শিক্ষা
ঢাকায় শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশি হামলা, প্রতিবাদে শাবিতে বিক্ষোভ
ঢাকায় প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (২৭ আগস্ট) বিকাল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বরে এ সমাবেশ করেন তারা। পূর্বঘোষিত ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিন দফা দাবিতে প্রকৌশলের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।
এসময় পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ধস্তাধস্তি হয়। ঘটনাস্থলে লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড এবং জলকামান ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ। এসব হামলার তদন্ত করে বিচার নিশ্চিত ও প্রকৌশলীদের যৌক্তিক দাবি আদায়ে শাবিপ্রবিতে বিক্ষোভ করেন তারা।
আরও পড়ুন: শাবিতে নতুন ৭ সহকারী প্রক্টর নিয়োগ
সমাবেশে সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. শাহিদুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি আদায়ে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু সেদিকে সরকার কর্ণপাত করছেন না। আজকে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে যেভাবে পুলিশ হামলা করেছে আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। তদন্ত সাপেক্ষে হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, 'সব সময় কেন শুধু মুভমেন্ট করে দাবি আদায় করতে হবে। এটা তো কোনো অমূলক দাবি না। তাই দ্রুত শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
২৫১ দিন আগে
হিটের ১৫১ উপ-প্রকল্প বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ইউজিসি’র চুক্তি সই
হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত ১৫১টি উপ-প্রকল্প বাস্তবায়নে দেশের ৪৩টি পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।
বুধবার (২৭ আগস্ট) রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে চুক্তি এই সই হয়। ইউজিসি সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম এবং উপ-প্রকল্পপ্রাপ্ত পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্বিবিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এসএমএ ফায়েজ।
ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাইদুর রহমান, অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম, বিশ্ব ব্যাংকের প্রাকটিস ম্যানেজার কেইকো ইনোউএ, লিড ইকোনোমিস্ট ও টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার টবি লিনডেন, টাস্ক টিম লিডার টিএম আসাদুজ্জামান, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও সাব-প্রজেক্ট ম্যানেজারগণ বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে হিটের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান সাব-প্রজেক্ট নির্বাচন প্রক্রিয়াসহ প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি তুলে ধরেন।
ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফায়েজ বলেন, হিটের উপ-প্রকল্প নির্বাচনে উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ও জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি উপ-প্রকল্পপ্রাপ্ত শিক্ষক ও গবেষকদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি এ কাজে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, ডিনসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনকে তাদের সহযোগিতা করার পরামর্শ দেন।
অধ্যাপক তানজীমউদ্দিন খান প্রকল্পপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রকল্পের সকল কাজ সফলভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহবান জানান।
তিনি আরও বলেন, গত এক বছরে নানা রকম চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়েছে। এই প্রকল্পের অর্থ জনগণের করের টাকা ও বিশ্বব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে। এই অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে বলে তিনি জানান। অনুষ্ঠানে ইউজিসি’র পরিচালকসহ বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্বব্যাংক ও হিট প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, হিট প্রকল্পের অধীনে বিভিন্ন উপ-প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের থেকে উন্মুক্ত প্রতিয়োগিতার মাধ্যমে প্রকল্প প্রস্তাব আহ্বান করা হয়। এতে মোট ১ হাজার ৪৮১টি উপ-প্রকল্প প্রস্তাব জমা হয়। যাচাই বাছাই শেষে ১৫১টি উপ-প্রকল্প চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করা হয়।
দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে পাঁচ বছর মেয়াদি (২০২৩-২০২৮) হিট প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ১৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়াধীন এই প্রকল্প ইউজিসি বাস্তবায়ন করছে।
২৫১ দিন আগে
ডাকসু ভিপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে রুমমেটকে ছুরি মারার অভিযোগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী জালাল আহমদ ওরফে জ্বালাময়ী জালালের হলে তার রুমমেটকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাবির হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হলের ৪৬২ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
জালাল আহমেদ টেলিভিশন ও ফিল্ম বিভাগের শিক্ষার্থী। আহত শিক্ষার্থী রবিউল হক রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮–১৯ সেশনের শিক্ষার্থী। তারা একই কক্ষের বাসিন্দা।
রবিউল বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে রাবিউল বলেন, ‘রাত সাড়ে ১২টার দিকে জালাল রুমে এসে লাইট অন করে এবং শব্দ করতে থাকে। ফলে আমার ঘুম ভেঙে যায়। তখন আমি বলি, সকালে আমাকে লাইব্রেরিতে যেতে হবে অযথা শব্দ করলে ঘুমে সমস্যা হচ্ছে। এতে সে রেগে গিয়ে আমাকে অবৈধ, বহিরাগত বলে। আমি প্রতিবাদ করলে আমাকে আঘাত করে জখম করে। পরে কোনোক্রমে আমি নিজেকে আত্মরক্ষা করি।’
আরও পড়ুন: ডাকসু নির্বাচন: চারুকলায় ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেলের ফেস্টুন ভাঙচুর
তবে ঘটনার পর এক ফেসবুক পোস্টে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জালাল। তিনিই বরং রবিউলের হামলার শিকার হয়েছেন বলে দাবি জালালের।
ওই পোস্টে নিজের ক্ষতচিহ্নের ছবি যুক্ত করে জালাল লিখেছেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল থেকে অবৈধ ও বহিরাগত শিক্ষার্থীদের বের করে দেওয়ার দাবিতে উকিল নোটিস পাঠানোর প্রাক্কালে হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের ৪৬২ নম্বর কক্ষে আজ রাত সাড়ে ১২টার দিকে আমাকে মেরেছে আমার রুমমেট রবিউল ইসলাম। সে গত কয়েক মাস ধরে অবৈধভাবে হলে অবস্থান করছে।’
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ বলেন, বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে প্রক্টরিয়াল দলের সদস্যরা গেছেন। সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
২৫১ দিন আগে
ডাকসু নির্বাচন: চারুকলায় ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেলের ফেস্টুন ভাঙচুর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণার প্রথম দিনেই চারুকলা অনুষদে (চারুকলা) শিবির-সমর্থিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’র ব্যানার ছুঁড়ে ফেলে ছবি বিকৃত করার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে এই ঘটনা ঘটে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে দেখা গেছে যে ফেস্টুনের ছবি বিকৃত করা হয়েছে, যা আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন।
সূত্র মতে, সকাল থেকেই বিভিন্ন প্যানেল এবং প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে। এর অংশ হিসেবে, চারুকলায় শিবির-সমর্থিত প্যানেল একটি অস্থায়ী ব্যানার স্থাপন করে। তবে, একটি ভিডিওতে দেখা গেছে যে কিছুক্ষণ পরেই অজ্ঞাত দুই ব্যক্তি এসে ফেস্টুনটি ছুঁড়ে ফেলে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের ক্রীড়া সম্পাদক মিফতাহুল মারুফ অভিযোগ করেছেন, ‘চারুকলা অনুষদে আমাদের দুটি ব্যানার-ফেস্টুন খুলে ফেলা হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছি। ফুটেজ পর্যালোচনা করলে দোষীদের শনাক্ত করা যাবে।’
এ বিষয়ে চারুকলা অনুষদের সহকারী প্রক্টর মো. ইসরাফিল বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি। কারা এটি করেছে তা শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।’
এদিকে, প্যানেল এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে।
এই বিষয়ে শিবির মঙ্গলবার(২৬ আগস্ট) বিকালে একটি সংবাদ সম্মেলনও করেছে। তারা প্রশাসনের কাছে জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
পড়ুন: ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থী ৪৭১
সংবাদ সম্মেলনে, জিএস প্রার্থী এসএম ফরহাদ বলেন, ‘আমাদের নানাভাবে ফাঁসানো হচ্ছিল। বলা হচ্ছিল যে, আমরা নারীদের স্থান দেই না। কিন্তু আমাদের জনপ্রিয়তা থামাতে না পেরে তারা ভিন্নভাবে চেষ্টা করছে। আজ প্রচারণা চালানো হচ্ছে নিয়ম মেনে। এখানে, ছবিতে একটি চোখ বিকৃত করে জুলাইকে অপমান করা হয়েছে, যারা জুলাইয়ে তাদের চোখ হারিয়েছেন তাদের অপমান করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘সাবিকুন নাহার তামান্নার ছবিতে যে আকৃতিটি আঁকা হয়েছে—তার মাধ্যমে নারীদের প্রতি, হিজাবের প্রতি বিদ্বেষ প্রকাশ করে। এটি ইসলামোফোবিয়া এবং ইসলামী সংস্কৃতির প্রতি বিদ্বেষের প্রকাশ।’
ফরহাদ আরও বলেন, ‘কিছু গণমাধ্যম চারুকলা বনাম ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ মুখোমুখি দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে। চারুকলার শিক্ষার্থীরা তাদের শিল্পকর্মের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে।’
২৫২ দিন আগে
জবি শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত, ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফেরদৌসী খাতুনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত ও ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিনের সই করা এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৫ এর ৪৪(৬) ধারা এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ এর বিধি ১২(১) এর অধীনে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বরখাস্ত ও ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আজ থেকে কার্যকর হবে।
পড়ুন: আইন ও ন্যায্যতার ভিত্তিতেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হবে: নবনিযুক্ত উপাচার্য
এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের মধ্যে রয়েছে শুধুমাত্র একটি ক্লাস অংশ নেওয়ার পর দুটি ক্লাসের জন্য উপস্থিতি দেওয়া, ধারাবাহিক মূল্যায়ন নম্বর দেওয়ায় অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতা এবং বিভাগীয় চেয়ারম্যান, রেজিস্ট্রার অফিস ও উপাচার্যের অফিসের কর্মকর্তাদের প্রতি অশালীন ভাষা ব্যবহার এবং হুমকি দেওয়া।
আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই ধরনের কাজ অসদাচরণ এবং নৈতিক স্খলনের নামান্তর। যার ফলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
২৫২ দিন আগে
ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থী ৪৭১
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মোট প্রার্থী রয়েছেন ৪৭১ জন। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়।
প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন জমা দেওয়া ৫০৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৮ জন স্বেচ্ছায় প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন। এ ছাড়া প্রাথমিক বাছাই প্রক্রিয়ায় বাদ পড়া ১০ জন প্রার্থী আপিল না করায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে চূড়ান্তভাবে ৪৭১ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
পড়ুন: ডাকসু নির্বাচন: সেনাবাহিনীর ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ মোতায়েনসহ থাকবে তিন স্তরের নিরাপত্তা
পদভিত্তিক প্রার্থী সংখ্যা-
সহ-সভাপতি (ভিপি) ৪৫ জন; সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ১৯ জন; সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ২৫ জন; মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ১৭ জন; কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক ১১ জন; আন্তর্জাতিক সম্পাদক ১৪ জন; সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ১৯ জন; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ১২ জন; গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক ৯ জন; ক্রীড়া সম্পাদক ১৩ জন; ছাত্র পরিবহন সম্পাদক ১২ জন; সমাজসেবা সম্পাদক ১৭ জন; স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক ১৫ জন; মানবাধিকার ও আইন বিষয়ক সম্পাদক ১১ জন; ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক ১৫ জন এবং কার্যনির্বাহী সদস্য পদে ২১৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এবারের ডাকসু নির্বাচনে মোট ৪৭১ জন প্রার্থী ২৮টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ৩৮তম ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
২৫২ দিন আগে
ডাকসু নির্বাচন: সেনাবাহিনীর ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ মোতায়েনসহ থাকবে তিন স্তরের নিরাপত্তা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৯ সেপ্টেম্বর। এদিন ৮টি ভোটকেন্দ্রে তিন স্তরের নিরাপত্তা থাকবে। প্রথম স্তরে বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসিসর সদস্য এবং প্রক্টোরিয়াল টিম থাকবে। দ্বিতীয় স্তরে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন থাকবে। তৃতীয় স্তরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি প্রবেশপথে ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে।
মঙ্গলবার(২৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে ভিপি, জিএস ও এজিএস প্রার্থীদের মধ্যে এক মতবিনিময় সভায় এই সিদ্ধান্তগুলো উপস্থাপন করা হয়।
সভায় রিটার্নিং অফিসাররা প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলা এবং সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার জন্য নির্দেশনা দেন।
এসময় আরও জানানো হয়েছে, প্রয়োজনে সেনাবাহিনী ক্যাম্পাসে প্রবেশ করবে এবং ভোটগ্রহণের পর, ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত, ভোটকেন্দ্র সেনা সদস্যরা ঘেরাও করে রেখে নিরাপত্তা দেবে। ভোট গণনার সময়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
এছাড়াও জানানো হয়েছে, নির্বাচনের আগের দিন (৮ সেপ্টেম্বর) এবং নির্বাচনের দিন (৯ সেপ্টেম্বর) মেট্রোরেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন বন্ধ থাকবে।
নির্বাচনের দিন, পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সম্পূর্ণরূপে সিলগালা থাকবে। বৈধ শিক্ষার্থী, স্বীকৃত সাংবাদিক এবং নির্বাচন ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা ছাড়া কাউকে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
পড়ুন: ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন: ভোটার তালিকা ওয়েবসাইটে প্রদর্শন বন্ধ থাকছে
নির্বাচনের সাত দিন আগে থেকে আবাসিক হলে বাইরের কাউকে থাকতে দেওয়া হবে না। নিয়মিত টহলের মাধ্যমে এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। তবে, নারী শিক্ষার্থীদের হলে বাইরের কাউকে কখনও থাকতে দেওয়া হবে না।
ক্যাম্পাসের বাইরে বসবাসকারী শিক্ষার্থীদের জন্য ভোটদানের জন্য বিভিন্ন রুটে অতিরিক্ত বাস ভ্রমণের ব্যবস্থা করা হবে। এই বাসগুলোর সুষ্ঠু চলাচল নিশ্চিত করতে পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা করবে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বরাত দিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। ইতোমধ্যেই টহল দল ও সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোকে সক্রিয় করা হয়েছে।
২৫২ দিন আগে
ডাকসু নির্বাচন: মনোনয়ন প্রত্যাহার ২১ প্রার্থীর, কাল থেকে প্রচারণা শুরু
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ২১ প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। আগামীকাল মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হবে।
সোমবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন এই তথ্য জানান।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘ভোটদানে জটিলতা এড়াতে হল কার্ড, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড, লাইব্রেরি কার্ড বা পে-ইন স্লিপ দিয়ে ভোট দেওয়া যাবে।’
তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো আচরণবিধির লঙ্ঘন হয়নি। এমনটি যেন ভবিষ্যতে না হয় তা নিশ্চিত করতে চিফ রিটার্নিং অফিসার ও তার টিম কাজ করছে। অসমতা বা বৈষম্য দেখা দিলে লিখিত অভিযোগ দিলে আমরা বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেব।’
পড়ুন: ডাকসু নির্বাচনে লড়বে ৯ প্যানেল, প্রার্থিতায় নতুনত্ব
আগামীকাল (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় সব ভিপি, জিএস, এজিএস প্রার্থীদের সঙ্গে সিনেট হলে মিটিং করে আচরণবিধি নিয়ে কথা হবে বলে জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৬ আগস্ট থেকে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা পর্যন্ত ব্যক্তি অথবা সংগঠনের পরিচয়ে হল কিংবা ক্যাম্পাসে প্রচারণা কার্যক্রম চালানো যাবে। তবে এ সময়ের মধ্যে সামাজিক, আর্থিক, সেবামূলক সহযোগিতা বা কার্যক্রম পরিচালনা, মজলিশ-মাহফিল আয়োজন কিংবা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বা প্রাঙ্গণে প্রচার চালানো নিষিদ্ধ থাকবে। এসব কর্মকাণ্ড আচরণবিধি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং ‘নির্বাচন আচরণবিধিমালা’–এর ধারা-১৭ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ৩৮তম ডাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
২৫৩ দিন আগে
আগে ফ্যাসিস্টদের বিচার পরে জকসু নির্বাচন: জবি ছাত্রদল
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ, ফ্যাসিস্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিচার নিশ্চিতের পরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদল। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পূরক বৃত্তির সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার (২৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের নিচে এক মানববন্ধনে এসব দাবি জানান সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
এ সময় মানববন্ধনে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, আমরা জকসু চাই কিন্তু এই ক্যাম্পাসে কোনো গণহত্যাকারী থাকতে পারবে না, কোনো ফ্যাসিস্টের বিচরণ থাকতে পারবে না। একইসঙ্গে ছাত্রদলের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে সম্পূরক বৃত্তির সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিতে হবে।
উপাচার্যকে হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, কুসুম কুসুম আন্দোলন দিয়ে গদি রক্ষার চেষ্টা করবেন না। আমরাও অবরুদ্ধ করতে পারি। আমরা ভিতর রেখে নয়, বাইরে রেখে তালা দেবো। সচিবালয়, ইউজিসিতে যদি কোনো ফাইল লাগে, তবেই তালা খোলা হবে। তার আগে নয়।
পড়ুন: ডাকসু নির্বাচনে শীর্ষ তিন পদে ৯৫ প্রার্থী, ৬০ নারীসহ মোট প্রার্থী ৪৬২
শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, অন্যান্য ক্যাম্পাসে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরদের বিচার করা হয়েছে। কিন্তু এ কাজে জগন্নাথ পিছিয়ে। তাদের বিচার না করে জকসু নির্বাচন দিলে ভোট দেবে ছাত্রলীগ, ভিপি হবে ছাত্রলীগ। আমরা অবশ্যই জকসু নির্বাচন চাই কিন্তু এই সন্ত্রাসী লীগের বিচারের পর। কাল তাদের বিচার করে, পরশুই জকসু নির্বাচন হোক, আমাদের আপত্তি নেই।
তিনি আরও বলেন, একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী জকসু নির্বাচনের নামে শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি সম্পূরক বৃত্তিকে আড়াল করে ফেলেছে। তাদের এই উদ্দেশ্য সফল হবে না।
এ সময় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক জাফর আহম্মদ, সুমন সরদার, শাহরিয়ার হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান রুমি, রুপান্তি রত্না, রাসেল হোসেন, সাখাওয়াতুল ইসলাম পরাগ, নাহিয়ান অনিক, রাশেদ আমিন, রবিউল ইসলাম বক্তব্য দেন। এছাড়া সংগঠনটির বিভিন্ন নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
২৫৩ দিন আগে
দুই দাবিতে ভিসি ভবনে তালা, টানা ৬ ঘণ্টা অবরুদ্ধ ভিসি-ট্রেজারার-প্রক্টর
দুই দফা দাবিতে শিক্ষার্থীরা টানা ছয় ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, প্রক্টর ও রেজিস্ট্রারসহ প্রশাসনিক ভবনের কর্মকর্তাদের।
রবিবার (২৪ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে দুই দফা দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের চলমান ‘নো ওয়ার্ক’ কর্মসূচিতে অবরুদ্ধ রয়েছেন তারা।
এদিন বিকাল সাড়ে ৩টায় দুই দফা দাবিতে ‘নো ওয়ার্ক কর্মসূচি’ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেয় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এ সময় ভেতরে-বাইরে বিভিন্ন রুটিন কাজে আসা ফাইল হাতে নিয়োজিত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এই সংবাদ লেখা পর্যন্ত (রাত ৯টা) ভিসিসহ সকলে অবরুদ্ধ আছে।
শিক্ষার্থীদের দাবি- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নীতিমালা চূড়ান্তকরণ ও রোডম্যাপ ঘোষণা এবং সম্পূরক বৃত্তির চূড়ান্ত ঘোষণা। এর আগে বেলা ১২টার দিকে তারা উপাচার্যের কক্ষের সামনে ‘ব্রেক দ্য সাইলেন্স’ শীর্ষক কর্মসূচি পালন করেন।
পড়ুন: জকসু নির্বাচনসহ দুই দাবিতে জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
শিক্ষার্থীদের এসকল দাবির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একমত। তাদের দাবি যৌক্তিক। জকসুর নীতিমালা সংশোধন করা হয়েছে এখনও হাতে পাইনি, তবে আশা করছি শিগগিরই হাতে পাব।’
তিনি বলেন, নীতিমালা পেলে মঙ্গলবার সিন্ডিকেট মিটিং করে পাস করব। এরপর বুধবার বা বৃহস্পতিবার ইউজিসিতে পাঠানো হবে। অধ্যাদেশ আসলেই রোডম্যাপ ঘোষণা করা সম্ভব হবে। জকসু অধ্যাদেশ হয়ে পাস হয়ে আসলেই আমরা নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করে দেবো।
২৫৪ দিন আগে