শিক্ষা
উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জকসুর ভোটগ্রহণ চলছে
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর প্রথমবারের মতো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী (জকসু) সংসদের প্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে যা চলবে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। মোট ৩৯টি কেন্দ্রে ১৭৮টি বুথে ভোটগ্রহণ হচ্ছে।
শীতের মধ্যেই নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র আবাসিক হল নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী হল সংসদ নির্বাচনও হচ্ছে।
এই নির্বাচনে মোট ১৬ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এছাড়া হল সংসদে ১ হাজার ২৪২ জন শিক্ষার্থী ভোট প্রদান করবেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি ভবনের ৩৯টি ভোটকেন্দ্রে ১৭৮টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৮টি কেন্দ্র কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের জন্য এবং একটি পৃথক কেন্দ্র হল সংসদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নির্বাচনে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবক দল মোতায়েন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জবি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজন করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশ গড়ে তোলা ও নেতৃত্ব বিকাশে এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি আশা করি, ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে শৃঙ্খলার সঙ্গে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক জানান, নির্বাচন উপলক্ষে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহাল থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে লড়ছেন মোট ১২ জন প্রার্থী। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯ জন। আর সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে লড়ছেন ৮ জন।
অন্যদিকে, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক পদে ৪ জন, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক পদে ৯ জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ৫ জন, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক পদে ৫ জন, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক পদে ৪ জন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে ৮ জন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ৭ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ৭ জন, পরিবহন সম্পাদক পদে ৪ জন, সমাজসেবা ও ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক পদে ১০ জন, গপাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক পদে ৭ জন এবং সাতটি কার্যনির্বাহী সদস্য পদে মোট ৫৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
অপরদিকে, নারী হল সংসদে ১৩টি পদের মধ্যে ভিপি পদে ৩ জন, জিএস পদে ৩ জন, এজিএস পদে ২ জন, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ২ জন, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ৪ জন, পাঠাগার সম্পাদক পদে ২ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ২ জন, সমাজসেবা ও ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক পদে ২ জন, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক পদে ৪ জন এবং চারটি সদস্য পদে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
কেন্দ্রীয় সংসদ ও হল সংসদের ভোট দুটি আলাদা ব্যালটে নেওয়া হবে। আবাসিক হলের ছাত্রীরা দুটি ব্যালটে হল সংসদের ১৩ পদের ভোটসহ মোট ৩৪টি ভোট দিতে পারবেন। আর অনাবাসিক ভোটাররা শুধু কেন্দ্রীয় সংসদের ২১টি পদে ভোট দিতে পারবেন।
উল্লেখ্য, জবি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে তা স্থগিত করা হয়েছিল।
২১০ দিন আগে
ফেনীতে এবারও হচ্ছে না বই উৎসব
নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হলেও ফেনীতে এবারও বছরের প্রথম দিনে শতভাগ বই পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা। জেলাজুড়ে প্রাথমিক স্তরে শতভাগ পাঠ্যবই সরবরাহ সম্পন্ন হলেও মাধ্যমিক ও দাখিল স্তরে চাহিদার প্রায় অর্ধেকের বেশি বই পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা।
জেলা শিক্ষা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও মাদরাসা স্তরে পাঠ্যবইয়ের চাহিদার সরবরাহ এখনও বাকি থাকায় বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে সব বই পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।
শিক্ষা কার্যালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, ফেনীতে মাধ্যমিক পর্যায়ে মোট শিক্ষার্থী ১ লাখ ৬৪ হাজার ১৮৫ জন এবং মাদরাসায় ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩৫ জন। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দাখিলে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে বইয়ের মোট চাহিদা ৭ লাখ ৭৬ হাজার ৮৯০টি। যেখানে এখন পর্যন্ত বই এসেছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৮০টি। মোট বই প্রাপ্তির হার ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ।
এছাড়া মাধ্যমিকে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে বইয়ের মোট চাহিদা ১৩ লাখ ৫৩ হাজার ৫৫৫টি। তবে, এখন পর্যন্ত বই এসেছে ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৭৬০টি। মোট বই প্রাপ্তির হার ২৮ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিকে জেলায় মোট বরাদ্দকৃত বইয়ের সংখ্যা ৫ লাখ ৬২ হাজার ৯২৮টি। চাহিদার শতভাগ বই ইতোমধ্যে জেলার ৫৫৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৌঁছে গেছে। ফেনীর ছয় উপজেলার মধ্যে সদর উপজেলায় বরাদ্দকৃত বই ২ লাখ ৯ হাজার ৬২২টি, দাগনভূঞায় ৯১ হাজার ৬৭০টি, সোনাগাজীতে ১ লাখ ৯ হাজার ৪০০টি, ছাগলনাইয়ায় ৫৯ হাজার ৬৪৪টি, পরশুরামে ৪২ হাজার ৫৮২টি ও ফুলগাজীতে ৫০ হাজার ১০টি।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফিরোজ আহাম্মদ বলেন, প্রাথমিকে ইতোমধ্যে চাহিদা অনুযায়ী শতভাগ বই এসেছে। সবগুলো বিদ্যালয়ে বই পৌঁছে গেছে। বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীরা শতভাগ নতুন বই হাতে পাবে।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফী উল্লাহ বলেন, এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে প্রায় ৬০ শতাংশ বই এসেছে। প্রতিদিন বই আসছে। বছরের শুরুর দিনে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা শতভাগ পাবে না। চাহিদার শতভাগ বই কবে পাওয়া যাবে সেই বিষয়েও এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। এছাড়া আনুষ্ঠানিকভাবে বই উৎসব না হলেও বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীরা সুবিধাজনকভাবে তাদের বই সংগ্রহ করবেন।
প্রসঙ্গত, এর আগে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে শুরু হয়েছিল নতুন কারিকুলামে পাঠদান। এক বছরের মাথায় রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর আবারও গত বছর পূর্বের কারিকুলামে ফিরে যায় শিক্ষাব্যবস্থা।
২১৪ দিন আগে
ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াডের সেরা দশে বাংলাদেশের ৩ দল
সিঙ্গাপুরে আয়োজিত বিশ্বের অন্যতম সম্মানজনক রোবটিকস প্রতিযোগিতা ‘ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড ২০২৫’-এ বাংলাদেশের তিনটি দল সেরা দশে স্থান অর্জন করেছে।
এই তিন দলের মধ্যে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু নাফিস মোহাম্মদ নূরের নেতৃত্বাধীন টিম লেজি গো ফিউচার ইঞ্জিনিয়ার্স ক্যাটাগরিতে ষষ্ঠ স্থান অর্জন করেছে। বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজের শিক্ষার্থী আফিয়া হুমায়রার নেতৃত্বাধীন সাইবার স্কোয়াড ফিউচার ইনোভেটরস ক্যাটাগরির জুনিয়র গ্রুপে নবম স্থান পেয়ে রৌপ্য পদক জিতেছে। এছাড়া মাস্টারমাইন্ড ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষার্থী ফাতিন আল হাবিবের নেতৃত্বাধীন সোরাল্যাবস ফিউচার ইনোভেটরস ক্যাটাগরির সিনিয়র গ্রুপে নবম স্থান অর্জন করে রৌপ্য পদক লাভ করেছে।
গত ২৬ থেকে ২৮ নভেম্বর সিঙ্গাপুরের মেরিনা বেই স্যান্ড এক্সপোতে রোবটিকস ও প্রযুক্তির এই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ থেকে নয়টি দল এবারের আসরে অংশ নেয়। আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় সেরা দশের বাইরে আরও কয়েকটি দল পদক লাভ করেছে। এর মধ্যে টিম ইনক্রেভো ফিউচার ইনোভেটরস ক্যাটাগরির সিনিয়র গ্রুপে সিলভার পদক, টিম ডমিনাস রোবোমিশন ক্যাটাগরির এলিমেন্টারি গ্রুপে ব্রোঞ্জ পদক, টিম নেক্সোরা রোবোমিশন ক্যাটাগরির জুনিয়র গ্রুপে ব্রোঞ্জ পদক এবং টিম এক্স-ফ্যানাটিক রোবোমিশন ক্যাটাগরির সিনিয়র গ্রুপে ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেছে।
ফিউচার ইঞ্জিনিয়ার্স ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের টিম ইকো ড্রিফট ২৯তম স্থান অধিকার করেছে। রোবোস্পোর্টস ক্যাটাগরিতে ৫৬টি দলের মধ্যে বাংলাদেশের দল ফিউশনবোটিক্স গ্রুপ পর্বে চতুর্থ স্থান অর্জন করে।
টিম লেজি গো দলের সদস্যরা হলেন: ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবু নাফিস মোহাম্মদ নূর, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের রাকিবুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের ইকবাল সামিন।
টিম ইকো ড্রিফট দলের সদস্যরা হলেন: ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সের নুরুল ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. সালেহ সাদিক এবং লিডিং ইউনিভার্সিটির মাজেদুল ইসলাম।
সাইবার স্কোয়াড দলের সদস্যরা হলেন: তায়েফ মাহমুদ, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজের আফিয়া হুমায়রা এবং ব্রিটিশ স্ট্যান্ডার্ড স্কুলের হুমায়রা আফিয়া।
টিম ইনক্রেভো দলের সদস্যরা হলেন: সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের নাফিস ইশতিয়াক, মো. আব্দুল্লাহ আল মিজান এবং মো. সাজ্জাদ আল ফুয়াদ।
সোরাল্যাবস দলের সদস্যরা হলেন: রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুদীপ্ত মন্ডল, মাস্টারমাইন্ড ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ফাতিন আল হাবিব এবং হলি ক্রস কলেজের ফাতেমা হারুন।
ফিউশনবোটিক্স দলের সদস্যরা হলেন: বিএএফ শাহীন ইংলিশ মিডিয়াম কলেজের মেহতাজ উদ্দিন আহমেদ এবং ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের মুয়াজ ইবনে বাশার।
টিম এক্স-ফ্যানাটিক দলের সদস্যরা হলেন: মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের মাহির তাজওয়ার চৌধুরী, ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের আমিন আনোয়ার আইমান এবং রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের মুয়াম্মার দাইয়ান অরিত্র।
টিম নেক্সোরা দলের সদস্যরা হলেন: রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের আফিফা জাফরীন, ইশরাত জাহান এবং মরিয়ম হোসেন।
টিম ডমিনাস দলের সদস্যরা হলেন: প্লেপেন স্কুলের রুওয়াইজা আমিরা সুলতান এবং লাইটহাউস ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ইউসুফ আব্দুল্লাহ বিন আলম।
এর আগে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হয় ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড ২০২৫-এর বাংলাদেশ জাতীয় পর্ব। জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ীদের নিয়ে প্রায় এক মাসব্যাপী আন্তর্জাতিক দল নির্বাচনী ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। এই ক্যাম্পে সাফল্য ও দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ দল।
২৪৩ দিন আগে
পরীক্ষা না নিয়ে নম্বর দেওয়া শিক্ষাব্যবস্থাকে পেছনে ফেলে দিয়েছিল: শিক্ষা উপদেষ্টা
পূর্ববর্তী সময়ে ফলাফল প্রকাশের ভুল সিদ্ধান্তগুলোর সমালোচনা করে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার বলেছেন, ‘পরীক্ষা না নিয়ে নম্বর দেওয়া ছিল অগ্রহণযোগ্য। এটি শিক্ষাব্যবস্থাকে পেছনে ফেলে দিয়েছিল। আমরা সেখান থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেছি।’
উপদেষ্টা আরও বলেছেন, মূল্যায়নে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীদের পড়ার সক্ষমতা ও গণিতে সক্ষমতা উভয় ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য দুর্বলতা রয়েছে। এগুলোকে আরও বড় পরিসরে মূল্যায়ন করার প্রয়োজন রয়েছে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাজধানীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘শিক্ষার মান নিয়ে যে উদ্বেগ দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান, তা কাটাতে বাস্তবসম্মত ও নির্মোহ মূল্যায়ন ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই।’
তিনি বলেন, ‘অভিভাবক, শিক্ষক—সকলেই শিক্ষার মানের অবনতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। বহু উদ্যোগ নেওয়া হলেও গ্রাসরুট (তৃণমূল) পর্যায়ের বাস্তব চ্যালেঞ্জগুলোকে আরও গভীরভাবে বুঝতে হবে।’
শিক্ষার মান উন্নয়নে যেসব তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়েছে, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং ভবিষ্যত নীতিমালার ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে বলে জানান তিনি।
অধ্যাপক আবরার জানান, বাংলাদেশের মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষার মান আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে কোথায় অবস্থান করছে, তা জানতে সরকার ইতোমধ্যে একটি আন্তর্জাতিক মূল্যায়ন কাঠামোর সদস্য হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
তিনি বলেন, আমরা হয়তো নিচের দিকেই থাকব, তবে তাতে সমস্যা নেই। অন্ততপক্ষে জানব যে আমরা কোথায় আছি, কী ঠিক করতে হবে।
কোচিং, প্রাইভেট টিউশন ও গাইড বই প্রসঙ্গে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘শুধু নিষেধাজ্ঞা দিয়ে কোচিং বা গাইড বই বন্ধ হবে না। কেন এগুলোর চাহিদা তৈরি হচ্ছে, তা আগে বুঝতে হবে। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা কেন এগুলোর ওপর নির্ভরশীল, সেটাই মূল প্রশ্ন।’
স্কুল-কলেজের প্রশাসনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ শিক্ষাব্যবস্থায় বিপর্যয় এনেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি ঠিক করা এখন আমাদের সবচেয়ে জরুরি কাজগুলোর একটি।’
শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার দুটি মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার সমন্বয় ভবিষ্যতে আরও কার্যকর হবে। কসরুজ্জামান আহমেদের নেতৃত্বে মাধ্যমিক শিক্ষার একটি বিস্তৃত মূল্যায়ন উদ্যোগ চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
গবেষকদের সঙ্গে পরবর্তী বৈঠকের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গবেষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মন্ত্রণালয়ে এসে আমাদের আরও বিস্তারিত অবহিত করবেন। আমরা বিষয়টি অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে পর্যালোচনা করব।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তা ও শিক্ষাবিদগণ। শিক্ষা পরিবারের সদস্য, গবেষক ও নীতিনির্ধারকরা এতে উপস্থিত ছিলেন।
২৫০ দিন আগে
জাবিতে ভর্তির অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরু, চলবে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষে ভর্তির অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কর্যক্রম শুরু হয়েছে। এ কার্যক্রম চলবে আগামী ৭ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।
শনিবার (২২ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটায় প্রশাসনিক ভবনের কাউন্সিল কক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে রেজিস্ট্রেশন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে হবে। আগামী ৭ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইআইটি) এ বছরের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
আইআইটির পরিচালক অধ্যাপক ড. রিসালা তাসিন খান জানান, ভর্তি পদ্ধতি সহজ, সুষ্ঠু ও প্রযুক্তিনির্ভর রাখতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ভর্তি-সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (ju-admission.org) পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দপ্তর।
অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সোহেল আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রবসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, এ বছর জাবিতে প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২১ ডিসেম্বর থেকে।
২৫৪ দিন আগে
এইচএসসিতে যশোর বোর্ডে ফেল থেকে পাস ৫৪, নতুন করে জিপিএ-৫ পেল ৭২
যশোর শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি খাতা পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মোট ২১৬ জন শিক্ষার্থীর ফলাফল পরিবর্তিত হয়েছে। নতুন করে ৭২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। এছাড়া, আগের পরীক্ষায় ফেল হওয়া ৫৪ জন শিক্ষার্থী পুনর্নিরীক্ষণের মাধ্যমে পাস করেছেন।
রোববার (১৬ নভেম্বর) ফলাফল প্রকাশকালে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন জানান, নতুন করে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬৭ জন এ গ্রেড থেকে, ৩ জন এ-মাইনাস থেকে, ১ জন বি গ্রেড থেকে এবং ১ জন এফ গ্রেড থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
পুনর্নিরীক্ষণের মাধ্যমে পাস হওয়া ৫৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন, এ-মাইনাস ৪ জন, বি গ্রেড ২৪ জন, সি গ্রেড ৪ জন এবং ডি গ্রেড ২১ জন।
ড. আব্দুল মতিন বলেন, যশোর বোর্ডে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ৩৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন। তার মধ্যে মাত্র ২১৬ জনের ফলাফল পরিবর্তিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পুনর্নিরীক্ষণে খাতা নতুনভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি; শুধুমাত্র নম্বর পুনঃগণনা করা হয়েছে এবং আগের ভুল গণনার কারণে শিক্ষার্থীদের সঠিক নম্বর প্রদান করা হয়েছে।
২৬০ দিন আগে
রাত ১০টার পর ক্যাম্পাসে সব ধরনের অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করল জাবি প্রশাসন
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে শান্তিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাত ১০টার পর থেকে সব ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদ সিন্ডিকেট।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমানের সই করা এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের শান্তিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার স্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রাত ১০টার পর যেকোনো প্রকার অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করা হলো। রাত ১০টার পর কোনো অনুষ্ঠান চলমান থাকলে আয়োজকদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি বা রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অনুষ্ঠান চলাকালে শব্দের মাত্রা সহনীয় পর্যায়ে রাখার নির্দেশ দিয়ে এসব বিষয়ে সবার সহযোগিতা কামনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
২৬১ দিন আগে
দুই উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের
রাজধানীর শাহবাগে আন্দোলনরত শিক্ষকদের ওপর সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল নিক্ষেপ এবং লাঠিপেটায় শতাধিক শিক্ষক আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা। এ ছাড়া, তিন দফা দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা।
রোববার (৯ নভেম্বর) প্রাথমিকের শিক্ষকদের চারটি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত জোট 'প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ' এর ব্যানারে কর্মসূচী পালন করছেন শিক্ষকরা।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হামলার প্রতিবাদে দেশজুড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে একদিনের কর্মবিরতি পালন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, গতকাল শান্তিপূর্ণভাবে ‘কলম সমর্পণ’ কর্মসূচির সময় পুলিশ তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে পাঁচ সহকর্মীকে আটক করে এবং শতাধিক শিক্ষক আহত হন। তাছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা তাদের দাবিকে অযৌক্তিক আখ্যায়িত করেছেন। একারণে দুই উপদেষটার পদত্যাগ চেয়েছেন তারা।
কাশেম আরও জানান, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষকরা একই সঙ্গে অবস্থান কর্মসূচী এবং কর্মবিরতি চালিয়ে যাবেন।
শিক্ষকদের তিন দফা দাবি হলো— সহকারী শিক্ষকদের দশম গ্রেড দেওয়া, ১০ বছর ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড দেওয়া সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান ও শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির নিশ্চয়তা।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, দেশে বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৭টি এবং শিক্ষক সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ৮৪ হাজার। গত ২৪ এপ্রিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রধান শিক্ষকদের বেতন একাদশ থেকে দশম এবং ত্রয়োদশ থেকে দ্বাদশ গ্রেডে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন সহকারী শিক্ষকরা।
অন্যদিকে, সহকারী শিক্ষকদের আরেক অংশ ‘প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত দাবি আদায়ের সময়সীমা দিয়েছে। দাবি পূরণ না হলে তারা ২৩ ও ২৪ নভেম্বর অর্ধদিবস কর্মবিরতি, ২৫ ও ২৬ নভেম্বর পূর্ণদিবস কর্মবিরতি এবং ২৭ নভেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন।
এ ছাড়া ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে পরীক্ষা বর্জন ও আমরণ অনশন কর্মসূচি পালনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা।
২৬৭ দিন আগে
‘পুলিশের হামলার’ প্রতিবাদে রবিবার থেকে কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা
তিন দফা দাবিতে কর্মসূচি চলাকালে ‘পুলিশের হামলার’ প্রতিবাদে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
রবিবার (৯ নভেম্বর) থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
দশম গ্রেডে বেতনসহ তিন দফা দাবিতে আজ (শনিবার) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শাহবাগের উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু করেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রাথমিক শিক্ষকরা এ পদযাত্রায় যোগ দেন। তবে পুলিশ বাধায় পণ্ড হয়ে যায় তাদের পদযাত্রা।
২৬৮ দিন আগে
তিনদফা দাবিতে শহীদ মিনারে চলছে প্রাথমিক শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচী
দশম গ্রেডে বেতনসহ তিন দফা দাবিতে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচী শুরু করেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা।
শনিবার (৮ নভেম্বর) সকাল থেকে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’ নামে চারটি শিক্ষক সংগঠনের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা।
দাবিগুলো হলো— দশম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ, ১০ বছর ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড সমস্যার সমাধান এবং শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি।
শিক্ষকরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সহকারী শিক্ষকেরা দশম গ্রেড বেতন স্কেলের দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছেন। এর আগে একাধিকবার আলোচনায় বসা হলেও কোনো ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছেন তারা।
গত ২৪ এপ্রিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১১তম থেকে ১০ম গ্রেডে এবং ১৩তম গ্রেডের শিক্ষকদের ১২তম গ্রেডে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়।
তবে সহকারী শিক্ষকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তে আমাদের দাবির প্রতিফলন ঘটেনি, তাই আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছি।
এর আগে গত ১৭ অক্টোবর থেকে শিক্ষকরা আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। কিন্তু আন্দোলনের একটি অংশ হঠাৎ করে তা স্থগিত করে। পরে শুক্রবার (৭ নভেম্বর) তারা আবারও অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেন, যা শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে।
২৬৮ দিন আগে