।
একটি অটোরিকশা গ্যারেজের মালিককে একটি প্রাইভেটকারের চালক ও তার সহযোগীরা মারধর করছিলেন। আলতাফ হোসেন এর প্রতিবাদ করলে তাদের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়।
র্যাব জানায়, গ্যারেজে একটি অটোরিকশা রাখাকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধ গ্যারেজ মালিককে মারধর করা হচ্ছিল। বিষয়টি দেখে আলতাফ প্রতিবাদ করলে তাকে মারধরকারীদের সঙ্গে তার বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়।
একপর্যায়ে আসামিরা উত্তেজিত হয়ে ওঠে। আলতাফ নিজেকে পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিলেও হামলাকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।
জীবন বাঁচাতে আলতাফ তার ছেলে আরিফুলের মালিকানাধীন একটি পোশাক কারখানায় গিয়ে আশ্রয় নেন। হামলাকারীরা তার পিছু নিয়ে সেখানে যায় এবং আরও ১৫ থেকে ২০ জন সহযোগীকে ডেকে আনে। পরে তারা কারখানার ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে।
এরপর দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে আলতাফ ও তার ছেলে আরিফুলকে এলোপাতাড়ি মারধর করে তারা। এ সময় কারখানার যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্রও ভাঙচুর করা হয়।
স্থানীয়রা আহত বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করে ঢাকার শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আলতাফকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সাভার মডেল থানায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
র্যাব-১০ জানায়, গোয়েন্দা নজরদারি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জ সদর থানার আওতাধীন লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা থেকে মামলার চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১০-এর অধিনায়ক আসাদুজ্জামান বলেন, আপন কিশোর গ্যাংয়ের একজন দলনেতা এবং মাদক সরবরাহকারী। বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রয়েছে।
তিনি জানান, হামলার সময় আপন স্টিলের পাইপ দিয়ে এসআই আলতাফের মাথায় আঘাত করে। আর জিহাদ ছুরি দিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে র্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন। ঘটনার সময় সব আসামিই মাদকাসক্ত ছিল।
তিনি আরও বলেন, বৃদ্ধ গ্যারেজ মালিককে মারধর করতে দেখে আলতাফ মানবিকতার পরিচয় দিয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন। এতে আসামিরা ক্ষুব্ধ হয়ে তার ওপর হামলা চালায়।
৫১ দিন আগে
নিরাপদ খাদ্য আইনে আগস্টে ৫০ মামলা, ১ কোটি টাকা জরিমানা আদায়
নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ বাস্তবায়নে আগস্ট মাসে সারা দেশে ৫৯টি অভিযান পরিচালনা করে ৫০টি মামলা দায়ের করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। এসব অভিযানে মোট ১ কোটি টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। একই সময়ে ১ হাজার ১৯৮টি খাদ্যস্থাপনা মনিটরিং এবং ১৩টি রপ্তানিযোগ্য পণ্যের স্বাস্থ্যসনদ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএফএসএ এ তথ্য জানিয়েছে।
সংস্থাটি জানায়, আগস্ট মাসে ঢাকা মহানগর এলাকায় ২৫টি অভিযানে ১০ লাখ টাকা জরিমানা ও ১০টি মামলা করা হয়। ঢাকা মহানগরের বাইরে দেশের বিভিন্ন জেলায় ২৯টি অভিযানে ৪৮ লাখ টাকা জরিমানা ও ৩১টি মামলা করা হয়েছে।
এছাড়া বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের বিচারক ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ৪২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং নয়টি মামলা দায়ের করা হয়।
এদিকে, ৩০ আগস্ট থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক সপ্তাহে রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালিয়ে সাতটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং সাতটি মামলা করা হয়েছে।
এ সময়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। বাধ্যতামূলক নিবন্ধন না করে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, নকল পণ্য উৎপাদন, পচা-বাসি খাবার বিক্রি এবং ট্রেড লাইসেন্স ও বিএসটিআইয়ের সনদ প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়।
অন্যদিকে, ওই সাত দিনে চট্টগ্রাম, সিলেট ও লক্ষ্মীপুর জেলায় চারটি প্রতিষ্ঠানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। উৎপাদনস্থলে তেলাপোকা-ছারপোকার বিচরণ, অনুমোদনহীন ঘি ও রং ব্যবহার, কাচ্চুরি থেরিতে কেওড়াজল ব্যবহার, পণ্যে লেবেল না থাকা, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার উৎপাদন এবং পোড়া তেল ব্যবহারের মতো অপরাধে প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ ঘটনায় চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বিএফএসএ বলেছে, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সারা দেশে খাদ্যস্থাপনা মনিটরিং কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহে বাজার, হোটেল-রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকান এবং খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানসহ মোট ১৩৭টি খাদ্যস্থাপনায় মনিটরিং করা হয়।
মনিটরিংয়ের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ, পরিবেশন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণনে নিরাপদ খাদ্যবিধি অনুসরণের বিষয়টি তদারকি করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে বিএফএসএর বহুমুখী প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এর অংশ হিসেবে নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ, স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য উৎপাদন ও বিপণন এবং ভোক্তাদের করণীয় বিষয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার চালানো হচ্ছে।
৫১ দিন আগে
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হাজতি ও কয়েদির মৃত্যু
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে আবুল বাশার (৫৪) নামে এক হাজতি এবং আব্দুল কাইয়ুম (৬২) নামে এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে অচেতন অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
কারারক্ষী শহীদ জানান, হাজতি আবুল বাশারের বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া এলাকায়। তার বাবার নাম সেকান্দার আলী। তবে তিনি কোন মামলায় কারাগারে ছিলেন, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
তিনি জানান, রবিবার সকালে কেন্দ্রীয় কারাগারে আবুল বাশার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কয়েকজন কারারক্ষী তাকে চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অপরদিকে, কারারক্ষী হেমায়েত হোসেন জানান, একই সকালে কেন্দ্রীয় কারাগারে কয়েদি আব্দুল কাইয়ুম অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কারারক্ষীরা তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
কারারক্ষী হেমায়েত জানান, আব্দুল কাইয়ুমের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম এলাকায়। তার বাবার নাম দুদুমিয়া। তবে তিনি কোন মামলায় কারাগারে ছিলেন, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে আবুল বাশার ও আব্দুল কাইয়ুমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, তাদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। ময়নাতদন্ত শেষে কারা কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
৫১ দিন আগে
ঢাবি শিক্ষক ওয়াসেল বিন সাদাতকে বরখাস্ত কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট
ছাত্রীকে যৌন হয়রানির দায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) শিক্ষক ওয়াসেল বিন সাদাতকে চূড়ান্ত বরখাস্তের আদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
একটি রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে রোববার বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) এ রুল জারি করেন। সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মুরাদ হোসাইন।
২০২৩ সালের আগস্টে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী গবেষণাপত্র জমা দিতে এসে শিক্ষক ওয়াসেল বিন সাদাতের কক্ষে যৌন হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেন। ওয়াসেল ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কোর্সের এক্সটার্নাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
অভিযোগপত্রে ওই ছাত্রী উল্লেখ করেন, অধ্যাপক ওয়াসেল তার থিসিস সুপারভাইজার। ১৫ আগস্ট থিসিসের বিষয়ে দেখা করতে গেলে তিনি অত্যন্ত অমার্জিত আচরণ শুরু করেন। পরে ওয়াসেল তাকে মৌখিক ও শারীরিকভাবে হয়রানি করেন বলে অভিযোগ করেন ওই ছাত্রী।
অভিযোগে বলা হয়, সেদিন অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় পুরো ভবনটি খালি ছিল।
ওই অভিযোগের পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রথমে ওয়াসেল বিন সাদাতকে সাময়িক বরখাস্ত করে। পরে গত ৪ আগস্ট তাকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়।
চূড়ান্ত বরখাস্তের ওই আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিটটি করা হয়। এর প্রাথমিক শুনানি শেষে আজ রবিবার হাইকোর্ট রুল জারি করেন।
৫১ দিন আগে
আরও দুই মামলায় চিন্ময় দাসের হাইকোর্টে জামিন
ভাঙচুর ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে করা দুই মামলায় সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের বেঞ্চ জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল যথাযথ (অ্যাবসোলিউট) ঘোষণা করে এ আদেশ দেন।
এর আগে, গত ৩ আগস্ট একই বেঞ্চ ভাঙচুর, হামলা ও সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে করা দুই মামলায় চিন্ময় দাসকে জামিন দেন। তবে তার বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন থাকায় এখনই তিনি কারামুক্ত হতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
চিন্ময়ের আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য বলেন, ‘রবিবার চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানার দুইটা মামলায় জামিন হয়েছে। একটা হলো ভাঙচুরের মামলা, আরেকটা পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার মামলা।’
তিনি জানান, চিন্ময়ের বিরুদ্ধে মোট আটটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ধামকেন্দ্রিক দুটি সিআর মামলায় তিনি আগে থেকেই জামিনে আছেন। সমসাময়িক সময়ে হওয়া ছয়টি মামলার মধ্যে পাঁচটিতে জামিন হয়েছে। চারটি মামলায় রুলের বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং একটি মামলা আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
এছাড়া আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলাটি চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে বলে জানান অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য।
সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে ওই বছরের ৩১ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হয়।
চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানায় ১৯ জনকে আসামি করে মামলাটি করেন তৎকালীন নগরের চান্দগাঁও মোহরা ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ খান।
ওই মামলায় পরদিন চট্টগ্রামের আদালতে হাজির করা হলে চিন্ময়ের জামিন আবেদন নাকচ হয়। এ সময় তার অনুসারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষের মধ্যে আদালত-সংলগ্ন এলাকায় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে।
ওই ঘটনায় আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। পরে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই মামলায়ও চিন্ময় দাসকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন আদালত।
এ ছাড়াও হত্যাচেষ্টা, হামলা, সরকারি কাজে বাধা, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলা এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশের করা তিনটি এবং আলিফের ভাইয়ের করা একটি মামলাসহ আরও কয়েকটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
৫১ দিন আগে
প্রতারণার মামলায় বিদিশা সিদ্দিককে হাইকোর্টের জামিন
প্রতারণার মামলায় দুই বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে তার মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. রাফিজুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর আগে প্রতারণার মামলায় দুই বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিদিশা সিদ্দিককে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠিয়েছিলেন বিচারিক আদালত।
আদালতে বিদিশার পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান খান ও অ্যাডভোকেট মাসুদ মিয়া। পরে এ বিষয়ে আইনজীবী মাসুদ মিয়া বলেন, বিদিশার বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা না থাকায় তার মুক্তিতে বাধা নেই।
গত ২৬ আগস্ট প্রতারণার মামলায় বিদিশাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। এ মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড হওয়ায় তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা ছিল।
গত ২৫ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্তোরাঁ থেকে বিদিশাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে গত ২০ মে ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে একটি মামলায় বিদিশাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম ওই রায় ঘোষণা করেন। সে সময় কারাদণ্ডের পাশাপাশি বিদিশাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়। রায়ের দিন আদালতে অনুপস্থিত থাকায় বিদিশার বিরুদ্ধে সাজার পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
ঢাকার পল্লবী এলাকার ব্যবসায়ী এ কে এম মোশাররফ হোসেন সিকদার ২০০৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি গুলশান থানায় মামলাটি করেন। মামলার এজাহার অনুযায়ী, মোশাররফ ২০০১ সালের ১০ জুলাই বারিধারায় একটি ফ্ল্যাটের জন্য বিদিশাকে ৭৫ লাখ টাকা দেন। ফ্ল্যাটটি ২০০২ সালের ১০ জুলাইয়ের মধ্যে হস্তান্তরের কথা ছিল। তবে কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও ফ্ল্যাটটি হস্তান্তর করা হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
পরে ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বিদিশা ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দিলেও পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেকটি প্রত্যাখ্যাত (ডিসঅনার) হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
এছাড়া অভিযোগকারী জানান, টাকা ফেরত দেওয়া বা ফ্ল্যাট হস্তান্তর—কোনোটিই না করে বিদিশা বিভিন্ন অজুহাতে বিষয়টি বিলম্বিত করেন। পরে তিনি তাকে হত্যার হুমকিও দেন।
৫২ দিন আগে
সাভারে গাড়ি পার্কিং নিয়ে বিরোধ, এসবি কর্মকর্তাকে পিটিয়ে হত্যা
সাভারের আমিনবাজারে ছেলের পোশাক কারখানার সামনে ব্যক্তিগত গাড়ি পার্কিং নিয়ে বিরোধের জেরে একদল হামলাকারীর মারধরে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এক উপপরিদর্শক (এসআই) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত এসআই আলতাফ হোসেন (৫৮) ঢাকা সিটি এসবির মার্কেটিং ইন্টেলিজেন্সে কর্মরত ছিলেন। তিনি সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার রূপনাই গাছপাড়া গ্রামের মৃত জুরান আলী শেখের ছেলে।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে আমিনবাজারের বড়দেশী মদিনা হাউজিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আলতাফ তার পরিবারের সঙ্গে ওই এলাকায় বসবাস করতেন।
এসবি থেকে পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়েছে, ওই এলাকায় একটি ব্যক্তিগত গাড়ি পার্কিং নিয়ে আলতাফ ও তার ছোট ছেলে আরিফুল ইসলামের (২৬) সঙ্গে বড় ছেলে শরীফের (৩৩) মালিকানাধীন পোশাক কারখানার সামনে প্রায় ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দলের বিরোধ হয়। একপর্যায়ে তারা আলতাফ ও আরিফুলের ওপর হামলা চালালে তারা আহত হন।
পুলিশ আরও জানায়, মদিনা হাউজিং এলাকায় মো. আলামিনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন আলতাফ। ওই এলাকায় তার পাঁচ শতাংশ জমিও ছিল, যেখানে ছোট পোশাক কারখানাটি স্থাপন করা হয়েছিল।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম আজাদ বলেন, পোশাক কারখানার সামনে একটি গাড়ি পার্ক করা নিয়ে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা রাত ৯টা ১৮ মিনিটের দিকে আলতাফকে মৃত ঘোষণা করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। অন্যদিকে আরিফুল হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
সাভার মডেল থানার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে জহুরুল ইসলাম (৩০) নামের একজনকে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পুলিশ আটক করেছে। তিনি মুসলেম উদ্দিনের ছেলে।
৫২ দিন আগে
শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত শেষ করার আশ্বাস চিফ প্রসিকিউটরের
শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ মামলার ১১ জন আসামি কারাগারে রয়েছেন। আর ৩০ জন আসামি পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। পরোয়ানা অনুযায়ী আসামিদের নিজ নিজ ঠিকানায় গিয়েও তাদের পাওয়া যায়নি।
এ অবস্থায় পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে দুটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এসব আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানান তিনি।
শাপলা চত্বরের মামলাটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেখা হচ্ছে জানিয়ে আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বিচারকার্যে সব মামলাকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকি। তবে শাপলা চত্বর গণহত্যার মামলাটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুততার সঙ্গে শেষ করার চেষ্টা করব।’
২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনা নিয়ে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের বক্তব্যের সমালোচনা করেন চিফ প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, ওই সময় ঘটনাটিকে ‘রং মেখে অভিনয়’ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল। অথচ ৬১ জন আলেম-ওলামাকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনার বিচারকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। নানা ধরনের মিথ্যা প্রচারণাও চালানো হয়েছিল। তবে ধর্মপ্রাণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা ছিল, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার হোক।
আমিনুল ইসলাম বলেন, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার এখন মানুষের গণদাবিতে পরিণত হয়েছে। জনগণের এই দাবির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে মামলাটির বিচার দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করা হবে।
৫৫ দিন আগে